সর্বশেষ সংবাদ-
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালাকয়রায় ক্রয়কৃত জমির ধান নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে উপকারভোগীর মাঝে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বিতরণ

tamim-120170616193923দারুণ ছন্দেই আছেন তামিম ইকবাল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আবারও নিজের জাত চেলালেন তিনি। সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ৮২ বলে ৭টি চার ও একটি ছক্কায় ৭০ রান করেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার।

এবার চারটি ম্যাচ খেলেছেন তামিম ইকবাল। ব্যাট করেছেন চার ইনিংস। সেই চার ইনিংসে তার রান সংখ্যা ১২৮, ৯৫, ০ ও ৭০। সব মিলে তামিম নামের পাশে যোগ করেন ২৯৩ রান।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুর্দান্ত পারফর্ম করায় তামিম ইকবালকে দলে পাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে এসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব। আসন্ন ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে তামিমকে দলে চায় ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের দলটি।

ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট শুরু হবে আগামী ৭ জুলাই। ইংল্যান্ডের এই টুর্নামেন্টটি চলাকালীন বাংলাদেশের কোনো সিরিজ নেই। তাই এসেক্স ঈগলসের হয়ে খেলতে পারেন তামিম। দীর্ঘ দুই মাসের বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরবেন তিনি।

প্রসঙ্গত, এর আগেও ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন তামিম। ২০১১ সালে। সেবার নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে ৫টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশি এই ওপেনার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

AAAHgd_poliscহেলমেট পরেননি খোদ আবগারি দফতরের ওসি। তাই তাঁকে জরিমানা করলেন ট্রাফিক পুলিশের ওসি। আর তা নিয়ে রাস্তার উপরেই বিবাদ গড়াল প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে। দু’জনেই তারপরে একে অপরের বিরুদ্ধে কর্তব্যরত অবস্থায় মারধরের অভিযোগ তুলেছেন।

বৃহস্পতিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রায়গঞ্জ জেলা আদালত থেকে দফতরের কাজ সেরে বাইকে চেপে রায়গঞ্জ কর্ণজোড়ায় দফতরের জেলা কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন আবগারি দফতরের রায়গঞ্জের ওসি অংশুমান চক্রবর্তী। পুলিশের দাবি, তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না। ট্রাফিক পুলিশের রায়গঞ্জের ওসি জামালুদ্দিন আহমেদ তাঁকে শিলিগুড়ি মোড় এলাকার ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয়ের সামনে দাঁড় করিয়ে ১০০ টাকা জরিমানা দাবি করেন।

দু’জনেই সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসার। অংশুমানের দাবি, তিনি ভুল স্বীকার করে নিজের পরিচয় দিয়ে জরিমানা না করতে জামালুদ্দিনকে অনুরোধ করেন। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, জামালুদ্দিন সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে তিনি কত বড় অফিসার, তা দেখে নেবেন বলে হুমকি দেন। অংশুমান বলেন, ‘‘এর পরেই জামালুদ্দিন আমার বাইকের সিটে ডান পা তুলে বাইকটি বাজেয়াপ্ত করার হুমকি দেন।

আমি প্রতিবাদ করতেই তিনি আমার জামার কলার ধরে টানতে টানতে গালে চড় মেরে ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয়ে ঢোকানোর চেষ্টা করেন।’’ জামালুদ্দিনের পাল্টা দাবি, ‘‘কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। হেলমেট না পড়ায় ওই অফিসারের কাছে জরিমানা চাইতেই তিনি আবগারি দফতরের নাম করে আমাকে হুমকি দিয়ে আমার কলার টেনে ধরে ধাক্কাধাক্কি করেন।’’

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ জামালুদ্দিন ও অংশুমানের মধ্যে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে গোলমাল চলে। তাঁদের গোলমাল দেখতে ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয় সংলগ্ন রায়গঞ্জ বালুরঘাট রাজ্য সড়ক ও ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বহু মানুষ ভিড় জমান। স্থানীয় ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নয়ন দাস ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’জনকে সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

এরপর হেলমেট না পড়ার অভিযোগে অংশুমানের কাছ থেকে ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন জামালুদ্দিন। ওই ঘটনার পর অংশুমান উত্তর দিনাজপুরের পুলিশ সুপারের কাছে জামালুদ্দিনের বিরুদ্ধে তাঁকে কর্তব্যরত অবস্থায় মারধরের অভিযোগ জানিয়েছেন। জামালুদ্দিনও রায়গঞ্জ থানায় অংশুমানের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা পুলিশ সুপার অমিতকুমার ভরত রাঠৌরের দাবি, ‘‘অংশুমান মৌখিক অভিযোগ জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ আবগারি দফতরের জেলা সুপারিনটেন্ডেন্ট তপনকুমার মাইতির বক্তব্য, ‘‘কেউ ট্রাফিক আইন অমান্য করলে পুলিশ মামলা বা জরিমানা আদায় করতেই পারেন। কিন্তু পুলিশ কখনওই কাউকে হেনস্থা বা মারধর করতে পারে না। অংশুমানকে ট্রাফিক পুলিশের ওসির বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছি।’’ সূত্র: আনন্দ বাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dNsfRF_oprsheatreভিন্ন স্বাদের সংবাদ : বাইশ বছরের এক যুবকের শরীর থেকে অস্ত্রোপচার করে জরায়ু, ডিম্বাশয়, সারভিক্সের মতো স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ বাদ দিলেন চিকিৎসকরা। বিস্ময়কর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানের উদয়পুরের একটি হাসপাতালে।

গাইনাকোলজিস্ট শিল্পা গয়াল বললেন, তার চিকিৎসক জীবনে তিনি এই প্রথম এ ধরনের কোনও অস্ত্রোপচার করলেন। এ পর্যন্ত মাত্র ৪০০টি এ ধরনের রোগীর নাম উল্লেখ আছে চিকিৎসা ইতিহাসে।

শুক্রাশয়ের সমস্যা নিয়ে প্রথম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ওই যুবক। কিন্তু পরীক্ষার সময় চিকিৎসকরা অবাক হয়ে যান দেখে যে, তার শরীরে পুরুষ প্রজনন অঙ্গের সঙ্গেই উপস্থিত রয়েছে স্ত্রী প্রজনন অঙ্গও।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই যুবক পারসিসটেন্ট মিউলেরিয়ান ডাক্ট সিনড্রোম বা পিএমডিএস রোগে ভুগছিলেন। যারা এই সিনড্রোমের শিকার, তাদের শরীরে পুরুষ এবং স্ত্রী, দুটি প্রজনন অঙ্গই বর্তমান থাকে। ভ্রুণ যখন গর্ভাবস্থায় তৈরি হয়, তখনই সন্তান ছেলে হলে স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ আলাদা হয়ে যায়। এই রোগের শিকার হলে তা আর হয় না। ফলে শরীরে দুটি প্রজনন অঙ্গই থেকে যায়।

ওই যুবকের মা–বাবা জানিয়েছেন, তারা প্রথম থেকেই ছেলের এই রোগের কথা জানতেন। কিন্তু এবার তার বিয়ের বয়স হওয়ায় চিকিৎসার উদ্যোগ নেন। সফল অস্ত্রোপচারের পর এখন সুস্থ আছেন যুবক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

uLFVu1_siri36আগামী রবিবারই শ্যুটিংয়ের জন্য উড়ে যাচ্ছেন লন্ডন। ছবির প্রচার শ্যুটিং, প্যাকিং… সব মিলিয়ে প্রবল ব্যস্ততা। সর্বোপরি রাজ-শুভশ্রী ব্রেকআপ! জীবনের নানা প্রেক্ষিত নিয়ে সোজাসাপটা শুভশ্রী। একটি সাক্ষাৎকারের মাধমে শুভশ্রী যা জানালের তার ভক্তদের।

প্র: এ বছর তো আপনার পরপর ছবি!
উ: হ্যাঁ, যদি ‘ধূমকেতু’ রিলিজ করে, তা হলে ছ’টা ছবি মুক্তি পাবে এ বছর। ‘আমার আপনজন’, ‘বস টু’, ‘নবাব’, ‘দেখ কেমন লাগে’, ‘চালবাজ’। ছবিগুলো মুক্তি পাচ্ছে খুব ইন্টারেস্টিং ভাবে। ‘আমার আপনজন’ কমার্শিয়াল ছবি, কিন্তু ভীষণ আরবান। যেখানে বিদেশে গিয়ে নাচগান বা আকাশে উড়ে গিয়ে ফাইট হয় না। ‘বস টু’ পুরোপুরি লার্জার দ্যান লাইফ। আবার ‘দেখ কেমন লাগে’ হল রম-কম। সোহম আছে আমার বিপরীতে। দারুণ ইন্টারেস্টিং একটা গল্প।

প্র: কী রকম গল্পটা?
উ: উত্তর কলকাতার দুই প্রতিবেশী পরিবারের দুটি ছেলেমেয়ে খুব ভাল বন্ধু। তার পর তাদের মধ্যে প্রেম হয় কি হয় না, তা নিয়েই ছবিটা। খুব মজাদার গল্প। বুম্বাদার বাড়িতে যে দিন স্ক্রিপ্ট শোনা হচ্ছিল, আমি শুনতে-শুনতে এত হেসেছি যে, দেখে বুম্বাদা বলল, যাক আমাদের পরিশ্রম সার্থক।

প্র: ছবিতেও কি দর্শক শুভশ্রীর বিখ্যাত হাসি দেখতে পাবে?
উ: (প্রচণ্ড হাসতে-হাসতে) না-না, ‘গুঞ্জা’ (শুভশ্রীর চরিত্র) খুব কাম অ্যান্ড কমপোজড।

প্র: সিনেমায় উত্তর কলকাতার মেয়ে মানেই তো টিপিকাল ইমেজ, ছবি এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে ট্রান্সফর্মেশন, চুড়িদার থেকে আধুনিকা! গুঞ্জাও তাই?
উ: হ্যাঁ, গুঞ্জা চুড়িদার পরে ঠিকই, কিন্তু তাতে ও খুব স্মার্ট। আর ওর লুকে কোনও বদল আসবে না।

প্র: ‘নবাব’, ‘চালবাজ’ দুটোই তো বাংলাদেশি নায়ক শাকিব খানের বিপরীতে?
উ: হ্যাঁ। আর ঈদে কিন্তু আমার দুটো ছবি রিলিজ করছে, ‘বস টু’ আর ‘নবাব’ (শুধু বাংলাদেশে)।
আরও পড়ুন:ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকেই আছে যারা বন্ধুত্বের নামে পিঠে ছুরি বসায়

প্র: এই ছবিগুলো কি বাংলাদেশি দর্শকের কথা ভেবে করছেন?
উ: (একটু ভেবে) না, আমার তো মনে হয়, শাকিবের এখানেও সফল হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। ছবির গল্পও ভাল। আর হ্যাঁ, বাংলাদেশে আমাদের বিরাট ফ্যান ফলোয়িং আছে। টলিউডের অভিনেতাদের অদ্ভুত ক্রেজ ওখানে।

প্র: আর কী-কী ছবি করছেন?
উ: ‘চালবাজ’-এর পর একটু ব্রেক নেব। তা না হলে আমি পাগল হয়ে যাব! পরপর শ্যুটিং, প্রোমোশন নিয়ে এত ব্যস্ত আমি যে, জিম পর্যন্ত করতে পাচ্ছি না।

প্র: তাই বোধ হয় ফোটোশ্যুটের জন্য মেকআপ করতে বসে হাই তুলছিলেন?
উ: (আবার একচোট হাসি) হ্যাঁ, ‘বস টু’-এর রিলিজের ঠিক আগেই চলে যাচ্ছি লন্ডন। তাই চাপ খুব বেশি। ঘুম খুব কম হচ্ছে। টেনশনও আছে।

প্র: কেরিয়ারের ক্ষেত্রে নায়িকা শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় কতটা অ্যাগ্রেসিভ?
উ: আমি না ঠিক এ ভাবে ভাবি না। (কয়েক মুহূর্ত বিরতি নিয়ে) কথাটা হয়তো খুব ক্লিশে শোনাবে, কারও ফেলিওর আমার সাকসেস হতে পারে না।

প্র: একজনকে ফার্স্ট হতে গেলে, অন্যদের তো পিছনে আসতে হবেই!
উ: আজ যদি কেউ আমাকে বলে, তোমার হাতে এতগুলো ছবি আছে, তাই তুমি নাম্বার ওয়ান। আবার হতে পারে, সামনের বছর আমার হাতে কোনও ছবিই নেই! তখন আমাকে কী বলা হবে? ‘পরান যায় জ্বলিয়া রে’-র পর দেড় বছর আমার হাতে কোনও কাজ ছিল না। আমি যদি সেটাকেই নিজের ডেস্টিনি ভেবে নিতাম, তা হলে তো এগোতে পারতাম না। দশ বছর হয়ে গেল ইন্ডাস্ট্রিতে। তাই বুঝেছি, এগুলো ভীষণ টেম্পোরারি। আর ‘পরান…’ করার পর যদি ওই সময়টা জীবনে না আসত, তা হলে বর্তমান সময়ের মাহাত্ম্য বুঝতে পারতাম না। আমি কাজে বিশ্বাস করি। অন্য জন কী কাজ করছে বা সে কী ভাবে কাজটা পাচ্ছে, তা নিয়ে মাথা ঘামালে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব না।

প্র: আপনি তো স্করপিও। স্করপিয়ানরা কিন্তু খুব…
উ: (প্রশ্ন শেষ করার আগেই) খুব রিভেঞ্জফুল হয় তো? কিন্তু আমি একটুও নই। ভগবানকে আমি সম্পূর্ণ বিশ্বাস করি। মানুষ রিভে়ঞ্জ কখন নেয়, যখন কোনও কিছু তার মতো করে হল না। কিন্তু আমার ভাবনাটা অন্য। জীবন আমার মতো করে নাও চলতে পারে। ভগবানের উপর ছেড়ে দিই সব কিছু। আর একটা কথা বলি, স্করপিয়ানদের মতো গভীরতাও কিন্তু অন্য কারও মধ্যে থাকে না।

প্র: তাই কি বিচ্ছেদের পর রাজ চক্রবর্তীর প্রতি আপনার কোনও ক্ষোভ নেই?
উ: দেখুন, আমাকে দেখে এখন কেউ বলবে না যে, আমি একটা ব্রেকআপের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আসলে, কোনও খারাপ মুহূর্তের মধ্য দিয়ে গিয়েছি, এটাই মন থেকে মুছে ফেলতে চাই। তাই এই ব্যাপারটাকে এড়িয়ে গিয়েছি বা বলতে পারেন জীবন থেকে বাদ দিয়েছি। নেগেটিভ কোনও কিছু বা মনখারাপকে আঁকড়ে আমি বাঁচতে চাই না। আমি সব সময় হ্যাপি থাকতে ভালবাসি।

প্র: সেটা করা তো সহজ নয়!
উ: জীবনটা খুব ছোট। আমার চারপাশে যারা আছে, চাই তারা যেন আমার কাছ থেকে পজিটিভ ভাইবস পায়। সেখানে যদি আমি ব্রেকআপ নিয়ে মনখারাপ করে বসে থাকি, আমার নেগেটিভিটিটাই কিন্তু সবার কাছে পৌঁছবে। যেটা আমি চাই না।

প্র: রাজ সম্পর্কে কী বলবেন?
উ: আই রেসপেক্ট হিম। হি ইজ আ ভেরি নাইস হিউম্যান বিয়িং বললে কম বলা হয়, হি ইজ অ্যান অ্যামেজিং পার্সন। আমরা খুব পজিটিভ ভাবে আমাদের সম্পর্কটা শুরু করেছিলাম, পজিটিভ নোটেই সেটা শেষ করলাম।

প্র: আপনাদের ব্রেকআপের কারণটা কী?
উ: কেন সম্পর্কটা শেষ হল, কীসের জন্য, সেই প্রশ্নটা আমি নিজেকেই করতে চাই না। যে দিন ব্রেকআপ হয়েছিল, তার পর থেকে ওই প্রশ্নটা আমার কাছে নিষ্প্রয়োজন। আর রিলেশনশিপে ব্রেকআপ কি খুব অস্বাভাবিক? আমি শুধু রাজের সঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলোই মনে রাখতে চাই। আর যে খবরগুলো বাইরে রটেছে, ও আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে, আমি গায়ে আগুন দিয়েছি, এগুলো বাজে রটনা।

প্র: আপনি তো খুব ডেডিকেটেড প্রেমিকা। সে ক্ষেত্রে এই সম্পর্কটার গোড়াতেই কি গলদ ছিল?
উ: ভালবাসার ক্ষেত্রে জাজমেন্টাল হওয়া উচিত নয়। লাভ ইজ ব্লাইন্ড!

প্র: রাজের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নাকি আপনার বাড়িতেও আপত্তি ছিল?
উ: না, এটা খুব বাজে কথা। আমার বাড়ি প্রথম থেকেই রাজকে মেনে নিয়েছিল। আমার বাবা-মাকে না বলে আমি কোনও দিন কিছু করিনি।

প্র: দেবের সঙ্গে ব্রেকআপ, তার পর রাজ। আপনার কি মনে হয় না, পার্সোনাল লাইফ কোথাও পিছু টানতে পারে কেরিয়ারকে?
উ: না, আমি অত স্ট্র্যাটেজিক্যালি ভেবে চলতে পারি না। ভালবেসেছি যখন, মন দিয়ে ভালবেসেছি। যে দিন সরে এসেছি, পুরোপুরি সরে এসেছি। তার পর যা হবে, ঈশ্বর জানেন।

প্র: এতটা মনের জোর কোথা থেকে পান?
উ: এটা না বলা সত্যিই খুব ডিফিকাল্ট। জীবনে ভাল সময় আসে, খারাপ সময় আসে। ওই ভাঙাচোরা রাস্তাগুলো পেরোনোর সময় কী ভাবে যে শক্তি পেয়ে যাই, তার উত্তর আমার কাছেও নেই। মনে হয়, ভগবান আর পরিবারের কাছ থেকে পাই, যারা সব সময় আমার পাশে। সূত্র ও সাক্ষাৎকার: আনন্দ বাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1497614416ক্রিকেট বিশ্বে বহুল প্রতীক্ষিত ও আকাঙ্ক্ষিত এক লড়াইয়ের নাম পাক-ভারত মহারণ। সারা বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ থাকে ক্রিকেটের এই লড়াইয়ে। রাজনৈতিক বৈরী এই দুটি দেশের ক্রিকেট লড়াই সব সময়ই জিভে জল এনে দেওয়ার  মতো। তবে এখন অনেকটাই জৌলুস হারিয়ে ফেলেছে পাক-ভারতের ক্রিকেটযুদ্ধ। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে ভারতের ক্রিকেট, আর একই সময়ে উল্টোভাবে পিছিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেটের যাত্রা।

এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও ভারত-পাকিস্তানে ক্রিকেট লড়াই হয়েছে। গ্রুপ পর্বের সেই ম্যাচে সহজেই জয় পেয়েছে ভারত। বিরাট কোহলির দলের কাছে হারের পর অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান। দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে যায় সরফরাজ আহমেদের দল। আর ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শিরোপাপ্রত্যাশী ইংল্যান্ডকে হারায় দলটি। বাংলাদেশকে হারিয়ে ভারতও উঠে গেছে ফাইনালে। ১৮ জুন শত্রুভাবাপন্ন এই দুটি দেশের ফাইনালের লড়াইটা হবে ওভালে। এর আগে আসুন দেখে নেই স্মৃত্মির অন্তরালে চলে যাওয়া ভারত পাকিস্তানের কয়েকটি ফাইনাল ম্যাচের টুকরো অংশ।

বেনসন অ্যান্ড হেজেস ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ ১৯৮৫

অস্ট্রেলিয়ার অঙ্গরাজ্য ভিক্টোরিয়ার ইউরোপ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ১৫০তম বর্ষ উপলক্ষে ক্রিকেট বিশ্বের সাত টেস্ট খেলুড়ে দলকে নিয়ে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এই সিরিজের ফাইনালে দেখা হয় ভারত ও পাকিস্তানের। এশিয়া কাপ বা দ্বিপক্ষীয় কোনো সিরিজের বাইরে ফাইনালে এটি ভারত-পাকিস্তানের প্রথম সাক্ষাৎ। এই টুর্নামেন্টেই প্রথম দিবারাত্রির ক্রিকেট শুরু হয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে কপিল দেব ও লক্ষণ শিবরামকৃষ্ণের বোলিং তোপে পড়ে মাত্র ১৭৬ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন জাভেদ মিয়াদাদ। এ ছাড়া ইমরান খান ৩৫, ওয়াসিম রাজা ২১, মুদাসসর নজর করেন ১৪ রান। কপিল দেব ২৩ রানে তিনটি ও শিবরামকৃষ্ণ  ৩৫ রানে নেন তিন উইকেট। জবাবে দারুণ ব্যাটিং করে ভারত। কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত ও রবি শাস্ত্রী উদ্বোধনী জুটিতেই তুলে নেন ১০৩ রান। এরপর বাকি কাজটুকু বেশ ভালোভাবেই সারেন আজহারউদ্দিন ও দিলীপ ভেং সরকার। ভারত ম্যাচটা জিতে নেয় ৮ উইকেটে।

অস্ট্রেলেশিয়া কাপ ১৯৮৬

এশিয়ার তিন দল ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা আর অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে শারজায় অনুষ্ঠিত হয় এই টুর্নামেন্টটি। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তিনবার এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তিনবারই শিরোপা জেতে পাকিস্তান। প্রথম আসরেই ফাইনালে মুখোমুখি হয় ভারত ও পাকিস্তান। টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত, সুনীল গাভাস্কার ও ভেংসরকারের ব্যাটিং বীরত্বে ২৪৫ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় ভারত। গাভাস্কার ৯২, শ্রীকান্ত ৭৫ ও ভেংসরকার ৫০ রান করেন। জবাবে জাভেদ মিয়াদাদের শতক ও শেষ বলে ছক্কার কল্যাণে এক উইকেটে জয় পায় পাকিস্তান। মিয়াদাদ করেন ১১২ রান।

অস্ট্রেলেশিয়া কাপ ১৯৯৪

এই টুর্নামেন্টের শেষ আসরটি হয় ১৯৯৪ সালে। প্রথমবারের মতো দ্বিতীয়বারও ফাইনালে ওঠে ভারত-পাকিস্তান। টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত। আমির সোহেল (৬৯), বাসিত আলী (৫৭) ও সাইদ আনোয়ার (৪৭) ব্যাটিংয়ে ভর করে ২৫০ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। জবাবে অজয় জাদেজা, শচীন টেন্ডুলকার, আজহারউদ্দিনরা ব্যর্থ হলে ৩৯ রানে হেরে যায় ভারত। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন বিনোদ কাম্বলি। এ ছাড়া অতুল বেদাদি ৪৪ ও নভোজৎ সিং সিঁধু করেন ৩৬ রান। শচীন ২৬ বলে ২৪ রান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

555সরদার কালাম : কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো পুলিশ ক্যাম্পের নব-নির্মিত গোলচত্ত্বর ছাউনি ও সেল্যুটিং শুক্রবার বিকেল ৫ টায় উদ্বোধন হয়েছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে গোল চত্ত্বর উদ্ধোধন করেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন পিপিএম। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপারের সহধর্মীনি এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার।
এসময় প্রধান অতিথি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পুলিশ জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন খোরদো অঞ্চলে মাদকের কোন উত্থান যাতে না ঘটে সেদিকে সকলকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সকল পুলিশ সদস্যকে নিজ দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করার জন্য আহবান জানান তিনি।
উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ, ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমান মফে, কলারোয়া রিপোটার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি এস.এম জাকির হোসেন, কোষাধাক্ষ মোস্তফা হোসেন বাবলু, সাংবাদিক আইয়ুব হোসেন, জি.এম জিয়া, আবুল কালাম আজাদ, মেহেদী মাসুদ, আহসানউল্লাহ, ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যগণ, ইউনিয়ন আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ মান্নান এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

111 copyনিজস্ব প্রতিবেদক : ক্রীড়া সংগঠক শহীদুল ইসলাম বাবু (৫৪) জানাযার নামাজ শুক্রবার বেলা দুুই টায় সাতক্ষীরা টেনিস ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গনি, পৌর সচিব সাইফুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, বিশিষ্ট ব্যবসয়ী মনায়েম খান চৌধুরী সান্টু, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী শওকাত হোসেন ময়না, মোহাম্মাদ আলী সুজন, এড. ওসমান আলী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুল ইসলাম খান, সুজা চৌধুরীসহ মরহুমের আত্মীয়স্বজন ও এলাকার অসংখ্য মুসুল্লীবৃন্দ। জানাযায় ইমামতি করেন পলাশপোল জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা শহিদুল ইসলাম। উল্লেখ শহিদুল ইসলাম বাবু গত বৃহস্পতিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী পুত্র আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখেগেছেন। শনিবার বেলা ৩টায় মরহুমের পলাশপোলস্থ বাস ভবনে পরিবারের পক্ষ থেকে এক দোওয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত দোওয়া অনুষ্ঠানে সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ccccccপাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টায় পাটকেলঘাটার এসি মার্কেটে শুরু হওয়া আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সাবেক পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম মতিউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অপিল বিভাগের আইনজীবী এ্যাড. মোহম্মদ হোসেন, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান পিন্টু, পাটকেলঘাটা থানার ওসি (তদন্ত) উজ্বল কুমার মৈত্র, এএসআই শাহাদাত হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি গাজী শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ডি এম কামরুল ইসলাম। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দ। ইফতার পূর্ব দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতির জন্য দোয়া করা হয়। দোয়া অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এ্যাড. মোহম্মদ হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শিক্ষক অলিউল ইসলাম। এসময় উপজেলার বিভিন্ন জায়গার আমন্ত্রিত প্রায় ৩শ মুসুল্লি ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest