সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

1497026553-1ডেস্ক রিপোর্ট : দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটছে। সমাজ প্রতিবাদহীন হয়ে পড়ছে। এই অবস্থার পরিবর্তনে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘কোন পথে বাংলাদেশ’ শিরোনামে এ আলোচনার আয়োজন করা হয়।

সভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমাদের হায়েস্ট প্রায়োরিটি (সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার) হচ্ছে আমাদের দেশে একধরনের অ্যাটমসফেয়ার (পরিবেশ) তৈরি করা। যেখানে আমরা সব ধর্মের সকল ধরনের মানুষ পাশাপাশি বেঁচে থাকব। ইকোনমিক্যালি (অর্থনৈতিকভাবে) তারা ভালো হলো না খারাপ হলো, সেটা পরের ব্যাপার। সম্মান নিয়ে এই দেশে আমার ভাই হিসেবে, বোন হিসেবে থাকতে পারবে।’

জাফর ইকবাল বলেন, ‘তাহলে সুলতানা কামাল আর হেফাজতের একজন নেতাকে পাশাপাশি বসানো হলো কেন? এটা আমি জানতে চাই। আপনাদের টেলিভিশনের প্রচার বাড়ানোর জন্য এই কাজগুলি খুব রগরগে জিনিস করলে মানুষ টেলিভিশন দেখে। এটাই যদি উদ্দেশ্য হয়ে থাকে, তাহলে তো হলো না। আপনারা আপনাদের দায়িত্বটা পালন করবেন, আপনাদের আমি সেই অনুরোধ করছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. অজয় রায় বলেন, ‘এই তরুণ সমাজের প্রতি আবার আহ্বান জানাব, আপনারা রাজপথে নেমে আসুন। বিপ্লব ছাড়া, আন্দোলন ছাড়া কোনো অর্জন গঠিত হয় না। যে অন্যায়গুলো হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। প্রয়োজন হলে আরেকটি গণজাগরণ মঞ্চ গড়ে তুলুন।’

‘সংলাপ সূত্র’ আয়োজিত আলোচনা সভায় হেফাজত ইসলামের দাবির মুখে সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্য সরিয়ে নেওয়া, পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন, সাবেক ত্ত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামালকে হুমকি এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও নির্যাতনের কথা তুলে ধরেন বক্তারা। দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তি ক্রমেই তাদের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হচ্ছে জানিয়ে এ জন্য সরকারেরও সমালোচনা করেন তাঁরা।

সভায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ড. সারোয়ার আলী বলেন, ‘এটি একেবারেই নির্বাচনী কৌশল। এই কথা ভাবতে খুব কষ্ট হয়, যে দলের নেতৃত্বে দেশটি স্বাধীন হয়েছিল, তারা এমন কৌশলটি গ্রহণ করেছে। সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার ঘটেছে এবং উগ্রবাদী ব্যাখ্যা যাঁরা করছেন, তাঁদের দ্বারা তরুণসমাজ আচ্ছন্ন হচ্ছে।’

ভাষাসৈনিক আহমেদ রফিক বলেন, ‘আজকের সমাজকে আমরা যারা লক্ষ করছি, যেটা প্রতিবাদহীন সমাজ। এত ঘটনা ঘটছে, এগুলো কিন্তু প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র নয়।’

বক্তারা বলেন, এসব কারণে সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারীদের অনেকেই দেশ ছাড়ছেন, অনেকে ছাড়তে চাচ্ছেন। সাম্প্রদায়িক শক্তির বিস্তারের কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ আসে। পাশাপাশি অসচেতন রাজনীতিবিদদের সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেন অনেক বক্তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

abe30f4cea57ea122be14d4aee030fee-593ac48608eee২৬৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই কিউই বোলিং তোপে আসা যাওয়ার খেলায় মাতে টাইগাররা। টিম সাউদির শুরুর ওভারের দ্বিতীয় বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরে গেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। মাঝে এক ওভার বিরতি দিয়ে ফের আঘাত হানেন সাউদি। এবার শিকার সাব্বির রহমান। উইকেটের পেছনে রঞ্চির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তরুণ এই ব্যাটসম্যান। এরপর ক্রিজে থেকে কিছু করতে পারেননি আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারও। পঞ্চম ওভারে সাউদির বলেই এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরেন বাঁহাতি এই ওপেনার। মাঝে কিছুক্ষণ প্রতিরোধ দেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন সাকিব আল হাসান ও মুশিফকুর। ১২তম ওভারে এই জুটিকেও ভেঙে দেন পেসার অ্যাডাম মিলনে। দুর্দান্ত এক গতির বোলিংয়ে উপড়ে ফেলেন মুশফিকের স্ট্যাম্প। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৫ রান।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে টিকে থাকতে হলে আজকে জিততেই হবে। এমন পরিসংখ্যান মাথায় নিয়েই টস জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল নিউজিল্যান্ড। শুরুটা ভালো করলেও বাংলাদেশের বোলিং তোপে ধীরে ধীরে ইনিংসের চিত্র পাল্টে দেয় মাশরাফি বাহিনী। তাতেই ৮ উইকেটে ৫০ ওভারে ২৬৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

কার্ডিফে মাশরাফি মুর্তজার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু করেছিল টাইগাররা। যদিও মার্টিন গাপটিল ও লুক রঞ্চির উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছেন তাসকিন আহমেদ। এরপরেই তাদের চেপে ধরে কিউইদের। ১৩তম ওভারে রুবেলের ওভারেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ওপেনার মার্টিন গাপটিল।

মাশরাফি তার বল দিয়ে শুরু থেকে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। প্রথম দুই ওভারে একটি মেডেনসহ মাত্র ১ রান দেন তিনি। তবে মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন বেশ খরুচে। বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলছিল নিউজিল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত রঞ্চিকে ১৬ রানে মিডউইকেটে মোস্তাফিজের ক্যাচ বানান তাসকিন। ভাঙে ৪৬ রানের জুটি। এরপর গাপটিলকে নিয়ে এগোচ্ছিলেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। রুবেলের ওভারে ৩৩ রানে এলবিডাব্লিউ হয়ে বিদায় নেন ওপেনার গাপটিল।

দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় উইকেট জুটিতে সেই চাপ কাটিয়ে উঠে কেন উইলিয়ামসন আর রস টেলরের ব্যাটে। ধীরে ধীরে হুমকি হয়ে ওঠা জুটিই ভুল করে বসে সাকিবের ৩০তম ওভারে। রানের প্রান্ত বদল করতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন কেন উইলিয়ামসন। কিউই অধিনায়ক ফেরেন ৫৭ রানে। অধিনায়ক বিদায় নেওয়ার পর এগিয়ে নিতে থাকেন রস টেলর ও নিল ব্রুম। ৩৯তম ওভারে তাসকিনের বলে আর থিতু থাকতে পারেননি টেলর। তালুবন্দী হন মোস্তাফিজের হাতে। বিদায় নেওয়ার আগে ৬৩ রান করেন তিনি।

তাতেও অবশ্য রানের চাকা সচল থাকে নিউজিল্যান্ডের। রান বাড়াতে থাকেন নিল ব্রুম ও নিশাম। তবে ৪৪তম ওভারে মোসাদ্দেকের বলে সব কিছু পাল্টে যায় কিউইদের। একে একে ফেরেন ব্রুম ও অ্যান্ডারসন। মাঝে এক ওভার বিরতি দিয়ে আবারও আঘাত হানেন মোসাদ্দেক। এবার ফেরেন ২৩ রানে ব্যাট করতে থাকা নিশাম। ৪৯তম ওভারে এরপর মিলনেকে মোস্তাফিজুর রহমান বোল্ড করলে ইনিংস আরও ছোট হয়ে আসে কিউইদের। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ২৬১ রান তোলে নিউজিল্যান্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

06প্রেস বিজ্ঞপ্তি : চারুকলা এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে এ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সভাপতি এম এম জলিল, সহ-সভাপতি আবু সাঈদ, কামরুজ্জামান খোকন, মোঃ শরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান, হাবলু, মহিবুল্লাহ, আরিফুল ইসলামসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

7jwPc1_566তেহরানে সংসদের প্রশাসনিক ভবনে গতকালের সন্ত্রাসী হামলার প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেছে ইরানের জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অস্ত্রধারী তিন সন্ত্রাসী সংসদের প্রশাসনিক ভবনে দর্শণার্থীদের কক্ষে প্রবেশ করে গুলি চালাচ্ছে এবং সাধারণ দর্শণার্থীরা সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি টের পেয়েই দৌঁড়ে পালাচ্ছেন।

ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, একজন দর্শণার্থীর পকেট থেকে একটি কাগজ পড়ে যাওয়ায় তিনি তা উঠাতে গিয়ে শুয়ে পড়েন। আর এ অবস্থাতেই একজন সন্ত্রাসী তার পিঠে গুলি চালিয়ে সরে পড়ে। এরপর ওই ব্যক্তিকে নিস্তেজ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

সংসদের যে ভবনটিতে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে সেখানে সাধারণ মানুষদের জন্য বসার ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়ে দর্শণার্থীরা ওই কক্ষে অপেক্ষা করেন। ওই ভবনটিতে প্রবেশের ফটকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কখনোই কঠোর ছিল না বলে জানা গেছে।

ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সংসদের ওই ভবনে তিন জন সন্ত্রাসী ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে এবং একটি গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটায়। দুই সন্ত্রাসীর শরীরে বিস্ফোরক-বেল্ট বাঁধা থাকলেও নিরাপত্তা বাহিনী তাদেরকে বিস্ফোরণ ঘটানোর সুযোগ দেয় নি। বিস্ফোরণ ঘটানোর আগেই তাদেরকে হত্যা করতে সক্ষম হয় নিরাপত্তা বাহিনী। সূত্র: পারস্ টুডে

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন-

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

05নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার প্রথম অনলাইন সাহিত্য পত্রিকা ‘মাসিক সাহিত্যপাতা’র আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৯জুন) বিকাল সাড়ে ৫টায় সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশন মিলনায়তনে মাসিক সাহিত্যপাতার উপদেষ্টা আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এসময় তিনি বলেন, ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতিমনা মানুষের মধ্যে সকল বৈষম্য দূর করে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ জেলার সাহিত্যাঙ্গণকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে মাসিক সাহিত্যপাতা সাহসী ও আন্তরিক ভূমিকা রেখে চলেছে। ‘মাসিক সাহিত্যপাতা’ একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা হিসেবে সাতক্ষীরার সাহিত্য-সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। ‘মাসিক সাহিত্যপাতা’ ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে সাহিত্য বিষয়ক প্রকাশনা, সাহিত্যসভা, সাহিত্য সম্মেলন, সাহিত্য সম্মাননা ও ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপনসহ সাহিত্য সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বর্তমান সময়ে ‘মাসিক সাহিত্যপাতা’র তরুণ সাহিত্যকর্মীরা এ জেলার সাহিত্য-সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং বেগবান করে তুলতে উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাসিক সাহিত্যপাতার সভাপতি মো. সাকিবুজ্জামান। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকসহ অতিথিবৃন্দের কাছ থেকে ‘মাসিক সাহিত্যপাতা সম্মাননা ২০১৭’ গ্রহণ করেন বিশিষ্ট ছড়াকার আহমেদ সাব্বির।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাহিত্য ও ভাষা গবেষক অধ্যাপক কাজী মুহম্মদ অলিউল্লাহ, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ আজিজুল হক, মাসিক সাহিত্যপাতার উপদেষ্টা আলহাজ্ব মো. আব্দুর রব ওয়ার্ছী, অধ্যাপক মোজাম্মেল হক, দৈনিক কাফেলার চিফ রিপোর্টার এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, জেলা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ম. জামান প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মাসিক সাহিত্যপাতার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক তামান্না জাবরিন, সহ সম্পাদক মোহায়মেনুল আলম মারকোচ, শরিফুল ইসলাম, বাসুদেব ম-ল শুভ, রাকিব হায়দার, আয়েশা খাতুন, কবি শাহিনা কাজল, ওসমান গণি সোহাগ, রোকনুজ্জামান, রবিউল ইসলাম, আল মামুন, হাফেজ মো. ইব্রহিম হোসেন, হাফেজ হাবিবুল বাসার, হা: আনোয়ার হোসাইন, মো. ইব্রাহিম খলিল, জান্নাতুল ফেরদৌস খুশিসহ জেলার বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ইফতারের আগে পরিত্র মাহে রমজান ও যাকাত শীর্ষক আলোচনা ও বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করবেন হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম জিয়া। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাসিক সাহিত্যপাতার সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

04মাহফিজুল ইসলাম আককাজ ঃ সাতক্ষীরা নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক গাজীর  বিদ্যালয়ে যোগদানের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিদ্যালয়ের নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. আমিনুর রহমান উল্লাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক গাজী, সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. সেলিমুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক নাজমুল লায়লা, সাবিনা শারমিন, মো. তৈয়েবুর রহমান, কবীর আহমেদ, শামিম পারভেজ, জাহিদ হাসান, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য শফিকুল ইসলাম, রহমত সরদার, আমিনুর রহমান, আফসারুজ্জামান, প্রাক্তন শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক গাজী ০৯/০৬/১৪ সালে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। আলোচনা সভা শেষে সকলে ইফতার মাহফিলে অংশ নেয়। এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : পবিত্র মাহে-রমজানের মাগফিরাতের ১৩তম দিনে সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবির সৌজন্যে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ১৩  রমজানে শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টারে সাংসদের নিজ উদ্যোগে সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সম্মানে এ ইফতার মাহফিল আয়োজন করেন তিনি। তিনি ইফতারের আগে প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন। উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষের সাথে পবিত্র মাহে রজমানের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি, উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট সমজিদের ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। এসময় উপস্থিত জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সহ-সভাপতি মফজুলার রহমান খোকন, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, সদস্য এপিপি এড. অব্দুল লতিফ, এড. স.ম গোলাম মোস্তফা, ডা. মুনসুর আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ, সাবেক সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমা›ন্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকী, মীর তানজীর আহমেদ, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি সংসদের জেলা সভাপতি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন জসি, এপিপি এড. তামিম আহমেদ সোহাগ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মারুফ হাসান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিছুর রহমান, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ কামরুল হক চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, যুবলীগ নেতা শেখ শফিউদ্দিন সফি, ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, মজনুর রহমান মালি, আগরদাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. মুস্তাফিজুর রহমান শাওনওয়াজ, বল্লী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. বজলুর রহমান, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রমজান আলী বিশ্বাস, শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. শওকত আলীসহ জেলা, সদর ও পৌর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, শহীদ জাতীয় চার নেতা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের রূহের মাগফেরাতও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01গ্রাম বাংলায় একটি কথা আছে। জনপ্রিয় এই বাক্যটি হচ্ছে ‘আমে দুধে মিশে যাবে, আঁটি বাগানে যাবে’। এর অর্থ হলো যে বা যারা মাঝখানে ঢুকে দুইয়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন, তিনি একদিন নিজেই বাদ পড়ে যাবেন। আর বিভাজিতরা নিশ্চয়ই মিলিত হবেন। এক ও অভিন্ন পথ ধরে চলবেন আবারও আগের মতো।
পাঠক প্রশ্ন করতেই পারেন হঠাৎ এই মসলা কেনো আমার মুখে। আমি উত্তর দিতে প্রস্তুত। গত বুধবার আমি শরিক হয়েছিলাম সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসকের দেওয়া ইফতার মাহফিলে। সেখানে যে অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে তা একটু শেয়ার না করলে আম আর দুধের রহস্য উদঘাটন করা যাবে না। জেলা প্রশাসকের ওই ইফতারিতে ভিআইপি টেবিলে অনেকের মধ্যে দুই নেতা সবার নজর কেড়েছিলেন। দুইজন পাশাপাশি চেয়ারে বসেছিলেন। এক সাথে একই সময়ে একই উপকরন নিয়ে ইফতার করলেন তারা। মোনাজাত করলেন। নামাজ আদায় করলেন। কিন্তু অবাক বিষ্ময়ের ব্যাপার কেউ কারও দিকে ফিরেও  তাকালেন না। কুশল বিনিময় দুরে থাক কেউ কারও সাথে কথাও বললেন না। মনে হলো কেউ কাউকে চেনেন না। অথবা চিনলেও একে অন্যের শত্রু। যে দুই ব্যক্তির কথা বলছি তারা দুজনেই আমাদের খুব কাছের মানুষ। সরকার দলীয় রাজনীতির অঙ্গনে তারা সরকারের খুব নিকটের লোক। তাদের একজন হলেন ১৯৮৬ ও ১৯৯১ এর সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ  প্রশাসক এবং দীর্ঘকালের সেক্রেটারির পদ অলংকৃত করে রাখা ব্যক্তি বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।  তিনি বারবার আমাদের ভোট নিয়েছেন। আরেকজন হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। কিছুদিন আগ পর্যন্ত তিনি ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। তিনিও আমাদের ভোট নিয়েছেন বারবার। এ দুজনের কেউ কারও চেয়ে কম জনপ্রিয় নন। দুজনেই আমাদের ভোট  নিয়েই হয়েছেন জনপ্রতিনিধি। তাদেরকে আমরা দেখেছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বেড়াতে। একই দলের ছত্রছায়ায় তাদেরকে হাঁটতে দেখেছি। দেখেছি তাদের দলে শামিল হবার জন্য আমজনতাকে আহবান জানাতে। এক সাথে রাজপথে মিছিল করেছেন তারা। এক সাথে মানুষের কাছে ভোট চেয়েছেন তারা। একসাথে আন্দোলন করেছেন তারা। এক সাথে দল গুছিয়েছেন। একসাথে নির্বাচনও করেছেন তারা। সেদিন তাদের মধ্যে এতো মিল মহব্বত দেখেছি  আর আজ কি দেখলাম কেউ কারও সাথে কথা নাহি কয়। পবিত্র রমজানের শিক্ষা কি তা নিয়ে যদি ব্যাখ্যা করি তবে একটি কথা বলতে পারি রমজান শেখায় ভ্রাতৃত্ব , রমজান শেখায় মহান আল্লাহর প্রতি নিজেকে পুরোমাত্রায় সমর্পন। রমজান শেখায় ইসলামের আদর্শের প্রতি নিজেকে সমর্পন। আমাদের আলোচ্য দুই নেতা নিশ্চয়ই রমজানের সেই শিক্ষা গ্রহন করেছেন। আর সেই শিক্ষার বলে বলীয়ান হয়ে তারা জেলা প্রশাসকের দেওয়া ইফতারে শরিক হয়ে রমজানের পবিত্রতা , ভ্রাতৃত্ব রক্ষা করতে অগ্রসর হয়েছেন। দেশ ও জাতির জন্য তারা এক সাথে অভিন্ন ভাষায় মোনাজাত করেছেন। তাহলে কেনো মুখ ফিরিয়ে থাকা।
এই দুই নেতাকে আমরা  বহুকাল ধরে দেখে আসছি। তাদের চলার পথ আদর্শ সবকিছুর সাথে আমাদেরও ঘনিষ্ঠতা। কিন্তু মাঝখানে একটি নির্বাচনই তাদের মধ্যে ছেদ ঘটিয়ে দিয়েছে। এ নির্বাচনে জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনসুর আহমেদ প্রার্থী হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ তাকে কেন্দ্রীয়ভাবে মনোনয়ন দিয়েছিল।  তার হাতে ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার চিঠি। অপরদিকে একই পদে প্রার্থী হয়েছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। তিনি দলের কেন্দ্রিয় সমর্থন পাননি। তবু ফলাফলে মুনসুর  আহমেদ হেরে গেলেন, আর জিতে গেলেন নজরুল ইসলাম। সেই যে দুজনের মুখ না দেখাদেখি শুরু হয়েছে তার শেষ যেনো কিছুতেই নামছে না ।  এখানে দুটি প্রশ্ন আমার মাথায় আসছে। ১. জেলা পরিষদ নির্বাচন যদি না হতো তাহলে কি হতো। ২. জেলা পরিষদ নির্বাচনে ফল যদি উল্টো হতো অর্থাৎ মুনসুর আহমেদ জিতে যেতেন এবং নজরুল ইসলাম হেরে যেতেন তাহলে কি হতো।  আমার বিশ্বাস মুখ দেখাদেখি বন্ধ হতো না। তাহলে কি বুঝবো যে জেলা পরিষদ নির্বাচনই তাদের মধ্যে ছেদ ঘটিয়ে দিয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখের সে ভোটযুদ্ধ তো শেষ হয়ে গেছে। যুদ্ধের পর তো আমরা সবাই এক জায়গাতেই আছি, সাথে রয়েছে শুধু সেদিনকার ফলাফলটা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা তো আর নেই।  হারজিতের পালা তো সেদিনই শেষ । দেরিতে হলেও দুজনে মিষ্টিমুখ করেছেন। কোলাকুািল করে বুকে বুক মিলিয়েছেন। তাহলে আবার কেনো বিমুখ হয়ে থাকা। দেখা হলেও কথা হলো না কেনো।
এই দুই নেতা গত ৪ মে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছুটেছেন। দলের নেত্রী তাদের ডেকেছিলেন। নেত্রীর হয়ে তাদের সাথে কথা বলেছেন দলের সেক্রেটারি সেতুমন্ত্রি ওবায়দুল কাদের। তাদের মধ্যে আবারও মিল ঘটিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন দলের ভবিষ্যত গঠনের কথা। নির্বাচনের কথা। আবারও এক কাতারে এক সাথে দলকে এগিয়ে নেওয়ার কথা। দুই নেতা বিনাশর্তে তাতে সায় দিয়েছেন । বুকে বুক মিলিয়েছেন। নিজেদের ভুল নিজেরাই শুধরে নিয়েছেন। করমর্দন করে জানান দিয়েছেন যে তারা  এক ও অভিন্ন পথে এগিয়ে যাবেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারন করে তারা আগের মতোই দল গোছাবেন। ২০ মে তারিখে তারা আবারও বসেছিলেন ঢাকায়। পরদিন প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের নির্ধারিত দিনও ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে যাওয়ায় সে কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়নি। এতোসবের পরও দুই নেতার মধ্যে বিভেদ কেনো। কেনো এই বিভাজন। সামনে তো নির্বাচন। ঘর গোছানোর পালা তো এখন। এখন তো মান অভিমানের সময় নয়। মান অভিমান সবই তো শেষ হয়ে গেছে ২৮ ডিসেম্বর ভোটাভুটির দিনে।
আমরা দেখতে চাই আম আর দুধের মিল। আমরা দেখতে চাই সেই আঁটি বাগানে নির্বাসিত হোক। পবিত্র রমজান মাসে ইবাদতের সওয়াব আল্লাহ বৃদ্ধি করে দেন। এই রমজানেই হোক তাদের মিলন মেলা। আরেকটি ইফতারে বসে  আমরা দেখতে চাই আম আর দুধের মহামিলন। আমজনতা হিসাবে আমরা যারা তাদের ভোটার তাদেরই  এ প্রত্যাশা।  অপেক্ষায় থাকছি সেই দিনটির। সেই ইফতারের। যেদিন আমে দুধে মিশে যাবে , আঁটি বাগানে যাবে।
সুভাষ চৌধুরী : সাতক্ষীরা ডিস্ট্রিক্ট করেসপনডেন্ট, দৈনিক যুগান্তর ও এনটিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest