ePz4Yg_follআমরা শুনে আসছি ফল খাওয়ার পর পানি খেতে নেই। এমন কথাটাই আমরা ছোটবেলা থেকে মায়েদের বড়দের মুখে এই কথাটা শুনে বড় হয়েছি। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলে সব ফল নয় কিছু কিছু ফল খাওয়ার পর পানি খাওয়া উচিত নয়। আসুন জেনে নিন এর পিছনের বৈজ্ঞানিক কারণ সমূহ।

কলম্বিয়া এশিয়া, গাজিয়াবাদের নিউট্রিশনিস্ট অদিতি শর্মা জানালেন, যে সব ফলে জলের পরিমাণ বেশি, অর্থাৎ জলীয় ফলের সঙ্গে বা খাওয়ার ঠিক পরেই পানি খাওয়া উচিত নয়। যেমন তরমুজ, ফুটি, খরমুজ, শশা, কমলালেবু, কাকড়ি, আনারস, বাতাবি লেবু বা স্ট্রবেরির মতো ফল খেলে তার পর পানি খাওয়া উচিত নয়।

পিএইচ মাত্রা
হজমের জন্য শরীরের নির্দিষ্ট পিএইচ মাত্রার প্রয়োজন। যে সব খাবারে পানি রয়েছে তার সঙ্গে যদি আবার পানি খাওয়া হয় তা হলে পিএইচ মাত্রা কমে যায়। ফলে তা হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। ফাইবার ও পানি থাকার কারণে পেঁপে বা ফুটি জাতীয় ফল খালি পেটে খেতে বারণ করা হয়। কারণ এর ফলে পিএইচ মাত্রা কমে যেতে পারে। দিল্লির শালিমার বাগ ফর্টিস হাসপাতালের নিউট্রিশনিস্ট সিমরন সাইনি জানাচ্ছেন, খালি পেটে এই সব ফল খেলে তা পৌষ্টিকতন্ত্রে পৌঁছনোর আগেই খাদ্যনালীতেই পরিপাক শুরু হয়ে যায়। এর পর পানি খেলে শরীরের পিএইচ মাত্রা কমিয়ে দিয়ে তা হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। এতে খাবার হজম না হওয়ায় শরীরে পুষ্টির জোগান দেওয়ার বদলে তা টক্সিনে পরিণত হয়।

ডায়েরিয়া
শশা বা তরমুজ যদি সঠিক নিয়ম মেনে খাওয়া হয় তা হলে তা হজমে সাহায্য করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে এই সব ফল মলত্যাগে সাহায্য করে। যদি এই সব ফলের সঙ্গে পানি খাওয়া হয় তা হলে সেই প্রক্রিয়া অতি সক্রিয় হয়ে গিয়ে ডায়েরিয়া হয়ে যেতে পারে।

টিপস
অদিতি জানাচ্ছেন, বিপদ এড়াতে কোনও খাবারের সঙ্গেই পানি না খাওয়া ভাল। পানি উত্‌সেচক পাতলা করে দিয়ে হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। তাই খাওয়ার ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর পানি খাওয়াই ভাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494473130ভারতের রাজস্থান রাজ্যের ভরতপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে প্রচণ্ড ঝড়ে দেয়াল ধসে পড়ে ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৮ জন।

গতকাল বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে ১১ পুরুষ, সাত নারী ও চার শিশু রয়েছে বলে রাজস্থানের পুলিশ সুপার অনিল তাঙ্ক জানিয়েছেন। তিনি জানান, দেয়ালটি ৯০ ফুটের মতো লম্বা এবং ১২ থেকে ১৩ ফুট উঁচু ছিল।

পুলিশ বলছে, ভরতপুর জেলায় গতকাল বুধবার রাতে একটি বাড়ির ‘ওয়েডিং হলে’ অনুষ্ঠান চলছিল। সেই সময় ওই অঞ্চলে প্রচণ্ড ঝড় শুরু হয়। এ সময় বিয়ের অনুষ্ঠানের লোকজন ওই দেয়ালসংলগ্ন একটি ছাউনির নিচে আশ্রয় নেন। কিন্তু হঠাৎ করেই দেয়ালটি ধসে পড়ে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক অলক বশিষ্ঠ পিটিআইকে বলেন, দেয়ালের সামনের অংশ ও ছাউনি ধসে পড়ে লোকজন আটকা পড়েন।

দেয়াল ধসে নিহতের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি আহতদের সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজশাহীতে জঙ্গি আস্তানায় নিহত ৬, দুই শিশু উদ্ধার

fdae48407248cd7bf84ae47db4e13341-5913fd4e00f31রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের বেণীপুর গ্রামে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বাড়ির ভেতরে পাঁচ জন আত্মঘাতী হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বিস্ফোরণের সময় আহত ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আবদুল মতিন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন। গোদাগাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিফজুর আলম মুন্সী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।নিহত আবদুল মতিনের বাড়ি গোদাগাড়ির মাটিকাটা ইউনিয়নেই।

জঙ্গিদের ঘটানো বিস্ফোরণে পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। ওই বাড়ি থেকে দুটি শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে জনসাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১১ মে) ভোর থেকে ওই বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে। সকাল পৌনে ৮টার দিকে ওই আস্তানায় শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।

ওসি বলেন, ‘ভোর থেকেই ওই বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ওই বাড়ির ভেতর থেকে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এতে আমাদের দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’জানা গেছে, রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার বেণীপুর গ্রামে জঙ্গি আস্তানায় নিহত পাঁচ জনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। তারা হলেন সাজ্জাদ, তার স্ত্রী বিলি, ছেলে আল আমিন, ও মেয়ে কারিমা। এছাড়া সোহেল নামে এক জঙ্গি নিহত হয়েছে। এছাড়া দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। গোদাগাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিফজুর আলম মুন্সী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জঙ্গি আস্তানা থেকে দুটি শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হলো জুবায়ের (৫) ও দেড় মাসের শিশু আফিয়া। তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালানোর পর সুমাইয়া নামে এক নারী আত্মসমর্পণ করেছে। শিশুদুটিf07565d7cdae99dc4b1bd366f6cba615-5913e1a156863 তারই বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুমাইয়া অনেকক্ষণ নিহত জঙ্গিদের লাশের পাশে বসে ছিল। তাকে পুলিশ আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালেও  প্রথমে সাড়া মেলেনি। তবে সে শিশু জুবায়েরের কোলে অপর শিশুকে দিয়ে বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে দেয়।

গোদাগাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিফজুর আলম মুন্সী জানান, বৃহস্পতিবার (১১ মে) ভোর থেকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বেণীপুর গ্রামে ওই বাড়িটি ঘিরে রাখে পুলিশ। সকাল পৌনে ৮টার দিকে ওই আস্তানায় শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বাড়ির ভেতরে পাঁচ জঙ্গি আত্মঘাতী হয়। এ সময় বিস্ফোরণে আহত  ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আবদুল মতিন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। এছাড়া বিস্ফোরণে আহত দুই পুলিশকে রাজশাহী মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।

ধানক্ষেতের মাঝখানে টিনের ওই বাড়িটির আশপাশের আর কোনও ঘরবাড়ি নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1491813338640আশাশুনি ব্যুরো : মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই আশাশুনির বিভিন্ন ইউনিয়নে শুরু হয়েছে পানির সংকট। সংশ্লি¬ষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রয়োজনের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত, নদীর নাব্যতা হ্রাস ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
নানা কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজনের তুলনায় কম বৃষ্টি, নদীর নাব্যতা হ্রাস, নদীর উৎস মুখ বাধাগ্রস্ত হওয়া ও ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের তুলনায় স্তরে পানি না জমা অন্যতম। এর ফলে বিভিন্ন উৎপাদক নলকূপ সমূহের পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। এছাড়া এর প্রভাব পড়ছে টিউবওয়েলের ওপর। এ কারণে টিউবওয়েল থেকেও মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পাচ্ছে।
আশাশুনিতে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলায় গ্রামের পর গ্রাম মিলছে না পানের উপযোগী পানি। তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে পানির সংকট। উপজেলা সদরে রয়েছে সুপেয় পানির সংকট। উপজেলার অধিকাংশ জায়গায় পানির স্তর নিচে নামতে শুরু করেছে। ফলে নলকূপে পানি উঠানো কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ অনুপযোগী পানি পান করে আক্রান্ত হচ্ছে জটিল ও কঠিন রোগে। উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার পরিবারের লোক সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ। এর মধ্যে ৯০ ভাগ মানুষ সুপেয় পানি পান থেকে বঞ্চিত।
আশাশুনির পানিকে স্থান বিশেষ শূন্য দশমিক ৫ থেকে শূন্য দশমিক ৯ মিলি লিটার কেলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া রয়েছে পরিসংখ্যান অনুযায়ী আশাশুনি উপজেলায় পানি শুধু পান অনুপযোগী নয় ব্যবহার অনুপযোগী রয়েছে। আশাশুনি উপজেলার খাল বিল, হাওড়, পুকুর, সর্বত্র লোনা পানি তুলে অপরিকল্পিকত ভাবে চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে।।এতে সমগ্র এলাকায় পানি, মাটি, এবং পরিবেশ হয়ে পড়ছে দূষিত। ফলে আশাশুনির মানুষ মাইলের পর মাইল পেরিয়ে পানি সংগ্রহ করছে। সুন্দরবন সংলগ্ন গ্রামগুলোর অবস্থা আরো করুণ। তথ্যানুযায়ী, আশাশুনির গভীর নলকূপের ক্ষেত্রে নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত পানির স্তর দ্রুত নামতে থাকে। ফলে অধিকাংশ পানি নলকূপ দিয়ে উঠে না। এ কারণে উপজেলার অধিকাংশ মানুষ পান করতে বাধ্য হয় অনুপযোগী পানি। পানিতে স্বাভাবিক লবণাক্ততার ১ থেকে ৩ হাজার মিলোসিস সেন্টিমিটার। বাংলাদেশের প্রতি ১০০ মিলিমিটার পানিতে সর্বোচ্চ  চারটি কেলিফার্ম ব্যাকটেরিয়া গ্রহণযোগ্য। জেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের রিপোর্ট অনুযায়ী উপজেলার ৯০ ভাগ নলকূপের পানিতে গ্রহণ যোগ্যতা মাত্রার চেয়ে অধিক আর্সেনিকের উপস্থিতি রয়েছে আশাশুনির দক্ষিণ অঞ্চলের অবস্থা আরও খারাপ।
আশাশুনি উপজেলার মানুষের পক্ষে সম্ভব হয়না গাঁটের টাকা খরচ করে সুপেয় পানি সংগ্রহ করা। অথচ আশাশুনির যে দিকে চোখ যায় পানি আর পানি, অফুরান্ত পানি। তবে তা ব্যবহার অনুপোযোগী, অপেয় লবণাক্ততা। আশাশুনির প্রতাপনগর, খাজরা, শ্রীউলা ,অনুলিয়া, শোভনালি, কাদাকাটি, বড়দল এলাকার অধিকাংশ লোকের পানি সংগ্রহ করতে হয় ১০ হতে ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে। এরা সপ্তাহে  দুই দিন কলস কিংবা জারিক্যানে ভরে পানি সংগ্রহ করে থাকে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অফিস সূত্রে জানা যায় মতে মাত্রারিক্ত আর্সেনিক,আয়রন,লবনাক্ততা এবং ব্যকটেরিয়া যুক্ত পানি পান করলে হৃদরোগ, যৃকত রোগ, ডায়রিয়া, আমাশয়, চর্মারোগসহ বিভিন্ন কঠিন ও জটিল রোগ হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

a4a3eee0bccc1cefeef089282bf4704e-59131831f05bbত্বকের যত্নে গ্লিসারিনের ব্যবহারের কথা আমরা কমবেশি সবাই জানি। তবে চুলের যত্নেও এটি অনন্য- সেকথা জানা নেই অনেকেরই। মাসে একবার গ্লিসারিনের হেয়ারপ্যাক ব্যবহার করলে খুশকি দূর হওয়ার পাশাপাশি চুল হয় উজ্জ্বল ও সুন্দর। চুলের বৃদ্ধি বাড়াতেও এটি অনন্য।

জেনে নিন চুলচর্চায় গ্লিসারিনের ব্যবহার-

  • ১ চা চামচ গ্লিসারিনের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে মাথার তালু ও চুলে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের রুক্ষতা দূর করবে।
  • ২ টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে ১ চা চামচ গ্লিসারিন মেশান। মিশ্রণটি মাথার তালুতে লাগিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুল ঝলমলে করবে।
  • আপেল সিডার ভিনেগার ও গ্লিসারিন সমপরিমাণ মিশিয়ে চুল ধুয়ে নিন। মাসে একবার এটি ব্যবহার করলে খুশকি দূর হবে।
  • দুধে ১ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে চুলে লাগান। কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের জৌলুস বাড়াবে।
  • চুল পড়া কমাতে ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান। কিছুক্ষণ পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।
  • নারিকেল তেলের সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়ে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। এটি চুলের বৃদ্ধি বাড়াবে।

তথ্য: বোল্ডস্কাই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bdtype-3সিলেটের জৈন্তাপুরের একটি গ্রামে মা, মেয়ে ও খালাকে প্রলোভন দেখিয়ে ছয় মাস ধরে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে তা প্রচারের ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ বুধবার (১০ মে) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে নিমার আহমদ নামের যুবককে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কোনও মামলা হয়নি। জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিউল কবির গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃত নিমার আহমদ (২৮) একই গ্রামের কালাই মিয়ার ছেলে বাসিন্দা।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া জৈন্তাপুর থানার ওসি সফিউল কবির জানান, দরবস্ত ইউনিয়নের একটি গ্রামের মা, মেয়ে ও খালাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে আসছে  নিমার আহমদ। তাদের মধ্যে সম্প্রতি বিরোধ দেখা দিলে নিমার ধর্ষণের সময় ধারণকরা ভিডিওগুলো বাজারসহ বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে ছড়াতে থাকে। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে গোপনসংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নিমারকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। গ্রেফতারকৃত নিমার আহমদকে থানায় রাখা হয়েছে।

পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, নিমার ভিডিও ধারণ করার পর ৬মাস ধরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মা, মেয়ে ও খালাকে ধর্ষণ করে আসছে। নির্যাতিত পরিবার সামাজিক নিরাপত্তার কারণে মুখ খুলতে রাজি হয়নি। পুলিশ নিমারের ধারণকরা ধর্ষণের কয়েকটি ভিডিও মামলার আলামত হিসেবে সংগ্রহ করে রেখেছে। মামলা হওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

c12b3779842a39ca1468060ec6f19e08-591337fa551bfঅপহরণের ২৪ দিন পর উদ্ধার হওয়া পাঁচ বছরের শিশু সুমাইয়ার লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এ জন্য  এককালীন একলাখ টাকা ও প্রতিমাসে পাঁচ হাজার টাকা করে দুমাসের পড়ার খরচ বাবদ নগদ আরও ১০ হাজার টাকা তিনি সুমাইয়ার বাবার হাতে তুলে দেন।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে বাণিজ্যমন্ত্রীর  বাসভবনে আয়োজিত এক  অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সুমাইয়ার বাবা জাকির হোসেনের হাতে তিনি নগদ একলাখ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন। এ সময় পুলিশের লালবাগ জোনের ডিসি মো. ইব্রাহিম হোসেন খান ও কামরাঙ্গী চর থানার ওসি মো. শাহীন ফকির উপস্থিত ছিলেন।

সুমাইয়ার বাবা বেকার থাকায় বাণিজমন্ত্রী টঙ্গীতে একটি বেসরকারি কারখানায় তার জন্য মাসিক ২০ হাজার টাকা বেতনে একটি চাকরির ব্যবস্থা করে দেন।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সুমাইয়ার বাবা জাকির হোসেন লেখাপড়া মোটেই জানেন না। ’ নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সুমাইয়ার অপহরণের সংবাদ কানে আসার পর  থেকেই তার বয়সী আমার নাতনির মুখটি বার বার ভেসে উঠেছিল।  আমি প্রতি মুহূর্তে আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছি, যাতে সুমাইয়াকে তার মা-বাবা ফিরে পান। সেভাবে আমি পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি। সুমাইয়াকে তার বাবা-মা ফেরত পেয়েছেন, আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া  আদায় করছি ।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আজ  (বুধবার) থেকে সুমাইয়ার পড়াশোনার দায়িত্ব আমি নিলাম। এ জন্য তাকে প্রতিমাসে পাঁচ হাজার টাকা দেবো। আজ  তার পিতা মাতার হাতে নগদ এক লাখ ১০ হাজার টাকা দিলাম।’

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী সুমাইয়াকে নতুন জামা, খেলনা, পুতুল ও চকলেট উপহার দেন।

উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল রাজধানীর কামরাঙ্গীর চর এলাকা থেকে অপহৃত হয়েছিল শিশু সুমাইয়া। পরবর্তীতে পুলিশের অভিযানে ২৬ এপ্রিল উদ্ধার করা হয় তাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e6199cb9ebc50ab4f3b150f2f5732730-591318033b7dcইংল্যান্ডের কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার মিশনে দারুণ করেছে বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজের দুইদিন আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে ১৯৯ রানের বিশাল জয় পেয়েছে মাশরাফি মুর্তজার দল। বেলফাস্টের স্টরমন্ট ক্রিকেট মাঠে আয়ারল্যান্ড উলভসের বিপক্ষে ৭ উইকেটে ৩৯৪ রান করেছিল তারা। এরপর ৪১.২ ওভারে স্বাগতিক দলকে ১৯৫ রানে গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশের বোলাররা।

সাব্বির রহমানের শতকের সঙ্গে তামিম ইকবালের হাফসেঞ্চুরি বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডকে শক্তিশালী করার অগ্রপথিক ছিল। তাদের দেখানো পথে মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিমের ঝোড়ো জুটিতে চারশ ছুঁইছুঁই স্কোর করে সফরকারীরা। প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য দেওয়ার পর বল হাতে মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, মাশরাফি ও সাকিব আল হাসান অবদান রাখেন।

আইরিশ দলটির মুখোমুখি হওয়ার আগে ইংল্যান্ডে ডিউক অব নরফোক একাদশ ও সাসেক্স একাদশের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। সেখানে দুই ইনিংসেই তিনশর উপর রান তোলে তারা। প্রথম ম্যাচে ৩৪৫ রান করার পর বৃষ্টির কারণে ফিল্ডিং করতে পারেনি বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে সাসেক্সকে ৩১৫ রানের টার্গেট দিয়ে ১৩৪ রানে জিতেছিল তারা।

শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে বেলফাস্টের স্টরমন্ট ক্রিকেট মাঠে বুধবার টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারকে নিয়ে তামিম ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেন। কিন্তু উপযুক্ত সঙ্গ পাননি তিনি। দলীয় ৪৪ রানে ক্রেইগ ইয়ংয়ের বলে টাইরন কেনের হাতে ক্যাচ দেন সৌম্য (১৭)।

এরপর তামিমের সঙ্গে ক্রিজে থিঁতু হয়ে যান সাব্বির। দুজনে শতাধিক রানের জুটি গড়েন। এর আগে ৪৯ বলে ১১ চারে ৫০ রান পূর্ণ করেন তামিম। আগের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ না খেলা এ ওপেনার অবশ্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৭৫ বলে ৮৭ রানে আউট হন তিনি। এন্ডি ম্যাকব্রিনের বলে ইয়ংয়ের হাতে ধরা পড়েন তিনি, ১৪ চার ও ২ ছয়ে সাজানো তার ইনিংস। সাব্বিরের সঙ্গে ১০৩ রানের জুটি গড়েন তিনি।

৪৯ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি করা সাব্বির সেঞ্চুরি করেন ৮২ বলে। ১৬ চার ও ১ ছয়ে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান সাব্বির। আরও চার বল খেলে কোনও রান যোগ না করে রিটায়ার্ড আউট হন তিনি। মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে সাব্বির অর্ধশতাধিক রানের জুটি গড়েন ৩৮ বলে। ২৭ বলে ৩১ রান করেন মোসাদ্দেক। সাকিব আল হাসানও করেছেন ঝোড়ো ব্যাটিং, ২৭ বলে করেন ৪৪ রান।

শেষদিকে ঝড় তোলেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ। মাত্র ৪৮ বলে ৯১ রানের জুটি গড়ে টেস্ট অধিনায়ক আউট হন। ৪৮ ওভারে দলের ৩৭৬ রানে মুশফিক ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হয়ে সাজঘরে ফেরেন। ২৪ বলে ৪১ রান করে ৪৭তম ওভারে তার ইনিংস শেষ হয়।

মাহমুদউল্লাহ ৩১ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে ৪৯ রানে আউট হন। মাশরাফি মুর্তজা ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

৩৯৫ রানের বিশাল লক্ষ্যে নেমে শুরুটা শ্লথ ছিল আইরিশদের। ১০ ওভারে ৫১ রান করার পর রুবেলের টানা ওভারে ২ উইকেট হারায় তারা। ওপেনার জ্যাক টেকটরের (৬০) ফিফটিতে ৪০ ওভার শেষে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়ে গেছে উলভস। কিন্তু সাকিব ও মুস্তাফিজ তাদের এক ওভারে ২টি করে উইকেট নিয়ে তাদের প্রতিরোধ ভেঙে দেন।

১৭৭ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানো উলভস তাদের শেষ চার উইকেট হারায় ২ রানের ব্যবধানে। ১৯৩ থেকে ১৯৫ রানের মধ্যে সাকিব-মুস্তাফিজ জোড়া আঘাত হেনে বাংলাদেশের বিশাল জয় নিশ্চিত করেন।

সাকিব ও মুস্তাফিজের সমান ২টি করে উইকেট পান রুবেল ও মাশরাফি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest