সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতি

e5c7a76253fb871fa3d28d8fd2ead03f-5922c1319b194সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত আরব-ইসলামিক-আমেরিকান শীর্ষ সম্মেলনে ইরানবিরোধী অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ।

রবিবার (২১ মে) অনুষ্ঠিত এ শীর্ষ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সন্ত্রাসবাদবিরোধী সৌদি জোটের ৪১টি রাষ্ট্রসহ ৫৫টি দেশের শীর্ষ ও উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার (২০ মে) রিয়াদে পৌঁছান।

সম্মেলন শেষে যৌথ বিবৃতিতে ইরানের উদ্দেশে বলা হয়, ইরান সরকার মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এসময় অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইরানের নাক গলানোর প্রচেষ্টার নিন্দা জানানো হয়।

যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলো এ অঞ্চলের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এসব দেশ ইরানের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘২০১৫ সালের মার্চে বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসে ইয়েমেনে সৌদি সামরিক অভিযানকে সর্বান্তকরণে সমর্থন করে। রিয়াদের শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন দেখে ধারণা করা হয়েছিল, ইরানবিরোধী বক্তব্য এখানে প্রাধান্য পাবে এবং সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে।’

এ শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের উপস্থিতি ইরানবিরোধী অবস্থান বলে প্রতীয়মান হয় কিনা, জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রতিটি দেশের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ আছে এবং বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বের অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি দেশ সৌদি আরব। দেশটিতে প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত।’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মতের মিল বাংলাদেশকে আরও সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

বিষয়টি ব্যাখা করতে গিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী নীতির প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনমূলক মনোভাব ঢাকাকে এ দু’টি দেশের কাছাকাছি নিয়ে যাবে।’

২০১৪ সালের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সমালোচনা করেছিল। তবে আগামী জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক মনোভাব চাইবে সরকার।

বাংলাদেশকে সামরিক সহযোগিতা দিতে হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সবসময় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে সামরিক সহযোগিতা দিয়ে এসেছে। কিন্তু এখন সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের প্রকাশ্য অবস্থান হচ্ছে—পবিত্র শহর মক্কা বা মদিনা হামলার শিকার হলে বাংলাদেশ সৈন্য পাঠাতে প্রস্তুত।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৌদি আরবে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোমেন চৌধুরী বলেন, ‘সৌদি আরবকে অসন্তুষ্ট করলে বাংলাদেশের জন্য অনেক অসুবিধা তৈরি হবে।’ ১৯৯০ সালের উদাহারণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কুয়েত যুদ্ধে সৌদি আরবকে সমর্থন দেয়নি ইয়েমেন এবং সে কারণে কয়েক দিনের ব্যবধানে ১০ লাখ ইয়েমেনি শ্রমিককে সৌদি আরব থেকে বিতারিত করা হয়।’

সাবেক এই রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নির্বাচনি প্রচারের সময় থেকেই ইরানের বিরোধিতা করে আসছিলেন এবং সৌদি আরবের সঙ্গে মিলে সেটি একটি বর্ধিত রূপ পেয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি ছোট রাষ্ট্র। তাই জাতীয় স্বার্থকে মাথায় রেখেই আমাদের কূটনীতি চালাতে হবে। যেমন, সৌদি আরব বা ইরান কেউ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি। ফলে ঢাকার পক্ষে এদের কারও বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াটা কঠিন।’

বর্ষীয়ান এই কূটনীতিক বলেন, ‘সৌদি আরবের এই জোট ইরানবিরোধী একটি রূপ নিয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এ প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেওয়ার সামিল।’ পরবর্তী সময়ে যেন দু’পক্ষের কারও প্রতিই পক্ষপাতিত্ব না করতে হয়, সেজন্য এখন থেকেই বাংলাদেশের আগ্রাসী কূটনীতি অবলম্বন করা উচিত বলে মত দেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bf517aa174dbc3e6f32ac27a426d55cf-59229e2a4f22cলিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে হামলায় ১৪১ জন নিহত হয়েছেন। ‘লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি’র দাবি,  নিহতদের অধিকাংশই তাদের গোষ্ঠীর অনুগত সেনা। স্থানীয় বিদ্রোহী নেতা খলিফা হাফতার লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির শীর্ষ ব্যক্তি।
মার্কিন হস্তক্ষেপে লিবিয়ার সমাজতন্ত্রপন্থী শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পাঁচ বছর পরেও থেমে থেমে সে দেশে লড়াই চলছে। এক দিকে রয়েছে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের বাহিনী। অন্য দিকে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
বিদ্রোহী নেতা খলিফা হাফতারের মুখপাত্র দাবি করেছেন, শনিবার বারাক আল-শাতি বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে অতর্কিতে হামলা চালায় সরকারের অনুগত বাহিনী। তখন কুচকাওয়াজ থেকে ফিরছিলেন বিদ্রোহী সেনার বেশ কিছু সদস্য। তাদের অনেকে নিরস্ত্রও ছিলেন। এ হামলায় ওই ঘাঁটিতে কাজ করেন এমন কিছু স্থানীয় বাসিন্দাও নিহত হয়েছেন।
বিদ্রোহী নেতা খলিফা হাফতারের ‘লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি’ জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের কর্তৃত্ব স্বীকার করে না। পূর্ব লিবিয়ায় ঘাঁটি গেঁড়ে থাকা বিদ্রোহী ‘সরকারের’ মদত রয়েছে তাদের পিছনে। সম্প্রতি আবুধাবিতে দু’পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে। তার মধ্যেই বারাক আল-শাতিতে হামলার নিন্দায় সরব হয়েছে বিশ্বও।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত মার্টিন কবলার ও লিবিয়ায় ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার মিলেট দোণীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
পূর্ব লিবিয়ার বিদ্রোহী ‘সরকার’ জানিয়েছে, এই হামলায় আবুধাবির শান্তি সমঝোতা লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই পাল্টা ব্যবস্থা নিতে নিজেদের বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন তারা। দক্ষিণ লিবিয়ায় সব বিরোধী মিলিশিয়াকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

কূটনীতিকরা বলছেন, দক্ষিণ লিবিয়ার প্রধান শহর সেওয়ায় ‘থার্ড ফোর্স’-এর একটি বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে এক মাস আগে হাফতারের বাহিনী হামলা চালিয়েছিল। তার বদলা নিতেই এ হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

WP_20170521_22_00_22_Pro (Large)
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া ব্যাটারি ও ইঞ্জিনচালিত মোটর ভ্যান, নসিমন , করিমন, আলমসাধু আটকের অভিযানের প্রতিবাদ, ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের মধ্যে সরকারি খাস জমি ও জলমহল ইজারা প্রদান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে শিক্ষার পরিবেশ বিঘœকারি বাইপাস সড়কের সংযোগ ও পশ্চিম পাশে ট্রাক টার্মিনাল বন্ধসহ ১০দফা দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০ টায় জেলা নাগরিক কমিটি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এক স্মারকলিপি প্রদান করে। মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আনিসুর রহিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমাণ্ডের সভাপতি মোশারফ হোসেন মশু, জেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, নাগরিক কমিটির সদস্য আনোয়ার জাহিদ তপন, সাবেক অধ্যক্ষ আশেক-ই এলাহী, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালিদুর রহমান, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য জেলা রিক্সা-ভ্যান শ্রমিক ঐক্য সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, গণফোরমের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাংগঠণিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের একাংশের সভাপতি সুধাংশু শেখর সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমাণ্ডের সাধারণ সম্পাদক লায়লা পারভিন সেজুতি, স্বদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের একাংশের সমন্বায়ক নিত্যানন্দ সরকার, রিক্সা ভ্যান শ্রমিক নেতা রেজাউল ইসলাম, মোমিন হাওলাদার, হাবিবুর রহমান মিলন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, গত ১৫ মে থেকে প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যাটারি ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানসহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন আটক করে তাদের রুটি রুজির পথ বন্ধ করে দিয়েছে। কর্মহীন হয়ে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ ছাড়া স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ সকলকে আগের ভাড়ার তুলনায় তিনগুন খরচ করে পায়ে চালিত ভ্যান, ইজিবাইক বা ইজিবাইকে করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে হচ্ছে। অনেক সময় শহরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ওইসব যানবাহন যেতে অপারগতা প্রকাশ করায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাই ব্যাটারি চালিত ভ্যান, ইঞ্জিন চালিত ভ্যান, নসিমন, করিমনসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে বিকল্প যানবাহন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। গত এক সপ্তাহে পুলিশের অভিযানে আটককৃত ওইসব যানবাহন তাদের প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। এ ছাড়া পৌরসভার বাইরে ওইসব যানবাহন চলাচলের উপর কোন নিষেধাজ্ঞা না রাখার আহবান জানান বক্তারা। তবে যানবাহন ধরার পর ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের ব্যাপক অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ করা হয়। বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিং এর প্রতিকারের আবেদন জানান বক্তারা। দুপুর ১২টায় মানববন্ধন শেষে অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলুর নেতৃত্বে একটি মিছিল সাতক্ষীরা কালেক্টরেট অফিসে যাওয়ার সময় সদর থানার সামনে পুলিশ তা আটকে দেয়। একপর্যায়ে নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এক স্মারকলিপি পেশ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক বিদ্যুতের সমস্যা শুধুমাত্র সাতক্ষীরার সমস্যা নয়,একটি বৃহত্তর সমস্যা উল্লেখ করে সমস্যা সমধানে কি কি কাজ করা হচ্ছে তার ব্যাখ্যা দেন। সাতক্ষীরাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সুন্দর করে গড়ে তুলতে ব্যাটারি ভ্যানের পরিবর্তে রিক্সা প্রচলনে উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। নাভারন থেকে মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন নির্মানের কাজ, ২০১০ সালে যেভাবে বাইপাস সড়কের নক্সা করা হয়েছিল সেভাবেই কাজ চলছে বলে জানান। তবে প্রয়োজনে বাইপাস সড়কের নক্সার পরিবর্তন আনতে স্থানীয় সাংসদের নিয়ে উদ্যোগ নেওয়ার কথা তুলে ধরেন। তবে সাতক্ষীরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, ভোমরা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গবন্দরে রুপান্তর ও সকল ধরণের পণ্য এ বন্দর দিয়ে আমদানি ও রপ্তানির বিষয়টি আলোচিত হয়। সুন্দরবনকে ঘিরে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বেতনা, প্রাণসায়র, মরিচ্চাপ, সাপমারা, লাবণ্যবতীসহ সকল নদী ও খাল খনন করে জোয়ার ভাটা চালুর স্বপক্ষে যশোরের ঠিকাদারদের আধিপত্য থাকায় কিছুটা সমস্যার কথা তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক। এ ছাড়া জেলার খারাপ হয়ে যাওয়া রাস্তাঘাট মেরামত ও মেডিকেল কলেজ পূর্ণাঙ্গ রুপে চালু করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে বলে জেলা প্রশাসক উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

New Image2 copy

ডেক্স রিপোর্ট: ঢাকার শাহবাগে জয়ন্তী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে অংশগ্রহণ করেন সাতক্ষীরা ছেলে সন্তান কামরুজ্জামান সোহাগ। ‘আলোকিত মানুষ হব, সুন্দর পৃথিবী গড়ব’ শ্লোগানের মধ্যদিয়ে রবিবার শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরীর ভিআইপি সেমিনার হলে রবীন্দ্র- নজরুল জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিৃসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার কলারোয়ার কৃতি সন্তান কামরুজ্জামান সোহাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sat-1
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  সাতক্ষীরায় ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের মধ্যদিয়ে প্রাণ ও প্রকৃতির বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রতিবাদে ‘প্রকৃতি বন্ধন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবস ও প্রাণ ও প্রকৃতির বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম এই প্রকৃতি বন্ধনের আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সদস্যরা মুখে বিভিন্ন প্রাণি, গাছ ও নদীর মুখোশ পরে নির্ভরশীল অন্যান্য প্রাণ ও প্রকৃতির প্রতি প্রতীকী শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।  এতে মাছের মুখোশ পরে তাপস বলে, আমি মাছ। আমি নদী ও জলাশয়ের কাছে কৃতজ্ঞ। নদী বেঁচে থাকুক। বিউটি পাখির মুখোশ পরে বলে, আমি পাখি। আমি গাছের কাছে কৃতজ্ঞ। গাছ না বাঁচলে আমি খাবো কী? থাকবো কোথায়? মুরাদ বাঘের মুখোশ পরে বলে, আমি বাঘ। আমি বাংলাদেশের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাকে জাতীয় পশুর মর্যাদা দিয়েছে। নাছির গরুর মুখোশ পরে বলে, আমি গরু। আমি আমন ধানের খড়ের প্রতি কৃতজ্ঞ। এসব খেয়েই আমার ক্ষুধা দূর হয়। ওমর ফারুক বলে, আমি আমন ধান। আমি মাটির কাছে কৃতজ্ঞ। এই মাটিই আমাকে বড় হওয়ার রসদ জোগায়। বাহলুল করিম বলে, আমি গাছ। আমি মানুষসহ সকল প্রাণির কাছেই কৃতজ্ঞ। তারা বুক ভরে আমার অক্সিজেন নেয়। সৃষ্টি বলে, আমি প্রজাপতি। আমি মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাকে নিয়ে নাচ ও গান করে মানুষ। রনি বলে, আমি নদী। আমি মাছ, মানুষ, ডলফিন, কুমীর সবার কাছে কৃতজ্ঞ। তারা আমার শরীরে সাঁতার কাটে, নৌকা বায়। মানুষ আমাকে নিয়ে গান গায়, সিনেমা বানায়।  ফজলু বলে, আমি মানুষ, আমি গাছের কাছে কৃতজ্ঞ, গাছ অক্সিজেন না দিলে আমি বেচে থাকতে পারতাম না। অনুষ্ঠানে এভাবেই বাস্তুসংস্থানে পারস্পারিক নির্ভরশীলতার সম্পর্ককে স্বীকার করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সভাপতি শেখ তানজির আহমেদের সঞ্চালনায় ব্যতিক্রমধর্মী এই অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে আরও বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, মানবাধিকার সংগঠন স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধবচন্দ্র দত্ত, সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, তুজরপুর কৃষক ক্লাবের সভাপতি ইয়ারব হোসেন, বারসিকের গবেষণা সহকারী সাইদুর রহমান প্রমুখ। এদিকে, সাতক্ষীরার শ্যামনগরেও আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবস এবং প্রাণ ও প্রকৃতির বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে প্রকৃতি বন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন শ্যামনগরের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদিদ। বক্তব্য রাখেন, বারসিক কর্মকর্তা পার্থ সারথী পাল, সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিমের সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4526799-4378094760-Tigerনিজস্ব প্রতিবেদক : সুন্দবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের তালপট্টি এলাকায় মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে শবদুল খাঁ ওরফে খোকন খাঁ (৫৫) নামের এক মৌয়াল নিহত হয়েছেন। নিহত খোকন খাঁ শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের আইজউদ্দিন খাঁর ছেলে। সোমবার ভোর সাড়ে ৫টায় সুন্দরবনের তালপট্টি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় ইউপি সদস্য আবিয়ার রহমান জানান, তিন দিন আগে বনবিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে বৈধ পাশ নিয়ে খোকন খাঁ, আব্দুর রাজ্জাক, আলমগীরসহ কয়েকজন মৌয়াল তালপট্টি এলাকায় মধু সংগ্রহ করতে যান। সোমবার ভোরে হঠাৎ একটি বাঘ তাদের নৌকায় আক্রমন করে খোকন খাঁকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে তার সহকর্মীরা। বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা বেলাল হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imagesঅপ্রতিম : ভোমরা স্থলবন্দরের সি এন্ড এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের কাস্টমস্ বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ঘোষকে অন্যায়ভাবে যশোর ডি.বি ও.সি ইমাউল হক ও এস.আই লুৎফার রহমান কর্তৃক হয়রানির প্রতিবাদে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পুলিশ ও বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রধানদের নিকট স্মারকলিপি পাঠানো হয়েছে।
এ সংক্রান্ত এক যৌথ সভা এসোসিয়েশনের নিজস্ব অফিস ভবনে গতকাল রবিবার অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব আলহাজ্জ্ব কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু।
ভোমরাস্থ সকল সংগঠনের যৌথ সভায় এ ঘটনায় মহাপুলিশ পরিদর্শক বরাবর পত্র প্রেরণ এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের ব্যবস্থা, অন্যায়ভাবে আর কোন বন্দর সংশ্লিষ্ট নিরীহ ব্যবসায়ীদের যদি এরূপ ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় তাহলে সকল ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে কঠোর আন্দোলনে যাওয়া হবে এবং উক্ত ঘটনায় প্রয়োজনে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করতে হবে মর্মে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এসংশ্লিষ্ট স্মারকলিপিতে যা উল্লেখ করা হয়েছে :
গত ১৭/০৫/১৭ খ্রি: তারিখ রোজ বুধবার যশোর ডি.বি কর্তৃক পাল বাড়ি মোড়ে আনুমানিক বিকাল ৬ ঘটিকায় মাইক্রোবাস ৮৫৮৫ নং থেকে এস আই লুৎফার রহমান দীপংকর ঘোষকে সম্পূর্ন অন্যায়ভাবে চোঁখ বেঁধে ডি. বি কার্যলয়ে নিয়ে যায়। ডি.বি ও.সি জনাব ইমাউল হক সাহেবের সাথে আলাপ করে দীপংকর ঘোষের সাথে থাকা লোকজনের নিকট ২০,০০,০০০ (বিশ লক্ষ) টাকা দাবি করেন। অন্যথায় তাকে সোনা চোরাকারবারী, মদ, গাঁজা, ফেন্সিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলা জড়িয়ে দিবে বলে হুমকি প্রদর্শন করেন। উল্লেখ্য, এস আই লুৎফার রহমান ইতিপূর্বে সাতক্ষীরা জেলা ডি.বি কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।

এমতাবস্থায় এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সধারণ সম্পাদকসহ ডি.বি ও.সি এবং এস আই লুৎফার রহমান এর সাথে যোগাযোগ করলে পরের দিন ১৮/০৫/১৭ খ্রি: তারিখে সকাল ১০ ঘটিকার সময় যাওয়ার জন্য বলেন। যথাসময়ে ভোমরা সি এন্ড এফ এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জন কর্মকর্তা ডি.বি কার্যালয়ে পৌঁছালে ডি.বি ও.সি দেখা না করে এস আই লুৎফার রহমান এর মাধ্যমে বৃহৎ অংকের টাকা দাবি করলে কর্মকর্তাগণ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এস আই লুৎফার বলেন, “ও.সি সাহেবের নির্দেশ আমার কিছুই করার নাই।” তখন কর্মকর্তাগণ ফিরে আসেন। পরবর্তীতে বড় অংকের টাকার লেনদেনের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা থেকে পরিত্রাণ এবং জীবন রক্ষার্থে দীপংকরের পরিচিতজন তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০/০৫/১৭ খ্রি: শনিবার সকাল ১১.০০ ঘটিকায় ভোমরা স্থল বন্দরের সকল সংগঠনের কর্মকর্তাগণকে নিয়ে এক জরুরি সভা করে উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করা হয়।
এমতাবস্থায় জনাবের নিকট বিনীত নিবেদন উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভোমরাস্থ সকল সাধারণ ব্যবসায়ীদের জোর নিরাপত্তা প্রার্থনা কামনা করছি।
ভোমরা কাস্টমস্  সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম স্বাক্ষরিত স্মারকলিপির সাথে যৌথ সভার রেজুলেশনের কপি সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু এবং মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম ডেইলি সাতক্ষীরাকে জানান, “আমরা আমাদের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। একজন সৎ ব্যবসায়ীকে এভাবে হয়রানি করা হলে সংগঠন চুপ করে বসে থাকতে পারে না। আমরা আশা করছি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হবে এবং ভবিষ্যতে আমাদের ব্যবসায়ীদের সততার সাথে শানিআতপূর্ণভাবে ব্যবসা করতে গিয়ে কোন হয়রানির শিকার হতে হবে না।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sat-1নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রাণ ও প্রকৃতির বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রতিবাদে ‘প্রকৃতি বন্ধন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবস ও প্রাণ ও প্রকৃতির বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম এই প্রকৃতি বন্ধনের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সদস্যরা মুখে বিভিন্ন প্রাণি, গাছ ও নদীর মুখোশ পরে নির্ভরশীল অন্যান্য প্রাণ ও প্রকৃতির প্রতি প্রতীকী শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
এতে মাছের মুখোশ পরে তাপস বলে, আমি মাছ। আমি নদী ও জলাশয়ের কাছে কৃতজ্ঞ। নদী বেঁচে থাকুক।
বিউটি পাখির মুখোশ পরে বলে, আমি পাখি। আমি গাছের কাছে কৃতজ্ঞ। গাছ না বাঁচলে আমি খাবো কী? থাকবো কোথায়?
মুরাদ বাঘের মুখোশ পরে বলে, আমি বাঘ। আমি বাংলাদেশের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাকে জাতীয় পশুর মর্যাদা দিয়েছে।
নাছির গরুর মুখোশ পরে বলে, আমি গরু। আমি আমন ধানের খড়ের প্রতি কৃতজ্ঞ। এসব খেয়েই আমার ক্ষুধা দূর হয়।
ওমর ফারুক বলে, আমি আমন ধান। আমি মাটির কাছে কৃতজ্ঞ। এই মাটিই আমাকে বড় হওয়ার রসদ জোগায়।
বাহলুল করিম বলে, আমি গাছ। আমি মানুষসহ সকল প্রাণির কাছেই কৃতজ্ঞ। তারা বুক ভরে আমার অক্সিজেন নেয়।
সৃষ্টি বলে, আমি প্রজাপতি। আমি মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাকে নিয়ে নাচ ও গান করে মানুষ।
রনি বলে, আমি নদী। আমি মাছ, মানুষ, ডলফিন, কুমীর সবার কাছে কৃতজ্ঞ। তারা আমার শরীরে সাঁতার কাটে, নৌকা বায়। মানুষ আমাকে নিয়ে গান গায়, সিনেমা বানায়।
ফজলু বলে, আমি মানুষ, আমি গাছের কাছে কৃতজ্ঞ, গাছ অক্সিজেন না দিলে আমি বেচে থাকতে পারতাম না।
অনুষ্ঠানে এভাবেই বাস্তুসংস্থানে পারস্পারিক নির্ভরশীলতার সম্পর্ককে স্বীকার করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।
শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সভাপতি শেখ তানজির আহমেদের সঞ্চালনায় ব্যতিক্রমধর্মী এই অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধবচন্দ্র দত্ত, সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, তুজরপুর কৃষক ক্লাবের সভাপতি ইয়ারব হোসেন, বারসিকের গবেষণা সহকারী সাইদুর রহমান প্রমুখ।
এদিকে, সাতক্ষীরার শ্যামনগরেও আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবস এবং প্রাণ ও প্রকৃতির বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে প্রকৃতি বন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন শ্যামনগরের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদিদ। বক্তব্য রাখেন, বারসিক কর্মকর্তা পার্থ সারথী পাল, সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিমের সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest