সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

আদালত অবমাননা করে সুভাষ চৌধুরীর ডাকা সভায় সংঘর্ষের আশংকা : থানায় ডায়েরি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
আদালত অবমাননা করে ২জুন শনিবার প্রেসক্লাবে সুভাষ চৌধুরীর বিশেষ সাধারণ সভার ঘোষণায় সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবকে শান্ত রাখতে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
গত ৩০ জুন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না সদর থানায় এ ডায়েরি করেছেন।

যার নং ২১০৯।
ডায়েরিতে উল্লেখ্য করা হয়েছে, গত ২৯.০৬.২০২২ তারিখে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য সুভাষ চৌধুরী আদালতের নির্দেশ অবমাননা করে আগামী ২ -জুলাই ২০২২ তারিখে বিশেষ সাধারণসভা আহ্বান করেছেন। যা আদালত অবমাননাকর ও প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী। ওই আহ্বানে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও অনাকাংখিত ঘটনা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এনিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্যদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

দেখা দিয়েছে সংঘর্ষের আশংকা। যদি কোন অনাকাংখিত ঘটনার জন্ম নেয়, তার জন্য প্রেসক্লাবের সদস্য সুভাষ চৌধুরী দায়ী থাকবেন। আদালতের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে সভা আহবান করার কারনে ওই দিন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এপরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আইনগত সহযোগিতা কামনা করে সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গরিব ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২০২১ – ২২ অর্থ বছরে রাজস্ব তহবিলের খাত (শিক্ষা ও চিকিৎসা) হতে গরীব ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বেলা ১২ টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের আয়োজনে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে স্থানীয় সরকার বিভাগ সাতক্ষীরার উপপরিচালক ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাশরুবা ফেরদৌস’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে চেক বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম।

জেলার ১৩৬ জন ব্যক্তির মাঝে শিক্ষার উন্নয়ন ও চিকিৎসার জন্য ৮ লক্ষ ৮১ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম খলিলুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: বাংলাদেশের আকাশে বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ১০ জুলাই (রোববার) দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. আউয়াল হাওলাদার।

হিজরি জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপন করেন।

সভায় অতিরিক্ত সচিব আউয়াল হাওলাদার জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র, দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের আকাশে হিজরি ১৪৪৩ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ১০ জুলাই (১০ জিলহজ) রোববার দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বুধবার জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামী ৯ জুলাই ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। হজ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ জুলাই।

ঈদুল ফিতরের পর ঈদুল আজহা মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এ উৎসবে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তাদের প্রিয় বস্তু অর্থাৎ পশু কোরবানি করেন।

ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ই লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের পবিত্র ভূমিতে হজ পালনরত অবস্থায় থাকেন। হাজিরা ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেন। করোনার কারণে গত দু’বছর পর এবার বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে হজ করতে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে সংখ্যায় অন্যান্য বছরের অর্ধেক।

এবার ঈদে ৯, ১০ ও ১১ জুলাই সরকারি ছুটি থাকবে। তবে ঈদের ছুটির একদিন ৯ জুলাই পড়েছে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত দু’বছর (২০২০ ও ২০২১ সাল) বিধিনিষেধের মধ্যে কেটেছে ঈদুল আজহা। তবে সংক্রমণ একেবারে কমে যাওয়ায় গত ঈদুল ফিতর কেটেছে অনেকটা স্বাভাবিক অবস্থার মধ্যে। সবার প্রত্যাশা ছিল একইভাবে কাটবে কোরবানির ঈদও, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সংক্রমণের হার ফের ঊর্ধ্বমুখী। এরই মধ্যে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। মসজিদে নামাজ আদায়ের বিষয়েও দেওয়া হয়েছে নানা বিধিনিষেধ।

তবে যানবাহন চলাচলের ওপর যেহেতু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি, ধারণা করা হচ্ছে স্বাভাবিক সময়ের মতো গ্রামের বাড়িতে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রেল, সড়ক ও নৌপথে রাজধানী ছাড়বেন অসংখ্য মানুষ। এতে ফাঁকা হয়ে পড়বে ঢাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে ১৫০ কেজি পুশ করা বাগদা চিংড়ি জব্দ : আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :
কালিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিসের অভিযানে দেড়শত কেজি পুশকরা বাগদা চিংড়ি জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে কালিগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মহৎ কর্মকর্তা নাজমুল হুদা এর নেতৃত্বে বাথুয়াডাঙ্গা ও ফুলতলা মোড়ে পৃথক ভাবে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে বাগদা চিংড়িতে পুশ করা বাগদা চিংড়ি জব্দ করা হয়।

উপজেলার বাথুয়াডাঙ্গা গ্রামের মৎস ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বাড়িতে বাগদা চিংড়িতে বিভিন্ন অপ্রত দ্রব্য পুশ করার সময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হুদা ও তার অফিসের স্টোপরা অভিযান চালিয়ে হাতে নাতে পুশ করা মাছ ধরেন ।

মৎস্য ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামকে ১৫০০ টাকা জরিমান ও ৮০ কেজি পুশ করা বাগদা চিংড়ি জব্দ করে পরে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। পরে বেলা একটাই কালিগঞ্জ ফুলতলা মোড়ে অভিযান চালিয়ে বাঁশতলা বাজারের মাছ ব্যবসায় রেজাউল ইসলামের পুশ করা ৭০ কেজি বাগদা চিংড়ি প্যাকেটজাত করে ট্রাকে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়িতে উঠানোর সময় উপজেলা সিনিয়ার মৎস্য অফিসার নাজমুল হুদা এর দূরদর্শী ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে পুশ করা বাগদা চিংড়ি গাড়ি থেকে নামিয়ে রাস্তার উপর প্রকাশ্য পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে বিনষ্ট ও নষ্টকৃত চিংড়ি মাছ কাকশিয়ালি নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

এ সময় শত শত মানুষ চিংড়ি বিনষ্ট করার দৃশ্য দেখছিল। জানা গেছে কালিগঞ্জ ফুলতলা মোড় থেকে কাজল ট্রান্সপোর্ট এর মাধ্যমে ঢাকার মিরপুর দিয়াবাড়ি তপু মৎস্য এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে কালীগঞ্জ শহিদুল মাছের ব্যবসা করে থাকে। কালিগঞ্জ সহ অন্যান্য বাজার থেকে প্রতিদিন ট্রাকে করে এই সমস্ত মাছ ঢাকাতে বিভিন্ন বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। একশ্রেণীর মাছ ব্যবসায়ীরা অবৈধ পন্থায় অধিক মুনাফা লোভের আশায় সাদা সোনা নামে খ্যাত বাগদা চিংড়িতে জেলি, সাবু ,ভাতের মার, ভারী ময়লা পানিসহ অপদ্রব্য বাগদা চিংড়িতে পুশ করে ওজন বাড়িয়ে বিক্রয় করে আসছে। বিদেশে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের চিংড়ি মাছের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্নবৃদ্ধ হচ্ছে। কালিগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার নাজমুল হুদা জানান এ ধরনের অভিযান প্রতিদিন অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির জেলা কমিটি গঠন

সাতক্ষীরায় বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির জেলা কমিটি গঠনের জন্য সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে উক্ত সভায় সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ শফিকুর রহমান এর সঞ্চালনায় অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসু দেব বসু এর সভাপতিত্বে নতুন কমিটি অনুমোদিত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ প্রফেসর আমানউল্লাহ আল হাদী, কলারোয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এস.এম আনোয়ারুজ্জামান,

আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক পর্ষদের সম্পাদক মোঃ আজিজুর রহমান প্রমুখ।

সভায় সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসু দেব বসুকে সভাপতি ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অলিউর রহমানকে সম্পাদক করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে কলারোয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আনোয়ারুজ্জামান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ প্রফেসর আমানউল্লাহ আল হাদী, যুগ্ম সম্পাদক পদে সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ শফিকুর রহমান, শ্যামনগর সরকারি মহসিন কলেজের প্রভাষক রাজু হোসেন, কোষাধ্যক্ষ পদে প্রভাষক শাহদাত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সহযোগী অধ্যাপক শশীভূষণ পাল, সহকারী অধ্যাপক আবু বকর সিদ্দিক, তথ্য, গবেষণা ও সেমিনার সম্পাদক পদে মফিজুল ইসলাম,

সমাজকল্যান সম্পাদক পদে আয়শা আক্তার, দপ্তর সম্পাদক পদে এ এইচ এম মনিরুজ্জামান, প্রচার সম্পাদক পদে ফয়সাল আলম, নির্বাহী সদস্য পদে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, প্রফেস হুমায়ুন করীর, প্রফেসর আবুল হাশেম, প্রফেসর বলাই চন্দ্র ঘোষ, প্রফেসর আবু সাঈদ, প্রফেসর মহাদেব চন্দ্র সিংহ, প্রফেসর আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সহযোগী অধ্যাপক শরিফ উল আলম, সহকারী অধ্যাপক ফারুক হোসেন, স্বপন কুমার ঘোষ নির্বাচিন হন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে কতিপয় ব্যক্তির মিথ্যা ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবে বৃহষ্পতিবার ৩০ জুন, ২২ ইং সকাল ১১ টার সময় উক্ত সংবাদ সম্মেলনটি করেন দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মৃত শহর আলী গাজীর ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলী (যার মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নং ৭৯৬)।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গেজেটভুক্ত একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৮৭ সালের ২৫ জানুয়ারী তৎকালীন এরশাদ সরকারের সময়ে “দৈনিক ইত্তেফাক” পত্রিকায় বাংলাদেশের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে তার (আনছার আলী) নাম বৃহত্তর জেলার দেবহাটা উপজেলার তালিকাতে ২১ নং সিরিয়ালে আছে।
বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের ২০০৫ সালের ২৭ জুন প্রকাশিত বেসামরিক গেজেটের ৬৯৪৩ নং পাতায় ২০১ নং সিরিয়ালে তার নাম প্রকাশিত হয়।
আনছার আলী বলেন, ১৯৯৪, ১৯৯৭, ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধাদের ভোটার তালিকার প্রতিটিতে তার নাম রয়েছে। ২০০৪ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় থেকে তাকে সাময়িক সনদপত্র প্রদান করা হয় এবং সর্বশেষ গত বছর জামুকা থেকে যে যাচাই বাছাই করা হয় সেখানে সরকার নির্ধারিত যাচাই বাছাই কমিটির সকলের মতামতের ভিত্তিতে ২৫৮ নং ক্রমিকে ০১৮৭০০০৪৫০১ নং পরিচিতি নম্বরে তার নাম মোঃ আনছার আলী, পিতা- শহর আলী গাজী, গ্রাম- বসন্তপুর, ডাকঘর- দেবহাটা, উপজেলা- দেবহাটা, জেলা- সাতক্ষীরা এবং প্রমানকের বিবরন হিসেবে (বেসামরিক গেজেট ৭৯৬) সংরক্ষিত রয়েছে।
তিনি বলেন, উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মোহর আলী (৬৫), পিতা- মৃত দৌলত পাড় গ্রামের একজন দুষ্টু প্রকৃতির লোক। মোহর ইতিপূর্বে চোরাই পথে ব্যবসা করত। বর্তমানে সে একজন জামায়াত কর্মী এবং বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। নদীতে জাল ফেলাকে কেন্দ্র করে মোহরের সাথে তার কিছুদিন পূর্বে বিরোধ বাধলে সে বিভিন্নভাবে তাকে হয়রানি করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। খানজিয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তার মোহরের আত্মীয় হওয়ার কারনে মোহরের সাথে সাত্তার ও এলাকার আরো ২/৩ জন ব্যক্তি মিলে তার (আনছার) বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। আনছার আলী বলেন, তিনি দেশের জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে পরিবার পরিজন ফেলে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন। যারা তার বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্যদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান
প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের একটি অংশের পক্ষে সদস্য সুভাষ চৌধুরী যে বিশেষ সাধারণ সভার আহবান করেছেন তা আদালতের নির্দেশনা বহির্ভূত ও আদালত অবমাননার সামিল। আদালত বর্তমান কমিটিকে ১০ জন সদস্য নিয়ে প্রেসক্লাবের তালিকাভুক্ত করে নির্বাচনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রকাশ থাকে যে, সাব জজ সদর কোর্ট কর্তৃক গত ০৮.০৫.২০২২ তারিখের আদেশ মোতাবেক বর্তমান কমিটিকে উক্ত ১০ জন সদস্যকে তালিকাভুক্ত করে ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে  জজ কোর্টে একটি আপিল করা হয়।
শুনানি শেষে যুগ্ম জেলা জজ  ১ম আদালত গত ২২.০৬.২০২২ তারিখের আদেশে নিন্ম আদালতের রায় বহাল রেখেছেন। তবে নিন্ম আদালত আদেশাংশে যে নির্দেশনা প্রদান করেছেন তা এখতিয়ার বহির্ভূত উল্লেখ করা হয়েছে। বিধায় উক্তরূপ নির্দেশনা অকার্যকর, সে কারণে বর্তমান কমিটি বিশেষ সাধারণ সভা আহবান করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।
সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের ৫ (২) ধারার “গ” তে প্রাকৃতিক দূর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সরকারি নির্দেশনাসহ অন্যান্য অনিবার্য কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব না হলে কার্যকরী পরিষদের মেয়াদকাল ৪৫ দিন বাড়ানো যেতে পারে। যা করোনাকালীন সময়ে বাড়ানো হয়েছিল।
তারপর মামলার আদেশ মতে আরও ৪৫ দিন মেয়াদকাল বাড়ানো হয়। আদালতে প্রতি সম্মান দেখিয়ে সকল সদস্য তা মেনে চলছেন। গঠনতন্ত্রে বিশেষ কারণে ৪৫ দিনের মধ্যেও নির্বাচন করতে ব্যর্থ হলে ৫১ ভাগ সাধারণ সদস্যদের যুক্ত স্বাক্ষরে আহুত সাধারণ পরিষদের সভায় ৫ সদস্যের আহবায়ক কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এর মধ্যে আরও ৪৫ দিন পার হয়ে গেলে কি করতে হবে তা গঠনতন্ত্রে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু উল্লেখ না থাকায় আদালতের নির্দেশ মতে বর্তমান কমিটি বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বানসহ পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করে যাবেন।
সুভাষ চৌধুরী ডাকা সাধারণ সভা আদালত অবমাননার সামিল, এক্তিয়ার বহির্ভূত ও গঠণতন্ত্র পরিপন্থী। তার ডাকা সাধারণ সভায় প্রেসক্লাবের কোনো সদস্যকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ  জানানো হয়েছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা করা সেই ছাত্র জিতু গ্রেফতার

দেশের খবর: ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্র আশরাফুল আহসান জিতুকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

বুধবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সাভারের আশুলিয়ায় হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে হত্যার ঘটনার পর জিতু পালিয়ে যায়। সে বেশ কয়েক জায়গা বারবার স্থান পরিবর্তন করে। তবে ঘটনার পর র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ (বুধবার) সন্ধ্যায় গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি আশরাফুল আহসান জিতুকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুন) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জিতুর বাবা উজ্জ্বলকে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। বুধবার (২৯ জুন) ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলামের আদালত জিতুর বাবা উজ্জ্বলের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন আসামি উজ্জ্বলকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক এমদাদুল হক। শুনানি শেষে বিচারক পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৫ জুন স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে মারাত্মকভাবে আহত করে একই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির ছাত্র আশরাফুল আহসান জিতু। পরে আহত অবস্থায় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২৭ জুন) ভোরে মৃত্যু হয় শিক্ষক উৎপল কুমারের।

এ ঘটনায় নিহত শিক্ষকের বড় ভাই অসীম কুমার সরকার আশুলিয়া থানায় ওই ছাত্রের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

নিহত শিক্ষক উৎপল সরকার সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার এঙ্গেলদানি গ্রামের মৃত অজিত সরকারের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকার হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজ শাখার রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক এবং শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest