0000-copyনিজস্ব প্রতিবেদক : সোহরাওয়ার্দী কাপ জাতীয় অনুর্দ্ধ-১৮ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৭-এ সাতক্ষীরা জেলা দল মাগুরা জেলা দল, নড়াইল জেলা দল খুলনা জেলা দলকে হারিয়ে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে সাতক্ষীরা জেলা দল।
গত ০৯ মার্চ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা দল উদ্বোধনী খেলায় গোপালগঞ্জ মাঠে মাগুরা জেলা দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে। দলের পক্ষে জয় সুচক গোলটি করে হাবিবুর। গত ১১ই মার্চ দ্বিতীয় খেলায় নড়াইল জেলা দলকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে একটি খেলা হাতে থাকতেই সেমিফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করে। সোমবার বিকালে গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে খুলনা জেলা দলকে ৬-৫ গোলে জয় করেছে সাতক্ষীরা জেলা দল। দলের পক্ষে মিয়ারাজ-২টি, সুমন-২টি, সাগর-১টি ও হাবিবুর-১টি গোল করে। সেই সুবাধে সাতক্ষীরা জেলা দল ১ম রাউন্ডে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা দল অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন সোহরাওয়ার্দী কাপ জাতীয় অনুর্দ্ধ-১৮ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৭ এ অংশগ্রহণকারী জেলা দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও টিম ম্যানেজারসহ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়াও সাতক্ষীরা জেলা দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম খান, ট্রেজারার শেখ মাসুদ আলীসহ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ। জেলা দলের টিমের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির খান বাপ্পি, টিম ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স.ম সেলিম রেজা। আগামী ১৬-ই মার্চ ১ম সেমিফাইনালে অংশ নেবে সাতক্ষীরা জেলা দল।
জেলা দলের হয়ে খেলছেন জাহাঙ্গীর, মোস্তাফিজুর, মামুন, সাইফুল, রাশেদ, মনিরুল, পারভেজ, বাবলু, বাপ্পি, সুমন, স¤্রাট, জাহিদ, সাইমুন, হাবিবুর, মিয়ারাজ ও ইদ্রিস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

tala-picture-13-03-17-psd
নিজস্ব প্রতিবেদক : তালা উপজেলার পাখিমারা বিল থেকে ১৫ কেজি ওজনের একটি পিঠে এন্টিনাযুক্ত কচ্ছপ (কাছিম) পাওয়া গেছে। সোমবার সকালে উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের পাখিমারা বিলে স্থানীয় বাসিন্দা শেখ ওহাব উদ্দিন মাছ ধরার সময় কচ্ছপটি পান। পরে তিনি কচ্ছপটি স্থানীয় শ্রীমন্তকাটি নতুন বাজার মৎস্য আড়ৎ-এ বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। এ সময় স্থানীয় জনতা কচ্ছপটি দেখার জন্য মৎস্য আড়ৎ-এ ভিড় করতে থাকেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি খেশরা পুলিশ ফাঁড়িতে জানান স্থানীয়রা। খেশরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক মাজেদ হাওলাদার জানান, তিনি কচ্ছপটি উদ্ধার করে তালা থানায় পাঠিয়েছেন। বর্তমানে তালা থানায় কচ্ছপটি রয়েছে।
কচ্ছপের পিঠে একটি এন্টিনা,একটি জিপিএস ট্রাকার সেট করা আছে কচ্ছপটির আনুমানিক প্রায় ১৫ কেজি।
তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.হাসান হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তিনি বনবিভাগের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। তারা স্যাটালাইট যন্ত্রযুক্ত কচ্ছপটি দেখে সিদ্ধান্ত নিবেন। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো.মহিউদ্দিন জানান, দ্রুত কচ্ছপটি উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1474687283নিজস্ব প্রতিবেদক : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের কাঠেশ্বর খাল থেকে বনদস্যু জিয়া বাহিনী প্রধান জিয়া ও তার সেকেন্ড ইন কমান্ডসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব সদস্যরা দুটি ওয়ান-শুটারগান, দুটি পাইপগান ও ১৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। সোমবার ভোর রাত ৩ দিকে কাটেশ্বর খালে এ ঘটনাটি ঘটে।
গ্রেফতাকৃতরা হলেন, জিয়া বাহিনীর প্রাধান জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৭), মিন্টু গাজী (৩২), মাসুম বিল্লাহ (২৫) ও ইউনুচ আলি পঁচা (২৪)।
র‌্যাব ৬ এর অধিনায়ক খন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, বনদস্যু জিয়া বাহিনী কাটেশ্বর খাল এলাকা অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যা সেখানে অভিযান চালানো হয়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাব ও পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় ২০ মিনিট গুলি বিনিময়ের পর বনদস্যুরা পিছু হটে যায়। এরপর র‌্যাব সদস্যরা সেখান থেকে দুটি ওয়ান-শুটারগান, দুটি পাইপগান ও ১৯ রাউন্ড গুলিসহ বনদস্যু জিয়া বাহিনীর প্রধান জিয়াসহ তার তিন সহযোগিকে গ্রেফতার করে। তিনি আরো জানান, তাদের শ্যামনগর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2222বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের নৈঋত কোণে অবস্থিত সাতক্ষীরা। সাতক্ষীরা একটি সমৃদ্ধ জনপদ। এখানে আছে চিংড়ী চাষ, আছে সুন্দরবন এবং ফসলী মাঠ। জাতীয় আয়ের একটি অংশ এখান থেকে আসে। শত শত বছর থেকে সাতক্ষীরার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন এবং রাজনৈতিক অঙ্গন সমৃদ্ধশালী। যাতায়াত এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রেও সাতক্ষীরা কম উন্নত নয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরকারের আমলে সাতক্ষীরায় যথেষ্ট কাজ হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন থেকে ২০০১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এবং ২০০৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সাতক্ষীরার অলি, গলি, রাস্তাঘাট অনেক উন্নত হয়েছে। হয়েছে ব্রিজ, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কোনো কোনো রাস্তায় পিচ হয়েছে। আবার কোনো কোনো রাস্তায় ইট বসানো হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলায় মোট ৭৮টি ইউনিয়ন আছে। এই ৭৮টি ইউনিয়নের মধ্যে যে গ্রামগুলো আছে সেই গ্রামের অনেক রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় গ্রামীণ জনপদের যে রাস্তাগুলো পিচ করা হয় সেই রাস্তাগুলোতে মালবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে অতিদ্রুত ধ্বসে পড়ে এবং নষ্ট হয়ে যায়। রাস্তাগুলোর যে ধারণ ক্ষমতা তার চেয়ে অধিক ওজনের মালবাহী যানবাহন চলাচল করায় রাস্তাগুলোর বেহাল দশা হয়েছে এবং চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে যে রাস্তাগুলোর বেহাল দশা পাওয়া গেছে সেগুলো সংস্কারের নিমিত্তে তুলে ধরা হবে। সাতক্ষীরার সদর উপজেলার নারকেল তলা থেকে আখড়াখোলা বাজার পর্যন্ত ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তাটি ক্ষত বিক্ষত হয়েছে। যা অতিদ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। আখড়াখোলা বাজার থেকে আমতলা পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন। আগরদাড়ী বাজার থেকে পরানদহা হয়ে আলীপুর চারাবটতলা পর্যন্ত রাস্তা মাঝে মাঝে ভালো থাকলেও মাঝে মাঝে খুবই খারাপ। এই পুরো রাস্তাটিই সংস্কার করা প্রয়োজন। সাতক্ষীরা সদরের বাঙালের মোড় থেকে মন্টু মিয়ার বাগানবাড়ী হয়ে খানপুর পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন। কলারোয়া উপজেলার একড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কয়লা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ছয়ঘোরিয়া থেকে ছাতিয়ানতলার দেবনগর পর্যন্ত রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। বুইতা থেকে বাটরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার হওয়া প্রয়োজন। কলারোয়া পাবলিক ইনস্টিটিউট থেকে শাকদহা বাজার পর্যন্ত রাস্তা পীচ করা প্রয়োজন। আশার আলো কুশোডাঙ্গার মধ্যে কিছুটা কাজ হচ্ছে। সাতক্ষীরা সদরের আখড়াখোলা বাজার থেকে তুজুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তার কাজ হচ্ছে। ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ছয়ঘোরিয়া থেকে বলাডাঙ্গা হয়ে আখড়াখোলা বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার আরো অনেক জায়গায় রাস্তার কাজ চলছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং এল জিইডি যে রাস্তাগুলো সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেয় তার দৈর্ঘ্য খুব কম থাকে। কোন কোন রাস্তা সংস্কার ২ থেকে ৩ কিলোমিটার না হয়ে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত করলে জনগণের সুবিধা হয়। রাস্তা মানবজীবনে শান্তির বারতা বয়ে আনে। মাতৃভূমি যেমন স্বর্গস্বরূপ তদ্রুপ চলার পথ প্রশান্তিময় হলে মানুষের জীবনও প্রশান্তিময় হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্য বলা যায় খুলনা বিভাগের মধ্যে মহাসড়কের বেহাল অবস্থার কথা। যশোর থেকে শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত মহাসড়কটি সংস্কার করা আশু প্রয়োজন। রাস্তার যে প্রশস্ততা আছে তা আরো ৪ গজ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। রাস্তার মাঝখান দিয়ে সাদা চুন টেনে দিলে যানবাহন চালানো সুবিধা হয়। এতে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসে। যাহোক, গ্রামীণ জনপদের কথাই বলছিলাম। তাই আবারো বলতে চাই, সাতক্ষীরা সদরের পোড়ার বাজার থেকে নগরঘাটা হয়ে রাজনগর দিয়ে বিনেরপোতা পর্যন্ত রাস্তাটি ভেঙে পড়েছে। যা এক্ষুণি সংস্কার করা প্রয়োজন। সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া উপজেলাসহ সাতক্ষীরার প্রত্যেকটি উপজেলা এবং থানার গ্রামীণ জনপদগুলো অতিদ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পদ্মাসেতু নির্মাণ, রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় তৈরিসহ অনেকগুরুত্বপূর্ণ কাজ বর্তমান সরকার করছেন। বর্তমান সরকারের কর্মী ব্যবস্থাপনাও যথেষ্ট ভালো। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে আমার আকুল আবেদন ও কিছু প্রাণের দাবি তা হলো- ১. বাংলাদেশ তথা বাঙালি জাতির দেয়ালে, অফিসিয়াল পদ-পদবীতে এবং পাঠ্যবইতে নমনীয় শব্দ ব্যবহার করলে ভালো হয়। ২. শিক্ষাকে অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষতার আলোকে সাজাতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে স্বাধীনতা বিরোধীদের ছাটাই করে মহান ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতিসত্তায় বিশ্বাসী, সৎ, দেশপ্রেমিক, ন্যায়বিচারক, কর্তব্যনিষ্ঠ সন্তানদের শিক্ষক হিশেবে নিয়োগ দিতে হবে। অর্থাৎ সংবিধানের মূলনীতির আলোকে শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। শিক্ষাঙ্গনগুলো সম্পূর্ণ অসাম্প্রদায়িক আঙ্গিকে ঢেলে সাজাতে হবে।
৩. বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর মধ্যে প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে লুকিয়ে থাকা দলীয় বিশ্বাসঘাতকদের দল থেকে ছাটাই করে যোগ্য, মেধাবী, সংগঠক, সৎ, নিষ্ঠাবান, সুশিক্ষিত, ন্যায়বিচারক ও দেশপ্রেমিকদের দলে স্থান দিতে হবে ও উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত করতে হবে। দলের মধ্যে কেন্দ্রীয় কমান্ড ভঙ্গকারীদের শাস্তির বিধান কার্যকর করলে দল ও দেশ নান্দনিক হয়ে গড়ে উঠবে। ৪. মুদ্রাপাচার, মেধাপাচার, শিশুপাচার তথা সম্পদপাচার রোধ করে জাতিকে অর্থনৈতিকভাবে আরো শক্তিশালী করতে হবে। ৫. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। আঞ্চলিক পর্যায়েও লুকিয়ে থাকা অসংখ্য মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করতে হবে। ৬. রামপাল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দ্রুত স্থাপন করতে হবে।
পরিশেষে বলা যায় সাতক্ষীরার সকল গ্রামীণ জনপদগুলো জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতের ছোঁয়ায় আরো সুন্দর হবে।
লেখক : সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, কবিতা পরিষদ, সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

95d4d6e1572c04cf2da963fbebc61430-58c5440378621আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট মিশেল তেমের ‘ভূতের ভয়ে’ রাজধানী ব্রাসিলিয়ার প্রেসিডেন্ট ভবন ছেড়েছেন। এ সপ্তাহের শুরুতে ৭৬ বছর বয়সী তেমের স্ত্রীকে নিয়ে বিলাসবহুল ‘অ্যালভোরাদা প্যালেস’ ছাড়ার কথা জানান। এ সময় তাদের ছেলেও বাড়ি ছেড়ে গেছেন। অ্যালভোরাদা প্যালেস ছেড়ে তারা একই এলাকায় ভাইস প্রেসিডেন্ট ভবনে উঠেছেন।
শনিবার ব্রাজিলের সাপ্তাহিক পত্রিকা ভেজা’কে তেমের জানান, তিনি ও স্ত্রী মারসেলা মনে করেন, বাড়িটি ছিল ভূতুড়ে এবং সেখানে বিভিন্ন ধরনের ভৌতিক শব্দ হতো।
তেমের বলেন, ‘আমি সেখানে অদ্ভুত কিছু অনুভব করতাম, প্রথম রাত থেকেই আমি সেখানে ঘুমাতে পারিনি। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও ভালো কাজ করত না।’
তেমের জানান, স্ত্রী মারসেলার মাঝেও একই ধরনের অনুভূতি কাজ করত। শুধু ছেলে মিশেলজিনহো সেখানে বাড়িটি পছন্দ করেছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা সেখানে কখনও ভালো বোধ করিনি’। তার প্রশ্ন- ‘সেখানে কি ভূত ছিল?’
ব্রাজিলের গ্লোবো পত্রিকা জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট তেমেরের স্ত্রী ভূত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একজন পাদ্রী ঠিক করেছিলেন।
বিলাসবহুল এ বাড়িতে রয়েছে-একটি পুল, ফুটবল মাঠ, চ্যাপেল, মেডিক্যাল সেন্টার ও লন।
তেমের এখন জাবুরু প্রাসাদে চলে গেছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকার সময় তিনি এ বাড়িতে বাস করতেন। গত বছর প্রেসিডেন্ট দিলমা রৌসেফকে ক্ষমতাচ্যুত হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রেসিডেন্ট পদে উন্নীত হন তেমের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

salman-aishwarya-1বিনোদন ডেস্ক : সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সম্পর্ক ও বিচ্ছেদ নিয়ে কম জল ঘোলা হয় নি! এবারে ঐশ্বরিয়াকে আঘাত করার কথা অস্বীকার করলেন সালমান। সেই সঙ্গে জানালেন আরও চমকপ্রদ কিছু তথ্য!
সালমানের রগচটা স্বভাবকেই বরাবর বিচ্ছেদর কারণ বলে দাবি করে এসেছিলেন তার সাবেক প্রেমিকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশিত এক সাক্ষাতকারে সালমান বললেন ভিন্ন কথা। জীবনে মাত্র একবারই নাকি কারো গায়ে হাত তুলেছিলেন সালমান এবং সেটি অবশ্যই ঐশ্বরিয়া নন- এমনটাই দাবি ‘সুলতান’ খ্যাত এ অভিনেতার।
একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাক্ষাতকারে সালমান বলেন, “আমি কখনোই ঐশ্বরিয়ার গায়ে হাত তুলিনি। আমি জীবনে একবারই কারও গায়ে হাত তুলেছিলাম আর সেটি অবশ্যই ঐশ্বরিয়া নয়।”
তবে কার গায়ে হাত তুলেছিলেন ‘বজরঙ্গী ভাইজান’? সে উত্তরই দিয়েছেন তিনি নিজেই!
সালমান বলেন, “একবার একটি ঘটনায় আমি নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলাম আর পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের গায়ে হাত তুলেছিলাম। সেবার কোনো একটি ঘটনায় রেগে গিয়ে তিনি আমার দিকে একটি প্লেট ছুড়ে মেরেছিলেন এবং আমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তার ঘর থেকে বার করে দিতে যাচ্ছিলেন। এর পাল্টা জবাব হিসেবে আমিও তার উপর চড়াও হয়েছিলাম।”
তবে সে তিক্ততা বেশিদিন টিকে থাকেনি। বাবা সেলিম খানের হুকুমে পরদিনই সুভাষ ঘাইয়ের কাছে দিয়ে ক্ষমা চাইতে হয়েছিলো সালমানকে। পরবর্তীতে মিডিয়ায় ভালো বন্ধু হিসেবেই টিকে ছিলো তাদের সম্পর্ক। সুভাষ ঘাইয়ের সিনেমা ‘যুবরাজ’-এ অভিনয় করেছিলেন সালমান।
দীর্ঘদিন পর মঞ্চ মাতালেন কারিনা কাপুর
বিনোদন ডেস্ক : বলিউডের আবেদনময়ী অভিনেত্রী কারিনা কাপুর দীর্ঘদিন পর মঞ্চ মাতালেন। শনিবার জি সিনে অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে তিনি শাহরুখ, সালমান, আমির ও সাইফ আলি খানের সম্মানে তাদের বিপরীতে অভিনয় করা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গানগুলোর সঙ্গে নাচ পরিবেশন করেন। গত বছর ডিসেম্বরে সন্তান জন্মদানের পর এটিই ছিল তার প্রথম সরাসরি মঞ্চ পরিবেশনা। এ সময় মঞ্চের সামনে বসে থাকা তারকা ও দর্শক কারিনাকে অভিনন্দন জানান।
একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে আরো জানা যায়, বন্ধু ডিজাইনার মনীষ মালহোত্রার ডিজাইন করা পোশাকে মঞ্চে নাচ পরিবেশন করেন কারিনা।
এদিকে, সিনে অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানের মঞ্চে ক্যাটরিনা কাইফের নাচ পরিবেশনের কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি তা করতে পারেননি। এদিকে, আলিয়া ভাটও করণ জোহরের সম্মানে অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

227223019649e82d316d3a9ab939ec86-58306be8a6572বিনোদন ডেস্ক : শাকিব খান ও বুবলী মাত্র ছ’মাস বয়স গানটির। এর মধ্যেই রেকর্ড গড়ে বসে আছে। গানটির নাম ‘দিল দিল দিল’। জানা গেছে, ঢাকাই সিনেমার অন্তর্জাল ইতিহাসে এটাই প্রথম কোনও গান, যেটি কোটি ভিউয়ের ঘর পেরিয়েছে ইউটিউবে।
গেল বছর ৪ সেপ্টেম্বর অন্তর্জালে মুক্ত হয় পরীক্ষিত সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমনের এই গানটি। কবির বকুলের কথায় যাতে কণ্ঠ দিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় শিল্পী ইমরান; সহশিল্পী কণা। আর সেই গানটি সোমবার বিকাল ৫টা ১১ মিনিট নাগাদ পৌঁছে গেছে কোটি ভিউয়ের ঘরে।
গান সংশ্লিষ্টদের উচ্ছ্বাসের খবর জানার আগে বলে রাখা উত্তম, এটি শামিম আহমেদ রনী পরিচালিত ‘বসগিরি’ ছবির গান। গেল কোরবানির ঈদে মুক্তি পেয়েছে এটি। আর এতে জুটি বেঁধেছেন ঢালিপাড়ার প্রধান মুখ শাকিব খান এবং নবাগতা বুবলী।
ধারণা করা হচ্ছে, সময়ের সফল সুরকার-গীতিকার-শিল্পী-নায়কের সম্মিলনের কারণেই ‘দিল দিল দিল’ গানটিকে এভাবে লুফে নেয় অন্তর্জাল দর্শকরা।
শওকত আলী ইমন বলেন, ‘‘আমি আসলে ‘ভিউ জেনারেশনের’ মানুষ নই। বরাবরই চেষ্টা করি, সিনেমার গল্প ধরে ভালো গান তৈরি করতে। তবে এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগ। তাই সেটাকেও মূল্যায়ন করতে হয়। ভাবতে ভালো লাগছে, সিনেমার প্রথম কোটি ভিউ পেরুনো গানটির সংগীত পরিচালক আমি। আমার ক্যারিয়ারে এটাও একটা অ্যাওয়ার্ডের মতো। ধন্যবাদ জানাই গানটি সংশ্লিষ্ট সবাইকে।’
এদিকে গানটির অন্যতম কণ্ঠশিল্পী ইমরান বলেন, ‘শ্রোতাদের ভালোবাসায় দ্রুততম সময়ে আমার আরও একটি গান কোটির কোঠা পেরিয়েছে। এটা অনেক উচ্ছ্বাসের বিষয়। ধন্যবাদ জানাই দর্শক-ভক্তদের। কৃতজ্ঞতা গান সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি।’
ইমরান আরও বলেন, ‘‘ভালো লাগার আরেকটি ব্যাপার হলো বাংলাদেশের প্রথম অডিও গান হিসেবে আমার গাওয়া ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’ গানটি কোটির ঘরে পা রাখার পর এবার বাংলাদেশের প্রথম সিনেমার গান হিসেবে ‘দিল দিল দিল’ একই রেকর্ড গড়ে। এটিও আমার গাওয়া। সবার অকৃত্রিম ভালোবাসা ছাড়া যা কখনোই সম্ভব হওয়ার ছিল না।’
এদিকে জানা গেছে, অডিও এবং চলচ্চিত্রের গান মিলিয়ে সবচেয়ে কম সময়ের (৬ মাস) মধ্যে কোটি ভিউয়ের ঘর পেরিয়েছে ‘দিল দিল দিল’ গানটি। এর আগে আট মাসের মাথায় মিনারের ‘ঝুম’ গানটি এই রেকর্ড গড়ে।
অন্যদিকে, চলচ্চিত্রের গানের মধ্যে ‘দিল দিল দিল’ এর পরেই কোটি ভিউর ওয়েটিং লিস্টে আছে প্রায় দুই বছর বয়সী ‘অগ্নি-টু’ ছবির ‘ম্যাজিক মামনি’ (৯৬ লাখ) গানটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

456285bb6b30603bb7d729fdec0f67cb-58c528e04b05dস্ব্যাস্থ্য ও জীবন : লেবুর রয়েছে অনেক উপকার। লেবুতে থাকা পটাসিয়াম ও ভিটামিন সি শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে লেবু। আমরা বেশিরভাগ সময়ই লেবু খেয়ে খোসা ফেলে দিই। তবে জানেন কি লেবুর মতো এর খোসাও শরীরের জন্য উপকারি ?
জেনে নিন লেবুর খোসা সম্পর্কে কিছু তথ্য- গবেষণা মতে, লেবুর রস অত্যন্ত উপকারি। তবে লেবু খোসাসহ খেলে উপকার হয় দ্বিগুণ। লেবুর খোসা থেকে ভিটামিন এ, ই, সি, বি৬, রিবোফাভিন, ফসফরাস, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। লেবুর খোসা পরিষ্কার করে ফ্রিজে রেখে খেতে পারেন। স্যুপ, সালাদ অথবা পাস্তার সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন লেবুর খোসা। ফ্রিজে রাখা লেবুর খোসা কুচি করে চা, জুস অথবা স্মুদির সঙ্গে মিসিয়েও পান করা যায়। লেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়া করে ব্যবহার করা যায় রূপচর্চায়ও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest