road-accident-webনিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় তালায় নছিমন ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রলি চালক আকিমুদ্দিন গাজী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তালা সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত আকিমুদ্দিন তালা উপজেলার মুড়কুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, তালা সরকারি কলেজ এলাকায় মাটি বহনকারী একটি ট্রলি ও নছিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে ট্রলি চালক নিহত হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Exif_JPEG_420

নিজস্ব প্রতিবেদক : পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা অভিযোগ উঠেছে। নিহত মুক্তিযোদ্ধার নাম আবুল কালাম আজাদ। মঙ্গলবার ভোর তিনটার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের বাবার নাম আব্দুল হামিদ। তার বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী ঘোনা গ্রামে।
আটককৃতরা হলো,মোমিনুর রহমান, তার ভাই ওয়াহিদুর রহমান, মুন্না হোসেন ও রনি রহমান। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা মোবারকের মোড়ের রড সিমেন্ট ব্যবসায়ি আক্তারুজ্জামান শিমু জানান, একই গ্রামের আব্দুর রশীদ দালালের ছেলে আরিফুর রহমানের কাছে তিনি মালামাল বিক্রির জন্য ৪ হাজার টাকা পান। বারবার চাওয়ার পরও টালবাহানা করায় তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ সোমবার রাত সাতটার দিকে আরিফুরের কাছে বকেয়া টাকা চান। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আরিফুর, ভাই মোমিনুরসহ কয়েক ভাই তাকে মাsatkhira-ff-1রপিট করে। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর তিনটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ ইকবাল মাহমুদ জানান, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদকে সোমবার রাত ১০টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার ভোর তিনটার দিকে তিনি মারা যান। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা ফিরোজ হোসেন মোল্লা জানান, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদের উপর হামলার অভিযোগে চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। লাশের ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত এ নিয়ে থানায় কোন মামলা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

16864247_979709812160112_6616819764059258432_nঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : ঢাকা ইইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন অব সাতক্ষীরা এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন  ওসমান গনি এবং সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়েছেন মাসুম উল ইসলাম সজল।
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাতক্ষীরা জেলার ছাত্র-ছাত্রীদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে সামনে সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই কমিটি আগামী ১ বছর দায়িত্ব পালন করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

d005a204c37715dee7eba4decb5e0d35-58b46a0ccfbe5অনলাইন ডেস্ক: বাসচালক জামির হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন।
সোমবার রাতে ঢাকার মতিঝিল কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংগঠনটির খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়ক আব্দুর রহিম বক্স দুদু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই সংগঠনের খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি আজিজুল আলম মিন্টুও।

জামিরের রায়ের প্রতিবাদে খুলনার ১০ জেলায় পরিবহন ধর্মঘট চলছে রবিবার থেকে। এখন তা চলবে দেশ জুড়ে।
প্রসঙ্গত, চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী মিশুক মুনীর সহ পাঁচজনের নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাসচালক জামির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন মানিকগঞ্জ আদালত। এই রায়ের প্রতিবাদে রবিবার থেকে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় রবিবার ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্ট কালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপি রুহুল হককে অসম্মানিত করার অপচেষ্টাকারীদের কুশপুত্তলিকা দাহ করে শখিপুরের আ.লীগ নেতা-কমীরা

এমপি রুহুল হককে অসম্মানিত করার অপচেষ্টাকারীদের কুশপুত্তলিকা দাহ করে শখিপুরের আ.লীগ নেতা-কমীরা

শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য, ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র ভাবমূর্তি ক্ষুণেœর প্রতিবাদে সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্থানে গত ২দিন ধরে অসংখ্য বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধন চলছেই। রবিবারে পর সোমবারও দিনভর দেবহাটা ও কালিগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে এসকল কর্মসূচিতে স্থানীয় আ.লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করে।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরায় একটি সাংবাদিক সংগঠনের উদ্যোগে গত শনিবার দেশব্যাপী সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে এক মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালীন একটি অত্যুৎসাহী মহল পরিকল্পিতভাবে আওয়ামীলীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য, ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপিকে অসম্মানিত করতে তার কুশপুত্তলিকা দাহ করে। যদিও ওই মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের অনেকেই জানিয়েছেন তাদেরকে কুশপুত্তলিকা দাহের বিষয়ে কোনভাবেই জানানো হয়নি।
অন্যদিকে, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের এক জরুরি সভায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর রুহুল এমপি’র কুশপুত্তলিকা দাহের তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জ্ঞাপন করে বিবৃতি প্রদান করা হয়েছে।
এঘটনায় জড়িত ষঢ়যন্ত্রকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে রবি ও সোমবার সাতক্ষীরার আশাশুনি, কালিগঞ্জ, দেবহাটার উপজেলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে মানববন্ধন, ঝাড়– মিছিল ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সাথে অভিযুক্তদের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে আ.লীগের নেতাকর্মীরা।
এসব সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রতি সাংসদ অধ্যাপক রুহুল এমপি মহোদয়সহ আমাদের রয়েছে শ্রদ্ধার স্থান। সাংবাদিকদের মান মর্যাদা রক্ষা করতে আমরা বদ্ধ পরিকর। এছাড়া সারা দেশে সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে রুহুল হক এমপিসহ আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জননেতা রুহুল হক এমপি মহোদয় বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ। তিনিই একমাত্র সাতক্ষীরার সন্তান যিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। কিন্তু কতিপয় দুস্কৃতিকারী উন্নয়নের জোয়ারকে বাধাগ্রস্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপির মান মর্যাদা নষ্ট করতে পরিকল্পিত ষঢ়যন্ত্র শুরু করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

27-2-17_743x600দেবহাটা ব্যুরো: তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেবহাটা টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণি পড়–য়া উপজেলার দাদপুর গ্রামের কাজল সরদারের পুত্র বকুল সরদার নামের এক ছাত্রকে বেদম মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উক্ত ছাত্র শিক্ষক ও মেম্বর এবং চেয়ারম্যানের হাতে-পায়ে ধরেও ক্ষমা পায়নি। মারপিটের শিকার আহত ছাত্র বকুলকে সখিপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এবিষয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বকুল জানায়, সোমবার স্কুল চলাকালিন সময় তার সহপাঠি ২জন এবং নবম শ্রেণির ২ জন ছাত্রীকে দীর্ঘ সময় বাহিরে দাড় করিয়ে রাখে শিক্ষকরা। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীদের ছেড়ে দিলেও ক্লাসে ঢুকতে বাঁধাদেয় আমিরুল স্যার। তখন আমার সাথে পড়–য়া আমার দুই বন্ধুদের কাছে তাদের ক্লাসে না ঢুকতে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে আমার শিক্ষক আমিরুল স্যার তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে। আমার অপরাধ জানতে চাইলে আরও চড়াও হয়ে আমাকে গালিগালাজ করে এবং আমার জামার কলার ধরে টেনে হেঁচড়ে মারতে মারতে বাহিরে নিয়ে আসে আমিরুল স্যার। আমার আত্মচিৎকারে প্রধান শিক্ষক না থাকায়  সহকারী প্রধান শিক্ষক সামছুর রহমান এসে কোন কিছু না শুনে তিনিও আমাকে মারপিট শুরু করেন। আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সামছুর স্যারের পায়ে ধরলেও তিনি আমাকে ক্ষমা না করে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আটকিয়ে রেখে স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবলুকে খবর দেন। আমি দরজা ধাক্কা ধাক্কির করতে থাকি এমন সময় দেবহাটা সদর ইউনিয়নের ৬নং ইউপি সদস্য বাবলু এসে দরজা খুলে আবারও আমাকে বেদম মারপিট শুরু করলে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। এসময় আমার পিতা- মাতা খবর পেয়ে আমাকে আহত অবস্থায় সখিপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। এবিষয় টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমিরুল জানান, দরজায় লাথি মারার কারণে আমি মাত্র একটি বাড়ি মেরেছি আর ইউপি সদস্য বাবলু এসে তাকে মারপিট করেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সামছুর রহমান জানান, আমরা তো মারিনি, মারধর করেছে ইউপি সদস্য বাবলু। আপনারা নিউজটি করবেন না কাল সকালে আসেন সাক্ষাতে কথা হবে।
বিষয়টি ইউপি সদস্য বাবলুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষকরা আমাকে ফোন করে ডেকে নিয়ে ওই ছাত্র বেয়াদবী করেছে বলে আমাকে জানালে আমি তাকে মারপিট করি। তবে একজন ইউপি সদস্য হয়ে বিদ্যালয়ে এসে আইন হাতে তুলে নেয়ার বিষয় জানতে চাইলে তিনি তার পাশে থাকা ইউপি চেয়ারম্যানকে দিয়ে ফোন ধরিয়ে সাংবাদিকদেরকে হুমকি দিয়ে বলেন, তুমি আবার কোন সাংবাদিক? তোমাদের মত দ’ুটাকার সাংবাদিক কি করতে পারো করো। আমার ভালোমত জানা আছে। বিদ্যালয়ের ছাত্র বাদরামি করেছে তার শাস্তি মেম্বর দিয়েছে। প্রয়োজন হলে আমার বক্তব্য নিতে হবে। অপরাধীর শাস্তি দিয়েছি। এখানে কারো কথা শুনতে বাধ্য নই।
কিন্তু বিদ্যালয় চলাকালে স্কুলে ঢুকে শিশু নির্যাতনের মত ঘটনার জবাবে তিনি বলেন, কিসের শিশু? কোন শিশুকে মারা হয়নি। তাছাড়া কিশোর অপরাধে আইন হাতে তুলে দেওয়ার কথা বললে তিনি বলেন আগামিকাল তাকে স্কুল থেকে বহিস্কার করে দিব। সাংবাদিক হয়ে কি তোমরা যা ইচ্ছা করবে। আমরা যা ভালো মনে করেছি তার জবাব কাউকে দিতে বাধ্য নয়। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন,  পরীক্ষার দায়িত্ব থাকায় বিষয়টি আমি জানিনা। বিদ্যালয় এসে একজন ইউপি সদস্য এধরনের মারপিট করতে পারবে কিনা জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে আপনারা নিউজটি করবেন না আপনারা কাল স্কুলে আসবেন ম্যানেজ করা হবেÑ বলে ফোন রেখে দেন তিনি। এবিষয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহাদাৎ হোসেন বলেন, যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শিক্ষকরা মারতে পারেনা সেখানে আবার বহিরাগতরা কীভাবে মারে? আমরা এর  কঠোর ব্যবস্থা নিব। এবিষয় আহত’র পিতা কাজল সরদার জানান, আমার সন্তানের অপরাধ থাকলে আমাকে বলতে পারত। আমি আগামিকাল (আজ) জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

aঅনলাইন ডেস্ক: একটি ‘পারফেক্ট’ ফটোর জন্য মানুষ কী না করে! দুবাইয়ের ১,০০৪ ফুট উঁচু কায়ান টাওয়ার থেকে এক হাতে ঝুলে থেকে ফটোশ্যুট করেছিলেন রুশ মডেল ভিকি ওডিন্টকোভা। লক্ষ্য ছিল, ইনস্টাগ্রামে এমন ছবি পোস্ট করবেন, সক্কলের মাথা ঘুরে যাবে। তাই ২৩ বছরের মেয়েটি ওই বহুতল থেকে ঝুলে পড়েন। তাঁর এক হাত শুধু ওপর থেকে ধরেছিলেন তাঁর এক সহকারী।

বিপজ্জনক এই ফটোশ্যুটের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে লাখো মানুষ দেখেছেন ঠিকই। কিন্তু কায়ান টাওয়ারের নির্মাতারা ওডিন্টকোভার এই স্টান্টবাজিতে মোটেই মোহিত নন। তাঁরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, কোনও সম্মতি ছাড়া বা নিরাপত্তার আদৌ কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে ওই ফটোশ্যুট করা হয়েছে।

ওই মডেলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা।

কায়ান টাওয়ারে এর আগেও বিপজ্জনক নানা খেলার আয়োজন হয়েছে। কিন্তু তা হয়েছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পেশাদারদের তদারকিতে। তা ছাড়া যাতে কোনও বিপদ না ঘটে, সেদিকেও নজর রাখা হয়েছিল। নির্মাতারা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় পর নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ভবিষ্যতে আর যাতে এমন কিছু না ঘটে, সেদিকে নজর রাখা হবে।

ওডিন্টকোভা অবশ্য বলেছেন, এমন ফটোশ্যুট আবার করার ইচ্ছে নেই তাঁর। তবে তাঁর বক্তব্য, এমন বিপজ্জনক কাজের জন্য তাঁর ও তাঁর টিমের তিরস্কার নয়, ক্ষতিপূরণ প্রাপ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

44290-breastcancer30-10-15অনলাইন ডেস্ক: বুকের দুধ বিক্রি করার পেছনে বিশাল এক সিন্ডিকেট কাজ করে। শুধু অর্থনৈতিক কারণই নয়, এর সঙ্গে এক ধরনের বিলাসিতাও জড়িত। গোপনে বুকের দুধ বিক্রি শুরু করেছেন অস্ট্রেলিয়ান নারীরা। মাত্র এক লিটার বুকের দুধ তারা বিক্রি করছেন প্রায় ৪০ হাজার টাকায়, যেখানে সাধারণ দুধের দাম একশো টাকারও নিচে।

তদন্তে দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ায় বুকের দুধ বিক্রির প্রবণতা নারীদের মধ্যে ব্যাপক খারাপ প্রভাব ফেলেছে। আর এর পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করছে দুধের ওই চড়া দাম।

যেসব পরিবার অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী নয় তারা তাদের বাচ্চাকে দুধ পান করার পাশাপাশি কিছু দুধ বিক্রিও করছে। বিষয়টি এভাবে চলতে থাকলে তেমন ক্ষতি ছিল না।

কিন্তু অনুসন্ধানে জানা যায়, এর জন্য শুধু অর্থনৈতিক বিষয়টি জড়িত নয়। এর সঙ্গে একটি গোপন সিন্ডিকেটও তৈরি হয়েছে যে সিন্ডিকেটটি বুকের দুধ বিক্রি করা মায়েদের খোঁজখবর রেখে ক্রেতা সংগ্রহ করে দিচ্ছেন এবং তাদেরকে বুকের দুধ বিক্রি করতে উৎসাহ দিচ্ছে।

আর অনেক মা টাকার লোভ ও তাদের কুমন্ত্রণায় বুকের দুধ বিক্রিতে উৎসাহিত হচ্ছে। কোনো কোনো মা জানিয়েছেন এক লিটার দুধ তারা প্রায় ২০০ থেকে ৫০০ ডলারে বিক্রি করেন।

দুধ বিক্রিএক লিটার দুধ তারা প্রায় ২০০-৫০০ ডলারেও বিক্রি করেন। কেউ কেউ তার চেয়েও বেশি দাম দিতে চান।

বুকের দুধ কেনার প্রধান ক্রেতা হলো ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী এবং কিছু মা যারা তাদের সন্তানকে দুধপান করাতে পারেন না। তাছাড়া এর সঙ্গে কিছু অ্যাথলেটও নারীর বুকের দুধ কিনে খাওয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তারা প্রাকৃতিকভাবে শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করাতে নারীর বুকের দুধ বেছে নিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মা জানান, তিনিও দীর্ঘদিন ধরে বুকের দুধ বিক্রির সঙ্গে জড়িত। তবে তিনি তার দুধের দাম আকাশছোঁয়া রাখেন না। মাত্র ৩০ ডলারে এক লিটার দুধ বিক্রি করেন তিনি। কিন্তু তার অনেক বান্ধবী আছে যারা কোনো বাছবিচার না করে আকাশছোঁয়া দামে বুকের দুধ বিক্রিকে এক ধরনের ব্যবসা বানিয়ে ফেলেছেন।

ওই নারী আরও জানান, এখানে তার কোনো চাহিদা নেই। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা তাকে অনুরোধ করেন তাই তাদের কাছে দুধ বিক্রি করেন। তাদের অর্থনৈতিক অবস্থাও ভালো। স্বামী ভালো চাকরি করেন। দুধ বিক্রি করে তিনি যে টাকা পান তা তার সন্তানদের বাড়তি সেবাযত্নে ব্যয় করেন।

নিজের বুকের দুধ বিক্রির শুরুর গল্পটি জানাতে গিয়ে তিনি জানান, এক সময় তার মা ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। তখন তাকে দুধ দেওয়ার প্রয়োজন হতো। তখন থেকেই তিনি দুধ দেওয়া শুরু করেন। এখন পর্যন্ত তিনি অনেক পরিবার ও ক্যান্সার রোগীকে দুধ দিয়েছেন এবং ব্যাপারটি তার কাছে স্বাভাবিক হয়ে গেছে।

এ পেশায় আশার পর ভয়ংকর জগত সম্পর্কে জানতে পেরেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ পেশা এখন খুব ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে তা জানতাম না। বুকের দুধ এখন শুধু প্রয়োজন বা মানুষকে সাহায্য করার জন্যই বিক্রি করার হয় না, অনেক নারী এটাকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন এবং তারা তাদের সন্তানদের ঠিকমতো দুধ না খেতে দিয়ে তা বিক্রি করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest