আপনার সন্তান হয়তো সব রকম খাবার খেতে চায় না। কিন্তু ব্রেনের সঠিক বিকাশের জন্য কয়েকটা খাবার‚ যার মধ্যে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি পরিমাণে থাকে তা রোজকার ডায়েটে থাকা খুব জরুরি। তাই বাচ্চাকে যদি অন্যদের থেকে স্মার্ট আর বুদ্ধিমান করে তুলতে চান তাহলে অবশ্যই নিচের এই দশটা খাবার খাওয়াতে হবে।
আপেল:
বাচ্চা হোক বা বুড়ো ফল সবার জন্যেই ভালো। সবরকমের ফলই বাচ্চাদের উপকারে আসবে। কিন্তু আপেলে এক ধরণের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় যার নাম Quercetin। এটা ব্রেনের বিকাশের জন্য খুব ভালো। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে বাচ্চারা রোজ একটা করে আপেল খেয়েছে তাদের মনঃসংযোগ অন্যদের থেকে অনেক বেশি|
ডিম:
ডিমের কোনো জুড়ি হয় না। এটা শুধুনাত্র বাচ্চার ব্রেনের বিকাশ ঘটায় তাই নয়‚ সারা শরীর হেলদি রাখে। এছাড়াও নিয়মিত ডিম খেলে স্মৃতি শক্তিও বাড়ে। বেশির ভাগ বাচ্চাই ডিম খেতে ভালোবাসে। তাছাড়াও ডিমের এত রকমের প্রিপারেশন হয় যে রোজ ডিম সেদ্ধ বা ডিমের পোচ না দিলেও চলবে।
মাছ:
মাছে ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা বাচ্চাদের ব্রেনের বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরী। এছাড়াও মেমরি লস হতে দেয় না।
দই:
দইয়ের মধ্যে ক্যালাসিয়াম আর প্রোটিন পাওয়া যায় যা বাচ্চার স্বাস্থ্যের জন্য খুব জরুরী। এছাড়াও দইয়ের মধ্যে প্রোবায়োটিকস আছে যা ব্রেনের বিকাশের সাহায্য করে। এছাড়াও দেখা গেছে দই খেলে বাচ্চার মুডেরও পরিবর্তম ঘটে।
ওটমিল:
এত দিনে নিশ্চই জেনে গেছেন চিনি দেওয়া কর্ণফ্ল্যেক্স বা অন্য কোনো মিষ্টি মেশানো ব্রেকফাস্ট খাওয়া কতটা ক্ষতিকারক। তাই সকালে এইসব না দিয়ে বাচ্চাকে ওটস খাওয়ান। ওটস শরীর থেকে ব্যাড কোলেস্ট্রোল শুষে নেয় ফলে বাচ্চার ব্রেনের আর্টারী পরিষ্কার থাকে। এর ফলে বাচ্চার স্মৃতিশক্তি বাড়ে। বাচ্চা ওটস খেতে না চাইলে তাতে কাজু‚ কিসমিশ‚ স্ট্রবেরি‚ চেরি মিশিয়ে দিন।
অলিভ অয়েল:
অলিভ অয়েলে ম্যনো স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়, যা বাচ্চা বা বুড়ো সবার সুস্বাস্থ্যের জন্যেই দরকারী। তাই রেগুলার তেলের বদলে অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করার চেষ্টা করুন। অবশ্য ভাজাপোড়া যতটা কম খাওয়াবেন তত ভালো। কারণ অলিভ অয়েলেই ভাজুন বা এমনি তেলে‚ ভাজাভুজি সব সময়ই শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।
আমন্ড:
ফ্যাটি অ্যাসিড ছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায় যা ড্যামেজড ব্রেন সেল রিপেয়ার করে। এছাড়াও স্মৃতি শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে আমন্ড বাদাম। এমনি না খেতে চাইলে আমন্ড বাদাম দিয়ে মিল্ক শেক বানিয়ে দিন বাচ্চাকে।
গ্রিন লিফি ভেজিটেবিলস:
গ্রিন লিফি ভেজিটেবল যেমন পালং শাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় যা ব্রেনের বিকাশ ঘটায়। এছাড়াও বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে পালং শাক।
অ্যাভোকার্ডো:
আমাদের শরীরে যা দরকার হয় মোটামুটি সবই এই ফলে পাওয়া যায়। উপরন্তু এতে গুড ফ্যাট আছে যা বাচ্চার ব্রেনকে ডেভেলপ করতে সাহায্য করে। তবে বাচ্চাদের এর টেস্ট হয়তো ভালো নাও লাগতে পারে। তাই এর স্যান্ডউইচ বানিয়ে দিন। বা চিপসের সঙ্গেও খাওয়াতে পারেন অ্যাভোকার্ডো দিয়ে।
আখরোট:
আমরা ছোটবেলায় অনেকেই ভাবতাম এটা মাথার ঘিলুর মতো দেখতে তাই এটা মাথার জন্য ভালো। সেই ভাবনায় কিন্তু কোনো ভুল ছিল না। আখরোটে ওমেগা ৩ পাওয়া যায়‚ যা হলো গিয়ে আল্টিমেট ব্রেন বুস্টার। এছাড়াও এতে ভিটামিন E আছে যা ব্রেন সতেজ রাখে।

ডেস্ক: নতুনদের সুযোগ দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান রবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ‘টেরিটোরি ম্যানেজার’ পদে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি।
মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স চলাকালে শনিবার মিউনিখের বাইরশিয়ার হফ হোটেলে বাংলাদেশ-জার্মানি দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের দ্বিপক্ষীয় এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজশাহীর সিল্ক কাপড় উপহার দেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলকে। এ সময় শান্তির জন্য জঙ্গিবাদের বিরদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে থাকা দুই নেত্রীর মধ্যে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় ।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো.মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ কাজী হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ দাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোদাচ্ছের আলী ও জেলা তথ্য অফিসার শাহানওয়াজ করিম প্রমুখ। প্রান সায়েরের খাল বর্জ ও দূষণমুক্ত করা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, চলাচলের অনুপযোগি রাস্তা-ঘাট সংস্কার,আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন নিয়ে এবং প্রধান প্রধান সিদ্ধার্ন্ত সমূহের বাস্তবায়ন ও অগ্রগতিসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। এ সময় জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
