01মাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরা জেলা সেলুন মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা ও বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা সেলুন মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ রবি, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহমুদ হাসান লাকি, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার মীর মনিরুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা সাগর, জেলা সেলুন মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক সুবোল কুমার বিশ্বাস প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সেলুন মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সহ-সভাপতি যাদব বিশ্বাস, সুভাষ রায়, সুকুমার বিশ্বাস, সঞ্জীব বিশ্বাস, রাজ কুমার বিশ্বাসসহ জেলা সেলুন মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সদস্যবৃন্দরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1368017760_1484957532ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলা সাহিত্যের প্রবাদ পুরুষ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অনন্য সাহিত্যকীর্তি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।

তিনি বলেন, পুরাতন ধ্যান-ধারণা ও মূল্যবোধকে উপেক্ষা করে এ মহাকবি বাংলা সাহিত্যকে নবজীবন দান করেছেন।

আগামী ২৫ জানুয়ারি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

মধুসূদন দত্ত বাংলা ভাষায় মহাকাব্য রচনা এবং বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তনের পথিকৃৎ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা কাব্যের গতানুগতিক রীতি-প্রকরণ ভেঙে নতুন ছন্দ যোজনায় তিনি আমাদেরকে বিচিত্র কাব্য-সম্ভার উপহার দিয়েছেন।

নাটক, প্রহসন, মহাকাব্য, পত্রকাব্য, সনেট, ট্রাজেডিসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তার অমর সৃষ্টি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে উন্নত মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই মহাকবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্মস্থান যশোর জেলার সাগরদাঁড়িতে আগামীকাল শনিবার থেকে (২১-২৭ জানুয়ারি) ৭ দিনব্যাপী ‘মধুমেলা’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

কবির জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং ‘মধুমেলা ২০১৭’র সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

33333আব্দুল জলিল : ১০লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে ২০১৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর সীমান্ত আদর্শ কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ও সদর উপজেলার ঘোনা উইনিয়নের মহাদেব নগর গ্রামের মেম্বর গনেশ সরকারের পুত্র গোতম সরকারকে অপহরণ করে। অপহরনের ৪ দিন পর বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে গৌতম সরকারের লাশ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় গোতমের পিতা উইপি মেম্বর গনেশ সরকার বাদি হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পুলিশে মামলায় জড়িত সন্দেহ ৫ জনকে আটক করেছে।এদিকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারি জামসেদকে আটক ও গোতম হত্যার বিচারদাবিতে ঘোনা উইনিয়ন বাসি , মাহমুদপুর সীমান্ত আদর্শ কলেজ, জেলা হিন্দু, বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ, মিছিল, মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ, সমাবেশ, সংবাদ সম্মেলনও স্মারকলিপি প্রদান করে। তবে মামলার মুল আসামি ও তাদের লোকজন গনেশ সরকারের সরকারেরর পরিবারকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। মুল আসামিরা গ্রেফতার না হওয়ায় নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছে গনেশ সরকারের পরিবার।
জানা যায়, ১৩ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মহাদেবনগর এলাকার চাঁদাবাজ জামশেদকে আটকের পর বাণিজ্য থানা থেকে  ছেড়ে দেয় পুলিশ। ১৩ ডিসেম্বর রাতেই কলেজ ছাত্র গৌতমসরকারকে টেলিফোনে ডেকে নিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এসময় তার ফোন থেকে তার বাবা গনেশ সরকারের কাছে দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এসময় এলাকাবাসি মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে দুই অপহরণকারীকে আটক করে পুলিশে দেয়। ধৃতদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ১৭ ডিসেম্বর ভোরে গৌতমের লাশ তার বাড়ির পাশে একটি পুকরে বস্তায় ইট দিয়ে ডুবিয়ে রাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ৫জন  আসামিকে গ্রেফতার করে। তাদের মধ্যে দুইজন  ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এদিকে গোতম সরকার হত্যাকারিদের বিচার দাবিতে ঘোনা উইনিয়ন বাসি, মাহমুদপুর সীমান্ত আদশৃ কলেজ, জেলা হিন্দু, বৌদ্ধ খৃষ্টান পরিষদ, মিছিল, মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ, সমাবেশ , স্মারক লিপি  প্রদান করেছে ।
মুল আসামিরা এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি। তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার ও মামলায় কোন অগ্রগতি নিয়ে ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে এলাকাবাসি অভিযোগ করেছেন।
ঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর ও গৌতম সরকারের পিতা গনেশ সরকার জানান, সব আসামি এখন গ্রেফতার হয়নি। বিভিন্ন ভাবে গনেশ সরকার ও তার পবিবারে লোকজনকে  হুমকি দামকি দিচ্ছে আসামি ও তার লোকজন। গনেশ সরকারের পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
ঘোনা উইনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারাফ হোসেন জানান, মামলার এফ আই আর ভূক্ত অনেক আসামি গ্রেফতার হয়নি। তারা বিভিন্ন ভাবে গৌতমের পিতা গনেশ সরকারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে। যারা এই মামলার বিচার দাবি করেছে তাদেরকে নানা ভাবে হুমকি ধামকি ও হয়রানি করার চেষ্টা করছে। এলাকাবাসী দেশের প্রচালিত আইনে এই হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_195233507_1484968963ডেস্ক: শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে চলছে বিক্ষোভ।

শুধু ওয়াশিংটন নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ছোট-বড় বিক্ষোভ চলছে। এ পর্যন্ত ২০০–রও বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। আহত হয়েছেন ছয় পুলিশ সদস্য।

স্থানীয় সময় আজ শনিবার সকাল থেকে ট্রাম্প টাওয়ারের সামনে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী অবস্থান নিয়েছে। ওয়াশিংটনে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষ হয়। পুলিশের একজন মুখপাত্র কোনো কোনো স্থানের বিক্ষোভকে দাঙ্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

পুলিশ বলছে, বিক্ষোভকারীরা অনেক দোকানে ইট-পাথর ছুড়েছে। এতে এসব প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় রাখা ডাস্টবিনগুলোতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ মরিচ–পানির স্প্রে ছুড়েছে।

সিএনএনের খবরে জানা যায়, এ পর্যন্ত ২১৭ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। অন্ততপক্ষে ছয়জন পুলিশ সদস্য বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা পিটার নিউসাম বলেন, তিনজন পুলিশ সদস্যের মাথায় আঘাত লেগেছে। অন্যদের আঘাত তত গুরুতর নয়।

ট্রাম্প নিজে বিক্ষোভের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও তার অনেক রিপাবলিকান সমর্থক ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছে। শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের এই ঐতিহাসিক ঘটনা উদ্‌যাপন না করে সহিংস বিক্ষোভ করাকে তারা লজ্জাজনক বলে অভিহিত করেছেন।

এদিকে বিক্ষোভকারীরা বলছে, ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণ অবৈধ। ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই তারা ট্রাম্পের নাগরিক স্বার্থবিরোধী যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। তাদের লক্ষ্য, যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে ট্রাম্প যেন মনে রাখেন, দেশের বেশির ভাগ মানুষ তার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1484931867হাজারো বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় মার্কিন কংগ্রেসের ভবনের ক্যাপিটল হিলে অনুষ্ঠিত হয় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রথমে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন মাইক পেনস। এরপরই প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার, বিল ক্লিনটন, জর্জ ডব্লিউ বুশ, সাবেক ফার্স্ট লেডি ও ট্রাম্পের সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে ডেমোক্র্যাট দলের বেশ কিছু আইনপ্রণেতা এ অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন। এমনকি অনেকে বিক্ষোভ করছেন।

এর আগে দুপুরে সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ট্রাম্প। এরপর তিনি শপথবাক্য পাঠ করেন। শপথগ্রহণের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প উদ্বোধনী ভাষণ দেন এবং তারপরেই হোয়াইট হাউসে প্যারেডের নেতৃত্ব দেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের রীতি অনুযায়ী দিনের শুরুতে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রেসিডেন্টদের সরকারি অতিথি ভবন ব্লেয়ার হাউসে যান। সেখানে কিছু সময় কাটানোর পর একটি কালো রঙের গাড়িতে করে সস্ত্রীক হোয়াইট হাউসের কাছে গির্জায় প্রার্থনায় অংশ নেন ট্রাম্প। এ সময় তাঁর মেয়ে ইভানকা ট্রাম্প ও তাঁর স্বামী তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন।

নির্বাচনের পর থেকে আলোচিত বিষয় ছিল রাশিয়ার হ্যাকিং। কিন্তু ট্রাম্প বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা সম্পূর্ণ উল্টো কথা জানান। হোয়াইট হাউসের সম্ভাব্য চিফ অব স্টাফ রেইনস প্রিবাস বলেন, ‘হ্যাকিংয়ে রাশিয়ার হাত অস্বীকার করেন না ট্রাম্প।’

নির্বাচনী প্রচারণার সময় একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য, নারী কেলেঙ্কারি, মুসলিমদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়ার হুমকিসহ বিভিন্ন কারণে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচিত হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনী বিতর্কের সবকটিতে হেরে যাওয়ার পরও গত বছরের ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিশ্বকে চমকে দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৪৫তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পান রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নির্বাচনে ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজে ভোটের মধ্যে ২৯০টি ভোট জিতে নেন ট্রাম্প। আর ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন পান ২২৮ ভোট। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে গেলে ২৭০টি ভোট পেলেই চলে।

নির্বাচনের শুরু থেকেই জনমত জরিপগুলোতে এগিয়ে ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন। এমনকি পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি কিংবা রাষ্ট্রপরিচালনার জ্ঞানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও ভোটের দৌড়ে হেরে যান হিলারি।

মার্কিন নির্বাচনে দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলো বরাবরই নির্বাচনে জিততে মূল ভূমিকা রাখে, সেগুলোতে জয় পান ট্রাম্প। ওহাইও, ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যারোলাইনা, আইওয়া, পেনসিলভানিয়ায় জয় পেয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, ক্যালিফোর্নিয়া, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, ভার্জিনিয়াতে জয় পান হিলারি। কিন্তু সে জয় ব্যবধান গড়তে পারেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ৮৩ বছর পর এমন একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় এলেন, পূর্বে যার কোনো রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নেই। এর আগে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টদের রাজনৈতিক পূর্ব-অভিজ্ঞতা ছিল।

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর সে সময় তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, তিনি হবেন ‘সব আমেরিকানের প্রেসিডেন্ট’। আমেরিকাকে তিনি ‘শীর্ষে’ রাখবেন সব সময়।

যদিও ক্ষমতায় বসার আগেই ট্রাম্পের প্রতি মার্কিনদের আস্থা কমতে শুরু করেছে বলে সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক জরিপে বলা হয়েছে।

সিএনএনের ওই জরিপে বলা হয়েছে, মাত্র ৪০ শতাংশ জনগণের অনুমোদন নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পদে বসতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটা দেশটির এর আগের প্রেসিডেন্টদের চেয়ে অনেক কম এবং সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার চেয়ে ৪৪ পয়েন্ট নিচে রয়েছে।

জরিপ অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক তিন বিদায়ী প্রেসিডেন্টের চেয়ে জনগণের অনুমোদনের দিক দিয়ে ২০ পয়েন্ট নিচে রয়েছেন ট্রাম্প। ২০০১ সালের জানুয়ারিতে ৬১ শতাংশ অনুমোদন নিয়ে ক্ষমতায় আসেন জর্জ ডব্লিউ বুশ, ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে ৬৭ শতাংশ অনুমোদন নিয়ে বিল ক্লিনটন এবং সর্বশেষ ২০০৯ সালে ৮৪ শতাংশ জনগণের অনুমোদন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আসেন বারাক ওবামা।

যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ জনগণই প্রেসিডেন্ট পদে থাকার বিষয়ে ট্রাম্পের যোগ্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বলেও জরিপে উঠে এসেছে। দেশটির ৫৩ শতাংশ জনগণ বলছেন, নির্বাচনের দিন থেকেই প্রেসিডেন্সি চালানো নিয়ে ট্রাম্পের প্রতি তাঁদের আস্থা কমতে শুরু করেছে। ট্রাম্প নিজের প্রতি মার্কিনদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবে কি না, তা সময় বলে দেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

20170120_161527-largeগাজী আল ইমরান: উপজেলার কাশিমাড়ী পল্লীতে জৈব প্রক্রিয়ায় তৈরি করেছে কৃষি বাড়ি শখের বসে যার নাম দিয়েছে বাগান বিলাস। ‘কৃষিতে মান কৃষিতে প্রাণ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে আসাদ তৈরি করেছে কৃষি বাড়ি। এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন মূলত কৃষির উন্নয়নের ওপর নির্ভর শীল। তাই কৃষির উৎপাদন যত বাড়বে ততই জাতীয় ও মাথাপিছু উৎপাদন বাড়বে। এছাড়া খাদ্যের জোগান, শিল্প ক্ষেত্রে কাঁচামাল সরবরাহ কৃষিভিত্তিক স্থাপনে, বস্ত্রের সংস্থান, ঔষধ শিল্প প্রতিষ্ঠা, শিল্পজাত দ্রব্যের বাজার সৃষ্টি এবং সর্বোপরি সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধিতে কৃষির গুরত্ব অনস্বীকার্য। এ সব কথা আর ক’জনেরও বা গোচরে থাকে।সভ্যতার পরিবর্রতনের সাথে সাথে মানুষ ভূলে গেছে তার আদিম পেশাকে। শুক্রবার সকাল ১১টায় বাগান বিলাস পরিদর্শন করেন, উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার শেখ কামরল হাসান, বারসিক শ্যামনগর রিসোর্স সেন্টারের সহযোগী প্রোগ্রাম অফিসার সাংবাদিক গাজী আল ইমরান, সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিম শ্যামনগর উপজেলা সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন, সহ-সভাপতি সাংবাদিক গাজী আব্দুল আলিম, এস.এস.এস টির কাশিমাড়ী ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ডি এম আব্দুলাহ আল মামুন। আসাদ বলেন ‘সরকারি একটি প্রকল্পে কাজ করি চাকুরি করি বলে কৃষিকে ভুলতে পারিনা। আমি এই বাগান বিলাসের মাধ্যমে এলাকার আরো মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে চাই। আইলা কবলিত আমার এই বাগান বিলাসে লবণাক্ততার কারণে আগে কোনদিন কোন কিছুই হত না, অনেক চেষ্ঠা করে যাচ্ছি যাতে করে সফলকাম হতে পারি। বাগান বিলাস সম্পর্কে সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ কামরুল হাসান বলেন‘ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে কলস পদ্ধতিতে নাদা তৈরি, এর মাধ্যমে পানি সেচ কম লাগবে এবং লবণাক্ততার কারণে বেশি ক্ষতি হবে না এবং সাথে সাথে জৈব বালাই নাশক ব্যবহার করে সম্পূর্র্ণ চাষাবাদ করা হচ্ছে। আসাদের বাগান বিলাসে আছে, ঔষধী গাছ যেমন, পাথর কুচি, তুলসি, থানকুনি, অড়হড়, ঘৃতকুমারী, এ্যালোভেরা, কালমেঘ, হেলাঞ্চ। সবজির মধ্যে আছে, গীমা কলমি, হেলাঞ্চ, পেপসিকাম, ওলকপি, বেগুন, লাল শাখ, পালন শাখ, গোল আলু, ঢ়েড়স, বাধাকপি, টমেটো, খিরাই। মশলার মধ্যে পিয়াজ, রসুন, ধনিয়া, মরিচ, আদা ইত্যাদি। আসাদের বাগান বিলাসে গাছে ভাড় বেঁধে পাখির জন্য আবাসস্থল করা হয়েছে। বাগান বিলাসকে কেন্দ্র করে তিনি গড়ে তুলেছেন ক্লান্ত কুঠির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

pic-3প্রেসবিজ্ঞপ্তি: দুধ চিতই, কুলি পিঠা, পাকান পিঠা, দুধ গোলাপ, পাটি সাপটাসহ বিভিন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য চিরচেনা রসনা বিলাসী বাঙালির প্রিয় পিঠা নিয়ে মেলা বসেছিল মজার পাঠশালায়। নানা আয়োজন ও উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে শুক্রবার সকালে শহরের পলাশপোলস্থ এ্যাড. আজিবার রহমানের বাড়ির আঙ্গিনায় মজার পাঠশালার সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় পিঠা উৎসব। এ উপলক্ষে স্কুলের ছিন্নমুল শিশুরা তাদের চিরচেনা পোশাক ঝেড়ে ফেলে সেজেছিল নানা সাজে। তাদের মধ্যে ছিল বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডা. দিলারা বেগম, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদা বেগম, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাংবাদিক শেখ তানজির আহমেদ, আসাদুল ইলসাম ও আসাদুজ্জামান সরদার প্রমুখ। এ স্কুলের ৩৫ জন সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থী ও অস্বসচ্ছল পরিবারে শিশুদের নিয়ে মেতে পিঠা উৎসবে মেতে উঠেন পাঠশালার পরিচালনায় থাকা আব্দুর রহিম, রাসেল মাহমুদ সোহাগ, জাহিদা জাহান মৌ, গাজী শাহরিয়ার সোহাগ, মাইশা, বৃষ্টি, অপু, ফরহাদ, আব্দুল করিম, শুভ ও বিউটি প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

tala-picture-20-01-17তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের ১৫নং ওয়ার্ড’র নব-নির্বাচিত সদস্য, তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন ঢাকায় শফত গ্রহণ শেষে শুক্রবার বিকালে তালায় ফিরেছেন। তালায় ফেরাকালে পথিমধ্য থেকে সাংবাদিক মীর জাকির হোসেনকে ব্যাপক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। সহ¯্রাধিক মটরসাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে তালার বিভিন্ন স্তরের উৎফুল্ল জনতা ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারোমাইল বাজার থেকে জেলা পরিষদ সদস্য মীর জাকির হোসেনকে বরন করে নেন। পরে তালায় আসার সময় পথিমধ্যে জাতপুর বাজারে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে পথসভা ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। পরবর্তিতে সন্ধ্যায় তালা বাজারের তিন রাস্তা মোড় (এরশাদ চত্ত্বর) অনুরুপ এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করে তালাবাসী। উক্ত সংবর্ধনা প্রদান সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। সংবর্ধিত অতিথির বক্তৃতা করেন, নব-নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ মূখার্জ্জীর পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র সেন, আজিজুর রহমান রাজু, গনেশ দেবনাথ, তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাংবাদিক এস.এম. নজরুল ইসলাম, জেলা জাপা নেতা আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামীলীগ নেতা মোসলেম উদ্দীন, রফিকুল ইসলাম মোড়ল, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. ইকবল হোসেন, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি সুর্য্যকান্ত পাল, ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন সোনা, মীর কল্লোল, আব্দুর রব ও ইয়াছিন হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest