নিজস্ব প্রতিনিধি : ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে সাতক্ষীরার ৩শ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসন ও সাতক্ষীরা পৌরসভার আয়োজনে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে ও বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে এ মেলার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “দীর্ঘ ২ বছর পর ব্যাপক পরিসরে এই ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলাটি উদ্বোধন করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। এই মেলাটি এ জেলার ঐহিত্য বহন করে চলেছে।

আমরা ছোটবেলা থেকে এ মেলা দেখে আসছি। আগে এই মেলাটি শহর জুড়ে হতো। দেশী বিদেশী বহু মানুষের আনা গোনা হতো এই মেলায়। গুড়পুকুরের মেলার আজকের এই উদ্বোধন দেখে মনে হচ্ছে আগের রুপে ফিরে এসেছে গুড়পুকুরের মেলা।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. সজীব খান, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজী আরিফুর রহমান, সাতক্ষীরা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা-সাগর, পৌরসভার ৮নং কাউন্সিলর শফিকুল আলম বাবু, পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মারুফ হাসান, মহিলা কাউন্সিলর নুরজাহান বেগম নুরী, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কাজী হাশিম উদ্দিন হিমেল, সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন হোসেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক শেখ মুসফিকুর রহমান মিল্টন, মেলা কমিটির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক শিকদার প্রমুখ। এবারের মেলায় শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের পুরো জায়গা জুড়ে থাকছে প্রায় ২০০টি মনোহারি পণ্যের স্টল। রয়েছে নাগর দোলা, ঘোড়ার গাড়ি। এছাড়া লৌহজাতদ্রব্য, বাঁশ ও বেতের দোকান, নার্সারি দোকান, শিল্পকলা একাডেমির সামনে নাগরদোলা ও রেলগাড়ি, নৌকা, শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের মধ্যে বিভিন্ন প্রকার মিষ্টির দোকান।

রয়েছে শিশুদের জন্য ব্যাপক বিনোদন। তাছাড়াও রয়েছে নানা বয়সী মানুষের জন্য বিনোদন। তবে এবারের মেলায় জুয়া, হাউজি, লটারি, র‌্যাফেল ড্র, লাকি কুপন, ফড়, চরকি, নগ্ন নৃত্য এবং অননুমোদিত যাত্রাগান, পুতুল নাচ বন্ধ থাকবে। প্রাথমিক পর্যায়ে মেলা চলবে মাসব্যাপী। উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মেলা চলাকালীন সার্কাস প্যান্ডেলে এবং সাতক্ষীরার রকসি সিনেমা হলে জঙ্গীরা বোমা হামলা চালায়। বোমা হামলায় নিহত হয় ৩ জন। আহত হয় অর্ধশতাধিক। এর পর থেকে মেলায় বহিরাগত ব্যবসায়ীদের আসা অনেকটা কমে যায়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় দীর্ঘদিন রাস্তার ধারে সরকারি খাস জমিতে বসবাসকারী পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী কায়পুত্র সম্প্রদায় (ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী) এর পূর্নবাসনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দক্ষিণ আলীপুর মন্ডলপাড়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের (ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী) আয়োজনে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা সদরের আলীপুর বল্ডফিল্ড সংলগ্ন সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জর সড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, নিমাই মন্ডল।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব এড. আবুল কালাম আজাদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উন্নয়ন কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ, জেলা গণ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আলী নুর খান বাবুল, জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, শ্যামল দত্ত, জাতীয় মহিলা পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যো¯œা দত্ত, মহুয়া মঞ্জুরি, বাংলাদেশ দলিত পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি গৌর পদ দাশ, কায়পুত্র সম্প্রদায় এর ধীরেন্দ্র মন্ডল, চায়না দাশী, কমল মন্ডল প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে কায়পুত্র সম্প্রদায় একটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর সম্প্রদায়। তাদের মধ্যে কিছু মানুষ সাতক্ষীরা সদরের আলীপুর বল্ডফিল্ড সংলগ্ন রাস্তার ধারে খাস জমিতে ১৯৬৫ সাল থেকে ঝুপড়ি ঘরের মধ্যে ৪৫টি পরিবার বসবাস করে আসছে। সম্প্রতি সাতক্ষীরায় সড়কের উন্নয়নের লক্ষে তাদের কে সেখান থেকে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
গত ৭ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দপ্তরে পূর্নবাসনের দাবিতে আবেদন জমা দিলেও কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি এমনকি এ সম্প্রদায়ের কারো সাথে যোগাযোগ পর্যন্ত করা হয়নি। যা আমাদের কে হতাশ করেছে।

বক্তারা আরো বলেন, তাদের পূর্নবাসন ছাড়া তাদের কোন ভাবেই উচ্ছেদ করা যাবে না। প্রয়োজনে তারা নিজেদের বাসস্থান নিশ্চিতের জন্য শরীরে রক্ত ঢেলে দেবে। আগে তাদের পূর্নবাসনের নিশ্চিয়তা দিতে হবে তারপর তাদের উচ্ছেদ করতে হবে। তাদের পুর্নবাসনের প্রতিশ্রুতি না দেওয়া হলে তারা রাজপথ ছাড়বে না বলে ঘোষনা দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে দিনভর ছুটে চলেছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম। ভোটারদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করার পাশাপাশি বিভিন্ন খোজ খবর নিচ্ছেন তিনি।

১৯ শে সেপ্টেম্বর সোমবার কালিগঞ্জ উপজেলার চাম্পাফুল, তারালী, নলতা, ভাড়াশিমলা,দক্ষিণ শ্রীপুর ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বরদের সাথে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে। কালনা সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। যা দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের জন্য বিরাট অর্জন। কালো টাকার প্রভাবে নিজেদের ব্যক্তিত্বকে বিসর্জন না দিয়ে উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীকেই ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধাক্ষ্য রাজ্যেশ^র দাশ,কালিগঞ্জ উপজেলার চেয়াম্যান সাইদ মেহেদী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাষ্টার নূরীম আলী, সাধারন সম্পাদক ও তারালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনামুল হক ছোট, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর হুসাইন সুজন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, আওয়ামীলীগ নেতা এসএম শওকত হোসেন, জেলা যুবলীগএর সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান, দেবহাটা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জি এম স্পর্শ, কালিগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান দিপালী রানী ঘোষ,চাম্পাফুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক গাইন, ৮নং ভাড়াশিমলা ইউনিয়ের চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান নাইম, ৪নং দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল, সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য আল ফেরদৌস আলফা, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজামান রাশি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ মোনায়েম প্রমুখ।

উল্লেখ্য : আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম ২০০৫ সাল থেকে একাধারে ১৮ বছর সুনামের সাথে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিগত ২০১৭ সালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দায়িত্ব পালন করে আসছেন এই জনপ্রিয় নেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক :
কবি নজরুলের চিরসত্যের মতো কানে বাজা উক্তিটাই যেন মিথ্যা করে দিলেন কৃষ্ণা সরকাররা। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ফুটবলে ‘যা কিছু মহান’ তার অর্ধেক নয় প্রায় সবটা অর্জনই নারী দলের। বয়স ভিত্তিকের মতো এবার জাতীয় দলের মেয়েদের অর্জনের ঝুলি পূর্ণ হলো বড় এক শিরোপায়। স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নারী সাফে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।

কটাক্ষ-কটুক্তি, অভাব-অপ্রাপ্তি থামামে পারেনি বাংলাদেশের এই নারী ফুটবলারদের। দৃঢ় কণ্ঠে স্বপ্নসারথীদের জন্য শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করার ঘোষণা দেওয়া সানজিদা খাতুনরা তাদের স্বপ্ন ছুঁতে পেরেছেন। যারা তাদের ফুটবল মাঠের সবুজ ছোঁয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, তাদের শিরোপা ছোঁয়ার উল্লাসে ভাসিয়েছেন।

কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে মেয়েদের প্রতিপক্ষ ছিল অনেক কিছু। নেপালকে কখনও হারাতে পারেনি মেয়েরা। ২৫ হাজার স্বাগতিক দর্শকের ছিল তাদের বাড়তি উৎসাহ। বৃষ্টির ফোঁটায় কাঁদার মাঠে সেরাটা দিতে পারার শঙ্কাও ছিল। সব জয় করে ম্যাচের ১৩ মিনিটে প্রথম উৎসব করে টাইগ্রেসরা। কর্ণার থেকে আসা ক্রস থেকে গোল করেন শামসুন্নাহার।

প্রথমার্ধে আরও একটি গোল করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবারের গোল আসে কৃষ্ণা রানি সরকারের পা থেকে। অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের বল ধরে ম্যাচের ৪১ মিনিটে জোরের ওপর নেওয়া তার শট ফেরানোর কোন সুযোগই পাননি নেপাল গোলরক্ষক।

দ্বিতীয়ার্ধের ৭০ মিনিটে এক গোল শোধ করে ম্যাচ জমিয়ে তোলার আভাস দেয় স্বাগতিক নেপাল। কিন্তু ৭৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করে দলকে শিরোপার কাছে নিয়ে যান কৃষ্ণা। পরের সময়টা গোলবার অক্ষত রাখার কাজটা করতেও ভুল করেনি গোলাম রাব্বানি ছোটনের দল।

এ নিয়ে দ্বিতীয় বারের চেষ্টায় সাফে প্রথম সাফল্য পেল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ২০১৬ সালে ভারতের বিপক্ষে হেরে শিরোপা হারানোর ক্ষত তৈরি হয়। আসরে ওই ভারতকেও হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে ভুটানকে উড়িয়ে দিয়েছে ৮-০ গোলে। নেপালকে হারিয়ে হলো স্বপ্ন পূরণ। এর আগে ২০০৩ সালে সাফের শিরোপা ঘরে তোলে বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দল।

বিবেকানন্দের বিখ্যাত উক্তি, ‘আগামী পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত জন্মভূমিই হোক তোমাদের একমাত্র উপাস্য দেবতা।’ ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বৈষম্য ভুলে জন্মভূমিই একমাত্র উপাস্য হলে এসব শিরোপা অপেক্ষা হয়তো পঞ্চাশ বছরে ঠেকত না। সানজিদাকে লিখতে হতো না, ‘ছাদ খোলা চ্যাম্পিয়ন বাসে ট্রফি নিয়ে না দাঁড়ালেও চলবে, টিপ্পনী একপাশে রেখে যে মানুষগুলো সবুজ ঘাস ছোঁয়াতে সাহায্য করেছে, তাদের জন্য এটি জিততে চাই। এই সাফল্য হয়তো নতুন সাবিনা, কৃষ্ণা, মারিয়া পেতে সাহায্য করবে। অনুজদের বন্ধুর এই রাস্তাটুকু কিছু হলেও সহজ করে দিয়ে যেতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি :
তালায় কপোতাক্ষ নদের পাড় থেকে লিয়াকত মোড়ল (৭০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপ-শহরের ইকো ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

লিয়াকত মোড়ল খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের মৃত নাসির আলী মোড়লের পুত্র। এ সময় লাশের হাতের কাছ থেকে উদ্ধার ‘চুম্বক’ নামের একটি বিষের বোতল। তালা থানার এসআই ইমন হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

তালা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লিয়াকত মোড়ল ৪ দিন পূর্বে তালা থানাধীন সুজনশাহ গ্রামে তার মেয়ে মর্জিনা বেগমের বাড়িতে বেড়াতে আসে। এ সময় তিনি শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে তিনি অসুস্থ ছিলেন। সোমবার সকালে সাড়ে নয়টার তিনি মেয়ের বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হন। দুপুর ২ টার দিকে তার লাশ কপোতক্ষ নদের পাড়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এ সময় তার হাতের পাশেই ‘চুম্বক’ নামের একটি বিষের বোতল ছিল। তিনি কোন কারণে বিষপানে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় তালা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে (যার নং ২৯, তাং ১৯/০৯/২২)।

তালা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আবুল কালাম আজাদ লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উক্ত ঘটনায় তালা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা মর্গে প্রেরণ করা হবে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলেই মূল রহস্য জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে এক ব্যবসায়ির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেল তিনটার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার হাড়দ্দহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম হানিফ গাজী (৪৫) । তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার হাড়দ্দহ গ্রামের ইউসুফ গাজীর ছেলে।

হাড়দ্দহ গ্রামের ইয়াছিন আলী জানান, তার চাচা হানিফ গাজী বাড়ির পার্শ্ববর্তী দোকানের ছাদে মিস্ত্রীর কাজ দেখাশুনা করার সময় বৈদ্যুতিক তারে হাত স্পর্শ হয়। এতে সে ছাদ থেকে পড়ে মারাত্মক জখম হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মোঃ হাসান জাফরী মৃত বলে ঘোষণা করেন।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হালিমুর রহমান বাবু জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ৭০টি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা হ-য-ব-র-ল। বিদ্যালয়ের মেঝেতে কার্পেট , শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ, ইউনিফর্ম, মাসিক ১২০ টাকা উপবৃত্তি, টিফিনসহ ১৬টি ধরণের বরাদ্দ খাকলেও কেবলমাত্র খাতা বাই ও পেনসিল নিয়ে খুশী থাকতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরুর আগেই দেওয়ার বিধান থাকলেও দেওয়া হচ্ছে আট মাস পর। বিদ্যালয়ের মাসিক ভাড়া ও শিক্ষার্থীদের বেতন নৈব নৈব চ। বিদ্যালয় পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চলমান হাল হকিকত সম্পর্কে অবহিত নন।

সাতক্ষীরা জেলা উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের এডিপি’র অর্থায়নে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে ১১ থেকে ৪৫ বছরের মহিলা ও পুরুষের জন্য ‘মানব উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-৪ কার্যক্রম’ বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা (সাস) অনুমতি পায়। ৪ বছর মেয়াদী এই প্রকল্প ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয়েছে ২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে। ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্য দিয়ে ৪২ মাসের প্রকল্প শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের ২২ মাস পরে।
সূত্রটি আরো জানায়,কালিগঞ্জ উপজেলায় দুই হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বিদ্যালয় পিছু ৩০ জনের বিপরীতে ৭০টি বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয় ভবন ভাড়ার জন্য ভ্যাটসহ এক হাজার ৫০০ টাকা মাসিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ছাত্রদের মাসিক উপবৃত্তি বাবদ তাদের অভিভাবকদের বিকাশ নাম্বারে ১২০ টাকা দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিদ্যালয় শুরুর আগেই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। বিদ্যালয় শুরুতেই শিক্ষার্থীদের ইউনিফরম, ব্যাগ, টিফিন, মেঝেতে কার্পেট, শিক্ষকদের মাসিক ৫ হাজার টাকা বেতনসহ ১৬ প্রকারের বরাদ্দ উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪২ মাসে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ভ্যাটসহ চার কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ছাড়া কোন শিক্ষার্থী কোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বা মাদ্রাসায় পড়াশুনা চলমান থাকলেও তাকে উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা যাবে না।

সরেজমিনে বৃহষ্পতিবার ও শনিবার সকাল থেকে কালিগঞ্জের মৌতলা কাজীপাড়া, কৃষ্ণনগর গাজীপাড়া, বিষ্ণুপুরের পানঘাট জেলেপাড়া, বিষ্ণুপুর, চাচাই, থালনা, চাদখালি, পূর্ব নলতা, থালনা, চম্পাফুল, পূর্ব নলতাসহ কয়েকটি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে সরকারি নিয়মের ব্যত্তয় ঘটিয়ে কার্যক্রম চলছে। কোথাও মেঝেতে কার্পেট নেই। কয়েকটিতে জমি দাতার বাড়িতে বাথরুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে বললেও ভয়ে শিক্ষার্থীরা গৃহকর্তার শৌচাগার ব্যবহার না করে রাস্তার ধারে কাজ সারতে বাধ্য হয়। শুরু থেকে শিক্ষার্থীদের বই, খাতা ও পেনসিল দেওয়া হলেও কোথাও কোথাও তা পর্যাপ্ত নয়। ব্লাক বোর্ডে ব্যবহৃত চখ ব্যবহার অনুপযোগী। তবে নিয়মিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার পাশাপাশি জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এসেম্বেলি করানো হয় বলে জানালেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। কোনদিনও টিফিন, ইউনিফরম, স্কুল ব্যাগ ও উপবৃত্তির টাকা না পেলেও প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষাথী ক্লাসেন আসে। তবে আগে থেকে প্রস্তুত করে দেওয়ায় অনেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বা মাদ্রাসায় পড়লেও সাংবাদিকদের সঙ্গে এ নিয়ে মুখ খুলতে চাননি অনেকে। তবে মোবাইল ফোনে অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবক এবং অনেকেই সরাসরি সরকারি প্রাথমিক বিদালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা মাদ্রসায় পড়েও উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তে আসেন বলে জানান। এতে তারা উপকৃত হচ্ছেন বলেও জানায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

মৌতলা কাজীপাড়া উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যায়ের শিক্ষার্থী ঝড়–খামার গ্রামের হাফিজুল ইসলামের ১৪ বছর বয়সী ছেলে ্সমাইল হোসেন জানায়, সে এক সময় নমাজগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তো। ১০১৮ সালে সে মৌতলা ছিদ্দিকিয়া এতিমখানায় হেফজো পড়তো। কয়েক মাস যাবৎ সে এ বিদ্যালয়ে পড়ছে। কাজী স্বাদ মৌতলা এতিমখানায় পড়ে। আব্দুর রহমান, আজনিন সুলতানা, আশরাফুল ইসলাম, অলি, মোঃ শাহীনসহ অনেকেই স্থানীয় মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে। তবে এখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে ৬ জন। আবার শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজনের বয়স সাড়ে ৫ থেকে ছয় বছর। যাদের এ বিদ্যালয়ে গত ডিসেম্বরে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করার সরকারি কোন বিধান ছিল না। জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষিকা তাজিয়া সুলতানা বলেন, এখানে কোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নেই। তবে মাদ্রাসায় অনেকে পড়াশুনা করতো। সবমিলিয়ে সামান্য ত্র“টি বিচ্যুতি থাকলেও হাজিরা প্রায় শতভাগ। তবে নিজের বেতন ও বিদ্যালয় ভবনের ভাড়া যথারীতি পাচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলেন।

কৃষ্ণনগর গাজীপাড়া উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক দীপালী রানী ঘোষ বলেন, প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ২৭ জন শিক্ষার্থ ক্লাসে আসে। শুধু বই, খাতা ও পেনসিল শুরু থেকেই দেওয়া হয়। গত রোববার ১২ দিনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। এ কদিন স্কুল করা হয়নি। সুপ্রিয়া ঘোষসহ তিনজন প্রতিবন্ধি রয়েছে তার বিদ্যালয়ে। নিজের উদ্যোগেই তাদেরকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন। বাড়ি বাড়ি যান শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াতে। এ সময় প্রকল্পের উপজেলা প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোস্তাফিজ কামাল বলেন, বরাদ্দকৃত টাকা ছাড় না হওয়ায় উপবৃত্তি, স্কুলের ব্যাগ, ইউনিফর্ম , টিফিনসহ অন্যান্য ব্যবস্থাপনা হুমকির মুখে। এরপরও তিনি বলেন এ প্রকল্পে তারা শতভাগ সফল হবেন।

বন্দকাটি পানঘাট জেলেপাড়া উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ঝর্ণা রানী কর্মকার বলেন, পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ বন্দ;কাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লাকী কোমরপুর সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকার পরও করোনাকালিন ঝরে পড়া অনেক শিশুই এ বিদ্যালয়ে পড়ে। পানঘাটের ১৪ বছর বয়সী প্রদীপ মণ্ডল, গোবিনদ মণ্ডলসহ অনেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে না পড়ার কথা বললেও তাদের অবিভাবকদের সাথে মোবাইলে কথা বলে জানা গেছে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য অনেকাংশেই সত্য নয়।
চাদখালি উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মিরিনা পারভিন বর্তমানে নলতায় প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। তবে শিক্ষার্থী সুমাইয়া, নাঈমুর রহমান রিয়াদ, নোমান, তাসপ্রিয়া, আল মামুন, ফাহিমসহ কমপক্ষে ২০ জন শিক্ষার্থী জানায়, তারা চাদখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ার পাশাপাশি এ বিদ্যালয়ে পড়ে। শারমিন পঞ্চম শ্রেণীতে, রুমি, মিথিলা, আছিয়া ও মাজিয়া চাদখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। তবে হাসি জানায় সে কেবলমাত্র শিরিনা ম্যাডামের স্কুলে পড়ে।
পূর্ব নলতা উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকা শরিফা খাতুন প্রশিক্ষণে থাকলেও লুবাইয়া তাবাসুম, মুনতাহা, মুনতাহা পাড় সহ কয়েকজন পড়ে আল হেরা প্রি ক্যাডেট মাদ্রাসায়। ৩০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১০ জনের বেশি পড়ে পূর্ব নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্রালয় বা আস্কারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এ প্রতিষ্ঠানে খাতা, পনেসিল ও বই তাদের সম্বল।
তবে চম্পাফুল কালীবাড়ি, ঘুষুড়ি, থালনা দক্ষিণ বন্দকাটি, বিষ্ণুপুর, চাচাই, ইন্দ্রনগর, মৌতলা কাজীপাড়া, পানিয়া গাজীপাড়াসহ অধিকাংশ বিদ্যালয়ে নীতিমালা বহির্ভুতভাবে কার্যক্রম চলছে। তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ শুধু তড়িঘড়ি করে নামমাত্র কয়েকটি স্কুল ঘুরে সাত দিনের মধ্যে ৭০টি শিক্সা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে দায়সারা একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে অভিযোগ সচেতন মহলের। এর সঙ্গে রয়েছে প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোস্তাফিজুর কামাল। তিনি সুকৌশলে ব্যর্থতা ঢেকে শতভাগ সফলতার গান গেয়ে যাচ্ছেন।

তবে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ , সমগ্র সাতক্ষীরা জেলায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থী মাত্র এক হাজার ৩০০ জন থাকলেও কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার। দুই হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থীদের অর্ধেকাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বা মাদ্রাসার চলমান শিক্ষার্থী। এ ছাড়া ২০ শতাংেশের বেশি রয়েছে শিশু, যাদের ভর্তির বয়স হয়নি। যেভাবে প্রকল্প চলছে তাতে বরাদ্দের অধিকাংশ টাকাই সাস ও তাদের অংশীদার এনজিওদের পকেটে যাবে।সব মিলিয়ে সরকারের ২২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শিক্ষা প্রকল্পের আসল উদ্দেশ্যে ভেস্তে যেতে বসেছে।
তবে নয় মাস ক্লাস করেও দুই থেকে তিন মাসের বেতন পাওয়ার কথা জানিয়ে তাদের নাম প্রকাশ না করার আবেদন জানিয়েছেন কয়েকজন শিক্ষক।
কালিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তাকে ৭০টি স্কুলের প্রতিবেদন এক সপ্তাহে দিতে বলা হয়। তিনি নামমাত্র কয়েকটি স্কুল ঘুরে সামগ্রিক প্রতিবেদন দিয়েছিলন। সময় পান না তাই কোন স্কুলে যাওয়া হয় না। তবে বরাদ্দের ১৬ টির মধ্যে ১০টিতে অনিয়ম আছে স্বীকার করে তিনি বলেন তিনি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কথা বলবেন।
এনভাইরনমেন্ট এণ্ড এগ্রিকালচারাল ডেভলপমেন্ট এ্যসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, তিনি সাস এর সঙ্গে অংশীদার হিসেবে কাজ করছেন। টাকার অভাবে শুরুতেই বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়ম থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা কাটিয়ে ওঠা যাবে। তবে ৪২ মাসের শিক্ষা কার্যক্রম ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করানাকালিন পরিস্থিতিতে শুরু করতে হয়েছে ডিসেম্বরে। ২০২৩ এর জুন মাসে কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আগামিতে আরো দুই বছর মেয়াদ না বাড়ালে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য সফল হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে স্বামী গোলাম মোস্তফা কর্তৃক স্ত্রী শামসুন্নাহারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার ভোর রাতে আশাশুনির প্রতাপনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছে। শামসুন্নাহার (৪৫) তিন সন্তানের জননী।

গোলাম মোস্তফার ভাই নুরুল ইসলাম জানান, গোলাম মোস্তফা মানসিকভাবে কিছুটা অপ্রকৃতস্থ। প্রত্যেক মাসে একবার তার ইনজেকশান দেওয়া লাগে। না দিলে পাগলামি বেড়ে যায়। সম্প্রতি তার পাগলামি বেড়ে গিয়েছিল। সোমবার রাতে তারা স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুমিয়ে পড়েছিল।

ভোররাতে শামসুন্নাহারের গোঙানির শব্দ শুনে আমরা তাদের ঘরের পাশে যেয়ে দরজা বন্ধ দেখতে পাই। ধাক্কা-ধাক্কির একপর্যায়ে গোলাম মোস্তফা দরজার ছিটকানি খুলে পালিয়ে যায়। ভেতরে যেয়ে শামসুন্নাহারকে মুমুর্ষু অবস্থায় দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ভ্যান ডাকি। ততক্ষণে শামসুন্নাহার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। পিটিয়ে ও শ^াসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করেন গোলাম মোস্তফার ভাই নুরুল ইসলাম।

আশাশুনি থানার ওসি মোমিনুর রহমান জানান,ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest