সর্বশেষ সংবাদ-
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুল

02আসাদুজ্জামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের চুনকুড়ি খাল থেকে দুটি অস্ত্র ও ২৫ রাউন্ড গুলিসহ বনদস্যু সাহেব আলী বাহিনীর দু’সদস্যকে আটক করেছে কোষ্টগার্ড। শুক্রবার সকালে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালী গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ গাজীর ছেলে সোহেল রানা ওরফে বাচ্চু (২২) ও খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাক্কার শেখের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৫)।
কোষ্টগার্ডের মংলা জোনাল অফিসের লে: কমান্ডার এম ফরিদুজ্জামান খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোবেকী সিজি স্টেশনের একটি টহল দল চুনকুড়ি খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে বনদস্যু বনদস্যু সাহেব আলী বাহিনীর দুই সদস্য সোহেল ও সাদ্দামকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি পাইপগান ও ২৫ রাউন্ড তাজাগুলি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, তাদেরকে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত কওে জানান, এ ব্যাপারে দোবেকি কোষ্ট গার্ডের পেটি অফিসার আব্দুল মোমিন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1keIQ5_Quran২১তম দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রতিযোগিতায় সেরা খেতাব জিতে নিয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। প্রথম পুরস্কারের জন্য আড়াই লাখ দিরহাম পান এ কিশোর।

বৃহষ্পতিবার দুবাই প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব শেখ আহমদ বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম দুবাই সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান সমিতির অডিটোরিয়ামে জাকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে তরিকুল ইসলামসহ অন্যান্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জাতীয় প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান অর্জনের পর এ বাংলাদেশি কিশোর দুবাইয়ে ৮৯ জন প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে এ কৃতিত্ব দেখালেন। তার পরের স্থানে সেরা খেতাব অর্জন করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগী হুজাইফা সিদ্দিকী, তিনি পান দুই লাখ দিরহাম। সেই সাথে তিনি ‘বেস্ট ভয়েস’ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।

তৃতীয় স্থান অধিকার করেন যৌথভাবে গাম্বিয়ার মোডউই জবি এবং সৌদি আরবের আবদুল আজিজ আল ওবায়দান এবং তিউনিশিয়ার রশিদ আলানি। তারা পুরস্কারের দেড় লাখ দিরহাম ভাগাভাগি করে নেন। এ প্রতিযোগিতায় দশম স্থান পর্যন্ত প্রতিযোগীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ তরিকুল ইসলাম বিশ্বাসই করতে পারেননি নাম ঘোষণার উত্তেজনাময় মুহূর্তে তার নাম উচ্চারিত হবে।

‘আমি বিশ্বাস করতে পারছি না, এটি ঘটেছে। জানতাম যে, আল্লাহর রহমতে আমি ভাল পারফরমেন্স করেছি। ভেবেছিলাম, শীর্ষ পাঁচজনের মধ্যে থাকব। কিন্তু একেবারে শীর্ষ পুরস্কার জেতা পুরাই অবিশ্বাস্য ঘটনা আমার জন্য। এই সাফল্য অর্জনে পিছনে আমার বাবা-মা এবং শিক্ষককে ধন্যবাদ জানাই।’ এভাবে অনুভূতি প্রকাশ করেন ঢাকার এক ইমামের সন্তান তরিকুল। গত বছর তিনি কুরআন মুখস্থ সম্পন্ন করেন, এতে তার মাত্র এক বছর সময় লেগেছে।

এ বছর এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ১০৩ জন হাফেজ অংশগ্রহণ করেন। দুর্বল পার্ফরমেন্সের কারণে শুরুতেই ১৩ জন প্রতিযোগী বাদ পড়েন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

rXGImn_12চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম সেমিফাইনালে বুধবার মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান। সেই ম্যাচ ৮ উইকেটে জয় লাভ করে পাকিস্তান। সেমিফাইনালের সেই ম্যাচের সময় কার্ডিফে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা।

ম্যাচ চলাকালীন টেনিস সেনশেসন সানিয়া মির্জার দিকে ক্যামেরা ঘোরান ক্যামেরাম্যান। সেই সময় কমেন্ট্রি বক্সে ছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। সানিয়াকে দেখেই চ্যানেলের কমেন্ট্রি বক্সে বসে সৌরভ সানিয়া মির্জাকে ‘পাকিস্তানি সমর্থক’ বলে মন্তব্য করেন।

এসময় সৌরভ বলেছিলেন, ‘দেখুন পাকিস্তানের সমর্থক ও ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জাকে।’ তার এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। অনেকে সানিয়ার দেশপ্রেম নিয়েই প্রশ্ন ওঠা শুরু হতে থাকে। অবশ্য পুরো ঘটনা সানিয়ার কানে গেছে কিনা সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।

জানলে, তিনি কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন, তা নিয়ে হচ্ছে জল্পনা। এর আগে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার সঞ্জয় মাঞ্জেকর টুইটারে সানিয়ার সঙ্গে মজা করতে গিয়ে সমুচিত জবাব পেয়েছিলেন। এ বার কী হয়, সেটাই দেখার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image-20168যশোরে এক কলেজশিক্ষককে ইয়াবা বড়ি দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা খেয়েছেন কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম শামীম আকতার। এ অভিযোগে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ শাস্তি দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে যশোর সদর উপজেলার কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক জাহিদুল ইসলাম কর্মস্থল থেকে নিজ বাড়ি যশোর সদর উপজেলার মুরাদগড় গ্রামে ফিরছিলেন। যশোর-ঝিনাইদহ সড়কের কাজী শাহেদ সেন্টারের সামনে পৌঁছালে পুলিশ তাঁর গতি রোধ করে। এ সময় পুলিশের কথিত তথ্যদাতা (সোর্স) ওই শিক্ষকের পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। আর এসআই শামীম আকতার ওই শিক্ষককে আটকের চেষ্টা করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হলে ওই শিক্ষককে ছেড়ে দেন।

বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসআই শামীমকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, প্রভাষক জাহিদুল ইসলামের পকেটে ইয়াবা বড়ি ঢুকিয়ে আটকের চেষ্টা করার অভিযোগে এসআই শামীম আকতারকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনার কয়েক দিন আগে গত শনিবার রাত ১০টার দিকে যশোর শহরের রেল সড়কের সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখার সামনে এক যুবকের পকেটে গাঁজা ঢুকিয়ে আটকের চেষ্টা করেন কোতোয়ালি থানার আরেক এসআই মাহবুবুর রহমান। সে সময় স্থানীয় লোকজন তাঁকে হাতেনাতে ধরে পিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় পুলিশের ওই সদস্যকেও প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

channel-i-indআইসিসির কোন আসরে এক দশক পর ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। আর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এবারই প্রথম। ইংল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার এজবাস্টনে বাংলাদেশের দেয়া লক্ষ্য ৯ উইকেট হাতে রেখেই টপকে ফাইনাল নিশ্চিত করে ভারত। এশিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুটি দলের শিরোপার লড়াই রোববার, ওভালে।

২০০৭ সালে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। জোহানেসবার্গে দারুণ লড়াইয়ের পর ৫ রানের নাটকীয় জয় পায় ভারত। প্রথম টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বে অবশ্য চলতি আসরেই দেখা হয়েছিল দল দুটির। তাতে ভারতের কাছে পাত্তা পায়নি পাকিস্তান। ফেভারিটের তকমা নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা কোহলি-রোহিতরা ১২৪ রানে হারায় সরফরাজ-হাফিজদের। পুরো আসরেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফাইনালের মঞ্চে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত।

অন্যদিকে আন্ডারডগ তকমা নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরু করা পাকিস্তান প্রথম ম্যাচে হোঁচট খেলেও ঘুরে দাঁড়ায়। এশিয়ার আরেক দল শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কাটে। সেমিতে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চমক দিয়েই ফাইনালে ওঠে পাকিস্তান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Abu-Bakr-al-Baghdadiরাশিয়ার বিমান হামলায় কথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস) প্রধান আবু বকর আল-বাগদাদি নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ২৮ মে সিরিয়ায় রাকা শহরের দক্ষিণাংশে রাশিয়া ওই বিমান হামলা চালায়।

এই হামলায় ৩ শ’ ৩০ জন আইএস সদস্য নিহত হওয়ার খবর জানালেও বাগদাদির নিহত হওয়ার ব্যাপারে রাশিয়া এখনও সম্পূর্ণ নিশ্চিত হতে পারছে না বলে জানিয়েছে বিবিসি।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সিরিয়ায় রাশিয়ার একটি বিমান হামলায় বাগদাদি নিহত হয়েছেন এমন ধারণার ভিত্তিতে তদন্তকাজ চলছে।

মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়, জঙ্গি দলটির কথিত রাজধানী রাকায় আইএস’র সামরিক পর্ষদ বৈঠকে মিলিত হলে এই হামলা চালানো হয়।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা স্পুটনিক-এ প্রকাশিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, রাকার সেই বৈঠকটিতে ৩০ জন আইএস কমান্ডার এবং ৩০০ জনের মতো জঙ্গি উপস্থিত ছিলো।

“প্রাপ্ত তথ্য বিভিন্ন চ্যানেলের মাধ্যমে যাচাই করে দেখা যায়, আইএস নেতা ইব্রাহিম আবু-বকর আল-বাগদাদি, যিনি সেই হামলায় নিহত হন, বৈঠকটিতে উপস্থিত ছিলেন।”

এর আগেও বেশ কয়েকবার বাগদাদিকে হত্যার খবর প্রচার করা হয়েছিলো।

আল কায়েদার একটি দলছুট অংশকে নিয়ে ২০০২ সালের দিকে ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক (আইএসআই) গড়ে তোলেন বাগদাদি। তার নেতৃত্বেই অল্প কিছুদিনের মধ্যে ক্ষমতাশালী সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয় আইএসআই।

২০১৪ সালের ২৯ জুন সিরিয়ার আলেপ্পোর পূর্বাঞ্চলের বিশাল এলাকা এবং ইরাকের মধ্যাঞ্চলীয় বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে খিলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন বাগদাদি, যার খলিফা তিনি নিজে। সিরিয়ার রাকা শহরকে ঘোষণা করা হয় সেই খিলাফতের রাজধানী।

এর মধ্য দিয়ে গঠিত হয় ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত বা আইএসআইএল, যা সংক্ষেপে আইএস নামে পরিচিতি পায়। অবশ্য নিজেদের তারা বলে দায়েশ।

বেশকিছু সময় ধরেই বাগদাদির অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। যদিও ২০১৬ সালের অক্টোবরে ইরাকের মসুলে বাগদাদি ছিলেন বলে ধারণা। তখন মসুল দখলমুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট অভিযান শুরু করে।

পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইরাকি নাগরিক বাগদাদির প্রকৃত নাম ইব্রাহিম আল-সামারাই। তাকে ধরিয়ে দিতে গতবছর আড়াই কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।

কথিত আইএস প্রতিষ্ঠার ঘোষণার দেওয়ার পর শুধুমাত্র ২০১৪ সালের জুনেই জনসম্মুখে এসেছিলেন বাগদাদি। তখন একটি ভিডিওতে বক্তব্য দিতে দেখা যায় তাকে। মসুল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর এই ভিডিওটি ধারণ করা হয়।

এরপর থেকে জঙ্গি দলটি তাদের দখলকৃত ভূখন্ডের উল্লেখযোগ্য অংশ হারিয়েছে। রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন বাহিনী এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিমান হামলাতেও চাপের মুখে কথিত আইএস।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন গত মার্চে দাবি করেছিলেন, বাগদাদির ‘প্রায় সকল’ ডেপুটি’দেরই হত্যা করা হয়েছে। বাগদাদিকেও একই ভাগ্য বরণ করে নিতে হবে, এটা শুধু কিছু সময়ের ব্যাপার মাত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

channel_i_mustafizভালো কিছু পুরো দলকে মিলেই করতে হত। প্রত্যাশাটা তাই পুরো স্কোয়াডকে ঘিরেই। তবে যাদের হাতে জাদুকরী কিছু থাকে, একাই পাল্টে দিতে পারেন চিত্রপট, দলের এমন কয়েকজনের কাছে বাড়তি প্রত্যাশা থাকাটাও স্বাভাবিক। মোস্তাফিজুর রহমান সেই তালিকাতেই পড়েন। কিন্তু কাটার মাস্টারের থেকে যে পারফরম্যান্স এল সেটি ফিজ নিজে তো কখনো কল্পনা করেনইনি, তার ঘোরতর শত্রুও সম্ভবত করেনি! আসলে নির্বিষ এই মোস্তাফিজকে কেউ দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি, সেটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পুরো আসরজুড়েই ছিলেন বিবর্ণ, নির্বিষ, ধারহীন। এরপরও ভারত ম্যাচকে ঘিরে মোস্তাফিজের কাছে বাড়তি প্রত্যাশা ছিল। সেটা কেবল তার জাদুকরী মুহূর্ত উপহার দেয়ার ক্ষমতার জন্যই নয়, এই ভারতের বিপক্ষেই যে ২০১৫ সালে রূপকথার গল্প লিখে আবির্ভাব তার। তাতে বাংলাদেশ-ভারত নামক উত্তাপের ‘ব্যাটনের’ ভার আচমকাই নিয়েছিলে নবীন কাঁধে। তছনছ করে দিয়েছিলেন ধোনির দলকে। সামনে সেই ভারত, ফিজের কাছে তো বেশি কিছু চাওয়া থাকবেই। কিন্তু ইংল্যান্ডে পুরো আসরে সেই ভারতের বিপক্ষেই থাকলেন আরো বেশি করে বিবর্ণ। সেমিতে ৬ ওভারে ৫৩ রান খরচায় উইকেটশূন্য।

অথচ টাইমমেশিনে করে একটু পেছনে গেলে প্রতিপক্ষ হিসেবে ভারতের নামটি মোস্তাফিজের খাতায় ‘প্রিয়ের’ তালিকাতেই দেখা মিলবে। দলটির বিপক্ষে আবির্ভাব সিরিজেই সব রূপকথার মত হল, ফিজকে টেনে নিয়েছিল খ্যাতির বিশ্ব দুয়ারে। ধোনির দলের বিপক্ষে সেই ওয়ানডে সিরিজে অভিষেকে ক্যারিয়ারের প্রথম দুই ম্যাচে ১১ উইকেট। প্রথম ম্যাচে ৫, আর দ্বিতীয়টিতে ৬ উইকেট। তৃতীয় ওয়ানডেতে ২ উইকেট তো রেকর্ডের পাতাতেই ঠাঁই করে দিল বাঁহাতি পেসারকে। ব্যাটসম্যানদের জন্য আতঙ্কের প্রতিশব্দ হয়ে এল তার ‘কাটার’, নামই হয়ে গেল কাটার মাস্টার।

প্রথম দুই ম্যাচে সেরা, পরে ওই সিরিজে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কারও উঠেছিল মোস্তাফিজের হাতে। এরপর অনেকটা সময় উড়ন্ত কেটেছে। বাংলাদেশের বোলিং মেরুদণ্ডের অন্যতম ভরসাস্থলও হয়ে উঠেছেন ক্রমান্বয়ে। পরে চোট, দীর্ঘ পুনর্বাসনের সময়টা ছোট্ট ক্যারিয়ারকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে উত্থান-পতন শব্দ দুটোর দুপিঠের সঙ্গে।

সেসব পেছনে ফেলে স্বরূপে ফেরারও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ২১ বছর বয়সী টাইগার বাঁহাতি। গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ড সফরে ফিরে নিজেকে খুঁজছিলেন। মরচে সরিয়ে শ্রীলঙ্কা সিরিজে আরেকটু শানিত হলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে আলো ছড়ালেন। সবশেষে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে চেনারূপে ফেরার আরো কাছে গেলেন। আইরিশদের বিপক্ষে ২৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তো পুরনো ঝলকের কথাই মনে করিয়ে দিলেন। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এসে ঠিক কি হয়ে গেল, সেটার স্ক্রিপ্ট খুঁজে বের করতে না পারলে আগামী দিনগুলোতে আরো আক্ষেপ বাড়বে বই কমবে না!

ক্যারিয়ার জুড়ে যেখানে উইকেট নিতে প্রতিটি শিকারের পেছনে ব্যয় করেছেন ১৮-এর সামান্য বেশি কিছু রান, সেখানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ১ উইকেটের জন্য ১৮৩ রান খরচ করতে হয়েছে। নিয়তি যেন একটু বেশি করেই পরীক্ষা নিয়েছে এই তরুণ কাঁধের। এজবাস্টনের সেমিতে ৬ ওভারে ৫৩ রান খরচায় উইকেটশূন্য। টুর্নামেন্টে ৪ ম্যাচে ২৯ ওভার বল করেছেন। উইকেট ওই একটি।

এটা মেনে নিতে সমস্যা নেই কন্ডিশন বড় অসহায় করে দিয়েছিল মোস্তাফিজকে। উপমহাদেশে তার কাটার-স্লোয়ার ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে, ইংল্যান্ডের পিচে সেটি তেমন কার্যকরী হওয়ার কথা নয়। আর এবারের আসরজুড়েই তো সব তারকা বোলাররা বেশ ভুগেছেন ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে। সেখানে ফিজের তো পথ চলাই মাত্র ক’বছরের। কিন্তু উপমহাদেশের পিচে ফিজের বোলিং যতটা কার্যকর হয়, উপমহাদেশের বাইরে ততটা না হলেও, এতটা নির্বিষ হওটাও তো চিন্তার। তিনি তো আর কেবল উপমহাদেশের বোলার তকমাটা নিয়েই ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন না। একজন পরিপূর্ণ বোলার, যার হাতে দলের স্ট্রাইক বোলারের ব্যাটন, তাকে তো সব জায়গায় সব কন্ডিশনেই কার্যকরী হতে জানতে হবে। ফিজকে নিয়ে চিন্তার জায়টা এখানেই আরো ঘনীভূত হচ্ছে।

একটা পরিসংখ্যান সেই ঘনীভূবন কেবল বাড়াবেই। উপমহাদেশে এখন পর্যন্ত ১২ ম্যাচ খেলে ১০১.৩ ওভারে ৩২ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ। আর উপমহাদেশের বাইরে ১০ ম্যাচে ৭৬.২ ওভারে ১২ উইকেট। এটিই বলে দেয় ফিজের স্ট্রাগলের প্রকৃত চিত্রটা।

বয়টা মাত্র ২১! সামনে পুরো ক্যারিয়ারই পড়ে আছে। তার কাছে এক যুগ বা আরো খানিকটা বেশি সার্ভিসের প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। ফিজ যদি এখনই সব ঠিক করে না নেন, সে পথে বড় একটি ধাক্কাই মিলবে। ছোট্ট এই ক্যারিয়ার সময়েই উত্থান-পতনের বেশ খানিকটা চিত্র দেখা হয়ে গেল সাতক্ষীরার তরুণের। এখন সময় দ্রুত নিজের তূণে বাহারি সব তির যুক্ত করার। প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের বিদ্ধ করতে নতুন রণকৌশল আঁটার। স্বকীয় কাটার-স্লোয়ার তো আর ছেড়ে যাচ্ছ না তাকে।

সব মিলিয়ে মাশরাফির কথাটাই আরেকবার মনে করতে হয়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে দেশ ছাড়ার আগে টাইগার অধিনায়ক বলে গিয়েছিলেন, ভারতের বিপক্ষে অভিষেক সিরিজে যে মোস্তাফিজের দেখা মিলেছে ওটা ছিল অ্যাবনরমাল, এখনকার মোস্তাফিজই নরমাল। ইংল্যান্ডের মাটিতে বসেও বলেছেন, মোস্তাফিজকে আরো অনেককিছু শিখতে হবে।

সব জেনেই বলা যায়, ফিজের প্রতিভা নিয়ে কখনোই কোন সংশয় ছিল না, এখনও নেই। বোলিং প্রান্ত থেকে দৌড় শুরুর পর যার প্রতিটি স্টেপের সঙ্গে দুলে ওঠে লাল-সবুজের সকল ক্রিকেটপ্রেমীর প্রত্যাশার-হৃৎস্পন্দন। মোস্তাফিজ, মোস্তাফিজ নামের সেই স্পন্দিতরেণু আবারো ২২ গজে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের ঘুম হারাম করবে, এখন কেবল সেই মুহূর্তটি ফেরার অপেক্ষা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2c426881261fece2e882aa30b7d27da8-5943a19e2ce61স্পোর্টস ডেস্ক : ভারতের বিপক্ষে বিশাল ব্যবধানে হেরে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শুরু করেছিল পাকিস্তান। সেই দলটিই উঠেছে ফাইনালে, প্রতিপক্ষ সেই ভারত। প্রথম ম্যাচ হারলেও দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স করে সেমিফাইনালে উঠেছিল সরফরাজ আহমেদের দল। আর শেষ চারে তো তাদের সামনে দাঁড়াতেই পারল না স্বাগতিক ইংল্যান্ড। কিন্তু তাদের ফাইনালে ওঠা প্রশ্নবিদ্ধ করলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক আমির সোহেল।

দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী যখন ফাইনালে মুখোমুখি, তখন চারদিক উত্তেজনা বিরাজ করা স্বাভাবিক। এমন সময়ে পরোক্ষভাবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ তুলেছেন সোহেল। পাকিস্তানি এক চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৫০ বছর বয়সী সাবেক এ ওপেনার বলেছেন, ফাইনালে ওঠার জন্য অধিনায়ক সরফরাজ ও তার দলের আনন্দ করার কোনও কারণ নেই। বহিরাগত শক্তির প্রভাবে শিরোপার লড়াইয়ে উঠেছে পাকিস্তান!

ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার দুইদিন আগে পাকিস্তানের পারফরম্যান্সকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন সোহেল, ‘সরফরাজকে একটা কথা বলা দরকার, তোমরা দারুণ কিছুই করনি। তোমাদের ম্যাচ জিততে অন্য কেউ সহায়তা করেছে। তোমার (সরফরাজ) আনন্দিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। আমরা সবাই জানি নেপথ্যে কী ঘটেছে। ফাইনালে ওঠার খুশিতে পাকিস্তানের আকাশে উড়া উচিত নয়, কারণ আমরা জানি এ জায়গায় তাদের ‘আনা’ হয়েছে। মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, বহিরাগত শক্তি দিয়ে তাদের ফাইনালে আনা হয়েছে।’

ঘটনা কী সেটা গোপনই রাখতে চান সোহেল, ‘কে ম্যাচ জিতিয়েছে সেটার বিস্তারিত জানতে না চাওয়াই ভালো। যদি জিজ্ঞাসা করেন তাহলে বলব ভক্তদের দোয়ায় ও সৃষ্টিকর্তার কৃপায় ম্যাচগুলো জিতেছে তারা। এখন তাদের উচিত ভালো ক্রিকেট খেলায় মন দেওয়া।’

অবশ্য সাক্ষাৎকারটি প্রচার হওয়ার পরপরই ভোল পাল্টেছেন সোহেল। তিনি জানান, ভিডিওটি পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচের আগে। আর সংবাদটি বিকৃত করার অভিযোগ আনলেন ৫০ বছর বয়সী। সূত্র- নিউজ১৮, টাইমস অব ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest