সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

আশাশুনিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি ; অবশেষে মামলা নিল পুলিশ

002আসাদুজ্জামান : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করার অভিযোগে আশাশুনি থানায় দায়ের করা অভিযোগ পত্রটি অবশেষে তদন্ত সম্পন্ন করে পুলিশ এজাহার হিসেবে গণ্য করেছে। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় উক্ত অভিযোগ পত্রটি এজাহার হিসেবে গণ্য করা হয়।
এর আগে, গত শুক্রবার দুপুরে বড়দল গ্রামের মৃত দাউদ আলী মালীর ছেলে ও স্থানীয় ইউনিয়ন স্বোচ্ছসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মালী বাদি হয়ে আশাশুনি থানায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জনের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এজাহারকৃত মামলায় যাদের নামসহ আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, বড়দল গ্রামের রফিকুল সানার ছেলে সুমন সানা (৩০), একই গ্রামের আফসার সরদারের ছেলে আয়ুব সরদার ও মৃত এজাহার গাজীর ছেলে শামছুদ্দীন গাজী (৫০)।
উক্ত মামলায় নুরুজ্জামান মালী উল্লেখ করেছেন, গত ২৬ এপ্রিল বুধবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে বড়দল খেয়াঘাটস্থ বাজারের পাশে বসে উল্লেখিত সুমন সানা, আয়ুব সরদার ও শামছুদ্দীন গাজীসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জন এলাকায় নাশকতা ও সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করার জন্য গোপন বৈঠক করতে থাকেন। এ খবর শুনে আমি সেখানে গেলে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মান হানি করার উদ্দেশ্যে কটুক্তি করতে থাকেন। আমি এর  প্রতিবাদ করলে তারা আমাকেসহ এই অভিযোগ পত্রের এক নম্বর স্বাক্ষী আব্দুল আজিজকে সময় সুযোগ পেলে দেখে নেওয়ার হুমকী প্রদান করেন। এই অভিযোগ পত্রের ১০ জন স্বাক্ষীসহ আরো অনেকে সেখানে উপস্থিত  হলে অবস্থা বেগতিক দেখে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ব্যক্তি বর্গ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করি। উক্ত মামলায় তিনজন মুক্তিযোদ্ধাসহ মোট ১০ জনকে স্বাক্ষী করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার সেকেন্ড অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্বে) সুধাংশ শেখর হালদার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে নুরুজ্জামান মালীর দেয়া অভিযোগপত্রটি তদন্ত শেষে মঙ্গলবার দুপুরে এজাহার হিসেবে গন্য করা হয়। তিনি আরো জানান, এ মামলার আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য ঃ এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে বড়দল বাজারে একটি মানবন্ধন কর্মসূচীর আয়োজন করে স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বোচ্ছাসেবকলীগ ও মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বড়দল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আকের আলী গাজীর সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মোল্যা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি এস এম সাহেব আলী, মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, যুবলীগ নেতা আব্দুল হান্নান মন্টু সরদার, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাধারন সম্পাদক নুরুজ্জামান মালী প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে মামলা রেকর্ডসহ আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধনের এক দিন পর মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

18301414_10210360792829138_5278171175388420843_nকপিরাইট অধিকার ভঙ্গ ও চুক্তিনামা জাল করে অবৈধভাবে তার গান বিক্রয়ের অভিযোগে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেলের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতি মামলা করেছেন সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার প্রীতম আহমেদ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি এই মামলা করেছেন।

প্রীতম আহমেদ অভিযোগ করেন, তার অনুমতি ও স্বাক্ষর ছাড়াই প্রায় এক দশক ধরে অভিযুক্ত মুঠোফোন প্রতিষ্ঠানগুলো তার কথা ও সুর করা ন্যুনতম ২০টি গান বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করে আসছে। এ ব্যাপারে গত দুই বছর ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অসংখ্যবার যোগাযোগ ও আইনি নোটিশ পাঠিয়ে তিনি কোনো সদুত্তর পাননি। তখন তিনি জানতে পারেন, গানগুলো বাণিজ্যিক বিপণনের জন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে প্রীতম আহমেদের স্বাক্ষর করা কাগজ রয়েছে!

প্রীতম বলেন, ‘দুই বছর ধরে এই চারটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমি লড়াই করছি। এবার গীতিকার, সুরকার ও গায়ক হিসেবে চুক্তিনামা জালিয়াতি, কপিরাইট অধিকার ভঙ্গ ও অবৈধ ভাবে আমার গান বিক্রয়ের অভিযোগে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেলের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতি মামলা করেছি। আশা করছি এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সব গীতিকার ও সুরকারদের অধিকার নিশ্চিত হবে। আমি চাই, আমার এই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে শিল্পীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হউক।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC04004 copy (Large)
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা শহরের দক্ষিণ পলাশপোল এলাকায় পৌরসভার সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার দক্ষিণ পলাশপোল ৮নং ওয়ার্ডে ইমান আলী হাজীর বাড়ি হইতে আব্দুল আনিছ খান চৌধুরী বকুলের বাড়ি পর্যন্ত সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণ কাজ প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। সাতক্ষীরা পৌরসভার অর্থায়নে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা ব্যয়ে ৭২ মিটার সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শফিকুল আলম বাবু, সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী সুজন, মহিলা কাউন্সিলর ফারহা দীবা খান সাথি, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী কামরুল আখতার, এসও সাগর দেবনাথ, আলতাপ হোসেন, শাহাজান হোসেন, ফারুক আহম্মেদ খান টগর, ঠিকাদার শেখ হাবিবুর রহিম রিন্টুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

college
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের নব নিযুক্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমারকে শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের রুমে উপস্থিত এ শুভেচ্ছা জানান নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত সংগঠনের সভাপতি প্রভাষক তপন কুমার শীল, সাধারণ সম্পাদক রায় দুলাল চন্দ্র, কোষাধ্যক্ষ সিন্ধা নাথ, বিশ্বরুপ ঘোষ, মনোরঞ্জন মন্ডল, ভরত সরদার, অসীম সাধু, বলাইদে প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

222222মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় হিজড়া জনগৌষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নে করণীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের কার্যালয়ে জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপপরিচালক দেবাশিষ সরদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডিএসবি শাখার এএসপি শেখ মো. ইয়াছিন আলী। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেল সুপার আবু জাহেদ, বিআরডিবি’র উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জী, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. হারুন অর-রশিদ, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা তুনসি কুমার পাল, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, আশাশুনি উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জামাল উদ্দিন, তালা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অধির কুমার গাইন, সদর হাসপাতাল সমাজসেবা অফিসার আব্দুল আওয়াল প্রমুখ। সেমিনারে হিজড়াদের নেত্রী খুকুসহ ২০ জন হিজড়া তাদের জীবনমান উন্নয়নে  ৫০ দিন ব্যাপী এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ABT-Ashfaqআল-কায়েদার অনুসারী জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) সামরিক শাখার আইটি প্রধান আশফাকুর রহমান অয়নকে বেশ কিছুদিন ধরেই খুঁজছিল পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ। সিলেট থেকে ঢাকায় এসে গুলশানের কাছাকাছি এলাকায় তাদের গোয়েন্দা জালে ধরা পড়ে মোষ্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা মেজর জিয়ার প্রধান এ সহযোগী।

তার পুরো নাম আশফাকুর রহমান এবং ডাকনাম অয়ন হলেও বিভিন্ন সময় সে আরিফ বা অনিক নামও ব্যবহার করত বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে।

কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে পড়ার সময় ২০১৪ সালে সে এবিটি’র সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করে। ২০১৫ সালে সংগঠনটির সামরিক বিভাগে অন্তর্ভুক্ত হয় সে।

পরে এবিটি’র সামরিক বিভাগের ‘আইটি প্রধানের’দায়িত্ব পায় আশফাকুর অয়ন। অন্য কাজের পাশাপাশি ব্লগারদের সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন সাইটের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব ছিল তার। পরে ওইসব অ্যাকাউন্টে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য চলে যেতো ‘হিট লিস্টে’র বিস্তারিত কলামে। এরপর পরিকল্পনা করে আক্রমণ করা হতো ব্লগারদের উপর।

গত কয়েক বছরে একাধিক ব্লগার হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে এবিটি।

এসব হত্যাকাণ্ডের আগে ‘হিট লিস্টে থাকা’ ব্লগারদের হত্যা করার জন্য রাজধানীর পল্লবী ও উত্তরায় তিনটি প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছে আশফাক।

গ্রেফতারের সময় তার কাছে ওসামা বিন লাদেন রচিত প্রবন্ধ এবং ব্লগার হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ রুটিনও পাওয়া গেছে।

‘হিট লিস্টে’ সহায়তা ছাড়াও বিদেশী লেখকদের উগ্রবাদী লেখা বাংলায় অনুবাদ করে তা বরখাস্ত মেজর জিয়া ও তামিম চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘দাওয়া ইল্লাল্লাহ’র ওয়েব পেজ ছাড়াও বিভিন্ন মাধ্যমে নিয়মিত আপলোড করে প্রচার করত এবিটি’র সামরিক বিভাগের ‘আইটি প্রধান’।

জিজ্ঞাসায় গোয়েন্দারা তার কাছ থেকে জানতে পেরেছেন, কয়েক মাস আগে তার সঙ্গে মেজর জিয়ার সর্বশেষ দেখা হয়েছিল। সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছে মাস দুয়েক আগে। তবে, এখন মেজর জিয়ার অবস্থান সে জানে না বা প্রাথমিক জিজ্ঞাসায় তা জানায়নি।

শুধু মেজর জিয়া না, আশফাকুর অয়ন নারায়নগঞ্জে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত নব্য জেএমবির শীর্ষনেতা তামিম আহমেদ চৌধুরীরও ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল। জঙ্গি তামিমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘দাওয়া ইল্লাল্লাহ’ওয়েব পেজে উগ্রবাদী লেখা প্রকাশের দায়িত্বে ছিল অয়ন।

তার লেখার বিষয়ের মধ্যে ছিল: মুসলিমদের রক্তের পবিত্রতা, স্পেন বিজয়ে তারিক বিন জিহাদের বক্তব্য, আমেরিকার জুলুমসহ ধর্মীয় উগ্রবাদ। এসব লেখা বাংলায় অনুবাদ করে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করত সে।

মনিরুল ইসলাম বলেন: আশফাকের কাজ ছিল নাস্তিক ব্লগারদের বিভিন্ন পোস্ট ও এক্টিভিটিস দেখে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম যেমন-ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদির অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা। এরপর ওইসব অ্যাকাউন্টের ভেতরে ঢুকে বাসার ঠিকানা, কর্মস্থল ইত্যাদি ব্যক্তিগত তথ্য বের করে তাদেরকে টার্গেট করার কাজ করত সে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

IS_FBIএকেবারে যেন সিনেমার কাহিনী- গোয়েন্দা বাহিনী সদস্য এমন এক অপরাধীর প্রেমে পড়লেন, যার বিরুদ্ধে তিনি তদন্ত করছিলেন! সিনেমার কাহিনী মনে হলেও বাস্তবে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন।

সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের টপ সিক্রেট ক্লিয়ারেন্স থাকা এক অনুবাদক প্রথমে প্রেম ও পরে ২০১৪ সালে সিরিয়া গিয়ে বিয়ে করেন জঙ্গি সংস্থা আইএসের অন্যতম প্রধান এক সক্রিয় সদস্যকে। অথচ ওই আইএস সদস্যের ব্যাপারে তদন্তের দায়িত্ব ছিল ওই নারী এফবিআই সদস্যের কাঁধে!

ড্যানিয়েলা গ্রিন নামের বিপথগামী এই কর্মী তার গন্তব্য সম্পর্কে এফবিআইকে মিথ্যা কথা বলেছিলেন। একই সঙ্গে নতুন স্বামীকেও সতর্ক করে দিয়েছিলেন তার বিরুদ্ধে চলা তদন্তের ব্যাপারে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতের নথিপত্রের ভিত্তিতে এ তথ্য জানায় সিএনএন।

ড্যানিয়েলা গ্রিনের এ ঘটনা কখনোই জনসমক্ষে আনা হয়নি। কেননা এফবিআইয়ের ভেতরেই এত বড় অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ব্যাপকভাবে বিপজ্জনক। একই সঙ্গে খোদ এফবিআইয়ের জন্য এটি লজ্জাকর। কেননা এই প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আইএসের প্রতি সহানুভূতিশীল ব্যক্তিদের খুঁজে বের করাকে এর মিশনে পরিণত করেছে।

আদালতের নথিপত্রে আরও দেখা গেছে, ড্যানিয়েলার সঙ্গে বিচার চলাকালীন বিচার বিভাগীয় আইনজীবীরা পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন এবং আসল অপরাধের বদলে তুলনামূলক কম গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত করেছেন। এরপর তারা বিচারকের কাছে আবেদন করেছেন যেন সহায়তার বিনিময়ে ড্যানিয়েলার সাজা কমিয়ে দেয়া হয়।

আর এ ব্যাপারে কোনো তথ্য যেন বাইরে প্রকাশ না পায়, সেজন্য আদালতের নির্দেশেই সবকিছু গোপন রাখা হয়।

ড্যানিয়েলা গ্রিনের স্বামী কোনো সাধারণ সন্ত্রাসী নয়। ডেনিস কাসপার্ট ছিল একজন জার্মান র‌্যাপ সঙ্গীতশিল্পী। সঙ্গীত থেকে সে আইএসে যোগ দেয় এবং তারপর থেকেই সে আগ্রাসী জঙ্গিদের অনলাইন নিয়োগকারী হিসেবে কাজ করে আসছে। এ কারণে ডেনিস সংশ্লিষ্ট দুই মহাদেশেই কাউন্টার টেরোরিজম কর্তৃপক্ষের নজরে রয়েছে।

ডেনিস জার্মানিতে ‘ডেসো ডগ’ র‌্যাপনেমে পরিচিত ছিল। আর সিরিয়ায় তার নাম আবু তালহা আল-আলমানি। সে একটি গানে ওসামা বিন লাদেরে প্রশংসা করেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে ইশারায় গলা কাটার হুমকি দিয়েছে। এছাড়াও আইএসের বেশ কিছু প্রোপাগান্ডা ভিডিওতেও অংশ নিয়েছে ডেনিস।

বিয়ের কয়েক সপ্তাহ পরেই ড্যানিয়েলা টের পান, ডেনিসকে বিয়ে করে তিনি কি মারাত্মক ভুল করেছেন। তখন তিনি সিরিয়া থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ফিরে যান। সাথে সাথে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করতেও রাজি হন তিনি।

আদালতে ড্যানিয়লার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে দু’বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। সম্প্রতি ছাড়া পেয়েছেন তিনি।

সিএনএনের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এক বিবৃতিতে এফবিআই বলেছে, ড্যানিয়েলার ঘটনার ফলাফল হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি নিরাপত্তাজনিত দুর্বলতা চিহ্নিত ও দূর করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে কিছু বলেনি এফবিআই। এমনকি গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ আর কিছু বলতেও রাজি হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1493720590‘একমাত্র তার খেলাই গাঁটের টাকা খরচ করে দেখতে চাইব আমি’ ব্রায়ান লারা সম্পর্কে কথাগুলো বলেন ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান রাহুল দ্রাবিড়। ক্রিকেট বিশ্বে লারার মতো নিখুঁত ব্যাটসম্যান নেই আর একজনও। ক্রিকেট বল পেটানোটাকে রীতিমতো শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যান এই ক্যারিবীয় বাটসম্যান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ও টেস্টে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি তাঁর দখলে। টেস্টে নয়টি ডাবল সেঞ্চুরি ও দুটি ট্রিপল সেঞ্চুরি করা একমাত্র ক্রিকেটার এই ব্রায়ান লারা। রেকর্ড ভাঙা গড়াটাকে নিয়মিত অভ্যাস বানিয়ে ফেলায় রেকর্ডের বরপুত্র বলা হয়। ক্রিকেট দেবতার আশীর্বাদপুষ্ট এই ব্যাটসম্যানকে ক্রিকেটের বরপুত্রও বলা হয়। কিংবদন্তি এই ক্রিকেটারের আজ জন্মদিন। ১৯৬৯ সালের আজকের দিনেই ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোব্যাগোর স্যান্টা ক্রুজে জন্মগ্রহণ করেন ব্রায়ান চার্লস লারা।

১১ ভাইবোনের মধ্যে দশম ছিলেন লারা। আদর করে সবাই তাঁকে প্রিন্সি বলে ডাকতেন। ছয় বছর বয়সেই তাঁকে স্থানীয় ক্রিকেট কোচিং ক্লাবে ভর্তি করে দেওয়া হয়। এখানেই ব্যাটিংয়ে হাতেখড়ি হয় তাঁর। এরপর সেন্ট জোসেফ রোমান ক্যাথলিক প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হন লারা। চৌদ্দ বছর বয়সে ফাতিমা কলেজে ভর্তি হন তিনি। পেশাদার ক্রিকেটের পাঠটা এখানেই শেখেন তিনি। স্কুল বয়েজ লিগে ১২৬ গড়ে করেন ৭৪৫ রান। দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের কারণে সেই বছরই তিনি ত্রিনিদাদ অনূর্ধ্ব ১৬ দলে ডাক পান। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৫ বছর।

১৯৮৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যুব ক্রিকেট টুর্নামেন্টে কার্ল হুপারের করা ৪৮০ রানের রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ৪৯৮ রানের নতুন রেকর্ড গড়েন। পরের বছর প্রথম শ্রেণির ম্যাচে অভিষেক হয় ব্রায়ান লারার। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচেই ম্যালকম মার্শাল ও জোয়েল গার্নারদের বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে করেন ৯২ রান।

ক্যানসারে বাবার মৃত্যু অনেকটাই ভেঙে দেয় তাঁকে। তবে শোক কাটিয়ে আবার ক্রিকেটে ফেরেন তিনি। ১৯৮৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘বি’ দলের নেতৃত্ব দেন লারা। ওই মৌসুমে লারার ব্যাটিং ছিল দেখার মতো। ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের ফুলঝুরি ছোটন। ফলশ্রুতিতে, পরের বছর, ১৯৯০ সালে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয় তাঁর। পাকিস্তানের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে ভালো করতে পারেননি লারা। প্রথম ইনিংসে করেন ৪৪ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫।

সেই সিরিজেই পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতেও অভিষেক হয় লারার। ভালো করতে পারেননি অভিষেক ওয়ানডেতেও। মাত্র ১১ রান করে ওয়াকার ইউনিসের বলে আউট হন তিনি।

শুরুর কয়েকটা বছর সেভাবে সাফল্য পাননি তিনি। লারা নিজেকে পুরোপুরিভাবে মেলে ধরেন ১৯৯২-৯৩ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরে। তৃতীয় টেস্টের আগে সিরিজের ১-০ তে পিছিয়ে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্রেইগ ম্যাকডরমেট, মার্ভ হিউজ, শেন ওয়ার্নদের মতো বোলারদের সামনে ২৭৭ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন লারা। টেস্টে এটাই লারার প্রথম সেঞ্চুরি। পরের বছর আরো বিস্ফোরক হয়ে ওঠেন এই ক্রিকেটার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৭৫ রানের একটা ইনিংস খেলে স্যার গ্যারিফিল্ড সোবার্সের ২৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি। এরপর কাউন্ট্রি ক্রিকেটে ইয়র্কশায়ারের হয়ে করেন ৭ ইনিংসে ৬টিতেই সেঞ্চুরি করেন এই বরপুত্র। যা আজও বিশ্বরেকর্ড হয়ে আছে। তিনি এখানেই খেলেন ৪২৭ বলে ৫০১ রানের বিরল এক ইনিংস।

এর পর থেকেই ক্রিকেটে শুরু হয় লারা যুগ, যা চলেছে ২০০৬ সাল পর্যন্ত। যে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি, ২০০৬ সালে সেই দলটির বিপক্ষেই সর্বশেষ টেস্টও খেলেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। অধিনায়ক হিসেবেও সফল ছিলেন লারা। দেশকে ৪৭ টেস্টে নেতৃত্ব দেন তিনি। ক্রিকেটের একমাত্র ৪০০ রানের ইনিংসটি অধিনায়ক হিসেবেই খেলেন তিনি। ২০০৭ সালের ১৯ এপ্রিল সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। শুভ জন্মদিন ব্রায়ান লারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest