সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

1491314705-mymen-jmb-pic photo-1491314620ময়মনসিংহ শহরে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার সাতজনের মধ্যে ছাত্রলীগের এক নেতাও রয়েছেন। তিনি হলেন জেলার ধোবাউড়া উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আল আমিন (২৫)।

সোমবার দুপুরে আল আমিনসহ সাতজনকে ময়মনসিংহ শহরের কালীবাড়ী সড়কে আওয়ামী লীগের নেতা মরহুম অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল কাদিরের ছেলে অ্যাডভোকেট আসিফ আনোয়ার মুরাদের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ধোবাউড়া ছাত্রলীগ, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মতে, গ্রেপ্তার হওয়া আল আমিন ধোবাউড়ার বাঘবেড় ইউনিয়নের মুন্সিরহাট দিঘিরপাড় গ্রামের কৃষক ইকবাল হোসেনের ছেলে। আল আমিন একসময় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রনির সঙ্গে চলাফেরা করতেন। পরে মুন্সীরহাটে সারের ব্যবসা শুরু করেন। ছয়-সাত মাস আগে তিনি ওই ব্যবসা ছেড়ে দেন। ওই সময়ে হঠাৎ তাঁর মধ্যে কিছু পরিবর্তন লক্ষণ করা যায়। আল আমিন দাড়ি রাখেন এবং নিয়মিত নামাজ পড়েন। গত ২৪ মার্চের পর তাঁকে আর এলাকায় দেখা যায়নি। তাঁর বাবার তেমন জমিজমা নেই। তবে দু-তিন মাস ধরে মাছের হ্যাচারির ব্যবসা করেন। ব্যবসার পুঁজি কীভাবে সংগ্রহ করেছেন তা কারো জানা নেই। জমিজমা বিক্রি করার খবরও কেউ জানেন না।

আল আমিনের চাচাতো ভাই বাঘবেড় ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকির হোসেন জানান, জঙ্গি সন্দেহে আটক সাতজনের মধ্যে হালুয়াঘাট উপজেলার দরিয়াকান্দা গ্রামের মারফত আলীর ছেলে শহিদুল ইসলামের (২৮) সঙ্গে দুই বছর আগে আল আমিনের পরিচয় ঘটে। আল আমিন ব্যবসা ছেড়ে দিলে তাঁকে নিজের ব্যবসায় পার্টনার করে মাছের খাবারের ব্যবসা শুরু করেন।

বাঘবেড় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ হোসেন মিলন জানান, আল আমিন একজন আওয়ামী পরিবারের ছেলে। তাঁর চাচাতো ভাই জাকির হোসেন ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি। চাচা মোফাখখারুল ইসলাম ছাত্রলীগের ইউনিয়ন শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি। দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে আল আমিন সামনের সারিতে থাকতেন। এই হিসেবে তাঁকে ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতির পদ দেওয়া হয়ছে। তিনি জঙ্গি প্রমাণিত হলে অথবা কোনো খারাপ কাজে জড়িত থাকলে অবশ্যই সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে।

ধোবাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রনি বলেন, ‘আল আমিন একসময় ছাত্রলীগ করতেন। ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে যোগদান করতেন। তাঁর বর্তমান পরিচয় ছাত্রলীগের আদর্শ পরিপন্থী।’ মিডিয়ার মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে তাঁর কঠোর শাস্তি ও বিচার দাবি করেন এই ছাত্রলীগ নেতা।

ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলম বলেন, ‘আমরা খোঁজ-খবর নিয়েছি, আল আমিন ছাত্রলীগ করতেন। বাবা মাছের হ্যাচারির ব্যবসা করেন। দুই ভাই-বোন রেখে মা অন্যত্র বিয়ে করে চলে যান। বাবা পরে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর আরো দুই সন্তান হয়। আল আমিন সৎমায়ের ঘরেই বড় হয়েছেন। দুই ভাই-বোনের মধ্যে আল আমিন ছোট, সহোদর বড় বোন বিবাহিত, একজন স্কুলশিক্ষক।’

এদিকে ঢাকা থেকে পুলিশের এসবির বিশেষ দল ও ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ যৌথভাবে আটক সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তাদের দেওয়া তথ্য মতে, বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমারত হোসেন গাজী এই তথ্য জানিয়েছেন। তবে এখনো মামলা হয়নি।

গত সোমবার জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য সন্দেহে সাতজনকে কালিবাড়ী সড়কের একটি বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। বাড়িটি থেকে একটি কম্পিউটার, একটি মোটরসাইকেল, একটি ব্যাংকের চেকবই ও বেশ কিছু বইও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন—জেলার ধোবাউড়া উপজেলার আল আমিন (২৫), হালুয়াঘাট উপজেলার শহীদুল ইসলাম (২৮) ও আশিকুর রহমান (২৮), নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার শাহ আল রোমান শামীম (২৭), মাসুম আহমেদ (৩০) ও রুমান মিয়া (২৭) এবং জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার নাসির উদ্দিন (২৭)। তাঁদের মধ্যে মাসুম তিনটি ভোগ্যপণ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ডিলার। নাসির উদ্দিন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে  মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম।

ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আটকদের কাছ থেকে টাকা-পয়সার একটা হিসাব পাওয়া গেছে। তাঁদের কাছে ৫০ লাখ টাকা লেনদেনের একটি চেক পাওয়া গেছে। টাকা এখান থেকে অন্য কোথাও পাচার করেছে। বিষয়টি পুরোপুরি তদন্ত করে দেখতে একটু সময় লাগবে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, বেশ কয়েক দিন ধরে পুলিশ ওই বাড়ির বাসিন্দাদের ওপর নজর রাখছিল। তাঁদের গতিবিধি, আচরণ জেএমবির মতোই। সোমবার বেলা আড়াইটায় সন্দেহভাজন জেএমবি সদস্যদের আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় একটি কম্পিউটার, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের একটি চেকবই, একটি মোটরসাইকেল, কিছু উগ্রপন্থী বই, কিছু তার ও অন্যান্য সরঞ্জাম।

এদিকে, পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত বাড়িটিতে পুলিশ প্রহরা চলবে বলে জানিয়েছেন রিজার্ভ পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

cnebcf_prv_স্পোর্টস ডেস্ক: শুরুতে ধাক্কা, এরপর সৌম্য-সাব্বিরের পাল্টা আক্রমণ; তারপর আবারও ছন্দপতন। বল হাতে শুরুতে উইকেট নেওয়ায় ব্যর্থতা। তারপর অবসর ঘোষণা দেওয়া অধিনায়ক মাশরাফির জোড়া আঘাতে ম্যাচে ফেরা। ম্যাচের শেষ দিকে বলের বিপরীতে রানের লড়াই চলেছে।  গোটা ম্যাচে এভাবেই উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে গেছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার দিয়েই শুরু হলো টাইগারদের। ১৫৬ রানের টার্গেটে ৬ উইকেট  হাতে রেখেই পৌঁছে গেল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান করে বাংলাদেশ দল। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার কাপ্তান মাশরাফি বিন মতুর্জা।

বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টিতে কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ ছিল। বৃষ্টি থামার পর ৮টার দিকে খেলা শুরু । কিন্তু শুরুতেই লাসিথ মালিঙ্গা ঝড়ের কবলে পড়ে বাংলাদেশ। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে তামিম ইকবালকে বোল্ড করেন মালিঙ্গা।

প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলটি আঘাত হানে স্ট্যাম্পে। ইয়র্কার লেন্থের বলটি বুঝে উঠতে পারেননি তামিম। সরাসরি বোল্ড আউট হয়ে বাংলাদেশ ওপেনার ফিরে যান সাজঘরে।

ভালোই ব্যাটিং করছিলেন সাব্বির রহমান। দ্বিতীয় উইকেটে সৌম্য সরকারের সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়েছিলেন তিনি। দুর্ভাগ্য তার। প্রান্ত বদল করতে গিয়ে রান আউটে কাটা পড়েন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট খ্যাত এই ক্রিকেটার। বিদায়ের আগের ১৪ বলে দুটি চারের সাহায্যে করেছেন ১৬ রান।

সাব্বির রহমানের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারলেন না সৌম্য সরকারও। ২০ বল খেলে ৩টি চার ও একটি ছক্কায় ২৯ রান করেন। ষষ্ঠ ওভারে ভিকুম সঞ্জয়ার বলে মিড অফে থিসারা পেরেরার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সাজঘরে।

বাংলাদেশ দল: মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান রুম্মন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ywcaxc_hotবৈশাখ আসতে এখনো বেশ কয়েকদিন বাকি কিন্তু এখনই ঠিক যেন বৈশাখেরই দাবদাহতা। চারপাশের ভ্যাপসা গরমে টিকে থাকা দায়। তাই বলে কি থেমে থাকবে জীবন পরিক্রমা? চেষ্টা করতে হবে নিজেকে ভালো রাখার। আসুন জেনে নিই এই গরমে কী খাবেন আর কী খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন।

প্রচুর পানি খান
গরমকালে সুস্থ্য থাকার অপরিহার্য উপায় হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। সারা দিনই বারবার পানি পান করতে হবে। গরমে প্রচুর ঘাম হয়, কিছুক্ষণ কাজ করলেই শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই লক্ষ্য রাখতে হবে শরীর যেন কোনভাবেই পানিশূন্য না হয়ে পড়ে।

জাঙ্কফুড একদম নয়
ভাজাপোড়া, তেল-চর্বিজাতীয় খাবার যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত গরমে তৈলাক্ত খাবার হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

গরমে ফল খান
গ্রীষ্মকালে ফলের প্রাচুর্য থাকে। পাওয়া যায় প্রচুর পাকা ফল। শরীর ভালো রাখতে হলে বেশি করে মৌসুমী ফলমূল খেতে পারেন। বিশেষ করে তরমুজ তো গরমকালের খাবার হিসেবে অসাধারণ। একটি দারুণ তথ্যও জেনে নিন, যদি সারাদিন আর কিছু না খেয়ে কেবল তরমুজ খেয়েই কাটান তাহলে ওজন এক দিনেই কমে যাবে অনেকটা!

কোমল পানীয় বর্জন করুন
আমরা গরমকালে সবচেয়ে বড় যে ভুলটা করি তা হলো বেশি বেশি কোমল পানীয় খাওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এগুলো আসলে পেটকে ঠাণ্ডা করার পরিবর্তে শরীর গরম করে দেয়। এর ফলে এগুলো খেয়ে গরম থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না। কোমল পানীয় সাময়িক তৃপ্তি দিলেও তা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই চেষ্টা করুন কোমল পানীয়র বদলে কেবল পানি পান করার। এছাড়াও লেবুর শরবত ও অন্যান্য টাটকা

দুগ্ধজাতীয় খাবার কম খাবেন
গরমকালে ভালো থাকতে হলে প্রতিদিনের খাবার তালিকা থেকে দুধ ও দুগ্ধ জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। যেমন দুধ, পনির, দই ইত্যাদি। কারণ এসব খাবার শরীরে তাপ উৎপাদক। তাই গরমের সময় এই জাতীয় খাবার যত কম খাবেন ততই ভালো।

সুযোগ পেলেই সালাদ খান
যারা দুপুরে ভারী খাবার গ্রহণ করেন, তাদের জন্য ভাত, প্রচুর শাকসবজি, ছোট-বড় মাছের হালকা রান্না, ডালসহ গোশত, ডিম অভ্যাস মতো পরিমাণে খেতে পারেন। যা-ই খান না কেন সালাদ কিন্তু খেতেই হবে। শুধু দুপুরের খাবারে নয়, রাতের খাবারের সাথেও সালাদ খেতে পারেন কিংবা শুধু সালাদও খেতে পারেন।

আমিষ কম খেলে ভালো
মাংস, তা সে যতই স্বাস্থ্যকর উপায়ে রান্না করা হোক না কেন; গরমকালের জন্য সঠিক খাবার নয়। বিশেষ করে তন্দুরি, মশলাদার মাংস তো এ সময়ে স্বাস্থ্যকর নয়ই। এমনকি মাছ, তা সে পুষ্টিতে ভরপুর সামুদ্রিক মাছ হলেও যতোটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই বাঞ্ছনীয়। কারণ আমিষ জাতীয় এই খাবার দেহকে উত্তপ্ত করে, ফলে ঘাম বেশি হয় এবং খাবার হজমে সমস্যা হয়।

খেতে হবে শাক-সবজি 
গরমকালে প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি খেতে হবে। এখন লাউ পাওয়া যায়। শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে, সবজি হিসেবে লাউ বা এ জাতীয় শাক-সবজি খেতে পারেন। তবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অল্প পরিমাণ আমিষের উপস্থিতিও নিশ্চিত করুন। না হলে আপনি কাজে-কর্মে শক্তি পাবেন না।

সস ও পনিরকে না বলুন
যেকোনো ধরনের সস দিয়ে তৈরি খাবার কিংবা শুধু সসও এ সময়ে খাদ্যতালিকায় রাখা উচিৎ নয়। বিশেষ করে, পনিরের সস পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে হবে। সসের সাথে দেহে প্রবেশ করে প্রায় সাড়ে ৩০০ ক্যালরি এবং এর ফলে আপনার দেহে ক্লান্তি আসবে, শরীর ভার ভার মনে হবে। কিছু সসে অতিরিক্ত মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট এবং লবণ থাকে। তাই সস না খাওয়াই ভালো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_2030445159_1491284402-png-pagespeed-ic-9_bpl-epqgব্লেডগুলো ধারাল হওয়ার কারণে সাধারণত টেবিল ফ্যানের সামনে এক ধরনের ঢাকনা থাকে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে। কারণ দ্রুত বেগে ঘুরতে থাকা ওই ফ্যানের ব্লেডের সামনে কোনো কিছু পড়লে সাথে সাথে কেটে যায়।

তবে ইতালির একটি গেম শো’তে জিহ্বা দিয়ে ধারাল ফ্যানের ব্লেড থামিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান এক নারী। তিনি পেশায় একজন সার্কাস কর্মী। তার নাম জো ইলিস।

নারী সার্কাস কর্মী জো এক মিনিটে ৩২ বার বন্ধ করেছেন খুব দ্রুতবেগে চলা ৩৫ ওয়াটের দুটি ফ্যান। ফ্যানটিকে একবার বন্ধ করতে তার সময় লেগেছে দুই সেকেন্ডেরও কম সময়। হাত দিয়ে ফ্যানের ব্লেড থামাতে গেলেই যেখানে দুর্ঘটনার ভয় থাকে সেখানে তিনি তা বন্ধ করেছেন জিহ্বা দিয়ে। জিহ্বা দিয়ে ফ্যান বন্ধ করে জো ইলিস নাম লিখিয়েছেন গিনেস বুকে।

ওই গেম শো’তে উপস্থিত লোকজন জো ইলিসের এই কাণ্ড দেখে চমকে যান। জিহ্বা দিয়ে ফ্যান বন্ধ করার ভিডিওটি ইউটিউবে প্রকাশের পর রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গেছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

received_10213325742243728121এম, বেলাল হোসাইন : সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতিপেদে এড. শাহ আলম ২৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এড. শেখ আব্দুর সাত্তার ১৮৮ ভোট পেয়েছেন। সভাপতি পদে অপর দুই প্রার্থী এড. খোদা বক্স ৭ ভোট এড. ইয়ারুল হক ২ ভোট পেয়েছেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে এড. ওসমান গণি ২৭৭ ভোটে পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এড. মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ১২২ ভোট।
(বিস্তারিত পরে আসছে)
এর আগে আজ শান্তিপূর্ণভাবে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতীহীনভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের ভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪৭১। মোট ভোট প্রদান করেছেন ৪৩৯ জন ভোটার। ১১টি পদে ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রউফ। সহকারী নির্বাচন কমিশনার এ্যাডঃ তারক কুমার মিত্র, এ্যাডঃ আনিসুর কাদির ময়না, এ্যাডঃ জহুরুল হক, এ্যাডঃ কামরুন্নাহার ছবি। ইতিমধ্যে মহিলা সম্পাদিকা পদে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এ্যাডঃ নাদিরা পারভিন। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ এম, শাহ আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ শেখ আব্দুস ছাত্তার, এ্যাডঃ খোদাবক্স, এ্যাডঃ ইয়ারুল হক। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিজ্ঞ পিপি এ্যাডঃ ওসমান গনি, এ্যাডঃ মোস্তফা কামাল উদ্দিন, এ্যাডঃ এস,এম, আব্দুল বারী(২)। সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন প্রতি বছরের ন্যায় খুবই জাকজমকপূর্নভাবে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগীতায় শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরার সুযোগ্য জেলা ও দায়রা জজ জোয়ার্দ্দার মোঃ আমিরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে জজশীপ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেসির বিচারকবৃন্দ সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন পর্যাবেক্ষণে যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

mashrafiস্পোর্টস ডেস্ক : আর কিছুক্ষণ পরেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। মাশরাফি বিন মুর্তজার অধিনায়কত্বেই এই ম্যাচে খেলতে নামছে লাল-সবুজের দল। অথচ এরই মধ্যে একটি ঘোষণা দিয়ে ফেললেন নড়াইল এক্সপ্রেস। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বদলে দেওয়ার এই নায়ক। মঙ্গলবার মাশরাফি তাঁর ফেসবুক পেজে এই ঘোষণা দেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই সিরিজ খেলেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন তিনি।
নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে মাশরাফি তাঁর ভক্ত-সমর্থকদের উদ্দেশে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ টিমকে টি-টোয়েন্টি ইন্টারন্যাশনালে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য অনেক গর্বের। আমি বিশ্বাস করি বর্তমান দলটি একটি ভালো দল এবং দলে কিছু উদীয়মান খেলোয়াড় আছে। আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য এবং আমাকে এত চমৎকার দলের নেতৃত্বের সুযোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমি আমার সকল ভক্ত, পরিবার এবং বন্ধুদের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ আমাকে সব সময় সমর্থন করার জন্য। এই সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্থান এবং পতন ছিল। আমি সব সময় চেষ্টা করেছি আমার ফ্যানদের খুশি করার। আমি আমার প্রত্যেক ফ্যানের কাছে তাদেরকে প্রতি ম্যাচে খুশি করতে না পারার জন্য ক্ষমা চাইছি। এই মুহূর্তে দল হিসেবে আমরা ভালো খেলছি। আমি নিশ্চিত, বাংলাদেশ সামনের দিনগুলোতেও ভালো ক্রিকেট খেলবে।
‘আমি মনে করি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অবসর নেওয়ার জন্য এটাই আমার উপযুক্ত সময় যাতে অনেক তরুণ উদীয়মান ক্রিকেটার তাদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারে এবং বিসিবি তাদেরকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারে। আমি বাংলাদেশ এর টি-টোয়েন্টি টিমের নতুন অধিনায়ককে আগাম অভিনন্দন জানাই এবং আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেরা সময় সামনে আসবে।
শীঘ্রই আবার দেখা হবে। সকলের জন্য আমার আন্তরিক ভালোবাসা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

news-pic-04-04-17লফিকার আলী : কলারোয়ায় দুই রাউন্ড তারা গুলিসহ একটি ওয়ান সুটার গান উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ জানান, তার নেতৃত্বে থানার এসআই ইয়াছিন আলম চৌধুরী, এমদাদুল হক, শেখ নাজিবুর রহমান, সেলিম রেজা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের কুটি বাড়ীর মোড় থেকে পরিতাক্ত অবস্থায় ২রাউন্ড তাজা গুলিসহ একটি ওয়ান সুটার গান উদ্ধার করে। এঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি জিডি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জুলফিকার আলী, কলারোয়া : মঙ্গলবার বেলা ১২টার  দিকে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ওষুধ প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের যৌথ অভিযানে ৩গাজা সেবনকারী ও এক ফার্মেসী মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার রায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত চলাকালে কলারোয়া উপজেলার কাজিরহাট হাইস্কুলের সামনে পুকুর পাড়ে গাজা সেবনকালে যশোরের  নওপাড়া গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে মিজানুর রহকমান (২৫) একই গ্রামের কালু ড্রাইভারের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৫) ও কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের হুলহুলিয়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে টিপু সুলতান (২৩)কে আটক করে। পরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে প্রত্যেককে ২হাজার করে মোট-৬হাজার টাকার জরিমানা করেন আদালত। এরপর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার রায় জেলা ড্রাগ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সাথে নিয়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে কলারোয়া পৌর বাজারের মৌসুমি ফার্মসীতে অভিযান পরিচালনা করেন। সেখানে কলারোয়া হাসপাতালের সরকারী ওষুধ ও কিছু ভারতীয় ওষুধ থাকায় তাকে তাৎতক্ষণিকভাবে ১০হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহযোগিতা করেন কলারোয়া উপজেলার কেমিস্ট এ্যান্ড  ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব কাজী শামসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ডাঃ শামসুর রহমান, কলারোয়া থানার এসআই মাফিজুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বেঞ্চসহকারী এমএ মান্নান ও সাংবাদিক জুলফিকার আলী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest