সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgūΗ πλήρης καθοδήγηση για το Buran Casino no deposit bonus και τις προσφορές του

ভারতে এবার নিম্নবর্ণের হিন্দু যুবককে পিটিয়ে মারল উচ্চ বর্ণের লোকজন

অনলাইন ডেস্ক : ভারতের গুজরাটে নবরাত্রি উৎসবের সময় যে নাচের অনুষ্ঠান হয়, সেখানে যাওয়ার পর উচ্চবর্ণের প্যাটেল সম্প্রদায়ের লোকজন এক দলিত বা তথাকথিত নিম্নবর্ণের যুবককে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

পুলিশ বলছে, আনন্দ জেলার ওই ঘটনায় জয়েশ সোলাঙ্কিকে রবিবার ভোররাতে তার গ্রামেরই প্যাটেল সম্প্রদায়ের কিছু লোক একসঙ্গে মিলে মারধর করেছিল। তবে এখন অভিযুক্ত মোট আটজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

গুজরাটের পরিস্থিতি সম্পর্কে যারা ওয়াকিবহাল, তারা বলছেন উত্তর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মতোই সেখানেও দলিতদের ওপর আক্রমণের ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে – যদিও সংবাদমাধ্যমে সে সব ঘটনা তেমন গুরুত্ব পায় না।

গুজরাটে নবরাত্রির সময় গারভা নৃত্যানুষ্ঠান প্রায় প্রতিটি পাড়া বা মহল্লায় খুব জনপ্রিয় – আর আনন্দ জেলার ভাদরানিয়া গ্রামের স্থানীয় মন্দিরে এমনই একটি গারভা দেখতে গিয়েছিলেন একুশ বছরের যুবক জয়েশ সোলাঙ্কি।

সেখানে জাতপাত নিয়ে প্যাটেল সম্প্রদায়ের কিছু লোকজনের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। আর তারা একসঙ্গে মিলে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

ওই নিহত যুবকের এক ভাতিজা বলছিলেন, “সঞ্জয় প্যাটেল ওরফে ভিমোর নেতৃত্বে একদল ছেলে আমার চাচাকে জিজ্ঞেস করে, আমরা গারভায় কী করছি, কী দেখতে এসেছি। বলেই তারা তাকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে, তারপর বলে আমাদের গারভায় আমার কোনও অধিকার নেই।”

“শেষে মারতে মারতে তাকে একেবারে আধমরা করে ফেলে দিয়ে যায় – একটু পরে ওকে হাসপাতালে নিয়ে যেতেই বলা হয় সব শেষ।”

রবিবার ভোর চারটের পর ঘটা ওই ঘটনায় নিহতের মাথা বারবার সজোরে দেওয়ালে ঠুকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ – তার শরীরেও নানা স্থানে মিলেছে গভীর ক্ষতচিহ্ন।
আনন্দ জেলার পুলিশ সুপার সৌরভ সিং জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই ডিএসপি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। মারধরে অভিযুক্ত আটজনকেই গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। আরও কেউ জড়িত ছিল কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব দ্রুতই আমরা এই ঘটনায় চার্জশিট পেশ করব।”

ভারতে যিনি জাতির জনকের মর্যাদা পান, অহিংসার পূজারী সেই মোহনদাস গান্ধীর জন্মজয়ন্তীর প্রাক্কালে তার নিজের রাজ্য গুজরাটের এই ঘটনা রাজ্যের মাথা হেঁট করে দিয়েছে বলেই মনে করছেন সেখানকার বিদগ্ধ সমাজ।

গুজরাটের সাবেক তথ্য কমিশনার শৈলেশ গান্ধীর কথায়, “একটা চরম অসহিষ্ণুতা ও ঔদ্ধত্যের বাতাবরণ সর্বত্র ছেয়ে আছে – সরকার যদি এখনই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না-নেয় তাহলে এমন ঘটনা আরও ঘটবে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলব, স্বচ্ছ ভারত অভিযানের পাশাপাশি তিনি যেন দেশকে হিংসামুক্ত করার অভিযানেও নামেন।”

আসলে গারভার মতো একটা সামাজিক উৎসব, যেখানে নবরাত্রি উদযাপন করা হয় ও সমাজের সব শ্রেণীর লোক যোগ দিয়ে থাকে – সেখানেই এই ঘটনাটা ঘটা খুব দু:খজনক, বলছিলেন অনন্যা দাস।
কিন্তু বিহার-উত্তরপ্রদেশে যেমন দলিতদের ওপর হামলার খবর প্রায়ই শোনা যায়, গুজরাটও কিন্তু সে দিক থেকে একেবারে পিছিয়ে নেই।
অনন্যা দাস বলছিলেন, “গুজরাটেও দলিতদের সংখ্যা প্রচুর – আর তাদের ওপর হামলার ঘটনাও হামেশাই ঘটে থাকে। দলিতরা সাধারণত লোকের বাড়িতে কাজকর্ম, শৌচাগার বা শহরের সাফাই এই জাতীয় ছোটখাটো কাজকর্ম করে থাকেন – কিন্তু তাদের ওপর হামলা হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে জাতীয় সংবাদমাধ্যমে তা নিয়ে কোনও হইচই হয় না!”
গুজরাটে বিধানসভার ভোট এ বছরের শেষ দিকেই – তার আগে উচ্চবর্ণের লোকজনের হাতে দলিত যুবককে পিটিয়ে মারার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ায় লবণ

যতবার আমরা আলাদা করে লবণ খাই, ততবারই দ্বিগুণ হারে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়তে থাকে। তাহলে এবার দেখেই নিন কত মারাত্মক ক্ষতিটাই না আপনি করে ফেলেছেন হার্টের। এবার থেকে খাবারে লবণের পরিমাণ কমান। সেই সঙ্গে কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাসকে চিরদিনের জন্য বিদায় জানান।

একাধিক কেস স্টাডির পর এ বিষয়ে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হয়েছে যে, যারা প্রতিদিন ১৩.৭ গ্রাম লবন খেয়ে থাকেন, তাদের হার্টে অ্যাটাকের আশঙ্কা সাধারণ মানুষদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হারে বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, খাবারে লবণের পরিমাণ বাড়তে থাকলে শরীরে আরও অনেক ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকে।

১) রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়ঃ
দীর্ঘদিন ধরে বেশি মাত্রায় লবণ খেয়ে এক সময় ব্লাড প্রেসার বাড়ার আশঙ্কা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। আর ব্লাড প্রেসার মাত্রা ছাড়ালে হার্ট এবং মস্তিষ্কের উপর মারাত্মক চাপ পড়তে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

২) স্টমাক ক্যান্সার দেখা দেয়ঃ
বিশ্বে প্রতি বছর যত সংখ্যক মানুষ স্টমাক ক্যান্সার আক্রান্ত হন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগের অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার বদ-অভ্যাস রয়েছে। আসলে বেশি মাত্রায় লবণ খেলে স্টমাকের আবরণ নষ্ট হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে এইচ.পাইলোরি নামে একটি ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ বাড়তে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়াটি স্টমাক আলসারের পথ প্রশস্ত করে, যা পরবর্তি সময় স্টমাক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়।

৩) কিডনি খারাপ হতে শুরু করেঃ
শরীরে ইলোকট্রোলাইটসের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে লবণ কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কিন্তু তাই বলে বেশি মাত্রায় লবণ খাওয়া একেবারেই চলবে না। কারণ যত বেশি করে লবণ আমাদের শরীরে প্রবেশ করবে, তত কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যেতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে বাড়বে রক্তচাপও, যা যে কোনও মানুষকে ধীরে ধীরে শেষ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

৪) ওজন বৃদ্ধি করেঃ
লবণ ওজন বৃদ্ধির পথকে প্রশস্ত করে থাকে। বেশি মাত্রায় লবণ খেলে বা অতিরিক্ত লবণ দিয়ে বানানো খাবার খেলে পানির তৃষ্ণা বেড়ে যায়। ফলে অতিরিক্ত মাত্রায় জল এবং কোল্ড ড্রিংক খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। অতিরিক্ত মাত্রায় কোল্ড ড্রিঙ্ক খেলে শরীরে ক্যালরির মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে স্বাভাবিকবাবেই বৃদ্ধি পায় ওজন।

৫) হাড় দুর্বল করেঃ
শরীরে লবণের মাত্রা যত বাড়বে, তত পানির পিপাসা পাবে। আর পানি বেশি করে খেলে প্রস্রাবও বেশি করে হবে। ফলে শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বেরিয়ে যেতে শুরু করবে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে। আর এমনটা হলেই ধীরে ধীরে হাড় দুর্বল হয়ে গিয়ে দেখা দেবে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হলেন ওয়াহাব মিঞা

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা এক মাসের ছুটিতে যাওয়ায় আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞাকে অস্থায়ী তথা ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি করে রাতেই গেজেট প্রকাশ করেছে আইন মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক।

জানা যায়, এক মাসের ছুটি কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর চিঠি পাঠান প্রধান বিচারপতি। ওই চিঠির প্রেক্ষিতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

আবদুল ওয়াহাব মিঞার জীবনী:

বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা ১৯৫১ সালের ১১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯৯ সালের ২৪ অক্টোবর তিনি হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরে ২০০১ সালের ২৪শে অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন আবদুল ওয়াহাব মিঞা। এরপর ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘রোহিঙ্গা গণহত্যার পেছনে রয়েছে ইসরাইলের হাত’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলমান হত্যা, নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞে ইসরাইলের ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি দৈনিক হারেতজ।

দৈনিকটির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো যেখানে মিয়ানমার সরকারের কাছে অস্ত্র পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে সেখানে ইসরাইল রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর হত্যা নির্যাতন চালানোর জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ করছে।

জাতিগত শুদ্ধি অভিযানে লিপ্ত সরকারগুলোর কাছে অস্ত্র সরবরাহ করার ক্ষেত্রে তেলআবিবের ভূমিকা সম্পর্কে সাবেক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ইসরাইলের এ দৈনিকটি আরো জানিয়েছে, এর আগে ১৯৯০এর দশকে রুয়ান্ডা ও সার্বিয়ার কাছেও অস্ত্র পাঠানো হয়েছিল।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মিয়ানমারের সেনা প্রধান মিন আওং হাইং ইসরাইল সফর করে সেখানকার অস্ত্র নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেন। পার্সটুডে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাটকীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে হারালো শ্রীলংকা

পাকিস্তানকে তিনবার অলআউট করল শ্রীলঙ্কা! প্রথম ইনিংসে একবার, দ্বিতীয় ইনিংসে দুবার! বুঝতেই পারছেন, এর একবার পাকিস্তান অলআউট হয়েও হয়নি। পাকিস্তানের শেষ উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়েরা যখন স্টাম্প উপড়ে উদ্‌যাপন করছেন, তৃতীয় আম্পায়ার জানালেন নো বল! আবারও খেলা শুরু হলো। তবে কি নাটকের নতুন মোড়? না, এবার আর কোনো অ্যান্টি ক্লাইম্যাক্স হলো নয়। নাটকীয় ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত মাত্র ২১ রানে জিতে নিল শ্রীলঙ্কা।

টেস্ট ক্রিকেটে ভুতুড়ে একটা দিন গেল সোমবার। পচেফস্ট্রুমে ১৭.১ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। ওদিকে আবুধাবি টেস্টের শেষ দিনে শ্রীলঙ্কা আর পাকিস্তান মিলে হারিয়েছে ১৬ উইকেট! শ্রীলঙ্কাকে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৮ রানে অলআউট করে পাকিস্তান ধুঁকছে। ১৩৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে অলআউট হয়েছে ১১৪ রানে। তাতেই দেশের বাইরে ২৫তম টেস্ট জয়ের দেখা পেয়েছে শ্রীলঙ্কা।
মাত্র ৪৩ রানে ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন রঙ্গনা হেরাথ। নবমবারের মতো ম্যাচে ১০ উইকেট। প্রথম বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে টেস্টে ৪০০ উইকেটের মাইলফলকও পেরোলেন। ৩ উইকেট নিয়েছেন দিলরুয়ান পেরেরা।
প্রথম ইনিংসে দুই দলই সমানে সমানে জবাব দিচ্ছিল। শ্রীলঙ্কার ৪১৯ রানের জবাবে ৩ রানের লিড নিয়ে পাকিস্তান করেছিল ৪২২। দ্বিতীয় ইনিংসেও দুই দল সমানে সমান জবাব দিচ্ছে। এবার অবশ্য লড়াইটা হচ্ছে বোলারদের। ৪ উইকেটে ৬৯ রান নিয়ে দিন শেষ করা শ্রীলঙ্কা সোমবার অলআউট হয়েছে আরও ঠিক ৬৯ রান যোগ করেই। ৫ উইকেট নিয়েছেন ইয়াসির শাহ।
কিন্তু সহজ লক্ষ্যটা শুরুতেই কঠিন বানিয়ে ফেলে পাকিস্তান। নিয়মিত বিরতিতে হারায় উইকেট। ৩৬ রানে পড়ে যায় ৫ উইকেট। ষষ্ঠ উইকেটে হারিস-সরফরাজ মিলে ৪২ রান যোগ করায় মনে হচ্ছিল পাকিস্তান বুঝি জিতেই যাবে। ৫ উইকেট হাতে রেখে ৫৮ রান দরকার। এমন সময় আবারও পথ হারায় পাকিস্তান। মাত্র ১৬ রানে শেষ ৪ উইকেট পড়েছে তাদের। এর তিনটিই নিয়েছেন হেরাথ।
আর তাতেই সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিতর্কিত জান্নাতুলের পরিবর্তে জেসিয়াই হবেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’?

অনলাইন ডেস্ক : ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ জেসিয়া ইসলাম ও চ্যাম্পিয়ন জান্নাতুল নাঈম তথ্য গোপন করে সমালোচনার মুখে পড়ে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের মুকুট হারাতে হতে পারে চট্টগ্রামের মেয়ে জান্নাতুল নাঈমকে। আয়োজক ও বিচারকদের সঙ্গে কথা বলে তেমন আভাস পাওয়া গেছে। তাঁরা জানান, বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার নিয়মানুযায়ী প্রথম রানারআপ জেসিয়া ইসলামই ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের নবরাত্রি হলে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করা হয়। সেদিন মঞ্চে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ জান্নাতুল সুমাইয়ার নাম ঘোষণা করেন উপস্থাপক শিনা চৌহান। এরপর আয়োজকের পক্ষ থেকে অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী মঞ্চে এসে জান্নাতুল নাঈমের নাম ঘোষণা করেন। এরপর পুরো বিষয়টি নিয়ে বিচারক আর দর্শকেরা আয়োজকদের ভূমিকার সমালোচনা করেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চ্যাম্পিয়ন জান্নাতুল নাঈমকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়।

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’-এর আয়োজক প্রতিষ্ঠান অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী গতকাল সোমবার বিকেলে বলেন, ‘এভ্রিলকে (জান্নাতুল নাঈম) নিয়ে অনেক কথা আমাদের কানে এসেছে। বিয়ের খবরটাও শুনেছি। আমরা টাইম টু টাইম সব তথ্য চীনে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে পাঠাচ্ছি। এরই মধ্যে আমরা বিচারকদের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করছি। সবার সঙ্গে আলাপ করে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী যা হওয়ার, সে সিদ্ধান্তই নেব। এ বিষয়ে আগামীকাল বুধবার বিচারকদের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলন করে সবকিছু জানিয়ে দেব।’

অনুষ্ঠানের অন্যতম বিচারক শম্পা রেজা বলেন, ‘আমরা নম্বর দিয়ে যাঁকে সেরা বানিয়েছিলাম, ঘটনাচক্রে সে-ই এখন চ্যাম্পিয়ন হবে। একেই বলে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। শুনলাম, এভ্রিলের বিয়ের ছবি আর অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। যত দূর জানি, বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় কোনো বিবাহিত কিংবা সন্তানের মা অংশ নিতে পারেন না। তথ্য গোপন করার অপরাধে এখন যাঁকে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত করা হয়েছে, তা বাতিল হয়ে যাবে। সে হিসেবে জেসিয়া ইসলামই হবেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ।’

‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে গত জুলাই মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলন করে হয়। আয়োজক প্রতিষ্ঠান অন্তর শোবিজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে প্রায় ২৫ হাজার আগ্রহী নাম নিবন্ধন করেন। তাঁদের মধ্য থেকে কয়েকটি ধাপে বাছাই করা হয়েছে সেরা ১০ জনকে। এই ১০ জন হলেন রুকাইয়া জাহান, জান্নাতুল নাঈম, জারা মিতু, সাদিয়া ইমান, তৌহিদা তাসনিম, মিফতাহুল জান্নাত, সঞ্চিতা দত্ত, ফারহানা জামান, জান্নাতুল হিমি ও জেসিয়া ইসলাম। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের নবরাত্রী হলে এ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেন তাঁরা। যিনি সেরা হবেন, তিনি ১৮ নভেম্বর চীনের সানাইয়া শহরে অনুষ্ঠেয় ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশ নেবেন।

‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালের বিচারক ছিলেন জুয়েল আইচ, শম্পা রেজা, বিবি রাসেল, চঞ্চল মাহমুদ, রুবাবা দৌলা ও সোনিয়া বশির কবির। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন শিনা চৌহান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেনাবাহিনীর পক্ষে কথা বলে বাদ মিয়ানমারের সুন্দরী

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতায় সেনাবাহিনী ও সরকারের পক্ষে কথা বলায় একটি আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েছেন দেশটির এক সুন্দরী।

১৯ বছর বয়সী শোয়ে ইয়ান শি গত ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। যেখানে তিনি রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতার জন্য আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসাকে দায়ী করেন। ভিডিওতে শি বলেন, সুন্দরী প্রতিযোগিতার একজন প্রতিযোগী হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শাস্তির পক্ষে কথা বলা।

হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম কোকোনাটস ইয়াঙ্গুন এক প্রতিবেদনে এসব কথা জানিয়েছে।

ভিডিওটির শুরুতেই শি বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের দেশের রাখাইন রাজ্যে ঘটে যাওয়া সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আমার মতামত জানতে চান সাধারণ মানুষ।’ আর সে কারণেই নিজের দায়িত্ববোধ থেকে এই ভিডিও পোস্ট করেন এই সুন্দরী।

ভিডিওতে রাখাইন রাজ্যের সহিংসতা নিয়ে নিজের মত তুলে ধরেন শি। সেখানে তিনি আরসাকে ইসলামী সম্প্রসারণবাদী আন্দোলন হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, এটি প্রতারণা করে আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যম ও সুশীল সমাজের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছে। রাখাইনে সেনাবাহিনীর চালানো হামলাকে শিউ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বলেও মনে করেন।

মিয়ানমারের এই তরুণী বলেন, খিলাফত ধরনের আন্দোলন করে গত মাসে আরসা হামলা চালায়। অথচ তারা এবং তাদের মিত্ররা বিষয়টি এমনভাবে প্রচার করছে যাতে মনে হচ্ছে উল্টো তারাই নির্যাতিত হয়েছে।

শির এই বিবৃতিতে কোথাও বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিকের কথা উল্লেখ নেই।

ওই ভিডিওতে শি বলেন, ‘বিষয়টি বোঝার একমাত্র উপায় হলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মিয়ানমারে আসতে হবে। যাতে তাঁরা নিজের চোখে পরিস্থিতি দেখতে পারেন। তাই আমি সবাইকে আমার দেশে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি এবং নিজের চোখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানাচ্ছি।’

অবশ্য অং সান সু চি যে দেশটিতে জাতিসংঘের সত্য অনুসন্ধানী দলকেও প্রবেশ করতে দেননি সে সম্পর্কেও কিছু বলেননি শি ইয়ান।

গতকাল রোববার মিস ইউনিভার্স মিয়ানমারের খেতাব জেতা এই সুন্দরী জানান, তাঁর এই ভিডিওটি প্রতিযোগিতার নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। তাই আগামী ৫ থেকে ২৬ অক্টোবর ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত মিস গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ২০১৭ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছেন না তিনি।

ব্যাংককভিত্তিক মিস গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁদের এই সুন্দরী প্রতিযোগিতার লক্ষ্য হলো শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ বন্ধ করা।

এদিকে, প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েও দেশের জনগণের একাংশের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন শোয়ে ইয়ান শি। জনগণের এই অংশটিরও ধারণা যে রাখাইন রাজ্যে যা হচ্ছে তা কেবলই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। তারা ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোয়ে ইয়ানের পক্ষ নিয়েই কথা বলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আবেদনে ৩০ টাকার পোস্টাল অর্ডার ১৫০ টাকা!

মোঃ বশির আহমেদ : সরকারের বহু ভালো কর্মসূচি ও উদ্যোগকে বিতর্কিত করছে সরকারের বিভিন্ন অফিস ও দপ্তরের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মচারী। সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অফিসের ক্লার্ক কামাল এর নেতৃত্বাধীন একটি সিন্ডিকেট সরকারি চাকরি করেও অফিসের মধ্যে ফেঁদেছেন বেকার তরুণ-তরুণীদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ব্যবসা! ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আওতায় কর্মসংস্থানের জন্য আবেদনকারী হাজার হাজার যুবক-যুবতীর কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এই চক্রের বিরুদ্ধে। সাতক্ষীরা পোস্ট অফিসের ৩০ টাকার পোস্টাল অর্ডারের ব্যাপক ঘাটতির সুযোগে ৩০ টাকার পরিবর্তে ১৫০টাকা করে গুণতে হচ্ছে আবেদনকারীদের।
উল্লেখ্য, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আওতায় অস্থায়ী কর্মসংস্থানের জন্য সাতক্ষীরা জেলাধীন সদর উপজেলায় আগ্রহী যুবক ও যুব নারীদের কাছ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দরখাস্ত আহবান করা হয়েছে। আবেদন পত্রের সাথে চাওয়া হয়েছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর ৩০(ত্রিশ) টাকার পোস্টাল অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট। কিন্তু স্থানীয় পোস্ট অফিস ৩০ টাকার পোস্টাল অর্ডার সাপ্লাই দিতে পারছে না। আর এই সুযোগে পূর্বেই পোস্টাল অর্ডার সংগ্রহ করে রেখে চড়া দামে বিক্রি করছে সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অফিসের অফিস সহকারী কামাল আহমেদ এর সিন্ডিকেট।
এ বিষয়ে পোস্ট মাস্টার শেখ শাহবাজ আলী এ প্রতিবেদককে জানান, ‘‘আমরা ১৪/০৯/১৭ ও ১৭/০৯//১৭ ইং তারিখে দু’দফায় আমাদের পোস্টাল অর্ডার এর চাহিদাপত্র ঢাকায় পাঠিয়েছি, যার রেজিঃ নং ৮৪। মাঝখানে একদিন আমাদের পদস্থ কর্মকর্তারা কলারোয়ার জন্য ১হাজার ৫০০টি এবং সাতক্ষীরার জন্য ১ হাজার ৫০০টি ৩০ টাকার পোস্টাল অর্ডার দিয়েছিলেন। সাতক্ষীরারগুলো প্রায় এক দিনেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। আমরা বুধবার নাগাদ নতুন পোস্টাল অর্ডার পেয়ে যাব। এরপর সাতক্ষীরার আবেদনকারীরা আর কোন সমস্যায় পড়বেন না।”
অন্য মূল্যের পোস্টাল অর্ডারের ঘাটতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যাদের খুব দরকার তারা ৩০ টাকার পোস্টাল অর্ডার না থাকায় ৪০, ৫০ টাকার পোস্টাল অর্ডার নিয়েছিল। আমাদের কাছে এখন আর তাও নেই।”
এদিকে পোস্ট অফিসে পোস্টাল অর্ডার না পেয়ে আবেদনকারীরা দ্বিতীয় পথ ব্যাংক ড্রাফট বেছে নিচ্ছে কারণ পোস্ট অফিস কর্তৃপক্ষ পোস্টাল অর্ডার কবে আসবে এর কোন নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না। আবার আবেদন করার শেষ দিন ১০/১০/২০১৭ ইং তারিখ। তাই তারা ব্যাংকের শরণাপন্ন হচ্ছেন। এখানে তাদের ৩০/-(ত্রিশ) টাকার জায়গায় দিতে হচ্ছে ৬৫/-টাকা, (সোনালী ব্যংক; মূল টাকা ৩০টাকা, কমিশন-৩০টাকা ও ১৫% ভ্যাট হিসেবে ৫টাকা= মোট ৬৫ টাকা)। আবার সোনালী ব্যাংক ব্যস্ততম ব্যাংক হওয়ায় সেখান থেকে সেবা নিতে আবেদনকারীরা হাঁপিয়ে উঠছেন।
অনেকে উপায় না পেয়ে যুব উন্নয়ন অফিসে ছুটে যাচ্ছেন পরামর্শ নেওয়ার জন্য। সেখানে পরিচয় মেলে এক দুষ্কৃতিকারী চক্রের, যার নেতা অফিসের কর্মচারী রকামাল আহমেদ। কামাল তার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে এই সিন্ডিকেটে যুক্ত করেছে জনৈক মুজাহিদকে। যে কিনা যুব উন্নয়নের কোন স্টাফই নন। অথচ অফিসে বসে আবেদন করতে আসা যুবক-যুবতীদের সে জানাচ্ছে- ১৫০টাকা দিলে পোস্টাল অর্ডার, সত্যায়িত সব তারা করে দেব! কামাল ও মুজাহিদের বক্তব্যÑ আপনারা শুধু কাগজপত্র এনে দেন আর ১৫০টাকা করে জমা দেন বাকি কাজ আমরা সব করে দিব।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুজাহিদ বলেন, “আসলে আমিতো এই অফিসের কেউ নই। কামাল সাহেব তার কাজের সুবিধার জন্য আমাকে এখানে এনেছেন। আসলে যুব উন্নয়নের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘনিষ্ট কিছু আত্মীয়-স্বজন ও অন্যরা আবেদন করছেন তাই তাদের জন্য কিছু পোস্টাল অর্ডার এনে রাখা হয়েছিল, এই আর কি।”
কামাল সিন্ডিকেটের সদস্য মুজাহিদ জানান, “কাগজ পত্র সত্যায়িতও আমরা করে নিব।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অফিসের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “পোস্টাল অর্ডারের সঙ্কটের বিষয়টি নিয়ে আমি নিজেই পোস্ট অফিস কর্র্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম। প্রাথমিকভাবে তারা কলারোয়া ও সাতক্ষীরার জন্য ৩ হাজার পোস্টাল অর্ডারের ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু সাতক্ষীরার চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল।” তার অফিসে আবেদন জমা নেয়ার সময় কামাল ও মুজাহিদ পোস্টাল অর্ডারসহ আবেদনপত্র কমপ্লিট করার নামে মাথাপিছু ১৫০ টাকা করে কিভাবে আদায় করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মুজাহিদ কে আমি চিনি না। তবে কামাল আমাদের সাতক্ষীরা সদর অফিসের স্টাফ। আমি এই কর্মসূচির উদ্বোধনের কাজেই সাতক্ষীরার বাইরে জামালপুরে আছি। কামালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ যখন উঠেছে আমি অবশ্যই তা খতিয়ে দেখব। আমাদের অফিস থেকে দেশের যুবক-যুবতীদের সেবা দেয়াই আমাদের দায়িত্ব। তাদের কোন প্রকার হয়রানি মেনে নেয়া হবে না।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest