নিজস্ব প্রতিবেদক: এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৬৭জন। প্রথমদিনে জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৭শত ০১ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ২১ হাজার ৫ শত ৩৪ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ শত ৬৭ জন এবং বহিস্কার ০৩ জন। জেলায় মোট ২৩টি এসএসসি কেন্দ্রে প্রথমদিনের বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ১ শত ৬৪ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ১৬ হাজার ১ শত ১১ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ৫৩ জন। এস এস সি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট ৭টি কেন্দ্রে প্রথমদিনের বাংলা-২ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৫ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ হাজার ৩২ জন, অনুপস্থিত ছিল ১৩ জন এবং বহিস্কার ০১ জন। দাখিল পরীক্ষার ১০ টি কেন্দ্রে প্রথমদিনের কুরআন মাজিদ ও তাজবীদ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৪শত ৯২ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ৪ হাজার ৩ শত ৯১ জন, অনুপস্থিত ছিল ১০১জন এবং বহিস্কার ০২ জন।
সাতক্ষীরা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১শত ৫৭জন, এর মধ্যে উপস্থিত ১ হাজার ১ শত ৫৪, অনুপস্থিত ৩ জন। সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১ শত ১৩ জন, উপস্থিত ১ হাজার ১ শত ১০ জন, অনুপস্থিত ৩ জন। কালিগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪ শত ৮৫ জন, উপস্থিত ১ হাজার ৪ শত ৮২ জন এবং অনুপস্থিত ০৩ জন। নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৮৯ জন, উপস্থিত ৫৮৬ জন এবং অনুপস্থিত ০৩ জন। নকিপুর এইচ সি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮০১ জন, উপস্থিত ৭৯৭ জন, অনুউপস্থিত ০৪জন। বি বি এম পি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫০৫ জন, উপস্থিত ৫০৩ জন, অনুপস্থিত ০২ জন। পারুলিয়া এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৫০ জন, উপস্থিত ৫৪৯ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। আশাশুনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯৫৬ জন, উপস্থিত ৯৫৫ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। দরগাপুর এস কে আর এইচ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৩৬ জন, উপস্থিত ৪৩৬ জন। বুধহাটা বিবিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৯৬ জন, উপস্থিত ৭৯৫ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। তালা সরকারি বিদে মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০৪২ জন, উপস্থিত ১০৩৭ জন, অনুপস্থিত ০৫ জন। কুমিরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৫৪ জন, উপস্থিত ৫৫১জন, অনুপস্থিত ০৩ জন। খলিশখালী মাগুরা এস সি কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট খলিশখালী কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৪৫ জন, উপস্থিত ৪৪৫জন। জিকেএমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯০৪ জন, উপস্থিত ৯০১ জন, অনুপস্থিত ০৩ জন। সোনাবাড়ীয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৮৮ জন, উপস্থিত ৪৮৭ জন, অনুপস্থিত ০১জন। খোর্দ্দ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩০৪ জন, উপস্থিত ৩০৩ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। কলারোয়া গার্লস পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৪৭ জন, উপস্থিত ৭৪২ জন, অনুপস্থিত ০৫ জন। আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৬০ জন, উপস্থিত ৪৫৭ জন, অনুপস্থিত ০৩ জন। নওয়াবেকী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৬২ জন, উপস্থিত ৭৬১ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। বড়দল আফতাব উদ্দীন কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৮৬ জন, উপস্থিত ৪৮৬জন। চাম্পাফুল আ: প্র: চ: মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৩৬ জন, উপস্থিত ৪৩৩ জন, অনুপস্থিত ৩ জন। নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৭২ জন, উপস্থিত ৬৫৫ জন, অনুপস্থিত ০৭জন। নবারুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৮৬ জন, উপস্থিত ৩৮৬ জন। এস এস সি ভোকেশনাল পরীক্ষায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮৫জন, উপস্থিত ২৮২ জন, অনুপস্থিত ০৩ জন। কলারোয়া জি কে এম কে পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৩৮ জন, উপস্থিত ২৩৭ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। নকিপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২৮ জন, উপস্থিত ১২৬ জন, অনুপস্থিত ০২জন। কালিগঞ্জ পাইলট কমিউনিটি হাইস্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৭৪ জন, উপস্থিত ১৭৩ জন, অনুপস্থিত ০১ জন। কুমিরা পাইলট গার্লস হাইস্কুল কেন্দ্রে পরীর্ক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১১৬ জন, উপস্থিত ১১০ জন, অনুপস্থিত ০৬ জন। আহসানিয়া নবারুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৮ জন, উপস্থিত ৮৮ জন এবং বহিস্কার ০১ জন। সুন্দরবন টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ কেন্দ্রে পরীর্ক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬ জন, উপস্থিত ১৬ জন। সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষা সংখ্যা ছিল ৯৯৫ জন, উপস্থিত ৯৭৮ জন, অনুপস্থিত ১৭ এবং বহিস্কার ০২ জন। কালিগঞ্জ নাছরুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৬৩ জন, উপস্থিত ৩৬১ জন, অনুপস্থিত ০২ জন। তালা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৫৮ জন, উপস্থিত ২৫১ জন, অনুপস্থিত ০৭ জন। শ্যামনগর কেন্দ্রিয় মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯৫১ জন, উপস্থিত ৯৩৭ জন, অনুপস্থিত ১৪ জন। কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫১০ জন, উপস্থিত ৪৯৬ জন, অনুপস্থিত ১৪ জন। আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৬৪ জন, উপস্থিত ৪৪১ জন, অনুপস্থিত ২৩ জন। গুনাকরকাটি খাইরিয়া আজিজিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১৮ জন, উপস্থিত ২১০ জন, অনুপস্থিত ০৮ জন। পাটকেলঘাটা আল আমিন আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৪৪ জন, উপস্থিত ৩৩৮ জন, অনুপস্থিত ০৬ জন। দেবহাটা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯০ জন, উপস্থিত ১৮৩ জন, অনুপস্থিত ০৭ জন। নলতা আহসানিয়া দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯৯জন, উপস্থিত ১৯৬, অনুপস্থিত ০৩ জন।

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় দুস্থ ও অসহায় মহিলাদের মাঝে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। কলারোয়া হিউম্যান ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ওই সেলাই মেশিনগুলো বিতরণ করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় ৫ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও ১০ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা পঞ্চ মন্দির মায়ের বাড়িতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় এর আওতাধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্ট কর্তৃক মন্দির ভিাত্তক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের ৪র্থ পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের আওতাধীন ২০১৬ শিক্ষা বর্ষের ১৫ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে এ পুরষ্কার বিতরন করা হয়।
গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর: উপজেলার বংশিপুর-মুন্সিগঞ্জ রাস্তার বিভিন্ন স্থানে চলছে দায়সারাভাবে সংস্কারের কাজ। যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এ এলাকার গন মানুষ এবং পর্যটকদের প্রাণের দাবি ছিল রাস্তাটি সংস্কারের।কিন্তু সংস্কারের নামে মানুষের মন বোঝাতে চলছে দায়সারা সংস্কারের কাজ। যেটা এ এলাকার মানুষের কোনদিন কাম্য ছিলনা। রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। উঠে গেছে পিচ ও পাথর। যানবাহনগুলো অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অন্তত ৩ বছর ধরে সড়কটির এ অবস্থা। ফলে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের কষ্টের শেষ নেই। ওই ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় চারের তিন অংশ ভাঙাচোরা। সড়কটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে এর আগেও কয়েকবার কয়েকটি স্থানে ইট দিয়ে গর্ত ভরাটের কাজ করেছেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রাস্তাটি জনবহুল হওয়ায় এটা বেশি দিন স্থায়িত্ব লাভ করেনি। বংশীপুর থেকে মুন্সিগঞ্জ বাজার পর্যন্ত কমপক্ষে ২০টি স্থানে গর্ত তৈরি হয়েছে। এসব বড় গর্তের কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো স্থানে রাস্তা এতটাই খারাপ যে অনেক যানবাহনের চালক ভাঙাচোরা স্থান এড়িয়ে পাশের মাটির অংশ ব্যবহার করেন। বিগত কয়েকদিন পূর্বে মহান সংসদে সাতক্ষীরা-৪ আসনের মাননীয় সাংসদ জনাব এস,এম জগলুল হায়দার এ এলাকার মানুষের ভোগান্তির কথা তুলে ধরেছিলেন।এ জন্য সাতক্ষীরার সকল স্থরের মানুষ সাংসদকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন সংসদ সদস্যকে।এবং রাস্তাটি আবার তার প্রাণ ফিরে পাবে এ আশায় বুক বেধেছিল এলাকার জনগন।তাদের কষ্ঠ লাঘবের স¦প্ন দেখেছিল তারা।পথে চলাচলকারী কয়েকজন যাত্রী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় “রাস্তাটি ভালোভাবে মেরামত না করে দায়সারা মেরামত করা হচ্ছে যেটা কোনদিন কারো কাম্য ছিলনা।” হযরত গাজী নামে একজন পথচারী বলেন “আমরা অত্যন্ত কষ্ঠ করে প্রতি নিয়ত যাতায়াত করি ভেবেছিলাম রাস্তাটি ঠিক হবে কিন্তু যেভাবে কাজ হচ্ছে তা দেখে ভালো লাগার চেয়ে কষ্ঠ হচ্ছে।” এ বিষয়ে রোডস’র জেলা অফিসে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। আর এই ধরনের দায়সারা কাজ রেখে পূর্ণ রুপে কাজ করার আহবান জানিয়েছে এলাকার সুশীল সমাজ।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরায় আদালতের রায় পেয়েও নিজ বাড়িতে বসবাস করতে পারছেনা পিতা ও পুত্র। পৈত্রিক সম্পত্তির বন্ঠনের জের ধরে শহরের ১নং ওয়ার্ডের কাটিয়া এলাকার সাবেক ব্যাংকার আব্দুল মাজেদ ও তার পুত্র মোস্তফা ইকবাল মাহমুদ নানাভাবে হয়রানী, হুমকি ধামকির কবলে পড়েছে। নিজ বসত ভিটায় পৌর বিধির প্লান অনুযায়ী বিল্ডিং নির্মান কাজে তার নিজ কন্যা শামীমা নাসরিন স্থানীয় ক্ষমতাসীন নেতার প্রভাব দেখিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জীবন নাশের হুমকি ও নির্মানাধীন বিল্ডিংয়ের কাজ বন্ধ করে ও ক্ষান্ত হননি। এর পরেও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিজ পিতা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইং-১৮/০৯/২০১৬ তারিখে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করে । একই মামলায় আদালতের শরনাপনর্ণ হলে ইং- ২৪/০১/২০১৭ তারিখে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উভয় পক্ষের দলিল দস্তাবেজ পর্যালোচনা করে যে যার স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তিতে পৌরসভার অনুমোদিত নকশা এবং নীতিমালার আলোকে গৃহ নির্মান কাজ করার জন্য আদেশ প্রদান করে। আদালতের রায় উপেক্ষা করে শামীমা নাসরিন নিজ পিতা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে নির্মান কাজে বাঁধা ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। সাবেক ব্যাংকার আব্দুল মাজেদ জানান, আমার অবাধ্য সন্তান শামীমা নাসরিন। আমার ছেলে মোস্তফা ইকবাল মাহমুদের বাড়ির নির্মান করতে বাঁধা প্রদান ও প্রতিনিয়ত দেশীয় অস্ত্র দা, বটি ও শাবলসহ গালিগালাজ করে রাজ মিস্ত্রীদের কাজ করতে দিচ্ছেনা। সেই সাথে ক্ষমতাসীন এক রাজনৈতিক নেতা ঐ মেয়ের পক্ষ নিয়ে আমাকে জেএমবি’র মামলা দেওয়ার হুমকি-ধামকি অব্যাহত রেখেছে। নিয়তির কি নির্মম পরিহাস বয়সের শেষ প্রান্তে এসে নিজ কন্যার দ্বারা লাঞ্চনা গঞ্জনা সহ্য করতে হচ্ছে। আমি ২ ছেলে ও ১ মেয়েকে ৪৪ শতক জমির মধ্যে বড় ছেলেকে ১৪ শতক, ছোট ছেলেকে ৮ শতক এবং মেয়েকে ৯ শতক, স্ত্রীর নামে সাড়ে ৬ শতক এবং আমার নিজ নামে সাড়ে ৬ শতক জমি কোবালা দলিল করে বন্ঠন করে দিয়েছি। কিন্তু আমার মেয়ে তাতে সন্তষ্ট হতে পারছেনা। মেয়ে নিজ ভাগের জমিতে আগেই তার ভাই ইকবালের ১৪ শতক জমির মধ্যে ৪ শতক জমি দখল করে ঘর তৈরী করে। ইকবাল যখন ঘর তৈরী করে তখন তার বোন শামীমা নাসরিন গৃহ নির্মানে নানাভাবে বাঁধা প্রদান করে আসছে এবং উল্টো আমার নামে ও তার ভাইয়ের নামে কোর্টে ১৪৫ ধারার মামলা এবং সদর থানায় অভিযোগ দাখিল করে। সম্প্রীতি ইকবাল মাহমুদ তার নিজ জায়গায় মিস্ত্রী নিয়ে ঘরের কাজ করছিল। সেই মুহুর্তে তার বোন শামীমা নাসরিন কাজে বাঁধা দেয় এবং পৌরসভায় কাজ বন্ধের আবেদন করে। পৌরসভা জমি ও আদালতের কাগজপত্র দেখে স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তিতে পৌরসভার অনুমোদিত নকশা এবং নীতিমালার আলোকে গৃহ নির্মান কাজ করার জন্য অনুমতি প্রদান করে । শামীমা নাসরিন কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আদালতের রায় মানতে সে নারাজ। নিজ কন্যার অত্যাচারে অসহায় পিতা ও পুত্র মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সমাজের বিবেকবান মানুষের কাছে শরানাপর্ণ ও আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
চাঁদপুরের হাইমচরে শিক্ষার্থীদের পিঠের ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বাদী হয়ে মামলাটি করেন।