______নিজস্ব প্রতিবেদক: এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৬৭জন। প্রথমদিনে জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৭শত ০১ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ২১ হাজার ৫ শত ৩৪ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ শত ৬৭ জন এবং বহিস্কার ০৩ জন। জেলায় মোট ২৩টি এসএসসি কেন্দ্রে প্রথমদিনের বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ১ শত ৬৪ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ১৬ হাজার ১ শত ১১ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ৫৩ জন। এস এস সি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট ৭টি কেন্দ্রে প্রথমদিনের বাংলা-২ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৫ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ হাজার ৩২ জন, অনুপস্থিত ছিল ১৩ জন এবং বহিস্কার ০১ জন। দাখিল পরীক্ষার ১০ টি কেন্দ্রে প্রথমদিনের কুরআন মাজিদ ও তাজবীদ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৪শত ৯২ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ৪ হাজার ৩ শত ৯১ জন, অনুপস্থিত ছিল ১০১জন এবং বহিস্কার ০২ জন।
সাতক্ষীরা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১শত ৫৭জন, এর মধ্যে উপস্থিত ১ হাজার ১ শত ৫৪, অনুপস্থিত ৩ জন। সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১ শত ১৩ জন, উপস্থিত ১ হাজার ১ শত ১০ জন, অনুপস্থিত ৩ জন। কালিগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪ শত ৮৫ জন, উপস্থিত ১ হাজার ৪ শত ৮২ জন এবং অনুপস্থিত ০৩ জন। নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৮৯ জন, উপস্থিত ৫৮৬ জন এবং অনুপস্থিত ০৩ জন। নকিপুর এইচ সি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮০১ জন, উপস্থিত ৭৯৭ জন, অনুউপস্থিত ০৪জন। বি বি এম পি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫০৫ জন, উপস্থিত ৫০৩ জন, অনুপস্থিত ০২ জন। পারুলিয়া এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৫০ জন, উপস্থিত ৫৪৯ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। আশাশুনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯৫৬ জন, উপস্থিত ৯৫৫ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। দরগাপুর এস কে আর এইচ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৩৬ জন, উপস্থিত ৪৩৬ জন। বুধহাটা বিবিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৯৬ জন, উপস্থিত ৭৯৫ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। তালা সরকারি বিদে মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০৪২ জন, উপস্থিত ১০৩৭ জন, অনুপস্থিত ০৫ জন। কুমিরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৫৪ জন, উপস্থিত ৫৫১জন, অনুপস্থিত ০৩ জন। খলিশখালী মাগুরা এস সি কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট খলিশখালী কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৪৫ জন, উপস্থিত ৪৪৫জন। জিকেএমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল  ৯০৪ জন, উপস্থিত ৯০১ জন, অনুপস্থিত ০৩ জন। সোনাবাড়ীয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৮৮ জন, উপস্থিত ৪৮৭ জন, অনুপস্থিত ০১জন। খোর্দ্দ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩০৪ জন, উপস্থিত ৩০৩ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। কলারোয়া গার্লস পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৪৭ জন, উপস্থিত ৭৪২ জন, অনুপস্থিত ০৫ জন। আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৬০ জন, উপস্থিত ৪৫৭ জন, অনুপস্থিত ০৩ জন। নওয়াবেকী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৬২ জন, উপস্থিত ৭৬১ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। বড়দল আফতাব উদ্দীন কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৮৬ জন, উপস্থিত ৪৮৬জন। চাম্পাফুল আ: প্র: চ: মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৩৬ জন, উপস্থিত ৪৩৩ জন, অনুপস্থিত ৩ জন। নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৭২ জন, উপস্থিত ৬৫৫ জন, অনুপস্থিত ০৭জন। নবারুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৮৬ জন, উপস্থিত ৩৮৬ জন। এস এস সি ভোকেশনাল পরীক্ষায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮৫জন, উপস্থিত ২৮২ জন, অনুপস্থিত ০৩ জন। কলারোয়া জি কে এম কে পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৩৮ জন, উপস্থিত ২৩৭ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। নকিপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২৮ জন, উপস্থিত ১২৬ জন, অনুপস্থিত ০২জন। কালিগঞ্জ পাইলট কমিউনিটি হাইস্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৭৪ জন, উপস্থিত ১৭৩ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। কুমিরা পাইলট গার্লস হাইস্কুল কেন্দ্রে পরীর্ক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল  ১১৬ জন, উপস্থিত ১১০ জন, অনুপস্থিত ০৬ জন। আহসানিয়া নবারুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৮ জন, উপস্থিত ৮৮ জন এবং বহিস্কার ০১ জন। সুন্দরবন টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ কেন্দ্রে পরীর্ক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬ জন, উপস্থিত ১৬ জন। সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষা সংখ্যা ছিল ৯৯৫ জন, উপস্থিত ৯৭৮ জন, অনুপস্থিত ১৭ এবং বহিস্কার ০২ জন। কালিগঞ্জ নাছরুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৬৩ জন, উপস্থিত ৩৬১ জন, অনুপস্থিত ০২ জন। তালা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৫৮ জন, উপস্থিত ২৫১ জন, অনুপস্থিত ০৭ জন। শ্যামনগর কেন্দ্রিয় মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯৫১ জন, উপস্থিত ৯৩৭ জন, অনুপস্থিত ১৪ জন। কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫১০ জন, উপস্থিত ৪৯৬ জন, অনুপস্থিত ১৪ জন। আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল  ৪৬৪ জন, উপস্থিত ৪৪১ জন, অনুপস্থিত ২৩ জন। গুনাকরকাটি খাইরিয়া আজিজিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১৮ জন, উপস্থিত ২১০ জন, অনুপস্থিত ০৮ জন। পাটকেলঘাটা আল আমিন আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৪৪ জন, উপস্থিত ৩৩৮ জন, অনুপস্থিত ০৬ জন। দেবহাটা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯০ জন, উপস্থিত ১৮৩ জন, অনুপস্থিত ০৭ জন। নলতা আহসানিয়া দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯৯জন, উপস্থিত ১৯৬, অনুপস্থিত ০৩ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

kalaroaনিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় দুস্থ ও অসহায় মহিলাদের মাঝে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। কলারোয়া হিউম্যান ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ওই সেলাই মেশিনগুলো বিতরণ করে।
এ উপলক্ষ্যে বৃহষ্পতিবার সকাল ৯টার দিকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিউম্যান ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি ও খুলনা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. জাফর উল্লাহ।
অসহায় মহিলাদের আয় বৃদ্ধির সহায়ক কর্মসূচির আওতায় ১০জনকে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয় ওই অনুষ্ঠানে। এর আগে তাদেরকে প্রশিক্ষণও দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে হিউম্যান ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুর রহিম বাবুর সভাপতিত্বে সোসাইটির সহ.সভাপতি কাজী সামসুর রহমান, সোসাইটির যুগ্ম সম্পাদক ও কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা ফারুকুজ্জামান, সোসাইটির অর্থ সম্পাদক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান খাঁন চৌধুরী, সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক আশফাকুর রহমান সোহেল, সোসাইটির নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব আতিকুর রহমান, আব্দুর রশিদ, মীর রফিকুল ইসলাম, মেম্বর মশিয়ার রহমান, সাংবাদিক জুলফিকার আলী প্রমুখ অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
দর্জি প্রশিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন সোসাইটির সহ-যুগ্ম সম্পাদক সহিদুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photos-1নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় ৫ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক  ও ১০ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা পঞ্চ মন্দির মায়ের বাড়িতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় এর আওতাধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্ট কর্তৃক মন্দির ভিাত্তক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের ৪র্থ পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের আওতাধীন ২০১৬ শিক্ষা বর্ষের ১৫ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে এ পুরষ্কার বিতরন করা হয়।
পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের সাতক্ষীরা জেলার সহকারী পরিচালক লিটন শিকদারের সভাপতিত্বে উক্ত পুরুষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরষ্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহা প্রভু সেবক সংঘ কেন্দ্রীয় পরিষদেও সভাপতি ডা: সুশান্ত ঘোষ, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (ব্যবস্থাপনা বিভাগ) বলাই চন্দ্র ঘোষ, সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি মঙ্গল কুমার পাল, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.অনিত মুখার্জী প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ ১০ জন শিক্ষার্থী যথাক্রমে প্রাপ্তি মন্ডল, ¯েœহাশিস দাশ, ঐশী মন্ডল, প্রিয়ন্তি মন্ডল, নিলাঞ্জনা সরকার, অনুপম মন্ডল, তমালিকা, সেতু মিস্ত্রী, চুমকি দাশ, তৃষাণ সরকার এবং শ্রেষ্ঠ ৫ জন শিক্ষক যথাক্রমে শিল্পী সিংহ, বিমল ঘোষ, প্রমিলা রানী দাশ, দিপালী ঘোষ, রিতা রানী মাখালকে সম্মাননা সনদ ও শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

20170202_120802গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর: উপজেলার বংশিপুর-মুন্সিগঞ্জ রাস্তার বিভিন্ন স্থানে চলছে দায়সারাভাবে  সংস্কারের কাজ। যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এ এলাকার গন মানুষ এবং পর্যটকদের প্রাণের দাবি ছিল রাস্তাটি সংস্কারের।কিন্তু সংস্কারের নামে মানুষের মন বোঝাতে চলছে দায়সারা সংস্কারের কাজ। যেটা এ এলাকার মানুষের কোনদিন কাম্য ছিলনা। রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। উঠে গেছে পিচ ও পাথর। যানবাহনগুলো অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অন্তত ৩ বছর ধরে সড়কটির এ অবস্থা। ফলে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের কষ্টের শেষ নেই। ওই ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় চারের তিন অংশ ভাঙাচোরা। সড়কটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে এর আগেও কয়েকবার কয়েকটি স্থানে ইট দিয়ে গর্ত ভরাটের কাজ করেছেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রাস্তাটি জনবহুল হওয়ায় এটা বেশি দিন স্থায়িত্ব লাভ করেনি। বংশীপুর থেকে মুন্সিগঞ্জ বাজার পর্যন্ত কমপক্ষে ২০টি স্থানে গর্ত তৈরি হয়েছে। এসব বড় গর্তের কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো স্থানে রাস্তা এতটাই খারাপ যে অনেক যানবাহনের চালক ভাঙাচোরা স্থান এড়িয়ে পাশের মাটির অংশ ব্যবহার করেন। বিগত কয়েকদিন পূর্বে মহান সংসদে সাতক্ষীরা-৪ আসনের মাননীয় সাংসদ জনাব এস,এম জগলুল হায়দার এ এলাকার মানুষের ভোগান্তির কথা তুলে ধরেছিলেন।এ জন্য সাতক্ষীরার সকল স্থরের মানুষ সাংসদকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন সংসদ সদস্যকে।এবং রাস্তাটি আবার তার প্রাণ ফিরে পাবে এ আশায় বুক বেধেছিল এলাকার জনগন।তাদের কষ্ঠ লাঘবের স¦প্ন দেখেছিল তারা।পথে চলাচলকারী কয়েকজন যাত্রী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় “রাস্তাটি ভালোভাবে মেরামত না করে দায়সারা মেরামত করা হচ্ছে যেটা কোনদিন কারো কাম্য ছিলনা।” হযরত গাজী নামে একজন পথচারী বলেন “আমরা অত্যন্ত কষ্ঠ করে প্রতি নিয়ত যাতায়াত করি ভেবেছিলাম রাস্তাটি ঠিক হবে কিন্তু যেভাবে কাজ হচ্ছে তা দেখে ভালো লাগার চেয়ে কষ্ঠ হচ্ছে।” এ বিষয়ে রোডস’র জেলা অফিসে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। আর এই ধরনের দায়সারা কাজ রেখে পূর্ণ রুপে কাজ করার আহবান জানিয়েছে এলাকার সুশীল সমাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ক্রীড়া ডেস্ক: প্রায় প্রতিটি দলেই এমন কিছু খেলোয়াড় থাকে যারা অনেকটা নীরবেই নিজের কাজটা করে যায়। দলের প্রয়োজনে এগিয়ে এসে নিজের সেরাটা খেলে থাকেন তাঁরা। বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের পরিচিতি খুব বেশি দিনের না হলেও পথটা কিন্তু কখনই সহজ ছিল না টাইগার বাহিনীর। আর তেমনই সব কঠিন সময়ে ব্যাট হাতে বারবার দলকে আগলে ধরেছেন ইমরুল কায়েস। সাধারণ ও সরল চরিত্রের এই ক্রিকেটার ব্যাটিং, ফিল্ডিং অথবা দলের মুমূর্ষু পর্যায়ে উইকেটের পেছনেও জ্বলে উঠেছেন। বিশ্ব ক্রিকেট ইতিহাসে নাম লিখেছেন বহুবার। ক্রিকেটীয় কৌশল আর প্রতিভা দিয়ে বর্তমানে জাতীয় দলের এক অপরিহার্য অংশ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন বাঁ-হাতি এই ওপেনার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরুটা মোটেই ভালো করতে পারেননি বাঁ-হাতি এই ব্যাটসম্যান। ফলে দ্রুতই দল থেকে বাদ পড়ে যান। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করে বারবারই জাতীয় দলে ফিরে আসেন ইমরুল। তবে কিছুইতেই কিছু হচ্ছিল না। ২০১০ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর নিউজিল্যান্ড সফরেও পান সেঞ্চুরি। পরের বছরও মোটামুটি ভালো খেলেন এই ওপেনার। এর পরই দীর্ঘ রান-খরার কারণে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে যান। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো খেললেও জাতীয় দলে জায়গা পাচ্ছিলেন না ইমরুল। অবশেষে ২০১৪ সালে দলে ডাক পান ইমরুল। চট্টগ্রাম টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শতক করার পর জাতীয় দলে জায়গা নিয়ে তাঁকে আর ভাবতে হয়নি। তারপর এখন পর্যন্ত টাইগার হয়ে নিজের অপরিহার্যতা প্রমাণ করে চলেছেন ইমরুল।  ইমরুল কায়েসের জন্ম ১৯৮৭ সালের আজকের দিনেই। কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের ছেলে ইমরুল ছোট থেকেই ক্রিকেটের প্রতি আসক্ত ছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেছেন রংপুর রাইডার্স ও খুলনা বিভাগের হয়ে। এ ছাড়া, বাংলাদেশ এ দল ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড একাদশ দলে খেলেছেন এই ব্যাটসম্যান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ইমরুলের অভিষেক হয় ২০০৬ সালে। জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার আগেই তিনি ১৫টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ ও ১৬টি একদিনের ম্যাচ খেলে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দেন। ২০০৮ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে চট্টগ্রামের মাটিতে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিষেক হয়। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যাট হাতে তিনি মাঠে নেমেছেন ৬৫ বার। গড় রান ২৯.২৬ করে মোট রান করেন এক হাজার ৮৭৩। এর মধ্যে শতক আছে দুটি আর অর্ধশতক আছে ১৩টি। সাদা জার্সিতে ইমরুলের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু হয় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একই বছরের নভেম্বরে। ক্যারিয়ারে ২৭টি টেস্ট খেলে তিনি এখন এক হাজার ৪৩২ রানের মালিক। তিনটি সেঞ্চুরির পাশাপাশি আছে চারটি হাফ সেঞ্চুরি। আর সেরা ইনিংসটি ১৫০ রানের। রেকর্ডের দিক থেকেও ক্রিকেট বিশ্ব বারবার স্মরণ করে এই তারকা ব্যাটসম্যানকে। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইমরুল-তামিমের ৩১২ রানের ওপেনিং জুটি নজর কেড়েছে বিশ্ব ক্রিকেট বোদ্ধাদের। উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে সম্প্রতি তিনি ভেঙেছেন ১৪১ বছরের পুরোনো রেকর্ড। এ বছরের ১৫ জানুয়ারিতে ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইনজুরির কারণে উইকেট সামলাতে পারেননি মুশফিক। আর তখনই বদলি উইকেটরক্ষক হিসেবে সর্বোচ্চ পাঁচটি ক্যাচ নিয়ে নতুন বিশ্বরেকর্ড করেন এই অলরাউন্ডার। জাতীয় দলের অন্যতম এই ব্যাটিং সেনানী আজ ভারত সফরে বের হয়েছেন। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ১৬ বছর পর ভারত সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে হায়দরাবাদে শুরু হচ্ছে সিরিজের একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি। ভারতের বিপক্ষে ইমরুলের ব্যাটে রানের ফোয়ারা দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রিকেটভক্তরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনেদন ডেস্ক: চিত্রনায়িকা মাহির সঙ্গে শাওনের বিয়ে টিকেছিল মাত্র ‘মাসখানেক’। এরপরই চলচ্চিত্রে কাজ করা নিয়ে দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। তখন তাঁরা ‘আলাদা বসবাস’ করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে শাওন-মাহি দুজন আলোচনার ও সমঝোতার মাধ্যমে ‘খোলা তালাক’ কার্যকর করেন। আজ বৃহস্পতিবার আদালতে দাখিল করা পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বিয়ের মাত্র মাসখানেকের মধ্যে বাদী শারমিন আক্তার নিপা (মাহি) চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করলে বিবাদীর (শাওন) সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। ফলে তাঁরা আলাদাভাবে বসবাস শুরু করেন এবং খোলা তালাক (উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিচ্ছেদ) কার্যকর হয় বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।’ কবে কোথায় তালাক কার্যকর হয়, সে ব্যাপারে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এদিকে আজ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে শাওনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সোহরাব মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মাহির সঙ্গে শাওনের বিয়ে হয়েছিল এবং সেসব ডকুমেন্ট জব্দ করেছি এবং রেজিস্টারে কাজী সত্যায়িত করেছেন।’ আদালতের সহকারী সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) রাজু আহম্মেদ জানান, এখন মাহিকে এ মামলার হাজির হওয়ার জন্য ডাকা হবে। মাহি চাইলে মামলায় নারাজি দিতে পারেন। এ বিষয়ে মাহির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি। তাঁর ঘনিষ্ঠজনরাও প্রথমে ফোনে সাড়া দেননি। পরে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। মামলার নথি থেকে জানা যায়, মাহির কথিত স্বামী শাওনকে গত বছরের ৫ জুন বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম জামিন দেন। আদালতে দুজনের পক্ষ থেকে আপস মীমাংসার কথা বলা হলে আদালত জামিন দেন। গত বছরের ৫ জুন মাহির বাবা ও শাওনের বাবার মধ্যে একটি আপসনামা হয়। ওই দিন বেলা ৩টার দিকে মাহির উত্তরার বাসায় উভয় পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে ৩০০ টাকার দলিলে এই আপসনামা স্বাক্ষরিত হয়। আপসনামায় স্বাক্ষর করেন মাহির বাবা আবু বকর ও শাওনের বাবা নজরুল ইসলাম। সাক্ষী ছিলেন শাওনের বড় চাচা আবুল হাশেম ও ছোট চাচা মাহমুদুল হাসান। আপসনামাটি মো. ইকবাল হোসেনকে দিয়ে নোটারি পাবলিক করা হয়েছে। তাঁর চেম্বার দেখানো হয়েছে- হলরুম-১, সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ। নোটারি সিরিয়াল-৩৩ এবং তারিখ ৫-৬-২০১৬। গত বছরের ২৮ মে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন নায়িকা মাহি। অভিযোগটি তিনি করেন কথিত স্বামী শাওনের বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতেই শাওনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ শাওনের দক্ষিণ বাড্ডার বাসা থেকে কম্পিউটার জব্দ করে। নায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুর বিয়ের পরের দিন থেকেই কয়েকটি গণমাধ্যমে মাহির ‘একাধিক বিয়ে-সংক্রান্ত’ কিছু ছবি প্রকাশ হতে থাকে। সেখানে ছবি প্রকাশের পাশাপাশি দাবি করা হয়, এর আগেও একাধিকবার মাহির বিয়ে হয়েছে। ছবি প্রকাশের পর থেকে আলোচনার ঝড় ওঠে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। বিষয়টি নজরে এলে নায়িকা মাহি জানান, তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার সংসার ভাঙার জন্য কেউ আমার পিছু লেগেছে।’ গ্রেপ্তার হওয়া শাওনের বাবা নজরুল ইসলাম গুলশানের একজন ব্যবসায়ী। শাওন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। শাওন দাবি করেন, নায়িকা মাহি তাঁর ভালো বন্ধু ছিলেন। ফেসবুকে মাহির সঙ্গে অনেক ছবিও পোস্ট করেন শাওন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

jobor-dokholমাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরায় আদালতের রায় পেয়েও নিজ বাড়িতে বসবাস করতে পারছেনা পিতা ও পুত্র। পৈত্রিক সম্পত্তির বন্ঠনের  জের ধরে শহরের ১নং ওয়ার্ডের কাটিয়া এলাকার সাবেক ব্যাংকার আব্দুল মাজেদ ও তার পুত্র মোস্তফা ইকবাল মাহমুদ নানাভাবে হয়রানী, হুমকি ধামকির কবলে পড়েছে। নিজ বসত ভিটায় পৌর বিধির প্লান অনুযায়ী বিল্ডিং নির্মান কাজে তার নিজ কন্যা  শামীমা নাসরিন স্থানীয় ক্ষমতাসীন নেতার প্রভাব দেখিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জীবন নাশের হুমকি ও নির্মানাধীন বিল্ডিংয়ের কাজ বন্ধ করে ও ক্ষান্ত হননি। এর পরেও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিজ পিতা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইং-১৮/০৯/২০১৬  তারিখে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করে । একই মামলায় আদালতের শরনাপনর্ণ হলে ইং- ২৪/০১/২০১৭ তারিখে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে  উভয় পক্ষের দলিল দস্তাবেজ পর্যালোচনা করে যে যার স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তিতে পৌরসভার অনুমোদিত নকশা এবং নীতিমালার আলোকে গৃহ নির্মান কাজ করার জন্য আদেশ প্রদান করে। আদালতের রায় উপেক্ষা করে শামীমা নাসরিন নিজ পিতা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে নির্মান কাজে বাঁধা ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। সাবেক ব্যাংকার আব্দুল মাজেদ জানান,  আমার অবাধ্য সন্তান শামীমা নাসরিন। আমার ছেলে মোস্তফা ইকবাল মাহমুদের বাড়ির নির্মান করতে বাঁধা প্রদান ও প্রতিনিয়ত দেশীয় অস্ত্র দা, বটি ও শাবলসহ গালিগালাজ করে রাজ মিস্ত্রীদের কাজ করতে দিচ্ছেনা। সেই সাথে ক্ষমতাসীন এক রাজনৈতিক নেতা ঐ মেয়ের পক্ষ নিয়ে আমাকে জেএমবি’র মামলা দেওয়ার হুমকি-ধামকি অব্যাহত রেখেছে। নিয়তির কি নির্মম পরিহাস বয়সের শেষ প্রান্তে এসে নিজ কন্যার দ্বারা লাঞ্চনা গঞ্জনা সহ্য করতে হচ্ছে। আমি ২ ছেলে ও ১ মেয়েকে ৪৪ শতক জমির  মধ্যে বড় ছেলেকে ১৪ শতক, ছোট ছেলেকে ৮ শতক এবং মেয়েকে ৯ শতক, স্ত্রীর নামে সাড়ে ৬ শতক এবং আমার নিজ নামে সাড়ে ৬ শতক জমি কোবালা দলিল করে বন্ঠন করে দিয়েছি। কিন্তু আমার মেয়ে তাতে সন্তষ্ট হতে পারছেনা। মেয়ে নিজ ভাগের জমিতে আগেই তার ভাই ইকবালের ১৪ শতক জমির মধ্যে ৪ শতক জমি দখল করে ঘর তৈরী করে। ইকবাল যখন ঘর তৈরী করে তখন তার বোন শামীমা নাসরিন গৃহ নির্মানে নানাভাবে বাঁধা প্রদান করে আসছে এবং  উল্টো আমার নামে ও তার ভাইয়ের নামে কোর্টে ১৪৫ ধারার মামলা এবং সদর থানায় অভিযোগ দাখিল করে।  সম্প্রীতি ইকবাল মাহমুদ তার নিজ জায়গায় মিস্ত্রী নিয়ে ঘরের কাজ করছিল। সেই মুহুর্তে তার বোন শামীমা নাসরিন কাজে বাঁধা দেয় এবং পৌরসভায় কাজ বন্ধের আবেদন করে। পৌরসভা জমি ও আদালতের কাগজপত্র দেখে স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তিতে পৌরসভার অনুমোদিত নকশা এবং নীতিমালার আলোকে গৃহ নির্মান কাজ করার জন্য অনুমতি প্রদান করে । শামীমা নাসরিন কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আদালতের রায় মানতে সে নারাজ। নিজ কন্যার অত্যাচারে অসহায় পিতা ও পুত্র মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সমাজের বিবেকবান মানুষের কাছে শরানাপর্ণ ও আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

capture-%e0%a7%a7চাঁদপুরের হাইমচরে শিক্ষার্থীদের পিঠের ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় নূর হোসেন পাটোয়ারীর পাশাপাশি ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ আরো তিন আওয়ামী লীগ নেতাকে আসামি করা হয়েছে।

গত সোমবার চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের নীলকমল ওছমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা ‘পদ্মা সেতু’ সেজে প্রদর্শনী করে। আর ওই ‘পদ্মা সেতু’র ওপর দিয়ে হেঁটে যান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নূর হোসেন পাটোয়ারী। পরে তিনি ‘খুশি হয়ে’ শিক্ষার্থীদের পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কারও দেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে নীলকমল ওছমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হুমায়ুন পাটোয়ারী, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনসুর পাটোয়ারী ও একই কমিটির সদস্য এম এ বাশারকে।

হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, গতকাল বুধবার রাতে নীলকমল ওছমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. আহম্মদ আলী বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা করেন।

এদিকে, শিক্ষার্থীর পিঠে চড়ার ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজনও এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest