coconut-oil1পুরো বিশ্বের সৌন্দর্য সচেতনদের কাছে নারকেল তেল একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। নারকেল তেলকে মূল উপাদান রেখে ত্বকের যত্নের নানান ময়েশ্চারাইজার কিংবা লিপবাম তৈরি করে বিশ্বের নামী সব প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে ত্বকে বয়সের ছাপ রোধ করতে খাঁটি নারকেল তেলের জুড়ি নেই।
নারকেল তেলের আছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি ভাইরাল গুণাগুণ। তাই ত্বকের প্রায় সব সমস্যার সমাধানেই নারিকেল তেল ব্যবহার করা যায়। জেনে নিন ত্বকের যত্নের খাঁটি নারকেল তেল ব্যবহারের কিছু পদ্ধতি।

লিপবাম
শীতে অনেকেরই ঠোঁট ফেটে যায়। কারও কারও আবার সারা বছরই ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকে। ঠোঁট ফেটে গেলে ঠোঁটে খাঁটি নারিকেল তেল লাগিয়ে নিন। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে নারকেল লাগিয়ে নিলে ঠোঁট মসৃণ থাকবে এবং ধীরে ধীরে ঠোটের কালো দাগ দূর হবে।
ঠোটের যত্নে নারকেল তেল :

ফেসওয়াস
নারকেল তেল দিয়ে নিজেই তৈরি করে নিতে পারবেন ফেসওয়াস। একটি পাত্রে নারকেল তেল গলিয়ে নিয়ে তাতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা এবং ৪/৫ ফোটা এসেন্সিয়াল অয়েল দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার একটি কৌটায় মিশ্রণটি সংরক্ষণ করুন। মুখ ধোয়ার আগে এই ফেস ওয়াশ দিয়ে ভালো করে মুখ ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে জমে থাকা সব ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করবে এই ফেসওয়াস।

নাইট ক্রিম
যে নাইট ক্রিমটি আপনি ব্যবহার করছেন সেটার সাথে ৪/৫ ফোটা নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন রাতে ব্যবহার করলে কিছুদিনের মধ্যেই ত্বক আরও মসৃণ হয়ে উঠবে।
মশার কামড়ের চুলকানি কমাতে নারিকেল তেলের জুড়ি নেই

পোকা-কামড়ের জ্বালা কমাতে
মশা কামড় দিলে সেই স্থানটি অনেকক্ষণ পর্যন্ত চুলকায়। আবার পিঁপড়ার কামড়ে ত্বক জ্বলে। পোকার কামড়ের স্থানে খাঁটি নারকেল তেল লাগিয়ে দিলে চুলকানো কিংবা জ্বালাপোড়া কমে যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই।

মেকআপ রিমুভার
মেকআপ ওঠানোর জন্য নারকেল তেলের জুড়ি নেই। যত মেকআপই করা হোক না কেন, নারকেল তেল ত্বক থেকে মেকআপ পুরোপুরি উঠিয়ে ফেলতে পারে। নারকেল তেল চেহারায় ভালো করে ম্যাসাজ করে ফেসিয়াল টিস্যু দিয়ে মুখ থেকে মেকআপ তুলে ফেলুন।

আকর্ষণীয় মোড়কে যেসব নারকেল তেল বাজারজাত করা হয়, সেগুলোর অধিকাংশই খাঁটি বলা হয়ে থাকলেও আসলে খাঁটি না। তাই ত্বকের যত্নের উদ্দেশ্যে নারকেল তেল কিনতে চাইলে অবশ্যই সেটা খাঁটি কিনা, তা নিশ্চিত হয়ে কিনবেন । এনডি টিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

indexভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কামাল সরদার এবং তার পরকিয়া প্রেমিকাকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেললো তার স্ত্রী। দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের মৃত শামসুর সরদারের ছেলে ইউপি সদস্য কামাল (৪০)কে সোমবার রাত নয়টায় একই গ্রামের আহাদ আলীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী হামিদা খাতুন (৩৮) এর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় মকবুল সরদারের ছেলে বাচ্চুর পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে হাতেনাতে ধরে ফেলে তার স্ত্রী ও এলাকাবাসী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক রাত নয়টার দিকে বাচ্চুর পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শুনে প্রতিবেশি ফাতিমাসহ আরো অনেকে ঘটনাস্থলে দ্রুত হাজির হন। তারা এসে দেখতে পান কামালের স্ত্রী এবং তার শালিকা দুজনে মিলে প্রেমিকা হামিদা এবং কামালকে ঝাড়–পেটা করছে। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে ঘটনাস্থল থেকে কামালকে সরিয়ে দেন। কামাল রক্ষা পেলেও প্রেমিকা হামিদাকে আরো কিছু সময় থাকতে হয় কামালের স্ত্রীর রোষানলে। অবশেষে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি নিষ্পত্তি করে উভয়কে বাড়িতে পাঠান। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য কামালের মুঠো ফোনে (০১৭০৬৩৮৭৩২৭) বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে হামিদার কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি মেম্বর এর সাথে ওই বাড়িতে কথা বলছিলাম এ দেখে তার স্ত্রী আমাকে মারধর করতে গিয়েছিল কিন্তু মারধর করেনি। ইউপি সদস্যের এমন কার্যকলাপে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bnp-ppppপ্রেস বিজ্ঞপ্তি : বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানের কারাবন্দী দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৪টায় জজকোর্ট সংলগ্ন একটি মার্কেটে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল আলিমের সার্বিক সহযোগিতায় ও জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আঃ সামাদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যাপক মোদাচ্ছেরুল হক হুদা। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আঃ রাজ্জাক, সহ-সভাপতি কাজী আহসান হাবিব, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক হযরত আলী, সদর থানা ছাত্রদলের সভাপতি আনারুল ইসলাম, পৌর মৎস্য দলের সভাপতি ফারুক, সদর থানা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি এম এ রাজ্জাক, শহর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আনারুল ইসলাম, জেলা মৎস্যজীবী দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান, সিটি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সোহেল, সহ-সভাপতি ইসমাইল প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, তারেক রহমান আগামী দিনের ভবিষ্যত। হামলা করে মামলা দিয়ে বিএনপিকে দাবিয়ে রাখা যাবে ন। আলোচনা শেষে দোয়া অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করেনমো: জাহাঙ্গীর আলম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3b1aee02c160774a067a4e5875e7d549-58beb08a2a166আজ ৮ মার্চ বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনস আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ঢাকা-সিলেট রুটে একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে। বিশেষ এই ফ্লাইটটি পরিচালনা করবেন বিমানের নারী পাইলট ও নারী ক্রুরা।

বিমান সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ এই ফ্লাইটে থাকবেন ক্যাপ্টেন তানিয়া রেজা এবং ফার্স্ট অফিসার সারোয়াত সিরাজ অন্তরা ।তারা দুজন বোয়িং “৭৩৭-৮০০” উড়োজাহাজে দুপুর ১ টা ১৫ মিনিটে বিজি -৬০৩  ফ্লাইটে  ছয় জন নারীক্রু ও যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

এভিয়েশন খাতে নারীদের আরো আগ্রহী এবং বিশ্বের অন্যান্য এয়ার লাইনসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে  এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণার জন্য বিমানের এই উদ্যোগ।

বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী ও বিশেষভাবে গুরত্ব দিচ্ছে। বিমানের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে পুরুষ কর্মীদের পাশাপাশি বিমানের নারীকর্মীরাও ফ্লাইট পরিচালনাসহ বিভিন্ন শাখায় সফলতা   ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছে ।

বিমানের জেনারেল ম্যানেজার (জনসংযোগ) শাকিল মিরাজ এ  প্রসঙ্গে বলেন, নারীরা যে আকাশ ছুঁতে পারেন এই উদ্যোগ তারই একটি নমুনা।

তিনি আরো বলেন, এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশের নারীরা এভিয়েশন ক্ষেত্রে কাজ করতে আগ্রহী হবে। এছাড়াও বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনস নারীদের কর্মক্ষেত্রে শতভাগ  সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করে আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3-1অনলাইন ডেস্ক: পাঁচ বছর বয়সী ছোট্ট মেয়ে এডিথ ফুলার। বিশ্বের প্রথম কমবয়সী শিশু হিসেবে ‘স্ক্রিপ ন্যাশনাল স্পেলিং বী’র চূড়ান্ত পর্বে নিজেকে পরিবেশনার সুযোগ পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অকলামাহোমা রাষ্ট্রের তুলসার ২০১৭ সালের আঞ্চলিক স্পেলিং প্রতিযোগীতায় এডিথ ফুলার ৫০ জন বড় বড় প্রতিযোগীদের টপকে চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে এডিথ ফুলার, যা ইতোমধ্যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

ছয় বছর বয়সী এক দুরন্ত প্রতিযোগী বাদ পড়েছেন। কিন্তু, এডিথ ফুলার তার অসাধারণ প্রতিভাগুণে অংশগ্রহণের সুযোগ পেল চূড়ান্ত পর্বে।

সে স্কুলে যেত না। বাসায় বসেই মায়ের কাছে পড়ত বলে জানা যায়। তাকে পরবর্তী পর্বে ১৫ বছর বয়সী প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়তে হবে ওয়াসিংটন ডিসির ন্যাশনাল হার্বরে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

rokeyaসাহসে ভর করে নিজের এবং চারপাশে পরিবর্তন আনা দেশের সফল নারীরা বলেছেন, বাংলাদেশের নারীদের সাহস আর পরিবর্তনে সবসময়ই প্রেরণার উৎস ছিলেন বেগম রোকেয়া। এখনো তিনি নারীর প্রেরণার উৎস। সেই প্রেরণার উৎসের আরেক নাম শেখ হাসিনা।

তাদের মতে, বেগম রোকেয়া নারীদের স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন, শেকল ভাঙার গান হয়েছেন। বেগম রোকেয়ার লেখনী থেকে জীবনী– সবই তখন থেকে এখন নারীর জন্য অনুপ্রেরণা। তার পর নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা অনেক নারীর জীবন সাধারণ নারীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় প্রেরণার আরেক উৎস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যার জন্য বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে, পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় বিশ্ববাসীর কাছে নতুন পরিচিত পাচ্ছে বাংলাদেশ।

এভাবেই কিছু নারী হয়ে উঠেছেন অন্য নারীদের সাহসের উৎস।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং দেশের প্রথম নারী উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম  বলেন, বেগম রোকেয়া যখন তার কাজ শুরু করলেন তখন সেটা ছিলো বিশাল সাহসের কাজ। তিনি পরিবারের পুরুষদের সহযোগিতা পেলেন। এরপর আমরা গুরুত্বপূর্ণ আরো নারীকে পেলাম– যেমন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বা ইলা মিত্র। সুফিয়া কামাল, বেগম ফজিলাতুন্নেছা বা বর্তমানেও কাজ করে চলেছেন সুলতানা কামাল।

‘সমাজ উন্নয়ন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও বিভিন্ন পেশায় নারীরা এগিয়ে এসেছেন। তারা সবাই বর্তমান নারীদের জন্য সাহসের উৎস।’

তিনি বলেন: ওই সময়ে নারীরা নানান প্রতিকূলতা পেরিয়ে এসেছেন। আর তারা এগিয়ে এসেছিলেন বলেই আমরা কাজগুলো করছি। বর্তমান যুগের নারীদের জীবনে এখন নানান মাত্রার পরিবর্তন এসেছে। পথপ্রদর্শক সেই সব নারীদের আলোই ছড়িয়ে পড়েছে অনেক দূর।

‘আর সে কারণেই এতদিন যেসব জায়গায় কেবল পুরুষরা রাজত্ব করতো সেসব জায়গায় বেড়েছে নারীর পদচারণা।’

ফারজানা ইসলাম মনে করেন, একেক জায়গায় নারীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের ধরণটা একেক রকম। এদেশে এখনো পুরষদের দ্বারা নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এসিড মেরে নারীদের আক্রান্ত করা হচ্ছে। সেসব পেরিয়ে এগোনোই নারী উন্নয়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেজন্য আইনী ব্যবস্থা ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সহযোগিতাও দরকার আছে। শুধু পরিবারেই নয় রাস্তাঘাটেও নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আর সেসব ক্ষেত্রে পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো খুব জরুরি। পরিবারে শুধু নারীদেরই নয়, পুরুষদেরও এমন করে গড়ে তুলতে হবে যেন সে নারীদের তার উর্ধতন কর্মকর্তার পদেও মেনে নিতে পারে।

‘এসব পরিস্থিতিতে সবার আগে দরকার মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন। জ্ঞানের আলো আরো বেশি ছড়িয়ে দিতে হবে। আইনের শাসন ও শিক্ষার সুযোগ কাজে লাগালেই কেবল এসব পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব। মেয়েকে বদলাতে হবে, পরিবারে পরিবর্তন আনতে হবে। তাহলে একসময় না একসময় পুরুষের মধ্যেও পরিবর্তন আসবে।’

মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম বলেন, বেগম রোকেয়া থেকে শেখ হাসিনা– এই লম্বা সময়ে বেশ কিছু নারী বাংলার নারীদেরকে উজ্জীবিত করেছেন। সেখানে যেমন ভারোত্তলনকারী মাবিয়া সীমান্ত রয়েছেন, রয়েছেন সেই ঘোড়ায় চড়া কিশোরী তাসমিমাও। বাংলার ঘরে ঘরে থাকা নারী কৃষকদের অবদানও কি খুব কম? নয় তো। তারাও তো এদেশের নারীদের এগিয়ে নিয়েছেন অনেকখানি। বা ঢাকার বিভিন্ন গার্মেন্টসে যেসব নারীরা কাজ করছে তারাও তো নারীর সাহসের উৎস। এখন তো হাজার হাজার নারী বিভিন্ন পেশায় আসছেন। জাতীয় সংসদ থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা এগিয়ে আসছেন।

অগ্রপথিক নারীদের কথা টেনে তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া অথবা ইলা মিত্র, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার সেই সময়গুলোতে বেরিয়ে এসেছেন যখন কিনা তাদের নানান প্রতিকূলতার মধ্যে থাকতে হতো। কিন্তু এখনতো সেই সব জায়গাতে অনেকটাই পরিবর্তন এসেছে। সাধারণ নারীরাই কিন্তু তখন বের হয়ে এসে এসব নারী আন্দোলন করেছে এবং সেটাই চলছে অনেক বছরের ইতিহাসে।

‘তবে এত বছরে নারীদের সাহসের ইতিহাসে এখনও সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নারীর অধিকার, নিরাপত্তা। নারী যেমন একদিকে রাষ্ট্রের নাগরিক তেমন সে মা। সে যেমন রাষ্ট্রের জন্য কিছু করতে চাইছে তেমনই তাকে মায়ের দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। এই জায়গাটাতে আরো বেশি কাজ করা দরকার,’ বলে মনে করেন তিনি।

তবে, তিনি বলেন: সেটা করতে গিয়ে নারীদের যেমন সামনে এগিয়ে আসতে হবে তেমনই পুরুষের মধ্যেও সহযোগিতার মানসিকতা থাকতে হবে। এর আগে যেসব নারী বের হয়ে এসেছেন তারাও কিন্তু পুরুষের কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছেন। নারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে হলে পরিবারের ও রাষ্ট্রের সহযোগিতা দরকার হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

20170307_103809গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর : কাঁকড়া চাষে জীবনের চাকা ঘুরাতে কাঁকড়া নিয়ে মনের কোনে স্বপ্ন বুনছে দক্ষিণাঞ্চলের চাষিরা। এক সময় এ অঞ্চলের মানুষেরা চিংড়ি চাষের দিকে ঝুঁকেছিল ব্যাপকভাবে। কিন্ত তা থেকে আস্তে আস্তে বের হতে শুরু করেছে চাষিরা। চিংড়ি চাষ মানুষকে স্বাবলম্বী করতে পারেনি, তা বলা যাবে না। কারণ এর মাধ্যমে অনেক মানুষ তার ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে সক্ষম হয়েছে আবার বিভিন্ন দুর্যোগ ও ভাইরাসজনিত কারণে অনেকেই ফকির বনে গেছে। অর্থাৎ অনেকের জন্য এটি আশীর্বাদ হলেও অনেকের জন্য হয়ে উঠেছে অভিশাপ। অনেকের যেন একেবারই নিভু নিভু অবস্থা। সুতরাং কাঁকড়া নিয়ে মানুষ নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে। অনেকের ভাবনা চিংড়ি চাষের ক্ষতি চুকিয়ে নেবে কাঁকড়া থেকে। বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মানুষকে কাকড়া চাষে সম্পৃক্ত করতে উদ্বুদ্ধকরণে কোন প্রকার পিছিয়ে নেই, এটা যেন মানুষের স্বপ্নের সাথে যোগ হওয়া নতুন মাত্রা। দশ পায়ের চিংড়ি প্রজাতির এই কাঁকড়া ইতিমধ্যে রপ্তানিযোগ্য পণ্য হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ৯টি দেশে রপ্তানি হয় উপকূলীয় অঞ্চলের ১০ পা বিশিষ্ট চিংড়ি প্রজাতির কাঁকড়া। খুলনাসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে প্রচুর কাকড়া আহরণ craftকরা হয়ে থাকে। এ অঞ্চলের প্রায় হাজার হাজার বনজীবী নারী পুরুষ কাঁকড়া আহরণ বা বিপণনের সাথে জড়িত। সংশ্লিষ্ট বনজীবীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর, আশাশুনি, কালিগঞ্জ, দেবহাটা ও তালা উপজেলায় কাঁকড়া চাষ করা হয়ে থাকে। এইসব অঞ্চলে কাকড়া মোটাতাজাকরণ বা ফ্যাটেনিং পদ্ধতিতে চাষ করছে সংশ্লিষ্ঠ কাঁকড়া চাষিরা। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, ভিয়েতনাম, ইউকে, ইউএই, সৌদি-আরব, তাইওয়ান, হংকং নেদারল্যান্ড, জার্মান, ফ্রান্স, অষ্ট্রিয়া, কুয়েত, কাতার, ওমান, বাহারাইন, উগন্ডা, হন্ডুরাস, ইউএসএ ও ভারতে উপকূলীয় অঞ্চলের কাঁকড়া রপ্তানি করা হয়ে থাকে। শুধু তাই নয় বিগত দিনে কাকড়ার ক্রাভলেট অর্থাৎ বাচ্চা নদীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করতে হলেও তা এখন চলে এসেছে হাতের মুঠোয়। বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে সুন্দরবনের পাদদেশে অবস্থিত শ্যামনগর উপজেলায় সর্ব প্রথম কাকড়ার বাচ্চা ফুটিয়েছে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান নওয়াবেকী গণমুখী ফাউন্ডেশন। যার কারণে এ অঞ্চলের কাঁকড়া চাষিদের উন্নয়নের মাত্রা অনেকাংশে বেড়ে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ঠরা। নওয়াবেকী গণমুখী ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় একটি মা কাঁকড়া থেকে কুঁড়ি হাজারের বেশি বাচ্চা সংগ্রহ করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। তাছাড়া চাষিরা কাকড়া আহরণকারীদের কাছ থেকে প্রতিকেজি ছোট কাকড়া ৬০-৮০ টাকায় সংগ্রহ করে মোটাতাজা করেন। তিন মাসেই ওই পুরুষ কাকড়া ৪০০-৬০০ গ্রাম এবং মাদি (মহিলা) কাঁকড়া ১৮০-২৫০ গ্রাম ওজন বেড়ে যায়। একটা পরিপুষ্ট কাকড়া ৯০০শ’ থেকে হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কাকড়া চাষি বাবুলাল মন্ডল বলেন, সাধারণত অমাবশ্যা ও পূর্ণিমার সময় কাঁকড়া ব্যাবসা জমজমাট থাকে। আবার শীত মৌসুমে মাদি কাঁকড়ার চাহিদা বেশি থাকে। তিনি আরও বলেন, আশ্বিন মাসে কাঁকড়ার চাষ শুরু হয়। দুই মাস পর পর কাঁকড়া আমরা বিক্রি করি। স্থানীয় ডিপো (কাঁকড়া বিক্রয় করা ঘর) গুলিতে কাঁকড়া কেনা বেচা হয়। মুন্সিগঞ্জ কাঁকড়া চাষি রাম কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, তিনি ১০ কাঠা জমিতে চার ভাগে ভাগ করে সারা বছর কাঁকড়া চাষ করেন, সংসারের ৫ সদস্য আর দুই ছেলেকে লেখাপড়ার খরচ যুগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। শুধু রামকৃষ্ণ মন্ডল নয়, মুন্সীগঞ্জের অনেক লোকজনই লাভজনক কাঁকড়া চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। পুরুষের পাশাপাশি মহিলারাও স্বামীদের কাঁকড়া চাষে সহযোগিতা করে থাকেন। বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নের তরুন কাকড়া চাষি হান্নান বলেন ¯œাতক পাশ করে কোন চাকুরি না হওয়ায় হতাশায় ভুগছিলাম কিন্তু বর্তমানে মনে হয় সেই হতাশা থেকে মুক্তি পেতে চলেছি। তারা চার বন্ধু মিলে কুঁড়ি হাজার কাঁকড়ার খাচায় কাঁকড়া মোটাতাজাকরণ বা ফ্যাটেনিং পদ্ধতিতে চাষ করছি, প্রথম বারেই ভাল লভ্যাংশ পেয়েছি। আশাকরি ভালো ফলাফল সম্ভব হবে এখান থেকে। এখানকার অন্যান্য চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি বছরে ১১০ গ্রাম মাদি কাঁকড়া ২শ’ টাকা কেজি, ১৫০ গ্রামের মাদি কাঁকড়া ৩শ’ টাকা, ১৮০ গ্রামের মাদি কাঁকড়া ৮শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। এ ছাড়া পুরুষ কাঁকড়া ৫শ’ গ্রামের কেজির দাম ৯শ’ টাকা, ৪ গ্রাম পুরুষ ৮শ’ টাকা, ৩শ’ গ্রাম পুরুষ ৭শ’ টাকা, এবং ২শ’ গ্রাম সাইজের কাঁকড়া ৫শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সুতরাং, এলাকার শিক্ষিত, অশিক্ষিত বেকার যুবকেরা ব্যাপকভাবে ঝুঁকছে কাঁকড়া চাষের দিকে। কাঁকড়া উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। এ এলাকার অন্যান্য চাষিরা বলেন, কাঁকড়া চাষ হবে এলাকার শ্রেষ্ঠ চাষÑ সে আশা বুকে নিয়েই নেমেছি। স্থানীয় কলবাড়ি বাজার রেখে বুড়িগোয়ালিনি-মুন্সিগঞ্জ রাস্তার দু’পার্শে¦ শোভা পাচ্ছে হাজার একর জমিতে কাঁকড়া চাষের প্লট। স্থানীয় মানুষদের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে অনেকেই এখানে এসে চাষ শুরু করেছে। কাঁকড়া চাষ কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে কাঁকড়া মজুদ কারখানা। কাঁকড়া চাষের প্লটে কর্মসংস্থান হয়েছে হাজার হাজার মানুষের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

oooooooooooশেখ তহিদুর রহমান ডাবলু/হাসান হাদী : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০০২ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। এ মামলার বাদি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. মোসলেমউদ্দিন মঙ্গলবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
সকালে শারীরিকভাবে অসুস্থ বাদি হুইল চেয়ারে আদালত কক্ষে প্রবেশ করেন। পরে সাতক্ষীরা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাফিজুল ইসলাম তার জবানবন্দী  গ্রহণ করেন।
জবানবন্দীতে তিনি ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরা থেকে যশোর যাবার পথে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে কারা কিভাবে হামলা করেন তা উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, এ মামলার প্রধান আসামি জেলা বিএনপির তৎকালীন সভাপতি বর্তমানে কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন আসামির কয়েকজন পলাতক রয়েছেন। অন্যরা  জামিনে মুক্ত অথবা জেলে আটক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে বলা হয় কলারোয়ার হিজলদির এক মুক্তিযোদ্ধাপতœী ধর্ষিত হয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। শেখ হাসিনা সাতক্ষীরায় এসে তাকে দেখে তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে যশোর ফিরে যাচ্ছিলেন। এ সময় কলারোয়ায় পৌঁছালে তার গাড়িবহরে হামলা করা হয়। হামলায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী অক্ষত থাকলেও তার সফরসঙ্গীরা আহত হন। এ সময় তাদের গাড়িও ভাংচুর হয়।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বাদি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. মোসলেমউদ্দিন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি আরো জানান, এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ১৪ মার্চ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest