সর্বশেষ সংবাদ-
জামায়াত হারেনি- হারানো হয়েছে: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপিসংকটে শ্যামনগরের আইবুড়ি’ নদী, পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধনজেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগTips and Tricks for Easy NV Casino Login and Account Management Onlineশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

তালা প্রতিনিধি : তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজ’র বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ, বিদায়ী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজ চত্বরে সোমবার সকাল এম এ কাশেম’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) সংসদ সদস্য অ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। প্রভাষক আছাদুজ্জামান’র পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন, তালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান হাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইখতিয়ার হোসেন, তালা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. সামছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আ. রশিদ, ডেপুটি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. আলাউদ্দীন জোয়াদ্দার, জেএসডির কেন্দ্রীয় নেতা মীর জিল্লুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সরদার মশিয়ার রহমান, শিক্ষার্থী জান্নাতুল সুমনা, ঋতি মন্ডল প্রমুখ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খলিষখালি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির হোসেন, উন্নয়ন প্রচেষ্টার পরিচালক ইয়াকুব আলী, মহিলা কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ক্রিড়া প্রতিযোগীতার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করা হয় এবং তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহমান বাকশিস এর কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন-সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় কলেজের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1_1_129_77_1_1387827127নিজস্ব প্রতিবেদক : কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পুনর্মিলনী ও প্রাক্তণ প্রধান শিক্ষক মনীন্দ্র নাথ বসাকসহ অন্যান্য শিক্ষক বৃন্দের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হবে। ২৩ মার্চ কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে কোদন্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন। পুনর্মিলনী ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী, সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমান, আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান এ বি এম মোস্তাকিম।
পুনর্মিলনী ও বিদায় সংবর্ধনা উদ্যাপন পরিষদের আহবায়ক ডা. মো. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন, আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. শহিদুল ইসলাম পিন্টু, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষক পর্ষদ সম্পাদক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, অগ্রণী ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সাধন চন্দ্র মন্ডল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. রবীন্দ্র নাথ ম-ল, রংপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু বক্কর ছিদ্দিক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সুশংকর কুমার ম-ল, আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের এ্যাড. পংকজ কুমার মল্লিক। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় থাকবেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সরোয়ার হোসেন ও প্রধান শিক্ষক বৃদ্ধদেব সরকার।
অনুষ্ঠান শেষে কষ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাসের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন পুনর্মিলনী ও বিদায় সংবর্ধনা উদ্যাপন পরিষদের সদস্য সচিব মৃত্যুঞ্জয় দাশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ee681e81280726d59c37494da2d8526d-58ceffc54b53fস্বাস্থ্য ও জীবন: তেঁতুল দেখলেই আমাদের জিভে পানি চলে আসে! চাটনি, আচারের মতো মুখরোচক খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় তেঁতুল। টক তেঁতুল কেবল মুখের স্বাদই ফেরায় না, সুস্থ থাকতেও সাহায্য করে। তেঁতুলে রয়েছে ভিটামিন সি, বি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাংগানিজ ও ফাইবার। এছাড়া তেঁতুলে থাকা অ্যান্টি-ইনফামাটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে রাখে। পাকা তেঁতুলের শরবত পান করতে পারেন। চাইলে সরাসরি তেঁতুলও খাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত তেঁতুল খাওয়া অনুচিত। এছাড়া কোনও ধরনের চিকিৎসা চলা অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না তেঁতুল।
জেনে নিন তেঁতুলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে-
তেঁতুলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তেঁতুলে রয়েছে হাইড্রোক্সিসাইট্রিক অ্যাসিড যা শরীরে মেদ জমার প্রক্রিয়াকে মন্থর করে। তেঁতুল ক্যানসারের কোষ গঠনে বাধা দেয়। ফলে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে তেঁতুল। তেঁতুল রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ছোট এক গ্লাস তেঁতুলের শরবত ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পারে। তেঁতুলে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তেঁতুলের ফাইবারজাতীয় উপাদান হজমের গ-গোল ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1490000675আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের নারী নাদিয়া মুরাদ। জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) যোদ্ধারা তাঁকে অপহরণ করে। এরপর তাঁকে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি মুক্তি পেয়ে ইরাকি সরকার ও জাতিসংঘের কাছে আইএস যোদ্ধাদের বিচারের দাবি করেছেন তিনি। স্থানীয় সময় রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন নাদিয়া। এ সময় সেখানে ছিলেন তাঁর আইনজীবী আমাল কুনি। নাদিয়া বলেন, ২০১৪ সালে ৩ আগস্ট আইএস যোদ্ধারা ইরাকের কুর্দিস্তানে অবস্থিত সিনজার গ্রামে হামলা করে। ওই দিন প্রায় ছয় হাজার ৫০০ ইয়াজিদি নারী ও শিশুকে অপহরণ করা হয়। একদিনেই প্রায় পাঁচ হাজার জনকে হত্যা করে তারা। আইএস সদস্যরা অপহরণ করা নারীদের পরিবার থেকে আলাদা রাখে। এ সময় তাদের পরিবারের অনেক সদস্যকেই হত্যা করা হয়। নিখোঁজ হয় অনেকেই।
মাসহ নাদিয়ার ছয় ভাইকেও আইএস যোদ্ধারা হত্যা করে। এরপর অন্য অবিবাহিত নারীদের সঙ্গে তাঁকে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলে সাক্ষাৎকারে জানান নাদিয়া। আইএস সদস্যদের বিচার চেয়ে নাদিয়া বলেন, ‘এখন সময় হয়েছে আমাদের প্রজন্মের ওপর এই জঘন্য অপরাধের জন্য আইএস সদস্যদের বিচারের আওতায় আনা।’ এর আগে ২০১৫ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে নাদিয়া জানান, পালানোর চেষ্টার কারণে তাঁকে গণধর্ষণ করে আইএস সদস্যরা। তিনি জানান, ইসলাম ধর্মের অনুসারী না বলেই ইয়াজিদি নারীদের ধর্ষণ করা যাবে বলে মনে করেন আইএস সদস্যরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

47e21e88548a675009f2dedc8f518ad0-58184e7bdd771ন্যাশনাল ডেস্ক : আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে  বহির্বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দেওয়া আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি। তবে বিশ্বের প্রায় সবদেশের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখলেও কয়েকটি দেশকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যে তিনটি দেশের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক রক্ষা করে চলে বাংলাদেশ, সেই তিনটি দেশ হলো রাশিয়া, ভারত ও চীন।
ভারত ও চীনকে বরাবরই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হতো। সম্প্রতি রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক-উন্নয়নের জন্য জোর দিচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুনশি ফায়েজ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। আমাদের জাতীয় স্বার্থের প্রয়োজনীয়তার ওপর ভিত্তি করে কোন দেশের সঙ্গে কী সম্পর্ক হবে, তা নির্ধারিত হয়ে থাকে।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘ভারত আমাদের জাতীয় স্বার্থে যেভাবে সহায়তা করতে পারে, সেটি চীনের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে একেক দেশের সঙ্গে একেক ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ দিক থেকে ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সবচেয়ে বিস্তৃত ও গভীর।’
মুনশি ফায়েজ আহমেদ আরও বলেন, ‘ভারত আমাদের নিকটতম বড় প্রতিবেশী রাষ্ট্র, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আবার চীনের কাছ থেকে আমরা অর্থনৈতিক সহযোগিতা পাই। বাংলাদেশকে সহায়তা করার ক্ষমতা ও মানসিকতাও দেশটির আছে।’ রাশিয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ প্রকল্পে তারা সহায়তা করছে। দেশটির কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনে থাকি। সম্প্রতি রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক-উন্নয়নের প্রয়াস নিচ্ছে সরকার।’
সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ জমির বলেন, ‘ভারত ও চীন এশিয়া মহাদেশের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি। চীনের ক্ষেত্রে দমননীতি গ্রহণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারত ও চীনÑ উভয় দেশই বাংলাদেশের বন্ধু। আমাদের জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে উভয় দেশ।’
দুই দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেক গভীর উল্লেখ করে মোহাম্মদ জমির বলেন, ‘এশিয়ায় চীন  ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আর বাংলাদেশ এর অংশ। আবার রাজনৈতিকভাবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি নিবিড়।’
ভারতে রাষ্ট্রদূত হিসাবে কাজ করেছেন, এমন একজন সাবেক কূটনীতিক বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের সীমান্ত, নদী ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, মানুষে-মানুষে যোগাযোগ অনেক বেশি। চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক মূলত অর্থনৈতিক ও সামরিক।’ রাশিয়ার সঙ্গে নতুন মেরুকরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত এটি রাজনৈতিক ছিল। বর্তমানে এর সঙ্গে অর্থনৈতিক বিষয়ও যুক্ত হয়েছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘১৯৭৫-এর পট-পরিবর্তনের পরে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কে ভাটা পড়ে। এভাবে ১৯৯০ পর্যন্ত চলার পর রাশিয়া নিজেই সংকটে পড়ে, যা প্রায় ১৫ বছর স্থায়ী হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্ষমতায় আসার পর রাশিয়া আবারও পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। তাও ২০১০ সালের দিকে।’ তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে মনোযোগী হয় সরকার । ২০০৯ সাল থেকে রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একাধিক রাষ্ট্র আগ্রহ প্রকাশ করলেও সরকার রাশিয়ার সঙ্গেই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া রাশিয়া থেকে এক বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জামও কিনেছে বাংলাদেশ।’
ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সামনের দিনগুলোতে এ সম্পর্ক আরও বাড়বে।  এবারই  প্রথমবারের মতো রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গে ল্যাভরভের আমন্ত্রণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী মস্কো যাচ্ছেন। সেখানে তিনি শীর্ষ পর্যায়ের সফরের বিষয়ে আলাপ করবেন। রাশিয়ার সঙ্গে আমরা ২০টি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করছি। আমরা এই সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

18923589_303ভিন্ন স্বাদের সংবাদ : উত্তর সুইডেনের ইয়ুকাসিয়ার্ভি গ্রামে বিশ্বের প্রথম ও সবচেয়ে বড় আইস হোটেল অবস্থিত৷ আবাসিক এই হোটেলটি বরফ আর তুষার দিয়ে তৈরি৷ রুমের তাপমাত্রা থাকে মাইনাস পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷

হোটেলের ৬৫টি ঘরের প্রতিটি প্রতিবছর আলাদাভাবে ডিজাইন করা হয়৷ বিছানার জাজিম আর বলগা হরিণের চামড়া ছাড়া অন্য সব বরফ কিংবা তুষারের তৈরি৷

ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এই হোটেলে রাতে থাকা যায়৷ বাকি সময় অবশ্য একটি অংশ খোলা থাকে৷ সেই সময় সৌরশক্তি দিয়ে রুম ঠান্ডা রাখা হয়৷

প্রতিবছর নভেম্বরের শুরুতে প্রায় একশ’জনের একটি দল হোটেলের অস্থায়ী ঘরগুলো তৈরির কাজ শুরু করে৷ এতে ব্যবহৃত হয় প্রায় ৩৫ হাজার টন বরফ ও তুষার৷ প্রতি মৌসুমে প্রায় ১০০ জন ডিজাইনার ঘরগুলোর জন্য নকশার প্রস্তাব করেন৷

আইসহোটেল তৈরির পরিকল্পনা শুরু ১৯৮৯ সালে৷ বরফশিল্পীরা সেই সময় একটি ‘ইগলু’ অর্থাৎ এস্কিমোদের ঘর তৈরি করেছিলেন, যা পরে বার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল৷ পার্টি শেষ করার পর অনেকে ঐ ইগলুতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন৷ সেই থেকে শুরু৷

এই হোটেলে এক রাত থাকার খরচ ২৩০ ইউরো৷ অতিথিরা সাধারণত একটি রাতই ঐ হোটেলে থাকেন৷ ডিজাইনার আনা ওলুন্ডের নকশায় ঐ হোটেলে একটি ঘর সাজানো হয়েছিল৷ তিনি বলেন, ‘‘মানুষ যখন সুইডেনের কথা ভাবে তখন স্টকহোম আর আইসহোটেলের কথা মনে করে৷ এখন অনেক পর্যটক এখানে আসছেন, থাকছেন, কাজও করছেন৷ আমার মনে হয়, এটিই আসলে গুরুত্বপূর্ণ৷”

বাইরের তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও হোটেল রুমের তাপমাত্রা রাখা হয় মাইনাস পাঁচ ডিগ্রি৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

police-arrested-bcl-leader-with-yaba-in-gazipurনিস্বজ প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটায় কুমিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমন শেখ (২০) দুই পিচ ইয়াবাসহ ওভারব্রিজের উপর থেকে গ্রেফতার হয়েছে। থানা হাজত থেকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য জোর তদবির চলছিল।

থানা সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে ওভার ব্রিজের উপর থেকে রাঢ়ীপাড়া গ্রামের প্রবাসী নজরুল শেখের পুত্র ইমন শেখকে ২ পিচ ইয়াবাসহ থানা পুলিশ আটক করে। এ বিষয়ে কুমিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটক ইমন দোষী সাব্যস্ত হলে সাংগঠনিকভাবে বহিষ্কার করা হবে।

পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) উজ্জল কুমার মৈত্র গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0000000শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু : সাতক্ষীরার কুলিয়া এলাকা ট্রাক ভর্তি ৫১ লাখ ৯২ হাজার ৬’শ টাকার ভারতীয় শাড়ি ও থ্রিপিচসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা। সোমবার দুপুরে দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া পাকা রাস্তার উপর থেকে উক্ত মালামাল গুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, ভারতীয় উন্নত মানের ২০০ পিচ শাড়ী, ৮২৩ পিচ থ্রি পিচ, ১৭০ বোতল ফেন্সিডিল, ১৪৪ কেজি চা পাতা, ২৫০ কেজি সুপারী ও একটি বাংলাদেশী ট্রাক। তবে, এ ঘটনায় বিজিবি কোন চোরাকারবারীকে আটক করতে সক্ষম হননি।
বিজিবি জানায়, দেবহাটা সীমান্ত এলাকা থেকে ট্রাক ভর্তি বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল আনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩৮ বিজিবির আওতাধীন বাঁকাল চেক পোষ্টের হাবিলদার মোঃ হাবিবুল্লাহ আল বাকীর নেতৃত্বে একটি টহল দল দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ট্রাকভর্তি ৫১ লাখ ৯২ হাজার ৬’ শ টাকার মালামাল জব্দ করা হয়। উক্ত মালামাল গুলো সাতক্ষীরাস্থ শুল্ক গুদামে জমা করা হয়েছে।
বিজিবি ৩৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আরমান হোসেন পিএসসি এ ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভক্ত শীর্ষ চোরাকারবারী আলফেরদাউস ওরফে আলফা ও কুলিয়ার মাদক ব্যবসায়ী তুহিন ট্রাক ভর্তি এই ভারতীয় মালামালের মূল পাচারকারী। তাদের ব্যবস্থাপনায় ভারত থেকে অবৈধ পথে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত এলাকা থেকে রাজধানী ঢাকার দিকে এই মালামালগুলো পাচার করার সময় পথিমধ্যে কুলিয়া এলাকা থেকে বিজিবি সেগুলো জব্দ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest