সর্বশেষ সংবাদ-
ইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধগণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মিছিল ও সমাবেশসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা : গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণশ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি

news pic,fishকালিগঞ্জ ডেস্ক :  কালিগঞ্জ উপজেলার চিংড়ি ঘেরগুলোতে কথিত ভাইরাসের আগ্রাসনে লোকসানের মুখে চিংড়ি চাষিরা। বাংলাদেশ চিংড়ি চাষের কারণে বিশে^ অর্থনীতিতে বিশেষভাবে এগিয়ে চলা দেশ হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত পেয়েছে। বিশে^র দেশে দেশে লাল সবুজের এই দেশটি বর্তমান সময় অর্থনীতিতে বিশেষভাবে বৈদেশিক বানিজ্যেও বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জনের বিশেষ দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ। বিশ^ বাস্তবতায় বাংলাদেশ যতগুলো ক্ষেত্রে বিশেষভাবে এগিয়ে চলেছে এবং পরিচিত পেয়েছে তার মধ্যে অন্যতম চিংড়ি শিল্প।
ভাল নেই বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানী শিল্প ‘সাদা সোনা’ খ্যাত সাতক্ষীরার চিংড়ির প্রান্তিক উৎপাদকরা। একদিকে চিংড়ি ঘেরগুলোতে ভাইরাস অন্যদিকে অব্যহত মূল্য হ্রাস, তার উপর চাষীদের বাগদা চিংড়ি বিক্রি করতে হচ্ছে বাকিতে।
এদিকে সাতক্ষীরায় চিংড়ি ঘেরগুলোতে কথিত ভাইরাসের আগ্রাসনে লোকসানের মূখে চিংড়ি চাষিরা। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম মাধ্যম সাদা সোনা হিসেবে খ্যাত চিংড়ি শিল্পে কথিত ভাইরাসের আগ্রাসনে বিপর্যস্থ, বিপন্ন এবং হুমকির মুখে। দেশের সর্বাধিক চিংড়ি উৎপাদিত জেলা হিসেবে সাতক্ষীরা বিশেষ ভূমিকা পালন করলেও বর্তমান মৌসুম শুরুতেই জেলার চিংড়ি ঘের গুলোতে চিংড়ি মড়ক শুরু হয়। মূহুর্তে নিমিষেই শত শত বিঘা ঘেরের চিংড়ি হলুদাভাবাপন্ন হয়ে মরছে। অন্যান্য বছরগুলোতেও ভাইরাস এর প্রভাব থাকলেও বর্তমান মৌসুমের ন্যায় এমন মড়ক ইতিপূর্বে কখনও দেখা যায়নি বলে জানান চিংড়ি চাষিরা।
সাতক্ষীরার চিংড়ি ঘেরগুলোকে উৎপাদিত চিংড়ির রেণু পোনা অধিকাংশই কক্সবাজার এলাকার হ্যাচারিগুলো হতে আসে। সামপ্রতিক বছরগুলোতে জেলার বিভিন্ন এলাকাতে রেণু পোনা উৎপাদন হ্যাচারি হতেও চিংড়ি চাষিরা রেণু সংগ্রহ করছে। মার্চের শেষ এবং মধ্য এপ্রিল চিংড়ির ভরামৌসুম হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু ভরা মৌসুমে চিংড়ি একেবারেই কম। কালিগঞ্জের আড়ৎ এবং মৎস সেডগুলোতে কাঙ্খিত চিংড়ির দেখা নেই। ইতিপূর্বেকার বছরগুলোতে একমাসের অধিক বয়সী চিংড়ির মড়ক দেখা গেলেও এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ছোট বড় মাঝারী সব ধরনের চিংড়িতে কথিত ভাইরাসের ছোবল। চিংড়ি চাষী এবং ঘের ব্যবসায়ীদের আশক্সকা রেণু চিংড়ি ভাইরাস বহন করছে আর এ কারণে একটি সময় অতিক্রম হলেই অর্থাৎ ত্রিশ/পয়ত্রিশ দিন বয়সেই মড়ক শুরু হচ্ছে।
ঘেরে খাদ্য ঘাটতি বা পানির সমস্যার বিষয়টি চাষীরা মানতে নারাজ, একাধিক চিংড়ি চাষীদের বক্তব্য জেলার সব এলাকায় এবং অধিকাংশ ঘেরে চিংড়ি মড়কের কারণে মৎস ঘেরে আপাতাত কোন চিংড়ি নেই আবার নতুন করে রেণু দিয়েছি সেগুলো বড় হলেই আমরা আবার আশার আলো দেখতে পাবো। চিংড়ি মড়কের কারণ হিসাবে যদি পানি, মাটি বা খাদ্য ঘাটতির বিষয় থাকতো তাহলে তো সবঘেরের চিংড়ি মড়কের মুখো মুখি হতো না।
মৎস চাষী আবু বাক্কার আরও জানান পূর্বেকার মৌসুম গুলোতে চিংড়িতে ভাইরাস শুরু হলে মূহুর্তে সব ঘেরে চিংড়ি আক্রান্ত হতো না। চাষীরা চিংড়ি ধরার সুযোগ পেতো কিন্তু বর্তমান সময়ে যেমন অনেক ছোট আকৃতির চিংড়িতে মড়ক শুরু হয়েছে আবার নতুন করে রেনু ছেড়েছি সেটার জন্য আমরা আবার নতুন পরিচর্যা করেছি আশা করছি এটা থেকে আমরা আশার আলো দেখছি।
দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ করে বৈদেশিক অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন কারী চিংড়ি। জাতীয় অর্থনিতির পাশাপাশি সাতক্ষীরার অর্থনীতিতেও অনেকাংশে চিংড়ি নির্ভর। এই অপার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে চিংড়ির কথিত ভাইরাসের এবং মগকের আগ্রাসন রোধ করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদেরকে বিশেষ ধরনের ব্যবস্থাসহ চিংড়ি মড়কের মূল কারণ উদঘাটন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জে তিনদিন ব্যাপি ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় কালিগঞ্জ কলেজের হলরুমে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক ভাবে মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান। উপজেলা প্রশাসন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের আয়োজনে নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু‘র সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ জিএম রফিকুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ কেএম জাফরুল আলম বাবু, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, তথ্য ও সংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু, নির্বাহী সদস্য আবু হাবিব, আব্দুল করিম মামুন হাসান প্রমুখ। ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহ উপলক্ষ্যে উপজেলার ৮টি কলেজ ৪ স্কুল ও ২টি প্রতিষ্ঠানের স্টল মেলায় অংশগ্রহণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
SAMSUNG CAMERA PICTURES

SAMSUNG CAMERA PICTURES

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, পিআইসি মেম্বর ও ট্যাগ অফিসারদের নিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বিষয়ক প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় অফিসার্স ক্লাবে মিলনায়তানে নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলামের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু। উপজেলা প্রশাসন ও এসএনএসপি প্রকল্পের আয়োজনে এবং ডিটিসিএল এর সহযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দিন, ট্যাগ অফিসার ও পরিসংখ্যান কর্মকর্তা রাশিউল ইসলাম, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু। প্রশিক্ষণে এসএনএসপি প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের স্টেকহোল্ডার ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব, পিআইসি সদস্য, ট্যাগ অফিসার এবং সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পের ৫টি কর্মসূচি মধ্যে ইজিপিপি, কাবিখা/কাবিটা, টিআর, ভিজিএফ, জিআর বিষয়ক কার্যক্রম সমুহ সফল ভাবে পরিচালনার বিষয়ে সক্ষমতাবৃদ্ধি ও আতœবিশ্বাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন মাস্টার ট্রেনার মানিক হাওলাদার। প্রশিক্ষণ শেষে মূল্যায়ন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তারালী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান একেএম মোশারাফ হোসেন, রতনপুর ইউপি চেয়ারম্যার আশরাফুল ইসলাম খোকন, ধলবাড়িয়া ইউপি সচিব কামরুজ্জামান, কুশুলিয়া ইউপি সদস্য রফিকুল বারী রফু, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মাহফুজা খাতুন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02223নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘উন্নত আগামীর জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ৩৮ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০১৭ এর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে জেলা প্রশাসন, জেলা শিক্ষা অফিস ও জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর ঢাকার আয়োজনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এসময় তিনি বলেন, ‘আজকের শিশুদের ছোট ছোট আবিষ্কার আগামীতে বড় ধরনের আবিষ্কারে সহায়তা করতে পারবে। আমি আশা করব সাতক্ষীরার শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন আবিষ্কারে মনোযোগী হবে।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার মো. ফরিদুল ইসলাম, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, সহকারি জেলা শিক্ষা অফিসার (চঃ দাঃ) অলোক কুমার তরফদার, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা খাতুন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। উদ্বোধন শেষে অতিথিরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নানা ধরনের সৃষ্টি করা প্রযুক্তির স্টলগুলো পরিদর্শন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6777নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘উন্নয়নের পাসওয়ার্ড আমাদেরই হাতে’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরাতে ও ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহের উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে সদর উপজেলা মিলনায়তনে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু ও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Tala Picপ্রেস বিজ্ঞপ্তি : “বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ও তালা” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তালা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে তালা প্রেসক্লাবের আয়োজনে উক্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন তালা প্রেস ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ফরিদ হোসেন।
তালা প্রেসক্লাবের যুগ্ন-আহবায়ক সরদার মশিয়ার রহমানের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা -১ (তালা-কলারোয়া) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন তালা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু।
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন তালা প্রেসক্লাবের পৃষ্ঠপোষক ও তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান, তালা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলমা মোস্তফা, বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণ এর পরিচালক শহিদুল ইসলাম এবং উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা খানম।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো: আব্দুর রহমান, তালা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এম.এ হাকিম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন জোয়াদ্দার, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন, উন্নয়ন প্রচেষ্টা পরিচালক ইয়াকুব আলী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ওবায়দুস সুলতান বাবলু, জেএসডির কেন্দ্রীয় নেতা মীর জিল্লুর রহমান, তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশীদ, শিক্ষক নেছার আলী, মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার ময়নুল ইসলাম, জাতপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি এসএম কামাল হোসেন, উপজেলা জাসদের সভাপতি আবুল কাশেম, তালা জনতা ব্যাংক ম্যানেজার শাহিনুর রহমান, তালা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আব্দুল জব্বার সরদার প্রমুখ।
এ সময় সিনিয়র সাংবাদিক ও তালা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আব্দুল আলীম, প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য গাজী সুলতান আহম্মেদ, শাহাদাৎ হোসেন, মো: আব্দুস সালাম, আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যাপক এম.এ গফফার, সাস কর্মকর্তা আব্দুস সালামসহ উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, এনজিও কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা তালা উপজেলার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং তা নিরসনে স্থানীয় প্রশাসনসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

hasina-1-1_14905প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকালে জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহমেদ, সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবিসহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী নেত্রীবৃন্দ। উক্ত আলোচনা সভায় তাঁতীলীগের সকল নেতা কর্মীদের বিকাল ৪টার মধ্যে কামালনগরাস্থ দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের জেলা সভাপতি মীর আজহার আলী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তৌহিদ হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dr. mokleshনিজস্ব প্রতিনিধি : জঙ্গি সন্দেহে আটক করে তিন দিন সদর থানা লকআপে রাখার পর নিখোঁজ হোমিও প্যাথিক চিকিৎসক শহরের কুখরালি গ্রামের ডা: মোখলেছুর রহমান জনি সম্পর্কে  আগামী জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সাতক্ষীরার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও  বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
এ দিকে রিটকারি নিখোঁজ ডাক্তার মোখলেছুর রহমান জনির স্ত্রী জেসমিন নাহার রেশমা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামীর সন্ধানে গত ৯ মে হাইকোর্ট সাতক্ষীরার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলার খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকে তাকে মোবাইল ফোনে নানাভাবে হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে। একপর্যায়ে তিনি মোবাইল ফোন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।
সাতক্ষীরা ‘ল’ কলেজের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্রী ও নিখোঁজ জনির স্ত্রী জেসমিন নাহার রেশমার জারি করা গত ২ মার্চ রিট পিটিশনে (২৮৩৩/১৭) তিনি উল্লেখ করেন, গত বছরের ৪ আগষ্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে অসুস্থ বাবার জন্য  বাইসাইকেলে ঔষধ কিনতে যেয়ে লাবনী সিনেমা হলের মোড় এলাকা থেকে সদর থানার উপ-পরিদর্শক হিমেল তার স্বামী হোমিও চিকিৎসক মোখলেছুর রহমান জনিকে থানায় ধরে নিয়ে যায়। গত বছরের ৫, ৬ ও ৭ আগষ্ট তিনি শ্বশুর ও স্বজনদের নিয়ে সদর থানা লকআপে তাকে খাবারও দিয়েছেন, তার সঙ্গে কথা বলেছেন। তৎকালীন ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক শেখ ও উপ-পরিদর্শক হিমেলের সঙ্গে কথা বললে জনির জঙ্গি সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানানো হয়। স্বামীর মুক্তির বিনিময়ে তৎকালীন সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপ-পরিদর্শক হিমেল তার কাছে দাবি করেন মোটা অংকের টাকা। এরপর ৮ আগষ্ট থানায় গেলে জনিকে আর পাওয়া যায়নি। পুলিশ জনির অবস্থান সম্পর্কে জানাতে পারেননি। বিষয়টি  সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, ক্ষমতাসীন দলের নেতা, মানবাধিকার কর্মী জেলা প্রশাসক ও পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এক পর্যায়ে ২৪ আগষ্ট জানানো হয় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারকে। ২৬ ডিসেম্বর সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেননি। একের পর এক হয়রানি হওয়ার পর বাধ্য হয়ে তিনি চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। স্বামীর খোঁজে গত সাত মাস ধরে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ধর্না দিয়েছেন তিনি। একপর্যায়ে তার সন্ধান না করতে পেরে চলতি বছরের ২ মার্চ হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মহাপুলিশ পরিদর্শক, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (খুলনা), সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উপ-পরিদর্শক হিমেল ও সাতক্ষীরা কারাগারের জেলরকে বিবাদি করা হয়। রিট দায়েরের পর গত ৬ মার্চ  শুনানী শেষে আদালত রুল জারির পাশাপাশি নিখোঁজের বিষয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের ব্যাখ্যা চেয়ে ১৯ মার্চ দিন ধার্য করেন। ১৯ মার্চ রোববার আদালতে উপস্থাপন করা পুলিশ সুপারের ব্যাখ্যায় বলা হয়, নিখোঁজ মোখলেছুর রহমান নিষিদ্ধ সংগঠন ‘আল্লাহ’র দল’ এর সঙ্গে যুক্ত এবং তাকে গ্রেফতার করা হয় নাই। ১৯ মার্চ শুনানী শেষে আদালত ডা: জনিকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে বিচারিক আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেন। একই সাথে ৯ মে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ঢাকা লিগ্যাল সেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএসএম জাভিদ হাসানকে নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৯ মে আদালত থেকে তাকে চিঠি ইস্যু করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, আদালতের নির্দেশ পেয়ে ঢাকা লিগ্যাল সেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএসএম জাভিদ হাসান খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক মো: একরামুল হাবিবকে ( প্রশাসন ও অপারেশন, খুলনা, অনুসন্ধান শাখা) নির্দেশ দেন। একরামুল হাবিব সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন পিপিএম, নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক ফিরোজ হোসেন মোল্লা (সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সদর থানা), এমদাদুল হক শেখ (সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সদর থানা), আব্দুল হাশেম( ওসি তদন্ত সদর থানা), উপ-পরিদর্শক হিমেল হোসেন (সাবেক উপ-পরিদর্শক সদর থানা, সাতক্ষীরা ও বর্তমান উপ-পরিদর্শক কোতোয়ালি থানা, যশোর), উপ-পরিদর্শক আনছার আলী (সাবেক উপ-পরিদর্শক সদর থানা, সাতক্ষীরা ও বর্তমান উপ-পরিদর্শক কোতোয়ালি, যশোর), উপ-পরিদর্শক সুলতানা পারভিন, সদর থানা সাতক্ষীরা, সিপাহী বাবুল হোসেন, সিপাহী মনিরুজ্জামান, সিপাহী এমদাদুল হক (সাতক্ষীরা সদর থানা), সাতক্ষীরা শহরের কামাননগর দক্ষিণপাড়ার মোশারফ হোসেন, তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম, শহরের মুনজিতপুরের আব্দুল্লাহ সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, শহরতলীর চালতেতলা খ্রীষ্টানপাড়ার রাধাকান্ত গাইনের ছেলে মিলন গাইন ও কাটিয়া মাস্টারপাড়ার মৃত আজিজ বিশ্বাসের ছেলে পৌরসভার কর্মী ও সদর থানার দালাল ইদ্রিস বিশ্বাস ওরফে সাগরের কাছ থেকে নিখোঁজ ডা: মোখলেছুর রহমান জনি সম্পর্কিত জবানবন্দি নেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে ঢাকা লিগ্যাল সেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএসএম জাভিদ হাসান উল্লেখ করেছেন যে, মোখলেছুর রহমান জনিকে গত বছরের ৪ আগষ্ট পুলিশ আটক করেনি। তাকে কেউ থানার মধ্যে দেখেনি।
প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে রিটকারি পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. মো: মতিয়ার রহমান যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রপক্ষ যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তা একপেশে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যাদের বিরুদ্ধে ডা: মোখলেছুরকে আটক ও নিখোঁজ করার অভিযোগ উঠেছে তারাই ও তাদের কিছু পকেটের লোককে দিয়েই পুলিশের বিরুদ্ধে সাফাই গাওয়ানো হয়েছে। তাই বিষয়টি বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত। সেকারণে বিচারকদ্বয় আগামী ৩ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সাতক্ষীরার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসাথে আগামি ৩ জুলাই এ মামলাটি শুনানীর জন্য কার্যতালিকায় রাখার জন্য বলা হয়েছে। এমামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest