সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণসাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক শহরের ফুটপাত থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া ফল ও নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলনদেবহাটায় ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিধবা নারীর মাটির ঘর: মানবেতর জীবনজাতীয় প্রতিভা অন্বেষণে মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাতনারী ও যুব নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জলবায়ু সহনশীলতা ও সুরক্ষা বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকপদোন্নতি পেয়ে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার হলেন আকরামুলচিকিৎসকের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে শিক্ষক আটকসাতক্ষীরায় ব্রজপাতে নারী আইনজীবীর মৃত্যু

c62611e484445920cf74e6e717d23802-59200ba68ef8eদলের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা এনে দিতে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি তুলেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতারা। তারা বলেছেন, দলের মধ্যে শৃঙ্খলা এনে দিলে ‘শেখ হাসিনার সরকার, বার বার দরকার’ এই শ্লোগানও আর দিতে হবে না।

শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সারাদেশ থেকে আসা তৃণমূল নেতারা এ দাবি তোলেন। তারা বিভিন্ন জেলার রাজনৈতিক চিত্র, দলের ভেতরে বিভিন্ন অসঙ্গতি, এমপি-মন্ত্রীদের সঙ্গে নেতাকর্মীদের দূরত্ব, দলের ভেতরে অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপারে নানা অভিযোগ উত্থাপন করেন। দলীয় মুখপাত্র নিয়েও কথা বলেন তৃণমূল নেতারা।

এর আগে বিশেষ বর্ধিত সভা ২০১৭ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। এসময় তিনি সদস্য সংগ্রহ, নবায়ন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনও করেন। বর্ধিত সভায় প্রত্যেক জেলার দলীয় কার্যালয়ে ব্যবহারের জন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ল্যাপটপ উপহার দেন। এগুলো তৃণমূল নেতাদের হাতে তুলে দেন শেখ হাসিনা। এরপর তৃণমূল থেকে আসা ৮ বিভাগের ৮ জন নেতা বক্তব্য রাখেন। শেখ হাসিনা মঞ্চে বসে থেকে সবার বক্তব্য শোনেন। পরে সবার অভিযোগ, অনুযোগ ও পরামর্শের জবাব দেন তিনি। রুদ্ধদ্বার এই সভায় উপস্থিত একাধিক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

খুলনা জেলার সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন,  দলের মধ্যে শৃঙ্খলা এনে দিলে ‘শেখ হাসিনার সরকার, বার বার দরকার’ এই শ্লোগানও দিতে হবে না। তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে দেখেছি আপনি (শেখ হাসিনা) মনোনয়ন দেন। কিন্তু নৌকার বিরুদ্ধে আরেক জন দাঁড়িয়ে যায়। তাই শৃঙ্খলা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। দলের বিরুদ্ধে যদি আমিও যাই, আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।

তিনি বলেন, আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলায় সহযোগী সংগঠনের কমিটি হয় অথচ আমি জানি না। সহযোগী সংগঠনের সবাই কমিটি দেন ঢাকায় বসে।

তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুযোগের সুরে বলেন, ‘‘কয়দিন আগে ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও এস এম জাকির হোসেনের সঙ্গে কথা বলি। তারা বলেন, ‘দেখছি।’ এরপর আরও সময় চলে যায়। এভাবেই চলছে সবগুলো সহযোগী সংগঠন। তিনি বলেন, দলের স্পোকসম্যান (মুখপাত্র) যাতে একজন হয়। দলের সিদ্ধান্ত একজনই বলবেন। বেশি লোক দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বললে আমরা বিব্রত হই।’’

রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাঝে মধ্যে এমন কথা বলেন, তখন আমরা ভীত হয়ে পড়ি। দল বুঝি আর ক্ষমতায় আসবে না। তাছাড়া উনার বক্তব্যে দলীয় বিভেদ স্পষ্ট হয়ে উঠে।

তিনি বলেন, জেলার বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের কমিটি কিভাবে হয় আমরা জানি না। জেলা উপজেলার কমিটি ঢাকা থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমরা জড়িত না থাকার ফলে জামায়াত, শিবির ও বিএনপির সক্রিয় নেতাকর্মীরাও আমাদের দলের জায়গা পেয়ে যায়। তিনি বলেন, এমপিরা নির্বাচিত হয়ে বলয়ের বাইরে যেতে পারেন না। আর বলয়ের কারণে অমুককে তমুককে দিয়ে কমিটি দেওয়া হয়। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের পতাকাতলে সমবেত হয়। তারা কাদের ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগের ঢুকছে সেটা তদন্ত করে দেখতে হবে। এগুলো শক্ত হাতে দমন না করলে আমার মতো আওয়ামী লীগের নিবেদিত নেতারা টিকে থাকতে পারবে না।

রাজশাহী জেলার সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, দ্বন্দ্ব আছে, তবে দ্বন্দ্বের কথা নয় আমি বলবো ঐক্যের কথা। দ্বন্ধ থাকতেই পারে তবে নিরসনের উপায় বের করতে হবে।

বরিশাল বিভাগের সভাপতি আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা বরিশাল বিভাগে ঐক্যবদ্ধ। তবে কোথাও কোন বিভেদ থাকলে, ভুল বোঝাবেঝি থাকলে মীমাংসা হবে না কেন?

টাঙ্গাইল জেলার সভাপতি ফজলুর রহমান ফারুক বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব, নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতা যাব না। এক ও অভিন্ন থেকে এগিয়ে যাই। কেউ ভিন্ন চিন্তায় বিভক্ত হব না।

ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি জহিরুল হক খোকা বলেন, আওয়ামী লীগের রন্ধ্রে, রন্ধ্রে খোন্দকার মোশতাক ঢুকে গেছে। নেত্রী আপনি বার বার এসব মাফ করে দেন। ফলে অপরাধীরা সাহস সঞ্চয় করে। আর মাফ করবেন না। তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে দেখেছি অশুভ প্রতিযোগিতা। তিনি বলেন, আমাদের একদল আপনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছি, আরেক দল আপনাকে পেছনের দিকে টানছে। খোকা বলেন, আমাদের ভেতরে বেশিরভাগ বিরোধ আদর্শের নয়, ব্যক্তিত্বের নেতৃত্বের। এসব বিরোধ মিটিয়ে ফেলতে হবে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে জাতীয়ভাবে কাজ কর্মই শুধু জনগণ বিবেচনা করবে না, বিবেচনা করবে স্থানীয় ভাবে এমপিরা কি করছেন, সেই প্রশ্ন আসবে?  সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরুদ্দিন কামরান বলেন, আমাদের সিলেট বিভাগে মোট ১৯টি আসন। সেখানে যারা বিজয়ী হয়েছেন তাদেরকে বিজয়ী করতে তৃণমূলের প্রত্যেক নেতাকর্মীর ঘাম ঝড়েছে। কিন্তু, বিজয়ী হয়ে সেসব এমপিদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের ফারাক তৈরি হয়েছে। এসময়  আগামীতে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনগুলো কমিটি দেওয়ার সময়ে আমাদের অন্তর্ভু’ক্ত করে কমিটি দেয় না। ঢাকা থেকে কমিটি দেয় আমরা জানি না, চিনি না। আগামীতে এই ধারা অব্যাহত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সংগঠন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি মোসলেম উদ্দিন বলেন, আমাদের সরকারের টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার ফলে যে উন্নয়ন হয়েছে সে হিসাবে আমরা জাগরণ সৃষ্টি করতে পারিনি। এমপিদের সঙ্গে সংগঠনের নেতাকর্মীদের সৃষ্ট দূরত্ব কাটিয়ে তুলতে শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

দলীয় মুখপাত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘স্পোকসম্যানের কথায় আমরা যদি বিভ্রান্ত হই তাহলে দলের আরও ক্ষতি হবে।’ এই বিষয়টিও শেখ হাসিনাকে দেখতে বলেন তিনি। সহযোগী সবগুলো সংগঠনের অসহযোগিতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সহযোগী সংগঠনগুলো বিপরীতমুখী হলে আমরা যারা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করি তারা কিভাবে কাজ করবো?

তাদের বক্তব্য শোনার পর প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে নিজ জেলার নেতাদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার নির্দেশ দেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, নৌকা প্রতীক যাদের দেব তাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে দলের পক্ষে কাজ করতে হবে। কেউ অন্য কাউকে সমর্থন দেবেন না।

তিনি বলেন, সংগঠনকে গতিশীল করতে সব জেলার নেতাকে বছর শেষে সাংগঠনিক রিপোর্ট দিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bc2828b12b421d2ebc15c386c9126c53-5920184906190আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নিজস্ব গ্রুপ ও দল ভারি করার স্বার্থে আবর্জনা দলে টানবেন না।

শনিবার আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা ২০১৭ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলার নেতাদের অভিযোগের শোনার পরে সমাপনী বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। গণভবনে অনুষ্ঠিত এ সভায় ৮টি বিভাগের অন্তর্গত ৮ জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বক্তব্য রাখেন। এসময় বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন তৃণমূলের নেতারা।

পরে শেখ হাসিনা তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ‘আমার কাছে তথ্য আছে, দল ভারির জন্যে অন্য দল থেকে সুবিধাবাদীদের দলে টানা হচ্ছে, এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, এরা দলে ঢোকে কমিশন খাওয়ার লোভে। দলে ঢুকে এরা এত বেশি শক্তিশালী হয়ে যায় যে এদের কনুইয়ের গুঁতায় আমার দলের নিবেদিতরা টিকতে পারে না।’

প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে নিজ জেলার নেতাদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে হবে নির্দেশ প্রধান করে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন,  আমি সার্ভে করে দেখেছি প্রত্যেকে নিজ নিজ এলাকায় গ্রুপ করার স্বার্থে, দল ভারি করার স্বার্থে বিএনপি-জামায়াতের দাগীদের–যারা আমাদের নেতাকর্মীদের ২০০১ সালের নির্বাচনের পরে অত্যাচার নির্যাতন করেছেন তাদের টেনেছে। এরা দলের ভেতরে এসে দলের ক্ষতি করে। এমনকি আমাদের দলের নেতাকর্মীদের হত্যার সঙ্গে পর্যন্ত জড়িত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে নৌকার প্রতীক যাদের দেবো সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কেউ অন্য কাউকে সমর্থন দেবেন না।  তিনি বলেন, সংগঠনকে গতিশীল করতে সব জেলার নেতাকে বছরান্তে সাংগঠনিক রিপোর্ট দিতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের এখনও পর্যন্ত প্রত্যেক জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে দলীয় কার্যালয় নাই। অথচ অনেক বিত্তশালী আমাদের দলে আছেন। আমি প্রত্যেক জেলা উপজেলা ও ইউনিয়নে দলীয় কার্যালয় চাই। আমাকে এ ব্যাপারে জানাবেন। আমাদের দলের নেতারাও এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবেন। দলীয় কার্যালয়গুলো ঠিকভাবে চালু রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আজকের বর্ধিত সভা থেকে দেওয়া  ল্যপটপগুলো কেউ ঘরে ফেলে রাখবেন না। সবাই দলীয় কার্যালয়ে ব্যবহার করবেন।’ এসময় তিনি উদ্বোধন করা সদস্য সংগ্রহ অভিযান পরিকল্পিতভাবে করার জন্যে প্রত্যেক নেতাকর্মীকে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে সদস্য সংগ্রহ ফরমের মুড়ি বই ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আপনাদের হাতে যেসব অডিও, ভিডিও সিডি হাতে দেওয়া হয়েছে তা গ্রামে গঞ্জে, হাটে বাজারে প্রচার করতে হবে। একদিকে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রচার করতে হবে, অন্যদিকে, বিএনপি কী করেছে তাদের সেসব অপকর্ম জনসমক্ষে ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Tala Picture 20.05.17তালা প্রতিনিধি : “স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে” তালা উপজেলার ১১নং জালালপুর ইউনিয়নের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রকাশ্যে বাজেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ মে) সকালে ১১ নং জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শেখ আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে বাজেট অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জালালপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এম. মফিদু হক লিটু ।

এ সমায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরের  ১ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫শ ১১ টাকার বাজেট ঘোষনা করেন ইউপি চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু।

ইউপি সদস্য আনারুল ইসলামের পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন ইউপি সচিব মোঃ আতিয়ার রহমান, ইউপি সদস্য কালিদাস অধিকারী, আতিয়ার রহমান, শেখ আব্দুর রশিদ, শেখ মোস্তফা আলী, পলাশ কুমার ঘোষ, মোঃ আশরাফুল আলম, মনিরুজ্জামান গোলদার, সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য পারুল বিবি, সোনালী চৌধুরী, আবেদা বেগম, সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, ওয়ার্ড বাসীর পক্ষ থেকে মখর আলী সরদার ও শহীদুল সরদার প্রমুখ ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2222নিজস্ব প্রতিনিধ ঃ সুন্দরবন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চাই শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তৃতীয় তলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জাসদের সভাপতি সরদার কাজেম আলী। সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. আব্দুল মজিদ, জেলা জজকোর্টের পিপি এড, ওসমান গনি, অতিরিক্ত পিপি এড. আজহারুল ইসলাম জেলা ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইদুর রহমান,এড, কাজী আব্দুল্রাহ আল হাবিব,জেলা জে এস ডি,র সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু শেখর, মুক্তিযোদ্ধা এড মোস্তফা নুরুল আমিন, প্রফেসর আব্দুল বারি। এসময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাপ সভাপতি হায়দার আলী, দিদারুর আলম হেলাল, কাজী নাছির, মুনসুর আলী প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করে জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

111আব্দুর রহিম :  দেশ ও জনগণের অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সন্তান কমান্ড গঠনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার জেলা মুক্তযোদ্ধা সংসদ হলরুমে জেলা সন্তান কমান্ড আয়োজনে জেলা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক আবু রায়হান তিতুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন মশু। এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা যে লক্ষ উদ্দেশ্য নিয়ে দেশকে মুক্ত করেছিল এরই ধারাবাহিকতায় দেশ ও জনগনের অতন্দ্র প্রহরি হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাজ করবে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনাই মুক্তিযোদ্ধাদের সরকার। মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও রাষ্ট্রীয় পর্যায় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিযেছে এই সরকার।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ডেপুটি ইউনিট কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর সিদ্দীক, সহকারি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর আব্দুল বারি, সদর উপজেলা কমান্ডার হাসানুল ইসলাম, সাবেক জেলা ইউনিট কমান্ডার মোতাহার হোসেন, তালা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. মফিজউদ্দিন, দেবহাটা উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার ইয়াসিন আলী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি। এসময় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাংগঠনিক বিষয়ক বক্তব্য রাখেন জেলা সন্তান কমান্ডের যুগ্ম আহবায়ক এস এম গোলাম ফারুক প্রমুখ। এসময় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ, আনছারুজ্জামান, জেলা সন্তান কমান্ডের যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম, সদস্য আব্দুর রহিম প্রমুখ। পরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সদর উপজেলা ১১ সদস্য বিষ্ষ্টি একটি কমিটি ঘোষনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495259967ভারতের কেরালা রাজ্যে এই প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রূপান্তরকামীদের সুন্দরী প্রতিযোগিতা। আগামী ২৫ জুন কেরালার বন্দরনগরী কোচিতে জমকালোভাবে এই সুন্দরী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ খবর জানিয়েছে।

কেরালার রূপান্তরকামীদের সংগঠন ধওয়াহ আর্টস অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির উদ্যোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আয়োজকরা বলছে, এই আয়োজন শুধু সুন্দরী খোঁজা নয়, সমাজে তৃতীয় লিঙ্গের ক্ষমতায়ন ও অন্তর্ভুক্তির জন্যই এমন আয়োজন।

প্রতিযোগিতার জন্য এরই মধ্যে কোচি ও মালাবরের অডিশন থেকে ১৫ ও ১১ জন প্রতিযোগীকে বাছাই করা হয়েছে।

প্রাথমিক পর্ব শেষে ২৭ জন প্রতিযোগী আগামী ২৩ মে থেকে কচিতে দুইদিনের চূড়ান্ত গ্রুমিংয়ে অংশ নেবে।

এরপর তাদের মধ্য থেকে ১৫ জনকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য বাছাই করা হবে এবং যিনি বিজয়ী হবেন তিনি ‘কুইন অব ধওয়াহ ২০১৭’ জিতবেন।

প্রতিযোগীরা খ্যাতনামা মেকাপ শিল্পী রেনজু রেনজিমারের অধীনে গ্রুমিং সেশনে অংশ নিয়েছিল।

টাইমস অব ইন্ডিয়াকে রেনজিমার বলেন, এই ধারণাটি রূপান্তরকামী মানুষদের আরো আত্মবিশ্বাসী করবে, সমাজের মূলধারায় তারা সক্রিয় হবে।

রূপান্তরকামীদের নিয়ে কাজ করা শীতল শ্যাম দ্য হিন্দুকে বলেন, আমাদের এই পদক্ষেপ রূপান্তরকামীদের সমাজের মূলধারায় যুক্ত করবে এবং কাজ খুঁজে পেতে তাদের সহায়তা করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495211678আলোকচিত্রীকে বেগ পেতে হয় আকর্ষণীয় ছবি তুলতে গিয়ে। সম্প্রতি ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত সাত বছর বয়সী আশার নামে এক শিশুর তোলা ছবি চমকে দিয়েছে তার আলোকচিত্রী মাকেই। শিশু সে ছবিটি দেখতে দেবদূতের (অ্যাঞ্জেলস) মতো।

ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুরা কিন্তু অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক নয়। সাধারণত এদের মাথা আকারে ছোট, ঘাড় খর্বাকৃতি, মুখ চ্যাপ্টা হয়, চোখের পাতা একটু ওপরের দিকে টানা থাকে, কান স্বাভাবিক অবস্থানের একটু ওপরের দিকে থাকে ও চ্যাপ্টা আকৃতির হয় এবং মানসিক বিকাশ যথাযথ হয় না।

ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুটির মা কেরি লাইলস। তিনি নিজেও একজন আলোকচিত্রী। তাঁর সাত সন্তানের মধ্যে সবচেয়ে ছোট সন্তানের নাম আশার। সে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়েই জন্মেছে।

টেক্সাসের গণমাধ্যম ক্রোন ডটকমের বরাদ দিয়ে কেরি বলেন, “আশার আমাদের বিশেষ সন্তান। আমাদের সন্তানের নামের সামনে একটি অতিরিক্ত ‘এ’ অক্ষর যুক্ত করার কারণ তাকে বিশেষভাবে তুলে ধরা।” তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার খাতায় এ মানে ভালো কিন্তু এ+ মানে অনেক বেশি ভালো।’

কেরি লাইলস ফটোগ্রাফি নামে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে গত ১৬ মে (মঙ্গলবার) একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘গত রোববার (১৪ মে) তাঁর পরিবার ওয়াশিংটন থেকে হিউস্টন ফিরছিল। সে সময় আশার তাঁর মুঠোফোন নেয় আকাশের ছবি তোলার জন্য। ’

কেরি বলেন, ‘আশার জানালা দিয়ে কিছু ছবি তুলতে চেয়েছিল। কিছুক্ষণ পরে আমার একটি ছবি তোলার জন্য তাকে বলি। কয়েকটি ছবি তোলার পর আমি মুঠোফোন ফিরিয়ে নিই এবং পরে জায়গা কম দেখানোর কারণে কিছু ছবি বাদ দিতে চাই।’ তিনি আরো বলেন, ‘ছবি বাদ দেওয়ার সময় হঠাৎ সুন্দর ও অবিশ্বাস্য এক ছবি দেখতে পাই। ছবিতে হাস্যরত কিংবা জড়িয়ে ধরার মতো ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা অদ্ভুদ কিছু দেখা যায়।’

কেরি বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমার সন্তান জানালার বাইরে থাকা তাঁর দেবদূতের ছবি তুলেছে। যে তাঁর সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটাতে এসেছিল।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

New Image copyপ্রেস বিজ্ঞপ্তি : সুন্দরবন ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির পক্ষ থেকে নিয়মিত মুমূর্ষু রোগিদের স্বেচ্ছায় রক্ত দান করা হচ্ছে। গত ১৫ মে গড়েরকান্দা গ্রামের রেজাউল ইসলাম ওপজেটিভ, ১৬ মে মুনজিত এলাকার উজ্জল এ পজেটিভ, ১৭ মে ইটাগাছা গ্রামের ইব্রাহিম এ পজেটিভ ও ১৯ মে সুলতানপুর এলাকার উৎপল দে বি নেগেটিভ রক্ত মুমূর্ষ রোগীদের মাঝে স্বেচ্ছায় প্রদান করে। রক্ত প্রদান কালে উপস্থিত ছিলেন, সদর হাসপাতালের রবীন্দ্র নাথ, সঞ্জয় কুমার, সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা: এস এম ইসরাইল, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান জেমস, অর্থ সম্পাদক মহিবুল্লাহ, সদস্য হাসান, আরিফুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest