সর্বশেষ সংবাদ-
Sommerliche Jackpot‑Demo‑Strategien: Wie Nv Casino Spieler unterstützt und Boni maximiertশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভা

দেবহাটায় জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা

দেবহাটা প্রতিনিধি। : দেবহাটায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ১৫জুলাই দুপুর ২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন সখিপুর সরকারী কেবিএ কলেজের অধ্যক্ষ অলোক কুমার ব্যানার্জী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ অলিউল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী দ্যুতি মন্ডল, উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইদ্রিস আলী, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, সখিপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম,

দেবহাটা সরকারী বিবিএমপি ইনস্টিটিউশন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিরঞ্জন কুমার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার মন্ডল, উপজেলা মৎস্য অফিসের মেরিন ফিসারিজ অফিসার সাজ্জাদ হোসেন, দেবহাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইয়াছিন আলী, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম রেজাউল করিম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দেবহাটার আহবায়ক মুজাহিদ বিন ফিরোজ, জেলার নেতা ইমরান বাশার ও রায়হান কবির, দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, পারুলিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তহিরুজ্জামান, উপজেলার নওয়াপাড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবু সাঈদ প্রমুখ।

সভায় জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস পালনে সরকারী নির্দেশনা পালনের জন্য আলোচনার পাশাপাশি সকল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে উপ-কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এছাড়া শহীদ আসিফের কবর জিয়ারত ও প্রীতি ফুটবল খেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতির সম্পাদক তারেক মনোয়ারকে মারপিট করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

সাথে সাথে নেতৃবৃন্দ ঘটনার সাথে সকল দুষ্কতকারীদের বিরুদ্ধে কঠিন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিযেছেন। এই ঘটনার যথাযথ বিচার ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর ফারুক মুকুল, সহ-সভাপতি রুহুল আমিন মোড়ল, সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আছাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম রেজাউল করিম, দপ্তর সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম আলম, অর্থ সম্পাদক মজনুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাদল, ক্রীড়া সম্পাদক আবু হাসান, কার্য্যনির্বাহী সদস্য সহকারী অধ্যাপক ইয়াছিন আলী, কার্য্যনির্বাহী সদস্য আবু সাঈদ, সাইফুল ইসলাম, সদস্য হারুন-অর রশিদ প্রমুখ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সন্ত্রাসীদের হামলায় সাংবাদিক তারেক মনোয়ার বর্তমানে সখিপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। নেতৃবৃন্দ তার উপরে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে বজ্রপাতে ঘের কর্মচারির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বজ্রপাতে সুভাষ মন্ডল (৪৫) নামের এক ঘের কর্মচারি মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার চিংড়াখালী গ্রামের সন্নিকটে মাছের ঘেরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।

তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর গ্রামের শিবপদ মন্ডলের ছেলে।

ঘের মালিক আনছারউদ্দীন জানান,সুভাষ ঘেরের বাঁধ বাঁধার কাজ করছিলেন। এসময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

শ্যামনগর থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান,মরদেহ পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনভোগান্তি চরমে খুলনা-পাইকগাছা সড়কের তালা উপ-শহরের বেহাল দশা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিরামহীন বৃষ্টিতে খুলনা-পাইকগাছা প্রধান সড়কের তালা উপ-শহরের জেলেপাড়া এলাকায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল থেকে ভারি বর্ষণের ফলে সড়কের অবস্থার আরও অবনতি ঘটেছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় মানুষ ও যাত্রীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, তালা উপ-শহরের জেলেপাড়া থেকে তালা ব্রিজ মোড় পর্যন্ত সড়কটি ঠিকাদার কর্তৃক খুঁড়ে ফেলে রাখা এবং টানা বৃষ্টির কারণে করুণ দশায় পড়েছে।

খুলনা থেকে আঠারোমাইল হয়ে পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় যাতায়াতের একমাত্র প্রবেশপথ এই সড়ক। কিন্তু সড়কের উক্ত অংশে যানবাহন আটকে যাচ্ছে গর্তে পড়ে। বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে বারবার ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এমনকি পথচারীরাও পায়ে হেঁটে পার হতে পারছেন না।

খুলনা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সহ-সভাপতি অমরেশ কুমার মন্ডল বলেন, আঠারোমাইল থেকে তালা সদর হয়ে পাইকগাছা পর্যন্ত ছয়টি স্থানে সড়কের খুবই খারাপ অবস্থা। তালা থানা-ব্রিজ মোড়, কপিলমুনি ফকিরবাসা মোড়, গোলাবাটি মোড়, মুচির পুকুরের মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে সমস্যা ভয়াবহ। আমরা মালিক সমিতির পক্ষ থেকে কিছু জায়গায় ইট-বালু ফেলে মেরামতের চেষ্টা করছি।

সৈয়দ বাচ্চু নামের এক পথচারী বলেন, ঠিকাদার এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতার কারণে আমাদের চরম মাশুল দিতে হচ্ছে।

বাস, ট্রাক, পিকআপ, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল চালকরাও ঠিকাদার ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

খুলনা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, খুলনা-পাইকগাছা রুটে প্রতি ১২ মিনিট পরপর একটি করে গাড়ি চলাচল করে। দিনে প্রায় ১২০টি গাড়ি ও ৭০টি ঢাকা রুটের পরিবহন এ সড়ক ব্যবহার করে। সড়কের দুরাবস্থার কারণে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী সরকার বলেন,সড়কের বিষয়টি নিয়ে খুলনা বিভাগীয় প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।

খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক জানান, ভেঙে যাওয়া সড়কের মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই সড়কটি চলাচলের উপযোগী হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6 Strategie per Scegliere i Migliori Casino Non AAMS su Resin Cities.Eu

Nel mondo dei casino non AAMS affidabile, la quantità di offerte è enorme e spesso confonde.  Siti non AAMS sicuri compaiono ogni giorno, ma non tutti rispettano gli standard di sicurezza, trasparenza e correttezza.  Una classifica curata da esperti riduce il tempo di ricerca, elimina i dubbi e ti guida verso piattaforme che hanno superato controlli approfonditi.

Resin Cities.Eu, ad esempio, analizza ogni casino online stranieri con criteri rigorosi: licenza di gioco, audit dei software, velocità dei prelievi e qualità del servizio clienti.  Grazie a questo lavoro di ricerca, i giocatori possono concentrarsi sul divertimento, sapendo di aver scelto un ambiente protetto.

In più, la classifica evidenzia i Siti non AAMS sicuri che offrono bonus reali, giochi con alto RTP (Return to Player) e metodi di pagamento affidabili.  Con una sola visita, ottieni una panoramica completa e puoi confrontare più opzioni senza perdere ore a leggere recensioni sparse.

2. Strategie 1‑2: Licenza e varietà di giochi

2.1. Controlla la licenza e la reputazione

Il primo passo è verificare che il casino possieda una licenza valida da un’autorità riconosciuta (Malta Gaming Authority, Curaçao eGaming, ecc.).  Una licenza garantisce che il sito rispetti regole di fair‑play e protezione dei dati.  Resin Cities.Eu segnala chiaramente quali piattaforme hanno licenze solide, distinguendo i casino non AAMS affidabile da quelli più rischiosi.

Important: Prima di registrarti, controlla la pagina “Informazioni legali” e cerca il numero di licenza. Se non è presente, è un segnale di allarme.

2.2. Valuta la varietà di giochi e i provider

Un catalogo ricco indica un investimento serio nella qualità dell’esperienza.  Cerca casinò che collaborano con provider famosi come NetEnt, Microgaming, Play’n GO o Evolution Gaming.  Questi sviluppatori offrono slot con RTP medio‑alto (95‑98 %) e giochi da tavolo con regole ben bilanciate.

Esempio: Immagina di giocare alla slot “Starburst” (RTP 96,6 %). Su un bankroll di €100, in media ti aspetti di recuperare €96,6 dopo molte puntate.  Se il casino propone solo slot con RTP inferiore al 92 %, il tuo ritorno a lungo termine sarà più basso.

Resin Cities.Eu elenca i giochi disponibili per ciascun casino, così puoi confrontare rapidamente la presenza dei titoli più popolari e dei nuovi lanci.

3. Strategie 3‑4: Bonus, promozioni e metodi di pagamento

3.1. Analizza i bonus e le condizioni di scommessa

I bonus di benvenuto sono allettanti, ma le condizioni di scommessa (wagering) spesso nascondono costi.  Un’offerta “100 % fino a €500 con 30x wagering” richiede €15.000 di puntate prima del prelievo.  Confronta più offerte e scegli quelle con requisiti più bassi, ad esempio 20x o meno.

Esempio pratico:
– Bonus: €100
– Wagering: 20x
– Puntata minima: €10
– Totale da scommettere: €2 000 (100 × 20)

Se il tuo budget è limitato, un bonus con 30x potrebbe risultare impossibile da soddisfare.

3.2. Verifica i metodi di pagamento e i tempi di prelievo

Un casino affidabile offre diverse opzioni: carte di credito, e‑wallet (Skrill, Neteller), bonifici bancari e criptovalute.  I prelievi dovrebbero essere completati entro 24‑48 ore per metodi elettronici e 3‑5 giorni per bonifici.  Resin Cities.Eu segnala i tempi medi di pagamento per ciascuna piattaforma, così sai cosa aspettarti.

Did You Know? Alcuni casinò non AAMS accettano monete digitali e garantiscono prelievi quasi istantanei, ma è importante verificare le commissioni associate.

4. Strategie 5‑6: Assistenza clienti e gioco responsabile

5.1. Servizio clienti multilingue e disponibile 24 h

Un supporto rapido è fondamentale quando sorgono problemi di verifica dell’identità o di pagamento.  Cerca casinò con chat live, e‑mail e telefono, preferibilmente in italiano.  Resin Cities.Eu valuta la qualità del servizio basandosi su tempi di risposta e cortesia degli operatori.

5.2. Strumenti di gioco responsabile

Giocare in modo sicuro significa avere a disposizione limiti di deposito, auto‑esclusione e accesso a risorse di supporto.  I casino non AAMS affidabile includono queste funzioni direttamente nel profilo utente.  Resin Cities.Eu mette in evidenza quali piattaforme offrono strumenti avanzati per il controllo del gioco.

Warning: Evita i casinò che non forniscono opzioni di auto‑esclusione o che nascondono le informazioni sul gambling problem. La tua sicurezza è la priorità.

5. Conclusioni e prossimi passi

Ora hai a disposizione le 6 strategie per individuare i migliori casino non AAMS e giocare in tutta tranquillità.  Ricorda di:

  • Verificare licenza e reputazione.
  • Scegliere piattaforme con una vasta gamma di giochi e provider di qualità.
  • Analizzare bonus e requisiti di scommessa.
  • Controllare metodi di pagamento e tempi di prelievo.
  • Valutare assistenza clienti e strumenti di gioco responsabile.

Per semplificare ulteriormente la tua ricerca, ti consigliamo di consultare la classifica curata da Resin Cities.Eu.  Il sito offre una panoramica dettagliata dei migliori casino non AAMS e ti permette di confrontare rapidamente le opzioni più sicure.

Visita la pagina dedicata e scopri quali casinò spiccano per affidabilità, bonus vantaggiosi e supporto eccellente: migliori casino non AAMS.

Gioca sempre con moderazione, imposta limiti di spesa e ricorda che il divertimento è la cosa più importante. Buona fortuna e buona scelta!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রেতা সুরক্ষা আন্দোলন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ক্রেতা সুরক্ষা আন্দোলন (সিআরবি) সাতক্ষীরা জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কক্ষে শপথ গ্রহণ করেন সিআরবির নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শপথ বাক্য পাঠ করান উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোয়াইব আহমাদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিআরবি সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি গোলাম রসূল রাসেল, সহ-সভাপতি গাজী আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক জি এম রেজাউল করিম রেজা, সার্ভিস ফি পণ্যের মূল্য নির্ধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, কুমারেশ দাশ, ইমরান হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম, বাবু। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকায় পুরাতন ডাকবাংলোর সামনে স্মৃতিস্তম্ভটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল হাসেম, সিভিল সার্জন ডা.আব্দুল সালাম, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহ্বায়ক আরাফাত হোসেন, মুখপাত্র মোহিনি তাবাসসুম এবং জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানের প্রস্তাব অনুযায়ী সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকায় পুরাতন ডাকবাংলোর সামনে স্মৃতিস্তম্ভটির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে ঐস্থানে স্মৃতিস্তম্ভটির নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

এদিকে, ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এ স্মৃতিস্তম্ভের উচ্চতা হবে ১৮ ফুট এবং প্রস্থ ৬ ফুট। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজপথে উচ্চারিত প্রেরণামূলক স্লোগান স্তম্ভটিতে খোদাই করে রাখা হবে। এটি নির্মিত হচ্ছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যৌথ অর্থায়নে। স্মৃতিস্তম্ভটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে আগামী ৫ আগস্ট।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে বীর শহীদদের স্মরণে এই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হচ্ছে। এটা দেশের ৬৪ জেলাতেই নির্মিত হবে। আশা করছি, আগামী ৫ আগস্টে এই স্মৃতিস্তম্ভে জুলাই শহীদদের স্মরণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা সম্ভব হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিভিন্ন ব্যবসায়ীর নিকট থেকে টাকা নিয়ে লাপাত্তা সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস এর মালিক মিজান

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা শহরের ব্যবসায়ী ( কাটিয়া এলাকা ) করা মামলায় এক বছরের সাজা মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে কাটিয়া এলাকার মিজান। ব্যাসায়ীর কাছ থেকে অল্প কিছুদিনের জন্য ধার নেওয়া টাকা ফেরত না দিলে উক্ত ব্যবসায়ী চেকের মামলা করেন
সাতক্ষীরা যুগ্ম দায়রা জজ ১ম আদালতে।

দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষ করে এ সাজা ঘোষণা করেন যুগ্ম দায়রা জজ ১ম আদালত।মিজানুর রহমান সাতক্ষীরা পৌরসভার দক্ষিণ কাটিয়া এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস পরিবহনের পরিচালক মিজানুর রহমান তার প্রতিবেশি ভোমরার এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চেকের বিনিময়ে ১০ লক্ষ টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়ায় ওই ব্যবসায়ী আদালতের দারস্ত হন। পরবর্তীতে সাতক্ষীরার যুগ্ম দায়রা জজ ১ম আদালত সাক্ষ্য প্রমান গ্রহণ শেষে এনআই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারা মোতাবেক ব্যবসায়ীর ১০ লক্ষ টাকা ফেরত ও আরও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন।

পরবর্র্তী ৬০ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধের জন্য সময়সীমা বেধে দিলেও মিজান সে টাকা পরিশোধ না করায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারী করে। বিষয়টি জানতে পেরে মিজান সাতক্ষীরা থেকে পালিয়ে যায়। তার অবস্থান জানতে পেরে সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে গেপ্তারি পরয়ানাটি ডিএমপির আদাবর থানায় অগ্রগামী করা হলেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি মিজান।

সাতক্ষীরা সদর থানা আসামি গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest