সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় সড়কের জমি দখল করে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার অভিযোগশহীদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যেতে পারে না: তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব— এমপি রবিউল বাশারসরকারি দপ্তরে ছাত্রদল নেতার হুমকি : ইউএনওর ভিডিও বার্তাসাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে মাদক বিরোধী মানববন্ধনসাতক্ষীরার বাঁধনডাঙ্গা মাঠে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতাশ্যামনগরের গোপালপুরে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার শুভ উদ্বোধন করলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীজাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকে সাতক্ষীরা সিলভার জুবলির অভূতপূর্ব সাফল্য: দেশসেরা চিত্রশিল্পী জারিন সুবাহ্সাতক্ষীরায় জলবায়ু সংকটে স্থানান্তরিত বস্তিবাসীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধনশ্যামনগরে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলের সমর্থন ছেড়ে আর্জেন্টিনায় সমর্থনশহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর আটক

Apon-news‘ডার্টি মানি’ বা কালো টাকার উৎস অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে রবিবার সকাল থেকে আপন জুয়েলার্সের গুলশান, উত্তরা, মৌচাক ও সীমান্ত স্কয়ারে ৫টি দোকানে অভিযান চালাচ্ছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ ভ্যাটের কর্মকর্তারা ও র‌্যাবের ফোর্স রয়েছে।

ডিজি মইনুল খান এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রবিবারের অভিযানে স্বর্ণ ও হীরার বৈধ উৎস এবং এসব জিনিস তারা যে পরিমাণে আমদানি করে তার শুল্ক-কর ঠিক মতো পরিশোধ করে কিনা সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।

আপন জুয়েলার্সের দোকান বন্ধ থাকায় গুলশান-২ নম্বরের শোরুম সিলগালা করে দিয়েছে শুল্ক বিভাগ। তবে রবিবার গুলশান এলাকার মার্কেটগুলোয় সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় আপন জুয়েলার্সের এ শাখাটি বন্ধ ছিল।
বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই তরুণী ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ ও তার ছেলে শাফাত আহমেদের ‘ডার্টি মানি’র তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে শুল্ক গোয়েন্দা বাংলাদেশ ব্যাংককে তাদের আর্থিক লেনদেনের যাবতীয় তথ্যাদিও চেয়ে পাঠিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত পাঁচ বছরে দেশে কোনও বৈধ বাণিজ্যিক আমদানি না থাকায় প্রাথমিকভাবে শুল্ক গোয়েন্দার কাছে তাদের স্বর্ণ ও হীরার ব্যবসায় ‘অস্বচ্ছতা’ প্রতীয়মান হয়েছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

cb6876689212f7acb8ba01c2191ddb0c-5918159695b22মৌসুম শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের মাঝে আলোই ছড়ালেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক। বছর সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কারসহ ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেটারের সম্মাননাও জুটেছে তার কপালে। এখানেই শেষ নয়, ক্রিকেটারদের পছন্দের সেরা ও ভক্তদের সেরা পুরস্কারটাও এখন তার হাতেই!

গত বছর ২২ গজে পারফরম্যান্সের দ্যুতি ছড়িয়েছেন ডি কক। ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ছিল ক্যারিয়ার সেরা ১৭৮ রান। হোবার্টে ছিল সেঞ্চুরিও। তাতেই নভেম্বরে সিরিজ জয় পেয়েছিল প্রোটিয়ারা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা ২৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করে টি-টোয়েন্টিতে বছর সেরা পুরস্কার পেয়েছেন স্পিনার ইমরান তাহির।

অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা:

বছর সেরা ক্রিকেটার: কুইন্টন ডি কক

বছর সেরা টেস্ট ক্রিকেটার: কুইন্টন ডি কক

বছর সেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার: কুইন্টন ডি কক

বছর সেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার: ইমরান তাহির

ক্রিকেটারদের সেরা ক্রিকেটার: কুইন্টন ডি কক

ভক্তদের সেরা ক্রিকেটার: কুইন্টন ডি কক

বছর সেরা ডেলিভারি: কাগিসো রাবাদা

বছর সেরা কোচ: মার্ক বাউচার

বছর সেরা নারী ক্রিকেটার: সুনে লুস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

d338b485651fd897de12b8a43eefe614-5917e2451705eএখনও রোমাঞ্চ লুকিয়ে রেখেছে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার তৃতীয় ও শেষ টেস্ট। মিসবাহ উল হক ও ইউনিস খানের বিদায়ী টেস্টে পাকিস্তান জিতলে ঐতিহাসিক বিদায় রচিত হবে দুই তারকাকে ঘিরে। সেই টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ক্যারিবীয়দের দ্বিতীয় ইনিংসে সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ১ উইকেটে ৭ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩০৪ রান।

দিনের শেষ ভাগে স্বীকৃত দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিয়ে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের প্রতিরোধ ভেঙে দেন আলজারি জোসেফ। সরফরাজ আহমেদ (৪) ও আসাদ শফিক (১৩) কে ফিরিয়ে শেষ দিকে নিয়ে আসেন স্বস্তি। এই সময় ৯০ রানে ৭ উইকেটের বিদায়ে পাকিস্তানের লিড ছিল ২০০ রানের উপর। আর তখনই সেই স্বস্তিকে ক্যারিবীয়দের অস্বস্তি বানিয়ে দেন মোহাম্মদ আমির ও ইয়াসির শাহ। এই দুজনের ৬১ রানের জুটি পাকিস্তানকে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে যায়। যেখান থেকে জয় দেখতেই পারে সফরকারীরা! মোহাম্মদ আমির ২৭ রানে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত ৩৮ রানে ব্যাট করছিলেন ইয়াসির। আর ৮ উইকেটে ১৭৪ রানে পৌঁছানোর পরই ইনিংস ঘোষণা করেন মিসবাহ।

এদিন অবশ্য শেষ বারের মতো মাঠ ছাড়ার আগে গার্ড অব অনার নিয়ে মাঠ ছাড়েন দুই কিংবদন্তি মিসবাহ ও ইউনিস। মিসবাহ শেষবারের মতো ২ ও ইউনিস ৩৫ রানে আউট হলেও দু জনকেই প্যাভিলয়নে ফেরার পথে ব্যাট উঁচিয়ে গার্ড অব অনার দেয় তার সতীর্থরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুর্নীতি ও অর্থ বাণিজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

01আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের কতিপয় পরিচালক, অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সীমাহীন দুর্নীতি ও অর্থ বাণিজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার দুপুরে কালিগঞ্জ উপজেলা চৌরাস্তার মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বাসস্ট্যান্ড এলকায় অনুষ্ঠিত হয় বিক্ষোভ সমাবেশ। কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি জিএম মাহতাব উদ্দীনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হাকিম, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল, ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সজল মূখার্জী, মৌতলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল আমিন, উপজেলা মহিলা যুবলীগের আহবায়ক ফতেমা ইসলাম রিক্তা, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাওন আহমেদ সাবপন প্রমুখ। বক্তারা এ সময় ঘন ঘন লোড শেডিং বন্ধসহ বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টকারী কালিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের কতিপয় পরিচালক, অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারী বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ দেয়ার নাম করে যারা লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করছেন তাদের দৃষাটান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC04217 copy
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : দেশ-ব্যাপি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সরকারিভাবে সৌর-বিদ্যুৎ প্যানেল বিতরণ কর্মসুচির আওতায় সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে সৌর-বিদ্যুৎ প্যানেল বিতরণ করা হয়েছে। রোববার সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভা চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে ৩টি মসজিদ ও ১টি মন্দিরে এ সৌর-বিদ্যুৎ প্যানেল বিতরণ করেন পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌল্লা সাগর। ৯নং ওয়ার্ডের আতিয়া জামে মসজিদ, মধুমল্লারডাঙ্গী জামে মসজিদ, উত্তর মেহেদীবাগ জামে মসজিদ ও পলাশপোল সার্বজনীন পুজা মন্দিরের কর্মকর্তাদের মাঝে ১টি করে সৌর-বিদ্যুৎ প্যানেল বিতরণ করা হয়। সৌর-বিদ্যুৎ প্যানেল বিতরণকালে মসজিদ ও মন্দিরের কর্মকর্তারা- সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌল্লা সাগরকে এ সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল গুলি মসজিদ ও মন্দিরের জন্য বরাদ্ধ দেওয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানান এবং সকলের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে পৌরবাসীর পাশে থাকার আহবান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মো. শাহ-জালাল, মধুমল্লারডাঙ্গী জামে মসজিদের সভাপতি মহসীন মোল্যা, উত্তর মেহেদীবাগ জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, আতিয়া জামে মসজিদের সহ-সম্পাদক আইয়ুব হোসেন ও পলাশপোল সার্বজনীন পুজা মন্দিরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র দাসসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0ac90832832f6f7ba0fdda200ed63aa5-591760095e0e8বেশ কিছু প্রাইভেটকার রাস্তার পাশে পার্ক করা। প্রতিটিতে চার-পাঁচজন করে এইচএসসি পরীক্ষার্থী মনোযোগ সহকারে কী যেন দেখছেন। দূর থেকে দেখে মনে হতে পারে গ্রুপ স্টাডি করছেন তারা। তবে কাছে গিয়ে দেখা যায়, মোবাইলে এইচএসসি উচ্চতর গণিত দ্বিতীয়পত্রের প্রশ্নপত্র এসেছে। আর সেগুলোর সমাধানেই ব্যস্ত তারা। শনিবার পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগে থেকেই এই চিত্র ছিল রাজধানীর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভেতরের রাস্তাগুলোয়। একই চিত্র ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলের গেস্ট রুম ও ক্যান্টিনে।

উচ্চতর গণিত দ্বিতীয়পত্রের ‘খ’সেটের হুবহু প্রশ্নপত্র পাওয়া গেছে তাদের কাছে। আর সেগুলোর সমাধান করছেন পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে থাকা সলভাররা (সমাধানকারী)। পরবর্তীতে দুপুর ১টার পর পরীক্ষা শেষে প্রশ্ন মিলিয়ে দেখা যায়, বুয়েটের ক্যাম্পাসে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে যে প্রশ্নপত্র পাওয়া গিয়েছিল, সেই একই প্রশ্নে পরীক্ষা হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর পর যে প্রশ্নপত্র শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানোর কথা, সেই একই প্রশ্ন পেয়েছেন অন্তত দুই ঘণ্টা আগে।

বুয়েটের নজরুল হলের ক্যান্টিনে পেছনের কোনায় একটি টেবিলে বসে দুইজন পরীক্ষার্থীকে নিয়ে প্রশ্নের সমাধান করে দিচ্ছিলেন বুয়েটের সিএসসি’র তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব। তাদের জিজ্ঞাসা করলে জানান, তারা শেষ মুহূর্তের কিছু সমাধান করে দিচ্ছেন। কিন্তু পরবর্তীতে বুয়েটের ওই শিক্ষার্থীর মোবাইলে ‘হোয়াটস আপ’অ্যাপসে পাওয়া যায় উচ্চতর গণিত দ্বিতীয় পত্র ‘খ’সেটের প্রশ্ন, যা দেখে তার সঙ্গে থাকা পরীক্ষার্থীকে সমাধান করে দিচ্ছিলেন। সঙ্গে ওই পরীক্ষার্থীর অভিভাবককেও বসে থাকতে দেখা গেছে।

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কী সমাধান করছেন জানতে চাইলে পরীক্ষার্থী দৌড়ে পালিয়ে যান। শুরুতে কী করা হচ্ছিল তার উত্তর না দিলেও পরবর্তীতে জানান, তারা প্রশ্ন পেয়েছেন এবং সেই প্রশ্নের সমাধান করা হচ্ছিল। ‘হোয়াটস আপ’অ্যাপসে পাওয়া ম্যাসেজে দেখা গেছে, প্রশ্নপত্র তার কাছে এসেছে সকাল ৮টার কিছু সময় পর।

একই অবস্থা ছিল তিতুমীর হলের গেস্টরুমে। সেখানে পাওয়া যায়, ছয়জন পরীক্ষার্থী ও একজন সলভার। তারাও মোবাইলে পাওয়া প্রশ্নের সমাধান করছিলেন। রুমে ঢোকার পর পরীক্ষার্থীরা পালিয়ে যান। কিন্তু তাদের সামনে রাখা খাতায় দেখা গেছে, কিছু প্রশ্নের সমাধান করছিলেন তারা।

সলভার জানান, গাজীপুরের একটি কলেজে পড়েন তিনি। একজন পরীক্ষার্থীর বড় ভাই। তাদের কিছু সমাধান করে দিচ্ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এম এ রশীদ হলের গেস্ট রুমে পাওয়া যায় আরও একটি পরীক্ষার্থীদের গ্রুপ। তাদের হাতেও পাওয়া যায় ‘খ’সেটের প্রশ্ন। আর এই প্রশ্নে সমাধান করে দিচ্ছিলেন বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোসান্নেক আলী।

ফাঁস করা  প্রশ্নপত্র সমাধানের সময় কেন বিরক্ত করা হলো, এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হন ওই পরীক্ষার্থীর সঙ্গে থাকা অভিভাবক। তিনি বলেন, এখানে আসছেন কেন? মন্ত্রীকে গিয়ে ধরেন। প্রশ্ন ফাঁস হলে সেটা পাওয়াতো অন্যায় না। এনিয়ে উপস্থিত বুয়েটের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও এই প্রতিবেদকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় ওই অভিভাবকের।

এদিকে রাস্তায় থাকা গাড়িগুলোকে ক্যামেরা দেখে দ্রুত এলাকা ছাড়তে দেখা যায়। এর মধ্যে একটি গাড়ির ভেতরে বসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মো. আবিদ হাসান মিজু প্রশ্নের সমাধান করে দিচ্ছেন। তার ফোনেও ‘খ’সেটের প্রশ্ন পাওয়া যায়, যে প্রশ্নে পরবর্তীতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

তবে প্রশ্ন ফাঁসের ব্যাপারটি অস্বীকার করেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই ঘণ্টা আগে প্রশ্ন ফাঁস অসম্ভব। এটা হতেই পারে না। এমসিকিউ ফাঁস হয়েছে শুনেছি, তাও কয়েক মিনিট দশেক আগে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

7f9bfffffb121cfeb5cbf9c081757888-5917a47dc9431বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আজ  (রবিবার) পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে দিবসটি। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মা দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।

মা দিবসের মূল উদ্দেশ্য, মাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া। যে মা জন্ম দিয়েছেন, লালন-পালন করেছেন, তাকে শ্রদ্ধা দেখানোর জন্য দিবসটি পালন করা হয়। তবে শুধু একটি বিশেষ দিন নয়, মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রতি দিনের। প্রতি মুহূর্তের। মায়ের জন্য বিশেষ দিন থাকার দরকার আছে কিনা তা নিয়ে বিতর্ক থাকতেই পারে। কিন্তু একটি বিশেষ দিনে মাকে না হয় সবাই একটু বেশিই ভালোবাসি। যারা আজও  বলেননি, মা তোমাকে ভালোবাসি, তারা না হয় আজ  মাকে ভালোবাসার কথাটি মুখ ফুটে বলুন।

ভাবছেন মা দিবসে কী দেওয়া যায় মাকে? এদিন মায়ের হাতে তুলে দিতে পারেন তার প্রিয় রঙের শাড়ি কিংবা সালোয়ার-কামিজ। উপহারের তালিকায় থাকতে পারে অর্নামেন্টস, ওয়ালেট, কফি মগ, জুতো কিংবা স্ন্যাকস ট্রে’র মতো সামগ্রী। এছাড়া মাকে চমকে দিয়ে তার প্রিয় খাবারটি নিজের হাতে রান্না করে পরিবেশন করতে পারেন।

আদতে অপরিশোধ্য মাতৃঋণের বদলে মাকে ক্ষণিকের আনন্দ দিয়ে খুশি হয় সন্তানরা। দূরে থাকায় মায়ের স্পর্শ যারা সব সময় পান না, তারা দ্বারস্থ হন সেলফোনের।

বর্তমানে প্রচলিত মা দিবসের সূচনা হয় ১৯০৮ সালে। শতাব্দীর শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার এক স্কুলশিক্ষিকা অ্যানা জারভিস সেখানকার পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা দেখে মর্মাহত হয়ে মায়ের জন্য বিশেষ দিন পালনের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করার কথা ভাবলেন। তার সে ভাবনা বাস্তবায়নের আগেই ১৯০৫ সালের ৯ মে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর মেয়ে অ্যানা এম জারভিস মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণের উদ্দেশে কাজ শুরু করেন। বন্ধুবান্ধবকে নিয়ে ১৯০৮ সালে তার মা ফিলাডেলফিয়ার যে গির্জায় উপাসনা করতেন, সেখানে সব মাকে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মা দিবসের সূচনা করেন। ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠানিকভাবে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে মায়েদের জন্য উৎসর্গ করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

posterস্বাস্থ্য ও জীবন : অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে রক্তনালী ব্লক হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। এবং শুধুমাত্র এই কারণে হৃদপিণ্ডের নানা সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হন অনেক রোগীই। কিন্তু রক্তনালী ব্লক হওয়ার এই সমস্যা থেকে খুবই সহজে মুক্ত থাকা যায় চিরকাল। আপনাকে এর জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হবে না একেবারেই। খুবই সহজলভ্য কয়েকটি খাবার আপনার রক্তনালীর সুস্থতা নিশ্চিত করবে ।

১) আপেল
আপেলে রয়েছে পেকটিন নামক কার্যকরী উপাদান যা দেহের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ও রক্তনালীতে প্লাক জমার প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র ১ টি আপেল রক্তনালীর শক্ত হওয়া এবং ব্লক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

২) ব্রকলি
ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে যা দেহের ক্যালসিয়ামকে হাড়ের উন্নতিতে কাজে লাগায় এবং ক্যালসিয়ামকে রক্তনালী নষ্ট করার হাত থেকে রক্ষা করে থাকে। ব্রকলির ফাইবার উপাদান দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

৩) দারুচিনি
দারুচিনির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্ডিওভ্যস্কুলার সিস্টেমের সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র ১ চামচ দারুচিনি গুঁড়ো দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তনালীতে প্লাক জমে ব্লক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

৪) তৈলাক্ত মাছ
তৈলাক্ত মাছ বিশেষ করে সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছের ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিণ্ডকে চিরকাল সুস্থ ও নীরোগ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫) তিসীবীজ
তিসীবীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড যা উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তনালীর প্রদাহকে দূর করতে সহায়তা করে এবং সেই সাথে রক্তনালীর সুস্থতা নিশ্চিত করে।

৬) গ্রিন টি
গ্রিন টি অর্থাৎ সবুজ চায়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যাচেটিন যা দেহে কোলেস্টেরল শোষণ কমায় এবং হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সহায়তা করে। প্রতিদিনের চা কফির পরিবর্তে গ্রিন টি পান করলে দেহের সুস্থতা নিশ্চিত হয়।

৭) কমলার রস
গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন ২ কাপ পরিমাণে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ কমলার রস পান করলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক থাকে। এবং কমলার রসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালীর সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে ফলে রক্তনালী ড্যামেজ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest