সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  

উপকূল জুড়ে ৩৩ হাজার মে. টন খাদ্য উৎপাদন ঘাটতি –সাতক্ষীরায়  কৃষি সাংবাদিক ফোরাম কর্মকর্তারা

আসাদুজ্জামান : বাংলাদেশের আবাদযোগ্য জমি ৬৬ শতাংশ থেকে বর্তমান সময়ে ৬০ শতাংশে নেমে আসার পরও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম কর্মকর্তারা বলেন, দেশের উপকূল জুড়ে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য উৎপাদন থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

৭২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ১৯টি জেলার ১ কোটি অধিবাসী এই বঞ্চনার শিকার হয়েছেন জানিয়ে তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ঘাটতি পূরন করা সম্ভব হতে পারে। তারা আরও বলেন, কেবল আউশ, আমন ও বোরো ধান উৎপাদনই নয়, দেশজুড়ে সব ধরনের কৃষিখাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে উপকূলের জলাবদ্ধতা হ্রাস এবং লবনাক্ততা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারলে এ উৎপাদন আরও বেড়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা পাবলিক মিলনায়তনে কৃষি ফোরাম আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবির। এসময় ঢাকা থেকে আসা কৃষি ফোরামের সঙ্গে সংযুক্ত হন সাংবাদিক মানিক মুনতাসির, মোস্তাফিজ, কাবেরী মৈত্র, সাঈদ শাহীন প্রমুখ।
তথ্যউপাত্ত তুলে ধরে কৃষি সাংবাদিক নেতারা বলেন, বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এক ফসলী, দুই ফসলী ও তিন ফসলী চাষাবাদ করার কারনে।

এমনকি জমির বহুমুখী ব্যবহারও এই উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক শক্তির কাজ করেছে। আবাদযোগ্য ৭৫ শতাংশ জমিতে এভাবে বহুমুখী এবং মিশ্র চাষ করে উপকূলে খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। দেশে এখন ৪৫ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয় উল্লেখ করে তারা বলেন, উপকূল অঞ্চলে সচরাচর লবনাক্ততার মাত্রা ছিল ৭ থেকে ৮ পিপিটি। বর্তমান সময়ের শুষ্ক মওসুমে তা ১৮/১৯ পিপিটি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিনা সহ বিভিন্ন জাতের ধান উৎপাদন ১২ থেকে ১৩ পিপিটি পর্যন্ত সম্ভব হলেও অন্যান্য উৎপাদন নানাভাবে মার খাচ্ছে।
উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার আশাশুনি ও শ্যামনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় এখন লবনাক্ততার কারনে পরিবেশগত বিপর্যয় শুরু হয়েছে। নদী খালে পুকুরে নোনা পানি এবং জলাবদ্ধতার অবসান শেষে বিস্তীর্ন এলাকা বালুকাময় হয়ে ওঠায় সেখানকার সবুজ বৃক্ষ সম্পদ শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছে। সাজানো গাছপালা এবং ধান সহ অন্যান্য কৃষি খাদ্যপন্য উৎপাদন কঠিন হয়ে পড়েছে।

লবনাক্ততার সাথে যুদ্ধ করে লবন সহিষ্ণু ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ কৃষি বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এসবের পরও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত এবং মনুষ্যসৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও লবনাক্ততার কবল থেকে রক্ষা পেতে অভিযোজন প্রক্রিয়া জোরদার করতে হবে। এ প্রসঙ্গে তারা দেশের ৯ কোটি টন কৃষিপন্য উৎপাদনের তথ্য তুলে ধরেন। মতবিনিময় সভায় তথ্যউপাত্ত তুলে ধরে বলা হয়, বর্তমান সময়ে পরিবারপ্রতি গতপড়তা দশমিক ৮২ একর জমি রয়েছে জানিয়ে আয়োজকরা বলেন, গত পাঁচ দশকে ধান উৎপাদন বেড়ে এখন তা ১০ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে গেছে। এই উৎপাদন আরও বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারা।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, ইচ্ছা করলেই জলবায়ু পরিবর্তনের এই ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ কথা নয়। আর একারনে শুধুমাত্র ধান উৎপাদনের ওপর নির্ভর না করে সাতক্ষীরার আম, উন্নত জাতের কুল, বহু ধরনের সবজি এবং অন্যান্য কৃষি ফসলের চাষ করে উপকূলের উৎপাদন বঞ্চনাকে অনেকটাই ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব। তিনি বলেন, সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষক ও কৃষিকাজে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। লবনাক্ত পানির চিংড়ী মাছ ছাড়াও মিষ্টি পানিতে অন্যান্য মৎস্য উৎপাদনে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
উন্মুক্ত আলোচনায় আরও অংশগ্রহন করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, সাবেক সহসভাপতি অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন, সাবেক সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, সাবেক সাধারন সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, সাবেক সাধারন সম্পাদক মোজাফফর রহমান, ৭১ টিভির বরুন ব্যানার্জী প্রমুখ সাংবাদিক।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বীর নিবাস নির্মাণ কাজ উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিনিধি: মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১২টি অস্বচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার পাচ্ছে ‘বীর নিবাস’।
রবিবার (১৬ জানুয়ারী) বিকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পরানদহা এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলীর বাড়িতে ১২লক্ষ ৭৬হাজার টাকা ব্যয়ে “বীর নিবাস” নির্মাণ কাজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ঘরের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে এ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগের যুগ্ন-সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা তুজ-জোহরা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ইয়ারুল হক, উপজেলা প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, শিবপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি শওকত আলী, ইউপি সদস্য আজহারুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর উপজেলা রং পালিশ শ্রমিকদের মধ্যে কম্বল ও মাস্ক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা রং পালিশ শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং- খুলনাÑ২২১৭) এর অসহায় শ্রমিকদের মাঝে কম্বল ও মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার সন্ধায় শহরের পাকাপোল মোড়স্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে ইউনিয়নের সভাপতি জুম্মান আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ইউনিয়নের অসহায় শ্রমিকদের মাঝে কম্বল ও মাস্ক বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ৃসাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান ফারুক, সহ-সভাপতি আবুল হোসেন,

কোষাধ্যক্ষ বাবুল আক্তার হাওলাদার, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ, হাবিবুর রহামান, শাহিনুজ্জামান শাহীন সহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় প্রথম ধাপে সাতক্ষীরা রং পালিশ ও শ্রমিক ইউনিয়ন এর অসহায় শ্রমিকদের মাঝে ২৫ টি কম্বল ও ৫০০ পিস মাস্ক বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গভীর রাতে ঋষি পল্লীতে কম্বল দি‌ল কালিগঞ্জ উ‌প‌জেলা প্রশাসন

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ
কা‌লিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের প‌শ্চিম নারায়নপুর খাল পা‌ড়ের ঋষি পল্লীর অর্ধশতাধিক ছিন্নমুল পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করে‌ন উপ‌জেলা প্রশাসন।
শনিবার গভীর রাতে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী ক‌মিশনার (ভূ‌মি) রোকনুজ্জামান বাপ্পী ঋষিপল্লীর অসহায়, দুস্থ শীতার্থ ব‌্যা‌ক্তি‌দের খুঁজে বের করে শীতবস্ত্র কম্বল তু‌লে দেন তি‌নি।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ হুমায়ুন কবিরের নির্দেশনায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলামের সা‌র্বিক ব্যবস্থাপনায় ত্রান অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এসময় সহকারী কমিশনার (ভুমি) বলেন, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র দি‌তে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। শীতের প্রকোপ বৃ‌দ্ধি পাওয়ায় অসহায় দুস্থ ব‌্যা‌ক্তি‌দের শীত নিবারনে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে কম্বল বিতরণ করছি। এভাবে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অসহায় দুস্থ‌দের খুঁজে বের ক‌রে তাদের হা‌তে কম্বল তুলে দিতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে মাদ্রাসায় হাজির না হয়ে ৭ বছর বেতন উত্তোলন করছে শিক্ষক !
কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : :  বেসরকারি কোম্পানিতে সাত বছর চাকরি করে ২০১৪ সাল থেকে মাদ্রাসার বেতন তুলছেন শিক্ষক বাহারুল ইসলাম।বিষয়টি অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের দারুল উলুম চৌমুহনী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায়।
৭ বছর যাবত মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকেও  অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ  আব্দুল কাদের হেলালির সহযোগিতায় প্রতিমাসে  মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করছেন ওই শিক্ষক। বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই।
 সাংবাদিকরা বিষয়টি জেনে যাওয়ায় তড়িঘড়ি করে গত ১ জানুয়ারি ওই শিক্ষক বাহারুল চাকরি হতে অব্যাহতি চেয়ে অধ্যক্ষ বরাবর লিখিত আবেদন করেছে।
  এ ব্যাপারে অত্র মাদ্রাসার দাতা সদস্য আবু তালেব সরদার বাদী হয়ে গত ২১ ডিসেম্বর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বসিলা ঢাকা, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা বরাবর পৃথক পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ হাতে পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলাম ও অত্র মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান।
লিখিত অভিযোগ এবং অত্র মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি নুরুল হক সরদার অভিভাবক আশিক ইকবাল অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক আমজাদ হোসেন, মনিরুজ্জামান, মিজানুর রহমান, নুরুল আমিন, জি এম শফিকুল ইসলাম, মনসুর আলী, আবু বক্কর সিদ্দিক, আব্দুস সবুর সহ অভিবাবকরা সাংবাদিকদের জানান, ২০১৩ সালে ১৭ডিসেম্বর বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সভাপতি ও মানবাধিকারকর্মী মোসলেম উদ্দিনকে চৌমুহনী বাজারে ফেলে প্রকাশ্য দিবালোকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যাকারী সহ একাধিক মামলার আসামি অত্র মাদ্রাসার এবতেদায়ী প্রধান শিক্ষক বাহারুল ইসলাম এর (ইন্ডেক্স নাম্বার পি আর ০১৬৬৮৭৬) বিরুদ্ধে থানায় মামলা হওয়ার পর হতে পলাতক থাকায় ওই মাদ্রাসা হতে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ায় হাজির হয়নি। অথচ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল কাদের হেলালির সহযোগিতায় প্রতিমাসে হাজিরা খাতায় ভুয়া স্বাক্ষর করে বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছে।  মাদ্রাসার আহবায়ক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা কে অবগত না করে তার এবং সভাপতির যৌথ স্বাক্ষর করে প্রতিমাসে বেতন ভাতা দিয়ে যাচ্ছে দুর্নীতিবাজ অধ্যাপক। খোঁজ নিয়ে জানা যায় সাতক্ষীরার আমতলা নামক স্থানে আফতাব এগ্রো ফুড কোম্পানিতে বছরের পর বছর বহাল তবিয়তে চাকরি করে দুই  স্থানে থেকে বেতন উঠাচ্ছে।
এ যেন এক ঢিলে দুই পাখি মারা। এ সংক্রান্ত বিষয় তার বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা সাংবাদিকদের নিকট হতে জানতে পেরে বিপদ বুঝতে পেরে গত ৩১/১২/২০২১ ইংরেজি তারিখে প্রথম দফায় পদত্যাগপত্র অব্যাহতিপ্রাপ্ত জমা দিতে ব্যর্থ হয়ে গত ১/১/২০২২ইংরেজি তারিখে তার অব্যাহতি পত্র টি অধ্যাক্ষের সঙ্গে শলা-পরামর্শ সেটা গ্রহণ করে। যাতে করে চাকরি না করেও দীর্ঘ সাত বছরের বেতন ভাতার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে না হয়। এ ব্যাপারে ঘটনার সত্যতা জানার জন্য শিক্ষক বাহারুল এর নিকট জিজ্ঞাসা করলে তিনি প্রথমে অস্বীকার করলেও আফতাব এগ্রো ফুড কোম্পানিতে চাকরি করার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং এবং তিনি আরও বলেন আমি বাড়িতে গেলে হাজিরা খাতায় সই করে আসি অধ্যক্ষ আমার বেতন জমা করে দেয় পরে আমি চেক দিয়ে বেতন উত্তোলন করে নেই।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এর নিকট জিজ্ঞাসা করলে তিনি সাংবাদিকদের জানান অভিযোগ হাতে পেয়ে আমি প্রথম পর্যায়ে ওই শিক্ষক এবং আবেদনকারীকে আমার অফিসে ডেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। পরবর্তীতে সরেজমিনে আমি বিষয়টি নিয়ে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক অভিভাবক এবং ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলব তারপর রিপোর্ট প্রদান করব।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
র‌্যাব ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সমঝোতা : কর্মসূচি প্রত্যাহার

সাতক্ষীরা জেলা কালেক্টরেটের একটি রেস্তোরার মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে সংঘটিত একটি মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরাস্থ কোম্পানির সদস্যরা আহত রেস্তোরা মালিক নজরুল ইসলামকে আটক কালে তার নিকট আত্মীয় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারকেও আটক করে নিয়ে যায়।

গত ১৩ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ রাত্র ১১ টায় র‌্যাব মারামারি সংশ্লিষ্ট মালিক নজরুল ইসলামকে তাদের হেফাজতে রেখে রাত্র ১১টায় সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারকে ৭ ঘন্টা পর ছেড়ে দেয়।

সাংবাদিক পরিচয়ের পরও ঐ মামলায় জড়িত না থাকা সত্বেও ৭ ঘন্টা আটক রাখার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব র‌্যাব এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একটি কর্মসূচির ঘোষনা করে।

মানবাধিকার লংঘনের এ বিষয়টি নিয়ে একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যস্থতায় র‌্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াট্রন লীডার ইশতিয়াক হোসেন এবং সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপীর নেতৃত্বে সাতক্ষীরাস্থ ওই বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার কার্যালয়ে আলোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এই আলোচনায় ঐ গোয়েন্দা সংস্থার জেলার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা দ্বিপাক্ষিক বক্তব্য গ্রহন করেন। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ১৬ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ বেলা ১১ টায় উদ্ভুত পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে উভয় পক্ষ এই মর্মে সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে বিষয়টি নিয়ে কোনো পক্ষ আরকোনো প্রকার দ্বন্দে না জড়িয়ে সৌহার্দ্য বজায় রাখার অঙ্গিকারের মধ্য দিয়ে উদ্ভুত ঘটনা নিষ্পত্তি করা হয়। পরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপীর সভাপতিত্বে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব এ সংক্রান্ত পূর্ব ঘোষিত সকল কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। বক্তব্য রাখেন, সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, সাংবাদিক ফারুক মাহবুবুর রহমান, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, এসএম রেজাউল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জালিয়াতির মামলায় সাতক্ষীরার এগারআনীর মজনুহার কারাগারে

নিজস্ব প্রতিনিধি :
জালিয়াতির মামলায় সাতক্ষীরা সদরের এগারআনীর মজনুহার রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো: হুমায়ূন কবির তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, সদরের এগারআনী গ্রামের সদর উদ্দীন সরদারের পুত্র মজনুহার রহমান একই এলাকার মমতাজুল মনোয়ারের রাজনগর মৌজায় ১২ শতক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে চক্রান্ত করে।

একপর্যায়ে কলারোয়া গোপীনাথপুর এলাকার মৃত এলাহী বক্স সরদারের পুত্র আবু বকর সিদ্দিক, মুরারীকাটি গ্রামের নুর মোহাম্মাদ সরদার, এগারআনী গ্রামের সোহরাব হোসেনের পুত্র ফতেমা খাতুন এবং ধানদিয়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মোড়লের স্ত্রী রহিমা খাতুনের সহযোগিতায় মমতাজুল মনোয়ারের ভাই-বোনদের ডি.পি ৩৩৫ ও ৩০৮ নং খতিয়ান জাল করে।

উক্ত জাল খতিয়ানের আবু বকর সিদ্দিক, ফতেমা খাতুন, রহিমা খাতুন এর নাম বসিয়ে তাদের মালিক সাজিয়ে মজনুহার রহমানের নিকট ১২ শতক সম্পত্তি সাব কোবলা করিয়ে নেয়। যা ১৯ জানুয়ারি ২১ তারিখে ৮৩৫ নং দলিলে সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে সাব কোবলা সৃষ্টি করে।
এদিকে উক্ত সম্পত্তি শান্তিপূর্ণ ভোগ দখল থাকা অবস্থায় মমতাজুল মনোয়ার ধান চাষাবাদের জন্য কাজ করতে গেলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা বাধা প্রদান করে। পরববর্তীতে রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে সার্টিফাইড কপি উত্তোলনের পর মমতাজুল বুঝতে পারেন জালিয়াতির মাধ্যমে মজনুহার রহমান উক্ত সম্পত্তি সাব কোবলা নিয়েছেন। উপায়ন্তর হয়ে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে সদর আমলী ১নং আদালতে মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় জালিয়াতিকারী মজনুহার রোববার আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে আদালতে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।
ভুক্তভোগী মমতাজুল মনোয়ার বলেন, উল্লেখিত মজনুহার রহমান অত্র এলাকার জাল জালিয়াতকারির হোতা। এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে বহু মানুষকে পথে বসিয়েছে মজনুহার রহমান। তিনি জালিয়াতকারী মজনুহারের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ২২২ জন। শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ৮২ শতাংশে।

করোনায় এ পর্যন্ত দেশে ২৮ হাজার ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে; শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ১৭ হাজার ৭১১ জন।

রোববার (১৬ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। শনিবার জানানো হয়, আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়; শনাক্ত হন ৩ হাজার ৪৪৭ জন; শনাক্তের হার ছিল ১৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৯৩ জন, এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৮৯৩ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯ হাজার ৬৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ২৯ হাজার ৩০৫টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ৩ জন নারী। ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৪ জন। চট্টগ্রামে ৩ ও সিলেটে ১ জন মারা গেছেন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেল বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest