গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচন ১৫ মে

গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ মে ভোটগ্রহণ করা হবে। মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন ১২ এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই চলবে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করেছে ইসি।

শনিবার শেরেবাংলা নগরের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সভা শেষে এ তফসিল ঘোষণা করা হয়।

জানা গেছে, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়াদ শেষ হবে ২৫ সেপ্টেম্বর।

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন অনুযায়ী কর্পোরেশনের প্রথম বৈঠক থৈকে পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

আইন অনুযায়ী গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের দিন গণনা ৮ মার্চ ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের দিন গণনা ৩০ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে। এ কারণে কমিশন এ দুটি সিটি কর্পোরেশনের তফসিল ঘোষণা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কাজীর গরুর কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই’-কলারোয়া কি বাস্তবে ভিক্ষুকমুক্ত?

নিজস্ব প্রতিনিধি : স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন। ঠিক তেমনি ‘কাগজে-কলমে-মুখে ভিক্ষুকমুক্ত’ উপজেলা ঘোষণা কিংবা বলার চেয়ে ‘বাস্তবে ভিক্ষুক মুক্ত’ করা সত্যিই বড় কঠিন।
গত কয়েকমাস যাবত সাতক্ষীরা জেলারœ উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে কয়েকটি উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষনাও করা হয়েছে। কিন্ত সেটা যেনো ‘কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই’-এমন অবস্থা।
ভিক্ষুকমুক্ত কলারোয়ায় ভিক্ষুকের আধিক্যতা যেনো আগের চেয়ে বেশিতে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় ভিক্ষুকদের হরহামেশা দেখা যায়। আর শুক্রবার এলে তো কথাই নেই। প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ভিক্ষুকের হাট বসে যেখানে সেখানে। বাজারগুলোতে দোকানে দোকানে গিয়ে, বাসাবাড়িতে গিয়ে টাকা, চালসহ অন্যান্য ভাবে ভিক্ষা চায় বিভিন্ন বয়সী ভিক্ষুকরা। সাথে যোগ করে ‘সাহায্য’এর অনুনয়-বিনয়। ‘সাহায্য করুন কিংবা টাকা দেন’ বলে ভিক্ষুকেরা হাত বাড়িয়ে দেন যত্রতত্র। আর জুম্মার দিন হওয়ায় বিভিন্ন মসজিদের সামনে ভিক্ষুকদের জটলা বসে।
জানা গেছে- সরকার ভিক্ষুকমুক্ত করতে বিভিন্ন কর্মসংস্থান ও এককালীন সহযোগিতা দিচ্ছেন। নগদ টাকার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন উপকরণ দেয়া হচ্ছে অনেক ভিক্ষুকদের। কিন্তু স্বভাব না বদলিয়ে বিভিন্ন বয়সী অনেক ভিক্ষুক হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন ভিক্ষার জন্য। অল্প বয়সী শিশু থেকে মধ্য বয়সী এমনকি ৭০/৮০ উর্দ্ধো বয়সী পুরুষ-মহিলা ভিক্ষুক ভিক্ষাবৃত্তিতে থেকেই যাচ্ছেন। দূর্ভাগ্যজনক ভাবে শিশুদের সাথে নিয়ে ভিক্ষা করার ফলে অল্প বয়স থেকেই ভিক্ষাবৃত্তিতে আগ্রহি হয়ে পড়ছে শিশু-কিশোররা।
গত ৩০ মার্চ শুক্রবার কলারোয়া উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদের সামনে রীতিমত ভিক্ষুকের লাইন পড়ে যেতে দেখা যায়। উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্দ্ধতন ব্যক্তি, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বসহ সব শ্রেণির মানুষের সামনেই এমন চিত্র ফুটে উঠছে। তবে সেই আগের কথা- ‘কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই। আছে তবে বলার চেয়ে অনেক কম।’
অনেকে বলছেন- ‘কলারোয়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী সাতক্ষীরা সদর, শার্শা, ঝিকরগাছা উপজেলা ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষনা হওয়ার পর সেখানকার ভিক্ষুকের চাপ এখন কলারোয়ার উপর পড়েছে।’
তবে সাধারণ মানুষ অভিমত জানাচ্ছেন- ‘সত্যিকারে কি আমরা ভিক্ষুক মুক্ত হতে পেরেছি? পার্শ্ববর্তী এলাকার ভিক্ষুকের পাশাপাশি কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভিক্ষুকও এখানে ভিক্ষা করছেন প্রতিনিয়ত।’
কয়েকজন দোকান ব্যবসায়ী জানিছেন- ‘গড়ে প্রতিদিন ১২০-১৫০ জন ভিক্ষুককে ভিক্ষা দিতে হয়। কোন কোন ইউনিয়নে প্রচুর সংখ্যক ভিক্ষুককে ভিক্ষা করতে দেখা যায়।’
সবমিলিয়ে কলারোয়াবাসী এ রকম দৃশ্য আর দেখতে চান না। উন্নয়নশীল মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রের কলারোয়া উপজেলাকে ‘বাস্তবিক অর্থে’ ভিক্ষুকমুক্ত করতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ড্রোনের সাহায্যে ৮০ মিলিয়ন ডলারের আইফোন পাচার !

মানুষের কল্যাণে প্রতিনিয়ত আবিষ্কার হচ্ছে নিত্য নতুন প্রযুক্তির। আবার এ প্রযুক্তিকে ব্যবহার করেই সংগঠিত হচ্ছে নিত্যনতুন অপরাধও। বলতে পারেন অপরাধী শনাক্তের ব্যবস্থা যত কঠোর হচ্ছে ততই নতুন নতুন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে অপরাধীরা। এবার আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমনই চাতুর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটিয়েছে চীনের এক অপরাধী চক্র।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, চীন একদল অপরাধী চক্রকে আটক করেছে যারা ড্রোন ব্যবহার করে আইফোন ও অন্যান্য স্মার্টফোন পাচার করছিল। চোরাচালান হওয়া ওই স্মার্টফোনের মূল্য প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলার।

দেশটির শুল্ক কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধীরা ড্রোন ব্যবহার করে প্রতি রাতে প্রায় ১৫ হাজার মোবাইল ফোন পাচার করেছে। তারা হংকং থেকে পার্শ্ববর্তী শেনঝেন শহরে ওই মোবাইল ফোন পাচার করেছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, অপরাধী চক্রটি ২০০ মিটার লম্বা অব্যবহৃত তারের সাহায্যে সীমান্তের দুই পাশের দুটি ভবন ব্যবহার করে ওই মোবাইল ফোনগুলো চোরাচালান করছিল। তারের এক প্রান্তে মোবাইল ফোন ভর্তি ব্যাগ ঝুলিয়ে দেয়া হতো যেটি পরে শেনঝেন সীমান্তের ভেতরে থাকা ভবনটিতে টেনে নেয়া হতো।

চীনা শুল্ক কর্মকর্তারা বলছেন, ড্রোন ব্যবহার করে মালামাল চোরাচালানের ঘটনা তারা প্রথম দেখলেন। গেলো ফেব্রুয়ারিতে ওই দুই শহরে যৌথ অভিযানে কর্মকর্তারা এই অপরাধী চক্রকে আটক করে।

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় চীনের একটি বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামায় সমস্যার প্রেক্ষিতে ওই অভিযান চালায় চীনা কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ড্রোন ব্যক্তির নামে লিপিবদ্ধ করার নীতিমালা তৈরি করেছে চীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে আর কখনও জঙ্গিবাদ  মাথাচাড়া দিতে পারবে না -দেবহাটায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে আর কখনও জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিতে পারবে না । তিনি বলেন আমরা কখনও বলিনি যে দেশ থেকে জঙ্গি পুরোপুরি নির্মুল হয়ে গেছে। এদেশের মানুষ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস পছন্দ করে না মন্তব্য করে তিনি বলেন ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। তবে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদমনে যথেষ্ট সজাগ। বর্তমানে যে অভিযান চলছে তাতে তাদের মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরার দেবহাটায় নতুন থানা ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবসনে কফি আনান কমিশন এবং বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর পাঁচ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে। এর ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন মিয়ানারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে আমাদের বৈঠক হয়েছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা ১৯৭৮ সাল থেকে চলে আসছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আদালতের নির্দেশে কারাগারে আছেন এবং তিনি সুস্থ আছেন। সেখানে তার স্বাস্থ্য পরিক্ষা করা হচ্ছে। তবে তিনি কিছু ক্রনিক রোগে ভুগছেন বলে জানান তিনি। তিনি জেল কোড অনুযায়ী প্রাপ্য সব সুযোগ লাভ করছেন।
আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আরও বলেন মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত আছে। কোনো ভাবেই মাদককে ছাড় দেয়া হবেনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা মাদক কারবারের সাথে জড়িত তাদের ছবি দিয়ে সংবাদপত্রে নাম পরিচয় প্রকাশ করা হবে। তিনি আরো বলেন, সুন্দরবনে জলদস্যু দমনে কঠোর অভিযানের পাশাপাশি তাদের আত্মসমর্পন প্রক্রিয়া চলছে। কাল রোববার আরও অনেক জলদস্যু বাগেরহাটে অস্ত্রসহ তার কাছে আত্মসমর্পন করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরে মন্ত্রী দেবহাটা বিবিএম পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সুধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমারে সভাপতিত্বে সুধি সমাবেশে মন্ত্রী আরও বলেন, ২০১৩ সালে সাতক্ষীরাকে একটি মহল অবরুদ্ধ করে রেখেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন সেই দিনের শেষ হয়েছে। এখন শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় মন্ত্রীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক এমপি, সাতক্ষীরা ১, ২ ও ৪ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, এসএম জগলুল হায়দার, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মিসেস রিফাত আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন, পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ।
এরপর মন্ত্রী কালিগঞ্জ উপজেলা নলতা রওজা শরীফ জিয়ারত শেষে নলতা আহসান উল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বর্ণ কিশোরী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন এবং বিকাল ৩টায় দেবহাটা থানা আওয়ামীলীগ আয়োজিত দেবীশহর ফুটবল মাঠের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

৩১.০৩.১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বর্ণিল আয়োজনে বাংলাভিশন টিভি একযুগ পূর্তি পালিত


নিজস্ব প্রতিবেদক : “দৃষ্টি জুড়ে দেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বর্ণিল আয়োজনে পালিত হয়েছে দর্শক নন্দিত জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশনের এক যুগ পূর্তি। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে প্রেসক্লাব হলরুমে এসে এক আলোচনাসভায় মিলিত হয়।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন, বাংলাভিশন টিভি চ্যানেলের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি মো. আসাদুজ্জামান আসাদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
প্রধান অতিথি এসময় বলেন, বাংলাভিশন তার যাত্রার শুরু থেকে দেশ, মাটি ও মানুষের কথা বলে চলেছেন। তার নান্দনিক প্রোগাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ দর্শককে মুগ্ধ করে চলেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এ চ্যানেলটি এগিয়ে যাবে স্ব-মহিমায় এমনটি প্রত্যাশা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সাতক্ষীরা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ বিশ্বাস সুদেব কুমার, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক ও প্রেসক্লাবসভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, যুগ্ন সম্পাদক ফিরোজকামাল শুভ্র, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জোছনা আরা, জেলা পুলিশিং কমিটির সভাপতি ও বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরীর সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান রাসেল, প্রেসক্লাব সাধারন সম্পাদক আব্দুল বারী। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক, অরুন ব্যানার্জি, কল্যাণ ব্যানার্জি, সাবেক সাধারন সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, এম.কামরুজ্জামান, মোজাফফর রহমান, আর টিভির জেলা প্রতিনিধি রামকৃষ্ণ চতক্রবর্তী প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেন।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনীতিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাইলস থেকে মুক্তি দিতে পারে করলা!

গরম মানেই দুপুরে ভাতের সাথে কিছুটা তেতো তরকারীর স্বাদ। সেটা উচ্ছে বা করলা হতে পারে। শরীর-পেট ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি প্রতিটি সবজি আরও অনেক সমস্যার সমাধান করে। উচ্ছে যেমন লো ক্যালোরির তেমনি প্রচুর নিউট্রিয়েন্টস রয়েছে এতে। তাই নিয়মিত উচ্ছের রস বা সিদ্ধ খেলে ভিটামিন ১, ২, ৩, সি, ম্যাগনেসিয়াম, ফোলেট, জিঙ্ক, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ আর ফাইবার শরীরে জমা হবে। এছাড়াও, এতে আছে আয়রন, বিটা-ক্যারোটিন, পটাশিয়াম। যা শরীর মজবুত করতে সাহায্য করে। আজ জেনে নিন উচ্ছের গুণাগুণ-

১. রক্ত বিশুদ্ধ করেঃ অনেক সময়েই দূষিত পদার্থ রক্তে জমে গায়ে চুলকানি দেখা যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এর জন্য সামান্য পরিমান উচ্ছের রসের সঙ্গে সম পরিমাণ পাতিলেবুর রস মিশিয়ে রোজ সকালে খালি পেটে টানা ৩-৪ মাস খেতে পারলে এই সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে।

২. ক্যান্সারের প্রতিরোধ করেঃ উচ্ছের রসে এক ধরনের এনজাইম থাকে যা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করে এবং নতুন করে আর এই কোষ তৈরি হতে বাধা দেয়। যার ফলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা কমে।

৩. সুগার কমায়ঃ উচ্ছের মধ্যে প্রাকৃতিক ইনসুলিন রয়েছে। বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলে হাইপোগ্লাইসেমিক কম্পাউন্ড। এই বিশেষ উপাদানের সাহায্যে উচ্ছে ইনসুলিনের মাত্রা না বাড়িয়ে ইউরিন ও রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৪. দৃষ্টিশক্তি উন্নত করেঃ উচ্ছে বা করলার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে থাকা বিটা ক্যারোটিন চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে এবং দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে।

৫. পাইলস থেকে মুক্তিঃ এক গ্লাস দুধে তিন চা-চামচ উচ্ছে পাতার রস মিশিয়ে খালি পেটে টানা এক মাস খেলে অনেকটাই উপকার পাবেন। জ্বালা-ব্যথা কমাতে উচ্ছে গাছের শিকড় বেটে পাইলসে লাগাতে পারেন। আরাম মিলবে অনেকটাই।

৬. ফুসফুসের সমস্যার সমাধান করেঃ রোজ খালি পেটে উচ্ছের রসের সঙ্গে সম পরিমাণ মধু আর জল মিশিয়ে খেলে আস্থেমা,ব্রংকাইটিস বা ফ্যারিনজাইটিসে রোগে যারা ভোগেন তাঁরা ওষুধ ছাড়াই ভালো থাকবেন।

৭. লিভার ভালো রাখেঃ উচ্ছের রস লিভার পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। এই রস বিষাক্ত রক্তকে পরিষ্কার করে,রক্তের চলাচলকে সহজ করে ও গেঁটে বাতের ব্যথা উপশম করে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন এক গ্লাস করলার রস পান করলে লিভারের যে কোনো সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ সম্পর্কে চমকপ্রদ কিছু তথ্য!

এক বছরে বাংলাদেশের একজন মানুষ মাত্র ৪ কেজি মাংস খেয়ে থাকে। সে হিসেবে সারা বিশ্বের মধ্যে সবচাইতে কম মাংসভোজী মানুষের দেশ বাংলাদেশ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পৃথিবীর মধ্যে সবচাইতে কম মাংস খায় বাংলাদেশের মানুষ। সে হিসেবে বিশ্বের সবচাইতে বেশী নিরামিষভোজীর দেশও বলা যায় বাংলাদেশকে। ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে টেলিগ্রাফ। এতে বাংলাদেশের ব্যাপারে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করা হয়। যেমন-

১) নাগরিকের অনুপাতে পর্যটকের সংখ্যা এদেশে সবচাইতে কম। প্রতি ১,২৭৩ জন নাগরিকের পরিপ্রেক্ষিতে পর্যটক মাত্র একজন।

২) বাংলাদেশের হোটেলে রাত্রিযাপন সবচাইতে সস্তা। উদাহরণ হিসেবে বুড়িগঙ্গার ফরিদপুর হোটেলের কথা বলা হয়েছে, যা কিনা পাঁচটি নৌকা জোড়া দিয়ে তৈরি। এতে রাত্রিযাপনের খরচ মাত্র ৩৬ টাকা।

৩) পৃথিবীর যে ৫৮ টি দেশে এখনো মৃত্যুদণ্ড বহাল আছে তার মধ্যে একটি হলো বাংলাদেশ।

৪) বাংলাদেশের রয়েছে পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত (৭৫ মাইল)।

৫) ইথিওপিয়ার পর সবচাইতে কম ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের মানুষ দেখা যায় বাংলাদেশে।

৬) পৃথিবীর যে দেশগুলো কখনোই অলিম্পিক মেডেল পায়নি তাদের মাঝে সবচাইতে বেশি জনসংখ্যার দেশ হলো বাংলাদেশ।

৭) প্রাকৃতিক দুর্যোগের দিক দিয়ে বাংলাদেশ খুবই ঝুঁকির মুখে। বাংলাদেশের চাইতে বেশি ঝুঁকিতে আছে মাত্র চারটি দেশ- ভানুয়াতু, টোঙ্গা, ফিলিপাইন ও গুয়াতেমালা।

৮) পৃথিবীর সবচাইতে দূষিত শহরের তালিকায় আছে বাংলাদেশের শহরগুলো।

৯) সমুদ্রতল থেকে গড়ে মাত্র ৮৫ মিটার উঁচু বাংলাদেশের ভূখণ্ড। ফলে পৃথিবীর সবচাইতে নিচু দশটি দেশের মধ্যে আছে বাংলাদেশের স্থান।

১০) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা পৃথিবীর সবচাইতে ঘনবসতিপূর্ণ শহর কিন্তু ঘনবসতি, দূষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের মানুষ পৃথিবীর সবচাইতে সুখী মানুষদের মধ্যে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তির প্রহর গুনছে চলচ্চিত্র ‘একটি সিনেমার গল্প’

বিনোদন ডেস্ক : মুক্তির প্রহর গুনছে নায়ক আলমগীর পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘একটি সিনেমার গল্প’। যে ছবিটিতে প্রথমবারের মতো জুটি বেধে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের অভিনেতা আরিফিন শুভ এবং ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। আরও রয়েছেন আলমগীর, চম্পা, সৈয়দ হাসান ইমাম ও সাদেক বাচ্চু প্রমুখ।

সম্প্রতি সেন্সর বোর্ড থেকে বিনা কর্তনে ছাড়পত্র পেয়েছে নায়ক আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’। গত বছরের শেষ দিকে ছাড়পত্রের জন্য সেন্সরে জমা দেয়া হয়েছিল ছবিটি। সেন্সর সদস্যরা ছবিটি দেখে কোনো অসঙ্গতি খুঁজে না পাওয়ায় প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে সেন্সর বোর্ড সচিব মুন্সী জালাল উদ্দিন সে সময় জানিয়েছিলেন, ‘বিনা কর্তনে ‘একটি সিনেমার গল্প’ প্রদর্শনের মৌখিক অনুমতি দেয়া হয়েছে। লিখিতভাবে ছাড়পত্র প্রদানে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে।’

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির শুটিং শুরু হয়। এ বছরের এপ্রিল অথবা মে মাসের দিকে ছবিটি মুক্তি দেয়া হতে পারে বলে জানান নায়ক ও পরিচালক আলমগীর। নতুন জুটি আরিফিন শুভ ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের এ ছবিটিকে নিয়ে বেশ আশাবাদী তিনি।

আশির দশকে অভিনয়ে আসেন নায়ক আলমগীর। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই অভিনয় করেছেন দাপটের সঙ্গে। পারিবারিক টানাপোড়ন, সামাজিক অ্যাকশন, রোমান্টিক অ্যাকশন, ফোক ফ্যান্টাসিসহ সব ধরণের চলচ্চিত্রেই তিনি সফল। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক, গায়ক ও পরিচালক হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি।

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে সাত বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছেন নায়ক আলমগীর। দুই বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগেও। তিনি পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন ১৯৮৬ সালে। তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘নিষ্পাপ’। এরপরও বেশ কয়েকটি ছবি তিনি পরিচালনা করেছেন। এবার অপেক্ষা তার নতুন প্রজেক্ট ‘একটি সিনেমার গল্প’র জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest