সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

naBmNp_cowগত মাসে ভারতের রাজস্থান হাইকোর্টের এক বিচারপতি কেন্দ্রকে সুপারিশ করেছিলেন, গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করা হোক। এবার হায়দরাবাদ হাইকোর্টের এক বিচারপতি মা আর ঈশ্বরের সঙ্গে তুলনা করলেন গরুকে।

বি শিবা শঙ্কর রাও নামের এই বিচারপতি গরু সংক্রান্ত এক মামলার রায় দিতে গিয়ে বলেন, গরু হল পবিত্র জাতীয় সম্পদ। গরু ঈশ্বর ও মায়ের বিকল্প।

সম্প্রতি তেলঙ্গানার নালগোন্ডার এক গরু ব্যবসায়ী রামবত হনুমার বাড়ি থেকে ৬৫টি গরু বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।

অভিযোগ ওঠে, ঈদের আগে গোমাংসের জন্যই গরুগুলিকে নিয়ে এসেছিলেন হনুমা। নালগোন্ডার নিম্ন আদালতে হনুমা দাবি করেন, ঈদের জন্য নয়, চরানোর জন্যই তিনি গরুগুলিকে এনে কাঞ্চনপল্লির খামারে রেখেছেন। এ নিয়ে একটি পিটিশনও দাখিল করেন হনুমা। কিন্তু নালগোণ্ডা আদালত তার সেই পিটিশন খারিজ করে দেয়। নিম্ন আদালতকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান হনুমা। কিন্তু সেখানে গিয়েও রেহাই পাননি।

হনুমার আবেদনকে খারিজ করে দিয়ে হায়দরাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি শঙ্কর রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নিম্ন আদালতের নির্দেশে নাক গলাবে না হাইকোর্ট। উল্টো সুপ্রিম কোর্টের এক বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে কোনও স্বাস্থ্যবান গরুকে জবাই করা মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না।

এ প্রসঙ্গে তিনি মোগল সম্রাট বাবরের কথাও উল্লেখ করেন। বলেন, গোহত্যা বন্ধ করেছিলেন বাবর। সেই সঙ্গে ছেলে হুমায়ুনকেও নির্দেশ দিয়ে গিয়েছিলেন তার নীতি অনুসরণ করতে। আকবর, জাহাঙ্গির এবং আহমেদ শাহ-ও গোহত্যা নিষিদ্ধ করেছিলেন বলে উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার এই মতামত দেওয়ার পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গানার পশু চিকিৎসকদের উদ্দেশেও একটি নির্দেশ দেন বিচারপতি। বলেন, যে সব চিকিত্সক ভুয়ো সার্টিফিকেট দিয়ে দুধেল গরুকে কষাইখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন, তাদের অন্ধ্রপ্রদেশ গরু জবাই আইন, ১৯৭৭-এর আওতায় এনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আইনের সংশোধন করে ওই চিকিত্সকদের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য পরোয়ানাও আনা দরকার বলে মত দেন তিনি।

মে-তে রাজস্থান হাইকোর্টে হিঙ্গোনিয়া গোশালা মামলার শুনানি ছিল। গত বছর অসুস্থতা, অবহেলা ইত্যাদি নানান কারণে ওই গোশালায় মারা গিয়েছিল প্রায় আট হাজার গরু। সেই শুনানি চলার সময়ই বিচারপতি মহেশ চন্দ্র শর্মার সিঙ্গল বেঞ্চ প্রস্তাব রাখে, গরুকে জাতীয় পশুর স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

গরুকে জাতীয় পশু হিসেবে ঘোষণা করা হলে গো-হত্যায় রাশ টানা যাবে বলেই মত বিচারপতি মহেশ চন্দ্র শর্মার। তার কথায়, নেপাল গরুকে জাতীয় পশু হিসেবে ঘোষণা করেছে। আমাদের দেশ কৃষিভিত্তিক। এখানে গবাদি পশুর পালন যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়ে থাকে। তাই ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ৪৮ এবং ৫১এ(জি) অনুযায়ী রাজ্য সরকারের কাছে আশা করাই যায় যে, গোরক্ষার জন্য কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সূত্র: আনন্দবাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার তালায় সরকারি মৎস্য হ্যাচারির প্রায় ১২শ’ ফুট সীমানা প্রাচীর নির্মাণে নিন্মমানের উপকরণ সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণ সামগ্রী ল্যাবে টেস্ট’র পর তা ব্যবহারের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। এমনকি প্রাচীরটি নির্মাণে হ্যাচারিতে রক্ষিত পুরাতন ইট,খোঁয়া ও নি¤œমানের রড ব্যবহার হচ্ছে। এক কথায় নাম মাত্র কাজ করে লোপাট হচ্ছে বরাদ্দের প্রায় সমুদয় অর্থ।
তালা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ হাদিউজ্জামান বলেন, সার্বক্ষণিক নাকি তিনিই কাজের তদারকি করেন। তবে মাঝে মাঝে তার ব্যস্ততায় তার পিয়ন মফিজ কাজের তদারকি করে থাকেন।
সূত্র জানায়, ৩৮ লক্ষ ব্যয়ে প্রাচীরটি নির্মাণে কাজ শুরুর আগে বরাদ্দ’র তথ্য সম্বলিত সাইন বোর্ড টানানো ও নির্মাণ কাজের উপকরণ সামগ্রী ল্যাব টেস্টের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। নির্মাণ কাজে নতুন ১নং ইটের পরিবর্তে পূর্ব থেকে হ্যাচারিতে রক্ষিত পুরাতন নি¤œমানের ইট ব্যবহৃত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঠিকমত কাজ তদারকি না করে ঠিকাদারের সাথে গোপনে চুক্তি করে বরাদ্দের প্রায় সমুদয় টাকা লোপাট করছেন।
তালা উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানায়, উপজেলা মৎস্য বীজ হ্যাচারি প্রকল্প’র সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলছে। প্রায় ৩৮লাখ টাকা ব্যায়ে গত ১মাস আগে এ কাজ শুরু হয়ে তা চলমান রয়েছে। ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস মোনালিসা কনস্ট্রাকশন এ কাজ বাস্তবায়ন করছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে তালা উপজেলা বীজ হ্যাচারি প্রকল্পে গিয়ে দেখা যায়, বরাদ্দ’র তথ্য সম্বলিত কোন সাইনবোর্ড প্রকল্প এলাকায় নেই। রড দেওয়া হয়েছে নিন্ম মানের। পূর্বে হ্যাচারিতে পড়ে থাকা পুরাতন ইট দিয়ে খোঁয়া তৈরি হচ্ছে। এই খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে প্রাচীরের কাজে। এসময় সেখানে কাজের তদারকির মত কাউকে দেখা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, ঠিকাদার নির্মাণ কাজে ব্যবহারের জন্য পূর্বে হ্যাচারিতে পড়ে থাকা পুরাতন ইট দিয়ে খোঁয়া তৈরি করেছে। ওই খোঁয়া দিয়ে শুক্র ও শনিবার  ছুটির দিনে সীমানা প্রাচীরের কাজে ঢালাই দেয়া হয়। সেদিন কোন প্রকৌশলীও আসেন না। মৎস্য কর্মকর্তা কাজটি তদারকির প্রধান দায়িত্বে থাকলেও তিনি কাজ তদারকি করেন না। ঠিকাদার তার ইচ্ছামত কাজ করছেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে কাজটি দেখার কেউ নেই।
ঠিকাদারের নিয়োজিত কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা মোতাসিন বিল্লাল জানান, ঠিকাদার আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলেছেন সেভাবে করছি। তবে টেষ্ট রিপোর্ট, সাইন বোর্ড এবং পুরাতন ইটের দিয়ে বেজ তৈরি করার কথা সত্যতা স্বীকার করেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রকৌশলী গৌতম কুমার জানান,তার জানামতে কাজে কোন প্রকার অনিয়ম বা দূর্নীতি হচ্ছেনা। কোন প্রকার অনিয়মের নাকি সেখানে সুযোগও নেই। তবে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন,বেজ ঢালাইয়ের সময় সাপোর্টিয়ে কিছু পুরনো খোঁয়া দেয়া হয়েছিল যা পরে উঠিয়ে নেয়া হয়।
খুলনা বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, পুরাতন ইট ব্যবহার করার কোন নিয়ম নেই। কাজে অনিয়ম থাকলে খতিয়ে দেখা হবে।
এব্যাপারে মৎস্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আলিমুজ্জামান চৌধুরী বলেন, প্রকল্পটি তার অধিভূক্ত নয়। তাই এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তার কাছে নেই।
এব্যাপারে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ’র নিকট তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুরনো ইট দিয়ে কাজ করার কোন বিধান নেই। যদি ঠিকাদার তা করে থাকেন তা হরে সে অন্যায় করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

