শুভ জন্মদিন সৌম্য সরকার

কর্তৃক Daily Satkhira

photo-1488025441নাম সৌম্য। সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান। সুঠাম দেহ আর মনভোলানো হাসিটাতেও তিনি সৌম্য। এই পর্যন্তই। ক্রিকেট মাঠে নামলেই অশান্ত আর কুৎসিত হয়ে ওঠেন। বোলারদের পিটিয়ে ছাতু বানাতেই সিদ্ধহস্ত। কারো প্রতি বিন্দুমাত্র দাক্ষিণ্য প্রদর্শন করেন না। ক্রিকেট ব্যাটটাকে তলোয়ার বানিয়ে বোলারদের ওপর শাসন চালান তিনি।

দুই বছর ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম ভরসার নাম এই সৌম্য সরকার। আজকের দিনে ২৪ বছরে পা দিলেন বাঁ-হাতি এই ব্যাটসম্যান। ১৯৯৩ সালে আজকের দিনেই সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

স্কুলজীবন থেকেই তুখোড় ক্রিকেটার সৌম্য সরকার। বয়সভিত্তিক ও স্কুল ক্রিকেটে দুর্দান্ত খেলতে থাকেন তিনি। স্কুল ওয়ানডেতে ২৫০ রানের ইনিংস রয়েছে তাঁর। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে কাতারের বিপক্ষেও ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব ১৯ দলে লেখার মধ্য দিয়ে তারকা খ্যাতি পাওয়া শুরু করেন এই ব্যাটসম্যান। তবে ২০১২ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপটা ছিল সৌম্যর জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের তুলোধুনা করে ৮০ বলে ৭৩ রান করেন সৌম্য। সেই ম্যাচে হারলেও অমূল্য এক রতনের সন্ধান পেয়ে যান বাংলাদেশ।

২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর মিরপুর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে অভিষেক হয় সৌম্য সরকারের। ভালো খেলার পুরস্কার হিসেবে জায়গা পেয়ে যায় বিশ্বকাপ দলেও। ক্রিকেটের মহারণে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে সবার  নজর কেড়ে নেন এই ব্যাটসম্যান। এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত এক ম্যাচজয়ী সেঞ্চুরি করে নিজের জাত চেনান আরেকবার। পুরস্কার হিসেবে টেস্ট দলেও জায়গা পেয়ে যান।

এখন পর্যন্ত ২০ ওয়ানডেতে ৪০.২২ গড়ে ৭২৪ রান করেছেন সৌম্য সরকার। ২২ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৭.২৭ গড়ে সৌম্য রান ৩৮০। ৫ টেস্টে ৩১.৭৭ গড়ে ২৮৬ রান করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fazlu-webশেখ তহিদুর রহমান ডাবলু/শেখ শরিফুল ইসলাম: সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সেই শিক্ষক প্রভাষক ফজলুল হকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডেইলি সাতক্ষীরায় জামাত নেতা ফজলুল হককে এমপিভুক্ত করার জন্য কলেজ পরিচালনা পরিষদ ও অধ্যক্ষের সুপারিশ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী পতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বিপুল অংকের অর্থ নিয়ে কলেজ অধ্যক্ষ আবু সাঈদ  ৬টি নাশকতা মামলার আসামি কলারোয়া উপজেলা জামাতের সেক্রেটারি ও জেলা জামাতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ফজলুল হকের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই উল্লেখ করে তাকে এমপিওভুক্ত করার সুপারিশ করে বলে প্রকাশ পায়। ফজলুল হকও খুলনা  মহানগর ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারিও।

অন্যদিকে, সম্প্রতি দেশের একটি শীর্ষ ও প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক এ কে এম ফজলুল হকে বিরুদ্ধে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপসহ গুরুতর অভিযোগের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের কপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয় ফজলুল হক ছাত্রজীবনে ছাত্রশিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।eeeee

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক আদেশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ফজলুল হকে বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার নিয়ে মন্ত্রণালয়কে জানানোর নির্দেশ দেয়।

জানা যায়, ফজলুল হক খুলনায় থাকেন। মাঝেমধ্যে তিনি সাতক্ষীরা সিটি কলেজে যাতায়ত করেন। রাষ্ট্রবিরোধী কাজে যুক্ত রয়েছেন মর্মে ফজলুুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তার কয়েকজন সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছেন এবং শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc06176-copyসাতক্ষীরা সংবাদদাতা : ‘নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের প্রতিশ্রুতি- সুস্থ সবল মেধাবী জাতি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় প্রাণি সম্পদ সেবা সপ্তাহ-২০১৭ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, খামারী সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের আয়োজনে অফিস কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে অফিস কার্যালয়ে আলোচনা সভাস্থলে গিয়ে মিলিত হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, জেলা প্রাণিজ সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সমরেশ চন্দ্র দাস, সদর উপজেলা প্রাণিজ সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিপ্লবজিৎ কর্মকার, আঞ্চলিক প্রাণি রোগ অনুসন্ধান গবেষণা কেন্দ্র যশোরের সহকারী পরিচালক ডাঃ শশাংক কুমার মন্ডল, প্রাক্তন উপ-পরিচালক হাসান ইমাম, উপ-সহকারি কর্মকর্তা আবুল কালাম মোস্তফা প্রমুখ। খামারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রামপ্রসাদ, শেখ আশরাফুল ইসলামসহ বিভিন্ন খামারীরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় ১০টি স্টলের খামারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

222222মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রে বড় ধরনের দু’টি পরিবর্তন এসেছে। সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলটির কেন্দ্রীয় সদস্য (রুকন) সম্মেলনের পরিবর্তে জাতীয় কাউন্সিল করার বিধান যোগ করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ২৭ বছর পর পুনরায় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদ যুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত দলের গঠনতন্ত্রের ৬০তম সংস্করণে এই দু’টি পরিবর্তনা আনা হয়েছে। দলটির সংশোধিত গঠনতন্ত্র পর্যালোচনায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের পরে জামায়াতের কোনও সম্মেলন হয়নি।

২০১৫ সালের জুনে গঠনতন্ত্রের ৫৯তম মুদ্রণ ধারা-১৩-এ বাংলাদেশ জামায়াতের কেন্দ্রীয় সংগঠন হিসেবে ‘কেন্দ্রীয় সদস্য (রুকন) সম্মেলন’ ছিল। যদিও সর্বশেষ সংস্করণে বলা হয়েছে, জাতীয় কাউন্সিল। এরপর ধারা ১৪-এ বলা হয়েছে, ‘জাতীয় কাউন্সিল জামায়াতের সর্বোচ্চ ফোরাম হিসেবে গণ্য হবে। জাতীয় কাউন্সিলের সদস্যদের সরাসরি গোপন ভোটে আমিরে জামায়াত নির্বাচিত হবেন।’ দলের গঠনতন্ত্রের ধারা-১৪-এর-৩-এ কে কে জাতীয় কাউন্সিলের সদস্য হবেন, এ বিষয়ে বিবরণ রয়েছে। সংশোধিত গঠনতন্ত্রে ৭৩টি ধারা রয়েছে। এর আগে ধারার সংখ্যা ছিল ৭০টি।

সংশোধিত গঠনতন্ত্রে বলা হয়েছে—‘জাতীয় কাউন্সিলের সভাপতি হবেন আমিরে জামায়াত। এই কাউন্সিলের মেয়াদ তিন বছর।’ জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য মাওলানা হাবিবুর রহমান জানান, ‘গত বছরের শেষদিকেই কেন্দ্রীয় সদস্য (রুকনরা) ভোটে গঠনতন্ত্র সংশোধনের বিষয়ে মত দিয়েছেন। এরপর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ চূড়ান্ত করে।’

১৯৯০ সাল পর্যন্ত জামায়াতের গঠনতন্ত্রে সাংগঠনিক সম্পাদক পদটি ছিল বলে জানান নির্ভরযোগ্য এক নেতা। তিনি বলেন, ‘এ হিসেবে প্রায় ২৭ বছর পর সাংগঠনিক সম্পাদক পদ ফিরিয়ে আনলো জামায়াত। নতুন গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি পদ তৈরি করা হয়েছে।’

২০১৫ সালের সর্বশেষ গঠনতন্ত্রের সংস্করণের ধরা-২৮-এ বলা ছিল, বিভাগীয় সেক্রেটারিগণ আমিরে জামায়াতের নির্দেশমতো নিজ নিজ বিভাগের কাজ পরিচালনা করবেন। এই কাজের ব্যাপারে আমিরকে পূর্ণ তথ্য দেবেন। নতুন গঠনতন্ত্রে এ বিষয়টি হুবহু থাকলেও নতুন ধারায় তৈরি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি হিসেবে।

ধারা-৩০-এ বলা হয়েছে, ‘জামায়াতের আমিরের প্রয়োজনীয় সংখ্যক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি নিয়োগ করতে পারবেন। আরও বলা হয়েছে, আমিরের দেওয়া দায়িত্ব পালন করাই হবে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারিদের কর্তব্য। আরও বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারিরা যদি কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য না হন, তাহলে তিনি পদাধিকার বলে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য হবেন। এই ধারায় যুক্ত করা হয়েছে সাংগঠনিক সম্পাদকের শপথের বিষয়টিও। বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি নিযুক্তির পর তিনি আমিরে জামায়াত বা তাহার প্রতিনিধির কাছে শপথ গ্রহণ করবেন।’

এদিকে নতুন গঠনতন্ত্রের সঙ্গে পাল্টে গেছে জামায়াতের নতুন ওয়েবসাইটও। এই সাইটে দলটির সব ধরনের তথ্য যুক্ত করা হয়েছে।
জানতে চাইলে জামায়াত নেতা মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আঞ্চলিক পরিচালকের স্থলে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে কে হয়েছেন তা বলতে পারব না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

eadcd9de68bddfea8b78972be133cd47-58b138c115e7fওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়যাত্রা থেমেছিল ক্রাইস্টচার্চে। ১২ ম্যাচ পর একদিনের ক্রিকেটে তারা ভুলে যাওয়া হারের তেতো স্বাদ পেয়েছিল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে ওই পরাজয়ের পাল্টা শোধ ভালোভাবে নিল প্রোটিয়ারা। তৃতীয় ওয়ানডেতে ১৫৯ রানে জিতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ এ এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা।

দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ১১২ রানে নিউজিল্যান্ডকে গুটিয়ে দিয়েছে প্রোটিয়ারা। আর এটিই দ্বিপাক্ষিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাদের সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়।

ওয়েলিংটনের ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় সফরকারীরা। শুরুটা হোঁচট দিয়ে হয়। দলীয় ৪১ রানে ওপেনার হাশিম আমলাকে (৭) হারায় তারা। এর পর ফাফ ডু প্লেসিসের সঙ্গে কুইন্টন ডি কক গড়েন ৭৩ রানের জুটি।

তবে দলের ২৩তম ওভারে জোড়া ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। কলিন ডি গ্রান্ডহোমের এক ওভারেই ডু প্লেসিস ও ডি কক সাজঘরে ফেরেন। ৭০ বলে থামে ডি ককের ৬৮ রানের ইনিংস। ৩৬ রানে আউট ডু প্লেসিস।

ক্রিজে নেমেই দ্রুততম ৯ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছানো ডি ভিলিয়ার্স উপযুক্ত সঙ্গ পাননি ডেভিড মিলার ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসের কাছে থেকে। তবে নিজের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করেছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। ওয়েন পারনেলের সঙ্গে ৮৪ রানের শক্ত জুটি ছিল তার। ৮০ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে সর্বাধিক ৮৫ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের শিকার হন ডি ভিলিয়ার্স। তার ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা করে ২৭১ রান।

লক্ষ্যটা খুব কঠিন নয়। কিন্তু ধীরগতির পিচ ও আউটফিল্ডে প্রোটিয়া পেসারদের সামলাতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। কাগিসো রাবাদা, ওয়েন পারনেল, আনদিল ফেলুকবায়ো ও প্রিটোরিয়াসের বলে ব্যাটিং ধস নামে। চার পেসারের মধ্যে প্রিটোরিয়াস সবচেয়ে এগিয়ে, তার বোলিং ফিগার ৫.২-১-৫-৩। বাকিরা নেন ২টি করে উইকেট। পেসারদের উদযাপনের দিন খালি হাতে ফেরেননি ইমরান তাহির, একটি উইকেট নেন এ স্পিনার।

নিউজিল্যান্ড ১১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ধাক্কা সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কেন উইলিয়ামসন (২৩) ও রস টেলর (১৮)। তাদের ৩৭ রানের জুটিই ব্ল্যাক ক্যাপদের একমাত্র প্রতিরোধ।

আর পেরে ওঠেনি স্বাগতিকরা। ১০০ না পেরোতেই ৯ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড, আর গুটিয়ে যায় ১১২ রানে। গ্রান্ডহোম সর্বোচ্চ ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। সূত্র- ক্রিকইনফো

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা- ২৭১/৮ (ডি ভিলিয়ার্স ৮৫, ডি কক ৬৮; গ্রান্ডহোম ২/৪০)

নিউজিল্যান্ড- ৩২.২ ওভারে ১১২ (গ্রান্ডহোম ৩৪, উইলিয়ামসন ২৩; প্রিটোরিয়াস ৩/৫)

ফল- দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫৯ রানে জয়ী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

39de7581cf9df7b31f621a09ec8af853-58b0739d6d537আজ পিলখানা ট্র্যাজেডির আট বছর। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর-এর (বর্তমানে বিজিবি-বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বিপথগামী সদস্যরা কতিপয় দাবি-দাওয়ার নামে পিলখানায় নারকীয় তাণ্ডব চালায়। এসময় তারা অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়।  ওই দু’দিনে তারা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ছাড়াও নারী-শিশুসহ আরও ১৭জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের হাতে বাহিনীর তখনকার  মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদও নিহত হন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর বাহিনীর আইনে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। হত্যা মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ছাড়াও আরও ৪২৩জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। বিভাগীয় মামলায় চাকরিচ্যুতসহ সাজা দেওয়া হয় আরও অনেককে। ২০০৯ সালের নির্মম এ হত্যাযজ্ঞের পর পুরো বাহিনী বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। তবে বাহিনীর পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কলঙ্কিত সেই ইতিহাস ও ক্ষত ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে এখনও।

কর্মসূচি: পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ ব্যক্তিবর্গের স্মরণে আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি শাহাদাত বার্ষিকী পালন করবে বিজিবি। দিনের কর্মসূচিতে রয়েছে, পিলখানাসহ বিজিবি’র সব রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় বাদ ফজর খতমে কোরআনের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বিজিবির সব মসজিদ ও বিওপি পর্যায়ে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় সকাল ৯টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধানগণ (সম্মিলিতভাবে), স্বরাষ্ট্র সচিব এবং বিজিবি মহাপরিচালক (একত্রে) শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে  পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার বাদ আসর পিলখানার বীর উত্তম ফজলুর রহমান খন্দকার মিলনায়তনে শহীদ ব্যক্তিবর্গের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। এছাড়া স্বরাষ্ট্র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, শহীদ ব্যক্তিবর্গের নিকটাত্মীয়, পিলখানায় কর্মরত সকল অফিসার, জুনিয়র কর্মকর্তা, অন্য পদবির সৈনিক ও বেসামরিক কর্মচারীরা অংশ নেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

channel_i_okeefe-1ম্যাচের গতিপথ নির্ধারিত হয়ে গেছে দ্বিতীয় দিনেই। ভারত যখন একশর পর গুটিয়ে গেছে। পরে অস্ট্রেলিয়া লিডটা সাড়ে চারশর কাছে টেনে নিলে দেখার ছিল কতটা প্রতিরোধ গড়তে পারেন বিরাট কোহলিরা। তাতে আরেকটি গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জাই মিলেছে। অজি স্পিন-তোপের সামনে প্রথম ইনিংসের থেকে অবশ্য ২ রান বেশি করেছে স্বাগতিকরা। পুরো ম্যাচে সান্ত্বনা এই দুটি রানে বেশি করতে পারাই! জয়ে সিরিজ শুরু করা সফরকারীদের সাফল্যটি ৩৩৩ রানের বিশাল ব্যবধানের। ভারতের সর্বোচ্চ ব্যবধানে হারের দিক থেকে দ্বিতীয়।

ম্যাচ জিততে ৪৪১ রানের পাহাড়সম বোঝার পেছনে ছুঁটতে হতো। গড়তে হতো রেকর্ড। ভারতের মাটিতে তো নয়ই, টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসেই চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ডটি ৪১৮ রানের। চারশর ওপরে আর মাত্র চারটি রান তাড়ার ইতিহাস আছে। সেখানে পুনের খানাখন্দ পিচ। ভারতের ইনিংসটাও তাই অসহায় আত্মসমর্পণের বিষাদমাখা গল্পই হয়ে থাকল।

মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে শনিবার প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে অজিরা যখন বিজয় উল্লাসে মত্ত, তখনও প্রায় একটা সেশন বাকি। ভারতের ব্যাটসম্যানরা এলেন আর গেলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৭! তাতে মুল ভূমিকা থাকল সেই স্টিভ ও’কিফেরই। এবারও ৩৫ রানে ৬ উইকেট। বল করেছেন ১৫ ওভার। প্রথম ইনিংসে ভারতকে ১০৫ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পথে ১৩.১ ওভারে ৩৫ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন।

সব মিলিয়ে ম্যাচে ১২ উইকেট ও’কিফের, ৭০ রানে। ভারতের মাটিতে যেটা দ্বিতীয় সেরার বোলিংয়ের রেকর্ড। ১৯৮০ সালে মুম্বাই টেস্টের দুই ইনিংসে ১০৬ রানে ১৩ উইকেট নিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের ইয়ান বোথাম।

ও’কিফের সঙ্গে জ্বলে উঠেছিলেন নাথান লায়নও। ৫৩ রানে ৪ উইকেট তার। দুই স্পিনারে সামনে ভারতের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দুই অঙ্কের কোটা ছুঁতে পেরেছেন কেবল চারজন। সর্বোচ্চটি পূজারার ৩১! বাকিদের মধ্যে লোকেশ রাহুল ১০, আজিঙ্কা রাহানে ১৮ ও অধিনায়ক কোহলি ১৩ রান করেছেন। প্রথম ইনিংসে রানের খাতা খুলতে না পারা কোহলির ম্যাচে রান এই ১৩-ই। ঘরের মাঠে দুই ইনিংসে ব্যাট করা টেস্টে তার ব্যক্তিগত সর্বনিম্ন অবদান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Australia's captain Steve Smith celebrates after scoring a century (100 runs)on the third day of the first cricket Test match between India and Australia at The Maharashtra Cricket Association Stadium in Pune on February 25, 2017.  ----IMAGE RESTRICTED TO EDITORIAL USE - STRICTLY NO COMMERCIAL USE----- / GETTYOUT / AFP PHOTO / INDRANIL MUKHERJEE / ----IMAGE RESTRICTED TO EDITORIAL USE - STRICTLY NO COMMERCIAL USE----- / GETTYOUT

প্রতিপক্ষ হিসেবে ভারতকে একটু বেশিই পছন্দ স্টিভেন স্মিথের। টানা পাঁচ টেস্টে সেঞ্চুরি করলেন বিরাট কোহলির দলের বিপক্ষে। তাতে কোহলিদের বিপদ বাড়ল কয়েকগুণ। অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয়ে যাওয়ার পথে ম্যাচ জিততে ৪৪১ রানের পাহাড়সম বোঝা ছুঁড়ে দিয়েছে ভারতের সামনে।

যেটা টপকাতে রেকর্ড গড়তে হবে স্বাগতিকদের। ভারতের মাটিতে তো নয়ই, টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসেই চতুর্থ ইনিংসে এত বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড নেই কোনো দলের।

টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়ার রেকর্ডটি ওয়েন্ট ইন্ডিজের দখলে। ২০০৩ সালে অ্যান্টিগায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪১৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে রেকর্ড জয়ের কীর্তি গড়েছিল ক্যারিবীয়রা। পরের রেকর্ডটি দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০০৮ সালে পার্থ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই ৪১৪ রান করে জিতেছিল প্রোটিয়ারা। এছাড়া ৪০০-এর ওপর রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে আর মাত্র দুটি। যার একটি ভারতের। সেটি অবশ্য ১৯৭৬ সালের ঘটনা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪০৬ রান করে জিতেছিল ভারত।

মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে শনিবার সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে ৫৯ রানে অপরাজিত থেকে ক্রিজে এসেছিলেন স্মিথ। অধিনায়ক ফিরেছেন ১০৯ রানে। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ১৮তম শতক। আরেক অপরাজিত মিচেল মার্শ ৩১ রানে সাজঘরে হাঁটা দেন।

সঙ্গে ম্যাথু ওয়েড ২০ ও প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা মিচেল স্টার্কের ৩০ রানে লিডটা সাড়ে চারশর কাছে টেনে নেয় অজিরা। সফরকারীরা দ্বিতীয় ইনিংস থেমেছে ২৮৫ রানে।

অজিদের দ্বিতীয় ইনিংস থেকে অশ্বিনের ঝুলিতে গেছে চারটি উইকেট। জাদেজার ৩টি, উমেশ যাদবের ২টি ও জয়ন্ত যাদবের দখলে ১টি করে উইকেট।

এর আগে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ২৬০ রানে গুটিয়ে যায়। পরে স্টিভ ও’কিফের তোপের মুখে পরে ভারত। নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৪০.১ ওভারে ১০৫ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। ও’কিফ ১৩.১ ওভারে ৩৫ রানে ৬ উইকেট নেন। প্রথম ইনিংস থেকেই ১৫৫ রানের লিড পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষপর্যন্ত যেটি বোঝায় পরিণত হয়েছে। হাতে আড়াই দিন। সামনে ভাঙা পিচে অজিদের স্পিন-বিষ। কোহলি-রাহানেদের সামনে এখন তাই স্পিন-সম চ্যালেঞ্জ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest