সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

xfull_865231687_1494410877.jpg.pagespeed.ic.iJihoWlSMpমুক্তির আগ থেকেই আলোচনার তুঙ্গে। আর পরে তো টালমাটাল অবস্থা।

যারা দেখেছেন তারা ছাড়াও যারা কাহিনী শুনেছেন তাদের মনেও জেগেছে অসংখ্য প্রশ্ন আর ভালোলাগা। বলছিলাম ‘বাহুবলী ২’ সিনেমার কথা।

পর্দায় আসার মাত্র ৮ দিনেই পকেটে পুরেছেন ১ হাজার কোটি টাকা। অথচ সেই ‘বাহুবলী ২’ নাকি কয়েক কোটি লোকসানও গুনেছে।

এমন চমকে যাওয়ার মতো খবর দিলেন ছবির পরিচালক এসএস রাজমৌলি এবং নায়ক প্রভাষ।

এর পেছনে কারণ হিসেবে তারা কাঠগড়ায় তুলছেন পাইরেসিকে। তাদের দাবি, ‘বাহুবলী ২’ প্রচুর পরিমাণে পাইরেসি হয়েছে। যেটার কারণে কোটি কোটি টাকা লোকসান হয়েছে তাদের। তাছাড়া টাকার অংকটা কম করেও হলে ১০০ কোটি বলে দাবি ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image-31020নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা শহরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যা, নাশকতা, গাছকাটাসহ দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের একই পরিবারের চার ভাইয়ের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মামলার অন্যতম চাজশীটভূক্ত পলাতক আসামী মাহামুদুল হাসান মন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে শহরের পলাশপোল এলাকা থেকে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গেস্খপ্তারকৃত মাহামুদুল হাসান কালিগঞ্জ উপজেলার বন্দেকাটি গ্রামের মৃত মহসিন আলীর ছেলে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মারুফ আহম্মদ জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের শুভাষসহ তার চার ভাইয়ের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ও অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে মাহমুদুল হাসান মন্টু। এ মামলায় সিআইডি তদন্ত করে মন্টুসহ ২৮জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে গত বছর অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপর কালিগঞ্জ থানায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌছানোর পর থেকে সে দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকে। অবশেষে কালিগঞ্জ থানা থেকে তার গ্রেপ্তারী পরোয়ানার কাগজ সদর থানায় পাঠালে মঙ্গলবার রাতে সদর থানার এসআই পাইক দেলোয়ারসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গ্রেপ্তার করেন। ওসি আরো জানান, সে জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে হত্যা, নাশকতাসহ ১৪ টি মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sink-waterনিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় কাল বৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকা ডুবিতে আবু সায়ীদ নামের এক শিশু নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার খোলপেটুয়া নদীতে এই নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে।
নিহত আবু সায়ীদ উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ঝাপালী গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান জানান, আবু সায়ীদ শখের বশে জেলেদের নৌকায় মাছ ধরতে গিয়েছিল। সন্ধ্যায় হঠাৎ করে ঝড় উঠলে নৌকা তীরের ভেড়ার সময় আকস্মিক ডুবে যায়। এ সময় অন্যান্যরা সাতরে তীরে উঠতে পারলেও আবু সায়ীদের মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনা শোনার পর সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার ও শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ আকের আলী গাজী বলেনÑ তার এলাকার হিজবুল্লাহর যুব সংঘের সভাপতি আইয়ূব সরদার, তার সহযোগী জামাত নেতা শামসুর গাজী ও স্বাধীনতাবিরোধী পরিবারের ছেলে সুমন সানা প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটূক্তি করেন। এ বিষয়ে মোঃ নুরুজ্জামান মালী আশাশুনি থানায় মামলা দায়ের করেন এবং তাদের গ্রেফতারের দাবি জানান। একই সাথে বিচারের জন্য বড়দল ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধারা, ইউপি চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছা সেবক লীগ, ছাত্রলীগ যুবলীগ গত ১ মে তারিখে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এ খবর পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলন করে আকের আলী গাজী, নুরুজ্জামান মালী ও মোঃ আব্দুল আজিজ এ তথ্য জানিয়ে বলেন, মানববন্ধনের পর আইয়ুব সরদার তার অপরাধ জগতকে আড়াল করতে ৩ মে তারিখে তার স্ত্রী শাহিনা খাতুনকে দিয়ে নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সে খবরও সংবাদপত্রে পড়েন সবাই। এই সংবাদ সম্মেলনে আইয়ুব আলী সেদিনের মানববন্ধনকে জামাত শিবির ও জঙ্গিদের মানববন্ধন বলে উল্লেখ করে মিথ্যাচার করেছেন এবং মুক্তিযোদ্ধা ও সহযোগীদের সম্মানহানি করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আকের আলী এসবের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, শাহিনা খাতুন প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি না করারও দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আইয়ুব সরদার এ এলাকায় সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকা- ছাড়াও সন্ত্রাসী ও নাশকতা কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা পুলিশের দালালি করে ও তাদের ছত্রছায়ায় থেকে জনগণের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা, বনদস্যুদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া, কাঠ পাচারকারী, হরিণ শিকারী ও বাঘের চামড়া পাচারকারীদের সহায়তা করছে। আইয়ুব সরদার, শামসুর গাজী ও সুমন সানাসহ অন্যদের বাঁচানোর লক্ষ্যে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি অবিলম্বে তাদের গ্রেফতারের দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের একতলা একাডেমিক ভবনের (চারতলা ভীত বিশিষ্ট) ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. আমিনুর রহমান উল্লাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার প্রসার ঘটাতে ভবনসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিচ্ছেন। দেশের শিক্ষাসহ সকল উন্নয়নে অব্যাহত ধারায় আওয়ামীলীগ সরকার কাজ করছে’। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেক গাজী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু জায়েদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহহিদুর রহমান ডাবলু, শেখ মশিউর রহমান বাবলু, নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক মন্জুরুল হক, সনি ইন্টারন্যাশনালের ঠিকাদার মো. শফিউল ইসলাম প্রমুখ। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ৫৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের একতলা একাডেমিক ভবনের (চারতলা ভীত বিশিষ্ট) ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

009-5নিজস্ব প্রতিবেদক : তিনি ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, তিনি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, তিনিই আবার হিসাবরক্ষণ অফিসের প্রাক্তন কেরাণি!!!! এই তিনি গতকাল ধরা পড়েছেন। এই প্রতারককে খুলনা মেডেকেল কলেজ ও হাসপাতালের বড় চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীদের সাথে প্রতারণার অভিযোগে প্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভূয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নাম মনোয়ার হোসেন সরদার। তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট ক্যান্সার সার্জারি ডা. মনোয়ার হোসেনের নাম ব্যবহার করতেন। মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ময়নুল  ইসলা‌মের নেতৃত্বে পুলিশ তাকে শহরের পলাশপোলস্থ কপোতাক্ষ ক্লিনিকে তার চেম্বার থেকে আটক করে।
সূত্র জানায়, যশোর জেলায় বাড়ি হিসাবরক্ষণ অফিসের প্রাক্তন কর্মচারী মনোয়ার হোসেন সরদার কতিপয় ক্লিনিকের ছত্রছায়ায় ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ কখন সার্জারী, কখনও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বলে পরিচয় দিতো। শহরের ভ্যান দালালাদের মাধ্যমে সদর হাসাপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিক থেকে রোগি ভূয়া নাম ব্যবহার করে ভাগিয়ে আনতো। জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি জানতে পেরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ময়নুল ইসলা‌মের নেতৃত্বে কপোতাক্ষ ক্লিনিক সংলগ্ন তার চেম্বারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ভুয়া ভিজিটিং কার্ড জব্দ করা হয়। তিনি তার প্যাডে খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নাম ব্যবহার করেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন প্রকার কথিত ডিগ্রি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

অভিযানে এ সব অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ময়নুল ইসলাম তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আশিকুজ্জামান ও ডা. মো. আরিফুজ্জামান। তবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ ও ভবিষ্যতে এমন কাজ করবেন না মর্মে মুচলেকা দেওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Rokon-500x350অপ্রতিম : একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের মামলায় সাতক্ষীরার ৪ আসমি সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা জামাতের আমির মাওলানা আব্দুল খালেক ম-ল, আব্দুল্লাহ-হিল বাকী, খান রোকনুজ্জামান এবং জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
গতকাল মঙ্গলবার চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসাথে এ মামলার পলাতক দুই আসামি খান রোকনুজ্জামান ও জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ফ্রেস ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপনের পর ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।
এসময় ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন।
এসময় আসামি আব্দুল খালেক ম-লের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন এবং আসামি আব্দুল্লাহ হেল আল-বাকীর আইনজীবী এম আবদুর রউফ ও আব্দুস সাত্তার পালোয়ান উপস্থিত ছিলেন।
চার আসামির মধ্যে খালেক ম-লকে গ্রেপ্তার করা হয় তদন্তকালেই। গত ৮ মার্চ ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর শতবর্ষী আব্দুল্লাহ হেল আল-বাকীকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর হেফাজতে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয় এ আসামিকে। বয়স বিবেচনায় ১০৩ বছর বয়সী বাকীকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে ছিলেন প্রসিকিউটর চমন।
বাকি দুই আসামি খান রোকনুজ্জামান ও জহিরুল ইসলাম ওরফে টিক্কা খান পলাতক। গত ৮ ফেব্রুয়ারি আব্দুল্লাহ-হেল আলী বাকীসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাতটি অভিযোগ আনা হয়।
এ মামলায় ২০১৫ সালের ৭ অগাস্ট তদন্ত শুরু হয়। প্রায় দেড় বছর পর এই প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়। তদন্তকালে ৬০ জনের জবানবন্দি গ্রহণ করা হলেও মামলার সাক্ষী করা হয়েছে ৩৩ জনকে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন টাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সহকারী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক খান বিপিএম।

সাত অভিযোগ
অভিযোগ-১: ১৯৭১ সালের ১৮ অগাস্ট সকাল ৮টার দিকে বুধহাটা খেয়াঘাটে বেতনা নদীর পাড়ে আফতাবউদ্দিন ও সিরাজুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে স্থানীয় খলিলুর রহমান, মো. ইমাম বারী, মো. মুজিবর রহমান ও ইমদাদুল হককে রাজাকার বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্র ডায়মন্ড হোটেলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ-২: ১৯৭১ সালেরর পহেলা ভাদ্র ধুলিহর বাজার থেকে কমরউদ্দিন ঢালী নামের একজনকে ধরে দড়ি দিয়ে বেঁধে নিয়ে যায় ১০/১২ জন রাজাকার সদস্য। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন সাতক্ষীরা মহকুমার রাজাকার কমান্ডার এম আব্দুল্লাহ-হেল আল বাকী ও খান রোকনুজ্জামান। পরে ঢালীর মৃতদেহ পাওয়া যায় বেতনা নদীর পাড়ে।

অভিযোগ-৩: ১৯৭১ সালের পহেলা ভাদ্র বুধবার বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার দিকে রাজাকার কমান্ডার বাকী, রোকনুজ্জামান খানসহ ৪-৫ জন মিলে সবদার আলী সরদারকে চোখ বেঁধে পিকআপ ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়। পরে আর তার সন্ধান মেলেনি।

অভিযোগ-৪: সোহেল উদ্দিন সানা নামের এক ব্যক্তি তার বড় ছেলে আব্দুল জলিল সানাকে সঙ্গে নিয়ে পহেলা ভাদ্র বুধহাটা বাজার অতিক্রম করার সময় রাজাকার কমান্ডার ইছাহাক (মৃত) ও তার সঙ্গী রাজাকারদের হাতে আটক হন। পরে তাদের ডায়মন্ড হোটেলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। সোহেল ও সানার সন্ধান আর মেলেনি।

অভিযোগ-৫: ১৯৭১ সালে ৭ আষাঢ় সকাল ৭টার দিকে আবুল হোসেন ও তার ভাই গোলাম হোসন নিজেদের বাড়ির পাশে হালচাষ করছিলেন। সকাল ৯টার দিকে গোলাম হোসেন বাড়িতে নাস্তা খেতে এলে আসামি আব্দুল খালেক ম-ল ও জহিরুল ইসলাম ওরফে টিক্কা খানসহ ১০/১২ জন রাজাকার সদস্য এসে তাকে পাশের পাটক্ষেতে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

অভিযোগ-৬: ১৯৭১ সালের ২ ভাদ্র সকালে বাশদহ বাজারের ওয়াপদা মোড় থেকে মো. বছির আহমেদকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের পর তার বুড়ো আঙ্গুলের রগ কেটে দেয় রাজাকার বাহিনীর সদস্যরা।

অভিযোগ-৭: ১৯৭১ সালের জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি কোনো এক সময়ে আসামি আব্দুল খালেক ম-ল ও রাজাকার কমান্ডার জহিরুল ইসলাম টিক্কা খান একদল পাকিস্তানি সৈন্যকে সঙ্গে নিয়ে কাথ-া প্রাইমারি স্কুলে স্থানীয় গ্রামবাসীদের ডেকে মিটিং করে। সেই মিটিংয়ে বলা হয়, যারা আওয়ামী লীগ করে এবং যারা মুক্তিযুদ্ধে গেছে তারা ‘কাফের’। এরপর তারা কাথ-া ও বৈকারি গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি-ঘর লুট করে জ্বালিয়ে দেয়।

সে সময় তারা মৃত গোলাম রহমানের স্ত্রীকে তার বাড়ির রান্নাঘরের পেছনে আটকে ধর্ষণ করে। এছাড়া বৈকারি গ্রামের এক নারীকে মৃত শরীয়তউল্লাহর ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপি-জামায়াতে দুইজন নেতা-কর্মীসহ ৩৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এসময় জেলার কলারোয়া উপজেলার উফাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো.মনিরুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানান,সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ০৮ জন, কলারোয়া থানা ০৭ জন, তালা থানা ০৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৫ জন, শ্যামনগর থানা ০৪ জন, আশাশুনি থানা ০৪ জন, দেবহাটা থানা ০২ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest