
গাজী আল ইমরান : রক্ত দিয়ে মায়ের ভাষার অধিকার আদায়ের মাস ফেব্রুয়ারি । ১৯৪৭ সালে দ্বি-জাতি তত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্মের পর থেকেই বঞ্চিতও শোষিত পূর্ব-পাকিস্তানের জনগোষ্ঠী নিজের ভাষায় কথা বলার জন্য ১৯৪৭ সাল থেকে যে সংগ্রাম শুরু করে তা বিভিন্ন চড়াই উতরাই পেরিয়ে চূড়ান্ত রুপ লাভ করেছিল ১৯৫২ এর ২১ শে ফেব্রুয়ারি । অমর একুশের প্রথম প্রহরে ফুলে ফুলে ভরে যায় শ্যামনগর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার। রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান সাংসদ এস, এম জগলুল হায়দারের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উজেলা পরিষদের পক্ষে এস,এম মহসিন উল মুলক উপজেলা চেয়ারম্যান ( ভারপ্রাপ্ত ), উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলমসহ কর্মকর্তাবৃন্দ। পরে উপজেলা আওয়ায়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস, এম আতাউল হক দোলন। এর পর পর্যায়ক্রমে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষে দেবী রঞ্জন মন্ডল ও মুক্তিযোদ্ধাগণ, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল আজাদ নিপুনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ ও বাংলাদেশ আওয়মীলীগের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনসমূহ, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ, উপজেলা জাতীয় পার্টির পক্ষে সচিব এ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বি.এন.পি, সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিম, বেসরকারি গবেষণা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বারসিক, প্রতিবন্ধি কল্যান সমিতি, বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি ও সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে এবং সর্বস্থরের জনতা শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।পুষ্প অর্পণ শেষে শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্ব মাওলানা মোহাদ্দেস মুফতি আব্দুল খালেক। মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন স্কুল কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রভাতফেরিসহ খালি পায়ে শহিদ মিনারে গিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে।

সেলিম হায়দার: সাতক্ষীরার তালা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভাষা শহিদদের প্রতি অকৃত্রিম ভালভাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস তথা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিবসটি পালনে গৃহিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল- একুশের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে তালা উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটার সখিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানীয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল মজিদের স্ত্রী ফিরোজা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় মরহুমের নিজস্ব বাসভবনে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মরহুমার সখিপুর আহ্ছানীয়া মহিলা মিশনের আমরণ সভানেত্রী ফিরোজা বেগমের জানাযার নামাজে উপস্থিত ছিলেন পাক নলতা শরীফের খাদেম মৌলভী আলহাজ্ব আনছার আলী, কেন্দ্রীয় মিশনের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মুনসুর আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, কেন্দ্রীয় মিশনের কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান, আলহাজ্ব চৌধুরী আমজাদ হোসেন, মালেকুজ্জামান, আলহাজ্ব আবুল ফজল, ডাঃ আকবর আলী, আলহাজ্ব এনামুল হক, অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ, নলতা রেসিঃ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল আহম্মেদ, আনছার আলী, আনোয়ারুল হক, আলহাজ্ব ইউনুস আলী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, হাফেজ সামসুল হুদা, হাফেজ হাবিবুর রহমান, ঢাকা আহ্ছানীয়া মিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর মরহুমার পুত্র ইকবল মাসুদ, আইডিয়ালের পরিচালক ডাঃ নজরুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু, সাবেক সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সরদার আমজাদ হোসেন, মাঘরী মিশনের সাধারণ সম্পাদক মহসিন হালদার, সহ-সম্পাদক আবু তৈয়ব খান, সখিপুর মিশনের সভাপতি আলহাজ্ব সালামাতুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আবু তালেব, নলতা শরীফ প্রেসক্লাবের সভাপতি মনিরুজ্জামান মহসিন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দরা, ইউপি সদস্যরা, বিভিন্ন শাখা মিশনের নের্তৃবৃন্দ এবং সর্বস্থরের সাধারণ মানুষ। জানাযার নামাজ পরিচালনা করেন নলতা শরীফ জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব আবু সাঈদ রংপুরী।
সখিপুর(দেবহাটা) প্রতিনিধি: সারাদেশের ন্যায় দেবহাটার সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মহান ভাষা শহীদ দিবস একুশে ফেব্রুয়ারী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিদ্যালয়ের আয়োজনে শহীদ মিনারে পুষ্পমালা অর্পণ, র্যালী, আলোচনা সভা, কবিতা ও রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ তহিরুজ্জামানের সভাপতিত্ব প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়েল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোনাজাত আলী, ইউপি সদস্য জগন্নাথ মন্ডল, নির্মল কুমার মন্ডল, আলফাতুন নেছা, মনিরুল ইসলাম, দক্ষিণ সখিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েল প্রধান শিক্ষক খায়রুল ইসলাম প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন শিক্ষক প্রদীপ কুমার।
আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার মাছখোলায় আব্দুল মাজেদ নামে এক ব্যক্তি নিজ ট্রলিতে চাপা পড়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শোকাহত ওই ট্রলি চালকের চাচা স্কুল শিক্ষক আতাউর রহমানও স্ট্র্রোকে (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ) মৃত্যুবরণ করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার মাছখোলা গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
মোস্তাফিজুর রহমান এবং রুবেল হোসেনকে নিয়েই শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ দেশ ছাড়বেন টাইগাররা। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কা সফরের দুই টেস্টের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন নির্বাচকরা।
আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রাম রক্ষা সড়ক কেটে জমি পরিণত করা হচ্ছে। উপজেলার কাদাকাটি গ্রামেন কুদ্দুস সরদারের পুত্র আজিবার সরদার কাদাকাটি গ্রামরক্ষা বাধ কেটে জমিতে পরিনত করছে। সরেজমিন ঘুরে বা এলাকাবাসি সুত্রে জানা যায় ২০১০ সালে এনজ্ওি কর্তৃক কাদাকাটি এলাকার বন্যা প্রতিরোধ বাধ বা সড়ক নামে পরিচিত। কাদাকাটি সহ কাদাকাটি ইউনিয়নের ভয়াবহ বন্যার কারনে কাদাকাটি এলাকার প্লাবন বা বন্যা রক্ষার জন্য। এই বাধ বা সড়ক দেওয়া হয় প্রায় ৫ কিলো মিটার দৈর্ঘ্য। সেই থেকে এই এলাকার সাধারণ মানুষ বন্যার বা প্লাবন হাত থেকে রক্ষা পায়। কিন্তু কিছু মানুষ তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সেই বাধ বা সড়ক কেটে জমিতে পরিনত করছেন। এই ব্যাপারে কাদাকাটি গ্রামের তুহিনউল্লাহ তুহিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কাদাকাটি এই সড়কটি এত গুরুত্বপুর্ণ যে বৃষ্টি মৌসুমে উপারে পানির ঢল যখন নেমে আসে। তখন কাদাকাটি গ্রাম সহ কাদাকাটি ইউনিয়নের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়। যার কারনে হাজার হাজার মানুষ বাড়ি ছাড়া হয়। এলাকা তলানো থাকে এবং চিংড়ী ঘের জমির ফসল ভেসে যায়। এ্ সড়ক করার কারনে এলাকার হাজার হাজার মানুষ প্লাবন ও বন্যার হাত থেকে রক্ষা পায়। এব্যাপরে কাদাকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দিপাংকার সরকারের সংগে কথা হলে তিনি বলেন, আমি সকালে ব্যবস্থা নিচ্ছি, এব্যাপরে কাদাকাটি ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার একুব আলি বেগ বলেন সড়কটি প্রকৃতিপক্ষে এলাকার মানুষের উপকারের জন্য করা হয়েছে। কিছু স্বার্থ পর ব্যাক্তি নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সড়কটি কেটে জমিতে পরিনত করছে,আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। বিষয়টি এলাকার সচেতন মহল প্রসাশনের সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধেতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।