755577575দেবহাটা ব্যুরো : বাংলাদেশ সরকারের স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের ছোঁয়া বাংলাদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। যার উদাহরণস্বরূপ সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার অবহেলিত এলাকা আটশতবিঘা, কালাবাড়িয়া, ঢেপুখালি, পাইকপাড়া, কামকাটিয়া, চালতেতলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুতায়ন পৌছে দিতে সক্ষম হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মুজিবর রহমানে সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রাণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা.আ ফ ম রুহুল হক এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার বাবু রবিন্দ্রনাথ দাস, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালিগঞ্জ জোনাল ম্যানেজার বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী, এলাকা পরিচালক-৯ আকসাদ হোসেন মন্টু।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবু মনোরঞ্জন মুখার্জি মনিবাবু, নাজমুস সাহাদাত নফর বিশ^াস, মীর খায়রুল আলম, আসাদুর রহমান সেলিম, বিজয় ঘোষ, আকবর আলী, নুরুজ্জামান প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদক আনারুল হক। অনুষ্ঠানে ৯ কিলোমিটার বিদ্যুতায়ন উদ্বোধন করেন এমপি।
এদিকে, দেবহাটার ঈদগাহ বাজার মসজিদ, কমিউনিটি কিনিকের রাস্তা উদ্বোধন করেন অধ্যাপক ডা.আফম রুহুল হক এমপি। বিদ্যুৎ উদ্বোধনকালে রুহুল হক এমপি বলেন, শেখ মুজিবর ছিল বলে আজ আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। আর শেখ হাসিনা আছে বলে দেশের সাধারণ মানুষের উন্নয়ন হচ্ছে। শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বে আজ যখন দেশ এগিয়ে চলেছে ঠিক সেই সময়ে উগ্র, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ করে স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙ্গালী যেভাবে অংশ গ্রহণ করেছিল সেভাবে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। কোন রকম অপচেষ্টায় শেখ হাসিনার উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করতে পারবে না। আমি জানি এবং বিশ^াস করি শেখ হাসিনা মুখে যা বলেন বাস্তবে তা রূপান্তিত করেন। কেননা তিনি পদ্মাসেতু দেশের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছে। তাই শেখ হাসিনাকে রাখতে হবে বাংলাদের উন্নয়নের কান্ডারি হিসাবে। বক্তব্যে আরো বলেন, আমি নানা কাজে ঢাকায় ও দেশের বাইরে থাকলেও আমার মন প্রাণ থাকে সাতক্ষীরার মানুষের প্রতি। তাই আসুন সবাই একসাথে কাজ করে সরকারের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

65656কালিগঞ্জ ব্যুরো : মহামান্য রাষ্ট্রপতি এড. আব্দুল হামিদ এর ছেলে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহম্মেদ তৌফিক শুক্রবার সকাল ১০ টায় কালিগঞ্জের নলতা মাজার শরিফ জিয়ারত করেছেন।
তিনি শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের অদূরে পূর্ব নির্ধারিত একটি মিটিং এ অংশগ্রহণের জন্য এই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় মাজার শরিফ জিয়ারত করেন। মাজার জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রওজা শরিফের খাদেম আলহাজ্ব মৌলভী আনছারউদ্দীন আহমদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (এমপি) সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা: তৌহিদুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য এস এম আসাদুর রহমান সেলিম প্রমুখ। জিয়ারত শেষে নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের পক্ষ থেকে এমপি রেজওয়ান আহম্মেদ তৌফিককে খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রঃ) জীবনী ও তার রচিত বেশ কিছু বই উপহার দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

17440060_1272607116158322_286341063_nরাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে পুলিশের চেকপোস্টে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে একজন নিহত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিক তার পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আজম মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। হামলাকারী নিহত হয়েছে। তবে এখনও তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (ডিসিডিবি-নর্থ) শেখ নাজমুল আলম জানিয়েছেন, ‘বিমানবন্দরের সমানে গোলচত্বরে থাকা পুলিশ বক্সের সামনে বোমা বিস্ফোরণে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।’

পুলিশের উত্তরা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয়ে একজন নিহত হওয়ার খবরে পেয়েছি। এখনও বিস্তারিত জানি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4545454এস এম আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্চু : একদিনের ব্যবধানে কালিগঞ্জ শ্যামনগর মহা-সড়কে পাউখালী তালতলা নামক স্থানে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে মিনি ট্রাকের ধাক্কায় বাই-সাইকেল আরোহী আমেনা খাতুন (৪৫) ঘটনা স্থলে ও তার স্বামী আবেদ আলী (৫৫) সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়েছে। এসময় আহত আসাদুজ্জামান নুরকে (৮) আশঙ্কা জনক অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ও আহতরা উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের ভদ্রখালী গ্রামের বাসিন্দা বলে জানাগেছে। স্থানীয়রা জানায়, সাইকেল আরোহী কালিগঞ্জ-শ্যামনগর মহাসড়কের পাউখালী তালতলা নামক স্থানে পৌঁছানো মাত্র পেছন দিক থেকে দুরুত্বগামী একটি মিনি ট্রাক ঢাকা মেট্রো-ন (১৪-২২৩৬) ধাক্কা মারলে বাইসাইকেল থেকে তারা রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এসময় স্থানীয় এলাকাবাসী ও ফায়ার সাভির্সের কর্মীরা ছুটে এসে তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্ত্তি করে। হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আল-ইমরান মাহমুদ আমেনা খাতুনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত আমেনা খাতুনের স্বামী আবেদ আলী ও নাতি আসাদুজ্জমানের অবস্থা মুমুর্ষ হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে দুপুর ২টার দিকে আবেদ আলী মারা যায়। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে ও স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করলেও ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপার পালিয়ে যায়। সড়ক দূর্ঘটনায় আবেদ আলী ও স্ত্রী আমেনা খাতুনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ও পরিবারের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ রিপোট লেখা পযর্ন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি বলে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1490351556‘পুলিশের ভুঁড়ি কেন? পুলিশের ভুঁড়ি থাকা মোটেই ভালো নয়।’ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুলিশকর্মীদের ভুঁড়ি নিয়ে এভাবেই অসন্তোষ প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্ট।

আজ শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রে এ নিয়ে মন্তব্য করেন।

নিশীথা মাত্রে বলেন, ‘পুলিশকর্মীদের ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা মোটেই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। পুলিশকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে হয়। তাই তাদের সব সময়ই শারীরিক সক্ষমতা প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে শরীরে ভুঁড়ি বেড়ে গেলে তা যথেষ্ট অসুবিধার কারণ। পুলিশকর্মীদের বছরে মাত্র একবার শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা দিলে লাভ হবে না।’

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এ ব্যাপারে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুলিশকর্মীদের অতিরিক্ত ভুঁড়ি ও শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন জনৈক কমল দে নামে এক ব্যক্তি। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার এই মন্তব্য করেন কলকাতা হাইকোর্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

999আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার তালার ইউএনওর নির্দেশে ভাংচুর করা হয়েছে কৃষক আমিনুর পরিবারের বাড়ি ঘর। শুধু ভাংচুর করে ক্ষ্যান্ত হননি, হামলাকারীদের হাতে মার খেলেন বাড়ির নারী পুরুষ সবাই। সাথে সাথে তাদের পৈত্রিক মামলাধীন জমিতে তৈরি হলো মাটির রাস্তা। আর নির্বাহী অফিসারের এই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে বাহবা আদায় করলেন তালার ধান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আরিফুল আমিন মিলন।
শুক্রবার দুপুরে তালার কাটাখালি গ্রামের কৃষক আমিনুর রহমানসহ তার শরীক পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাদের কোন কথা শুনতেই চাননি। উল্টো বলেছেনÑ “আমি কোর্টফোর্ট মানি না”। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য আরিফুল আমিন মিলনকে তার মোবাইল ফোনে বারবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
তবে ইউএনও ফরিদ হোসেন বলেন, আইনের উর্ধে কেউ নন। আমি কোর্ট না মানার কোনো কথা বলিনি। তারা আদালতের মামলার কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষক আমিনুর রহমান বলেন, তালার ধান্দিয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর মৌজার এসএ ৬৬৬ খতিয়ানে ৩৫৪ দাগে ৮৪ শতাংশ জমির মধ্যে ৫ শতক পৈত্রিক রেকর্ডীয় জমিতে তার ঘরবাড়ি ও গাছগাছালি রয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই জমিতে নিজের স্বার্থে রাস্তা তৈরির জন্য প্রতিবেশী রাজ্জাক মল্লিক চেষ্টা করে আসছিলো। আমিনুর রহমান বলেন, এই বিষয়ে তিনি সাতক্ষীরা সহকারী জজ আদালতে এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুটি মামলা দাখিল করেছেন। তা এখন বিচারাধীন রয়েছে। এরই মধ্যে রাজ্জাক মল্লিক তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদ হোসেনকে ম্যানেজ করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিয়ে আসেন। গত ২১ মার্চ দুপুর ১২টায় তার পুকুরপাড়ে এসে নির্বাহী অফিসার ইউপি সদস্য আরিফুল আমিন মিলনকে তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে রাস্তা নির্মানের হুকুম দেন।
সংবাদ সম্মেলনে আমিনুর বলেন, তাদের কোন কথাই নির্বাহী অফিসার ফরিদ হোসেন শুনতে রাজি হননি। এমনকি জমির কাগজপত্র দেখার চেষ্টাও করেননি। পরদিন সকালে ইউপি সদস্য আরিফুল আমিন মিলনের নেতৃত্বে মান্নান মল্লিক, মিঠু মল্লিক, রফিকুল মল্লিক, মোজাফফর মল্লিক, সাত্তার মল্লিক, সবুর মল্লিক ও বজলু বিশ্বাস সহ চৌকিদার রাজ্জাক ও চৌকিদার সুনীল তাদের বাড়িঘর ভাংচুর করে দেয়। এসময় গাছপালা কেটে সাবাড় করে জোর করে রাস্তা নির্মাণ করতে থাকে। বাধা দেওয়ায় তারা আব্দুর রহিমকে বেদমভাবে মারপিট করে। তাকে রক্ষা করতে যেয়ে তার মা জোসনা বেগম ও প্রতিবেশি মঞ্জিলা বেগমও হামলাকারীদের হাতে আহত হন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘটনার প্রতিকার দাবি করেন এবং তালার ইউএনও ফরিদ হোসেন, ইউপি সদস্য আরিফুল আমিন মিলন এবং রাজ্জাক মল্লিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আমিনুর রহমান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ হোসেন, বিউটি খাতুন, আব্দুর রহিম, মঞ্জিলা বেগম ও জোসনা বেগম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2_61নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলায় হয়রানির শিকার হওয়া একজন নারায়ণগঞ্জ জেলার ভূইগড়ের শেখ খায়রুল আলম। একদিনের জন্যও ঘরে বউ তুলতে না পারলেও সেই বউয়ের করা মামলায় হাজতে থাকতে হয়েছে ৭৭ দিন। খায়রুল আলমের দাবি, কোন প্রকার দোষ না করেও থাকতে হয়েছে হাজতে। মামলার সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত ঝুলে আছে ২০১৪ সালের মামলা। প্রতি ২-৩ মাস পর পর দিতে হয় হাজিরা।

খায়রুল আলম জানান, ২০১৩ সালের ১৮ অক্টোবর একই এলাকার মেয়ে রিমিকে (ছদ্ধনাম) এক লক্ষ টাকা মোহরানায় কাবিন করে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন খায়রুল। মেয়ের বাবার ইচ্ছায় বিয়ে হয় ঢাকার মানিকনগরে। কথা ছিলো মেয়ের বাবা দুইমাস পর মেয়েকে তুলে দিবেন। কিন্তু এরই মধ্যে খায়রুল জানতে পারে তার বউয়ের অন্যের সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে ২০১৪ সালে নারায়ণগঞ্জ কোর্টে খায়রুলের বিরুদ্ধে করা হয় যৌতুকের মামলা। তবে তদন্তে মামলার সত্যতা প্রমাণ পায়নি সিনিয়র সহকারী জজ হুমায়রা তাসনিম।

পরে তার বিরুদ্ধে করা হয় নারী নির্যাতন মামলা। এই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ২০১৬ সালের মার্চ মাসে গ্রেপ্তার হন তিনি। ৭৭ দিন পর তাকে জামিনে মুক্তি দেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ কোর্ট। তবে এখন পর্যন্ত মামলা থেকে অব্যাহতি পাননি খায়রুল। সর্বশেষ ফেব্রুয়ারি মাসে এ মামলায় হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এছাড়া চলতি মাসের নয় তারিখ ছিলো নারী নির্যাতন মামলার শুনানি।

খায়রুল আলম আক্ষেপ করে বলেন, ‘মেয়েরা যা বলে আদালত তাই বিশ্বাস করে। বাদীপক্ষ সাক্ষী হাজির করতে না পারায় ২০১৪ সালের মামলা এখন পর্যন্ত ঝুলে আছে। তারা সাক্ষী হাজির করার জন্য শুধু সময় চায়, আর মেয়ে বলে আদালতও তাদের সময় দেয়।’ ৭৭ দিন কারাবাস ও আজ পর্যন্ত মামলা ঝুলে থাকায় শেষ হয়ে গেছে খায়রুলের ব্যবসা বাণিজ্যসহ আয়ের সকল উৎস। মামলার পেছনে দৌড়ে শেষ করেছেন যৌবনও। মানুষের যাতে জীবন যৌবন নষ্ট না হয় তাই সরকারের কাছে এ ধরনের মামলা দ্রুত শেষ করার দাবি জানান খায়রুল।

নারী নির্যাতন মামলা হলেই আসামিকে জেলে পাঠানোর বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে খায়রুল বলেন, ‘ নারী নির্যাতন মামলা হলেই আগে জেলে। আগে মামলার তদন্ত হোক, তারপর শাস্তি হোক। কিন্তু নারী নির্যাতন মামলা হলেই আগে হাজত, তারপর তদন্ত।”

হয়রানি বন্ধে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ভূমিকার কথা জানতে চাইলে খায়রুল জানান, বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য স্থানীয় মেম্বর ও চেয়ারম্যান কয়েকবার মেয়েপক্ষকে ডেকেছেন, কিন্তু তারা আসেনি। পরে খায়রুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করায় স্থানীয়দের কাছে ঘৃনীত মেয়ের পরিবার ঢাকায় চলে আসে। পূর্বে ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ও বাসা পরিবর্তন করায় মেয়ের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। শুধুমাত্র মামলার শুনানির সময়ে আদালতে আসে তারা।

৭৭ দিন কারাবাসের পর খায়রুল উপলব্ধি করেন দেশের বহু পুরুষ মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলার শিকার হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে অনুভব করেন সমন্বিতভাবে সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজনীয়তা। তাই আর কোন পুরুষকে যেন তার মতো হয়রানির শিকার হতে না হয় তাই “পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধ আইন” বাস্তবায়নের লক্ষে রাস্তায় নেমেছেন খায়রুল। নিজ বাসায় প্রধান কার্যালয় করে গঠন করেছেন “পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ (পুনিপ্রআবিডি)” নামের একটি সংগঠন। প্রথম দিকে একা আন্দোলন চালিয়ে আসলেও বর্তমানে তার সাথে যুক্ত হয়েছেন আরো অনেক নির্যাতিত পুরুষ। ইতিমধ্যে ১৫টি জেলায় ‘পুনিপ্রআবিডি’র কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

touba-tv_42871_1490255569নিউজ ডেস্ক: একটি ইসলামিক টেলিভিশন চ্যানেলের নিয়মিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানের স্থলে ২০ মিনিট পর্ন ছবি দেখানো হয়েছে।

সেনেগালের তওবা টিভিতে সোমবার এ ঘটনা ঘটেছে। তবে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ বলছে, ত্রুটিপূর্ণ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার জন্যই এমনটা হয়েছে।

ইসলামিক টেলিভিশন চ্যানেলটিতে সোমবার যখন একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান হবে, ঠিক তখনি টেলিভিশনের পর্দায় দেখা গেল পর্ন দৃশ্য। ২০ মিনিট ধরে চলার পর তা বন্ধ হয়।

তবে এ ঘটনার পর টেলিভিশন চ্যানেলের কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ষড়যন্ত্রমূলক কাজের জন্য দায়ি ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে তারা পাবলিক প্রসিকিউটর অফিসে অভিযোগ জানিয়েছেন।

সাধারণত এই চ্যানেলটিতে ইসলামী উপদেশমূলক এবং তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। সেখানে এই ধরনের পর্ন প্রচারে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন দর্শকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest