সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

zSmK0M_Rampalরামপালে কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য কয়লা পরিবহন সহজ করতে নদীতে যে খনন কাজ চালানো হবে তা জলজ প্রাণীর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে বলে এক গবেষণায় বলা হচ্ছে। সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার অনুরোধে এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন মার্কিন ও অস্ট্রেলিয়ান দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যারা ভূমি, জলজ জীব বৈচিত্র্য ও কোরাল রীফ নিয়ে গবেষণা করেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বছরে ৪৭ লক্ষ টন কয়লা আমদানি করতে হবে। এই কয়লা সুন্দরবনের পশুর নদী দিয়ে রামপাল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। কয়লার পরিবহন পথে যে নদী ও চ্যানেলগুলো রয়েছে তা সারা বছর খনন করতে হবে।

কয়লা পরিবহনে কি পরিমাণে জাহাজ চলাচল হবে তার একটি খতিয়ান দিয়ে বাপার সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন বলছেন, “আকরাম পয়েন্ট পর্যন্ত বড় আকারের জাহাজগুলি আসবে। তারপর ছোট জাহাজে কয়লা স্থানান্তর করে রামপাল আনতে হবে। বছরে ১৪৫ দিন বড় আকারের জাহাজ চলাচল করবে। ছোট জাহাজগুলো চার পাঁচশো বার চলাচল করবে। এই পরিমাণে জাহাজ চলাচল সহজ করার জন্য নদীতে প্রচুর ড্রেজিং করতে হবে।”

এই বিপুল পরিমাণে ড্রেজিং ও জাহাজ চলাচলে নদীর ওপর কি প্রভাব পড়বে সে নিয়ে সরকার একটি ইআইএ বা পরিবেশগত সমীক্ষা করেছে। ইআইএ প্রতিবেদনটিকে মূল্যায়ন করেছেন ঐ দুই গবেষক। তারা বলেছেন, সরকারের প্রতিবেদনে প্রচুর পরিমাণে তথ্য ঘাটতি রয়েছে এবং এটি একটি অসম্পন্ন ইআইএ।

মতিন বলেছেন, সারা বছর খনন ও জাহাজ চলাচল ঐ নদী ও চ্যানেলগুলোর জলজ প্রাণীর ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে বলে গবেষণায় বলা হয়েছে। অনেকগুলো বিষয় ঘটবে। যখনই খনন কাজ হবে এবং সারা বছর ধরে বারবার খনন হবে তখন পানি ঘোলা হয়ে যাবে। যার কারণে পানিতে সূর্যের আলো ঢুকবে না। পানিতে যে পরিমাণ অক্সিজেন থাকার কথা তা থাকবে না। মাছের খাবার তৈরির প্রক্রিয়া ও ডিম পাড়ার চক্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যার ফলে কিন্তু মাছ চলে যাবে। জীব বৈচিত্র্য পুরোটাই ধ্বংস হয়ে যাবে।

তার মতে সরকার জাহাজ চলাচলকে প্রাধান্য দিচ্ছে, জীব-বৈচিত্রকে নয়। বাংলাদেশে গত কয়েক বছর ধরে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে বিতর্ক ও প্রতিবাদ চলছে। ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এই কেন্দ্রটি যার অবস্থান সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের ১৪ কিলোমিটারের মধ্যে। বাংলাদেশ সরকার ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেডের সাথে যৌথভাবে এটি তৈরির কাজ অনেকটাই এগিয়ে গেছে।

ব্যাপক বিরোধিতার মধ্যে সরকার স্পষ্ট করে বহুবার জানিয়ে দিয়েছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবেই। বাংলাদেশের পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, তারা নতুন এই প্রতিবেদন নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। আমরা মোটেও উদ্বিগ্ন নই এই জন্য যে পরিবেশকে রক্ষার জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ নেয়ার তার সবই এখানে গ্রহণ করা হবে। মনে রাখতে হবে পৃথিবীর উন্নত বিশ্ব আমরা যাদের বলি তারাও তাদের পরিবেশকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বিলিয়ন্স অফ টনস প্লাস্টিকের বোতল সমুদ্রে ফেলা হয়। বাংলাদেশে সরকারতো দেশেরই সরকার। দেশের ক্ষতি হবে সরকার এমন মনে করার যৌক্তিক কোন কারণ নেই।

বাংলাদেশে সরকার সবসময়ই কয়লা ঢেকে পরিবহনের সর্বোচ্চ আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করার কথা বলে আসছে। কিন্তু ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়লা বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে স্থানান্তর ও পরিবহনের সময় পানিতে তা মিশে যাওয়া ঠেকানো সম্ভব হবে না। আর ড্রেজিং করার পলি ও কাদার বর্জ্যও বিপদ ডেকে আনবে বলে গবেষকরা বলছেন।

এর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে পরিবেশ মন্ত্রী বলছেন, “আমার মনে হয় না। তার কারণ রামপাল সমুদ্রের ভেতরে। রামপাল কোনো নদীর পাশে নয়। এবং কয়লা সমুদ্র পথেই আসবে।” বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imআসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় ছেলের লাঠির আঘাতে বাবা খুন হয়েছেন। রোববার ভোরে সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের হাজিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবা আকবর আলি (৬০) একজন কাঠমিস্ত্রি। তার ছেলে আবদুস সালামও একই পেশায় জড়িত।
স্থানীয়রা জানান, বাবা ও ছেলের মধ্যে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শনিবার রাতে তারাবী নামাজ শেষে ঝগড়া হযেছিল। বাবা তার ছেলের কাছে পাওনা টাকা চাইলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছেলে সালাম তার বাবা আকবরের মাথায় লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাড়িতে রেখে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। এরপর রোববার ভোরে বাবা আকবর আলি মারা যান।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ এ ঘটনার সত্যতি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘাতক ছেলে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে ওসি আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

২-467x350ঢাবি প্রতিবেদক : ঢাকা কলেজস্থ সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ সুন্দরবনের ইফতার মাহফিল ও দোয়া মাহফিল  শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা কলেজের অডিটোরিয়ামে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যান পরিষদ ‘সুন্দরবন’ এ ইফতারের আয়োজন করে।
ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. আফম রুহুল হক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সৈনিকলীগের কেন্দ্রীয় সহ.সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সরদার মুজিব। অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ ও ঢাকায় অবস্থানরত সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহসিন মোড়ল।

সঞ্চালনা করেন আশিকুজ্জামান রানা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

cumin-water-home-pixঅনেকেই ভাবছেন ইফতারে তেলে ভাঁজা খাবার একটু বেশিই খাওয়া হচ্ছে, তাই নিয়ন্ত্রণেও নেই ওজন! কিন্তু খাবারের ভিন্নতাই আপনার শরীরকে করবে সুস্থ।  চাইলেই একটু টক মিষ্টি স্বাদের শরবত তৈরি করতে পারেন আজ ইফতারে। তাহলে জেনে নিন টক মিষ্টি স্বাদের জিরা-পানি শরবত।

জিরাতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় হজমে সাহায্য করে, আর ইফতারে তেলের খাবার খেয়ে ব্রণের সমস্যা আর ওজন বাড়ার যে সমস্যা হয়, তা দূর করবে জিরা পানি। এছাড়া আয়রনের ঘাটতিতে জিরা পানি ভূমিকা রাখে।

উপকরণ

জিরা হালকা করে ভাঁজা গুড়া ১ চামচ

পানি ৪ কাপ

তেঁতুল পানি স্বাদ মতো

আখের গুড় ৫ টেবিল চামচ

চিনি প্রয়োজন মতো

লেবুর রস ২ টেবিল চামচ

সাদা গোলমরিচ গুড়া

পুদিনা পাতা কুঁচি

প্রস্তুত প্রণালী

প্রথমেই দুই কাপ পানিতে তেঁতুল চটকিয়ে নিন। তারপর তেঁতুল পানি একটা পাত্রে ছেঁকে রাখুন। এবার একটি পাত্রে ৪ কাপ পানি নিয়ে তার সাথে জিরা গুড়ো, আখের গুড়, প্রয়োজন মতো চিনি, এক টেবিল চামচ লেবুর রস, গোলমরিচ গুড়ো স্বাদ মতো নিয়ে ভালো ভাবে মেশান। মিশ্রণটি হয়ে গেলে তেঁতুল পানি মিশিয়ে আধ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। পরিবেশন করার সময় পুদিনা পাতা কুঁচিও দিতে পারেন। তাহলে ইফতারের পর এক ধরনের সতেজ ভাব অনুভব করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Golapনিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ড. আবদুস সোবহান গোলাপের ‘মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা ও বাঙালির ইতিহাস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও রেলমন্ত্রী মজিবুল হক।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযুদ্ধ মিলনায়নে বইটির মোড়ক উম্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আব্দুস সোবহান গোলাপকে আমি চিনি অনেক দিন ধরে। চাকরি ছাড়ার পরে বিদেশে প্রথম তার সঙ্গে দেখা হয়েছে। পরিচয়ের সূত্র জননেত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিবারই তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদেশে যেতেন। কিছুদিন আগে আমাকে প্রধান অতিথি হিসেবে এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। বইটি পাওয়ার আগেই আমি তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করি।’
বইটি সম্পর্কে মুহিত বলেন, ‘আমি বইটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছি। বইটি খুবই তথ্যবহুল। সাতটি চাপ্টারে পাঁচশয়ের বেশি পৃষ্ঠা আছে। বইটি পড়লে বাংলাদেশ সম্পর্কে জানা যাবে।’
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। ধন্যবাদ আবদুস সোবহান গোলাপকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এই বই লেখার জন্য্।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘এত ব্যস্ততার মাঝেও আবদুস সোবহান গোলাপ বই লিখেছেন এরজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি মুক্তিযোদ্ধা আমরা তার বইয়ের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আরও জানতে পারবো। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ নিজের বই সম্পর্কে বলেন, ‘আমি বই লেখার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা পেয়েছি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে। আমার প্রতিটি বই সম্পর্কে তিনি জানেন। আজকের অনুষ্ঠান সম্পর্কেও তিনি জানেন। আমি প্রধানমন্ত্রীকে এ বইটি দিয়েছি। তিনি ভালো বলেছেন।’
লেখক বলেন, ‘বইটি পড়লে বাঙালির ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন। আমি মুক্তিযোদ্ধা, আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালির ইতিহাস লিখেছি। আমি বিভিন্ন জার্নাল থেকে তথ্য নিয়েছি। আপনারা আমার বইটি পড়বেন বলে আশা করি। এখানে কোনো কিছু ভুল থাকলে পরবর্তী সংস্করণে তা সংস্কার করা হবে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইমেরিটার্স অধ্যাপক ড. একে আজাদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2054b36e48cfbf75c34483f13f59eeee-593c35c030266দুই দশক আগে আইসিসি ট্রফি জয়ের কথা হয়তো এ প্রজন্মের অনেকের মনে নেই। ১৯৯৭ সালে আইসিসির সহযোগী সদস্যের নিয়ে আয়োজিত ওই টুর্নামেন্টের টানটান উত্তেজনার ফাইনালে বাংলাদেশ হারিয়ে দিয়েছিল কেনিয়াকে। দুই বছর পর বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারানোর উচ্ছ্বাসে ভেসেছিল বাংলাদেশের মানুষ। সেই শুরু। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে টাইগাররা আজ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে। অনেক সাফল্যেই ভেসেছে বাংলাদেশ, তবে এই দিন আসেনি কখনও। এই প্রথম যে আইসিসির বড় কোনও টুর্নামেন্টের শেষ চারে উঠল টাইগাররা। আনন্দের জোয়ারে ভাসছে তাই গোটা বাংলাদেশ।

২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া বাংলাদেশকে পেরোতে হয়েছে অনেক কঠিন পথ। সাফল্য যেমন পেয়েছে, তেমনি ব্যর্থতার গ্লানিতেও ডু্বেছে অনেকবার। ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকেই আসলে টাইগারদের পরিবর্তনের সূচনা। ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া দলটি আজ অনেক পরিণত। এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিই তার প্রমাণ।

ওই বিশ্বকাপের পর পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজে হারিয়ে ক্রিকেট-দুনিয়াকে চমকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সাফল্যেই র‌্যাংকিংয়ে অভাবনীয় উন্নতি এনে দিয়েছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার সুযোগ। র‌্যাংকিংয়ের সেরা আট দলের লড়াইয়ে টাইগাররা যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই সেমিফাইনালে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব-মাহমুদউল্লাহর অসাধারণ ব্যাটিংয়ে শেষ চারের পথ প্রশস্ত হয়েছিল। তবু দুশ্চিন্তা ছিল, যদি অস্ট্রেলিয়া হেরে যায় ইংল্যান্ডের কাছে। কিন্তু তা হয় নি। ইংল্যান্ডের কাছে হেরে অস্ট্রেলিয়ার বিদায়ে বাংলাদেশের মানুষ আজ উল্লাসে মুখর, আনন্দে আত্মহারা।

এখন সামনে সেমিফাইনালের চ্যালেঞ্জ। আগামী ‍বৃহস্পতিবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কারা হবে প্রতিপক্ষ, তা জানতে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। তবে যে-ই প্রতিপক্ষ হোক, বাংলাদেশ যে আজ নির্ভীক, তা কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন্সে রচিত হয়েছে আরেকবার। এবার আরও এগিয়ে যাওয়ার পালা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3333নিজস্ব প্রতিবেদক : কলারোয়ায় মাদরা সীমান্তের বিপরীতে ভারতের হাকিমপুর বিএসএফ ক্যাম্পে আটক বাংলাদেশি নাগরিক স্বামী-স্ত্রীকে হস্তান্তর করলো ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ। শনিবার সকালের দিকে উপজেলার মাদরা সীমান্তের মেইন পিলার ১৩/৩ এস ৯ আরবি’র নিকট দু-দেশের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় বিএসএফ তাদের বাংলাদেশী বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করেন। হস্তান্তরকারী নাগরিক হল স্বামী স্ত্রী খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া গ্রামের শাহাদৎ মোল্লার ছেলে আনিছুর রহমান মোল্যা (৩০) ও তার স্ত্রী মুন্নি বেগম (২২)। মাদরা বিজিবি ক্যাম্পের ল্যান্স নায়েক সাইফুল ইসলাম জানান, ওই নাগরিক স্বামী স্ত্রী গত কয়েকদিন আগে পাসপোর্ট ব্যতীত অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে হাকিমপুর বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এসময় টহলরত বিএসএফ তাদের আটক করে মাদরা সীমান্তের বিজিবি’র নিকট পত্র প্রেরণ করেন। বিএস এফের আহবানে সাড়া দিয়ে শনিবার সকালে সীমান্তের ভূখন্ডে দু-দেশের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় বিএসএফ বাংলাদেশি নাগরিক স্বামী স্ত্রীকে বিজিবি’র নিকট হস্তান্তর করেন। পরে দুপুরে তাদের কলারোয়া থানায় সোপার্দ করা হয়। এ ব্যাপারে মাদরা ক্যাম্পের ল্যান্স নায়েক সাইফুল ইসলাম বাদি হয়ে আটকের বিরুদ্ধে থানায় একটি পাসপোর্ট আইনে মামলা দায়ের করেন বলে থানা সূত্রে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Rim5Qv_Bangladeshনা থেকেও ছিল বাংলাদেশ। হোক না তা অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ! বার্মিংহামের এই ম্যাচের হার-জিতের ওপরই যে নির্ভর করছিল মাশরাফিদের সেমিফাইনাল। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশকে টিকে থাকতে হলে হারতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে, এই ছিল সমীকরণ। বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেট ভক্তের প্রার্থনায় ছিল তাই ইংলিশদের জয়। ক্রিকেট ঈশ্বর শুনেছেন সেই প্রার্থনা, দুহাত ভরে দিয়েছেন বাংলাদেশকে। ইংলিশরা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেওয়ায় প্রথমবার আইসিসির বড় কোনও টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠে গেছে বাংলাদেশ। ৪১তম ওভারে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে ইংলিশরা ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথডে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে ৪০ রানে।

পরপর দুইবার বৃষ্টি হানা দেয়ায় বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা নিশ্চই হিসাব-নিকাশে বসে গেছে কি হবে ?

২০ ওভারের চেয়ে ১ বল কম হলেও নিশ্চিত সেই ম্যাচ বাতিল এবং ম্যাচের পয়েন্ট ভাগাভাগি করে দেয়া হবে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের মাঝে। তাহলে এখনত ২০ ওভারের বেশি খেলা হয়ে গেছে এ অবস্থায় বৃষ্টি না থাকলে কি হবে বাংলাদেশে ভাগ্যে ? পারবেকি সেমিফাইনালে যেতে ?

উত্তরটা হল এগিয়ে ইংল্যান্ড। ম্যাচ বন্ধ হলে জিতবে তারাই। যদি চার উইকেট যেতো, তাহলে ১৩৩ প্রয়োজন হতো; কিন্তু উইকেট ধরে রাখার কারণে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ৪০.২ ওভারেই ইংল্যান্ড করে ফেলেছে ২৪০ রান। উইকেট চারটি।

আগে থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাষ ছিল। অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যেতে পারে এমন সম্ভাবনার কথাও বলা হচ্ছিল। এর মধ্যে একবার বন্ধও হয়ে গিয়েছিল খেলা। এরপর আবার শুরুও হয়। তবে দ্বীতিয়বারের মত আবারও বৃষ্টি হানা দিয়েছে। যার ফলে বন্ধ রয়েছে অষ্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ডের মধ্যকার খেলা।

বৃষ্টির পূর্বমুহুর্তে জয়ের দ্বারপ্রান্তে ছিল ইংল্যান্ড। ৪ উইকেট হারিয়ে রান করেছে ২৪০। ওভার শেষ ৪০.২। জিততে হলে প্রয়োজন ৫৮ বলে ৩৮ রান।

বেন স্টোকস ১০৯ বলে ১০২ রান করে অপারাজিত রয়েছেন । তাকে সংগ দিচ্ছে জোস বাটলার।

এর আগে, ভালো শুরুর পর এদিন রানে পাহাড় গড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল স্মিথ বাহিনী। কিন্তু হঠাৎই আদিল রশিদের ঘূর্ণিতে এলোমেলো হয়ে গেল অজি ব্যাটিং লাইনআপ। অন্যদিকে পেস আক্রমণে অজিদের ঘায়েল করেন মার্ক উড। মরগ্যান বাহিনীর সামনে টার্গেট দেয় ২৭৮ রানের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest