সর্বশেষ সংবাদ-
ইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

1af9bdfedd2405e3d4b84ff428582d0b-591b4c1657c31দমকা হাওয়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নীল সাগর পেরিয়ে একের পর এক নামছে বিমান। গন্তব্য নিস বিমানবন্দর।
চোখ বুজে বলে দেওয়া যায় এসব বিমানের বেশির ভাগ যাত্রীর গন্তব্য কান। নিস থেকে বাসে ৪০ মিনিটের রাস্তা, এরপর কান। কান সিটি সেন্টার থেকে বড়জোর মিনিট পাঁচেক হাঁটা। তারপর চোখে পড়বে পালে দো ফাস্তিভাল। বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব কানের প্রাণকেন্দ্র এই পালে দো ফাস্তিভাল। ভবনের চূড়ায় এরই মধ্যে উঠে গেছে ঝলমলে লাল পোস্টার। আজ শুরু হচ্ছে বিশ্ব চলচ্চিত্রের এই মহা মিলনমেলা। কান শহর তাই আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠেছে আরও একবার। নির্মাতা-অভিনয়শিল্পী-প্রযোজক-পরিবেশক-ফ্যাশন আইকন থেকে স্রেফ সিনেমাভক্ত—কে নেই এখন কানে।

আজ আরনদ ডেসপ্লেসিন পরিচালিত ইজমায়েলস ঘোস্ট ছবির প্রদর্শনী দিয়ে পর্দা উঠবে এই উৎসবের। ৭০তম বছরে পা রাখা উপলক্ষে উদ্বোধনী দিনের লালগালিচায় অতিথি আগমন ও অনুষ্ঠান সরাসরি দেখা যাবে ফ্রান্সের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে।
আয়োজন আর আকর্ষণের দিক থেকে এবারের কান উৎসব ছাড়িয়ে যেতে চলেছে নিকট অতীতের অন্য যেকোনো বছরের উৎসবকে। নিকট অতীতে কানে এর চেয়ে উৎকৃষ্ট অফিশিয়াল সিলেকশন আর হয়েছে কি না, বলা মুশকিল। মাইকেল হানেকে, রোমান পোলানস্কি, ফাতিহ আকিন, নওমি কাওয়াসি, মিশেল আজানভিকুস, টড হেনেসের মতো পরীক্ষিত নির্মাতারা তো আছেনই। সঙ্গে যোগ হয়েছেন আন্দ্রেই জিগনাতসিয়েভ আর ইয়োরগোস লানথিমোসের মতো এ সময়ের সাড়া জাগানো নির্মাতারাও। সব মিলিয়ে দুর্দান্ত এক শৈল্পিক ভোজই অপেক্ষা করছে সিনেমা ভক্তদের জন্য।
মেক্সিকোর সাড়া জাগানো নির্মাতা আলেহান্দ্রো গনজালেস ইনারিতু আসছেন একটি ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি ছবি নিয়ে। টোয়াইলাইট কন্যা ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের চমকটাও বড়। কানের অফিশিয়াল সিলেকশনের আছে তাঁর পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি কাম সুইম।
অফিশিয়াল সিলেকশনে তাঁর ছবি নেই। কিন্তু তাতে কী। দীপিকা পাড়ুকোন ভক্তরা একটু নড়েচড়ে বসতেই পারেন। কারণ বলিউড কন্যা এরই মধ্যে পৌঁছে গেছেন কানে। এবারে লরিয়েলের প্রতিনিধি হিসেবে কানের সুবিখ্যাত লালগালিচা পার হবেন এই বলিউড অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2c207e1ab0addc63b75222662fc095e7-591aef0858e55অবশেষে গুঞ্জনই সত্যি হচ্ছে। মারাঠি সিনেমায় অভিষেক হতে যাচ্ছে বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনির। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পুনে টাইমস দাবি করেছে, কানাডিয়ান এই তারকাকে এবার একটি মারাঠি সিনেমায় দেখা যাবে।

একথা নিশ্চিত করেছে পরিচালক আভাধুত গুপ্তেও। তিনি বলেন, ‘সানি আমাদের ছবিতে একটি আইটেম গানে অংশ নেবেন। আমরা যেহেতু বড় কিছু করতে চাইছিলাম। তাই সানিকেই এরজন্য সবচেয়ে বেশি পছন্দ ছিল আমাদের। কারণ সে সবার কাছেই জনপ্রিয়। প্রযোজক রাজেন্দ্র সিন্দে নিজে উদ্যোগ নিয়ে সানির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাকে পেয়ে আমরা খুশি।’
এখনও নাম চূড়ান্ত না হওয়া ছবিটি তারুণ্যবিষয়ক হবে বলে জানা গেছে। এতে সহযোগিতা করছেন বিশাল দেওরুখার। গুপ্তে বলেন, ‘তার জন্য গান তৈরি করা খুবই কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং ছিল। এখন দেখার বিষয় দর্শক কীভাবে গ্রহণ করেন।’
আর মারাঠি গানে অংশ নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত সানিও। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমবারের মতো মারাঠি গানে অংশ নিচ্ছি। আর কোরিওগ্রাফার হিসেবে আমার পছন্দের গনেশ আচারিয়া থাকায় আনন্দ আরও বেড়ে গেছে।’
এর আগে ভালগার একটিভিটিস নামে একটি মারাঠি সিনেমায় সানি লিওনের অভিনয় করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

c6ec3e8298d283e2c8456281bc9048e4-591acffb2047aচুল ও রূপের যত্নে নারিকেলের দুধ ব্যবহার করতে পারেন নিয়মিত। এতে রয়েছে ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৩, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামসহ বিভিন্ন পুষ্টিগুণ যা ত্বক ও চুল সুন্দর করে। ত্বকের দাগ দূর করার পাশাপাশি চুল উজ্জ্বল ও ঝলমলে করে নারিকেলের দুধ।

জেনে নিন রূপচর্চায় নারিকেলের দুধ ব্যবহার করবেন কীভাবে-
ফেসওয়াশ হিসেবে
নারিকেল দুধের সাহায্যে নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন ফেসওয়াশ। ১ কাপ নারিকেলের দুধের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু ও ১ চা চামচ গ্লিসারিন মেশান। ভালো করে ঝাঁকিয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। ফেসওয়াশটি চক্রাকারে ঘষুন ত্বকে। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক হবে উজ্জ্বল।
কন্ডিশনার হিসেবে
চুল ঝলমলে করতে নারিকেল দুধের কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এক কাপ নারিকেল দুধের সঙ্গে আধা কাপ লেবুর রস ও ১ চা চামচ মধু মেশান। মিশ্রণটি মাথার তালু ও চুলে লাগান। ১ ঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল হবে নরম ও সুন্দর।
স্ক্রাব হিসেবে
ত্বকের মরা চামড়া দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন নারিকেল দুধের স্ক্রাব। একটি আদা কুচি করে ১ চা চামচ মধু, আধা চিমটি হলুদ ও ১ চা চামচ নারিকেলের দুধ মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে ঘষে ঘষে লাগান। ১০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
মেকআপ রিমুভার হিসেবে
অলিভ অয়েলের সঙ্গে নারিকেলদের দুধ মিশিয়ে তৈরি করুন মেকআপ রিমুভার। মিশ্রণে তুলা ভিজিয়ে ত্বকের মেকআপ তুলে ফেলুন।
ক্লিনজার হিসেবে
১ চা চামচ টক দইয়ের সঙ্গে ১ চা চামচ নারিকেলের দুধ মেশান। ১ চা চামচ গ্লিসারিন ও ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নেড়ে নিন ভালো করে। মিশ্রণটি ত্বকে ম্যাসাজ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ত্বক। এটি প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে দূর করবে ত্বকের ময়লা।
ফেসপ্যাক হিসেবে
ত্বকের দাগ দূর করে নারিকেল দুধের ফেসপ্যাক। ১ চা চামচ নারিকেল দুধের সঙ্গে ১ চা চামচ চন্দন গুঁড়া মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
রোদে পোড়া ত্বকের যত্নে
১ কাপ নারিকেল দুধের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে স্প্রে বোতলে নিন। ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন মিশ্রণটি। রোদে পোড়া ত্বকে স্প্রে করে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

তথ্য: বোল্ডস্কাই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

5bc21c90f3199906400eeaf747ff6f3a-591bcdc5520ecবৃষ্টি-বাধায় আইরিশদের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত পরিত্যক্ত হয়েছিল। আজও বৃষ্টির চোখ রাঙানি নিয়েই মাশরাফিদের মাঠে নামতে হচ্ছে। বাংলাদেশ সময় বেলা পৌনে ৪টায় ডাবলিনের ক্লনটার্ফ ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ডে মাঠ নামবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি, গাজী টিভি ও মাছরাঙা টেলিভিশন।

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়েই প্রথমবারের মতো এই ভেন্যু আইসিসির দুই পূর্ণ সদস্য দেশকে স্বাগত জানাবে। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে এই ভেন্যুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশ তখন আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশ ছিল না। এছাড়া এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করতে যাচ্ছে ডাবলিনের ক্লনটার্ফ ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ড।

গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে কিউদের কাছে প্রতিটি সিরিজেই ধবলধোলাই হয়েছিল টাইগাররা। এর দুঃসহ স্মৃতি ভুলতে আজকের ম্যাচটি নিশ্চয়ই জিততে চাইবে বাংলাদেশ।

সেই চাওয়াটা বাস্তবে রূপ দিতেই পারে টাইগাররা। কারণ নিউজিল্যান্ডের এই দলটাতে নেই কেন উইলিয়ামসন, ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, মিচেল ম্যাক্লিনাঘানরা। তাই দ্বিতীয় সারির দলকে নিয়ে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছে নিউজিল্যান্ড। এমন দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় প্রত্যাশা করাটা খুব যে বেশি চাওয়া তা কিন্তু নয়! বাংলাদেশ অবশ্য অতীত পরিসংখ্যান মুছে ফেলতে বদ্ধপরিকর।

র‌্যাংকিংয়ের হিসাব-নিকাশের সঙ্গে চলতি বছরের শুরুর দিকে কিউইদের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশের ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর সুযোগও রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। যদিও বিদেশের মাটিতে কিউইদের বিপক্ষে পরিসংখ্যান বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলছে না।

ঘরের মাঠে গত পাঁচ বছরে ব্ল্যাকক্যাপসদের বলে কয়ে হারিয়েছে বাংলাদেশ দল। তবে বিদেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হলেই সবকিছু কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যায় টাইগারদের। সবমিলিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জয় ৮টি ম্যাচে। সবগুলো জয়ই বাংলাদেশের মাটিতে। আজকের এই ম্যাচটি জিততে পারলে বাংলাদেশের জন্য এটি বড় অর্জনই হবে।

আগের ম্যাচের মতোই এখানকার উইকেট সবুজ। পেসারদের রাজত্ব থাকবে এই উইকেটে। দ্বিতীয় ম্যাচেও বাংলাদেশের তিন পেসার নিয়ে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় শেষ ওয়ানডেতে স্লো ওভার রেটের কারণে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল মাশরাফিকে। তাই ত্রিদেশীয় সিরিজে আইরিশদের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। মাশরাফি ফিরলে রুবেল কিংবা তাসকিনের কোন একজনকে বসে যেতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দুই পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান সবার নিচে। বাংলাদেশ ও আইরিশদের মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়েছিল। যার ফলে দুই দলকে পয়েন্ট ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল। গত ১৪ মে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ৫১ রানে হারায় নিউজিল্যান্ড। ফলে পূর্ণ চার পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে কিউইরা। দ্বিতীয় অবস্থানে আইরিশরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fdf0db5d10ff467c0126ccf341c43945-5839a2f49c473মিয়ানমার সরকারের রোহিঙ্গা দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দক্ষ কূটনৈতিক পদক্ষেপের কারণে চাপে রয়েছে মিয়ানমার। গত অক্টোবরে রোহিঙ্গা নিপীড়ন শুরু হলে ‘নিঃশব্দ’ কূটনীতির মাধ্যমে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার প্রয়াস চালায় বাংলাদেশ। এর ফলে সারাবিশ্বের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ব্রাসেলস সফরকালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রধান কূটনীতিক ফেডেরিকা মোঘেরিনির সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন অং সান সু চি। এর আগেও আসিয়ান দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপকালে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন, যুক্তরাষ্ট্রসহ দ্বি-পাক্ষিকভাবে বিভিন্ন দেশের কাছে রোহিঙ্গা নিপীড়নের তথ্য-উপাত্ত দিয়ে এ বিষয়ে তাদের কথা বলার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছে বাংলাদেশ। এছাড়া এখন দ্বি-পাক্ষিকভাবে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোতেও সরকার রোহিঙ্গা বিষয়টি উত্থাপন করে।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘১৯৮০-এর দশক থেকে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে চেয়েছি কিন্তু মিয়ানমার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তরিক ছিল না। আমরা এ জন্য শক্ত অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছি। সারাবিশ্বের কাছে তাদের আসল উদ্দেশ্য তুলে ধরার প্রয়াস নিয়েছি।’
এর ফলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে কিনা—জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এ সমস্যার সমাধান রাতারাতি হবে না। তবে বাংলাদেশের তীব্র প্রতিবাদে চাপে আছে মিয়ানমার।’ তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত অং সান সু চি, যাকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের মানসকন্যা মনে করা হয়। কিন্তু রোহিঙ্গা বিষয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্কের জন্মও দিয়েছেন সু চি নিজেই। এ কারণে বিশ্বব্যাপী সু চির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, যা মিয়ানমারের জন্য কোনও ভালো ফল বয়ে আনবে না। এমনকি অন্য নোবেলজয়ীরাও তার নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।’
এ ধরনের পরিস্থিতি আরও কিছুদিন চললে মিয়ানমারের অর্থনীতির ওপর চাপ পড়বে উল্লেখ করে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘কারণ তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরে অনেক বহুজাতিক কোম্পানি সেখানে ব্যবসা শুরু করে। অনেকে সেখানে ব্যবসা করার পরিকল্পনা করছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যেকোনও নেতিবাচক আলোচনা সেখানে ব্যবসায়িক পরিবেশ বিঘ্নিত করবে। সেখানে ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’

বাংলাদেশের অবস্থান
গত বছরের অক্টোবরে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিকভাবে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে মিয়ানমার কোনও আগ্রহ দেখায়নি। নভেম্বরে এই সমস্যা বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বাংলাদেশ বিদেশি কূটনীতিকদের জানান। এর পরপরই জাতিসংঘের একটি প্রতিনিধি দল রোহিঙ্গা বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে চাইলে সঙ্গে-সঙ্গেই স্বাগত জানায় বাংলাদেশ। ডিসেম্বরে বাংলাদেশ অভিবাসন বিষয়ে বৈশ্বিক সভার আয়োজন করে। এ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে রোহিঙ্গা বিষয়ে একাধিক দেশের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিকভাবে আলোচনা করে সরকার।
এই প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘এ পদক্ষেপ নেওয়ার পরে জানুয়ারিতে আলোচনায় বসতে রাজি হয় মিয়ানরমার। দেশটির বিশেষ দূতকে বাংলাদেশ কড়া বার্তা দেয় গোটা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য। এরপর ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কোফি আনান কমিশনের তিন সদস্য, মিয়ানমার সরকারের গঠিত রাখাইন কমিশনের সদস্য, জাতিসংঘের বিশেষ র্যা পোর্টিয়ার ইয়াংহি লি, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ দূত, বাংলাদেশে অবস্থিত রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে সরকার।’
উল্লেখ্য, গত সাত মাসে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর আক্রমণে শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত হন। এছাড়া হাজার হাজার রোহিঙ্গা গৃহহারা হন। এ সময়ের মধ্যে ৭৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন।রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেয় বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

mpশ্যামনগর বু্রো : শ্যামনগরে ৩ দিন ব্যাপী ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহ উদ্বোধন করেছেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের এমপি এস এম জগলুল হায়দার। গত ১৬ মে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘জনগণের দোর গোড়ায় সেবা ’- এ স্লোগানের আওতায় নকিপুর এইস সি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: কামরুজজামান। এ সময় প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা ৪ আসনের এমপি এস এম জগলুল হায়দার মেলার উদ্বোধন কালে আইসিটি খাতে সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: কামরুজজামান ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরকারের সেবা জনগণের দোর গোডায় পৌছানোর দিক গুলো ব্যাখ্যা করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মহসীন উল-মুলক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ আব্দুল্যাহ সাদীদ, প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম আকবর কবীর প্রমুখ, অধ্যক্ষ (ভার:) আমির হোসেন, অধ্যক্ষ (ভারঃ) ইকরামুল কবীর, প্রধান শিক্ষক ড: আব্দুল মান্নান প্রমুখ। মেলায় ১৪টি স্টল তাদের কর্মকৌশল পরিদর্শন করান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন-মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপার ভাইজার মীনা হাবিবুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Debhata Pic 16-05-17দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহের উদ্বোধন হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দেবহাটা কলেজ প্রাঙ্গনে ৩ দিনব্যাপী ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলেজ মিলনায়তনে কলেজ অধ্যক্ষ একেএম আনিসুজ্জামান কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উক্ত মেলার উদ্বোধন করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা কলেজ গভর্নিং কমিটির সভাপতি আনোয়ারুল হক, দেবহাটা উপজেলা হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মাদ আলী, সহকারী অধ্যাপক নাজিমউদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক চঞ্চল দাশ, প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক আর.কে.বাপ্পা, আকতার হোসেন ডাবলু, এমএ মামুন, সহকারী শিক্ষক সঞ্জয় কুমার সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক-শক্ষিকা ন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি একটি আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ বির্নিমানে বর্তমান সরকার যে কাজ করছে তার উল্লেখ করে বলেন, একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে ইন্টারনেটের কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে চলতে ইন্টারনেট সম্পর্কে আমাদের সকলকে জ্ঞান থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে ইন্টারনেটের সুফল সম্পর্কে জ্ঞান দানের জন্য শিক্ষকদের ভূমিকা অগ্রগণ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে উল্লেখ করে ইউএনও বলেন, প্রযুক্তি এখন আমাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। তবে সেই প্রযুক্তিকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিল। আগামী বৃহষ্পতিবার মেলার সমাপ্তি হবে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

unnamedনলতা প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সহ-সভাপতি, মিশনের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্জ মো. আবুল ফজল শিক্ষকের পিতা, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্জ মো. আব্দুল জব্বার (৮৭) আর নেই। তিনি দীর্ঘদিন বিছান শয্যা থাকার পর ১৪ মে রবিবার বিকাল ৪ টায় নলতা শরীফের নিজস্ব বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নানিল্লাহি—– রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী আলহাজ্জ মোছা. জামিলা খাতুন, পুত্র ডা. জাহিরুল হাসান, এ টি এম একরামুল হোসেন মিঠু, আলহাজ্জ মো. আবুল ফজল, আলহাজ্জ আবুল ফয়েজ, আলহাজ্জ এ এফ এম এনামুল হক, মো. মজনুল হক নামক ৬ পুত্র,  জান্নাতুন নাহার নামক এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন। সোমবার সকাল ১০ টায় নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে তাকে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। নামাজে জানাযার পূর্বে মরহুমের সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণ করেন মিশনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ মো. সাইদুর রহমান। মরহুমের সন্তানদের পক্ষে কথা বলেন বড় ছেলে ডা. জাহিরুল হাসান ও শিক্ষক আলহাজ্জ মো. আবুল ফজল। নামাজে জানাযা পরিচালনা করেন নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্জ হাফেজ মো. শামছুল হুদা। নামাজে জানাযায় রওজা শরীফের শ্রদ্ধেয় খাদেম আলহাজ্জ মেীলভী আনছার উদ্দিন আহমদ, মিশনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ মো. আব্দুল মজিদ, সহ-সভাপতি আলহাজ্জ মো. আ. রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় ও শাখা মিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মরহুমের অঅত্মীয়-স্বজন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকর্মী, সংবাদকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সহ¯্রাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, নলতা  নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশন সম্প্রসারিত কার্যক্রম, চালাবন, ঢাকা এর সমন্বায়ক আলহাজ্জ এএফএম এনামুল হকের পিতা মরহুম আব্দুল জব্বার জীবদ্দশায় ১৯৫৮ সালে খানবাহাদুর আহছানউল্লা’র সহচার্যে আসেন। ১৯৬৩ সালে তিনি তার প্রাইভেট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সহকারী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯৯১ সালের মার্চ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ১ম দফায় এবং ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় তিনি নিষ্ঠার সাথে মিশনের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে জানা গেছে। তিনি জনপ্রিয় ৪টি গ্রন্থ রচনা করেন। আজ বুধবার বাদ আছর নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ শরীফ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest