সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

01মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির উপদেষ্টা সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম আরিফুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল খালেক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজ আল-আসাদ, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদ হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. ফরিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক দেবাশিষ সরদার, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আতিকুল হক, এন.এস.আই’র সহকারি পরিচালক আনিসুজ্জামান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফুজ্জামান, বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদ জেলা সভাপতি মনোরঞ্জন মুখার্জী, বিআরটিএ’র সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ চৌধুরী, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ সহিদুর রহমান, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্র নাথ দাস, মহিলা কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘শহরে ইঞ্জিন ভ্যানের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। মা বোনেরা এতে ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারেনা। এটা বন্ধ করা হয়েছে তবে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। ব্যাটারী চালিত ভ্যান বন্ধ থাকলে সাতক্ষীরাবাসীর জন্য ভালো হবে। শুধু মাত্র পৌর এলাকায় ব্যাটারী চালিত ব্যান চলবে না। তবে ব্যাটারী খুলে তার চালাতে পারবে এবং লেগুনা সার্ভিস চলবে। আর ব্যাটারী চালিত ভ্যান পৌর এলাকার বাইরে চালাতে পারবে। এ পর্যন্ত মোট ৪০০টি ইঞ্জিন ভ্যান আটক করা হয়েছে। আটক অভিযান আরো বাড়াতে হবে। তবে ব্যাটারি চালিত ভ্যান আটক করে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পেলে সেটি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খুব শ্রীঘই জেলা পরিষদের অর্থায়নে ৫০০ টি রিক্সা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়। বক্তারা আরো বলেন, সাতক্ষীরার মানুষ অত্যন্ত আতিথিপরায়ণ। এ জেলার সব মানুষ জঙ্গী না, সাধারণ মানুষ অনেক ভালো। এজন্য সাধারণ মানুষ যাতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে হয়রাণীর স্বিকার না হয় সেদিকে পুলিশ বিভাগকে খেয়াল রাখতে হবে। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন এগিয়ে চলেছে।’ জেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটি’র সভায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। শহরের প্রধান সড়কটি সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করা, ভুয়া ডাক্তার ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালানা করে ব্যবস্থা গ্রহণ, নাম্বার বিহীন মোটর সাইকেল এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং বিআরটিএ’র কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে হবে, যুবলীগ নেতা রাসেল কবির হত্যা মামলার তদন্ত অগ্রগতি হয়েছে এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমন হত্যা মামলাটি সিআইডিতে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাণ সায়ের খাল পুন: খনন করণ, সাতক্ষীরা জেলায় কোচিং বাণিজ্য বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শ্রেণি কক্ষে নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে অবগত করানো। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলার থানা ওয়ারী মামলা অনুযায়ী মে ২০১৭ মাসে মামলা হয়েছে ২শ’ ৫৬টি এবং  এপ্রিল ২০১৭ মাসে মামলা ছিল ২শ’ ৫৫টি। এসময় জেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভায় কমিটির সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Assasuni Pic 11-06-17আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে স্বামীর পরকিয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার ভোরে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক স্বামী বিজন মন্ডলকে আটক করেছে। নিহতের নাম কঙ্কাবতী মন্ডল (৩৮)। তিনি একই ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামের অনিল মন্ডলের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয়ররা জানান, গত বিশ বছর আগে আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মনোহর মন্ডলের ছেলে বিজন মন্ডলের সাথে বিয়ে হয় ফকরাবাদ গ্রামের অনিল মন্ডলের মেয়ে কঙ্কাবতীর। বিয়ের পর থেকে বিজন মন্ডল প্রায় সময়ই তার স্ত্রীর সাথে খুটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া করতো। সম্প্রতি বিজন মন্ডল তার বাড়ির পাশে এক মেয়ের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে। আর এই পরকিয়ায় বাধা দেয়ায় স্বামী বিজন মন্ডল ভোরে তার স্ত্রী কঙ্কাবতীর সাথে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে পিটিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে তার লাশ বাড়ির পাশে গাছে ঝুলিয়ে রাখে। সকালে স্থানীয়দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ নিহতের স্বামী বিজন মন্ডলকে আটক করে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুল ইসলাম শাহিন এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক স্বামী তার স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তিনি আরো জানান, নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4782c332efe271e6388230bd935da07e-593c576eaaf8b‘আমরা করবো জয়! আমরা করবো জয়! আমরা করবো জয়! একদিন…। আহা বুকের গভীরে আছে প্রত্যয়, আমরা করবো জয়! একদিন…।’ বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মুখেও এই গান! ২২ গজের লড়াই সফল হওয়ার পরই মূল যোদ্ধাকে মধ্যমনি করে এই গানটি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ড্রেসিং রুমে নিয়মিতই পরিবেশন করে। শুক্রবার কিউইদের হারিয়েও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। যদিও ম্যাচের একদিন পর সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পরই ফেসবুকে ভক্তদের জন্য ভিডিওটি ছড়িয়ে দেন ক্রিকেটাররা।

শুক্রবার সাকিব-মাহমুদউল্লাহর বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে পড়েছে কিউরা। ২২৪ রানের রেকর্ড জুটিতে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ড্রেসিংরুমে মুশফিকের নেতৃত্বে ‘আমরা করবো জয়’ গানটি দলের সকল খেলোয়াড়রা মিলে গেয়েছেন। সেখানে মধ্যমনী ছিলেন মোসাদ্দেক, সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ।

মুশফিকের কণ্ঠে ওয়ান, টু, থ্রি…এরপরই সবাই সমবেত কণ্ঠে গেয়ে ওঠেন, ‘আমরা করবো জয়’ গানটি। কিউইদের বিপক্ষে মোসাদ্দেকের ব্যাটেই জয়সূচক রানটি আসে। ফলশ্রুতিতে গানের মাঝামাঝিই চিয়ার্স ফর মোসাদ্দেক হিপ হিপ হুররে…বলে মুশফিক চিৎকার দিতেই সমবেত কণ্ঠে মোসাদ্দেককে অভিনন্দন জানানো হয়। এরপর সাকিব ও রিয়াদের রেকর্ড জুটিতে স্পেশাল চিয়ার্স করে সতীর্থরা। মুশফিকের কণ্ঠে ভেসে ওঠে। স্পেশাল চিয়ার্স ফর সাকিব এবং রিয়াদ ভাই..হিপ হিপ হুররে…! এরপর উল্লাস চিৎকার আনন্দ উৎযাপন শেষ হয় টাইগারদের। এই ভিডিওটি শুক্রবারের ম্যাচের পর করা হলেও শনিবার মধ্যরাতে মুশফিক ও তাসকিন তাদের ফেসবুকে ভক্তদের উদ্দেশ্যে উন্মুক্ত করেন।

শনিবার ইংলিশদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া হেরে যাওয়ায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক কোনও টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

হয়তো সেমিফাইনালের জয়ের ধাপটা পেরিয়ে সকলে মিলে গলা ছেড়ে আবারও গান ধরবে, ‘আমরা করবো জয়… আমরা করবো জয়… আমরা করব জয় একদিন! ওওও… বুকের গভীরে… আছে প্রত্যয়… আমরা করবো জয় একদিন!’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

7de49858ce5323b2e15b2f6de94cd764-593cbf9bbc1a6সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি জুনেই পিলারের ওপর বসানো হবে স্প্যান (দুই পিলারের সঙ্গে সংযোগ অবকাঠামো)। আর তখনই দৃশ্যমান হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নির্মাণ কার্যক্রম। তবে কবে নাগাদ স্প্যান বসবে, তা এখনও ঠিক করা হয়নি। চেষ্টা চলছে চলতি জুন মাসের যেকোনও দিন বসানোর। বিষয়টি নির্ভর করছে আবহাওয়া, নদীর গতি প্রকৃতির ওপর। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম এমন তথ্য জানিয়েছেন।
প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘আমরা দিনরাত কাজ করছি। এতে কোনও গাফিলতি নেই। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এ সেতুর কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে আছি।’

জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম জানান, ‘দ্বিস্তর বিশিষ্ট পদ্মা সেতুর স্প্যানের ওপর বসানোর জন্য স্ল্যাব নির্মাণের কাজ গত দুই সপ্তাহ আগে শুরু হয়েছে। মোট তিন হাজার স্ল্যাব বসানো হবে। এই স্ল্যাবের ওপর বিটুমিন দেওয়া হবে। এটির ওপর দিয়েই যানবাহন চলবে। পদ্মা নদীতে আরও অপেক্ষা করছে ৪ হাজার টন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ক্রেন। যেটির কাজ হবে স্প্যানগুলোকে দুই পিলারের ওপর বসিয়ে দেওয়া। চলতি মাসে স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হলেই পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি সবাই দেখতে পাবেন।’ তিনি জানান, ‘মে পর্যন্ত এই প্রকল্পের কাজ ৪২ শতাংশ শেষ হলেও মূল কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ। রোজার ঈদের সময় কাজের গতি হয়তো সামান্য কিছুটা কমবে, কারণ শ্রমিকরা অনেকেই বাড়ি যাবেন। তবে তা যেন কোনোভাবেই বেশি সময় না নেয়, এ জন্য আমাদের পক্ষ থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে।’

প্রকল্প দফতরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা থেকে মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি পর্যন্ত দৈর্ঘ সাড়ে ১০ কিলোমিটারের বেশি অংশে অ্যাপ্রোচ সড়ক, ৫টি সংযোগ সেতু, ৮টি আন্ডারপাস ও ২০টি কালভার্ট নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।

চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত পদ্মা সেতু প্রকল্পটির জাজিরা প্রান্তে অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ শতকরা হিসেবে ৯৫ শতাংশ, মাওয়া প্রান্তে অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ ১০০ শতাংশ, সার্ভিস এরিয়া-২-এর কাজ ১০০ শতাংশ, নদীশাসন কাজ ৩০ শতাংশ শেষ হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রকল্পটির জন্য সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৪ হাজার ৬৭৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। এর মধ্যে গত এপ্রিল পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১৯৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা আরএডিপি বরাদ্দের ৪৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আগামী অর্থবছর (২০১৭-১৮) এ প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫২৪ কোটি টাকা। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, ‘এ পর্যন্ত ৪২ দশমিক ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও এর অগ্রগতি বোঝা যায় না। কারণ, প্রকল্পের বেশিরভাগ কাজই হয়েছে পাইলিংয়ের কাজ। যা মাটির নিচে। পুরো সেতুতে ৪০টি স্প্যান বসবে। এর মধ্যে ২০টি প্রস্তুত রয়েছে। যার একটিও বসানো হয়নি। যে সুপার স্ট্র্যাকচারগুলো তৈরি হয়েছে, তা কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে প্যানেল করে রাখা আছে। ২০ টি স্প্যানের মধ্যে প্রকল্প সাইডের মাওয়া প্রান্তে আছে ৭টি, বাকি ১৩টি এখনও চীন থেকে আনা হয়নি। স্প্যানগুলো চীনের চিন হোয়াং ডক থেকে জাহাজে সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। সেখান থেকে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের পর মাওয়ায় এসে পৌঁছাতে মোট সময় লাগে ২৮ দিন। কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে স্থান সংকুলানের কথাও আমাদের চিন্তা করতে হয়। তাই তৈরি স্প্যানগুলো এখনও চীনে আছে। বসানোর কাজ শুরু হলে পর্যায়ক্রমে আনা হবে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর কাজের গতি বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন হ্যামার আনার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে যে দু’টি হ্যামার দিয়ে পাইলিংয়ের কাজ হচ্ছে, এগুলোর ক্ষমতা যথাক্রমে ২ হাজার ৪০০ ও ২ হাজার কিলোজুল। আর নতুন যে বিশাল আকৃতির হ্যামারটি জুন মাসের ১০ তারিখে সেতুর পাইলিংয়ের কাজে যুক্ত করা হবে, তার ক্ষমতা ৩ হাজার কিলোজুল। এতে দ্রুত গতিতে পদ্মা সেতুতে পাইলিংয়ের কাজ করা যাবে।

এদিকে দেওয়ান আবদুল কাদের জানান, ‘গত এপ্রিল মাস পর্যন্ত পদ্মা সেতুর কাজের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৮ শতাংশ। কিন্তু কাজ হয়েছে ৪২ দশমিক পাঁচ শূন্য শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রা থেকে কিছুটা পিছিয়ে পড়ার কারণে কাজের গতি বাড়াতে হবে, যদি ঠিক সময়ে কাজটি সম্পন্ন করতে চাই। সেই লক্ষ্যে একটি নতুন হ্যামার আনা হবে। আর এখন যেখানে ৬টি কপার ড্রামে কাজ চলছে, তার পরিবর্তে ১৩টি প্লাটফরমে কাজ করা হবে। তখন কাজের অগ্রগতি হবে।’

পদ্মা সেতু প্রকল্পের মাওয়া প্রান্তে ১ দশমিক ছয় সাত কিলোমিটার মেইন রোড ও দুই কিলোমিটার লিংক রোডের কাজ গত বছরের জুলাই মাসে শেষ হয়েছে। জাজিরা প্রান্তে ১০ দশমিক পাঁচ সাত কিলোমিটার (প্রায়) মেইন রোড, ৩ কিলোমিটার লিংক রোড, ১২ কিলোমিটার সার্ভিস রোড ও ৬ কিলোমিটার ফেরি শিফটিং রোডের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ৯৮ শতাংশ। নির্বাহী প্রকৌশলী ( অ্যাপ্রোচ রোড) সৈয়দ রজব জানান, ‘গত ডিসেম্বর মাসেই অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ ৮৫ শতাংশ শেষ হলেও গত পাঁচ মাসে ধীর গতিতে বাকি ১৩ শতাংশ কাজ করতে হয়েছে। কারণ মাটি সেটলম্যান্টের ব্যাপার আছে। এছাড়া, সেতুর দুই প্রান্তে থানা তৈরির কাজও করে দেওয়া হয়েছে।’

প্রকৌশলী দেওয়ান কাদের জানান, ‘এই সেতু প্রকল্পে দেশি-বিদেশি মিলে প্রায় চার হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। তবে এই সংখ্যা কিছুটা ওঠানামা করে। প্রায় ৮ শ বিদেশি শ্রমিকের মধ্যে চীনাদের সংখ্যাই বেশি। তাদের মধ্যে প্রায় ৫০০ শ্রমিকসহ প্রজেক্ট ম্যানেজার ও ম্যানেজম্যান্ট লেভেলের কর্মকর্তা রয়েছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

qatar-3কাতারের বিরুদ্ধে  হামাসকে সহায়তা করার অভিযোগ এনে তাদের বিরদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে আমেরিকাকে সহায়তা করেছে ইসরাইল, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

প্যালেস্টাইন সন্ত্রাসী হামলার সমর্থনের কারণে কাতারের বিরুদ্ধে আমেরিকার হাইজ অফ রিপ্রেজেন্টিটিভে একটি বিল উত্থাপন করা হয়।

এ বিষয়ে ইসরায়েল, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে যুক্ত লবিস্ট এবং গোষ্ঠীগুলো আমেরিকার ১০ জন সংসদ সদস্যকে গত ১৮ মাস ধরে ১ মিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

আমেরিকার হাইজ অফ রিপ্রেজেন্টিটিভে কাতারের বিরুদ্ধে এই বিলটি গত ২৫ মে উত্থাপন করা হয়েছিল।তবে তা  শুক্রবার পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।

প্রকাশের কিছুক্ষণ পরেই কাতারের ৫৯ ব্যক্তি ও ১২টি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে  চারটি দেশ সরাসরি জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগ আনে।

জঙ্গিবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং তাদের ধারাবাহিকতায় ইয়েমেন ও মালদ্বীপ।

কাতার হামাসকে অর্থনৈতিক এবং মিলিটারি সহায়তা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, হামাসকে প্রায় ১০ মিলিয়নের বেশি ডলারের অস্ত্র, লোন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে কাতার।

প্যালেস্টাইনে শুক্রবার সকালে কাতারের পক্ষে মিছিলও বের করা হয় ।

ইতোমধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান প্রতিজ্ঞা করেছেন, উপসাগরীয় আঞ্চলিক সঙ্কট নিরসনে কাতারের পাশে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন তিনি। তিনি বলেন ‘আমরা আমাদের কাতারি ভাইদের একা ছাড়ব না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

CHwlJb_bangladeshগতকাল ইংল্যান্ডের জয়ের পরে নিশ্চিত হল প্রথমবাররের মতো বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলবে। ১১ বছর পরে স্বপ্নের সেমিফাইনালে বাজিমাত করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অবিস্মরণীয় এক অর্জন এটা। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বড় একটি পাওনা।

বাংলাদেশের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পরপরই হিসাব-নিকাশ শুরু হয়ে গেছে, কে হচ্ছে সেমিতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ। ভারত না দক্ষিণ আফ্রিকা, নাকি শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের কেউ। সেই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ফাইনালে যেতে পারবে তো বাংলাদেশ?

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ খেলবে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে এজবাস্টনে। বাংলাদেশ সময় বিকল সাড়ে ৩টায় শুরু হবে ম্যাচটি। ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দলের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

‘বি’ গ্রুপে যে হিসেব দাঁড়িয়েছে, তাতে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার একটি দলকে বিদায় নিতেই হচ্ছে। তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আবার পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার মধ্যেও একটি দলকে বিদায় নিতে হবে। আগামীকাল কেনিংটন ওভালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

যে হারবে তারই বিদায় নিশ্চিত। আর যে জিতবে তার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ‘বি’ গ্রুপে চারটি দলেরই একটি করে জয়। পয়েন্ট সমান ২ করে। রান রেটে যদিও এগিয়ে ভারত। তবে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান ম্যাচে জয়ী দল যদি অনেক বড় ব্যবধানে জিতে যায়, তাহলে রান রেট পরিবর্তনও হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং রানারআপেও আসতে পারে পরিবর্তন।

তাই সঠিক করে এখনই বলা যাচ্ছে না, সেমিতে কাকে পাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে, ভারত কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

F9vVvI_jarmanআন্তর্জাতিক ডেস্ক: জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, কাতার ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি আরব দেশের মধ্যকার বর্তমান অচলাবস্থা শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।

তিনি বলেন, কাতার ও প্রতিবেশী দেশগুলোর এই সংকট সমাধানের সুযোগ এখনো রয়েছে; এ সুযোগ কাজে না লাগালে যুদ্ধের হুমকি অনেক বেড়ে যাবে। জার্মানির একটি পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গ্যাব্রিয়েল এসব কথা বলেছেন এবং তার এ সাক্ষাৎকার শনিবার প্রকাশিত হয়েছে।

কাতার এবং প্রতিবেশী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের মধ্যকার চলমান এই সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি চলতি সপ্তাহে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছি এবং ইরান ও কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। আমি জানি বিষয়টি কতটা মারাত্মক পর্যায়ে রয়েছে। তবে পরিস্থিতির উন্নতির জন্য একটা সম্ভাবনাও রয়েছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

zSmK0M_Rampalরামপালে কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য কয়লা পরিবহন সহজ করতে নদীতে যে খনন কাজ চালানো হবে তা জলজ প্রাণীর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে বলে এক গবেষণায় বলা হচ্ছে। সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার অনুরোধে এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন মার্কিন ও অস্ট্রেলিয়ান দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যারা ভূমি, জলজ জীব বৈচিত্র্য ও কোরাল রীফ নিয়ে গবেষণা করেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বছরে ৪৭ লক্ষ টন কয়লা আমদানি করতে হবে। এই কয়লা সুন্দরবনের পশুর নদী দিয়ে রামপাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। কয়লার পরিবহন পথে যে নদী ও চ্যানেলগুলো রয়েছে তা সারা বছর খনন করতে হবে।

কয়লা পরিবহনে কি পরিমাণে জাহাজ চলাচল হবে তার একটি খতিয়ান দিয়ে বাপার সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন বলছেন, “আকরাম পয়েন্ট পর্যন্ত বড় আকারের জাহাজগুলি আসবে। তারপর ছোট জাহাজে কয়লা স্থানান্তর করে রামপাল আনতে হবে। বছরে ১৪৫ দিন বড় আকারের জাহাজ চলাচল করবে। ছোট জাহাজগুলো চার পাঁচশো বার চলাচল করবে। এই পরিমাণে জাহাজ চলাচল সহজ করার জন্য নদীতে প্রচুর ড্রেজিং করতে হবে।”

এই বিপুল পরিমাণে ড্রেজিং ও জাহাজ চলাচলে নদীর ওপর কি প্রভাব পড়বে সে নিয়ে সরকার একটি ইআইএ বা পরিবেশগত সমীক্ষা করেছে। ইআইএ প্রতিবেদনটিকে মূল্যায়ন করেছেন ঐ দুই গবেষক। তারা বলেছেন, সরকারের প্রতিবেদনে প্রচুর পরিমাণে তথ্য ঘাটতি রয়েছে এবং এটি একটি অসম্পন্ন ইআইএ।

মতিন বলেছেন, সারা বছর খনন ও জাহাজ চলাচল ঐ নদী ও চ্যানেলগুলোর জলজ প্রাণীর ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে বলে গবেষণায় বলা হয়েছে। অনেকগুলো বিষয় ঘটবে। যখনই খনন কাজ হবে এবং সারা বছর ধরে বারবার খনন হবে তখন পানি ঘোলা হয়ে যাবে। যার কারণে পানিতে সূর্যের আলো ঢুকবে না। পানিতে যে পরিমাণ অক্সিজেন থাকার কথা তা থাকবে না। মাছের খাবার তৈরির প্রক্রিয়া ও ডিম পাড়ার চক্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যার ফলে কিন্তু মাছ চলে যাবে। জীব বৈচিত্র্য পুরোটাই ধ্বংস হয়ে যাবে।

তার মতে সরকার জাহাজ চলাচলকে প্রাধান্য দিচ্ছে, জীব-বৈচিত্রকে নয়। বাংলাদেশে গত কয়েক বছর ধরে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে বিতর্ক ও প্রতিবাদ চলছে। ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এই কেন্দ্রটি যার অবস্থান সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের ১৪ কিলোমিটারের মধ্যে। বাংলাদেশ সরকার ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেডের সাথে যৌথভাবে এটি তৈরির কাজ অনেকটাই এগিয়ে গেছে।

ব্যাপক বিরোধিতার মধ্যে সরকার স্পষ্ট করে বহুবার জানিয়ে দিয়েছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবেই। বাংলাদেশের পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, তারা নতুন এই প্রতিবেদন নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। আমরা মোটেও উদ্বিগ্ন নই এই জন্য যে পরিবেশকে রক্ষার জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ নেয়ার তার সবই এখানে গ্রহণ করা হবে। মনে রাখতে হবে পৃথিবীর উন্নত বিশ্ব আমরা যাদের বলি তারাও তাদের পরিবেশকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বিলিয়ন্স অফ টনস প্লাস্টিকের বোতল সমুদ্রে ফেলা হয়। বাংলাদেশে সরকারতো দেশেরই সরকার। দেশের ক্ষতি হবে সরকার এমন মনে করার যৌক্তিক কোন কারণ নেই।

বাংলাদেশে সরকার সবসময়ই কয়লা ঢেকে পরিবহনের সর্বোচ্চ আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করার কথা বলে আসছে। কিন্তু ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়লা বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে স্থানান্তর ও পরিবহনের সময় পানিতে তা মিশে যাওয়া ঠেকানো সম্ভব হবে না। আর ড্রেজিং করার পলি ও কাদার বর্জ্যও বিপদ ডেকে আনবে বলে গবেষকরা বলছেন।

এর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে পরিবেশ মন্ত্রী বলছেন, “আমার মনে হয় না। তার কারণ রামপাল সমুদ্রের ভেতরে। রামপাল কোনো নদীর পাশে নয়। এবং কয়লা সমুদ্র পথেই আসবে।” বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest