সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলমসাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাBonus offline nei giochi mobile: guida etica e tecnica per giocare senza reteসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’

001

অপ্রতিম : সাতক্ষীরার দুই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত ২৬৭ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে উপসচিব করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই প্রশাসন ক্যাডারের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ছিলেন। অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাও আছেন।
পদোন্নতি প্রাপ্ত সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা হলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) এ এফ এম এহতেশামুল হক (১৫২৫২), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) অরুন কুমার মণ্ডল (১৫২৯৩) ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল লতিফ খান (১৫৩৪৩)।

এ, এফ, এম, এহতেশামূল হক বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২২ তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার নিজ জেলা মাগুরা। তিনি সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন ১০ডিসেম্বর ২০০৩ সালে।
অরুন কুমার মন্ডল বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২২ তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার নিজ জেলা ঝিনাইদহ। তিনি সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন ১০ডিসেম্বর ২০০৩ সালে।

পদোন্নতি পেয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক(সা‌র্বিক) এ এফ এম এহতেশামুল হক ডেইলি সাতক্ষীরাকে দেয়া তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় সাতক্ষীরা জেলাবাসীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং একই সাথে তাদের তিন জনের জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন।
এ বিষয়ে আজ রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আগের মতোই তাঁদের পদোন্নতি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে। পরে পদায়ন দিয়ে পৃথক আদেশ জারি করা হবে।
নিয়মানুযায়ী, বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া বিভিন্ন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা ও ২৫ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তা। অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মধ্যে যাঁরা পদোন্নতি পেলেন তাঁরা এত দিন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকলেও উপসচিব হওয়ার পর এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1492944491ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির বিপক্ষে অভিযোগের অন্ত নেই।  বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে আলোচনায় এসেছেন তিনি। কখনো মাঠে, আবার কখনো মাঠের বাইরের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। এখন আবার নতুন করে একটি ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তিনি, আইপিএলের সঞ্চালিকা অর্চনা বিজয়ের ছেঁড়া জিন্সের দিকে তাকিয়ে থেকে!

অজ্ঞাতপরিচয় একজন ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে কোহলি এক দৃষ্টিতে সঞ্চালিকা অর্চনা বিজয়ের দিকে তাকিয়ে আছেন। যখন তিনি সঞ্চালিকা অর্চনার ছেঁড়া জিন্সের দিকে তাকিয়ে, তখনই আলোকচিত্রীর ক্যামেরায় ধরা পড়েন!

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, কোহলির এমন কাণ্ডের পর খুবই বিব্রত হয়ে পড়েছেন সঞ্চালিকা অর্চনা। কারণ তিনি আইপিএলের অন্যতম জনপ্রিয় সঞ্চালিকা। এই ছবিটি নিয়ে এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

শুধু তাই নয়, এর আগেও আইপিএলে এমনই একটি কারণে শিরোনামে এসেছিলেন কোহলি। এমটিভির ভিজে অনুষা দাণ্ডেকর কোহলিকে প্রশ্ন করতে দেখা যায়, সে সময় কোহলি প্রকাশ্যেই বলিউড অভিনেত্রী জেনোলিয়া ডিসুজাকে ‘কিউট’ লাগে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে তখন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6dab77463d0b36620d0801f3f9bf695eঅপ্রতিম : তৃণমূলে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে আওয়ামী লীগ। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে মাথায় রেখে আজ রবিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে জেলা ও থানায় বিরাজমান কোন্দল নিরসনে মিশন শুরু হচ্ছে ক্ষমতাসীনদের। আগামী ২৫ এপ্রিল মঙ্গলবার ডাক পড়েছে সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের শীর্ষ নেতাদের।
এর অংশ হিসেবে বৈঠক করবেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। কোন্দলের কারণ কি তা চিহ্নিত করে সমস্যা সমাধানে নির্দেশনা দেবেন তিনি। বছরজুড়ে ধারাবাহিকভাবে কোন্দলপূর্ণ সব জেলার সঙ্গে আলোচনায় বসবে দলটি।

সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা এবং কেন্দ্রের একজন গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদক ডেইলি সাতক্ষীরাকে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সভাপতি মুনসুর আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম ছাড়াও সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি ও এস এম জগলুল হায়দার এমপি উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের সাথে বৈঠকে।

গত ১৯ এপ্রিল রাজধানীর ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে কোন্দল নিরসনের এই মিশন কতটা সুফল বয়ে নিয়ে আসবে তা নিয়ে কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের নেতারা সন্দিহান।আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সুফল নিয়ে সভাপতিমণ্ডলী ও সম্পাদকমণ্ডলীর অন্তত ছয় জন নেতা বলেন, ‘কোন্দল নিরসনে জেলার নেতাদের সঙ্গে বসে আমরা আলোচনা করবো। বিদ্যমান সমস্যা কি তা চিহ্নিত করার চেষ্টা থাকবে। তবে সুফল আসবে কিনা তা এখনই বলা যাবে না।’
এরই অংশ হিসেবে রবিবার চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার নেতাদের ঢাকায় তলব করা হয়েছে। এদিন বিকাল ৫টায় সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত আরও তিনটি জেলার নেতাদের ঢাকায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ এপ্রিল যশোর, ২৫ এপ্রিল সাতক্ষীরা ও ২৭ এপ্রিল নীলফামারী জেলার নেতাদের ঢাকায় ডাকা হয়েছে।
জানা গেছে, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিরোধ মীমাংসা করতে কোন্দলপূর্ণ জেলার দায়িত্বশীল সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট থানার নেতাদের সঙ্গেও কথা বলবেন।
তবে বিরোধ মীমাংসায় সাধারণ সম্পাদক নয়, দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে বসতে চান তৃণমূলের নেতারা। তাহলেই সত্যিকার অর্থে বিরোধ মীমাংসা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী ও সাতক্ষীরার দায়িত্বশীল তিন নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। তারা নিজেদের জেলার বিরোধের কথা স্বীকার করে বলেছেন, ‘মীমাংসার জন্য সভাপতিকে হস্তক্ষেপ করতে হবে।’
এ আলোচনার মাধ্যমে কোন্দল নিরসন কতখানি সম্ভব হবে তা নিশ্চিত নন সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি মনসুর আহমেদ। তিনি বলেন,‘কোন্দল মীমাংসায় সবাইকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে একমত হতে হবে। তাহলেই সুফল আসতে পারে।’
অন্যদিকে সাতক্ষীরা জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম বলছেন, ‌‍”দেশকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে করে দলে এখন কোন্দলের কোন সুযোগ নেই। বরং সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকতে হবে নেতৃত্বের মধ্যে। যাতে করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সকলেই ভূমিকা রাখতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bea253972ec69db7fdc4869d024df490-58fc5df4123aaমাদ্রিদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এল ক্লাসিকো খেলবে দুই স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ। এমন ম্যাচের আগে পরিসংখ্যান, তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটে দেখছেন সবাই। হওয়াটাই স্বাভাবিক, কারণ দুই ক্লাবের এই ময়দানী লড়াইয়ে লুকিয়ে আছে  ১১৫ বছরের ইতিহাস। সেই দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের কিছু চমকপ্রদ তথ্য পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো-
১. প্রতিদ্বন্দ্বিতার ১১৫ বছর
দুই জায়ান্টের ময়দানী লড়াইয়ের শুরুটা হয়েছিল ১৩ মে, ১৯০২ সালে। করোনেশন কাপের ম্যাচে বার্সার জয়টা ছিল ৩-১ ব্যবধানে। তবে লস ব্লাঙ্কোসরা লিগের প্রথম ক্লাসিকো জেতে ১৯২৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। ওই ম্যাচ তাদের জয়ের ব্যবধান ছিল ২-১, তবে কাতালানরাও ফিরতি ম্যাচে জিতে ১-১ ব্যবধানে।
২. এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্কোরার মেসি, রয়েছে ২১ গোল
ক্লাসিকোতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্কোরার লিওনেল মেসি। ৩৩ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ২১, যার ১৪টিই লা লিগায়। ডি স্তেফানো করেছিলেন ১৮ গোল। যা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর চেয়ে দুই গোল বেশি। আরও চমকপ্রদ তথ্য হলো গত ৬ ম্যাচে গোলও পাননি বার্সা তারকা।

৩. এল ক্লাসিকোতে সবচেয়ে বেশি খেলেছেন ম্যানুয়েল সানচিস
রিয়ালের হয়ে ৪৩টি ম্যাচে খেলেছেন ডিফেন্ডার সানচিস। বর্তমানে খেলা তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেলেছেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। ৩৪টি ম্যাচে খেলেছেন বার্সার হয়ে। সার্হিও রামোস ও মেসির চেয়ে এক গোল বেশি।
৪. মাদ্রিদে খেলা সবচেয়ে বড় হারের ব্যবধান ৮-২
১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে ক্লাসিকোতে মাদ্রিদে সবচেয়ে বড় হারের ব্যবধান ছিল ৮-২। লা লিগায় ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে রিয়ালের সবচেয়ে বড় জয়ের ব্যবধান ছিল সেটাই। ১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে বার্সার জয়ের ব্যবধান ছিল ৫-০।
৫. ১৫ বছরে নেই গোল শূন্য ম্যাচ
গত ১৫ বছর ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ দুই ক্লাবের লড়াইয়ে ছিল না গোল শূন্য কোনও ম্যাচ। সবশেষ ২০০২ সালের ২৩ নভেম্বর গোল শূন্য ড্র করেছিল দুই দল।

৬. দুই দল, যেখানে খেলে ১৪ দেশের তারকা
রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা- বিশ্বের অন্যতম দুই নামজাদা ক্লাব হিসেবেই চেনে সবাই। যেখানে ইউরোপ-আমেরিকা অঞ্চল থেকে খেলে ১৪ দেশের ফুটবলার! মার্কা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লবণাক্ত জমিতে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধিকরণ কৃষক সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন প্রফেসর ড. মো. আব্দুল কাদের।

লবণাক্ত জমিতে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধিকরণ কৃষক সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন প্রফেসর ড. মো. আব্দুল কাদের।

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘শেখ হাসিনার নির্দেশ, জলবায়ু সহিষ্ণু বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে বিনেরপোতা কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র হলরুমে বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল আরাফাত তপুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মো. আব্দুল কাদের। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট (ডিসিসিটি), পরিবশে ও বন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ ব্যবস্থাপনায় এ কৃষি সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরা প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আমজাদ হোসেন প্রমুখ। কৃষক সমাবেশে লবণাক্ত এলাকায় স্লোপিং বেড রোপন পদ্ধতি এবং জিপসাম ও সিলিকন প্রয়োগের মাধ্যমে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধি করণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পরমাণু কৃষি গবেষণার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীল জাত/প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিভিন্ন পরিবেশ অঞ্চলে অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় এ কৃষক সমাবেশে শতাধিক কৃষক-কৃষাণি উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলমগীর কবির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মধুর অজানা শক্তি

কর্তৃক Daily Satkhira

jqwzkj_moduমধু চিকিৎসা বিজ্ঞান একটি অন্যতম উপাদান। মুধুকে বলা হয় সর্বরোগের ওষুধ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- মধুর ব্যবহার সবখানে। আসুন জেনে নিই মধুর উপকারিতা সম্পর্কে-

ওজন কমায় মধু
প্রতিদিন সকালে মধু খেলে শরীরের বাড়তি ওজন কমে। বিশেষ করে যদি সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়া হয়, তাহলে ওজন কমে কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়া প্রতিদিন নিয়মিত মধু খেলে পাকস্থলী পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়
ঘুমানোর আগে এক চামচ মধু খেলে তা মস্তিষ্কের কাজ সঠিক ভাবে চালাতে খুব সাহায্য করে। এতে মস্তিষ্কের শক্তি তথা বুদ্ধি বাড়ে। যেকোনো কাজে মস্তিষ্ক আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় হয়। যাদের মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হয়, তাদের জন্য মধু এনে দেয় নতুন উদ্যম ও সৃষ্টিশীলতা।

আয়ু বৃদ্ধি করে
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিয়মিত যারা মধু ও সুষম খাবারে অভ্যস্ত, তারা তুলনামূলক বেশি কর্মক্ষম।

শক্তি বাড়াতে মধু
মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি। এই প্রাকৃতিক চিনি শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের মিষ্টির প্রতি ঝোক রয়েছে, তারা অন্য মিষ্টি খাবারের বদলে মধু খেতে পারেন।

হৃৎপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করতে মধু
মধুর সাথে দারচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। রক্তনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুকি অনেকাংশে কমে যায়।

ব্যথা নিরাময়ে
শরীরের জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা থাকলে তা থেকে দ্রুত মুক্তি মেলে মধু খাওয়ার মাধ্যমে। যে অবাঞ্ছিত রসের কারণে বাতের জন্ম, সেই রস অপসারাণে মধু বিশেষ ভূমিকা রাখে। ফলে বাতের ব্যাথা সেরে যায়।

হজমে সাহায্য করে
মধু পেটের অম্লীয়ভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা অনেকাংশে দূর করার জন্য প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। ভালো ফলের জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খেতে পারেন।

রক্ত পরিষ্কার করে
এক গ্লাস হালকা গরম পানির সাথে এক বা দুই চামচ মধু এবং এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন। এটা রক্ত ও রক্তনালী পরিষ্কার করে।

হাঁপানি রোধে
আধা গ্রাম গুঁড়া গোলমরিচের সাথে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মিশিয়ে দিনে অন্তত তিন বার খেলে হাঁপানির সমস্যা অনেকটা দূর হয়।

গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি
হজম সমস্যার সমাধানেও কাজ করে মধু। একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন তিন বেলা দুই চামচ করে মধু বেশ উপকারী। এতে করে গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি মেলে সহজেই।

ত্বক নমনীয় করে
মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত।

কাশি নিরাময়ে
দীর্ঘমেয়াদী হোক আর স্বল্পমেয়াদী হোক, যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

akqnro_8ভেঙ্গে গেছে সুনামগঞ্জের শনির হাওরের বাঁধ। পানি ঢুকছে সাহেব নগর ও ঝালখালি পয়েন্ট দিয়ে। আজ সকালে হটাৎ করে বাঁধ ভেঙ্গে শনি হাওরের ভেতরে পানি ঢুকতে থাকে।

এ দিকে সচিবালয়ে বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পানিসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছেন, বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের দুর্নীতি আছে। তানাহলে বাঁধা এত দ্রুত ভাঙ্গা সম্ভব নয়।
বিস্তারিত আসছে….

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4545445নজরুল ইসলাম রাজু : স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা দিয়েছিলেন রক্ত। দিয়েছিলেন জীবন। পাকহানাদার বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছিলো ৭৯ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে। হত্যার পর তাদেরকে একই কবরে মাটি চাপা দিয়েছিলো হানাদাররা। কালের সাক্ষী বাঙালি জাতির অমর স্মৃতি পাটকেলঘাটার পারকুমিরা গণকবরটি আজও অরক্ষিত রয়েছে।
১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল শুক্রবার। পাকহানাদার বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালিয়ে একসাথে ৭৯ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে হত্যা করেছিলো সেদিন। ইতিমধ্যে স্বাধীনতা অর্জনের ৪৬ বছর পদার্পণ করেছে। কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের অমর স্মৃতি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা হয়নি আজও। অরক্ষিত রয়ে গেছে পারকুমিরার গণকবরটি।
স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর নির্যাতনের কথা আজও আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার মুখে মুখে। যে উদ্দেশ্যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল, সে উদ্দেশ্য আজ সফলতার মুখ দেখছে। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি রাজাকার গোষ্ঠী বাংলার মাটি থেকে অনেকটাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বা যাচ্ছে। আজ ৭১-এর রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সূর্যসন্তান হিসেবে বর্তমান প্রজন্ম গর্বিতভাবে সম্মান করে। বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। তবে তপ্ত বুলেটের আঘাতে রক্তে লটিত শহিদদের স্মৃতি কেন রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না এটি সাধারণ জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, স্বাধীনতা যুদ্ধে ৭৯ শহিদের গণকবর রক্ষণাবেক্ষণ না হলে ধীরে ধীরে নিশ্চি‎হ্ন হয়ে যাবে জায়গাটি। তবে ১৯৯২ সালে ২৪ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বধ্যভূমিতে পা রেখে শহিদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা শেষে একটি স্মৃতিফলক উন্মোচন করেন। সেই ফলকটিও আজ বিবর্ণ হয়ে অনেকটাই বিলীনের পথে। তালা উপজেলা মক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মফিজউদ্দীন জানান, পাকহানাদার বাহিনী পরিকল্পিত ভাবে হামলা করে ৭৯ জনকে গণহত্যা করে। তাদের গণকবরটি আজও রক্ষিত হয়নি। তবে সম্প্রতি ঢাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে। তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম জানান, তার বাবা ও বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল পরিকল্পিত ভাবে তার বাবা-ভাই ও চাচা-চাচাতো ভাই ৭৯ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে পারকুমিরায় হত্যা করা হয়। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সস্তান হিসেবে গণকবরটি রক্ষণাবেক্ষণে আন্তরিকতার অভাব নেই। ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী দপ্তরের আওতায় (এলজিইডি) প্রায় কোটি টাকা মূল্যে স্মৃতিসৌধের অনুমোদন হলেও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে টাকা না থাকায় বাস্তবায়নে হচ্ছে না। মুক্তিযোদ্ধা পুত্র শেখ টিপু সুলতান বলেন, আমার আব্বা শেখ হায়দার আলীকে গাছের সাথে বেধে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest