সর্বশেষ সংবাদ-
কোন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না – ওসি জাহাঙ্গীর আরিফপ্রাণ সায়র খাল ধারে সাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরামের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিকলারোয়ায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ: বিয়ের দাবিতে তরুণীর অনশনদেবহাটার খলিশাখালীর চরে সুপেয় পানির সংকট : ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনের দাবিসি.আর দত্ত এর ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী এবং রঞ্জন কর্মকারের মৃত্যুতে স্মরণসভাজিএম নূর ইসলাম -দৃঢচেতা এক সফল মানুষ্বিশ^জিৎ সাধুর ভোগ দখলীয় সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের বিবৃতিদৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নুর ইসলামের মৃত্যুতে জেলা জাতীয় পার্টির শোকদেবহাটায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মৎস্য ব্যবসায়ী নিহত, বাস আটকনেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ : শত শত মানুষ এখনো নিখোঁজ

b38cc5a2a09e4f8f4d51d731f5744af2-583732483b85dহেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী বলেছেন, গত ২৫ মে মধ্যরাতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণের মাত্র দুই দিনের মাথায় গতকাল দিবাগত রাতে সুপ্রিমকোর্ট অ্যানেক্স ভবনের সামনে পুনঃস্থাপন করা অত্যন্ত হতাশাজনক। রবিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। এই ঘটনায় তিনি মর্মাহত জানিয়ে বিবৃতিতে বলেছেন, আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক জেতনার পরিপন্থী এই বিদেশি ভাস্কর্যকে বাংলাদেশের কোথাও স্থান দেওয়া যাবে না।

শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘থেমিস দেবীর ভাস্কর্য অপসারিত হয়েছে জেনে অসুস্থ শরীরেও আনন্দ পেয়েছিলাম। দেশবাসীর সঙ্গে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছিলাম। কিন্তু মাত্র দু’দিনের মাথায় যখন দেশবাসী পবিত্র রমজানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছিল, প্রথম রোজার তারাবিহ আদায় করে প্রশান্ত চিত্তে ঘরে ফিরেছিল, তখনই এমন সংবাদে সমগ্র দেশবাসীর সঙ্গে আমরা বিস্মিত হতবাক এবং বাকরুদ্ধ।’

বিবৃতিতে আহমদ শফী আরও বলেন, ‘আমরা বারে বারে বলেছি, ইসলামে ইনসাফ বা ন্যায়ের ধারণা একটি মৌলিক ধারণা বা গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এমনকি ইনসাফ কায়েম ছিল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষিত লক্ষ্য। সেই ন্যায়ের বা ইনসাফের কোনও প্রতীকায়ন যদি গ্রিক ঐতিহ্য থেকে ধার করা হয়, তবে প্রকারান্তরে এটাই ধরে নেওয়া হয় যে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্যে ও ধর্মে ন্যায়ের কোনও ধারণা বা অবস্থান ছিল না। এটা উপনিবেশিক ভাবাদর্শ।

হেফাজত আমির বলেন, ‘আমরা আগেই জানিয়েছিলাম, গ্রিক দেবী থেমিসের এই প্রতীককে চিরতরে পরিত্যাগ করতে হবে। এই ভাস্কর্য; যা জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্থাপিত হয়েছিল, তাকে বাংলাদেশের কোথাও স্থান দেওয়া যাবে না। কিন্তু, আমাদের সব আবেদন নিবেদন এবং শান্তিপূর্ণ দীর্ঘ আন্দোলনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে থেমিসের পুনঃস্থাপন এটাই প্রমাণ করে, এদেশের মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষাকে সরকার বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিচ্ছে না।’

বিবৃতিতে শাহ আহমদ শফী বলেন, ‘থেমিস সুপ্রিম কোর্টের সামনে থাকবে, নাকি পেছনে থাকবে—এইটা কোনও ইস্যু কখনও ছিল না। নামাজের সময় কালো কাপড়ে মুড়ে দেওয়া হবে কি হবে না—এইটাও ইস্যু ছিলো না। ইস্যু ছিল, থেমিস থাকবে কি থাকবে না। এইখানে মধ্যপন্থা নেওয়ার কোনও সুযোগ নাই।

হেফাজত আমির বলেন, আমরা আমাদের ঈমান ও আক্বিদার জমিনে দাঁড়িয়ে এই উপনিবেশিক ভাবাদর্শের বিরুদ্ধেই বলেছি, অথচ সেক্যুলার মিডিয়া আমাদের যুক্তি বার বার উপেক্ষা করেছে। আমাদের এই যুক্তির কথা তাদরেকে বার বার জানানো হলেও তারা তা ছাপায় না। এমনকি আমরা এও বলেছি, দেবী থেমিস আধুনিক রাষ্ট্র ধারণায় বিচার বিভাগের যে অবস্থান, তারও পরিপন্থী। কারণ, থেমিস গ্রিক সংস্কৃতির ঐশ্বরিক আইনের (ডিভাইন ল’) প্রতীক। যে রাষ্ট্র নিজেকে আলাদাভাবে স্যেকুলার বলে পরিচয় দিয়ে নিজের কৌলিন্য জারি করে, সে কীভাবে গ্রিক ঐশ্বরিক আইনের প্রতীককে নিজের বলতে পারে?

হেফাজত আমির আরও বলেন, এ পর্যায়ে দ্বিতীয় প্রশ্নটি আরও মারাত্মক। গ্রিক পুরাণ মতে, থেমিস সোশ্যাল অর্ডার বা সামাজিক শৃঙ্খলাও রক্ষা করে। সে শুধু ন্যায় বিচারই করে না, সে শক্তি প্রয়োগে সামাজিক শৃঙ্খলাও রক্ষা করে। থেমিসের হাতের তরবারি সেই শক্তি প্রয়োগের প্রতীক। আধুনিক রাষ্ট্র সামাজিক শৃঙ্খলার দায়িত্ব বিচার বিভাগকে দেয় না। তা থাকে নির্বাহী বিভাগে। আমরা বিস্ময় প্রকাশ করেছিলাম যে, ঠিক কোন যুক্তিতে নিজেদের আধুনিক ও প্রগতিশীল দাবি করা বাম সেক্যুলারেরা থেমিসের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন?

আহমদ শফী বলেন, থেমিস অপসারণে যখন আমরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিলাম, রমজানের আগেই কোনও সংঘাত ছাড়াই থেমিস অপসারণে ভেবেছিলাম সবার শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে, ঠিক তখন মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র মাস রমজানের প্রথম রাত্রে থেমিসকে পুনঃস্থাপন করে জাতির ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগের সঙ্গে তামাশা করা হয়েছে।

শাহ আহমদ শফী বলেন, আমি খবর পেয়েছি থেমিস পুনঃস্থাপনের প্রতিবাদ জানাতে গভীর রাতেও তৌহিদি ছাত্র-জনতা প্রেসক্লাবে সমবেত হয়েছেন। তাঁরা সেখানে রাস্তায় সেহরি করেছেন। শুধু তাই নয়, আমি শুনেছি প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশি হামলা হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছেন অনেকে। এই সংবাদে আমি মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ। আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাস্তবতা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আবারও অনুরোধ জানাই।

বিবৃতিতে তিনি আজকের (রবিবার) মধ্যেই গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন এবং কার উস্কানিতে এ হামলা হয়েছে, তা তদন্ত করে দোষীদের বিচার দাবি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

259b502620490c4320203603deb08eeb-592a9d1571039ইসরায়েলের বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতৃত্বে বামপন্থী সমর্থকরা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ৫০ বছর ধরে চলা দখলদারিত্ব বন্ধে বিক্ষোভ করেছেন। লেবার পার্টির প্রধান ইসাক হারজং ওই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তারা ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’ নিশ্চিত করতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট আই এ খবর জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালে ছয়দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ শেষে ফিলিস্তিন, সিরিয়া ও লেবাননের একটা বড় অংশ দখল করে নেয় ইসরায়েল। পরে সিরিয়া ও লেবাননের দখল করা জায়গা আংশিক ফেরত দিলেও ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে দখলদারিত্ব ক্রমাগত বাড়িয়েছে তারা।

এ দখলদারিত্বের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার তেল আবিবে ‘দুই রাষ্ট্র – এক আশা’ শীর্ষক বিক্ষোভ কর্মসূচীর ডাক দেন বামপন্থীরা। এতে প্রায় ১৫ হাজার ইসরায়েলি যোগ দেন বলে জানা গেছে।

ওই বিক্ষোভে যোগ দেওয়া ইসরায়েলি এনজিও পিস নাও-এর প্রধান আভি বুসকিলা জানিয়েছেন, ‘সরকার দখলদারিত্ব, সহিংসতা ও বর্ণবাদ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিতে পারায় এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, “ইসরায়েলি, ফিলিস্তিনি এবং পুরো বিশ্ববাসীর কাছে নিজেদের প্রমাণ করার এটাই সময় যে, ইসরায়েলের বৃহৎ জনগোষ্ঠী দখলদারিত্বের অবসান এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’ বাস্তবায়ন করতে চায়।”

বিক্ষোভ সমাবেশে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের একটি বার্তা পড়ে শোনানো হয়। সেখানে আব্বাস বলেন, ‘সম্প্রীতি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে একসঙ্গে বসবাসের এখনই সময়। ভবিষ্যত প্রজন্মকে শান্তিপূর্ণ অবস্থায় থাকার সুযোগ দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের ওপর ন্যাস্ত।’

উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রায় চার লাখ ইসরায়েলি সেটেলার পশ্চিম তীরের ‘দখলীকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বাস করেন। এসব বসতি সরিয়ে নেওয়াটা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম পূর্বশর্ত।

জাতিসংঘ এসব বসতিকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করলেও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উগ্র-ডানপন্থী সরকার প্রথম থেকেই বসতি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

003মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘নিরাপদ প্রসব চাই-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চল যাই’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস-২০১৭ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সিভিল সার্জন অফিসের কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। আলোচনা সভায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. তওহীদুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন গাইণী বিভাগের কনসালটেন্ট এহছেন আরা, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফুজ্জামান, নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ মঞ্জু রানী দেবনাথ প্রমুখ। এসময় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তা ও নার্সিং ইনন্সিটিটিউটের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার শাহীনুর খাতুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC04284মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলার মাসিক রাজস্ব সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৮মে) দুপুরে  জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভায় বক্তব্য রাখেন কমিটির উপদেষ্টা সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনুদ্দিন, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার রায়, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদ হোসেন, সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশিষ চৌধুরী, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু প্রমুখ। জেলা মাসিক রাজস্ব সভায় সরকারি ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের অগ্রগতি, নামজারী, খাস-জমির দেওয়ানী মামলা সংক্রান্ত, বালু মহল ও আশ্রায়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রগতি ও পর্যালোচনা করে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় মাসিক রাজস্ব সভা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ময়নুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

00এম বেলাল হোসাইন/বি এম আলাউদ্দীন : আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়র্নের গোয়ালডাংগা গ্রামের অদম্য মেধাবী অপরাজেয় প্রতিবন্ধী খায়রুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তার সাথে সাক্ষাত করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডেইলি সাতক্ষীরায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে রোববার বেলা ১২টায় এমপি রুহুল হক খায়রুলকে দেখতে তার বাড়িতে যান। এসময় তিনি প্রতিবন্ধী খায়রুলের সার্বিক্র খোঁজ-খর্বর নেন এবং খায়রুল ও তার মায়ের হাতে রমজানের বিশেষ উপহার তুলে দেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন, খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম, বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আলীম মোল্যা, দরগাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিয়ারাজ হোসেন, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দিপংক কুমার মন্ডল, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, আওয়ামীলীগের আব্দুল হান্নান মন্টু সরদার, দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যানার্জী, ডেইলি সাতক্ষীরার সাতক্ষীরার সম্পাদক ও প্রকাশক হাফিজুর রহমান মাসুম, সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন প্রমুখ।
প্রতিবন্ধী খায়রুল ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি সাহের মত একজন মহৎ ব্যক্তি তার বাড়িতে আসায় তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, “আমার একটি সরকারি চাকরি হলে আমার অনেক উপকার হবে। আমি সমাজের কার্রোর বোঝা হয়্রে বেঁচে থাকতে চাই না।” উত্তরে এমপি রুহুল হক অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সরকারি নিয়োগে প্রতিবন্ধী কোটায় খায়রুলকে আবেদন করতে বলেন। তিনি যথাসাধ্য সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।
এছাড়া ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি আরো বলেন, প্রতিবন্ধী খায়রুলের মত একজন অদম্য মেধাবীকে লালন পালন করায় আমি এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাথে সাথে তিনি খায়রুলের মাকেও ধন্যবাদ জানান। তার গর্ভে খায়রুলের মত একজন অদম্য মেধাবী জন্ম নেওয়ার জন্য। যে কিনা প্রতিবন্ধী হয়েও কারো বোঝা হয়ে বেঁচে থাকতে চায় না। সে আর ৫ জনের মত পরিশ্রম করে বেঁচে থাকতে চায়। তিনি এসময় প্রতিবন্ধী খায়রুলকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। পরে খায়রুলের হাতে রমজান মাসের জন্য বিশেষ ইফতার সামগ্রী তুলে দেন এমপি রুহুল হক।
উল্লেখ্য, খায়রুল ইসলাম সংসারের ঘানি টানার জীবনযুদ্ধের মধ্যেও কান্তিহীন পড়ালেখার মাধ্যমে মাস্টার্স পাশ করে সুস্থ মানুষদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। সৎ উদ্দেশ্য ও অদম্য ইচ্ছা থাকলে অনেক অসাধ্যকেও জয় করা সম্ভব তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ খায়রুল।
আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মোহাম্মদ আলি সরদারের পুত্র খায়রুল ইসলাম। তার বর্তমান বয়স ২৭ বছর। তিনি জন্মগত ভাবে প্রতিবন্ধী। দু’টি পা সম্পূর্ণ অচল। দু’হাতেও স্বাভাবিক কিছু করার সক্ষকতা নেই তার। এখন মুখে ভাত তুলেও খেতে পারেননা। কোন রকমে কলম চালাতে পারেন; তাও অতি কষ্টে। ২৭ বছর আগে তার জন্ম হয় পিতার ভিটা টেকাকাশিপুর গ্রামে। শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেওয়ায় তার মাতার উপর নেমে আসে অভিশাপ। পিতা মোহাম্মদ আলি তার মা আমিরুন নেছাকে তালাক দিয়ে বিদায় করে দেন। তিন মাসের শিশুকে নিয়ে মা গোয়ালডাঙ্গায় পিতার ভিটায় আশ্রয় নেন। আর্থিক অনটনের মধ্যে কষ্টকর জীবন-যাপনের পথ ধরে তার বেড়ে ওঠা। সংসার নির্বাহের জন্য পরের বাড়িতে কাজ করতেন। প্রতিবন্ধী ছেলেকে লেখাপড়া শিখিয়ে ভবিষ্যৎ জীবনকে অন্ধকারমুক্ত করা যায় কিনা সে মনোস্কামনা নিয়ে ছেলেকে মাদরাসায় পাঠানো শুরু করেন। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ালেখাকালীণ খরচ যোগানোর তাগিদে টিউশনি শুরু করে খায়রুল। এভাবে নিজের খরচ নিজে যোগানোর মাধ্যমে গোয়ালডাঙ্গা শুক্কলিয়া দাখিল মাদরাসায় পড়ালেখা করে ২০০৫ সালে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় খায়রুল। সাধারণ পরীক্ষার্থীদেরকে তাক লাগিয়ে দিয়ে খায়রুল জিপিএ ৩.৬৭ পেয়ে কৃতিত্ব অর্জন করেন। এরপর বড়দল আলিম মাদারাসায় ভর্তির পর খরচ্র বেড়ে যাওয়ায় টিউশনিতে আরও বেশী সময় দিতে হতো। কিন্তু না সমস্যা প্রকট হয়ে দেখা দিল। চলাফেরায় দুর্বলতা বেড়ে গেল। তখন বিয়ারিং এর গাড়িতে চড়ে চলাচল শুরু করলেন। জীবনযুদ্ধের মাঝে আবার লেখাপড়ায় সফলতা অর্জন করলেন তিনি; ২০০৭ সালে ২.১৭ পেয়ে আলিম পাশ করলেন। এরপর বড়দল আফতাব উদ্দিন কলেজিয়েট স্কুল হতে এইচএসসি এবং ২০০৯ সালে ফাজিল পাশ করেন ২.১৭ পেয়ে। চরম অভাব ও চলাচলে প্রতিবন্ধকতা এবং স্বাভাবিক জীবন যাপনে প্রতিকূলতা থাকা স্বত্তেও লেখাপড়া থামেনি। ২০১৩ সালে আশাশুনি কলেজ হতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইসলামের ইতিহাসে প্রথম শ্রেণিতে অনার্স পাশ করেন। অদম্য আগ্রহ সহকারে তিনি খুলনা বিএল কলেজ থেকে মাস্টার্স (ইসলামের ইতিহাস) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২০১৬ সালে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
এর মধ্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এছাড়া সাতক্ষীরা আলিয়া মাদরাসা হতে ২০১৭ সালে হাদিস গ্রুপ থেকে কামিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। আবার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে মৎস্য চাষ ও খাদ্য উৎপাদন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। লেখাপড়ায় ঈর্ষণীয় সফলতা পেয়ে জীবনে বড় কিছু হওয়ার আগ্রহ বেড়ে গেলেও তার জীবনের বড় বিপত্তি শুরু হয় ২০১৩ সালের ১৪ মার্চ। এদিন রাতে মাথার পাশে জ্বলন্ত গ্লোব রেখে মশারি টানিয়ে ঘুমিয়ে যান। কোন এক সময় মশারিতে আগুন লেগে পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তার সমস্ত শরীর আগুনে ঝলছে যায়। তাকে নেওয়া হয় প্রথমে আশাশুনি হাসপাতালে এবং পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে। এখানে তাকে ৮ মাস ধরে চিকিৎসা নিতে হয়। চিকিৎসা শেষে পোড়া ঘা শুকিয়ে গেলেও তার পঙ্গুত্ব কয়েকগুণ বেড়ে যায়। হাত-পা চালানোর শক্তি বহুগুণ হারিয়ে যায়। এখন অন্যের সহযোগিতা ছাড়া নিজেকে পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে গেছ। মোজাহার উদ্দীন মাল্টিক্রাফট সেন্টারে শিশু শিক্ষার ছোট্ট একটি চাকুরি পেলেও সেটি টিকিয়ে রাখতে পারেননি। বর্তমানে টিউশনির ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাও ধরে রাখতে পারছেন না। বর্তমানে একটি পুরনো হুইল চেয়ারে চড়ে তার চলাচল। যেটি ২০০৭ সালে ঋশিল্পী দিয়েছিল। তেতুলিয়া আশ্রয়ন আবাসনে বসবাসকারী অসহায় খায়রুল এখন ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে খুবই চিন্তিত। তারপরও তার অসীম আগ্রত তাকে থামিয়ে রাখতে পারছেনা। তার ইচ্ছা বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেয়া। তিনি বলেন সমাজের বোঝা হয়ে থাকার মধ্যে কোন তৃপ্তি নেই। কিন্তু প্রতিবন্ধিতা তাকে কুরে কুরে খাচ্ছে। তবুও তিনি হতাশ হতে রাজি নন। তার প্রত্যাশা বিসিএস দিয়ে একটি অবলম্বন তার ভাগ্যে জুটাতে চান তিনি। জীবনকে যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক করতে সচেতন মানুষের সহানুভূতিপূর্ণ ব্যবহার প্রত্যাশা করা তার জন্য বেশি কিছু চাওয়া নয় বলে মনে করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১২ জন, কলারোয়া থানা ১০ জন,তালা থানা ০২ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন,দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

KeQVJz_53এসে গেল পবিত্র মাহে রমজান। রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস। এ পবিত্র মাসে রোজা পালন করেন মুসলমানেরা। ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি হলো এই রোজা। মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ শুক্রবার রমজানকে স্বাগত জানায়। এদিন দিবাগত রাতে তারাবি নামাজ পড়ে শনিবার রোজা পালন করছেন ওইসব দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। বাংলাদেশে রমজান শুরু হয়েছে আজ।

গত কয়েকদিন দেশজুড়ে তীব্র দাবদাহে মানুষ ছিল অতিষ্ঠ। রমজানের ঠিক আগে বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে সারাদেশের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় স্বস্তি এসেছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ সবার মধ্যে। ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশে কখনোই রোজা খুব বড় বা খুব ছোট হয় না। এ দিকে এ বছর সবচেয়ে দীর্ঘ রোজা গ্রিনল্যান্ডে আর সবচেয়ে ছোট চিলিতে। সাম্প্রতিক সময়ে রমজান মাস ধীরে ধীরে গ্রীষ্মকালের দিকে সরে আসছে। যার কারণে দিন বড় হয়ে যাচ্ছে এবং বেড়ে যাচ্ছে গরম। এর কারণে দীর্ঘ সময় রোজা পালন করতে হয় মুসলমানদের।

এর মধ্যে উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রোজা রাখতে হচ্ছে। বিপরীতে শীতকালে সারা বিশ্বে তুলনামূলক কম সময় রোজা রাখতে হয়, দক্ষিণ গোলার্ধের জন্য যেটি হয় আরো ছোট। গত বছর স্থান ভেদে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে রোজার সময় ছিল ১১ থেকে ২২ ঘণ্টা। এ বছর সময়ের হিসেবে সবচেয়ে ছোট রোজা হবে ল্যাটিন আমেরিকার দেশ চিলিতে (১০ ঘণ্টা), আর সবচেয়ে বড় হবে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর এলাকার দ্বীপ দেশ গ্রিনল্যান্ডে (২১ ঘণ্টা)। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় প্রতিদিন কিছুটা পরিবর্তন হওয়ায় এবার রমজান মাসের শেষে অনেক দেশে দিন আরো বড় হবে, আবার অনেক দেশে ছোট হবে।

রমজান মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যাকে হাজার মাসের সেরা বলে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে। এই লায়লাতুল কদরে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছিল। রমজানের শেষ ১০ দিনের বেজোড় কোন এক রাতে নাজিল হয় কুরআন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0d5e3d4bce894025508c01a9fcb3c7eb-5929f3903b68a২০১৫ সালে লুই এনরিকের প্রথম মৌসুমে ট্রেবিল জিতেছিল বার্সেলোনা। কিন্তু তার শেষ মৌসুম সেভাবে রাঙাতে পারেনি কাতালান জায়ান্টরা। অবশ্য বার্সায় এনরিকের শেষ ম্যাচটা হলো বর্ণিল। চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগায় ব্যর্থতার পর কোচকে অন্তত একটি শিরোপা উপহার দিয়ে বিদায়ে সফল হলো বার্সা। শনিবার লিওনেল মেসির জাদুতে আলাভেসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে কোপা দেল রে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। বার্সা ক্যারিয়ার এনরিকে শেষ করলেন তৃতীয় কোপা দেল রেসহ ৯টি শিরোপা জিতে।

এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ার্টার ফাইনালে থামতে হয়েছিল বার্সেলোনাকে। আর লা লিগায় ৩ পয়েন্টের জন্য শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি তারা, হাতছাড়া করেছে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে। সান্ত্বনা নিয়ে মৌসুম শেষ করার একমাত্র সুযোগ হিসেবে তারা দেখছিল কোপা দেল রে ফাইনালকে। টানা তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে খানিকটা তৃপ্তির সঙ্গে মৌসুম শেষ করল এনরিকের শিষ্যরা।

ভিসেন্তে ক্যালদেরনে স্টেডিয়ামে এটাই ছিল শেষ ম্যাচ। বার্সা ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে পুরো দল নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন এনরিকে। যদিও নিষেধাজ্ঞার কারণে ম্যাচে ছিলেন না সের্হিয়ো রবার্তো ও লুই সুয়ারেস। তবে ইনজুরি শেষে এনরিকে ফিরে পেয়েছিলেন অ্যালেক্স ভিদাল, জেরার্দ পিকে ও হাভিয়ের মাসচেরানোকে। কাপ গোলরক্ষক হিসেবে জায়গা ধরে রেখেছিলেন জ্যাসপার সিলেসেন। মেসি ও নেইমারের সঙ্গে আক্রমণভাগ তিনি রেখেছিলেন পাকো আলকাসেরকে। এনরিকের এ আক্রমণভাগ হতাশ করেনি।

সুয়ারেসের শূন্যতা ঘুচিয়ে গোল পেয়েছেন আলকাসের। বাদ যাননি মেসি-নেইমার। তিনজনই গোলের খাতায় নাম লিখেছেন। তারা জ্বলে ওঠার আগে লক্ষ্যে প্রথম শট নেয় আলাভেস। ক্লাব ইতিহাসের প্রথম কোপা ফাইনালে ২৮ মিনিটে ইবাই গোমেজ অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করেছিলেন। বার্সার গোলরক্ষক সিলেসেন ডানহাত দিয়ে পোস্টের বাইরে বল পাঠিয়ে দেন।

প্রথম আক্রমণের শিকার হয়ে বার্সা ঘুরে দাঁড়ায় ৩০ মিনিটে। নেইমারের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান পাসে চোখ ধাঁধানো গোল করেন মেসি। ১৯৫০ সালে তেলমো জারার পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে চারটি স্প্যানিশ কাপ ফাইনালে গোল করলেন আর্জেন্টাইন তারকা। আগামী জুনে মেসি তার ৩০তম জন্মদিন পালন করবেন ৩০টি শিরোপার স্বাদ নিয়ে। এনিয়ে ক্যারিয়ারের চতুর্থ কোপা দেল রে জিতলেন মেসি। অবশ্য তার গোলের আনন্দ বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি আলাভেস। ৩৩ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে বাঁকানো শটে সিলেসেনকে পরাস্ত করেন থিও হার্নান্দেজ। ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল আলাভেস। কিন্তু মেসি জাদু ফুরিয়ে যায়নি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে দারুণ ড্রিবলে পাকো আলকাসেরকে দলের তৃতীয় গোল বানিয়ে দেন ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। ৪৫ মিনিটে আন্দ্রে গোমেজের নিখুঁত পাসে ব্যাকপোস্টের সামনে থেকে খুব সহজে বার্সার দ্বিতীয় গোল করেছিলেন নেইমার।

দ্বিতীয়ার্ধে স্কোরের কোনও পরিবর্তন হয়নি। ৩-১ গোলে কোপার হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয় বার্সা। ২০১৪ সালে অ্যাথলেটিক বিলবাও ও ২০১৫ সালে সেভিয়াকে ফাইনালে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কাতালানরা। এনিয়ে ২৯তম কোপা ডেল রে জিতল বার্সা। এর আগেও টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়েছিল তারা-  ১৯৫১, ১৯৫২ ও ১৯৫৩ সালে। সূত্র- ইএসপিএনএফসি, গোলডটকম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest