RYd02u_18217526স্পোর্টস ডেস্ক : আইপিএলে ‘শ্বাসরুদ্ধকর’ সুপার ওভারে জসপ্রিত বুমরাহ নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে ৫ রানের নাটকীয় জয় পেয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। শনিবার রাতে শান কিশানের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে গুজরাট। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ১৫৪ রানে মুম্বাই গুটিয়ে গেলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। অার সেখানে বুমরাহর দুর্দান্ত বোলিংয়ে হেরে যায় গুজরাট।

এর আগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় গুজরাট। ব্যতিক্রম ছিলেন ইশান কিশান। ৩৫ বলে খেলেছেন ৪৮ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান রবীন্দ্র জাদেজার। এছাড়া আদিত্য তোরে ২৫ এবং জেমস ফকনারের ব্যাট থেকে আসে ২১ রান। মুম্বাইয়ের হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন ক্রনাল পান্ডিয়া। এছাড়া লাসিথ মালিঙ্গা ও জসপ্রীত বুমরাহ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। হরভজন সিং নিয়েছেন একটি উইকেট।

জবাব দিতে নেমে পার্থিব প্যাটেল ৪৪ বলে ৭৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেললেও বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ম্যাচ নিষ্পতিহীনভাবে শেষ হয়। এরপর টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি ১ ওভারের সুপার ওভারে ৫ রানে জিতে পূর্ণ দুই পয়েন্ট পকেটে ভরে নেয় মুম্বাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

w0wHQW_3আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর কোরিয়া বলেছে, মানবতার শত্রু ইহুদিবাদী ইসরাইল ক্ষমাহীন শান্তির মুখে পড়বে। ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী এভিগদোর লিবারমেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের বিরুদ্ধে অপমানসূচক কথার পরিপ্রেক্ষিতে এ কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে পিয়ংইয়ং।

যুদ্ধবাজ লিবারমেন গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিমকে, তার ভাষায়, পাগল বলে অভিহিত করেছিলেন। তার প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে এ বিবৃতি প্রকাশ করে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি বা কেসিএনএ।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ রকম মন্তব্য করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বিনষ্টকারী, আরবভূমি দখলকারী মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী ইহুদিবাদী ইসরাইল বিশ্বের নিন্দা এড়ানোর ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদিবাদী ইসরাইলের কাছেই একমাত্র অবৈধ পরমাণু অস্ত্র আছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। লিবারম্যানের মাধ্যমে ইসরাইল উত্তর কোরিয়ার নেতাকে অপমান করা হয়েছে উল্লেখ করে এতে আরো বলা হয়, ক্ষমাহীন সহস্রগুণ শাস্তির মুখে পড়বে তেল আবিব। এতে উত্তর কোরিয়ার ভাবমর্যাদা বিনষ্ট করার আগে ইসরাইলকে দ্বিতীয়বার ভাবনা-চিন্তা করতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

VGTmDI_5ন্যাশনাল ডেস্ক : বাংলাদেশে বর্তমানে জঙ্গিদের যে তৎপরতা চলছে, সেগুলোর অর্থায়নের সাথে বিদেশী সংস্থার যোগসাজশ থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। ঢাকায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেছেন। মনিরুল ইসলাম বলেন, “কখনো কখনো দেখেছি জেএমবির কিছু কিছু সদস্য জাল মুদ্রা ব্যবসার সাথে জড়িত, সেই জাল মুদ্রাটি অন্য একটি বিশেষ দেশ থেকে আসে, ইন্ডিয়ান ফেইক কারেন্সি।”

মনিরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে জঙ্গিদের যে তৎপরতা চলছে, সেগুলোর অর্থায়নের সাথে বিদেশী সংস্থার যোগসাজশ থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। কখনো কখনো দেখেছি জেএমবির কিছু কিছু সদস্য জাল মুদ্রা ব্যবসার সাথে জড়িত, সেই জাল মুদ্রাটি অন্য একটি বিশেষ দেশ থেকে আসে, ইন্ডিয়ান ফেইক কারেন্সি।

গত বছর জুলাই মাসে ঢাকার হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ নতুন করে সহিংস জঙ্গিবাদের যে উত্থান দেখেছে, সেই ঘটনার পর কিন্তু জঙ্গিদের দ্বারা খুব বেশী ক্ষয়ক্ষতি হবার নজির দেখা যায়নি, যতটা জঙ্গিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুলিশের দ্বারা। এমনকি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ হওয়া পুলিশের একটি অভিযানে চারজন অভিযুক্ত জঙ্গি নিহত হয়েছে। কিন্তু বোঝাই যাচ্ছে পুলিশের ভাষায় ‘নব্য জেএমবি’ নামে যে গ্রুপটি বাংলাদেশে সক্রিয় রয়েছে, তারা বেশ আঁটসাঁট বেঁধেই মাঠে নেমেছে। কিন্তু এ জন্য অর্থ আসছে কোথা থেকে?

মি. ইসলাম বলছেন, “এখন পর্যন্ত অর্থের সকল উৎসকে আমরা চিহ্নিত করতে পারিনি।”

সম্প্রতি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সন্ত্রাসবাদে বিদেশী অর্থ সংস্থানের উৎসগুলো চিহ্নিত করবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে জঙ্গি বিষয়ে গবেষক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক নুর খান লিটন বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিদেশী সংস্থা জড়িত এমন কথা বলার সময় এখনো আসেনি। আমাদের সামনে এরকম বড় ধরণের তথ্য বা প্রমাণ নেই। তবে যেটা এসেছে, সেটা হল স্ব-উদ্যোগে কোন কোন বিদেশী এ ধরণের ঘটনায় অর্থ সাহায্য করেছেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই জঙ্গিরা কিভাবে চলে?

পুলিশ বলছে, মূলত দেখা যাচ্ছে অভিযুক্ত জঙ্গিরাই হিজরত অর্থাৎ সংগঠনে যোগদানের উদ্দেশ্যে বাড়ি ছাড়ার আগে তাদের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি জঙ্গি সংগঠনের জন্য দান করে দিচ্ছেন। কিন্তু নূর খান লিটনের বক্তব্য, বাংলাদেশে যে কায়দায় জঙ্গিরা তাদের তৎপরতা চালাচ্ছে, তাতে তাদের খুব বেশী অর্থের প্রয়োজন হয় বলে তিনি মনে করেন না।

মি. খান বলছেন, “এ ধরণের তৎপরতা চালাতে যে অর্থ প্রয়োজন তা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই মেটানো সম্ভব এবং এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এমন নজিরই দেখা গেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, জঙ্গিদের নিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং থাকা খাওয়ার যে ব্যয় তা তাদের সদস্যরাই যোগান দিচ্ছে। হাতে গোনা কয়েকটি ঘটনায় দেখা গেছে তাদের অর্থায়ন হচ্ছে বাইরে থেকে।” সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

zwOBHp_MobileFriendlyনোটবন্দি ঘোষণার পর থেকেই এ দেশে ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশনের প্রচলন ক্রমশ বাড়ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য এখনও নগদ টাকায় আদান-প্রদানছাড়া উপায় নেই। কিন্তু এমন দেশও পৃথিবীতে রয়েছে যেখানে ভিক্ষুকরা পর্যন্ত ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিক্ষে নিয়ে থাকেন। চীনের জিনান প্রদেশের এ হেন ডিজিটাল ভিক্ষের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। জিনান চীনের এমন একটি জায়গা যেখানে প্রতি বছরই প্রচুর পরিমাণে বিদেশি পর্যটক বেড়াতে যান। সেই জিনান প্রদেশেরই ওয়াংফু পুল এলাকায় ভিক্ষুকরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিক্ষে গ্রহণ করছেন।

কী ভাবে সম্ভব হচ্ছে এই ডিজিটাল ভিক্ষা? ভিক্ষুকরা নিজেদের ভিক্ষাপাত্রে কিউআর কোড সমন্বিত একটি কার্ড রেখে দিচ্ছেন। যারা ভিক্ষে দিতে ইচ্ছুক, তারা তাদের মোবাইলের ‘আলিপে’ কিংবা ‘উইচ্যাট ওয়ালেট’-এর মতো ডিজিটাল ওয়ালেট খুলে ওই কিউআর কোডটি স্ক্যান করে নিচ্ছেন। তার পর নিজের ইচ্ছেমতো অঙ্ক দান করছেন ভিক্ষে হিসেবে।

কিন্তু কেন এই পদ্ধতি? আসলে জিনান প্রদেশে ঘুরতে আসা বিদেশি পর্যটকরা স্থানীয় ভিক্ষুকদের প্রতি বেশ দয়াপরবশই থাকেন। কিন্তু তাদের কাছে অনেক সময়েই চৈনিক মুদ্রার খুচরো থাকে না। ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশনে খুচরোর এই সমস্যা দূর করে।

কিন্তু এই পদ্ধতিতে ভিক্ষা গ্রহণ করতে হলে তো ভিক্ষুকের কাছেও মোবাইল ফোন থাকা প্রয়োজন। চীনের সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, চীনের ভিক্ষাজীবীদের কাছে মোবাইল ফোন থাকা এমন কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। বহু ভিক্ষুকই নিজের কাছে মোবাইল ফোন রাখেন।

চীনা মিডিয়া আরও জানাচ্ছে যে, উইচ্যাট ওয়ালেট অনেক সময়ে নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে ভিক্ষুকদের কিউআর কোড দিয়ে থাকে। কেউ দয়াপরবশ হয়ে সেই কিউআর কোড স্ক্যান করলেই কানেকশনটি একটি বিশেষ প্রোফাইলে রিডিরেক্ট হয়ে যায়। তার পর ভিক্ষাপ্রদানকারী কোনও টাকা না দিলেও একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ উইচ্যাটের তরফে ওই ভিক্ষুককে দিয়ে দেওয়া হয়। এতে শেষ পর্যন্ত উইচ্যাটেরই প্রচার হয় এবং লাভ হয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিনান প্রদেশের এক জন ভিক্ষুক প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৪৫ ঘণ্টা কাজ করেন। আর উইচ্যাটের কিউআর কোড স্ক্যান করেই এক জন ভিক্ষুক প্রতি সপ্তাহে গড়ে ভারতীয় মুদ্রার হিসেবে ৭ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত রোজগার করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_435735508_1493488348.jpg.pagespeed.ic.puRQVzvx6A‘পাওয়ার, ক্ষমতা বেশি দিন থাকে না’। অনুরোধ করি, ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না। এটা আমানত। টাকা পয়সা বেশি দিন থাকবে না।

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে টাকা-পয়সা নিয়ে পালাতে হবে। তা কি ভাবেন না? দল যদি ক্ষমতায় না থাকে, এখন যে টাকা- পয়সা রোজগার করছেন, তখন এই টাকা নিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হবে। এটা ভাবতে হবে।

শনিবার চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় কাদের বলেন, পকেট ভারী করার জন্য খারাপ লোকদের দলে টানবেন না। দুঃসময় আসলে তাদের হাজার পাওয়ারের বাতি দিয়ে খুঁজে পাবেন না।

চাটুকার-মোসাহেবদের কাছ থেকে দূরে থাকার আহ্বানও জানান তিনি।

কোন্দল মিটিয়ে দলের ঐক্যের উপর গুরুত্ব আরোপ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শত্রু আওয়ামী লীগ হলে আমাদের রক্ষা করার আর কেউ থাকবে না’। ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাইরের শক্তিকে আমরা মোকাবেলা করতে পারব। আপন ঘরে যদি শত্রু থাকে তার আর বাইরের শত্রুর দরকার নেই।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব আর সামনে দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেন কাদের।

‘ছেলের মতো’ নাছিরের সঙ্গে বিবাদে না জড়াতে মহিউদ্দিনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দুঃসময়ে ঐক্যবদ্ধ চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগই পথ দেখিয়েছে’। আমি মনে করি, চট্টগ্রামের সবার মুরুব্বি মহিউদ্দিন চৌধুরী।

‘নাছির মহিউদ্দিন ভাইয়ের ছেলের মতো। সে কোনো ভুল করলে ঘরে ডেকে নিয়ে শাসন করবেন’।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সুসংগঠিত, স্মার্ট, আধুনিক আওয়ামী লীগ হিসেবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চাই’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_2004805014_1493487701.jpg.pagespeed.ic.YziAA3VEaNস্বাস্থ্যখাতে সরকারের সাফল্য আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি লাভ করেছে। স্বাস্থ্যসেবায় অগ্রগতির এ ধারা অব্যাহত রাখতে নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যেতে হবে।

শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠবার্ষিকী ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমি আশা করি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা গবেষণার ক্ষেত্রে আরও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে অবদান রাখবে।’

আ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠবার্ষিকী ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস।

দিবসটি উপলক্ষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

‘তিনি দেশের ভেঙে পড়া চিকিৎসাসেবাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের সরকারে জাতির পিতা দেশের হাসপাতালসমূহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডাক্তার, নার্স নিয়োগসহ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে জাতির পিতার প্রদর্শিত পথেই দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ১৯৯৮ সালে দেশের ইতিহাসে প্রথম ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করি। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশে মেডিকেল উচ্চ শিক্ষার বিকাশ, স্বাস্থ্যখাতে গবেষণার প্রসার এবং বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে। ’

তিনি অারো বলেন, সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আজ দেশের চিকিৎসা জগতে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত হয়েছে। তার সরকার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার বেইজড সুপার স্পেসালাইজড হাসপাতাল’ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে আরও দু’টি নতুন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

‘আমরা একটি গণমুখী স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন করেছি। এ নীতির বাস্তবায়ন করছি। হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা, সাধারণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা এবং বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

d26259ed2ade7f062828d8f08afabb13-5904c4a008153৮২ থেকে ৮৬—এই চারটি মিনিট সম্ভবত মহাকালের মতোই মনে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের কাছে! একটু হলেই যে দুটি পয়েন্ট হারাতে বসেছিল জিনেদিন জিদানের দল। ২৭ মিনিটে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর গোলে এগিয়ে যাওয়া, ৮২ মিনিটে দানি পারেহোর দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে ভ্যালেন্সিয়ার সমতায় ফেরা।

এরপরই পা ফসকানোর আশঙ্কা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। হতে দেননি মার্সেলো। ৮৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে ঘরের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদকে জিতিয়ে দিলেন ২-১ গোলে। এ জয়ে শিরোপা জয়ে বার্সেলোনার চেয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকার সুবিধাটা ধরে রাখল রিয়াল। আর রঙিন হলো রোনালদোর রেকর্ড গড়ার রাত। মার্সেলোর গোলটা না হলে যে রেকর্ডের আনন্দ নয়, পেনাল্টি মিস করার দুঃখেই পুড়তে হতো তাঁকে।
রোনালদো আর রেকর্ড—এ আর নতুন কী! তিনি নামবেন, গোল করবেন, রেকর্ড গড়বেন…এতেই তো অভ্যস্ত হয়ে গেছে ফুটবল বিশ্ব! আজও হলো একটা রেকর্ড। ২৭ মিনিটে দানি কারভাহালের ক্রসে দুর্দান্ত হেড করে জালে জড়িয়ে দেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড, তাতেই গড়লেন ইউরোপের শীর্ষ ছয় লিগ মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড। স্পোর্টিং লিসবন, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদ মিলিয়ে এটি রোনালদোর ৩৬৭তম গোল। আজকের এই গোলে পেছনে পড়ে গেলেন জিমি গ্রিভস, ৪০ বছর ধরে এই রেকর্ডটা দখলে রেখেছিলেন সাবেক ইংলিশ ফরোয়ার্ড।
ম্যাচে মাদ্রিদের আধিপত্যটাই স্কোরলাইনে ফুটিয়ে তুলল রোনালদোর গোলটা। অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই করিম বেনজেমার শট পোস্টে লেগে না ফিরলে দুই গোলেই এগিয়ে যেতে পারত রিয়াল। তখন হয়নি, তবে আরও বড় সুযোগ আসে ৫৫ মিনিটে। বক্সে লুকা মডরিচকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় রিয়াল। কিন্তু বিধিবাম! রোনালদোর শটটা ঠেকিয়ে দেন ভ্যালেন্সিয়া গোলকিপার আলভেস!
রোনালদোর পেনাল্টি-দুঃখ ভুলে আরেকটি গোলের জন্য হন্যে হয়েই ছুটছিল রিয়াল। কিন্তু ধাক্কাটা (পড়ুন গোল) খায় ৮২ মিনিটে। প্রায় ২৫ গজ দূরে ফ্রি-কিক পায় ভ্যালেন্সিয়া, সেটি থেকে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে গোল করেন পারেহো। জিনেদিন জিদান তখন নিশ্চিতই এক মহা উদ্বিগ্ন ব্যক্তি। বাংলাদেশ সময় আজ রাত পৌনে একটায় বার্সেলোনা খেলবে এসপানিওলের সঙ্গে। রিয়াল নিজেদের ম্যাচে ড্র করা মানে তো বার্সেলোনারই লাভ। শিরোপা লড়াইয়ে আরেকটু আত্মবিশ্বাস পাবেন মেসি-নেইমাররা।
তা আর হতে দেননি মার্সেলো। গোলটা খাওয়ার পরই তেড়েফুঁড়ে ওঠে রিয়াল, একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। আর কাজের কাজটা করে ফেলেন মার্সেলো। কী দুর্দান্ত গোল! বক্সের বাঁ দিক থেকে দৌড় শুরু করলেন, আঁকাবাঁকা সেই দৌড়ে দুই ভ্যালেন্সিয়া ডিফেন্ডারকে ছিটকে ফেলে চলে গেলেন বক্সের প্রান্তে। সেখান থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে দিলেন ব্রাজিলিয়ান লেফট ব্যাক।
আরও একবার শেষ মুহূর্তে এসে হার না মানা মানসিকতার পরিচয়টাই দিল রিয়াল। এই জয়ে ৩৪ ম্যাচে ৮১ পয়েন্ট হলো রিয়ালের, সমান ম্যাচে বার্সার পয়েন্ট ৭৮। আজ রাতে বার্সা জিতলে তখন পয়েন্ট রিয়ালের সমান হবে, কিন্তু রিয়ালের হাতে একটা ম্যাচ থাকায় শিরোপা দৌড়ে এগিয়ে থাকবে জিদানের দলই। সূত্র: টেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

18157078_10213163693393537_2211948113903832951_nবিনোদন ডেস্ক : শীর্ষ নায়ক শাকিব খানকে নিষিদ্ধ করেছে পরিচালক সমিতিসহ চলচ্চিত্রের ১৩টি সংগঠন। শনিবার বিকেলে এফডিসিতে পরিচালক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সংগঠনগুলোর নেতারা তাকে নিষিদ্ধ করার কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন। উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থার সভাপতি রেজা লতিফ, চলচ্চিত্র ফাইট ডাইরেক্টরস এসোসিয়েশনের সভাপতি আরমান, চলচ্চিত্র নৃত্য পরিচালক সমিতির সভাপতি মাসুম বাবুল, সিডাবের সভাপতি এস আই ফারুক, চলচ্চিত্র স্থিরচিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি জিডি পিন্টু, চলচ্চিত্র উৎপাদন ব্যবস্থাপন সমিতির সভাপতি আবদুর রউফ সরকার, চলচ্চিত্র অঙ্গসজ্জাকর সমিতির সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম, চলচ্চিত্র রুপসজ্জাকর সমিতির সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম, চলচ্চিত্র ভাই ভাই এ্যাকশন সঞ্চয়ী গোষ্ঠির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজু আহমেদ, চলচ্চিত্র উৎপাদন সহকারি ব্যবস্থাপক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহাদুর মিয়া এবং চলচ্চিত্র লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সানি আলম।
নিষিদ্ধ করার বিষয়ে তাৎক্ষণিক শাকিব খানের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
লিখিত বক্তব্যে বদিউল আলম খোকন বলেন, শাকিব খান বিভিন্ন পত্রিকায় চলচ্চিত্র পরিচালকদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে তাদেরকে  অসম্মান করেছেন। পরিচালকরা যেহেতু একটি শুটিং ইউনিটের প্রধান তাই তাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়া মানে চলচ্চিত্রের সকল কুশলীদের অপমান করা।
তিনি বলেন: চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে এ অবস্থানের কারণে সকল সংগঠনের সদস্যরা অনির্দিষ্টকালের জন্য শাকিব খানের সঙ্গে কোন চলচ্চিত্রের শুটিং ও ডাবিংয়ের কাজে অংশ নেবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
‘রংবাজ’ ছবির পরিচালক শামীম আহমেদ রনি ও অভিনেতা শাকিব খান- দুজনকেই নিষিদ্ধ করেছে পরিচালক সমিতি ও অন্য চলচ্চিত্র সংগঠনগুলো
ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে পরিচালক সমিতির মহাসচিব শাকিবের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন বলে ঢাকাই ছবির শীর্ষ নায়ক যে অভিযোগ এনেছেন সে ব্যাপারে বদিউল আলম খোকন বলেন, ‘কখনোই না। শাকিবের বিপক্ষে যে বিষয়গুলো যাচ্ছে সেগুলোতে আমি সই করছি। মতামত কিন্তু সবার। কারণ সে সবাইকে বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে হয়রানি করেছে। সব পরিচালক ও কলাকুশলীর সম্মিলিত রাগের বহিঃপ্রকাশ এটি।’
শাকিবের সঙ্গে পরিচালক সমিতির দুরত্বের অবসান সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘আমরাই শাকিব খানকে তৈরি করেছি। সে আমাদের স্নেহের পাত্র। শাকিব যদি ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চায় তবে বিষয়টি ভেবে দেখা যাবে।’
সম্প্রতি একটি সংবাদ মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্যদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় সংগঠনটি শাকিব খানের কাছে উকিল নোটিশও পাঠিয়েছে।
পরিচালক শামীম আহমেদ রনির সদস্যপদ বাতিল প্রসঙ্গে মহাসচিব বলেন: শাকিব আমাদের চলচ্চিত্রের সবাইকে অপমান করেছেন। এজন্য সদস্য হিসেবে রনিকে বলেছিলাম শুটিং বন্ধ রাখার। কিন্তু সে পাত্তাই দেয়নি আমাদের।
‘তাই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest