সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

বুধহাটায় স্মরণকালের সেরা ইফতার মাহফিলে ডাঃ রুহুল হক

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির বুধহাটায় স্মরণকালের সেরা ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুল চত্বরে শুক্রবার এ ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর হক ডাবলুর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকুর রহমান আশিক,

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল, থানা অফিসার ইনচার্জ মমিনুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলী, শাহনেওয়াজ ডালিম, হোসেনুজ্জামান হোসেন,

এসএম ওমর সাকি পলাশ, প্রভাষক দিপংকর বাছাড় দীপু, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম রেজা মিলন, আব্দুল আলিম মোল্যা, উপজেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি ঢালী মোঃ সামছুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বিপুল, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনিসুজ্জামান খোকন, বুধহাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এটিএম আক্তারুজ্জামান, সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, আওয়ামী লীগ নেতা জলিল ঢালী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর হক ডাবলুর সভাপতিত্বে ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি বুধহাটা বাজারের সার্বিক উন্নয়ন এবং এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে খালের নেটপাটা অপসারণের জন্য করনীয় বিষয় গুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বুধহাটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা বেলাল বিন রফিক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নজরুল ইসলাম জেলা পরিষদের প্রশাসক হ‌ওয়ায় সুলতানপুর দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের সংবর্ধনা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

সুলতানপুর দক্ষিণপাড়া বায়তুল্লাহ জামে মসজিদের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এবং সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক মনোনীত হয় মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার বাদ আসর মসজিদে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এসময় সম্মাননা স্মারক তুলে দেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোকলেস আলী, আলহাজ্ব এরশাদ আলী খোকা,

যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, ইমাম হাফেজ ক্বারী সাইদুর রহমান, মুয়াজ্জিন ইয়াসিন আরাফাত, সদস্য মীর নাজমুল ইসলাম লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান, আব্দুল হালিম ফিন্টু, মাহবুবুর রহমান, প্রভাষক আবদুল কাদের, মতিউর রহমান, প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ মুসল্লীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কাথন্ডায়  গৃহবধুকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পারিবারিক কলহে সাতক্ষীরায় কাথ-ায় এক গৃহবধুকে শ^াসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার সকালে গৃহবধুকে হত্যা করে ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে আত্মহত্যার প্রচারণা দেয় তার শ^শুর বাড়ির লোকজন।

মৃত্যুবরণকারি গৃহবধুর নাম সুমি খাতুন (২৩)। তিনি সদর উপজেলার কাথ-া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী ও তেতুলতলা গ্রামের শফিকুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে। তাদের ৪ বছর বয়সী জান্নাত নামের একটি মেয়ে রয়েছে।
সুমি খাতুনের পিতা শফিকুল ইসলাম বলেন, বছর ছয়েক আগে তার একমাত্র মেয়ে সুমি খাতুনের সাথে কাথ-া গ্রামের মুত আবুবকর সরদারের ছেলে সাদ্দাম হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিসহ বিভিন্ন তুচ্ছ ঘটনায় তার মেয়ের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালাতো স্বামী সাদ্দাম হোসেন,ভাসুর শাহিন আলম,জা সিনথিয়া খাতুন ও ননদ মিনা খাতুন। সুমি শ^শুর বাড়িতে টিকতে না পেরে মেয়েকে নিয়ে আমার বাড়িতে আসে।

পহেলা রমজানে জামাই সাদ্দাম হোসেন মেয়েকে নিয়ে তাদের বাড়িতে চলে যায়। শুক্রবার সকালে মেয়ের ভাসুর শাহীন আলম সুমি আত্মহত্যা করেছে বলে খবর দেয়।
সুমির খালু সদর উপজেলার পায়রাডাঙ্গা গ্রামের রবিউল ইসলাম জানান, আমরা সাদ্দামদের বাড়িতে যেয়ে সুমিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। ঘরের মধ্যে কোনো চেয়ার,টুল বা এই রকম কিছু পাইনি। আত্মহত্যা করতে গেলেতো উচু কিছুতে উঠে গলায় দড়ি দিতে হয়।

এছাড়া গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার প্রাথমিক লক্ষণ-যেমন জিহবা বের হওয়া,হাতের আঙ্গুলগুলো মুষ্টিবদ্ধ থাকা,ঠোট কালো হওয়া,চোখ বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়া-এগুলোর কোনোটিই সুমির মধ্যে ছিলনা।
রবিউল ইসলাম আরও জানান, পুলিশ ও আমাদের সামনেই সুমির ননদ মিনা খাতুন আস্ফালন করতে থাকেন। তিনি থানা বা আদালতের বারান্দায় না উঠতে প্রয়োজনে ৫ লাখ টাকা খরচ করবেন বলে চিৎকার করতে থাকেন।

সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতকারি সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই ইসমাইল হোসেন বলেন,মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শ^াসরোধ করে হত্যার এতগুলো উপাদান থাকার পরও কেন সন্দেহভাজনদের আটক করা হয়নি,এমন প্রশ্নের জবাবে এস আই ইসমাইল বলেন,জিহবা,হাত ও ঠোট ছাড়াও আত্মহত্যার অন্য লক্ষণ রয়েছে। তার সাথে এটি মিলেছে বলে পুলিশ এটাকে আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করছে।

মৃত্যুবরণকারি সুমির ননদ টাকার গরম দেখিয়েছে,এটার প্রভাব মামলায় পড়েছে কিনা,এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিষয়টি সঠিক নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় মোস্তাকের কাছ থেকে ঘেরের জমি ফিরিয়ে নিলেন ৯০ জন মালিক

নিজস্ব প্রতিনিধি : অবশেষে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খরাইল গ্রামের খালের মুখের পাটা অপসারণ করে পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে মাস্তাক আহম্মেদ এর কবল থেকে ১৪০ বিঘা জমি দখলে নিয়েছেন ৯০জন জমির মালিক।

বৃহষ্পতিবার সকাল ৮ট থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পানি নিষ্কাশন হয়।
ভবানীপুর গ্রামের ওয়ার্কার্স পার্টির সক্রিয় কর্মী দেব কুমার মণ্ডল জানান, খরাইল বিলে তাদের গ্রামসহ খরাইল, বারাত, মীর্জাপুর , বারাত ও দেওয়ানীপাড়ার কৃষকদের ২৫০ বিঘা জমি লীজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন যশোরের কেশবপুর উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক চুয়াডাঙা গ্রামের মোস্তাক আহম্মেদ। ১৫ চৈত্র তিনিসহ ৯০ জন জমির মালিক জানিয়ে দেন যে ৩০ চৈত্র মেয়াদ শেষ হলে তারা ওই জমি আর নতুন করে লীজ দেবেন না।

এতে বেপরোয়া হয়ে মোস্তাক আহম্মেদ তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জমির মালিকদের উপর হুমকি ধামকি দেওয়া শুরু করেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর জমি না ছাড়ায় তারা বিষয়টি তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার বিশ্বাসের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নোটিশ পেয়েও নির্ধারিত সময়ে ঘের ছেড়ে চলে যাননি মোস্তাক আহম্মেদ। উপরন্তু রবিবার পুলিশের একটি বিশাল টিম জবরদখলকারি মোস্তাক আহম্মেদ এর পক্ষ নিয়ে তালা উপজেলা খরাইল, বারাত, মীর্জাপুর, ভবানীপুর এলাকায় টহল দিয়েছে। মোস্তাক আহম্মেদ এর সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা জমির মালিকদের হুমকি দিয়ে বলে“ এক সপ্তাহ আর কখনো পুরবে না। জমি ফিরিয়ে নিতে এলে রক্তের হোলি খেলা হবে ।

এর পরপরই মোস্তাক আহম্মেদ ছোবহান মাষ্টার ও মুক্তিযোদ্ধা গুরুপদ মণ্ডলের মাধ্যমে জমির মালিক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সস্মেলন করেন। বারাত এর ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম, অ্যাড. কেসমত আলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে খারাপ মন্তব্য করেন ।

এর প্রেক্ষিতে স্থানীয় সাংসদ বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য অ্যাড. মুস্তাফা লুৎফুল্লাহতেতুলিয়া, কুমিরা ও ইসলামকাটির তিন চেয়ারম্যান ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে জরুরী সিদ্ধান্ত দেন। সে অনুযায়ি গত বুধবারের মধ্যে মোস্তাক আহম্মেদ জমি ছেড়ে না দিলে বৃহষ্পতিবার গ্রামবাসিকে সাথে নিয়ে জমির মালিকরা খালের মুখ কেটে পানি সরিয়ে দিয়ে জমি দখলে নেবেন বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির তালা উপজেলা শাখার সভাপতি রফিকুল ইসলাম জানান, বুধবারের মধ্যে মোস্তাক আহম্মেদ জমি ছেড়ে না দেওয়ায় বৃহষ্পতিবার সকাল ৮টার দিকে খরাইল, ভবানীপুর, বারাত, দেওয়ানীপাড়া, মীর্জাপরিসহ বিভিন্ন গ্রামের চার শতাধিক নারী পুরুষকে নিয়ে খরাইল গ্রামের খালের মুখের পাটা অপসারন করে পানি সরানোর কাজ শুরু করা হয়। এ সময় গ্রামবাসির হুঙ্কারে ঘেরের বাসা থেকে পালিয়ে যায় মোস্তাক আহম্মেদ এর তিন কর্মচারি। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। গভীর রাতে ২৫০ বিঘা জমির পানি অপসারিত হয়। ৯০ জন কৃষক তাদের ১৪০ বিঘা জমি বুঝে নেন। গ্রামবাসির সঙ্গে অংশ নেন, কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা হিরন্ময় মণ্ডল, মোঃ নজরুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলতাফ হোসেন।
ভবানীপুর গ্রামের ভবতোষ মণ্ডল জানান, তারা পাঁচ ভাই ১৮ বিঘা, গোব্দি মণ্ডল সাত বিঘা, দেবু মণ্ডল ১৫ শতক, নবীন ঘোষ সাড়ে চার বিঘাসহ প্রায় ৯০ জন কৃষক মোস্তাক আগম্মেদ এর দখলে থাকা ১৪০ বিঘা জমি ফিরে পেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশেমপুর বাইপাস সড়ক সংলগ্ন বায়তুন নুর  জামে মসজিদ জুম-আ উদ্বোধন 

প্রেসবিজ্ঞপ্তিঃ সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন এলাকা কাশেমপুর বাইপাস বায়তুন নুর জামে মসজিদ জুম-আ উদ্বোধন হয়েছে। ২৯ এপ্রিল শুক্রবার কাশেমপুর বাইপাস বায়তুন নূর জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল করিম এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সেলিম হোসেনের পরিচালনায় জুম-আ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিততে বক্তব্যে রাখেন, কাশেমপুর বাইপাস বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা ও ১০নং আগরদাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন মিলন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিততে বক্তব্যে রাখেন,  কাশেমপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, কাশেমপুর বাইপাস বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা আলহাজ্ব শেখ নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ ইদ্রিস।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কাশেমপুর বাইপাস বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমিটির কাশেমপুর বাইপাস বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ ইদ্রিস

সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রিয়াসাত আলী, মোঃ মাহবুবুর সরদার, ক্যাশিয়ার মোঃ তরিকুল ইসলাম, সহকারী ক্যাশিয়ার সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ গাজী সহ এলাকার মুসল্লি প্রমূখ। উক্ত মসজিদ জুম-আ অনুষ্ঠানে কুরআন হাদিসে পেশ করেন কাশেমপুর মদিনাতুল উলুম কমপ্লেক্স ও এতিমখানার শিক্ষক   মুফতি মোঃ হাফিজুর রহমান, কাশেমপুর বাইপাস বায়তুন নুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাসুদুর রহমান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি-খাদ্য-সারে সর্বোচ্চ ধাক্কা

অর্থনীতির খবর: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল, সার ও খাদ্যের দামে সর্বোচ্চ ধাক্কা লেগেছে। কারণ সংকটময় এ অঞ্চলে খাদ্য বিশেষ করে গম উৎপাদনে পৃথিবীর মধ্যে বিশেষ একটা জায়গা দখল করে আছে। অন্যদিকে জ্বালানি উত্তোলনেও পৃথিবীতে প্রভাব বিস্তারকারী দেশ রাশিয়া। এ অঞ্চলে প্রচুর গ্যাস উৎপাদন হয় ফলে বিশ্বব্যাপী ইউরিয়ার চাহিদাও পূরণ হয়। ফলে চলমান সংকটের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ধাক্কা বিশ্ববাসীকে আগামী তিন বছর বয়ে বেড়াতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) মধ্যরাতে ওয়াশিংটন থেকে এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বৈশ্বিক অর্থনীতি ১৯৭০-এর দশকের মতো উচ্চমুদ্রাস্ফীতি ও দুর্বল প্রবৃদ্ধির দিকে ধাবিত হওয়ার ভীতি জোরালো হচ্ছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বাজারগুলোতে পণ্য পৌঁছাতে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধাক্কার সম্মুখীন হচ্ছে দাবি করে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পরিচালক আয়হান কোস বলেন, খাদ্য ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে একটি উল্লেখযোগ্য মানবিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। এটি সম্ভবত দারিদ্র্য কমানোর অগ্রগতিকে স্থবির করবে। উচ্চদ্রব্যমূল্য ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অধিক দামের প্রবণতা ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ চলতে পারে। আর এর সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতিও অব্যাহত থাকতে পারে। ব্যাংকটির সবশেষ পণ্যবাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বিগত দুই বছর ধরে ১৯৭৩ সালের তেল সংকটের পর জ্বালানির মূল্য সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। আর একই সময়ে খাবার ও সারের দাম বেড়েছে ২০০৮ সালের পর সবচেয়ে বেশি। খাবার ও জ্বালানির দাম বর্তমান পর্যায় থেকে কমতে শুরু করলেও বিশ্বব্যাংকের ধারণা, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ এগুলোর গড়মূল্য বিগত পাঁচ বছরের তুলনায় বেশি থাকবে।

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের জেরে বাণিজ্য ও উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটায় এ বছর জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশ বাড়বে বলে ধারণা করছে বিশ্বব্যাংক। তারা বলছে, অপরিশোধিত জ্বালানির গড়দাম ২০২২ সালে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারে দাঁড়াবে। ২০১৩ সালের পর এটিই সর্বোচ্চ এবং ২০২১ সালের তুলনায় এই দাম ৪০ শতাংশ বেশি। ২০২৩ সালে এই দাম ৯২ ডলারে নামতে পারে। কিন্তু বিগত পাঁচ বছরের এর গড়দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলার। অর্থাৎ ২০২৩ সালে দাম কমলেও তা হবে গত পাঁচ বছরের দামের চেয়ে ঢের বেশি।

ইউরোপের বাজারে গ্যাসের দাম ২০২২ সালের দ্বিগুণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর কয়লার দাম বাড়বে ৮০ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের ধারণা, এ বছর গমের দাম বাড়বে ৪০ শতাংশের বেশি। এতে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে গম আমদানির ওপর নির্ভরশীল উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়বে।

বিশ্বব্যাংকের প্রসপেক্টস গ্রুপের সিনিয়র ইকোনমিস্ট জন ব্যাফেস বলেছেন, পণ্যের বাজার প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছে, কিছু পণ্যের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে জ্বালানি ও সারের মূল্য তীব্র বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস করতে পারে। কমমূল্যের সার ব্যবহার খাদ্য উৎপাদন ও গুণমানকে প্রভাবিত করবে, যা খাদ্যের প্রাপ্যতা, গ্রামীণ আয় ও দরিদ্রদের জীবিকাকে প্রভাবিত করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেট্রোরেলের প্রস্তাবিত ভাড়া সর্বনিম্ন ২০ সর্বোচ্চ ৯০ টাকা

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ১৬ ডিসেম্বর চালু হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম মেট্রোরেল। সম্পূর্ণ বিদ্যুচ্চালিত মেট্রোরেলের প্রতিটি কোচই হবে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত। মেট্রোরেল চালুর মাধ্যমে আধুনিক গণপরিবহনব্যবস্থার যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। মেট্রোরেলের যাতায়াত ভাড়া নিয়ে তাই ঢাকাবাসীর কৌতূহলের শেষ নেই।

ইতোমধ্যে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় মেট্রোরেলে চলাচলের ভাড়াও প্রাথমিকভাবে ঠিক করেছে। প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলে চলাচল করলে ভাড়া বাবদ একজন যাত্রীকে গুণতে হবে ৯০ টাকা। মেট্রোরেলের সর্বনিম্ন ভাড়া হবে ২০ টাকা অর্থাৎ এক স্টেশন পর নেমে গেলেও ২০ টাকা ভাড়া দিতে হবে। তবে ২০ টাকা ভাড়া দিয়ে সর্বোচ্চ দুই স্টেশন পর্যন্ত যাতায়াত করা যাবে। এরপর প্রতি স্টেশনে যেতে ১০ টাকা যোগ হবে।

জানা গেছে, ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কমিটি প্রাথমিক এ ভাড়ার হার ঠিক করেছে। সর্বশেষ গত ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রস্তাবিত ভাড়ার হার চূড়ান্ত হয়।

যদিও ভাড়ার এ হার এখনও চূড়ান্ত না। সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বাধীন কমিটির ভাড়ার প্রস্তাব সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে জমা দেবে। এরপর এ ভাড়া চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভাড়া ঠিক হবে।

মেট্রোরেল চালুর অন্তত তিন–চার মাস আগে সরকার ভাড়ার হার অনুমোদন করতে চাইছে। কারণ, ভাড়ার হার অনুযায়ী সফটওয়্যারে ইনপুট দিয়ে টিকিট চূড়ান্ত করতে হবে। মেট্রোরেলের যাত্রীদের জন্য আধুনিক এবং অনলাইনভিত্তিক ভাড়া পরিশোধের ব্যবস্থা থাকবে।

ভাড়া নির্ধারণে যুক্ত ছিল জাপানের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিপ্পন কোই (এনকেডিএম)। ভাড়া নির্ধারণে মেট্রোরেল নির্মাণ ব্যয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। শুধু দৈনন্দিন পরিচালনার ব্যয় ধরে সম্ভাব্য ভাড়ার হার নির্ধারণ করেছে কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) নীলিমা আখতার জানান, ডিটিসিএ প্রস্তাবিত ভাড়ার হার তৈরি করার চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। মেট্রোরেলের পরিচালন ব্যয় ও জনগণের সামর্থ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে ভাড়ার হার প্রস্তাব করা হচ্ছে। ঢাকার বিদ্যমান গণপরিবহনের খরচ ও বিভিন্ন দেশের মেট্রোরেলের ভাড়ার হারও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ভাড়ার হার প্রস্তাব করা হবে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খরচ, জনবলের বেতন-ভাতা এবং কোচ ও অন্যান্য স্থাপনার রক্ষণাবেক্ষণ খরচের কথা বিবেচনা করেই এটা প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া মানুষের ক্রয়-ক্ষমতাসহ সার্বিক বিষয় চিন্তা করে এটা করা হচ্ছে। সামগ্রিক বিষয় মিলিয়ে এটা করা হয়েছে। একটা সাধারণ বাসে অনেক টাকা ভাড়া লাগে। মানুষের সামর্থ্য, পরিচালন ব্যয় ও আর্থিক সামর্থ্যের কথা বিবেচনা করেই এ ভাড়া ঠিক করা হয়েছে।

দেশে মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে হাকা সরকারি মালিকানাধীন ঢাকা ম্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এ এন সিদ্দিক বলেন, ভাড়া হার প্রস্তাব করবে সাত সদস্যের কমিটি। ডিএমটিসিএল কমিটিকে নানা তথ্য–উপাত্ত দিয়ে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারের শীর্ষ মহলের যে লক্ষ্য, তাতে বিদ্যমান অন্যান্য গণপরিবহনের চেয়ে মেট্রোরেলের ভাড়া বেশি হবে না। যাত্রীদের সামর্থ্যের মধ্যেই ভাড়া রাখা হবে।

ডিএমটিসিএলের অধীনে ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় পাঁচটি মেট্রোরেল লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা আছে সরকারের। এর মধ্যে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রথম মেট্রোরেলের নাম দেওয়া হয়েছে লাইন-৬। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের দূরত্ব ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার। এ পথে ১৬টি স্টেশন রয়েছে। উত্তরার তিনটি স্টেশন বাদ দিলে অন্য সব স্টেশনের প্রতিটির মধ্যে দূরত্ব এক কিলোমিটার বা তার কম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে মেট্রোরেলের জন্য প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ৪ টাকা ভাড়ার প্রস্তাব এসেছিল। পরে কিলোমিটার এবং স্টেশনভিত্তিক ভাড়ার হার ঠিক করা হয়। এ ক্ষেত্রে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে ভাড়ার হার বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা যায়, ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে মোটাদাগে তিনটি বড় ব্যয়ের খাত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ খরচ, জনবলের বেতন-ভাতা এবং কোচ ও অন্যান্য স্থাপনার রক্ষণাবেক্ষণ খরচ।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুসারে, মেট্রোরেলে দুই ধরনের টিকিটের ব্যবস্থা থাকবে। একটা স্থায়ী কার্ড আর অন্যটি সাময়িক। স্থায়ী কার্ড রিচার্জ করে পুরো বছর বা মাসে যাতায়াত করা যাবে। এ কার্ড কিনতে ২০০ টাকা দিতে হবে। এরপর ২০০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যাবে। অনলাইন লেনদেনের মাধ্যমে কার্ড রিচার্জ করা যাবে।

অন্যদিকে, স্মার্ট কার্ডের অনুরূপ সাময়িক কার্ড দেওয়া হবে প্রতি যাত্রায়ই । স্টেশন থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যের ভাড়া দিয়ে এ কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। ভাড়ার অতিরিক্ত যাতায়াত করলে ওই কার্ড দিয়ে দরজা খুলতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কাছে বাড়তি ভাড়া পরিশোধ করেই বের হতে হবে।

মেট্রোরেলের প্রতিটি স্টেশনে থাকা মেশিনেও কার্ড রিচার্জ করা যাবে। প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের সময় যাত্রীদের কার্ড পাঞ্চ করতে হবে। নতুবা দরজা খুলবে না। এরপর নেমে যাওয়ার সময় আবার কার্ড পাঞ্চ করতে হবে। নতুবা যাত্রী বের হতে পারবেন না।

লিফট, এস্কেলেটর ও সিঁড়ি দিয়ে মেট্রোরেলের স্টেশনে ওঠা যাবে। তিনতলা স্টেশন ভবনের দ্বিতীয় তলায় কনকোর্স হল। এখানে টিকিট কাটার ব্যবস্থা, অফিস ও নানা যন্ত্রপাতি থাকবে। তিনতলায় রেললাইন ও প্ল্যাটফর্ম। একমাত্র টিকিটধারীরাই ওই তলায় যেতে পারবেন। দুর্ঘটনা এড়াতে রেললাইনের পাশে বেড়া থাকবে। স্টেশনে ট্রেন থামার পর বেড়া ও ট্রেনের দরজা একসঙ্গে খুলে যাবে। আবার নির্দিষ্ট সময় পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হবে।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যাত্রীসহ চলাচল শুরু হলে মেট্রোরেল ভোর থেকে দুদিক থেকে যাত্রা করবে। প্রাথমিকভাবে রাত সাড়ে ১১টায় সর্বশেষ ট্রেন ছাড়বে। শুরুতে দৈনিক ৪ লাখ ৮৩ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।

একটি ট্রেনের কোচ থাকবে ৬টি। সাড়ে ৯ ফুট চওড়া প্রতিটি কোচের মধ্যে দুই প্রান্তের দুটি কোচ অর্থাৎ ট্রেইলর কারে চালক থাকবেন। এসব কোচে ৪৮ জনের জনের বসার ব্যবস্থা আছে। মাঝখানের চারটি কোচে (মোটরকার) ৫৪ জন যাত্রী বসতে পারবেন। সব মিলিয়ে একটি ট্রেনে ৩০৬ জন বসে যেতে পারবেন। মাঝখানের প্রশস্ত জায়গায় যাত্রীরা দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করবেন।

মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা ধরা হলেও মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণ, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি, বাড়তি জমি অধিগ্রহণসহ কিছু নতুন বিষয় যোগ হওয়ায় আরও প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে।

মেট্রোরেলের উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১.৭৩ কিলোমিটার অংশের কাজ প্রায় শেষ। এ বছরের ডিসেম্বরে এ অংশে মেট্রোরেল চলাচল উদ্বোধন করা হবে। কাজ চলছে প্রকল্পের বাকি অংশেও। মার্চ পর্যন্ত মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৭৭.৮২%। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে ভৌত কাজের অগ্রগতি ৯১.৪১%। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অগ্রগতি ৭৭%।

২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত এ প্রকল্পের মেয়াদ থাকলেও ২০২৩ সালের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে। জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকা এ প্রকল্পে অর্থায়ন করছে। ইতোমধ্যে মেট্রোরেলের ১২ সেট ট্রেন বাংলাদেশে এসেছে। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার অংশে বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে মেট্রোরেল চলাচল করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইসিসির সর্বকালের সেরাদের তালিকায় ৩য় সাকিব

খেলার খবর: আইসিসির ঘোষিত সর্বকালের সেরা টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়েছেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসন। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৯৬ ম্যাচে ১১৯ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। আর ব্যাট হাতে করেছেন ১৯০৮ রান।

আইসিসি ডটকমের খবর জানা গেছে, সম্প্রতি সর্বকালের সেরা টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের তালিকা প্রকাশ করে আইসিসি। যেখানে ৪০৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের সাকিব আছেন তৃতীয় স্থানে।

৫৫৭ রেটিং নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়াটসন সবার ওপরে আছেন। ৪১২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। চতুর্থ স্থানে আছেন অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৩৯৭। ভারতের যুবরাজ সিয় ৩৬৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছেন।

শ্রীলঙ্কারর সনাথ জয়সুরিয়া ৩৬২ রেটিং নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে। আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবী ৩৫৫ রেটিং নিয়ে সপ্তম স্থানে। অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড হাসি (৩৫০), ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারলন স্যামুয়েলস (৩২১) ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল (৩০০) যথাক্রমে অষ্টম, নবম ও দশম স্থান রেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest