5d36e40d6b4b0a963072cc0b506cccd4-58ca491ceeda6 শুভাশীষ রায়ের বলে পুল করলেন সুরাঙ্গা লাকমল, থার্ড ম্যানে দাঁড়ানো সৌম্য সরকার সেটা মুঠোয় ভরলেন। শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৩৮ রানে। এর পর দ্বিতীয় সেশনে ব্যাট করতে নেমে বেশ ভালো শুরু করেছে বাংলাদেশ।

২২ ওভারে বিনা উইকেটে ৮০ রান করেছে বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ৪১ রানে খেলছেন। আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার অপরাজিত ৩৩ রানে।

এর আগে শ্রীলঙ্কার বাকি তিন উইকেট নেওয়ার মিশনে দ্বিতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ অধিনায়ক রঙ্গনা হেরাথকে সাজঘরে পাঠিয়ে স্বস্তি ফেরালেও দিনেশ চান্ডিমাল বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় দিনও বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেঞ্চুরি করে ক্রিজ আঁকড়ে ধরে ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তাকে ফিরতে হয়। এর পর শেষ জুটিতে ‍সুরাঙ্গা লাকমল (৩৫) একটু মেরেই খেলেছেন। অপর প্রান্তে সান্ডাকান ছিলেন ধীরস্থির। তবে তাদের ৩৩ রানের জুটি ভেঙে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস গুটিয়ে দেন শুভাশীষ।

দ্বিতীয় দিনের শুরুতে উইকেট নেওয়া খুব প্রয়োজনীয় ছিল বাংলাদেশের জন্য। সেই কাঙ্ক্ষিত উইকেটের তারা দেখা পায় দিনের ৮ নম্বর ওভারে গিয়ে। সাকিব আল হাসান তার ২৫তম ওভারে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক রঙ্গনা হেরাথের উইকেট নেন। স্লিপে দাঁড়ানো সৌম্য সরকার ক্যাচটি ধরেন।

রিভিউয়ে দুইবার জীবন পাওয়া চান্ডিমাল দ্বিতীয় দিনও প্রতিরোধ গড়েছিলেন। ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরিও তিনি পান ২৪৪ বলে। তবে তার ইনিংস থামে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে মোসাদ্দেক হোসেনের ক্যাচ হয়ে। ৩০০ বলে ১৩৮ রান করেন চান্ডিমাল।

কলম্বোর পি সারা ওভালে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ভালো নয়। কিন্তু প্রথম দিন শেষে এবার আশার আলো দেখান মুশফিকুর রহিমরা। বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত ও আগ্রাসী বোলিংয়ে প্রথম দিন শ্রীলঙ্কা শেষ করেছিল ৭ উইকেটে ২৩৮ রানে। অথচ মাত্র ১৯৫ রানের মধ্যে শ্রীলঙ্কার ৭ উইকেট নিয়ে দারুণ কিছুর আভাস দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ তিন উইকেটে ১৪৩ রান যোগ করে স্বাগতিকরা।

কলম্বোর পি সারা ওভালে এই প্রথমবার শ্রীলঙ্কার সবগুলো উইকেট পেল বাংলাদেশ। এর আগে তিনবার এ ভেন্যুতে খেলেছিল দুইদল। প্রত্যেকবারই স্কোরবোর্ড শক্তিশালী করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল লঙ্কানরা, আর বাংলাদেশ হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

8মানিপ্লান্ট নামের গুল্মের সাথে আমরা আগে থেকেই পরিচিত। নামে টাকার গাছ হলেও এতে কোন টাকা জন্মে না। তবে ঘরের স্নিগ্ধতা বজায় রাখে এই ছোট ছোট গাছ।

আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে প্রচুর পরিমাণে জীবাণু থাকে। ঘরে বাইরে সারাদিন ভ্রমণ করে আরও বেশি রোগ-জীবাণু আমাদের ঘরে প্রবেশ করে। এসব জীবাণু থেকে রক্ষা পেতে আমাদের ঘরে অক্সিজেনের প্রয়োজন। এক্ষেত্রে গাছের থেকে ভাল আর কি বা হতে পারে।

আপনার ঘর এবং অফিসের পরিবেশ সুন্দর করার জন্য কিছু ছোট ছোট মানিপ্লান্টের গাছ লাগাতে পারেন। যেমন- অর্কিড, বনসাই, ডেকোরেশন গাছ, পাতাবাহার, ক্যাকটাস, অ্যালোভেরা, থানকুনিসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ। গাছের ধরন বুঝে কোন গাছ কোথায় রাখতে হবে তা ঠিক করতে হবে। কোন গাছটা ড্রইং রুমে রাখলে বেশি মানিয়ে নিবে, কনটি বেলকুনিতে বা কোনটি বেডরুমে ভাল লাগবে তা ঠিক করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

manoranjana_bg20170314063554ডেস্ক: একসময় ছিলেন কোটিপতির স্ত্রী। সাবেক স্বামী মাতঙ্গ সিং ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন কংগ্রেস আমলে। আর এখন শীর্ষ আদালত জামিন মঞ্জুর করলেও স্রেফ টাকার অভাবে মুক্তি পাচ্ছেন না সারদা কাণ্ডে আটক মনোরঞ্জনা সিং।

জামিন মঞ্জুর হয় গত ৬ ফেব্রুয়ারি। জামিনের শর্ত হলো দুইজনের জামিনদারের মাধ্যমে ২ কোটি টাকার বন্ড দিতে হবে। এক মাসের বেশি পেরিয়ে গেছে, ১ কোটি টাকাও জোগাড় করতে পারেননি মনোরঞ্জনা। তার আইনজীবী বিপ্লব গোস্বামী জানিয়েছেন, টাকার জন্য মনোরঞ্জনা বাবা-মায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন।

মনোরঞ্জনার বাবা কেদারনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, তাদের দিল্লির বসতবাড়ি ও কিছু সম্পত্তি আদালতের কাছে বন্ধক রেখে মনোরঞ্জনাকে টাকা পাঠাবেন।

সারদা কাণ্ডে ২০১৫ সালের অক্টোবরে মনোরঞ্জনাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। দুইদিন সিবিআইয়ের হেফাজতে থাকার পর থেকেই তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। একের পর এক বেসরকারি হাসপাতাল বদল করে এখন তিনি সোনারপুরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি রয়েছেন। জামিনের শর্ত পূরণ করতে না পারায়, সেখান থেকে বেরোতে পারছেন না। বন্দিদশাই কাটাচ্ছেন। একজন পুলিশ তার পাহারায় থাকছেন।

গত ১৭ মাস ধরে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে মনোরঞ্জনা প্রায় ২৫ লাখ টাকার বিল মিটিয়েছেন বলে দাবি সিবিআইয়ের। আইনজীবী বিপ্লব জানিয়েছেন, ওই টাকা তার ব্যবসায়ী ভাই মনীশ সিং দিয়েছেন। কিন্তু এবার জামিনের ২ কোটি টাকা জোগাড় করতে সমস্যা হচ্ছে।

অথচ, এই মুহূর্তে মনোরঞ্জনার নামে সম্পত্তি কম নেই। ঘনিষ্ঠ মহলে মনোরঞ্জনা জানিয়েছেন, তার তিনটি অ্যাকাউন্টে ৯৭ লাখ টাকা রয়েছে। মাতঙ্গের কাছে তার ৬৩ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। ওই টাকা, সম্পত্তি ও তার নিউজ চ্যানেলের অফিস বাজেয়াফত করেছে ইডি।

এই অবস্থায় মনোরঞ্জনার ভরসা এখন তার বাবা কেদারনাথ। তিনি বলেন, এখন সম্পত্তি বন্ধক রেখে টাকা পাঠাব। পরে মনোরঞ্জনা সম্পত্তি ও ব্যাংকের নগদ টাকা ফেরত পেলে, আমাদের সম্পত্তি ফেরত নিয়ে নেওয়া হবে। আইনজীবী বিপ্লব জানিয়েছেন, কেদারনাথ সম্পত্তির মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

সপ্তাহখানেক পরই আদালতে নথি পেশ করা হবে। তার বক্তব্য, সারদার সঙ্গে দিল্লির বাসিন্দা মনোরঞ্জনার ৪২ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল খবর সম্প্রচার করা নিয়ে। ঠিক হয়েছিল গুয়াহাটিতে সারদার একটি চ্যানেল খুলবেন মনোরঞ্জনা। জেরার মুখে মনোরঞ্জনা সিবিআইকে জানিয়েছেন, সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন তাকে ২১ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। সিবিআইয়ের অভিযোগ, চুক্তিমতো সেই টাকা খরচ না করে সারদার কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন মনোরঞ্জনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

11লাল শাক খেতেও যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। লাল শাক অনেকেরই প্রিয় শাক ।পুষ্টিগুণ এবং রোগ প্রতিরোধের দিক দিয়ে লাল শাকের চেয়ে অনেক দূরে অন্যান্য শাকসবজি।

প্রতি ১০০ গ্রাম লাল শাকে আছে ৩৭৪ মি. গ্রা. ক্যালসিয়াম, ৫.৩৪ মি. গ্রা. প্রোটিন, ০.১৪ মি. গ্রা. স্নেহ, ৪.৯৬ মি. গ্রা. শর্করা। এছাড়া ভিটামিন বি, ভিটামিন বি২, ভিটামিন সি, ক্যারোটিন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ এবং খাদ্য শক্তি তো আছেই।

ভিটামিন ‘এ’-তে ভরপুর লালশাক। ফলে নিয়মিত এই শাক খেলে অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। এতে আছে এন্টি-অক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া শরীরে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমার কারণে যে অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে লাল শাক তা প্রতিরোধ করে।

লাল শাকে আছে বিটা-ক্যারোটিন। যেটি আপনার হার্টস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিকে অনেকাংশে কমিয়ে আনবে। আর রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে লাল শাকের জুড়ি নেই।

যাদের দাঁতে সমস্যা আছে তারা বেশি করে লাল শাক খাওয়া প্রয়োজন। কারণ এতে আছে ভিটামিন ‘সি’। আর লাল শাক দাঁত ও দাঁতের অস্থি গঠনে দারুণভাবে সাহায্য করে। দাঁতের মাড়ি ফোলা দূর করে।

যেহেতু আঁশ জাতীয় অংশ খাবার তাই নিশ্চিতভাবেই খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ভূমিকা রাখে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাল শাক অনেক উপকারী। কারণ এতে ক্যালরি নেই বললেই চলে। আর ক্যালরি না থাকায় ওজন বাড়ারও ভয় নেই লাল শাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ctg_anti-terrorist_attack_2চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চৌধুরী পাড়ায় দ্বিতীয় জঙ্গি আস্তানায় শেষ হয়েছে অপারেশন অ্যাসল্ট-১৬। পুলিশের এই অভিযানে এক নারীসহ দু’জন আত্মঘাতী ও অভিযানে দু’জন নিহত হয়েছে।

অভিযানে দুই সোয়াট সদস্য আহত হয়েছে। আহতদের একজনের অবস্থা গুরুতর। এছাড়া জিম্মি একটি পরিবারের ৫ সদস্যসহ মোট ২০ জন উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে বুধবার সীতাকুণ্ড পৌরসভার লামারবাজার এলাকায় একটি জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে এক নারী জঙ্গিসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই দুই জঙ্গির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কলেজ রোড এলাকার চৌধুরীপাড়ার আরেকটি জঙ্গি আস্তানায় পুলিশ অভিযান চালিয়েছে।

বুধবার বিকেলে চৌধুরীপাড়ার ছায়ানীড় ভবনের নিচতলার একটি বাসায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ভেতর থেকে জঙ্গিরা হ্যান্ডগ্রেনেড ছোঁড়ে। এতে সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) মোজাম্মেল সহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে বাইরে থেকে পুরো ভবনটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, ১৫ দিন আগে জঙ্গিরা ছায়ানীড় ভবনের নিচতলার বাসাটি ভাড়া নিয়েছিল। ওই ভবনে আরও কয়েকটি পরিবার ভাড়া থাকেন। বর্তমানে আস্তানার ভেতরে নারী ও শিশুসহ তিনজন আছেন। অভিযান শুরুর পর এ পর্যন্ত জঙ্গিরা তিনটি হ্যান্ডগ্রেনেড ছুঁড়েছে।

গত ৭ মার্চ কুমিল্লায় দুই জঙ্গিকে আটক করার পর তাদের একজনকে নিয়ে ওই রাতেই মিরসরাইয়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২৯টি হাতবোমা, নয়টি চাপাতি, ২৮০ প্যাকেট বিয়ারিংয়ের বল এবং ৪০টি বিস্ফোরক জেল।

এরপর চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার বিভিন্ন স্থানে ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি এলাকায় এলাকায় ‘ব্লক রেইড’ দেয়ার নির্দেশনার কথা জানান চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যাপশন : সদরের ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কাবের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করছেন মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি।

ক্যাপশন : সদরের ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কাবের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করছেন মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি।

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদরের ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কাবের মাঝে বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি কর্তৃক ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে শহরের রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট ভবনে প্রধান অতিথি হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে প্রদত্ত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন সাতক্ষীরা সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় তিনি বলেন, ‘দেশের ক্রীড়াঙ্গণকে উজ্জীবিত করতে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কাব গুলোকে এ ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। ক্রীড়াঙ্গনের  অভূতপূর্ব সাফল্যের কারণে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে অনেক বেশি পরিচিতি এনে দিয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে’।
সদরের ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কাবের মাঝে ক্রিকেট সেট, ভলিবল সেট, ব্যাডমিন্টন, দাবা সেট, ক্যারাম সেট, ফুটবল, হ্যান্ডবল, টি বল ও ভলিবল বিতরণ করা হয়। এ সময় দলীয় নেতাকর্মী ও সদরের ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কাবের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

mg_0500নিজস্ব প্রতিবেদন : স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জ ২য় তলায় স্বাচিপ সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ এম ইকবাল আর্সলান এর সভাপত্বিতে এবং স্বাচিপ মহা-সচিব অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ এর পরিচালনায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত (খসড়া) “চিকিৎসা সেবা আইন -২০১৬” বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ প্রণয়নের নিমিত্তে গোল টেবিল বৈঠক বিকাল ৩ ঘঠিকায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত গোল টেবিল বৈঠক আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও সাবেক স্বাচিব সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রহুল হক এমপিসহ বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদিক এবং বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের নেতা ।
আলোচক হিসাবে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও সাবেক স্বাচিব সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রহুল হক এমপি বলেন বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চিকিৎসা সেবা আইন প্রণয়ন করেছে তা অতান্ত ভালো সিদ্ধান্ত। তিনি আরো বলেন রোগিরা যাতে সুচিকিৎসা পায় এবং চিকিৎকরা কোন রোগী দ্বাড়া আক্রান্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি কোন রোগী কোন অপরাধ করে তাহলে প্রথমে চিকিৎসক সংগঠণ গুলোকে জানানো উচিৎ এবং তাদের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা যায়। যদি চিকিৎসক সংগঠন গুলো সমস্যা সমাধান করতে না পারে তাহলে আইনের আশ্রয় নেয়া যায়। তিনি আরো বলেন সারাদেশে ইন্টার্নি ডাক্তারদের আন্দোলনের ফলে সারাদেশের চিকিৎসা সেবা বন্ধ হয়ে যায়নি। তিনি ডাক্তাদের ব্যবসায়ী মনোভাব নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাচিব এবং বিএমএ নেতাদের প্রতি আহবান করেন। এবং চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান গুলোতে চিকিৎসা সেবা উন্নত করা যায় সে দিকে সরকারকে নজর দিতে বলেন। অনুষ্ঠান শেষে স্বাচিব মহা-সচিব অধ্যাপক ডাঃ এমএ আজিজ উপস্থিত সকলের নিকট “চিকিৎসা সেবা আইন -২০১৬”লিখিত মন্তব্য আহবান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4444নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভা বুধবার বিকাল ৪ টার সময় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারুক হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জে এম আরিফুল হক, এ এস পি (বিশেষ শাখা) শেখ মোঃ ইয়াছিন আলী,  জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহম্মেদ, বি আর টি এ এর সহকারী পরিচালক তানভীর আহম্মেদ, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি আবু আহম্মেদ. পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) তপন কুমার মজুমদার, জেলা ট্রাক, ট্যাংকলড়ি, কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক সাহাঙ্গীর হোসেন শাহীন  প্রমুখ।
এ সময় ১৮ তারিখের মধ্যে শহর হতে সকল প্রকার, ব্যাটারি চালিত ইঞ্জিন ভ্যান ও রিকসা অপসারণ, রুটের বাইরে কোন যানবাহন না যাওয়া, শহরের অভ্যন্তরে ৪ হুইলার চালানোর সিদ্ধান্ত, গাড়ীর ছাদে যাত্রী না উঠানো, মালিক শ্রমিক সমিতিকে মনিটরিং, সদর হাসপাতাল সামনে , লাবনী মোড় এবং সাতক্ষীরা বাস টার্মিনালের উত্তর পাশ হতে সকল প্রকার অবৈধ যানবাহন অপসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest