tala-picture-22-01-17
তালা প্রতিনিধি: বিশিষ্ট পরমানু বিজ্ঞানী ড. এম মতিউর রহমান কে সভাপতি এবং সাংবাদিক মো. নূর ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে তালা উপজেলা কিন্ডার গার্টেন স্কুলএসোসিয়েশন এর ৯ সদস্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার সকালে পাটকেলঘাটা আল ফারুক আদর্শ অ্যাকাডেমিতে উৎসবমূখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই কমিটি গঠন করা হয়। ৩বছর (২০১৭-২০১৯)এর জন্য গঠতি পূর্নাঙ্গ কমিটির সভাপতি হিসেবে পাটকেলঘাটা সোনামনি কেজি এন্ড প্রি-পারেটরী স্কুল এর পরিচালক ড. এম. মতিউর রহমানকে আবারো সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এছাড়া তালা শিশু তীর্থ এর অধ্যক্ষ সাবিনা ইয়াসমিনকে পুনরায় ও আল ফারুক আদর্শ অ্যাকাডেমির অধ্যক্ষ আব্দুল হালিমকে সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। তালা আল আমীন অ্যাকাডেমির সিনিয়র শিক্ষক সাংবাদিক মো. নূর ইসলামকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। অর্থ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পাটকেলঘাটা প্রি-ক্যাডেট স্কুল এর অধ্যক্ষ মো. আশরাফ আলী। প্রচার সম্পাদক হিসেবে আব্দুর রহমান আদর্শ অ্যাকাডেমির অধ্যক্ষ মো. হাফিজুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। অপরদিকে সদস্য হিসেবে পিটিডি অ্যাকাডেমির অধ্যক্ষ মো. শিমুল বিল্লাল (বাপ্পি), পাটকেলশ্বলী শিশু বিদ্যাপিট এর অধ্যক্ষ দিলিপ কুমার এবং সানরাইচ প্রি-ক্যাডেট এর অধ্যক্ষ মো. ছায়ফুল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনকালে তালা উপজেলা সকল কিন্ডার গার্টেন স্কুল এর প্রধান সহ শিক্ষক মন্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

satkhira-presscon-photo-22-1-17-3
প্রেসবিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরায় ভূমিদস্যু বশির অহম্মেদেরে সহযোগিতায় আশাশুনি উপজেলার হাজিপুর গ্রামের মহিদ হাজরাসহ এলাকার ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে জালদলিলের মাধ্যমে সরকারি খাসজমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন উপজেলার হাজীপুর, কাটাখালী, ছয়কনা, বাউচাষ ও বদরতলা গ্রামের নির্য়াতিত অসহায় জনগণ। সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্যে হাজীপুর গ্রামের শ্রী সুবোধ কুমার স্বর্নকার বলেন, ভূমিদস্যু বশির অহম্মেদ ২০০০ সালে জালচক্রের হোতা মহিদ হাজরার সহযোগিতায় আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের কাটাখালী ও হাজীপুর মৌজার সরকারি খাসজমি জাল দলিল তৈরী করে সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করে। ২০০৫ সালে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে ২/৩ দিনের মধ্যে ২/৩’শ বিঘা জমির ৬/৭ টি মাছের ঘের দখল করে নেয়। এসব খাস জমি এলাকার দুঃস্থ গরিব জনগণ সরকারের কাছ থেকে ডিসি আর নিয়ে ১৫/২০ বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছিল। প্রতিবাদ করায় উল্টো ডিসিআর গ্রহিতা ২০/২৫ জন নিরীহ লোকের নামে ১০/১২টি মিথ্যে মামলা দিয়ে তাদেরকে এলাকা ছাড়া করে। এরপর থেকে এলাকার বঞ্চিত ভুক্তভোগিরা খাস জমি ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশায় আজও আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এলাকার হাজী মিলন গাজী ও হাজী আশরাফ গাজীর মালিকানাধীন বড়মুক্তখালী ও ছোটমুক্তখালী ঘেরের মধ্যে থাকা ৪০/৫০ বিঘা সরকারি খাস জমি ভূমিদস্যুদের কাছ থেকে দখলমুক্ত করে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ডিসিআরের মাধ্যমে এলাকার দুঃস্থদের মাঝে ভাগবন্ট করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বিষয়টি জানতে পেরে উক্ত জালচক্র ও ভুমিদস্যু ২০১৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বর মাসের মধ্যে উল্লেখিত দুইজন ঘেরমালিক ও গ্রামবাসীর নামে ৮/১০ টি মিথ্যে মামলা দিয়ে এলাকায় পুলিশ আতংক সৃষ্টি করে রেখেছে। বর্তমানে ভূমিদস্যুরা তাদের লাঠিয়াল ও সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে পূর্বের ন্যায় এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে অবশিষ্ট খাস জমি দখলের পায়তারা শুরু করেছে। এব্যাপারে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। পুলিশ প্রশাসন ও ভূমি অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা তাদের এসব অপরাধে সহযোগিতা করে থাকে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, এসব ভূমিদস্যুদের নামে থানায় কোন অভিযোগ দেয়াটা দুঃস্বপ্নের ব্যাপার। অথচ এই ভূমিদস্যু শুধুমাত্র ফোন করে দিলেই কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই জেলার যে কোন থানায় সমাজের সব চেয়ে ভাল মানুষটির নামেও মিথ্যে মামলা রেকড করা হয়। গ্রেফতার হয়ে যেতে হয় কারাগারে। গত নভেম্বর মাসে জেলার বিভিন্ন থানায় ৮/১০ টি মিথ্যে মামলা দিয়েছে তারা। এই ভুমিদস্যু ও জালচক্রটি বিগত ২০০৭ সাল থেকে অদ্যবধি এলাকার নিরীহ মানুষের নামে প্রায় ৩০টির মত মিথ্যে মামলা দায়ের করেছে। এসব অধিকাংশ মামলার কোন নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়াই চার্জশীট দেয়া হয়েছে। তিনি ভূমিদস্যু বশির আহম্মেদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষকে রক্ষা ও মিথ্যে মামলার দায় থেকে অব্যহতি দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি আবুল খায়ের ও সাধারন সম্পাদক আলী নুর খান বাবুল উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc03064-copy-large
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা এবং মতবিনিময় করেছে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ। রোববার দুপুরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির খান বাপ্পি, ট্রেজারার শেখ মাসুদ আলী, নির্বাহী সদস্য শেখ আব্দুল কাদের, আনোয়ার হোসেন আনু, আবুল কাশেম বাবর আলী, স.ম সেলিম রেজাসহ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

20170111_191135-large
গাজী আল ইমরান,শ্যামনগর: উপজেলার শ্যামনগর-মুন্সিগঞ্জ রাস্তার বিভিন্ন স্থান ভেঙে চুরে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কয়েকটি স্থানে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। উঠে গেছে পিচ ও পাথর। যানবাহন গুলো অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অন্তত ৩ বছর ধরে সড়কটির এ অবস্থা। ফলে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের কষ্টের শেষ নেই। ওই ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় চারের তিন অংশ ভাঙাচোরা। এসব স্থানে বহু গর্ত তৈরি হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী বলছেন, রোডস’র আদলে থাকায় আমার এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছেনা এ বিষয়ে রোডস’র সাতক্ষীরা অফিসে কথা বলতে হবে’। কিন্তু রোডস’র সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। সড়কটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে কয়েকটি স্থানে ইট দিয়ে গর্ত ভরাটের কাজ করেছেন কর্তৃপক্ষ। বংশিপুর থেকে মুন্সিগঞ্জ বাজার পর্যন্ত কমপক্ষে ২০টি স্থানে গর্ত তৈরি হয়েছে। এসব বড় গর্তের কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো স্থানে রাস্তা এতটাই খারাপ যে অনেক যানবাহনের চালক ভাঙা চোরা স্থান এড়িয়ে পাশের মাটির অংশ ব্যবহার করেন। আর মাটির ওপর দিয়ে যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করায় আরোহীরা ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে বিগত কয়েকদিন পূর্বে মহান সংসদে সাতক্ষীরা-৪ আসনের মাননীয় সাংসদ এস,এম জগলুল হায়দার এ এলাকার মানুষের ভোগান্তির কথা তুলে ধরেছিলেন। এ জন্য সাতক্ষীরার সকল স্থরের মানুষ সাংসদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পথে চলাচলকারী কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে সড়কটির বেশিরভাগ স্থান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। গত বর্ষা মৌসুমে এ স্থানগুলো একেবারে ভেঙে চুরে ক্ষতবিক্ষত হয়। মাঝে মধ্যে ইট দিয়ে গর্ত ভরাট করা হলেও তা বেশি দিন টেকে না।ওই পথের বাসচালক নজরুল ইসলাম, নুর ইসলাম, শফি উদ্দিন বলেন, যাত্রী বোঝাইবাস নিয়ে এই ভাঙা চোরা রাস্তাতেই চলতে হয়। অনেক স্থানে তাঁরা মাটির ওপর দিয়ে গাড়ি চালাতে বাধ্য হন। এতে সব সময় ঝুঁকির মধ্যে থাকেন তাঁরা। ট্রাকচালক আজিজুল ইসলাম বলেন, এই রাস্তায় পণ্য বোঝাই করে ট্রাক চালিয়ে নিতে খুব কষ্ট হয়; গাড়ি উল্টে যাওয়ার আতঙ্কে থাকেন। ইজিবাইক চালক কামরুজ্জামান,সাধন কুমার বলেন, ভাঙা রাস্তা দিয়ে বড় গাড়ি যেতে পারলেও ছোট গাড়িগুলো প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। আর এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি চেয়েছেন হাজার হাজার সাধারন ভ্যান,সাইকেল চালক সহ সাধারণ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

manob-pic-large
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাভার প্রতিনিধি নাজমুল হুদার নিঃশর্ত মুক্তি এবং তার বিরুদ্ধে নির্যাতনমূলক মামলার দায়ে করা আশুলিয়া থানার ওসি মহাসিনুল কাদিরসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রোবববার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে এ কর্মসূচী পালিত হয়। এনটিভি ও দৈনিক যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক কালের চিত্রের সম্পাদক অধ্যাপক আবু আহমেদ, দৈনিক দক্ষিনের মশালের সম্পাদক আশেক-ই-ইলাহি, সমকাল ও এটিএন বাংলার সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান, সময় টেলিভিশনের মমতাজ আহমেদ বাপী, আমাদের সময় ও মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের মুস্তাফিজুর রহমান উজ্জল প্রমুখ। ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচী থেকে সাংবাদিক নাজমুল হুদার নিঃশর্ত মুক্তি, তথ্য প্রযুক্তি আইনে ৫৭ ধারা বাতিল, সারা দেশে সাংবাদিকদের ওপর হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সাথে সাভারের আশুলিয়ায় কয়েকটি গার্মেন্টসের শ্রমিক অসন্তোষ এবং নিরাপত্তা দেওয়ার নামে কারখানা মালিকদের নিকট থেকে আশুলিয়া থানার ওসি মহাসিনুল কাদিরসহ কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহনের খবর বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশ করায় সাংবাদিক নাজমুল হুদাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। একইসাথে সাংবাদিক নাজমুল হুদার নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

cricket-scandalসেলেব্রিটি ইমেজ, উঠতি বয়সসহ বিভিন্ন কারণেই ক্রিকেটাররা স্ক্যান্ডালে জড়াচ্ছেন বলে সমাজবিজ্ঞানী ও সাবেক ক্রিকেটাররা মনে করছেন। করণীয় হিসেবে তারা বলেছেন, নতুন যারা ক্রিকেটে আসছেন তাদেরকে শেখাতে হবে কীভাবে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা যায়। ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে  নৈতিক শিক্ষা সর্ম্পকে ধারণা দিতে হবে।

জাতীয় দলের ক্রিকেটার রুবেল হোসেন এবং শাহাদত হোসেনের পরে আদালতের কাঠগড়ায় এবার আরাফাত সানি। রুবেলের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন এবং শাহাদতের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন অভিযোগের পর এবার গোপন বিবাহ ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে জড়িয়ে তথ্য প্রযুক্তি আইনে সানি প্রথমে আটক ও পরে আদালতের দেয়া রিমান্ডে এখন পুলিশ হেফাজতে।

ক্রিকেটাররা কেনো এ ধরণের স্ক্যান্ডালে জড়াচ্ছেন জানতে চাওয়া হলে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা বলেন: এর মূল কারণ হচ্ছে উঠতি বয়স। এই বয়সেই ক্রিকেটারদের মধ্যে অনেকে অনেক টাকা বানিয়ে ফেলেছেন।

টাকার বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গে আরাফাত সানি সর্ম্পকে হীরা আরো বলেন: ও সুন্দর চেহারার ছেলে, টাকা পয়সা আছে। তাই মেয়েরা একটু আকৃষ্ট হয়।

সানিসহ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের স্ক্যান্ডালকে দুঃখজনক জানিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচাইতে সফল ও দক্ষ উইকেট কিপারদের একজন হীরা বলেন: সব কিছুর একটা সীমা থাকা দরকার। সানির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তা যদি সে করে থাকে, তা ঠিক করেনি। এই বয়সে বন্ধু-বান্ধব থাকবেই, তবে সব কিছুই করতে হবে একটা সীমার মধ্যে।

ক্রিকেটারদের নিজেদের সাফল্য তাদের পরিবর্তন করে দিচ্ছে বলে মনে করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ এহসান হাবীব।

ড. শাহ এহসান বলেন: ক্রিকেটার, ফুটবলার বলে কথা নয়, আমাদের সমাজের যে কোনো মানুষের ইমেজ সঙ্কটের কারণেই এমনটা হচ্ছে। নিজেদের সাফল্যের জন্য তারা বাড়তি সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। নিজেকে ভাবে আমি আইনের উর্ধ্বে। সমাজ বিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে ‘ম্যান এগেইনিষ্ট সেলফ কনফ্লিক্ট’ বলা হয়। যে পরিস্থিতিতে মানুষ ভাল-মন্দের মধ্যে পার্থক্য বোঝার দ্বন্দ্বে পড়ে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্বার্থে স্ক্যান্ডাল রুখতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান শফিকুল হক হীরা ও ড. শাহ এহসান হাবীব।

স্ক্যান্ডাল বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ক্ষতিকারক হবে জানিয়ে সাবেক অধিনায়ক হীরা বলেন: স্ক্যান্ডাল কখনোই বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য গুড সাইন হতে পারে না। রুবেল-শাহাদত এমনকি আশরাফুলের  ক্ষেত্রেও বিসিবি কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবারো হয়তো এর বাইরে যাবে না বিসিবি। আরাফাত সানি যদি দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে তাকে অবশ্যেই তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য ক্রিকেট থেকে বহিস্কার করে তার সঙ্গে বিসিবির সব চুক্তি বাতিল করা উচিত।

দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে নতুন ও তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একটা নৈতিক ওরিয়েন্টেশনের ব্যবস্থা করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ এহসান হাবীব।

ড. শাহ এহসান বলেন: অনেক তরুণ এখন ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে যদি ক্রিকেট একাডেমি তাদের কীভাবে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে হবে এ বিষয়ে জ্ঞান দেয় তবে এমন স্ক্যান্ডাল থাকবে না। একটা পর্যায়ে এসে ক্রিকেট বোর্ডই খেলোয়াড়দের অভিভাবক হয়ে যায়। তাই বিসিবি’র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুতই গ্রহণ করা উচিত।

নাসরিন সুলতানা নামের এক নারীর অভিযোগ ও তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের একটি মামলার ভিত্তিতে ক্রিকেটার আরাফাত সানিকে রোববার সাভারের আমিনবাজার থেকে গ্রেফতার করে মোহাম্মদপুর থানায় নেয়া হয়। মোহাম্মদপুর থানা থেকে তাকে আদালতে পাঠানো হলে তাকে এক দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc03051-copyগত ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার দিনগত রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধা নগর সড়কে নিউ আধুনিক জুয়েলার্সে দূঃসাহসিক চুরির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখা। রোববার দুপুরে শহরের শহিদ নাজমুল স্মরণি রোডস্থ খান মার্কেটের সামনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি গৌর চন্দ্র দত্তের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুকুমার দাস, মানববন্ধনে একাত্বতা ঘোষণা করে বক্তব্য রাখেন পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এড. অনিত মুখার্জী, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন কর্মকার মন্টু, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলু, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক গৌরপদ রায়, দপ্তর সম্পাদক রায় দুলাল চন্দ্র, স্বর্ণ শ্রমিক সমিতি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র মজুমদার প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিউ আধুনিক জুয়েলার্সে চুরি যাওয়া মালামাল দ্রুত উদ্ধার করতে হবে। জেলার জুয়েলার্সের দোকান গুলোতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ঘণ্টা ব্যাপী মানববন্ধন শেষে গত ইং-১৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে রাধা নগর সড়কে সুভাষ চন্দ্র রায়ের নিউ আধুনিক জুয়েলার্সের স্বর্ণের দোকানে দুঃসাহসিক চুরির প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বরাবর একটি স্মারকলিপি দেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন কর্মকার মন্টু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fb_img_1484642311679সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ হাসিবুল হাসান ইমন হত্যার ঘটনায় আটক তিনজনকে দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ রোববার বেলা সাড়ে ১২টায় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক হাবিবুল্লাহ মাহমুদ এই রিমান্ডের আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত সুলতানপুর এলাকার শেখ বখতিয়ার হাসান বিপ্লব, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান মুরাদ ও রেজাউল ইসলাম মোল্লা রনিকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। এর মধ্যে রেজাউল ইসলাম মোল্লা রনিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর কবির জানান, সাতক্ষীরা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানালে বিচারক রিমান্ড শুনানী শেষে শেখ বখতিয়ার হাসান বিপ্লব, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান মুরাদকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং অপর আসামী রনিকে জেল গেটে দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য গত ১৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহরের আমতলা বিলের একটি ঘের থেকে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শেখ হাসিবুল হাসান ইমনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রাতে শহরের সুলতানপুরের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। তিনি সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর এলাকার শেখ ইকবাল হাসান লিটনের ছেলে এবং খুলনা কমার্স কলেজের সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest