444নিজস্ব প্রতিবেদক : সদর থানা পুলিশের অভিযানে এক জামায়াত ক্যাডারকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত জামায়াত ক্যাডার ঘরচালা গ্রামের কওছার আলী সরদারের ছেলে জুলফিকার আলী(৪৫)। শনিবার বিকালে তার নিজস্ব বাসভবন থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের সরকারবিরোধী নাশকতায় সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ রয়েছে জানিয়েছে পুলিশ।
সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন মোল্যা জুলফিকারকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

232324কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় ‘দুর্নীতি হলে শেষ, নিজে বাঁচবো বাঁচাবো দেশ, সবাই মিলে গড়বো দেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে দুর্নীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ-২০১৭ (২৬ মার্চ-১ এপ্রিল) উদযাপন উপলক্ষে ৭ম অর্থাৎ শেষ দিন শনিবার বেলা ১১ টায় কলারোয়া সরকারি প্রাইমারি স্কুল অডিটোরিয়ামে দুর্নীতি বিরোধী শপথনামা পাঠ করানো হয়। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি আয়োজিত এ শপথনামায় সততা সংঘের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সবখানেই দুর্নীতি বিরোধী চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। শপথপূর্ব সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রফেসর আবু নসর। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আখতার আসাদুজ্জামান চান্দুুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার মেহের উল্লাহ, বোয়ালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদরুর রহমান, মাস্টার মনিরুজ্জামান, মাস্টার উত্তম কুমার পাল, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব কাজী শামসুর রহমান ও মিসেস লতিফা আক্তার, সদস্য জাহিদুর রহমান খান চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক কামরুজ্জামান পলাশ, উৎপল কুমার সাহা, সততা সংঘের পক্ষে সোনাবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওমর সাদত, পুরবী রায় প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু। অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে সততা সংঘের সদস্যদের দুর্নীতি বিরোধী শপথনামা পাঠ করানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

32232323কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় নছিমনের সাথে সংঘর্ষে এক মোটর সাইকেল চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কয়লা বাজারের নিকটে ঘটে। নিহত মটরসাইকেল চালক মাছ ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম (৪৫)।  সে পৌরসভার ঝিকরা গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম ঝন্টুর (সাবেক মেম্বারের) ছেলে এবং পৌর কাউন্সিলর মেজবাহউদ্দীন লিলুর ভাতিজা। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার সন্ধ্যার দিকে রেজাউল ব্যবসায়ীক কাজ শেষ করে মটরসাইকেল যোগে কলারোয়া আসার পথে কয়লা বাজার পার হয়ে মসজিদ সংলগ্ন মোড়ে দ্রুতগামী নসিমনের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষে তার বুকে ও মাথায় মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হন। স্থানীয়রা রেজাউলকে উদ্ধার করে দ্রুত কলারোয়া হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃতে্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। এদিকে রেজাউলের মৃতে্যুর সংবাদ মূহুর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাকে দেখার জন্যে এক নজরে ঝিকরা গ্রামে লোকজন ভিড় করেন। সেখানে এক বেদনাদায়ক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রোববার সকালে মরুহুমের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জাননো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bd111স্পোর্টস ডেস্ক : একটা অপেক্ষার অবসান হওয়ার সুযোগ ছিল। সুযোগ ছিল প্রায় ৮ বছর পর বিদেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জেতার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ ওডিআইতে ৭০ রানে হেরে সেই সুযোগ মাটি হল।
বাংলাদেশ কেন এই ম্যাচে হারলো, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে টপঅর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতার কথা সবার আগে বলতে হয়। কিন্তু সেই ব্যর্থতার আগেই তো ভুল চিত্রনাট্য নিজেদের হাতে গড়া হয়েছিল!

টস জিতে মাশরাফি ফিল্ডিং নেওয়ার পর অনেকের চোখ কপালে ওঠে। এই সিদ্ধান্ত মাশরাফির একার নয়। টস জেতার পর কী নেওয়া হবে, এটা কখনো অধিনায়ক একা ঠিক করেন না। আগে থেকেই থিমট্যাঙ্ক সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। তারা নিশ্চয়ই কিছু একটা বুঝে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু গোটা ম্যাচে সেই ‘কিছু একটা’র কোন উত্তর খুঁজে পাওয়া গেল না।

ম্যাচের আগেরদিন মাশরাফি একটা ইচ্ছার কথা বলেছিলেন। সেই ইচ্ছা তার পূরণ হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ জিততে পারেননি।

ম্যাশ বলেছিলেন, আগে বল করলে ২৮০ রানের ভেতর লঙ্কানদের আটকাতে চাইবে তার দল। হল ঠিক সেটাই। ২৮০তে আটকে যায় স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশি বোলারদের ভেতর কেউ সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। থিসারা পেরেরা ৪০ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে দলের স্কোর বড় করেন। আর শুরুতে অর্ধশতক পান কুশল মেন্ডিস (৫৪)।

মাশরাফি শেষ দিকে এক ওভারে দুই উইকেটসহ মোট তিনটি পেলেও রান দিয়েছেন ৬৫। ছন্দ খুঁজে ফেরা মোস্তাফিজ ১০ ওভারে ২ উইকেট নিয়ে ৫৫ রান দেন। মিরাজ এক উইকেট নিতে খরচ করেছেন ৪৯। তাসকিন ৮ ওভারেই দিয়েছেন ৫০। কোন উইকেট পাননি। সাকিবও উইকেট নিতে পারেননি। ৮ ওভারে রান দেন ৪১। বোলারদের এমন অসহায়ত্বের দিনে ডেথ ওভারে মাশরাফির দাপটের কারণে ৩০০ পার হয়নি স্বাগতিকদের ইনিংস। কিন্তু জয় দেখা হল না ব্যাটসম্যানদের দীনতায়।

শুরুটা হয় তামিমকে (৪) দিয়ে। কুলাসেকারার করা প্রথম ওভারের শেষ বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এরপর ২৪ ওভারের ভেতর একে একে ফিরে যান আরও পাঁচজন।

তামিম ফিরে যাওয়ার পরের ওভারের শেষ বলে ফিরতে হয় সাব্বিরকে (০)। কুলাসেকারার বলে ক্যাচ দেন চান্দিমালের হাতে। পরের ওভারের তৃতীয় বলে ফিরে যান মুশফিক (০)। তিনি লাকমলের বলে এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়েন। তিন উইকেট পড়ার পর সৌম্যকে নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন সাকিব আল হাসান। ১৬তম ওভারে ৭৭ রানের মাথায় ভাঙে তাদের জুটি। সৌম্য (৩৮) স্টাম্পিং হয়ে ফিরে যান।

সাকিব লড়াইটা বাঁচিয়ে রাখেন। ক্যারিয়ারের ৩৪তম অর্ধশতকও তুলে নেন। কিন্তু তাকেও ফিরতে হয় ৫৪ রানের মাথায়।

সাকিব ফিরে যাওয়ার পরই ম্যাচের পরিণতি স্পষ্ট হতে থাকে। তার আগে আক্ষেপের কাব্য লিখে যান মেহেদি হাসান মিরাজ। সিনিয়ররা যা পারেননি তাই করে দেখান তিনি। তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক। তাসকিনকে নিয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৪ রানের জুটি গড়েন। কুলাসেকারার বলে থারাঙ্গার হাতে ক্যাচ দেন ব্যক্তিগত ৫১ রানের মাথায়। যে প্রদীপ নিভে যাবে, তাকে জ্বালানোর বৃথা চেষ্টার কবিতা লিখে যান কলম্বোর সবুজ ঘাসে!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

233232মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলা অবসর প্রাপ্ত সরকারী কর্মচারী কল্যাণ সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভায় ইংরেজি ২০১৭-১৮ সালের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নব নির্বাচিত এ কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সহ সভাপতি মোজাম্মেল হক, নোয়াজেস উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ, যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মাদ আলী ছিদ্দিকী, সদস্য আজম খান, আফাজ উদ্দিন, আব্দুর রশিদ, আজিজুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, শেখ তৌহিদুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, মনিরুদ্দিন, এমাদ উদ্দীন, ফিরোজা বেগম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ddddনিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় ৭১ এর গণহত্যা বিষয়ক এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে তালার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয় চত্বরে এ সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয় ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম গণগন্থাগার এ সংলাপের আয়োজন করে। তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মফিজ উদ্দীনের সভাপতিত্বে গণহত্যা সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান নুরুল ইসলাম, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনদ কুমার, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, মুক্তযোদ্ধা অধ্যাপক আবু বকর মোড়ল, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক হাশেম আলী ফকির, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ইনামুল ইসলাম, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান শ্যামল কুমার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে এক অহিসংস গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে হাজার বছরের পরাধীন জাতি সেদিন স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত হয়। কিন্তু বাঙালি জাতির স্বাধীনতার এই আকাংখাকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে নিরস্ত্র মানুষের উপর পাকিস্তানী হানাদাার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কাল রাত্রে “অপারেশন সার্চলাইট” এর নামে চালায় নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের উপর চাপিয়ে দেয় এক অন্যায় যুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে সে সময় স্বাধীনতার জন্য উন্মুখ বাঙালি পাকিস্তানীদের এই অন্যায় যুদ্ধোর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে লিপ্ত হয়। দীর্ঘ নয়মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, ৩০ লাখ শহিদের রক্ত ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় আমাদের এই মাতৃভূমি বাংলাদেশ। সে দিন আমাদের খুলনা-সাতক্ষীরার অঞ্চলের চুকনগর, ডাকরা, পারুলিয়া, বাদামতলা, ঝাউডাঙ্গা, পারকুমিরা, সাতক্ষীরা সরকারি বালক বিদ্যালয়সহ কমপক্ষে ১২টি জায়গায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী শত শত নীরিহ বাঙালি জাতিকে গণ হত্যা করে। বক্তারা এ সময় তাদের সেই হৃদয়বিদারক ও ভয়াবহ দিনের কথা স্মরণ করেন উক্ত সংলাপে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

000005মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় খরিপ-১/২০১৭-১৮ মৌসুমে উফশী আউশ ও নেরিকা আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, রাসায়নিক সার, সেচ সহায়তা ও আগাছা দমন সহায়তা কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকালে সদর উপজেলা মিলনায়তনে সদর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে সদর উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষকদের মাঝে এ কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের কল্যাণে মনে প্রাণে কাজ করছেন। কৃষকদের দোর গোড়ায় পৌছে দেওয়ার জন্য পৌরসভা ও ইউনিয়ন ওয়ারী ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষকদের বিভাজন ও বিতরণের কর্মসূচী দেশ ব্যাপী হাতে নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আমজাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইসরাইল গাজী ও সদর উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য এস.এম রেজাউল ইসলাম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অমল ব্যানার্জী, কিরন্ময় সরকার ও রঘুজিৎ গুহ প্রমুখ। এ সময় সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৮শ’৮০ জন ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষককে উফশী আউশ ধান প্রনোদণা এবং নেরিকা আউশ ধানে ৩শ’৩০ জন ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষককে এ সহায়তা দেওয়া হয়। প্রতি একজন কৃষককে খরিপ-১/২০১৭-১৮ মৌসুমে উফশী আউশ ধান ও নেরিকা আউশ ধান উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রনোদণা কর্মসূচীর আওতায় বিতরণের প্রত্যেক চাষিকে ৫ কেজি আউশ ধান বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি, ৪ শত টাকা সেচ সহায়তা, ৩শত ৩০ জন নেরিকা আউশ চাষী প্রত্যেককে ১০কেজি নেরিকা আউশ ধান বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি, ৪শত টাকার সেচ সহায়তা, ৪ শত টাকা আগাছা দমন সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সীমন্ত কুমার দাশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sam_6898-copyমাহফিজুল ইসলাম আককজ : সাতক্ষীরায় সপ্তাহ ব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০১৭ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলেচনা সভাস্থলে গিয়ে মিলিত হয়। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক অরুণ কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় তিনি বলেন, ভূমি সেবা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ সেবা। কেউ চিরদিন বেঁচে থাকেনা তাই ভূমি সেবা নিয়ে কোন দূর্ণীতি করা যাবেনা। মুসলমানরা মারা গেলে সাড়ে তিন হাত জায়গা আর হিন্দুরা মারা গেলে শ্বশ্নান-ঘাট। সেজন্য জমি জমা নিয়ে বিশৃঙ্খলা করা ঠিক নয়। সকলকে সেবার মন-মানষিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, সদর উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত)  নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরী প্রমুখ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মো. লিয়াকত আলী, কালেক্টরেট কর্মকর্তা মাকসুদার রহমান খান চৌধুরী সুজা ও ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ময়নুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest