সর্বশেষ সংবাদ-
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালাকয়রায় ক্রয়কৃত জমির ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরণ

সরকারি কলেজে রোভার এর ইফতার অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে রোভার স্কাউট ওন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের আয়োজনে রোভার ডেনে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি কলেজ রোভার নেতা আ.ন.ম গাউছার রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ ও গ্রুপ সভাপতি প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমার। সিনিয়র রোভার মেট মোঃ আরিফুল ইসলামের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামের ইতিহাস বিভাগের মোহাঃ আল মুস্তানছির বিল্ল্যাহ, মোঃ মোখলেছুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের মোঃ সাইদুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র রোভার মেট মোঃ মেহেদী হাসান, গার্ল ইন সিনিয়র রোভার মেট শাহানা শাহরিন জুহি, সম্পাদক মোঃ আজিমুল ইসলাম, সদস্য ইয়াকুব আলী, আল-মামুন, সাইদুর, মেহেদী, হারুন অর রশিদসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লন্ডন হামলা ; এক অসাধারণ ইমামের মানবিকতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : লন্ডনের হামলায় জনতার হাতে আটক লোকটিকে যখন অন্যরা লাথি মারছিল, তখন একজন এসে সবাইকে থামালেন। তাঁকে চিৎকার করতে দেখা যাচ্ছিল, ‘কেউ তাকে স্পর্শ কোরো না, কেউ স্পর্শ কোরো না।’ প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, লন্ডনের ওই সন্দেহভাজন হামলাকারীর প্রাণে বেঁচে যাওয়ার কারণ ওই ব্যক্তির সাহস ও পরিস্থিতি শান্ত করার ক্ষমতা। লন্ডনের সোমবারের সন্ত্রাসী হামলা ঘটনার অহিংস নায়ক হলেন স্থানীয় এক মসজিদের ইমাম। ব্রিটেনের গণমাধ্যমে তাঁকে বর্ণনা করা হচ্ছে লন্ডনের মর্মান্তিক সন্ত্রাসী হামলার বিপক্ষের বীর।
ঘটনাটা ঘটেছিল দ্রুত। একটি সাদা ভ্যান দ্রুতগতিতে উঠে যায় তারাবির নামাজ পড়ে ফিরতে থাকা মানুষজনের ওপর। এ ঘটনায় নিহত হন একজন প্রবাসী প্রবীণ বাংলাদেশি, আহত হন অন্তত ১০ জন। গত সোমবার লন্ডনের ফিন্সবাড়ি পার্ক এলাকায় তারাবির নামাজের পর মসজিদ-ফেরতা লোকদের ওপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার সময় হামলাকারী চিৎকার করে বলছিল, ‘আমি সব মুসলমানকে হত্যা করতে যাচ্ছি।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িতে তিন ব্যক্তি ছিলেন। দুজন পালাতে পারলেও মসজিদের মুসল্লিদের হাতে একজন আটক হন।
হামলাকারীকে আটক করায় জড়িত ছিলেন তিনজন। তাঁদের একজন স্থানীয় এক ক্যাফের মালিক ২৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ বলেন, ‘ওই ইমামের কারণেই হামলাকারী লোকটি এখনো জীবিত আছে।’ মোহাম্মদ বলেন, ধরা পড়া ব্যক্তির প্রাণরক্ষায় স্থানীয় ইমামের ভূমিকা ছিল প্রশংসাজনক। তিনি রোজার মাসে সবাইকে সংযম ধারণ করার আহ্বান জানান। হামলাকারীর কোনো ক্ষতি করা থেকে তিনি ক্ষুব্ধ জনতাকে বিরত করেন। পরে পুলিশ এসে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে।
দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ওই ইমামের নাম মোহাম্মদ মাহমুদ। ফিন্সবারি পার্কের মুসলিম ওয়েলফেয়ার হাউসের নির্বাহী কর্মকর্তা ইমাম মোহাম্মদ মাহমুদের প্রশংসা করে বলেন, তাঁর কারণেই হামলার পরের পরিস্থিতি শান্ত করা গেছে এবং সম্ভাব্য আরেকটি জীবননাশের ঘটনা এড়ানো গেছে। ইমাম মাহমুদ ওই এলাকার মুসলিম ওয়েলফেয়ার হাউসের ইমাম।
ক্ষিপ্ত জনতার আক্রমণ থেকে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে রক্ষার জন্য ওই ইমামের ‘সাহস ও দৃঢ়তা’ প্রশংসিত হচ্ছে। প্রশংসাকারীদের মধ্যে রয়েছে লন্ডনের পুলিশ বিভাগ এবং শহরটির মেয়র সাদিক খান।
ব্রিটেনের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন হামলার পরপরই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এই নেতা বলেন, ‘আমি একে অন্যান্য হামলার মতোই অতীব গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।’ উল্লেখ্য, হামলাটি হয় তাঁর নির্বাচনী এলাকায়।
মুসলিম ওয়েলফেয়ার হাউসের নির্বাহী কর্মকর্তা তৌফিক কাসিমি বলেন, ‘এই ফিন্সবারি পার্ক এলাকায় আমরা বহুদিন ধরে শান্তিময় ও প্রীতিময় পরিবেশ তৈরি জন্য পরিশ্রম করে আসছি এবং আমরা আমাদের সমাজের মধ্যে বিভক্তির যেকোনো চেষ্টার নিন্দা জানাই।’
সূত্র: বিবিসি, গার্ডিয়ান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন উদ্যমে আওয়ামীলীগ

বিশেষ প্রতিবেদন : একটা সময় হয়তো কেউ মনে করতে পারেনি আওয়ামী লীগ দলটি আবার বাংলাদেশে সরকার গঠন করতে পারবে। কারণ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা পর এ দলটিতে তেমন কেউ ছিলনা যে আবার সরকার গঠন করবেন। এ দলটি ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর জননেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুল হকের নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
শুরুতে এই দলের নাম ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ থাকলেও পরবর্তীতে ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি গ্রহণের মাধ্যমে ১৯৫৫ সালে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল হিসেবে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’ নামকরণ করা হয়।
১৯৫২ সালে মায়ের ভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনের ধারবাহিকতায় আসে ৫৪ সালের নির্বাচন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে এদেশের মানুষ।
কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানিদেরহীন চক্রান্তের ফলে মেয়াদ উত্তীর্ণের পূর্বেই ভেঙে দেওয়া হয় মন্ত্রিসভা। শুরু হয় লাগাতার গণতান্ত্রিক আন্দোলন। ৬২-এর গণবিরোধী শিক্ষানীতি বাতিল, ৬৬-এর বাঙালি মুক্তি সনদ ৬-দফা ঘোষণার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিণত হন।
তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করে এবং দায়ের করা হয় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। তাঁকে গ্রেফতার করে সম্পন্ন করা হয় ফাঁসিতে ঝুলানোর যাবতীয় আয়োজন। কিন্তু বাঙালি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাদের প্রিয় নেতাকে কারাগার থেকে মুক্ত করেন। শেখ মুজিব অভিষিক্ত হন ‘‘বঙ্গবন্ধু” উপাধিতে।
তারপর ৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ লাভ করে ইতিহাসের নজিরবিহীন সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তবু ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি পাকিস্তানিরা। অবশেষে আসল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ৭১ সালের ৭ মার্চ। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ঘোষণা, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’।
২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়ে মরণপণ মুক্তির সংগ্রামে। অবশেষে দীর্ঘ ৯ মাসের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ২ লাখের মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অভ্যুদ্বয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধুর সরকার স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল তখনই স্বাধীনতা বিরোধীচক্র আন্তর্জাতিক শক্তির সহায়তায় ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে। জেলখানায় জাতীয় চারনেতাকে হত্যার মাধ্যমে এই সংগঠনটিকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়।
১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেই। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নবউদ্যামে সংগঠিত করেন। তারই ধারাবাহিকতায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬-এর সরকার গঠন করে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। ২০০৮ সালে পুনরায় সরকার গঠন করে ‘রূপকল্প ২০২১’-এর আলোকে মধ্যম আয়ের সুখী-সমৃদ্ধশালী ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখান এবং ২০১৪ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ‘রূপকল্প ২০৪১’-এর আলোকে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তার নেতৃতত্ব এখন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। এখন তার রাষ্ট্রনীতি বুঝতে চেষ্টা করেন বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এর স ম আলাউদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সোমবার বিকালে সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্র্রি’র নিজস্ব কার্যালয়ে আধুনিক সাতক্ষীরার স্বপ্নদ্রষ্টা সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সাবেক সভাপতি স. ম. আলাউদ্দিন এর ২১তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু’র সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চেম্বার অব কমার্সের ঊর্দ্ধতন সহ-সভাপতি এনছান বাহার বুলবুল, সহ-সভাপতি শেখ কামরুজ্জামান মুকুল, পরিচালক কাজী মনিরুজ্জামান মুকুল, শেখ আবুল বাশার পিয়ার, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শেখ কামরুল হক চঞ্চল, গোলাম আজম, দীনবন্ধু মিত্রসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ব্যবসায়ীরা। দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কোর্ট মসজিদের পেশ ইমাম শেখ ফিরোজ আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীর্ষে ধাওয়ান, আছেন তামিমও

এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দুহাত ভরে দিয়েছে ব্যাটসম্যানদের। গ্রুপ পর্বের প্রথম দশ ম্যাচের পাঁচটিতেই হয়েছে তিনশো পেরনো ইনিংস। টুর্নামেন্টে হেসেছে ব্যাটসম্যানদের ব্যাট। যদিও তিনশর ওপরে রান মাত্র দুজনের। আর অল্পের জন্য তিনশর কোটা ছোঁয়া হয়নি সেমিতে বাড়ির পথ ধরা তামিম ইকবালের।

এক নজরে দেখে নেয়া যাক আসরের সেরা পাঁচ রান সংগ্রাহককে-

শেখর ধাওয়ান
পাঁচ ম্যাচে ৬৭.৬০ গড়ে ৩৩৮ রান তুলেছেন শেখর ধাওয়ান। ভারতীয় উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান আছেন সবার ওপরে। দুই অর্ধশতকের পিঠে হাঁকিয়েছেন একটি শতক। সর্বোচ্চ ইনিংসটি ১২৫ রানের। যদিও ফাইনালে হাসেনি তার ব্যাট, হাসেনি ভারতও।

রোহিত শর্মা
সেরা পাঁচের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যানটিও ভারতের। ধাওয়ানের উদ্বোধনী সঙ্গী রোহিত শর্মা। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেমিফাইনালে অপরাজিত ১২৩ রানের ইনিংসটি তাকে তুলে দিয়েছে তালিকার দুইয়ে। ফাইনালসহ পাঁচ ম্যাচে ৩০৪ রান করেছেন রোহিত, গড় ৭৬! এক শতকের সঙ্গে তারও আছে দুটি ফিফটি। যথারীতি ফাইনালে জ্বলে উঠতে পারেননি তিনিও।

তামিম ইকবাল
সেরার তৃতীয় স্থানটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য গর্বের। ৪ ম্যাচে ৭৩.২৫ গড়ে ২৯৩ রানে সেরা তিনে অবস্থান তামিম ইকবালের। টাইগার উদ্বোধনী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যর্থ হওয়া ছাড়া পুরো আসরেই লাল-সবুজদের ব্যাটিং ভার বয়েছেন। এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ইনিংসটি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে ১২৮ রানের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯৫ ও এবং ভারতের বিপক্ষেও আরো একটি ফিফটি আছে তামিমের।

জো রুট
দিনে দিনে আরো পরিপূর্ণ ব্যাটসম্যান হওয়ার ছাপটা আইসিসির আসরেও বজায় রেখেছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান জো রুট। ৪ ম্যাচে এক সেঞ্চুরি এবং এক ফিফটিতে ৮৬ গড়ে ২৫৮ রান এসেছে রুটের ব্যাটে।

বিরাট কোহলি
পাকিস্তানের বিপক্ষে ফাইনালে প্রয়োজনের মুহূর্তে ব্যর্থ ভারতীয় কাপ্তান বিরাট কোহলি আছেন তালিকার পাঁচে। আসরে তিনটি ফিফটি হাঁকানো কোহলির সর্বোচ্চ অপরাজিত ৯৬। এই আসরেই গড়েছেন দ্রুততম ৮ হাজার রানের মাইলফলক। ভারতীয় কাপ্তানের সংগ্রহ ২৫৮ রান, গড় ১২৯!

সেরা দশে থাকা অন্য ব্যাটসম্যানরা হলেন- ফাইনাল সেরা ফখর জামান (২৫২), কেন উইলিয়ামসন (২৪৪), আজহার আলি (২২৮), ইয়ন মরগান (২০৮) ও বেন স্টোকস (১৮৪)। আর ১৬৮ রান নিয়ে ১১তম অবস্থানে সাকিব আল হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে এক কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে উপজেলার পুটুলিয়া গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কলেজ ছাত্রীর নাম আনজুয়ারা খাতুন (২০)। সে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ইংরেজি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ও কলারোয়া উপজেলার পুটুলিয়া গ্রামের সোহরাব হোসেনের স্ত্রী। তাদের সাত মাস বয়সের মিম নামের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তবে, আঞ্জুয়ারা তার মায়ের উপর অভিমান করে আত্মহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন পুলিশ ও স্থানীয়রা।
আনজুয়ারার বাবা যশোর জেলার নির্বাসখোলা ইউনিয়নের বাউশা গ্রামের কওছার আলী জানান, গত ২০১৩ সালে কলেজ ছাত্র সোহরাব হোসেনের সাথে তার মেয়ে আনজুয়ারার বিয়ে হয়। বিবাহিত জীবনে তারা সুখেই ছিলো। মেয়ে আনজুয়ারা সাতক্ষীরা শহরের একটি ছাত্রী নিবাসে থেকে লোখাপড়া করত। মাঝে মধ্যে নিজ বাড়ি এসে পরিবারের সাথেও সময় কাটাতো।
নিহতের স্বামী সোহরাব হোসেন জানান, গত চার দিন আগে তার স্ত্রী আনজুয়ারা সাতক্ষীরা থেকে বাড়ি আসে। স্ত্রীর সাথে তার কোন ঝগড়া বিবাদও হয়নি। অন্যান্য দিনের মত রোববার রাতে ভাত খেয়ে তারা সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। সেহরির সময় ঘুম থেকে উঠে ঘরের চালে উড়না পেচিয়ে ঝুলান্ত অবস্থায় তার স্ত্রীকে তিনি দেখতে পান। এসময় তার আতœচিৎকারে বাড়ির সাবাই ছুটে এসে আনজুয়ারাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানান, আনজুয়ারার বাবা গরীব মানুষ। অভাবের তাড়নায় স্কুলে অধ্যায়নরত অবস্থায় তার বিয়ে দেন। আনজুয়ারা ছোট বেলা থেকেই মেধাবী ছিলো। রমজানমাসে জামাই ও পরিবারের সাথে সময় না দিয়ে লেখাপড়া নিয়ে শহরে ব্যস্ত থাকায় তার মায়ের সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়। এছাড়া তার (আনজুয়ারার) মা তাকে লেখা পড়ায় নিরুৎসাহিত করে সন্তান মানুষ করার বিষয়ে বার বার তাগিদ দিতো। এসব কারনে মেধাবী আঞ্জুয়ারা তার মায়ের উপর অভিমান করে আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, নিহত আনজুয়ারার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে, কি কারনে আনজুয়ারা আতœহননের পথ বেছে নিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় এখনও কেউ থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে কারণে ইফতারে নাশপাতি খাবেন

ইফতারে ভাজাপোড়া জাতীয় খাবারের থেকে তাজা আর স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উত্তম। আর সে হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফলমূল রাখা যেতে পারে ইফতারের তালিকায়। খেজুর, শসা, কমলা, মাল্টার পাশাপাশি যে ফলটি বেশি থাকে আমাদের ইফতারের থালায় সেটি হচ্ছে নাশপাতি। টক-মিষ্টি স্বাদের এই রসালো ফলটি অনেকেরই প্রিয়। চলুন জেনে নেই ইফতারে নাশপাতি কেন রাখবেন।
চীনে ফুসফুসের চিকিৎসায় নাশপাতি ব্যবহার করা হয়। নাশপাতির জুস গলা পিচ্ছিল করে, কফ এবং ভাইরাল সংক্রমণ কমায়। অনেকেই মনে করেন, গ্রীষ্মে প্রচন্ড গরমে ফুসফুসে কফ জমে। ফলে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। নাশপাতিতে এ্যান্টিঅক্সিজেন গ্লোটাথায়ন থাকার কারণে এটি গলাকে পিচ্ছিল করে এ ধরণের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
ফলের ক্যালোরি প্রাকৃতিক চিনি থেকে আসে। এদিক থেকে পুরোপুরি নিরাপদ নাশপাতি। এটা সর্বনিম্ন ক্যালোরির ফল। রসাল একটি নাশপাতি থেকে গড়ে ১০০ ক্যালোরি মিলতে পারে, এর বেশি নয়।

অন্যান্য ফলের মতো নাশপাতিও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। এই উপাদানের উপকারিতার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। বিভিন্ন রোগের আক্রমণ ঠেকাতে দেহকে শক্তিশালী করে তোলে।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর ভিটামিন ‘সি’-এর কারসাজিতে কিন্তু দেহের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বেড়ে যায়। এরা রক্তের শ্বেতকণিকার সংখ্যা ও কার্যক্রম বাড়ায়। এমনিতেই ঠাণ্ডা-সর্দি, ফ্লু ছাড়াও সাধারণ কিছু রোগ নাশপাতিই সামলে নিতে পারে।
উচ্চমাত্রার খনিজের তালিকায় রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম আর কপার। এসব উপাদান হাড়ের খনিজ হারানো রোধ করে। হাড়ের স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়।
যাদের দেহে প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি রয়েছে তারা নাশপাতির শরণাপন্ন হতে পারেন। কপার ও আয়রনের জন্য এই ফল আপনার দেহের জন্য দারুণ উপকারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধোনির বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার

স্পোর্টস ডেস্ক : ২০০৭ সালে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হারের পর কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। তাদের বাড়িতে হামলা করে বসেছিলেন সমর্থকরা। তাই ক্রিকেটারদের বাড়িতে জোরদার করা হয়েছিল নিরাপত্তা। সেই দুঃস্মৃতি এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় মহেন্দ্র সিং ধোনি, শচীন টেন্ডুলকার, বীরেন্দর শেবাগ, রাহুল দ্রাবিড়দের।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে হার কি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেন ভারতীয় সমর্থকরা? চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে সরফরাজ আহমেদের দলের কাছে ১৮০ রানে পরাজিত হয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ওই ম্যাচে ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন ধোনি। মাত্র ৪ রান করতেই হাসান আলির কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন তিনি।

ধোনির বাড়িতে তাই এবারও হামলা হতে পারে। এই আশঙ্কা ভারতীয় পুলিশের। তাই রাঁচিতে অবস্থিত তার বাড়িতে জোরদার করা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। ২০১৪ সালে পাকিস্তানের কাছে ভারত হেরে গেলে ধোনির বাড়িতে হামলা করে বসেছিলেন ক্ষৃব্ধ সমর্থকরা।
প্রসঙ্গত, প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ওঠে পাকিস্তান। আর প্রথম চেষ্টায়ই সফল সরফরাজের দল। অচেনা ফাখর জামানের সেঞ্চুরিতে ভর করে চার উইকেটে ৩৩৮ রান তোলে পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ আমিরের তোপে পড়ে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানে অলআউট হয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest