ডেস্ক: প্রথম দিনে ব্যাটিংয়ে পথ হারানো অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বল হাতে। নাথান লায়নের দুর্দান্ত স্পিনে লিড নেওয়ার পথ তৈরি করেছে সফরকারীরা।
অধিনায়ক স্টিভ স্মিথের সেঞ্চুরির পরও প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ৩০০ রানেই গুটিয়ে যায়। জবাবে দুর্দান্ত শুরু করা ভারত দিনের শেষ সেশনে খেই হারিয়ে ফেলে। ধর্মশালা টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ২৪৮ রান তুলতেই ভারত হারিয়েছে ৬টি উইকেট। এখনও ৫২ রানে এগিয়ে রয়েছে অজিরা।
জস হেইজেলউড ও প্যাট কামিন্সও দিন জুড়ে দারুণ বোলিং করলেও নায়ক লায়নই। চা-বিরতির পর প্রথম ওভারেই পুজারাকে ফিরিয়ে লায়নের শিকার শুরু। আগের ম্যাচের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান এবার ৫৭ করেছেন ১৫১ বলে।
লায়নের টার্ন ও বাউন্সে এরপর ফেরেন রাহানে ও করুন নায়ার। অশ্বিনও এদিন শুরু করেছিলেন দারুণ। কিন্তু ৩০ রানে তাকেও ফেরান লায়ন।
দিনটি অারো ভালো হতে পারত অস্ট্রেলিয়ার। দিনের শুরুতেই রাহুলের ক্যাচ ছাড়েন ম্যাট রেনশ। এরপর শেষ বিকেলেও ঋদ্ধিমান সাহার সহজ ক্যাচ তালুবন্দি করতে পারেননি রেনশ।
সকালে প্রথম সেশনে অফ স্টাম্প ঘেষা ডেলিভারিতে মুরালি বিজয়কে ফেরান হেইজেলউড। লোকেশ রাহুল ও চেতেশ্বর পুজারার দৃঢ়তায় প্রথম সেশনে আর উইকেট হারায়নি ভারত।
দ্বিতীয় সেশনেও ভারত হারায় মোটে একটি উইকেট। ৬০ রানে লোকেশ রাহুলকে ফেরান কামিন্স। গতিময় বাউন্সারে হুক করতে গিয়ে বল কাভারে পাঠান রাহুল!
দুর্দান্ত ফর্মে থাকা পুজারা এদিনও খেলছিলেন আরেকটি দুর্দান্ত ইনিংস। ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে আঁকড়ে ছিলেন উইকেট। এই ম্যাচের অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানেও জমে গিয়েছিলেন উইকেটে। ২ উইকেট হারিয়েই দেড়শ পেরিয়ে যায় ভারত। এরপরই চিত্র বদলে দেন লায়ন। দিনের শেষ সেশনে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের নাগালে নেন লায়ন।

তরিকুল ইসলাম লাভলু : বহু কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া এবং মানবতা বিরোধী যুদ্ধপরাধীর বিচার সম্পন্ন করার শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে।
আজকে আমাদের স্বাধীনতা দিবস,
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে তালতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আবিদার রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদ, প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এপিপি এ্যাড, মোস্তাফিজুর রহমান শাহনেওয়াজ, জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আল মাহমুদ পলাশ, ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হান্নান, মো. মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মো. মোহসেনুল হাবিব মিন্টু।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকালে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জেলা লেডিস কাব, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, শতমুখী মহিলা কাব, জাতীয় মহিলা সমিতি ও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থা’র সাধারণ সম্পাদক ফারহা দিবা খান সাথী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা লেডিস কাব ও জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি জেলা প্রশাসক পত্মী বেগম সেলিনা আফরোজ।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকালে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ভবনে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী মমতাজুনাহার ঝর্ণার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় তিনি বলেন,‘বর্তমান প্রজন্মকে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং বাস্তবতার সঠিত ইতিহাস জানতে হবে। জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস দমন করতে হলে সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে, স্বাধীনতার ইতিহাস ও মূল্যবোধকে নিজেদের মধ্যে ধারন করতে হবে। নতুন প্রজন্মের মধ্যে স্বাধীনতার অনুভূতিকে জাগ্রত করতে হবে, এবং তাদেরকে সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। আজ আমরা গর্বিত, আমরা স্বাধীন মাতৃভূমি পেয়েছি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে। রক্তয়ী মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় সেই গৌরব এবং অহংকারের দিন আজ। আজ থেকে ৪৬ বছর পূর্বে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়েই এই দিনে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। রচিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধুর ডাকে জীবনপণ সশস্ত্র লড়াইয়ে ঝাপিয়ে পড়ে বীর বাঙালী, উদিত হয় বাংলার আকাশে স্বাধীনতার চিরভাস্বর সূর্য।’ আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, তহমিনা ইসলাম (মনি), সুলেখা রাণী দাশ, সোনিয়া পারভীন শাপলা, রওশন আরা রুবি, মাহফুজা রুবি, বিশাখা রাণী, শিম্মি, গুলসান আরা, মমতাজ, সোবিতা, সুফিয়া, মালেকা, নাজিয়া, আন্নাসহ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি.এম আজিজুর রহমান। এসময় তিনি বলেন, ‘২৬শে মার্চ আমাদের জাতির আত্মপরিচয় অর্জনের দিন। পরাধীনতার শিকল ভাঙার দিন। আসুন সকল ভেদাভেদ ভুলে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাই। সবাই মিলে একটি অসা¤প্রদায়িক, ুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মো. মোদাচ্ছের আলী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষক মশিউর রহমান, মো. আনিসুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, শেখ আব্দুল আলিম, মোস্তফা বাকী বিল্লাহ, শংকর প্রসাদ দত্ত, মাসুদ রানা, অজিহার রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক এস.এম আব্দুল্লাহ আল মামুন। এসময় তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার ল্েয রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে অপারেশন সার্চ লাইটের নামে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলার মাধ্যমে বাঙালি জাতির জীবনে যে বিভীষিকাময় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল, দীর্ঘ ৯ মাসে মরণপণ লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলার দামাল সন্তানেরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে সে যুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে।’ আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পিপি এড. আজহারুল ইসলাম, ডিবি ইউনাইটেড গালস্ স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান, উম্মে হাবিবা, ফেরদৌস আরা প্রমুখ। এ সময় সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মো. হাবিবুল্লাহ।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সাতক্ষীরা সিটি কলেজে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবু সাঈদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক কাশেম আলী গাজী, মো. মনিরুজ্জামান, ফিরোজ কবীর, মিহির কুমার মন্ডল, মীম সাইফুল ইসলাম, জি.এম শফিউল আলম প্রমুখ। এ সময় কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কলেজের প্রধান সহকারী আব্দুল ওহাব আজাদ।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা খাতুন। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহকারী প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ, শিক্ষক জি.এম আলতাফ হোসেন, শ্যামল কুমার দাশ, কাণাই লাল মজুমদার, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রদের মধ্যে পারভেজ ইমাম ও অহিন অর্ণব বাছাড় প্রমুখ। এ সময় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গাজী মোমিন উদ্দিন।
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার শিববাড়ীর আতিয়া মহলে অপারেশন টোয়াইলাইটে ২ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান।
মোঃ তরিকুল ইসলাম : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতার টাউন পাড়ায় সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি আলহাজ্জ অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হকের বাসভবনে রবিবার (২৬ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪ টায় কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা,তারালী ও ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ ও সকল অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের প্রচার ও দলকে সু-সংগঠিত করার লক্ষ্যে উক্ত সভায় আলহাজ্জ অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক (এমপি) সকল নেতা কর্মীদের এক সাথে কাজ করার আহবান করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন,নলতা ইউনিয়ন আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আব্দুল মোনায়েম,সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন পাড়,তারালী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আহম্মাদ সরদার,সাধারণ সম্পাদক এহছানুল,ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আঃ গফুর,সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনসহ আরো উপস্থিত ছিলেন,উল্লেখিত ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর : ২৬ শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস। ভোরের সূর্য উকি দেওয়ার সাথে সাথে শ্যামনগর উপজেলা সদরের নকিপুর গ্রামের প্রতিটা বাড়িতে পৎপৎ করে উড়েতে শুরু করেছিল লাল সবুজের পতাকা। এবারের ২৬ শে মার্চ যেন নকিপুর বাসীর কাছে অতি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। দিনটি উপলক্ষে এক বাড়তি আমেজের সৃষ্ঠি হয় নকিপুর বাসীর সকল বয়সের মানুষের কাছে।নকিপপুর বাসীর মনে স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগিয়ে তুলতে উত্তোলন করা হয় লাল সবুজের জাতীয় পতাকা।জাতীয় পতাকা একটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক ।একটি পতাকা তলে যখন কোন জাতি একত্রিত হয়, তখন তাদের মাঝে শক্তিশালী ঐক্য তৈরি হয়।আর সকলেই এক সাথে একযোগে বাড়িতে বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে সেই ঐক্য প্রমান করেছে নকিপুর বাসী।নকিপুর গ্রামের কতিপয় ব্যাক্তিরা জানান“ আমাদের গ্রামের সন্তান সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার এর উৎসাহে ও সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুণালের স্পেশাল পিপি সদর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম জহুরুল হায়দার বাবুর এর পরিকল্পনা ও আয়োজনে উৎসব আমেজে ছোট থেকে বৃদ্ধ সবাই স্বত:স্ফূর্ত ভাবে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মহান স্বাধীনতা দিবসে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিটি বাড়ীতে উত্তোলন করেছি আমাদের গর্ব,আমাদের অহংকার লাল সবুজের পতাকা”। জাতীয় পতাকা যে কোন জাতির ভাষা, সংস্কৃতি এবং মন ও মানসিকতার একতাবদ্ধতার প্রতীক।কারণ পতাকা একটি জাতির মনোবল বৃদ্ধি করে। এগিয়ে যাবার সাহস যোগায়।সংগ্রামী মানুষের মনে বিজয়ের প্রেরণা তৈরি করে। শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে তাদের মাঝে ঐক্যের প্রাচীর বিনির্মাণ করে। স্বাধীনতা অর্জনের পর তা রক্ষার জন্য সর্বসাধারণের হৃদয়ে মৃত্যুঞ্জয়ী মানসিকতার জন্ম দেয়। পৃথিবীর প্রতিটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের পতাকা রয়েছে।প্রত্যেক জাতি তাদের জাতীয় পতাকা নিয়ে গর্ববোধ করে। আর এ সমস্ত কথাগুলি বুকে ধারণ করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে উদ্ভুদ্ধ করতে তাদের এই উদ্যোগ বলে জানান এলাকা বাসীর অন্যান্যরা । বাড়িতে বাড়িতে পতাকা উত্তোলন সর্ম্পকে জানতে চাইলে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট জহুরুল হায়দার বাবু বলেন“ সকালে উঠেই দেখি নতুন সাজে সেজেছে আমাদের গ্রাম, পৎপৎ করে উড়তে দেখা যায় লাল সবুজের চিরচেনা জাতীয় পতাকা। এর মাধ্যমে পতাকার প্রতি ভালবাসা, পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব, কর্তব্য ও মর্যাদাবোধ বৃদ্ধি পাবে মনে করেন তিনি। তিনি আরো বলেন“ নকিপুর বাসী এই পতাকা উত্তোলণের মাধ্যমে শপথ করেছে যে ,যে পতাকার জন্য বাংলার আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করেছেন সেই প্রিয় পতাকাকেই কখনও তারা অসন্মান হতে দেবেনা তারা আরো শপথ করেছে যে, আমাদের মেধা ও কর্ম দিয়ে জাতীয় পতাকার সম্মান ও মর্যাদা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরব। আর আর লাখো শহীদের রক্ত, জীবন ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত পতাকা বাংলার আকাশে অনাদি ও অনন্তকাল স্বমহিমায় উড়তে থাকবে ইন্শাআল্লাহ।
কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ‘পিতা দিয়েছে স্বাধীনতা, কন্য দিয়েছে দেশ, শেখ হাসিনার হাতে যদি থাকে দেশ, পথ হারাবেনা বাংলাদেশ’। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উৎযাপন উপলক্ষে বীর মুুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্র্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ১১টার দিকে পবিত্র কুরআন তেলয়াতের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নিবার্হী অফিসার উত্তম কুমার রায়ের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সুখী, সমৃৃদ্ধি বাংলাদেশ গঠনের লক্ষে ডিজিটাল প্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার ও মুুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ইতিহাস এবং মুুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আতœত্যাগের কথা স্মরণ করে আলোচনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এড মোস্তফা লুতফুল্লাহ এমপি। এ সময় তিনি বলেন, এ দেশের মাটিতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কোন ঠাঁই হবে না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালের ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা। আর এই স্বাধীনতাকে আমরা কোন অপশক্তির কাছে নত হতে দেব না। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ ফারুক হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন (ভারপ্রাপ্ত) উপজেলা চেয়ারম্যান সেলিনা আনোয়ার ময়না, নব নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেন, যুুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন, আব্দুল গফ্ফার, মুুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, ডেপুটি কমান্ডার আবুল হোসেন গাজী, সাংগঠনিক কমান্ডার সৈয়দ আলি গাজী, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, আব্দুর রউফ, এড আলি আহম্মদ, ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হাসান,থানার এস আই রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্র্মকর্তা ডাক্তার এএসএম আতিকুজ্জামান, কৃষি কর্র্মকর্র্তা মহাসীন আলি, বিআরডিবি কর্মকর্তা আব্দুল গফুর, আরডিও কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার মন্ডল, মৎস্য কর্মকর্তা নিপেন্দ্র কুমার বিশ্বাস, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা তাহের মাহমুদ সোহাগ, ডাক্তার মেহের উল্লাহসহ সকল দফতরের কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তার পরিবারের সদস্যবৃৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে সকল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী ও বিতরণ করা হয়।