hqdefaultমরণব্যাধি ক্যানসার। প্রতিরোধের উত্তম চিকিৎসা। শরীরের অতি দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্যানসার তৈরি হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং অনেক খাবার আবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। যেসব খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তা নিজে জানুন এবং অন্যকে জানিয়ে সচেতন করে দিন।

১. আলুর চিপস : চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো  হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই : আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময়  উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়।

৩. প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার : বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত  হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে।

৪. সফট ড্রিংকস : বাজারের কোমল পানীয়তে থাকে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম  চিনি। এটি রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. কৃত্রিম চিনি : কৃত্রিম চিনি অ্যাসপার্টের চিনির চেয়ে ১০ গুণ বেশি মিষ্টি এবং ক্যালোরি শূন্য। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই খুব জনপ্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিতভাবে কৃত্রিম চিনি খেলে ব্রেইন ক্যানসার হতে পারে।

৬. অ্যালকোহল : অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে।

৭. গ্রিল, বারবিকিউ : গ্রিল, বারবিকিউ এ ধরনের মাংসে উচ্চ তাপে হেটারোসাইক্লিক অ্যামাইন তৈরি হয়। এ থেকে ক্যানসার হতে পারে।

৮. বিষাক্ত কীটনাশক ও ক্যামিক্যাল যুক্ত ফলমূল : আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।

 ৯. খোলা বাজারের শরবত : বাজারের শরবতে থাকে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং। এগুলো জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।

১০. পুরোনো তেল : পুরোনো তেল দিয়ে বারবার খাবার রান্না করলে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরি হয়ে ডিএনএ কে ভেঙে ক্যানসার  হতে পারে।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ, সাভার, ঢাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imagesপ্রচন্ড গরমে সবাই চাইছেন ঠান্ডা কিছু খেতে। প্রাণ জুড়াতে ঠান্ডা কিছু আপনি খেতেই পারেন, তবে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে সেই খাবারটি যেন স্বাস্থ্যকর হয়। এক্ষেত্রে ঘরে তৈরি দই হতে পারে স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। চাইলে গুঁড়ো দুধ দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন মিষ্টি দই। রইলো রেসিপি-

উপকরন : গুঁড়ো দুধ – ২/৩ টেবিল চামচ, দুধ – ১ লিটার, চিনি – স্বাদমতো, পুরনো দই (টক বা মিষ্টি) – ৩ টেবিল চামচ।

প্রণালি : প্রথমে তরল দুধ ও গুঁড়ো দুধ প্যানে নিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন। বলক এলে চিনি দিয়ে দিন স্বাদ অনুযায়ী। মাঝে মাঝে চামচ দিয়ে নাড়তে হবে, নইলে দুধ পাতিলের নিচে জমা হয়ে পুড়ে যেতে পারে। দুধ হাফ লিটার হলে চুলা থেকে নামিয়ে দুধকে ঠান্ডা হতে দিন। দু্ধ পুরো ঠান্ডা হওয়ার আগে আঙ্গুল দিয়ে পরখ করে দেখুন।

কুসুম গরম থাকা অবস্থায় তাতে পুরনো দই মেশান। মেশানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ফেনা বেশি না উঠে যায়। এবার যে পাত্রে দই বানাবেন তাতে দইয়ের মিশ্রণটি ঢেলে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। মোটা টাওয়াল/কাপড় গরম করে ৮/১০ ঘন্টা দই ঢেকে রাখুন। ৮/১০ ঘন্টা পর দই জমে গেলে ফ্রিজে রাখুন। ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

channel_i_sakib-mahmudullahঅস্ট্রেলিয়াকে হারতে হবে, তার আগে বাংলাদেশকে জিততে হবে। সেই পথে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাকই সেরে রাখল বাংলাদেশ। শুক্রবার নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল টাইগাররা। মাশরাফিদের সেমিতে খেলতে এখন দুটি সমীকরণ মিললেই চলবে।

বৃষ্টি ‘এ’ গ্রুপের সমীকরণ বদলে দিয়েছে আগেই। অনেককিছুই নির্ভর করছিল ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশের ওপর। সোজা ভাষায়, বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে হারানোয় এখন হিসেবটা গুছিয়ে এসেছে। স্বাগতিকরা যদি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতে যায়, তাতে সেমিতে যাবে উদ্বোধনী ম্যাচ খেলা দুই প্রতিপক্ষ ইংলিশ ও টাইগাররাই।

শনিবার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হবে এই গ্রুপের শেষ ম্যাচে। যাতে পুরো বাংলাদেশের চোখ থাকবে ইংল্যান্ডের দিকে। অস্ট্রেলিয়ার হারই চাইবে টাইগারপ্রেমীরা। ইংল্যান্ড জিতলেই বাংলাদেশকে নিয়ে সেমিতে স্বাগতিকরা।

অন্য একটি সমীকরণও থাকছে। বৃষ্টিতে ইংলিশ-অজি ম্যাচ ভেসে গেলেও চলবে। তাতে পরিত্যক্ত ম্যাচের পর অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট হবে ৩, বাংলাদেশেরও পয়েন্ট এখন ৩। দুই দলেরই রানরেট এখন শূন্যে। তবে সেমির টিকিট পেতে রানরেটের আগে দেখা হবে কার জয় বেশি। সে হিসেবে বাংলাদেশই চলে যাবে সেমিতে। কারণ অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের বিপক্ষে বৃষ্টিতে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে, তাদের জয় নেই এখন অবধি।

বাংলাদেশের নিভু-নিভু সম্ভাবনার প্রদীপটা এখন সমীকরণের বেড়াজালে এভাবেই দপ করে জ্বলে উঠেছে। এখন সমীকরণগুলো মিললেই হয়। তাতে প্রথমবারের মত কোন বৈশ্বিক আসরের সেমিতে যাওয়ার গৌরবে ভাসবে লাল-সবুজরা।

অন্যদিকে কিউইদের এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর শেষ হয়ে গেল এক পরিত্যক্ত ম্যাচ ও দুই হারে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
nhx9j8_4

                             ফাইল ছবি

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর টেলিফোনে জয়ের দুই নায়ক সেঞ্চুরিয়ান সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কার্ডিফে ম্যাচ শেষে সাকিব-মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় তাদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘লড়াই করে জেতার আনন্দই আলাদা। লড়াইয়ের এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। ইনশাল্লাহ জয় আসবেই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

pgIDQD_6আইসিসি একদিনের ক্রিকেট র‍্যাংকিংয়ে আবারো ছয় নম্বর অবস্থানে এসেছে বাংলাদেশ। গতকাল (৯ই জুন) নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সাত থেকে ছয় নম্বরে উঠে আসে বাংলাদেশ।

কার্ডিফে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৬৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৩৩ রানেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অবিশ্বাস্য ২২৪ রানের জুটি টাইগারদের ৫ উইকেটের জয় এনে দেয়।

ঐতিহাসিক এই জয়ের ফলে ৩ রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে বাংলাদেশের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচ শুরুর আগে টাইগারদের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৯২, অবস্থান ছিল সাত নম্বরে। অন্যদিকে এর আগে ভারতকে হারিয়ে ৯৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বর অবস্থানে ছিল শ্রীলংকা।

এক নজরে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাংকিং-

১। দক্ষিণ আফ্রিকা- ১২০ রেটিং পয়েন্ট

২। অস্ট্রেলিয়া- ১১৮ রেটিং পয়েন্ট

৩। ভারত- ১১৬ রেটিং পয়েন্ট

৪। ইংল্যান্ড- ১১৩ রেটিং পয়েন্ট

৫। নিউজিল্যান্ড- ১১১ রেটিং পয়েন্ট

৬। বাংলাদেশ- ৯৫ রেটিং পয়েন্ট

৭। শ্রীলংকা- ৯৪

৮। পাকিস্তান- ৯০

৯। ওয়েস্ট ইন্ডিজ- ৭৯

১০। আফগানিস্তান- ৫২

১১। জিম্বাবুয়ে- ৪৬

১২। আয়ারল্যান্ড- ৪১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

QX8NFu_5সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, নিজেদের থেকে ছোট বয়সের ছেলেদের বিয়ে করে খুশি হন বেশির ভাগ ভারতীয় মেয়ে। শুধু তাই নয় বিয়ের পর মানিয়ে চলতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন মেয়েরাই। বিয়ের পাত্র-পাত্রী বিজ্ঞাপনের সোশ্যাল সাইট ভারত মেট্রিমনিতে সমীক্ষা চালিয়ে যে তথ্যগুলি জানা যায় সে গুলি হল-

 

১) নিজের থেকে বয়েসে ছোট পাত্রের সঙ্গে বিয়ে করে খুশি হয়েছেন ৯৭ শতাংশ মহিলা

২) মায়ের আঁচলের তলায় থাকা পাত্রের সঙ্গে বিয়ে করেও কোনও সমস্যা হয়নি ৮০ শতাংশ মহিলার। তার মানে এই নয় যে তাদের জীবনের স্বাধীনতা অভাব।

৩) যৌথ পরিবারে বিয়ে করে খুশি রয়েছেন ৯৫ শতাংশ মহিলা। এদের মধ্যে রয়েছেন ৬০ শতাংশ মহিলা এবং ৩৫ শতাংশ পুরুষ।

৪) মহিলাদের স্বামীরা ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ঘর গুছিয়ে রাখতে ভালোবাসেন প্রায় ৯০ শতাংশ মহিলা।

৫) ধৈর্যের অভাব এবং একঘেয়েমিতার জন্যই পুরুষেরা মহিলাদের সঙ্গে শপিং করতে যেতে পছন্দ করেন না।

৬) জীবনসঙ্গী খোঁজার জন্য তাদের পরস্পরের জীবনধারন এবং বোঝাপড়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৭) আবার ৮৫ শতাংশ মহিলা নিজের শহরের কাছে জীবনসঙ্গী বাছার চেষ্টা করেন। যাতে বিয়ের পর নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গেও সময় কাটাতে পারেন।

মেট্রিমনির এক আধিকারিক কৌশিক তিয়ারি জানিয়েছেন, তাঁদের এই সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের উদ্দেশ্য ছিল একটি মেয়ে বিয়ে করতে আসেন তখন তাঁদের কি কল্পনা করে আসেন। কিন্তু এই প্রচারের ফল দেখে তাঁরা অভাবনিয় ফল পেয়েছেন। এই সমীক্ষা মহিলা এবং পুরুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গাঢ় হয়েছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest