
কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়ায় খুুলনা রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মনিরুজ্জামান (বিপিএম-পিপিএম) বলেছেন, জঙ্গিদের মূল উদ্দেশ্য হল ধর্মের অপব্যাখা দিয়ে কিছু সরল যুবককে সংগঠিত করে মানুষ হত্যা, সমাজের বিশৃৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং দেশের অর্থনীতিকে বিনষ্ট করা। পুলিশ জীবন বাজি রেখে জঙ্গিদের মোকাবেলা করছে। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব নয়। সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। মাদক ও জঙ্গিবাদের প্রতিকার, বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গিকার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার সকাল ১১টায় পবিত্র কুরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে পাইলট হাইস্কুল ফুটবল ময়দানে কলারোয়া থানা পুলিশ প্রশাসনের আয়োজনে জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন (পিপিএম) এর সভাপতিত্বে সমাবেশে ডিআইজি এসএম মনিরুজ্জামান আরও বলেন, ২০১৩ সালে এই কলারোয়াতে জামায়াত-জঙ্গিরা নাশকতা চালিয়ে নিরিহ ৪ জন মানুুষকে হত্যা করেছিল। পিতার কাছে সবচেয়ে বড় কষ্ট হল পুত্রের লাশ। সেই পিতার সামনে পুত্রকে হত্যা করেছিল জামায়াত সন্ত্রাসীরা। সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের পথ শান্তির পথ না, ইসলামের পথ না। এই পথ কখনও মানুষের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব জনশক্তি রপ্তানিতে শতকারা ৬০ভাগ সেটি হল বাংলাদেশ। এই দেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যম আয়ের শান্তিপূর্ন দেশ। আমরা বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে চলতে চাই। কারণ আমরা এ দেশকে ভালবাসি দেশের মানুষকে ভালবাসি। দেশের কল্যাণে কাজ করার ব্রত নিয়েই পুলিশের দায়িত্ব পালন করি। এছাড়া মাদকের ভয়াবহ নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে কিশোর তরুন সমাজ। যে বয়সে পড়াশুনা ও খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার কথা। সেই বয়সে তাদেরকে স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেক দুরে ঠেলে দিচ্ছে মাদক। এসব মাদকের নেশায় আক্রান্ত হয়ে অন্ধকার জীবনে ধাবিত হচ্ছে অগণিত তাজা প্রাণ। মাদক নেশা গ্রহণকারী শিশু-কিশোর ও যুবকদের মধ্যে বেশির ভাগ নানান পেশাজীবি পরিবারের সন্তান। যাদের বয়স ১৫থেকে ৩৫ বছর। জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে ৯০দিনের একটি কর্র্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই কর্র্মসূচির বিশেষ অভিযানে যে সকল পুলিশ সদস্য আন্তরিক ও নিষ্ঠার সহিত কাজ করবে এবং মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে তাদেরকে কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ বিশেষ পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হবে। এই বিশেষ অভিযানে মাদকাসক্তি ব্যক্তি, মাদক ব্যবসায়ী যদি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায় তাহলে তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতাসহ পুর্র্নবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদকের ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারী উচ্চরণ করে ডিআইজি মনিরুজ্জামান বলেন কোন পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদকের বিষয়ে প্রমান পাওয়া গেলে তাৎক্ষনিকভাবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুুর রহমান (বিপিএম) সাবেক সাংসদ বিএম নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুুপার আরিফুল হক, মেরিনা আক্তার, উপজেলা নিবাহী কর্র্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, মুুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী মজনুু, জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেন, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর জোৎসা আরা, অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, শিক্ষাবিদ এম এ ফারুক, শিক্ষার্র্থী সামিউর রহমান, আসমা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যানগন শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবুু, আবুল কালাম, শেখ ইমরান হোসেন, মাস্টার নূরুল ইসলাম, আফজাল হোসেন হাবিল, এসএম মনিরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম মনি, আলহাজ্জ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, আসলাম খান, মাহবুবুর রহমান মফে, রবিউল হাসান, থানার ওসি ইমদাদুল হক শেখ, (ওসি তদন্ত) আক্তারুজ্জামান, এসআই ইয়াছিন আলী, পিন্টু লাল দাস, অমিত কুমার, গোলাম আজম, সেলিম রেজা, রফিকুল ইসলাম, এএসআই রতন হাজরাসহ থানা পুুলিশের সকল কর্র্মকর্র্তাবৃন্দ প্রমুখ। সমগ্র সমাবেশ পরিচালনা করেন সাংবাদিক অসীম চক্রবর্র্তী।



প্রেস বিজ্ঞপ্তি : উৎসাহ এবং উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলের মোহাম্মাদ হোসেন মিলনায়তনে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস, এম শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়ের শিশু-কিশোরদের নিয়ে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন ৭ম শ্রেণীর ছাত্র নাহিদ পারভেজ ও গীতা পাঠ করেন ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী সৃষ্টি দেবনাথ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল। শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হাফিজুর রহমান, সুকুমার সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান ও আকলিমা খাতুন। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাজরিন নাহার, জান্নাতুল ফেরদৌস, বিতাই আমিন, মাধব দত্ত ও ফারজানা সুলতানা। এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ আব্দুস সেলিম গাজী, বিডিএফ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আব্দুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরশাদ আলী, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান সোনা, শিক্ষক ফায়জুল হক প্রমূখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিনের কেক কেটে একে অপরকে খাওয়ান ও ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিতরন করেন। বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা মোহসেন উদ্দীন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মুকুল হোসেন।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দীনের নির্দেশে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন (সজল)’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রা পেলো কুশখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্রী।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপাতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্যাপন করা হয়েছে। দিবসটি উদ্যাপন উপলে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রধান শিক্ষক এস.এম আব্দুল্লাহ আল মামুন। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান, হাবিবা খাতুন, সহকারী শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ, মো. ওয়ালিউর রহমান, মনিরুজ্জামান, দিপাসিন্ধু তরফদার প্রমুখ।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপাতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলে সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্যাপন করা হয়েছে। দিবসটি উদ্যাপন উপলে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মো. মোদাচ্ছের আলী। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষক মো. আনিসুর রহমান, শেখ আব্দুল আলিম, মোস্তফা বাকী বিল্লাহ, মো. শরিফুল ইসলাম, ছাত্রী তামান্না ইয়াসমিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
