সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের ফাইনাল: টাইব্রেকারে চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি উপজেলা দলকোন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না – ওসি জাহাঙ্গীর আরিফপ্রাণ সায়র খাল ধারে সাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরামের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিকলারোয়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ: বিয়ের দাবিতে তরুণীর অনশনদেবহাটার খলিশাখালীর চরে সুপেয় পানির সংকট : ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনের দাবিসি.আর দত্ত এর ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী এবং রঞ্জন কর্মকারের মৃত্যুতে স্মরণসভাজিএম নূর ইসলাম -দৃঢচেতা এক সফল মানুষ্বিশ^জিৎ সাধুর ভোগ দখলীয় সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের বিবৃতিদৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নুর ইসলামের মৃত্যুতে জেলা জাতীয় পার্টির শোকদেবহাটায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মৎস্য ব্যবসায়ী নিহত, বাস আটক

01দেবহাটা ব্যুরো :  উপজেলা পর্যয়ে সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম জোরদারকরণে দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে উক্ত প্রশিক্ষণের উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল আসাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, এলজিইডি কর্মকর্তা আলহাজ্ব আব্দুল হামিদ মাহমুদ। স্বগত বক্তব্য রাখেন সমাজসেব কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ। অন্যান্যদের মধ্যে সমাজসেবা অফিসের তারিকুর রহমান, শাহিনুর রহমান, মঈনুল ইসলাম, শেখ রবিউল ইসলাম, বিভিন্ন গ্রাম কমিটির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত প্রশিক্ষণটি আগামী ৬ জুন সমাপ্ত হবে আর এর মাধ্যমে সুদমুক্ত সরকারি ঋন গ্রহীতারা নিজেদের আরো উন্নয়ন ঘটাতে পারবে বলে জানান বক্তরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0003মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ক্যান্সার আক্রান্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নবম ব্যাচের ছাত্র এ এইচ মোকলেসুর রহমান হাসানের চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ১লক্ষ টাকা প্রদান করেছে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। রোববার দুপুরে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসারত হাসানের মায়ের হাতে এ চিকিৎসা সহায়তার অর্থ  প্রদান করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন ও সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবীব অয়ন। হাসান কাটিয়া সরকার পাড়া গ্রামের কাজী এনামুল হকের ছোট ছেলে। বর্তমানে হাসান সাতক্ষীরা শহরের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া হবে বলেন জানান হাসান।
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন ও সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবীব অয়ন বলেন, ‘হাসানের চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে আমরা আপাতত ১লক্ষ টাকা যোগাড় করে দিয়েছি। হাসান এই সুন্দর পৃথিবীর আলো-বাতাস দেখতে চায়। সে বাঁচতে চায়। আমরা আবারও তার সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহ করবো এবং তার উন্নত চিকিৎসার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে তাকে সহায়তা দেব। ক্যান্সার আক্রান্ত হাসানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।  মানুষ মানুষের জন্যই। আমরা সবাই মিলে যদি চেষ্টা করলে ক্যান্সারের মতো দূরারোগ্য ব্যধি থেকে মেধাবী ছাত্র হাসানকে বাঁচাতে পারবো।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

11112-thumbnailতালা প্রতিনিধি : “বাবুই পাঁখিরে ডাকি বলিছে চড়াই, কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই! আমি থাকি মহা সুখে অট্টালিকার পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ বৃষ্টি ঝড়ে। পাকা হোক তবু ভাই পরের বাসা, নিচ হাতে গড়া মোর কাঁচা ঘর খাসা”। কবি রজনীকান্ত সেন এই কালজয়ী কবিতাটি এখনও অধিকাংশ মানুষের মূখে মুখে।দেশের এক সময়ের নজরকাড়া বাবুই পাঁখিকে নিয়ে কবির ‘স্বাধীনতার সুখ’ কবিতাটি আজো মানুষ উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করলেও হারিয়ে যেতে বসেছে বাবুই পাঁখি ও তার বাসা। বাবুই পাঁখির বাসা আজ অনেকটা স্মৃতির অন্তরালে বিলীন হতে চলেছে। অথচ আজ থেকে প্রায় ১৫/১৬ বছর আগেও গ্রাম-গঞ্জের মাঠে ঘাটের তাল গাছে দেখা যেত বাবুই পাঁখির নিপুণ কারুচিত তৈরি বাসা সেটি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।তালা উপজেলাসহ আশপাশ এলাকার বিভিন্ন গ্রামে এখন আর আগের মত বাবুই পাঁখির নিপুন কারুচিত তৈরি করা নজরকাড়া বাসা চোখে পড়ে না। এসব বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই ছিল না, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক জাগ্রত এবং স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করত। সময়ের বিবর্তনে ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে আজ এ পাঁখিটি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যেতে চলেছে।দৃষ্টিকাড়া গাছের ঝুড়ির মতো চমৎকার বাসা বুনে বাস করায় এ পাঁখির পরিচিতি বিশ্ব জোড়া। নারিকেল গাছের কচি পাতা, খড়, তালপাতা, খেজুর গাছের পাতা দিয়ে উঁচু তালগাছে বাসা তৈরি করত এই বাবুই পাঁখি। প্রবল ঝড়েও তাদের বাসা ভেঙ্গে পড়ে না। বাবুই পাঁখির নিখুত বুননে এ বাসা টেনেও ছেঁড়া ছিল কষ্টকর। এ জন্য অনেকেই একে তাঁতি পাঁখি বলে ডেকে থাকে।বাবুই পাঁখির অন্যতম বৈশিষ্ট হলো রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করতে জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে এবং সকাল হলে ছেড়ে দেয়। একটি বাসা তৈরি করার পর পুরুষ বাবুই সঙ্গীর খোঁজে নামে। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুই পাঁখিকে সাঙ্গী বানানোর জন্য পরুষ বাবুই নিজেকে আকর্ষনীয় করতে খাল, বিল ও ডোবায় পানিতে গোসল এবং গাছের ডালে ডালে নেচে নেচে বেড়ায়।প্রজনন সময় ছাড়া অন্য সময় পরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির গায়ে পিঠে তামাটে কালো কালো বর্ণের দাগ হয়। নিচের দিকে কোন দাগ থাকে না। ঠোঁট পুরো মোসাকার ও লেজ চৌকা। তবে প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাঁখির রং হয় গাড় বাদামি। বুকের ওপরের দিকটা হয় ফ্যাকাশে অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাঁখির পিঠের পালকের মতই বাদামি হয়।তালা উপজেলার  তালা সদর ইউনিয়নের মো: শহিদুল ইসলাম ও সৈয়দ তরিকুল ইসলাম  এবং সৌমিত্র চক্রবর্ত্তী জানান আমাদের মাঠের জমিতে উচু তালাগাছ সেখানে ১৫/১৬ বছর আগে বাবুই পাঁখি বাসা বেঁধে থাকত আমি লাঙ্গল চষতে যেতাম আর দেখতাম ছোট ছোট পাঁখি তাল গাছের ঝুলন্ত পাতার সাথে নিখুত ভাবে বাসা বুনে থাকত কত ভাল লাগতো। কিন্তু এখনও তালগাছ আছে কিন্তু নেই বাবুই পাঁখির সেই বাসা।বাবুই পাঁখি সাধারণত তাল, খেজুর, নারকেল ও আখেে ত বাসা বাঁধে। ধান, চাল, গম ও পোকা-মাকড় ইত্যাদী তাদের প্রধান খাবার।একসময় তালা উপজেলার,নওয়াপাড়া, তেঁতুলিয়া, জাতপুর, নলতা,  হাজরাকাটি, মহান্দী, বারুইহাটী, জিয়ালা সহ বিভিন্ন গ্রামের মাঠে মাঠে দেখা যেত শত শত বাবুই পাঁখির বাসা। বর্তমানে যেমন তালগাছ সহ বিভিন্ন গাছ নির্বিচারে কেঁটে ফেলা হচ্ছে, তেমনি হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাঁখি ও তার বাসা। বাবুই পাঁখির এ দৃষ্টিনন্দিত শৈল্পিক নিদর্শনকে টিকিয়ে রাখার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন করা দরকার বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Satkhira Presscon photo--- 04.06.17--1.docআসাদুজ্জামান : যাতায়াতের পথে উত্ত্যক্তকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করে বিপাকে পড়েছে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের মাদ্রাসা ছাত্রী  আজমিরা সুলতানা। তাদের ভয়ে আজমিরা এখন মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। স্যারেদের কাছে পড়তে যাবার সাহসও পাচ্ছে না সে।
রোববার সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছে আজমিরা। সংবাদ সম্মেলনে তার বাবা আজিবর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
আজমিরা শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। সংবাদ সম্মেলনে সে জানায় বাড়ি থেকে আড়াই কিলোমিটার দুরে মাদ্রাসায় প্রতিদিন পায়ে হেঁটে যেতে হয় তাকে। চলার পথে রমজাননগরের মোক্তার গাজির ছেলে মতিউর রহমান, গফফার শেখের ছেলে আলমগীর শেখ ও ইউনুস গাজির ছেলে নাজমুল গাজি তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করে। আজমিরা জানায়, গত ২৪ মে দুপুরে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওই সব বখাটেরা তাকে লক্ষ্য করে অবান্তর ভাষায় কথা বলতে থাকে। তারা তার পথ রোধ করে কু প্রস্তাব দেয়। এই প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করায় তারা তাকে জোর করে নিকটস্থ ঘেরের বাসায় নিয়ে যাবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এ সময় একজন মোটর সাইকেল চালক এগিয়ে এলে বখাটেরা পালিয়ে যায়।
আজমিরা জানায়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে এ ব্যাপারে বিচার দিলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। বাধ্য হয়ে ওই বখাটেদের বিরুদ্ধে গত ৩১ মে শ্যামনগর থানায় একটি মামলা দেয় আজমিরা। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বখাটের দল। তারা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বারবার চাপ দেয়। মামলা না তুললে তোর মুখ এসিডে পুড়িয়ে দেব। তোর ভবিষ্যত নষ্ট করে দেব। রাস্তায় একা পেলে তোকে বাড়ি ফিরতে দেব না। মামলা করে কি করবি। টাকা দিলেই তো ফাইনাল হয়ে যাবে। আজমিরার অভিযোগ মামলার পরও পুলিশ তেমন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। অথচ সেই বখাটে আসামিরা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আক্ষেপ করে আজমিরা জানায় দেশে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা নিয়ে অনেক ঘটনা ঘটেছে। অনেক মেয়ের জীবন গেছে। তাকেও যেনো এমন কোনো বিপদের সম্মুখীন হতে না হয়। আজমিরা ও তার বাবা এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

gaJfOI_60ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই অন্যরকম উত্তেজনা। সেই উত্তেজনার পারদে বিভক্ত হয়ে পড়ে গোটা ক্রিকেট দুনিয়াই। চিরবৈরী দুই পড়শি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বার্মিংহামের এজবাস্টনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে আজ। অগ্নিগর্ভ ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩.৩০ মিনিটে। খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করবে মাছরাঙা টিভি।

দু’দেশের রাজনৈতিক টানাপড়েনের কারণে ২০১৩ সালের পর আর দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দেখা হয়নি তাদের। ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের জন্য আইসিসির টুর্নামেন্টগুলোই এখন শেষ ভরসা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রুফির সৌজন্যে বহুদিন পর সেই আগুনে লড়াইয়ের আঁচ গায়ে মাখার সুযোগ মিলেছে। এবার ভারতকে অন্যতম ফেভারিট মনে করা হচ্ছে। সেখানে পাকিস্তানকে ধরা হচ্ছে এবারের টুর্নামেন্টে সবচেয়ে দুর্বল দল।

এখন পর্যন্ত দু’দল ১২৭ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত ৫১ এবং পাকিস্তান জিতেছে ৭১ বার। ওয়ানডে ও টি ২০ বিশ্বকাপে ১১ বারের মুখোমুখিতে সব ম্যাচেই জিতেছে ভারত। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনবার মুখোমুখি হয়ে দু’বার জিতেছে পাকিস্তান।

সম্ভাব্য পাকিস্তান একাদশ:
আজহার আলী, আহমেদ শেহজাদ, বাবর আজম, মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, সরফরাজ আহমেদ (অধিনায়ক), ইমাদ ওয়াসিম, ফাহিম আশরাফ, মোহাম্মদ আমির, জুনায়েদ খান ও হাসান আলী।

সম্ভাব্য ভারত একাদশ:
রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, এমএস ধোনি, কেদার যাদব, হার্ডিক পান্ডে, রবীন্দ্র জাদেজা, জাসপ্রিত বুমরাহ/মোহাম্মদ সামি, ভুবনেশ্ব^র কুমার ও উমেশ যাদব/রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

A22lV3_pontযে কোনো প্রকারের প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করার জন্য প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে গঠিত সংযোগ। একটি সেতুর নকশা ও নির্মাণশৈলী নির্ভর করে তার প্রয়োজনীয়তা, নির্মাণস্থলের প্রাকৃতিক অবস্থান, ব্যবহৃত নির্মাণ সামগ্রী এবং বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণের উপর।

পৃথিবীর চারভাগের তিন ভাগ জুরে রয়েছে পানি। পানিকে উপেক্ষা করেই আমরা তার উপরে ভাসি কিংবা সেতু নির্মাণ করে পানির প্রতিকুলতা নিজেদের বসে আনি। আজ আমরা এমন কিছু সেতু নিয়ে আলোচনা করব, যা ইচ্ছে হলেই ভাঁজ হয়ে পড়তে পারে।

আসুন দেখে নেয়া যাক, সেসকল সেতুর নমুনা-

পন্ট জাক শাবান-দেলমাজ: ফ্রান্সের বোর্দো-য় অবস্থিত। গ্যারোন নদীর উপরে এই সেতু ইউরোপের দীর্ঘতম ভার্টিক্যাল-লিফট ব্রিজ।

হর্ন ব্রিজ: জার্মানির কিয়েল-এ অবস্থিত এই ব্রিজ। ঘণ্টায় একবার ভাঁজ হয়ে এটি জাহাজ অতিক্রম করাতে সাহায্য করে।

স্কেল লেন ফুটব্রিজ: ইংল্যান্ডের হাল-এ অবস্থিত। এটি একটি মুভেবল ব্রিজ। একেকদিকে এই সেতুকে সরিয়ে নেয়া যায়।

ড্রাগন ব্র্রিজ: ওয়েলস-এর ফোরিড হারবারের এই সেতু মূলত পদচারী আর সাইকেল-চালকদের জন্য।

ভিজকায়া ব্রিজ: স্পেনের বিস্কে-র এই সেতু খানিকটা হরাইজন্টাল এলিভেটরের মতো কাজ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার তালা থানায় দায়েরকৃত চাঁদাবাজি মামলায় নিন্ম আদালতে জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক নজরুল ইসলাম। সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আমলী আদালতে স্বেচ্ছায় আদালতে আতœসমর্পন করে জামিনের প্রার্থনা জানান তিনি। বিচারক মুনিয়া জাহিদ নিশা রোববার বেলা ১২টার দিকে শুনানি অন্তে নজরুল ইসলামের জামিন মঞ্জুুর করেন।
সাতক্ষীরার আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আব্দুল মজিদ জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এর আগে হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন সাংবাদিক নজরুল ইসলাম। নিন্ম আদালতেও তার জামিন আবেদন মজ্ঞুর করেছেন বিচারক।
এদিকে, তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি, তালা সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নজরুল ইসলামের নামে দায়েরকৃত মামলা তদন্তপূর্বক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

104971_1আসাদুজ্জামান : ইউনিয়ন পরিষদের সালিশ না মেনে থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ চেয়ারম্যানের হাতে মার খেলেন সাতক্ষীরার কলারোয়ার এক রোজাদার মুক্তিযোদ্ধা। বুকে চেয়ারম্যানের লাথির আঘাতে গুরুতর অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা জিয়াদ আলি ক্ষোভে দুঃেখে ও অপমানে আত্মগোপন করেছেন।
তবে ক্ষুব্ধ কেড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল বলেন, তিনি মারধর করেননি। তার সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে কলারোয়া পৌর শহরের পশু হাসপাতালের সামনে। এ ঘটনাটি শতাধিক মানুষ প্রত্যক্ষ করেন।
মুক্তিযোদ্ধা জিয়াদ আলি জানান, তার বোনের সাথে বিয়ে হয়েছে কেড়াগাছির বোয়ালিয়া গ্রামের খোকনের। বোনকে তার স্বামী মারপিট করায় সে আহত হয়। এ ঘটনার বিচার ইউনিয়ন পরিষদে দেওয়া হলে চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল সালিশ বিচারে বলেন, সে বাড়িতে পা পিছলে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। তার স্বামী তাকে মারেনি। জিয়াদ আলি জানান, তারা এই সালিশ মেনে নিতে পারেন নি। এ জন্য থানায় অভিযোগ দেন তিনি।  আর এতেই ক্ষুব্ধ হন কেড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল।
অভিযোগ করে তিনি আরো বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় কলারোয়া বাজারে তাকে দেখতে পেয়ে চেয়ারম্যান তাকে প্রকাশ্যে কিল ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেন। পরে তার বুকে কয়েক দফা লাথি মারেন। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিবাদের মুখে চেয়ারম্যান দ্রুত এলাকা থেকে সরে পড়েন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াদ আলির বোনকে মারধর করার অভিযোগ মিথ্যা। সালিশে সেটাই প্রমানিত হয়েছে। অথচ এই সালিশ বিচার না মেনে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াদ আলি পুলিশের কাছে যাওয়ায় তার সাথে কিছু বাক বিতন্ডা হয়েছে মাত্র। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, আহত মুক্তিযোদ্ধা জিয়াদ আলী এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন। যার নং-৭৫। তিনি আরো জানান, তদন্ত পূর্বক ওই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest