সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে নদীর চরে গাছ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনকালিগঞ্জে চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের বাড়ি থেকে ১২শ লিটার ডিজেল উদ্ধারকলারোয়ায় সাপের কামড়ে তরুণীর মৃত্যুজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমান

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াতের একজন কর্মীসহ ৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার সাতটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়,সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১০ জন, কলারোয়া থানা ০৫ জন, তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ১০ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয় ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1463914088এস,এম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু : কালিগঞ্জে ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পালিত হয়েছে মুসলমানদের সৌভাগ্যের রজনী পবিত্র শবেবরাত।

সারাবিশ্বের ন্যায় কালিগঞ্জের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন।

মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সারা বিশ্বের মুসলমানদের মতো কালিগঞ্জে ও বিশেষ মোনাজাত ও দোয়াখায়ের অনুষ্ঠিত হয়।

সৌভাগ্যের এ রজনীতে নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধসহ সর্বস্তরের মুসলমানগণ কোরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এবাদত-বন্দেগী পালন করেছন।

এ রজনী উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষেরা বৃহস্পতিবার নফল রোজাও পালন করেছেন। বাসাবাড়ি ছাড়াও মসজিদে মসজিদে রাতভর চলেছে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ মাহফিল, অন্যান্য এবাদত-বন্দেগী ও বিশেষ মোনাজাত।

ধর্মপ্রাণ মুলমানদের বিশ্বাস, মহিমান্বিত এ রাতেই মহান আল্লাহতায়ালা মানুষের ভাগ্য অর্থাৎ তার নতুন বছরের ‘রিজিক’ নির্ধারণ করে থাকেন।

রাতব্যাপি এবাদত, বন্দেগী, জিকির ছাড়াও পবিত্র এ রাতে মৃত পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনসহ প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করেন। তাই এ রাতে কবরস্থানগুলোতে মুসল্লিদের ভীড় দেখা যায়।

মহিমান্বিত এ রজনী ভাবগম্ভীর পরিবেশের মধ্য দিয়ে পালনের লক্ষ্যে উপজেলা এলাকার মসজিদগুলোতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানসূচির মধ্যে ছিল ওয়াজ মাহফিল, কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল, হামদ্, না’ত, নফল ও তাহাজ্জুদের নামাজ ও আখেরী মোনাজাত।

এ রাতের বিশেষ অনুষঙ্গ কবর জিয়ারতের পাশাপাশি মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতিতে মসজিদে মসজিদে এশার নামাজের পর থেকেই দফায় দফায় ওয়াজ মাহফিল, জিকির ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে বাদ ফজর দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহর রহমত কামনায় মোনাজাতের মধ্য দিয়ে পবিত্র লাইলাতুল বরাতের সমাপ্তি হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

man-u20170512090419প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলে ম্যানইউয়ের অবস্থান ছয়ে। শীর্ষ চারে না থাকলে এবারও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা হবে না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। তবে ইউরোপা লিগের শিরোপা জিতলে সরাসরি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলতে পারবে রেড ডেভিলসরা। আর সেই পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল তারা। শেষ চারের দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠে ড্র করেও দুই লেগ মিলে ২-১ গোলে সেল্টা ভিগোকে হারিয়েছে মরিনহোর শিষ্যরা।

দলের গুরুত্বপূর্ণ তারকারা ইনজুরিতে থাকলেও প্রথম লেগে ১-০ গোলের জয়ে কিছুটা স্বস্তিতে মাঠে নামে ম্যানইউ। আর ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় বলের নিয়ন্ত্রণ প্রথম থেকেই নিয়ে আক্রমণ করে খেলতে থাকে রেড ডেভিলসরা। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ১৭ মিনিটে গোল করে দলকে লিড এনে দেন ফেলাইনি। মার্কাস র্যারশফোর্ডের ক্রসে হেডে বল জালে জড়ান বেলজিয়ামের এই তারকা।

ম্যাচের ৮৫ মিনিটে রনকাগলিয়া সমতায় ফেরে সেল্টা। তবে ফাইনালে উঠতে আর একটি গোল প্রয়োজন ছিল সফরকারী দলটির। ম্যাচের শেষ দিকে সুযোগও পেয়েছিল তারা। তবে স্ট্রাইকার ইয়ন গিদেত্তি খুব সহজ সুযোগ নষ্ট করায় ফাইনালে খেলার স্বপ্ন শেষ হয় সেল্টার।

এদিকে দিনের অপর ম্যাচে ফ্রান্সের লিওঁয়ের কাছে ৩-১ গোলে হেরেও দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে জয় দিয়ে ফাইনালে উঠেছে আয়াক্স। আগামী ২৪ মে স্টকহোমে হবে ইউরোপা লিগের ফাইনাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Azhar20170511221839মিসবাহ-উল হক আর ইউনিস খানের বিদায়ী সিরিজকে নিজের করে নিয়েছেন আজহার আলি। দ্বিতীয় টেস্টের মত তৃতীয় টেস্টে এসেও সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি। ডমিনিকার উইন্ডসর পার্কে শান মাসুদ আর ইউনিস খানের উইকেট দ্রুত হারালেও বাবর আজম এবং আজহার আলির ব্যাটে বড় স্কোরের দিকেই এগিয়ে চলছে পাকিস্তান।

বৃষ্টির কারণে প্রথমদিন পুরো খেলা হয়নি। প্রায় ২১ ওভার কম খেলা হয়েছে। না হয় প্রথম দিনই হয়তো সেঞ্চুরি তুলে নিতে পারতেন আজহার। যে কারণে ৮৫ রানেই প্রথমদিন ক্রিজ ছেড়ে যেতে হয়েছে আজহারকে। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরিটা তুলে নিয়েছেন তিনি। এর আগে ব্রিজটাউন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৫ রান করেছিলেন আজহার।

২৬৬ বল খেলে ৭টি বাউন্ডারি এবং ২টি ছক্কায় সেঞ্চুরি পূরণ করেন আজহার। এ রিপোর্ট লেখার সময় তিনি উইকেটে রয়েছেন ১২২ রানে। তার সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন মিসবাহ-উল হক ৮ রানে। দলীয় রান ৯৯ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭৭।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494508689যাঁরা একাত্তর জানেন, তাঁরা সবাই বলবেন, যে ধর্ষণ করত সে-ই লুট করত। কেউ ধর্ষণ করে চলে যেত না। যাওয়ার সময় ঘটি-বাটি, সোনা-দানা যা হাতের কাছে পেত তা নিয়ে যেত। সেটা পাকিস্তান আর্মি হোক অথবা রাজাকার হোক। ওই চিত্র এখনো পাল্টায়নি। লুটেরা আর ধর্ষক দুইটাই পাষণ্ড, জানোয়ার, বিশ্বাসঘাতক ও রাজাকার। বাংলাদেশ এদের দখলে!

২. সারা দেশে অনেকেই বনানীর হোটেলে দুটি মেয়ের ‘ধর্ষণ’ নিয়ে কথা বলছে। কেউ কেউ এর মধ্যে কেবল যৌন নির্যাতন খুঁজে পেয়েছে। কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা কেবল আসামি পরিচয় ধারণকারী নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তাদের পারিবারিক, সামাজিক ও ক্ষমতার পরিচয়। তাদের বাপ ও পরিবারের সামর্থ্য আছে এই বড়লোকি জীবনযাপন নিশ্চিত করার। বিপদে পড়লে রক্ষা করার।

৩. যে আসামিদের নাম বলা হচ্ছে, তাদের অর্থনীতি চিনিয়ে দেয় এরা হচ্ছে বাংলাদেশের ক্ষমতাবানগোষ্ঠীর সদস্য। এই ক্ষমতাবান গোষ্ঠী সে যে দলেরই হোক, যা খুশি করার কমবেশি অধিকার রাখে। কিন্তু এদের ধরা যাচ্ছে না। পুলিশের ভূমিকা এতটাই হাস্যকর হয়ে গেছে, মানবাধিকার কমিশন পর্যন্ত প্রতিবাদ করেছে।

পুলিশের কাছ থেকে কেউ কিছু আশা করে না। কারণ সবাই জানে, পুলিশ চাইলেই অপরাধীদের ধরতে পারবে। কিন্তু এই চাওয়াটা হতে হবে। সেটা তৈরি করতে প্রশাসনিক আদেশ, ইচ্ছা লাগে। সেটা এখনো সম্ভবত রান্না হচ্ছে। তাই তাদের ধরা হচ্ছে না। তাদের রক্ষা করার মতো টাকা-পয়সা তাদের বাবা-মায়ের আছে।

৪. আমাদের দেশে রাজাকারি নির্যাতনটা ক্ষমতাবান শ্রেণি করেই যাচ্ছে। কারণ, তাদের শাস্তি দেওয়ার কেউ নেই। একাত্তর সালে মুক্তিযোদ্ধারা ছিল। কিন্তু এখন দেশ তো কমবেশি রাজাকারদেরই হাতে। এখানে আর অপরাধ করে শাস্তি পেতে হয় না। দেশ এখন রাজাকারের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

৫. যে লোকটি ব্যাংকের টাকা লুট করে, বিদেশে পাচার করে, দুর্নীতি করে, সে লোকটাকে রাজাকার কেন বলা হয় না, এটা বড় প্রশ্ন। এই কারণেই বলা হয় না কারণ, তাহলে তো আমরা অনেকেই রাজাকার হয়ে যাব। একাত্তর সালে বেশির ভাগ রাজাকার ছিল গরিব মানুষ। কিন্তু তাদের হাতে যখন অস্ত্র উঠে যায়, তখন তারা ধর্ষক ও ডাকাতে পরিণত হয়। পরিস্থিতিই মানুষের চরিত্র নির্ধারণ করে। দেশের এমন অবস্থা, যেকোনো ক্ষমতাবান মানুষের পক্ষে লুটেরা হওয়া সহজ। তাই বেশির ভাগ বড়লোকই এই রাজাকার শ্রেণির হয়ে গেছে।

ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে অনেকেই আক্রোশ প্রকাশ করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। কেউ কেউ আবার অভিযুক্তদের পক্ষে। তাদের যুক্তি, ওই মেয়েরা হোটেলে গেল কেন? ধরা গেল অপরাধটা তাদের। কিন্তু তাতে করে ধর্ষণের অপরাধ, ভিডিওচিত্র ধারণ করার অপরাধটা বাদ পড়ে যায় কী করে? যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, তারা নির্দোষ হলে এতদিনে ধরা দিয়ে বিচারের সামনে দাঁড়াত। তার কিছুই হয়নি।

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম শত্রু জঙ্গিদের পুলিশ একের পর ফেলে দিচ্ছে। কিন্তু দু-তিনজন অপরাধীকে পুলিশ ধরতে পারছে না সেটা কী করে হয়? যে অশুভ ধ্বনিটা শুনছি সেটা হচ্ছে, এরা সবাই শাসক শ্রেণির অংশ। তাদের তো আবার কোনো জবাবদিহিতা নেই। অতএব সামাজিক গণমাধ্যম ছাড়া মানুষ তার রাগ আর ক্ষোভ নিয়ে আর যাবে কই?

বাংলাদেশ এমন দেশ, যেখানে সব কিছুই শেষ হয়ে যায়, কোনো প্রতিষ্ঠানই গড়ে ওঠে না কেবল রাজাকারি ছাড়া। গ্রামের মানুষ পিটিয়ে যাদের মেরেছে একাত্তর সালে, তাদের সন্তানরাই এখন আমাদের জমিদার।

লেখক আফসান চৌধুরী : সাংবাদিক ও গবেষক

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494505086কন্ডিশনিং ক্যাম্প, প্রস্তুতি ম্যাচ সবই হলো। এবার এলো লড়াইয়ের অপেক্ষা। আজ ডাবলিনে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড ও স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডকে নিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ। প্রথম ম্যাচে আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে আইরিশদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আসুন মূল লড়াইয়ের আগে কিছুটা স্মৃতিকাতর হই। ওয়ানডেতে এর আগের সাক্ষাৎগুলোতে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের পরিসংখ্যানের দিকে খানিকটা চোখ বুলাই।

এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে আয়াল্যান্ডের সঙ্গে সাতবার সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলাদেশের। যার মধ্যে পাঁচটিতেই জয়ের দেখা পেয়েছে লাল-সবুজের দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্রিজটাউনে দুই দলের প্রথম সাক্ষাতে হেরেছিল বাংলাদেশ। আইরিশদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ হারটি হয় বেলফাস্টে ২০১০ সালে। সেদিন সেঞ্চুরি করে একাই বাংলাদেশের কাছ থেকে জয় ছিনিয়ে নেন উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড। এরপর অবশ্য ক্রিকেটের নবীনতম এই দেশটির বিপক্ষে আর হারেনি বাংলাদেশ।

দুদলের সাত লড়াইয়ে সর্বোচ্চ রানের স্কোরটি বাংলাদেশের। ২০০৮ সালে মিরপুরে তামিমের শতকে ৭ উইকেটে ২৯৩ রান করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ রানের স্কোরটি ২৪৩ রানের। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে এই রান করে আয়ার‍ল্যান্ড।

দুদলের মধ্যে সর্বনিম্ন রানের স্কোরটি আয়ারল্যান্ডের। ২০০৮ সালে মিরপুরে এই রান করে আয়ারল্যান্ড। সেদিন ৪২ রানে ৫ উইকেট নেন ফরহাদ রেজা। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ডটি ১৬৯ রানের।

দুদলের সাত সাক্ষাতে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন তামিম ইকবাল। ৭ ম্যাচে ৪৮ গড়ে ৩৪০ রান করেন টাইগার ওপেনার। দেশ দুটির মুখোমুখি লড়াইয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটিও তামিমের। ২০০৮ সালে মিরপুরে ১২৯ রান করেন তামিম। আইরিশদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে দুটি সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশ। তামিম ছাড়াও অপর শতরানটি করেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। আয়ারল্যান্ডের হয়ে একমাত্র শতকটি করে উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড (১০৮)। সবচেয়ে বেশি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন শাহরিয়ার নাফীস (৩)। আয়ারল্যান্ডের পোর্টারফিল্ড একটি শতক ছাড়াও দুটি অর্ধশতক করেন টাইগারদের বিপক্ষে।

ওয়ানডেতে দুদলের লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন সাকিব আল হাসান (১১)। এরপর রয়েছেন ল্যাঙ্গফোর্ড স্মিথ (৯)। ৮ উইকেট নিয়ে পরের তিনটি নাম শফিউল, ট্রেন্ট জনস্টন ও আবদুর রাজ্জাক।

আগামী ২৪ মে পর্যন্ত এই সিরিজ চলবে। প্রতিটি দল প্রত্যেকের বিপক্ষে দুটি করে ম্যাচ খেলবে। এরপর ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ১ জুন চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

rrrrrrrrrrrr220170511230303রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশেষ দল বৃহস্পতিবার রাতে জালালাবাদের একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি–গোপনীয়) মো. মনিরুজ্জামান এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সিলেটের জালালাবাদের একটি বাড়িতে সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফ লুকিয়ে ছিলেন। রাত ৯টায় পুলিশ সদর দপ্তরের একটি দল তাদের গ্রেপ্তার করে। সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে ঢাকায় আনা হচ্ছে।

সাফাত (২৬) আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে। গ্রেপ্তার সাদমান (২৪) পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে।

মামলার এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে নিয়ে দুই তরুণীকে ধর্ষণ করেন সাফাত ও নাঈম। সাদমানসহ অন্য তিনজন ছিলেন সহযোগী।

অভিযোগকারী এক তরুণী বলেন, সাদমান তাদের বন্ধু; তাদের দুই বান্ধবীকে সেই পীড়াপীড়ি করে সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে ডেকে নিয়েছিল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার ৪০ দিন পর ভুক্তভোগী ওই দুই ছাত্রী গত ৬ মে সন্ধ্যায় বনানী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। মামলা করার পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সাফাত গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের সমালোচনাও ওঠে।

মামলার এক আসামি সাফাত আহমেদ, যার বাবা আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ। অন্য আসামিরা হলেন নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।

এদিকে বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম নুরুন্নাহার ইয়াসমিন তার খাসকামরায় বেলা একটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ওই দুই শিক্ষার্থীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। ধর্ষণের শিকার দুই ছাত্রী ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1494503358-sathkira-china-2সাতক্ষীরায় চীনের এক নারীকে নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ। তাঁকে চীনা দূতাবাসের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন জানান, চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের ওই নারীর নাম চেন জুহং। তিনি ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে গত ২৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। গত ২৬ এপ্রিল তাঁর বাংলাদেশে অবস্থানের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাঁর পাসপোর্ট নম্বর ই-৫৯১৪৯৯৩০।

পুলিশ সুপার জানান, চীনের ওই নারী আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় তিনি কী করবেন কোথায় যাবেন তা বলতে পারছিলেন না। তিনি ইংরেজি ও বাংলা কোনোটিই বোঝেন না বলে জানান। পুলিশ তাঁর নিরাপত্তার বিষয়টি চিন্তা করে তাঁকে নজরদারিতে নেয়। পরে তাঁর বিষয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার মাধ্যমে ঢাকায় চীনা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সেখানকার নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই নারীর পাসপোর্টে বাংলাদেশ ছাড়াও মিসর ও নেপালের ভিসাও রয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ বলেন, ‘আমরা তাঁকে সম্মানিত বিদেশি নাগরিক হিসেবে আমাদের নিরাপত্তাবলয়ের মধ্যে রেখেছি। চীনা দূতাবাসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest