সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতDe Meest Winstgevende Spellen Bij Jaabet Die U Moet ProberenKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgū

লাবসার দরগা শরীফের খাদেমের বিরুদ্ধে কতিপয় ভূমিদস্যু কর্তৃক চাঁদাবাজির মামলাসহ খুন জখমের হুমকি

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার লাবসার পীর কুতুবুদ্দীন আরব, পীর সাহাবুদ্দীন আরব ও আলী শাহ্ ওরফে মিয়া সাহেবের দরগা শরীফের সম্পত্তি উদ্ধারের চেষ্টা করায় উক্ত দরগার খাদেমের বিরুদ্ধে কতিপয় ভূমিদস্যু কর্তৃক চাঁদাবাজির মামলাসহ খুন জখমের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের থানাঘাটা গ্রামের মৃত শেখ আলী আহম্মেদের পুত্র ভুক্তভোগী শেখ ফারুক হোসেন।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি থানাঘাটা পীর কুতুবুউদ্দীন আরব ও শাহাবুদ্দিন আরব মাজার শরীফের সাধারণ সম্পাদক (খাদেম)। লাবসা ইউনিয়নের থানাঘাটায় পীর কুতুবুউদ্দীন আরব, পীর শাহাবুদ্দীন আরব, পীর আলীসাহা ওরফে মিয়া সাহেবের দরগাহ শরীফের নামে গোপীনাথপুর মৌজায় ১৫৭৪ ও ৪৮২ নং এসএ খতিয়ানে (নিস্কর) মোট জমির পরিমান ৯ একর ৭৯ শতক জমি রয়েছে।

এছাড়া ৮১১৫/১৯৭৪ নং দলিলে আরো ২৯ শতক জমি বিগত ৯ ডিসেম্বর ১৯৭৪ সালে পীরের নামে দান করেন শ্রী সন্তোষ রায়। এই ২৯ শতকসহ উল্লেখিত ৯একর ৭৯ শতক নিস্কর সম্পত্তি মৃত রুহুল কুদ্দুসের গংরা নিজেদের নামে রেকর্ড করেছেন। যার বর্তমান বি আর এস রেকর্ড নং ২৬৫, ৩৫৫, ৪৭৭, ১৫২৪, ১৯১২।

মৃত. রুহুল কুদ্দুসের পোতা মৃত কাজী আবু কালামের পুত্র দেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পিয়ন কাজী আবু কামাল, মৃত. কাজী আবুল হোসেনের পুত্র কাজী আবু তাহের ও আবু তোরাব উক্ত পীরত্ব সম্পত্তি অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে দখল করে আসছেন। ইতিমধ্যে পীরত্ত্ব সম্পত্তি খন্ড খন্ডভাবে অনেক সম্পত্তি তারা বিক্রয় করে আত্মসাৎ করেছেন। সম্প্রতি আমিসহ গ্রামবাসী উক্ত দরগাহ’র সম্পত্তি দখলমুক্ত করার চেষ্টা করলে উল্লেখিত ভূমিদস্যু কাজী আবু কামাল-গং ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং গত পহেলা আগস্ট ২০২২ তারিখে আমাকে (খাদেম শেখ ফারুক হোসেনকে) খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন। এছাড়া শুক্রবারে দরগাহ শরীফে দোয়া অনুষ্ঠান করতে দেবে না, দরগাহের ক্ষতি সাধন করবে ইত্যাদি মর্মে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন। এরপর আমার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আসামী করে সাতক্ষীরা ১নং আদালতে চাঁদাবাজির একটি মামলা দায়ের করেন।

তিনি বলেন, বিগত ২০ জুরাই ২০১৬ তারিখে কুতুবুদ্দীন আরব ও শাহাবুদ্দিন আরব মাজার শরিফের খাদেম হিসেবে আমাকে মনোনীত করেন। এরপর ২০১৬ সালে উক্ত সম্পত্তি রক্ষার জন্য আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১০৪০০১৬০৫১৮৪০৮৭০০-৮ নং স্মারকে তদন্তের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমিকে নির্দেশ দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব)। এরপর সহকারী কমিশনার ভূমি মনিরা পারভীন তদন্তের প্রতিবেদন জমা দেন।

তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব আমাকে রেকর্ড সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন, উক্ত পীরত্ত্ব সম্পত্তিতে থাকা ৬ বিঘা আয়তনের দিঘি এবং তিন বিঘা জমিতে থাকা দুটি পুকুর কাজী আবু তাহের ও আবু হায়দার গং জনৈক ব্যক্তির কাছে লীজ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা বছরের পর বছর আত্মসাত করে যাচ্ছেন। কাজী আবু তাহের তার জবান বন্দিতে বলেছেন উক্ত দিঘী ও জলাশয় লীজ দিয়েছেন রসুলপুর গ্রামের মৃত শাহাদাত হোসেনের পুত্র মনিরুল ইসলামের কাছে। ওই কাজী আবু তাহের ও আবু হায়দার গংয়ের কবল থেকে পীরত্ত্ব সম্পত্তি উদ্ধার করতে গিয়ে আজ চাঁদাবাজির মামলার কবলে পড়েছি। মিথ্যা মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে চরম উদ্বিগ্নতার মধ্যে দিনাতিপাত করছি। এছাড়া প্রকাশ্যে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকিও প্রদর্শন করে যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এ সময় উক্ত ভূমিদস্যু কাজী আবু তাহের ও আবু হায়দার গংয়ের কবল থেকে পীরত্ত সম্পত্তি উদ্ধার ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পেতে এবং পীরত্ত্ব সম্পত্তি দখলকারী ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌরসভার সাথে ওয়াস ব্যবসায়ী মহিলা সমবায় সমিতির সদস্যদের লিংকেজ বিষয়ক ফলোআপ সভা

সাতক্ষীরা পৌরসভার সাথে ওয়াস ব্যবসায়ী মহিলা সমবায় সমিতির সদস্যদের লিংকেজ বিষয়ক ফলোআপ সভা আয়োজন করা হয়। ২৯ আগস্ট ম্যানগ্রোভ সভা ঘর, সাতক্ষীরাতে অনুষ্ঠেয় সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ শফিক-উদ-দৌলা সাগর ও প্রধান অতিথির আসন গ্রহন করেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ আনোয়ার হোসেন মিলন ।

সভায় বিশেষ অতিথির আসন গ্রহণ করেন আশা’র জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ আশরাফুল ইসলামর, সাতক্ষীরা পৌরসভার ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নূরজাহান বেগম ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনিমা রানী মন্ডল, ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ মারুফ আহমেদ, ওয়াস এসডিজি প্রকল্পের ফোকাল পার্সন ও সাতক্ষীরা পৌরসভার সমাজ উন্য়ন কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউর রহমান।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এম বেলাল হোসেন, উদ্যোক্তা সালমা খাতুন, জেসমিন আরা, ফরিদা খাতুন, মনোয়ারা খাতুন, কনজুমার গ্রুপ সভানেত্রী ফতেমা খাতুনসহ অন্যান্য। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হোপ ফর দি পুওরেষ্ট (এইচপি) এর টাউন কো-অর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার ও মার্কেট ডেভেল্পমেন্ট অফিসার নন্দিতা রানী দত্ত। সভায় সাতক্ষীরা পৌরসভার নারী ওয়াস সমবায় সমিতির সদস্যবৃন্দ তাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং অতিথিরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করার আশ^াস প্রদান করেন এবং সাথে সাথে বলেন এলাকার যে সকল মানুষ ওয়াস সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত তাদের উন্নত ওয়াস সেবা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সকলে একত্রে কাজ করব।

উল্লেখ্য, এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মান বৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবাগত পুলিশ সুপারকে বিবিসি ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরার ফুলেল শুভেচ্ছা

বিবিসি ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরার পক্ষ থেকে নবাগত পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত এ শুভেচ্ছা জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিবিসি ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরার চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বিবিসি, ক্রাইম রিপোর্টার নাঈম, ইব্রাহিম পাড়,

আজহারুল ইসলামসহ পৌর শ্রমিকলীগের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মিজান, যুগ্ম আহবায়ক রুবেল হোসেনসহ বিবিসি ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সাথে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা কমিটির মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি :
শ্যামনগরের নরেন্দ্র মুন্ডা হত্যার দ্রুত বিচার বাস্তবায়ন ও দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ বিভিন্ন দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় করেছেন সাতক্ষীরা জেলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সোমবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা কমিটির আহবায়ক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহি, শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, ডাঃ সুশান্ত কুমার ঘোষ, এড. মনিরউদ্দীন, জি এম মনিরুজ্জামান, সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল প্রমুখ।

এসময় নেতৃবৃন্দ শ্যামনগর উপজেলায় আদিবাসি মুন্ডাদের উপর ভুমিদস্যুরা হামলা চালিয়ে নরেন্দ্র নাথ মুন্ডাকে হত্যা করে এবং জোর পূর্বক তাদের জমি দখল, জাল কাগজ পত্র তৈরি করে যারা মুন্ডা সম্প্রদায়ের জমি নিজেদের বলে দাবি করছে সেই সকল জমির দলিল বাতিল করা, নরেন্দ্র নাথ মুন্ডার হত্যাকান্ডের মামলাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা এবং দ্রুত মূল আসামিদের গ্রেফতার। সাতক্ষীরা সদরের শিবপুর ইউনিয়নের কনারডাঙ্গা মন্দিরে মুর্তি ভাংচুর, তালা উপজেলার সরুলিয়ায় শত বছরের পুরনো আশ্রমের জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণের বিষয়সহ আগামী অক্টোবর মাসে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজা সুষ্ঠ ভাবে পালন করতে পারে সেই জন্য সকল পুজাম-প গুলিতে প্রশাসনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানান।

মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শোনেন এবং তিনি বলেন আদিবাসী মুন্ডা সম্প্রদায়ের জমি বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা নেওয়া নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া নরেন্দ্র নাথ মুন্ডার হত্যাকান্ডের মূল আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য তিনি পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলবেন। সরুলিয়ার আশ্রমের জায়গা বিষয়ে আশ্রম কমিটিকে আবেদন করার জন্য বলেন। এছাড়া সাতক্ষীরাতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা কোন মহল যাতে করতে না পারে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সুষ্ঠু ভাবে দূর্গা পুজা করতে পারে সেই ব্যাপারে তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরীয়তপুরে হত্যা মামলায় ১২ জনের যাবজ্জীবন

ডেস্ক রিপোর্ট : শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলায় কৃষক সামাদ মাদবর হত্যা মামলায় ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে শরীয়তপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

সোমবার দুপুরে শরীয়তপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়। যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত হচ্ছে- আজিজুল মাদবর, রফিকুল মৃধা, লিটন মাদবর, মান্নান মৃধা, আ: আলিম মাদবর, মফিজ মৃধা, তারন ফরাজী, নুরুল হক মাদবর, জুলহাস মাদবর, আলাউদ্দিন ফকির, আ: বারেক মাদবর ও মনির মাদবর।

তাদের সকলের বাড়ি জাজিরা উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের চরখোরাতলা গ্রামে। মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলার চরখোরাতলা গ্রামে আজিজুল মাদবর ও মালেক ফকিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তারই জেরে ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল তাদের মধ্যে সংঘর্ষে মালেকের বাবা সাহেব আলী ফকির মারা যান। ১৫ এপ্রিল নিহত সাহেব আলীর ভাগিনা মোতালেব মাদবর ৩৪ জনকে আসামি করে জাজিরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনায় থানায় ৪৪ জনকে আসামি করে কাউন্টার মামলা করেন প্রতিপক্ষ আজিজুল মাদবর।

এদিকে, ২০১৫ সালের ১ অক্টোবর সামাদ মাদবরকে কে বা কারা হত্যা করে ওই এলাকার ফসলি জমিতে ফেলে রেখে যায়। এঘটনায় জাজিরা থানার একটি মামলা দায়ের করা হয়। সঠিক তদন্তের জন্য মামলাটি শরীয়তপুর সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। পরে সিআইডির তদন্তে উদঘাটিত হয় আসামী আজিজুল মাদবরসহ ১২ জন মিলে পূর্বের মামলার সাক্ষী ও বাদিকে ফাঁসিয়ে দিতে সামাদ মাদবরকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ছেলে শাহজালাল মাদবর বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে জাজিরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সাত বছর পরে সিআইডি দুই বছর ৬ মাস তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে সকল সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আজ জেলা ও দায়রা জজ আদালত এ রায় ঘোষণা করে। নিহত সামাদ মাদবরের ছেলে শাহজালাল মাদবর বলেন, আসামী ১২জন আমার বাবাকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। বিচারক যা রায় দিয়েছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মির্জা হজরত আলী বলেন, আমি মনে করি এরকম দৃষ্টান্তমূলক সাজা হলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না। আমরা রাষ্ট্র পক্ষের এই রায়ে সন্তুষ্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ থেকে অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান

দেশের খবর: সারাদেশের সব অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে সোমবার থেকে অভিযানে নামছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

রোববার (২৮ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর।

তিনি বলেন, ৩ মাস সময় দেয়ার পরেও যারা অনুমোদন নেয়নি তাদের আর সুযোগ দেয়া হবে না। সেবার মানের উপর ভিত্তি করে বেসরকারি হাসপাতালের তিনটি ক্যাটাগরি করার পরিকল্পনা চলছে বলে জানান তিনি। এর আগে ২৬ মে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারা দেশের সব অবৈধ হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নির্দেশনার পর স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় সারা দেশে অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধে অভিযান চালায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত আড়াই মাসে সারা দেশে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৬৪১টি অবৈধ হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছে। একই সময়ে নতুন রেজিস্ট্রেশনের আওতায় এসেছে ১ হাজার ১০৩টি প্রতিষ্ঠান এবং লাইসেন্স পুনর্নবায়ন করেছে ২ হাজার ১৮১টি প্রতিষ্ঠান। নতুন লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৩৩৯টি আবেদন জমা পড়েছে। লাইসেন্স পুনর্নবায়নের জন্য ৪ হাজার ৫৯৮টি আবেদন জমা পড়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন আছে অথচ প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সব শর্ত মানছে না, পরিস্থিতির উন্নতি করার জন্য তাদের তিন মাস সময় দিয়েছিল স্বাস্থ্যঅধিদপ্তর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা নিয়ম মেনে লাইসেন্স পুনর্নবায়ন বা নতুন লাইনসেন্স নেয়নি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই অভিযান চালানো হবে। দেশে এখন অনলাইনে নিবন্ধন করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১১ হাজার ৭৪৩।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চাল ও জ্বালানি তেল আমদানিতে শুল্ক কমলো

দেশের খবর: মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাল ও ডিজেলের শুল্ক এবং কর কমানো হয়েছে। এর মধ্যে চাল আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক তুলে নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি বাজারে সরবরাহ বাড়াতে চাল আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। আর ডিজেলের আগাম কর অব্যাহতি ও আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

রোববার (২৮ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। চালের বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সুগন্ধি চাল ছাড়া যে কোনো চাল আমদানির ক্ষেত্রে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। সুবিধাটি বহাল থাকবে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এর আগে বিকেলে বাজারে চালের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য আমদানি শুল্ক আরো কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

তিনি বলেন, ১০ শতাংশ কমিয়ে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ করে আজ রোববার রাতেই প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

অন্যদিকে ভর্তুকি কমাতে আগস্ট মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের দাম সর্বোচ্চ ৫২ শতাংশ বাড়ায় সরকার। তখন ডিজেলের দাম সর্বোচ্চ ৮০ টাকা থেকে বেড়ে হয় ১১৪ টাকা। এরপর শুল্ক কমানোর দাবি ওঠে। এনবিআর আজ এই সিদ্ধান্তের কথা জানালো।

ডিজেলে হ্রাসকৃত আমদানি শুল্ক চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুব নেতৃত্বে পরিমিত ভোগ ব্যবহার ও পরিবেশসুরক্ষায় সচেতনতামুলক ক্যাম্পেইন

যুব নেতৃত্বে পরিমিত ভোগ ব্যবহার ও পরিবেশসুরক্ষায় সচেতনতামুলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকায় গোবরদাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে একশানএইড, বাংলাদেশ সহযোগিতায় সিডো সংস্থা’র বাস্তবায়নে একশান ফর ট্রান্সফরমেশন (এফরটি) প্রকল্পের আওতায় যুব-নেতৃত্বে পরিমিত ভোগ ব্যবহার ও পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া গত ২৪ আগষ্ট সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের ফুলবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে একই বিষয়ের উপর ক্যাম্পেইন করা হয়। ক্যাম্পেইনে প্রতিটি স্কুলে ২১০ জন ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।
ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য, পরিমিত ভোগ/ব্যবহার ও পরিবেশ সুরক্ষায় কি করণীয়? ক্যাম্পেইনের গুরুত্ব, তরূনদের ভুমিকা, পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টিতে করণীয় ও প্রয়োজনীয়তা। প্লাস্টিকের ব্যাবহার কমানো, পলিথিন ব্যাবহার না করা বিষয়ে সচেতন করা হয়।

যুব-তরুণ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে এশটি সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এশটি সহনশীল সমাজ গঠনে পরস্পরের মাঝে শান্তি ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তুলতে যুব তরূণদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে এবং নিজেদেরকে দক্ষ হতে হবে। যুব নেতৃত্বে ক্যাম্পেইনের দায়িত্ব পালন করেন হৃদয় মন্ডল, প্রীতি দাশ, রাকিবুল, সুজিত পাল, শরিফুজ্জামান, বৈশাখী, সপ্না, ইফতি, ইমতি ও ইউনুছ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest