3

অনলাইন ডেস্ক: আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে ওয়াইফাই সংযোগসহ জীবন্ত অবস্থায় এডওয়ার্ড নামের এক ব্যক্তিকে কফিনে ভরে তিনদিনের জন্য কবরে দাফন করা হয়। তার সঙ্গে সেই কফিনে দেয়া হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ, একটি বালিশ ও একটি লেপ। সমাহিত করার আগে এডওয়ার্ড তার স্ত্রীর কপালে চুম্বন করেন। পরে স্বামীর সমাধির সঙ্গে ছবি তোলেন তার স্ত্রী।

ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল তাদের সেই প্রতিবেদনে বলছে, জন এডওয়ার্ড নামের ওই ব্যক্তি মাদকাসক্ত, আত্মহত্যার চেষ্টাকারী ও আহার বিশৃঙ্খলায় ভুগতে থাকা ব্যক্তিদের নতুন জীবন শুরুর প্রতি সচেতনতা তৈরি করতে এ স্ট্যান্ট করছেন।

এডওয়ার্ড অতীতে মাদকাসক্ত ছিলেন। এতে তিনি কঠিন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়েছেন অন্তত দুবার, হেপাইটাইটিস সি আক্রান্ত ছিলেন ও লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করেছেন একবার।

২৩ বছর আগে মাদক ছেড়ে দেওয়া এডওয়ার্ড বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা হলো তারা সেখানে যাওয়ার আগেই তাদের সঙ্গে কথা বলা এবং আশান্বিত করা।’

গত বুধবার তাকে তিনদিনের জন্য কবরস্থানে দাফন করা হয়। ইতোমধ্যে কবর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একবার লাইভ করেছেন তিনি।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন-

https://www.youtube.com/watch?v=L6K6oh6aRUY

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কাকে বিয়ে করছেন কণা?

কর্তৃক Daily Satkhira

unnamedবিনোদন ডেস্ক: বাংলা গানের তরুণ প্রজন্মের শিল্পী কণা। অনেক চড়াই-উতরাই পার করে চলচ্চিত্র, অ্যালবাম ওস্টেজসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। বর্তমানে স্টেজ শো নিয়ে পুরো বছরই ব্যস্ত থাকেন এতারকা।

গেল বছর কণার দুটি গান বেশ জনপ্রিয়তা পায়। এর মধ্যে একটি ‘রেশমি চুড়ি’ এবং অন্যটি ‘বসগিরি’ ছবির‘দিল দিল দিল’। বর্তমানে সিনেমার গান নিয়েই ব্যস্ততা বেশি। বেশ কয়েকটি ছবির প্লেব্যাক করছেন তিনি।

গেল বছর বিয়ে করার কথা জানিয়েছিলেন এ শিল্পী। কিন্তু, ইচ্ছে পূরণ হয়নি। তবে, এ বছর বিয়ে করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে কণা বলেন, ‘আমার কাছে বিয়ে একটি পবিত্র বন্ধন ও শুভ একটি সম্পর্কের নাম। বিষয়টি নিয়ে তাই তাড়াহুড়ো করতে চাই না। এ বছরই বিয়ের বাদ্য বাজতে পারে। তবে আমি মনে করি, বিয়ের বিষয়টি সৃষ্টিকর্তার হাতেই রয়েছে। দেখা যাক কী হয়।’

তবে, কণার বর কে হচ্ছেন তা এখনো অজানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bistiডেস্ক: সারাদেশে বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হবে এবং তা গড়াবে সোমবার অব্দি। ঢাকার আকাশের মত দেশের অন্যান্য এলাকাও হালকা মেঘাচ্ছন্ন। আগামী ৭২ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবারে কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা ৪০ ভাগ। হতে পারে ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। রাত নাগাদ এটা বেড়ে হবে ৬০ ভাগ।

রবিবারে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০ ভাগ এবং পরিমাণও এলাকাভেদে ৫ থেকে ১০ মিলিমিটার। আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত রোজ এভাবে বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক আবহাওয়া নেটওয়ার্কগুলো।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমী লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

এই দিনগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি দমকা হাওয়া ও বজ্রপাত থাকবে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

tala-picture-fahim-03-03-17-psdতালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত প্রতিবন্ধি শিশু ফাইম শেখ (৬) বাঁচতে চায়।  সে তালা উপজেলার শিরাশুনী গ্রামের মোঃ বিল্লাল শেখের পুত্র।
ফাইম শেখের মা রেখসোনা বেগম জানান, এক ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে ফাইম সবার ছোট। দু’সন্তানকেই শিরাশুনী গ্রামে বাবার বাড়িতে রেখে ইটের ভাটায় শ্রমিকের কাজ করে স্বামী-স্ত্রী (ফাইমের মা-বাবা)। জন্ম থেকেই পুরুষাঙ্গে কোন ছিদ্র না থাকায় ঠিকমতো প্রসাব করতে পারেনা সে। পুরুষাঙ্গের গোড়া দিয়ে প্রসাব বের হয় তাঁর। মাঝে মাঝে যন্ত্রণায় ছটফট করে সে। দিনে দিনে সমস্যা বেড়েই চলেছে। এছাড়া জন্ম থেকেই ফাইমের ডান পা ও ডান হাত খাটো, মুখ ও মাথা কিছুুটা বড়। খুলনা ও সাতক্ষীরার বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ-পত্র খাওয়ানো হচ্ছে। অন্ধ বিশ্বাসে অনেক কবিরাজের কাছ থেকে ঝাঁড়-ফুক করানো হচ্ছে। কিন্তু অপারেশন ছাড়া কোনভাবেই ফাইমের আরোগ্য লাভ হবেনা বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।  ফাইমের চিকিৎসার জন্য আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকার প্রয়োজন।  যা তার দরিদ্র পিতা-মাতার পক্ষে বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই সমাজের বিত্তবান ও দয়ালু ব্যক্তিদের সাহায্য কামনা করেছে ফাইমের পরিবার। এজন্য ফাইমের পরিবার ০১৯৬২-৬৯২৫৮৩ এবং ০১৯৫৬-১৩২২৯৬ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

indexপ্রেস বিজ্ঞপ্তি: তালার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি দীর্ঘ ৪৫ বছর পর সরকার বহু প্রত্যাশিত মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রণয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন মন্ত্রণালয় ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এই দুরুহ ও কঠিন দায়িত্ব পালনের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাইয়ের একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেন ২০১৭ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে যাচাই বাছাই কার্যক্রমের নির্দেশিকা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট উপজেলা যাচাই বাছাই কমিটির মাধ্যমে কার্যক্রম গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেন। দেশব্যাপী যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হলে দেখা যায় যে, অধিকাংশ উপজেলায় জামুকা নির্ধারিত নীতিমালার নির্দেশিকা অনুযায়ী যাচাই বাছাই কার্যক্রম ত্রুটিপূর্ণভাবে অনুসরণ হচ্ছে। ফলে অনেক উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। মুক্তিযোদ্ধারা এর প্রেক্ষিতে উচ্চতর আদালতে প্রতিকারের জন্য মামলা করতে বাধ্য হয়। এমনকি যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া শুরুর প্রাক্কালে দেশের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ যাচাই বাছাইয়ের গঠন প্রক্রিয়া ত্রুটিপূর্ণ এ মর্মে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রীট পিটিশন দাখিল করেন। উচ্চতর আদালত মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়সহ জামুকা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন এবং চার মাস যাচাই বাছাই কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় উচ্চতর আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে সারা দেশে যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে। এমতাবস্থায় বিজ্ঞ আইনজীবীদের পরামর্শ মোতাবেক গত ২৮.০২.২০১৭ তারিখে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি প্রচারের মাধ্যমে সারাদেশে যাচাই বাছাই কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী যাচাই বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করত তবে আজকে সমগ্র দেশব্যাপী যাচাই বাছাই নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতো না কমপক্ষে দেশের ৮০/৯০ টি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা করা লাগত না। সমগ্র দেশব্যাপী যাচাই বাছাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় যাচাই বাছাই ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়।
১. এ কার্যক্রম শুরুর প্রাক্কালে দেখা যায় যে, বাছাই কমিটির সভাপতি জনাব মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সংসদ সদস্য মহোদয় কে সভাপতি নিয়োগ করা হয়। যা যাচাই বাছাই নীতিমালা পরিপন্থী।
২. যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য এস.এম. ফজলুল হক ও মোঃ আব্দুস সবুর এলাকার বিতর্কিত মুক্তিযোদ্ধা।
৩. যাচাই বাছাই নির্দেশিকার গুরুত্বপূর্ণ শর্তানুযায়ী ভারতীয় ও লাল তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে যাচাই বাছাই কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ইউএনও মহোদয়ের অফিসে যাচাই বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখানে কোনো ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
৪. এছাড়া জামুকা থেকে প্রেরিত বিতর্কিত ৫২ জন অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রেরণ করা হলে তাদের বিষয়টি যথাযথভাবে সুরাহা করা হয়নি। তারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কি না বা অমুক্তিযোদ্ধা তা নিরূপণ করার ব্যবস্থা হয়নি।
৫. এছাড়া তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের যাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল তাদেরকেও কমিটিতে ডাকা হয়নি।
৬. সর্বোপরি যাচাই বাছাই অন্তে প্রত্যেক দিনের ফলাফল নোটিশ বোর্ডে টানানোর নির্দেশ উপেক্ষা করা হয়েছে। এমনকি উপজেলার সমস্ত ইউনিয়নে যাচাই বাছাই কার্যক্রম শেষ হলেও অদ্যাবধি যাচাই বাছাইয়ের ফলাফল নোটিশ বোর্ডে টানানো হয়নি।
উপরোক্ত অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ার প্রাক্কালে সরাসরি যাচাই বাছাই কমিটির নিকট নীতিমালা অনুসরণ করে যাচাই বাছাই করার আবেদন করা হয়। কিন্তু কোনো ফল হয়নি। পরবর্তীতে ২৫.০১.২০১৭ ইং তারিখে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি আবারও প্রশাসনের এবং মুক্তিযোদ্ধাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৩.০২.২০১৭ ইং তারিখে পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জামুকা মহাপরিচালক, তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দৃষ্টি আকর্ষণ করে যাচাই বাছাই কার্যক্রম বন্ধের আবেদন করা হয়। উপরোক্ত সব উদ্যোগ ব্যর্থতায় পর্যবেশিত হলে তালা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের সার্বিক স্বার্থের কথা বিবেচনা করে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে ২০.০২.২০১৭ ইং তারিখে এক রীট আবেদন দাখিল করা হয়। ফলে আদালত তালা উপজেলার যাচাই বাছাই কার্যক্রম ৩ মাস স্থগিত আদেশ জারি করেন এবং কমিটিকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তার কারণ দর্শানোর আদেশ দেন। মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ থেকে নির্দেশনা জারির পরও লক্ষ করা যাচ্ছে যে, তালা উপজেলার কতিপয় বিতর্কিত মুক্তিযোদ্ধা ও অনলাইনে দাবিকৃত কিছু ব্যক্তি তাদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি বাড়ি যেয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে তালার মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্য নষ্ট করে যাচাই বাছাই কমিটিকে প্রভাবিত করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিজেদের নামে প্রতিষ্ঠিত করতে অপচেষ্টায় লিপ্ত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ দৈনিক পত্রদূত পত্রিকায় তাদের প্রতিবাদ সভার বিবরণ ছাপা হয়েছে। তাদের বক্তব্য আদৌ সত্য নয়। যারা কমিটির অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলছেন তারা প্রত্যেকেই উপজেলার সর্ব পরিচিত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পদক্ষেপ যাচাই বাছাইয়ের নির্দেশনা পরিপন্থী না। নির্দেশনাকে সঠিকভাবে তার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তাদের এই প্রচেষ্টা একটা শুভ উদ্যোগ। যার পরিণামে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান উঁচু করবে এবং অমুক্তিযোদ্ধা নামধারী স্বার্থান্বেষী মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোশ জাতির কাছে উন্মোচন করবে। আমাদের মনে রাখতে হবে মুক্তিযোদ্ধা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। রাষ্ট্র আমাদের সম্মানিত করেছেন। ’৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা বর্তমান বিসর্জন দিতে ভবিষ্যতে জাতিকে পৃথিবীর মানচিত্রে প্রতিষ্টিত করার জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। এটা তাদের ব্যক্তিগত অর্জন। জাতির জন্য আত্মত্যাগের সুমহান মহিমায় তারা চিরঞ্জিব। তাদের আত্মত্যাগের ভাগ কতিপয় অমুক্তিযোদ্ধারা আত্মসাৎ করতে পারে না। আর আমরা সে সুযোগ দিতে চাইনা। আমরা যারা দেশকে স্বাধীন করেছি সেই মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ এবং আমাদের সাহায্যকারী মুক্তিকামী জনগণ তাদের অবৈধ আবদার মানতে পারে না এবং ভবিষ্যতেও পারবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাইয়ের এই দূরুহ কাজ ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধভাবে সংশ্লিষ্ট যাচাই বাছাই কমিটিকে সর্বান্তকভাবে সাহায্য করে এই অপচেষ্টা তৎপরতাকারীদের সজাগ থাকতে হবে। এবং তাদের বিরুদ্ধে আমাদের আইনি লড়াই এবং ময়দানের লড়াইতে সবাইকে শরিক হতে হবে।
তালার মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে :
১. বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আলাউদ্দিন জোয়ার্দ্দার, ডেপুটি কমান্ডার, তালা উপজেলা
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, কমান্ডার, তালা উপজেলা
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ কুমার দাশ, কমান্ডার, ইসলামকাটি ইউনিয়ন
৪. বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মতিয়ার রহমান, কমান্ডার, নগরঘাটা ইউনিয়ন
৫. বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কার শেখ শুকুর, কমান্ডার, খলিলনগর ইউনিয়ন
৬. বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: এরফান আলী, কমান্ডার, কুমিরা ইউনিয়ন
৭. বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মকবুল হোসেন
৮. বীর মুক্তিযোদ্ধা সুজাত আলী শেখ
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অরবিন্দ দাশ
১০. বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: লুৎফর রহমান, প্রাক্তন কমান্ডার, তালা উপজেলা
১১. বীর মুক্তিযোদ্ধা অমল কৃষ্ণ ঘোষ, প্রাক্তন সদস্য, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ
১২. বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুস সোবহান, যুদ্ধকালীন কমান্ডার
১৩. সুভাষ চন্দ্র সরকার, যুদ্ধকালীন কমান্ডার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2222নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে জেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় ইসু মিয়া স্মৃতি এ্যাথলেটিকস্ প্রতিযোগিতা-২০১৭ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মীর ইশরাক আলী ইসু মিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় তিনি বলেন, ‘মীর ইশরাক আলী ইসু মিয়া ছিলেন সাতক্ষীরার সামগ্রীক উন্নয়নের দিকপাল। নিজ কর্ম ও গুণের মাধ্যমে আজো মীর ইশরাক আলী ইসু মিয়া মানুষের হৃদয়ে স্মরনীয় হয়ে বেঁচে আছেন। মানুষ মারা গেলেও তার স্মৃতি ও স্বপ্ন মরেনা। আমি তার সন্তান হয়ে তার স্বপ্ন ও আশা আকাঙ্খা বাস্তবে রুপ দিতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জেলার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করছি এবং যতদিন বেঁচে আছি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাব। তিনি আয়োজকবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান একজন গুণী মানুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এমন একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য’।
বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে মোট ৫০ টি ইভেন্টে এ্যাথলেটিকস্ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায়ে  স্কুল ও কলেজ এবং বিভিন্ন বয়সের ৩ শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদিকা ও পৌর কাউন্সিলর ফারহা দীবা খান সাথি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ন সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির খান বাপ্পি, পৌর কাউন্সিলর অনিমা রাণী মন্ডল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য কাজী কামরুজ্জামান খোকন, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, শাম্মু চেীধুরীসহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ। ৪ মার্চ শনিবার বিকালে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান বাবু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3333নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘প্রবীণের আছে আলোর ভান্ডার বার্ধক্য পারে না আনতে আধার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সেমিনার ও পূর্নমিলনী -২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের কামালনগর তুফান কনভেনশন সেন্টারে সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আয়োজনে  সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের আহবায়ক ডা: সুশান্ত ঘোষের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন তালা-কলারোয়া-০১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ঢাকা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সেরাজুল হক। প্রবীণ সমাজের ক্রমবিকাশ ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত বিষয়ে প্রবন্ধ উপাস্থাপন করেন  সাবেক মন্ত্রী ডা: আফতাবুজ্জামান, অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, সাবেক উপ-সচিব আব্দুল হামিদ, মো. হাদিউজ্জামান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রবীণ বার্তা প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পল্টু বাশার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

44444নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের জজকোর্টের পিছনে পবিত্র জুম্আ’র নামাজের মধ্য দিয়ে সবুজবাগ জামে মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সবুজবাগ জামে মসজিদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দন্ত চিকিৎসক ডা: মো. আবুল কালাম বাবলা, জেলা পরিষদের সদস্য সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, এড. আব্দুল মুজিদ, সবুজবাগ জামে মসজিদের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি এড. রফিকুল ইসলাম রফিক, সাধারণ সম্পাদক আবুজার, পৌর আওয়ামীলীগের সদস্য আমজাদ হোসেন লাভলু, মসজিদের জমি দাতা আব্দুল গফুর, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম রনি, শাম্মু চৌধুরী প্রমুখ। এ সময় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুসল্লীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এপিপি এড. তামিম আহমেদ সোহাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest