vvvvvv-copyদেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটার ৩ ইউনিয়নে ভিজিডি’র চাউল বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে সখিপুর, পারুলিয়া ও কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে এ চাউল বিতরণ করা হয়েছে। চাউল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদ। অন্যান্যদের মধ্যে বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সখিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতনের, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, ট্যাগ অফিসার সমবায় কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, ইউপি সচিব নারায়ন চন্দ্র অধিকারীর, ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য রেহেনা ইসলাম, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের আলফাতুন নেছা, ৭, ৮ ও ৯ নং আরুতি রানী, ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোখলেছুর রহমান মোখলেছ, ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আকবর আলী, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য পরিতোষ বিশ্বাস, ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল করিম, ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য জগন্নাথ মন্ডল, ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য নির্মল কুমার মন্ডল, ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য মোনাজাত আলী, ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য আবুল হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড সদস্য হাফিজুর রহমান প্রমুখ। ২নং পারুলিয়া ইউনিয়নের চাউল বিতরণে উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, ইউপি সচিব প্রবীর হাজারী, ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য বানু আল কাদেরী, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারগিছ বেগম, ৭, ৮ ও ৯ নং হামিদা পারভীন, ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুল আলিম, ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন হিরা, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য সাহেব আলী, ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য গোলাম ফারুক, ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য সালাউদ্দীন সারাফি, ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য সিরাজুল ইসলাম, ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য শহিদুল্লাহ গাজী, ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য ইয়ামিন মোড়ল, ৯নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ মোকারম হোসেন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sam_4904-copy-largeনিজস্ব প্রতিবেদক: স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক পৌর কাউন্সিলরদের বৈষম্যমূলক, অসম্মানজনক মাসিক সম্মানীভাতা বৃদ্ধির দাবিতে প্রতিবাদে মানববন্ধব কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা পৌরসভার সামনে পৌর কাউন্সিলররা এ মানববন্ধন কর্মসুচির আয়োজন করে। মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন পৌর কাউন্সিলর মো.আব্দুস সেলিম, সৈয়দ মাহমুদ পাপা, শেখ আব্দুস সেলিম, কাজী ফিরোজ হাসান, মো, শাহিনুর রহমান, মো. শহিদুল ইসলাম, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, মো. শফিকুল আলম বাবু, শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, ফারহাদীবা খান সাথী প্রমুখ। মানববন্ধব কর্মসুচিতে বক্তারা বলেন, গত ১১ জানুয়ারি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের মাসিক সম্মানীভাতা ধার্য করা হয়েছে। তার মধ্যে পৌর কাউন্সিলরদের মাসিক সম্মানীভাতা সর্বনি¤œ ৮ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। যা আমাদের জন্য বৈষম্যমূলক, অসম্মানজনক মাসিক সম্মানীভাতা। যেখানে সিটি মেয়রদের সম্মানীভাতা মাসিক ৮৫ হাজার টাকা এবং কাউন্সিলরদের ৩৫ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। এছাড়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সম্মানীভাতা ৫৪ হাজার টাকা, মেম্বারদের ৩৫ হাজার টাকা এবং উপজেলা চেয়ারম্যানদের মাসিক সম্মানীভাতা ৪০ হাজার টাকা, ভাইস চেয়ারম্যানদের মাসিক সম্মানীভাতা ২৭ হাজার টাকা এবং পৌর মেয়রদের মাসিক সম্মানীভাতা ৩৮ হাজার টাকা। সেখানে পৌর কাউন্সিলরদের মাসিক সম্মানীভাতা সর্বনি¤œ ৮ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। যা আমাদের জন্য বৈষম্যমূলক, অসম্মানজনক মাসিক সম্মানীভাতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

satkhira-picture-2-copyনিজস্ব প্রতিবেদক: শ্যামনগরে কলেজ ছাত্রী মুন্নি হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে স্থানীয়রা। সোমবার দুপুরে শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জের মুনসুর সরদারের গ্যারেজ মোড় এলাকায় মুন্সীগঞ্জ, বুড়িগোয়ালিনী ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এসব কর্মূচিতে অংশ নিয়ে কলেজ ছাত্রী মুন্নি হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য ডালিম কুমার ঘরামী, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ মন্ডল, সাবেক চেয়ারম্যান অসীম কুমার মৃধা, খাইরুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে কলেজ ছাত্রী মুন্নি হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বলেন, মুন্নির ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক তার প্রতিবেদনে মৃত্যুর কোন সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করেছেন। যা সকলকে হতাশ করেছে। শ্বশুরের লালসার শিকার মুন্নিকে পাশবিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকান্ডে জড়িতরা প্রভাবশালী হওয়ায় বিচারকে নানাভাবে প্রভাবিত করছে, যা সুষ্ঠু বিচারের পরিপন্থী। তারা এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পরে একই দাবিতে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে পৃথক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sam_4887-copyনিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ১৫দিন ব্যাপী শীতকালীন গ্রামীণ মেলা-২০১৭ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে জেলা অফিসার্স ক্লাবের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে ও বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে এ মেলার উদ্বোধন করেন সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় তিনি বক্তব্যে বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাস ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে এ ধরনের মেলার প্রয়োজনীয়তা আছে। গ্রাম বাংলার চিরায়িত প্রথা শীতকালীন পিঠা উৎসব, খেজুরের রসের গুড়. রসের পিঠা পায়েসসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। এ জন্য আয়োজক জেলা অফিসার্স ক্লাবকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা আবু জাফর মো. আসিফ ইকবাল, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আফসানা কাওসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসফিয়া সিরাত, মঈনুল ইসলাম, মোশারেফ হোসেন, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফিরোজ হোসেন মোল্যা, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, এনডিসি মো. আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক ব্যাংকার শেখ আজিজুল হক, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য সচিব শেখ মুসফিকুর রহমান মিল্টন, ব্যাংকার আক্তারুজ্জামান কাজল ও মেলার চেয়ারম্যান মানিক শিকদার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc02984নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার বিকালে তালতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লাবসা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় তিনি বলেন,‘মানুষ হলে চলবে না, লেখাপড়া করে ভালো মানুষ হতে হবে। তাহলেই সমাজ ও দেশকে অনেক কিছু দেওয়া সম্ভব হবে। ভালো মানুষ হতে হলে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে। মানুষের ভালবাসা অর্জন করতে হলে গরীব মানুষকে ভালবাসতে হবে। তাহলে আগামী দিনে তোমরা দেশের নেতৃত্ব দিতে পারবে।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান শাহনওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান সজল, তালতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, যুবলীগ নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম রানা, আবিদার রহমান, মনিন্দ্রনাথ দাস, নাজমা সুলতানা, ভোলানাথ দে প্রমুখ। এসময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত ৬টি বিদ্যালয়ের ২৯ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহাসেনুল হাবিব মিন্টু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে হারুনার রশিদ নামের এক দলিল লেখকের বাক্স থেকে রেজিষ্ট্রার ও বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রারদের নামের ৯ টি জাল সিল উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে জেলা রেজিস্ট্রার এর পক্ষ থেকে এ সিলগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলিল লেখক সমিতির সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। একই সাথে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে দলিল লেখক হারুনার রশিদকে। দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি জানান, দলিল লেখক হারুনার রশিদ রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রারদের নামের সিল বিভিন্ন কাগজ পত্রে মেরে তাতে জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জাল-জালিয়াতি কাজ করে আসছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা রেজিস্ট্রার মুন্সি রুহুল ইসলাম নিজেই সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দলিল লেখক হারুনার রশিদের বাক্স থেকে উক্ত ৯ টি সিল উদ্ধার করা হয়। সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্ট্র্রার লুৎফর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জাল-জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করায় এবং রেজিস্ট্রি আইনের ৮০/২ ধারা পরিপন্থী কাজ করায় দলিল লেখক হারুনার রশিদকে যার লাইসেন্স নাম্বার-১৭/২০১০ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

67নিজস্ব প্রতিবেদক: আব্দুল করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীণ বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের হলরুমে আব্দুল করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন খান লিপির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ নুরুল হক। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আব্দুল করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সন্তোষ ব্যানার্জী, হাবিবুর রহমান, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিরিন সুলতানা ও নবীণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নুসরাত জাহান প্রমুখ। এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীণ বরণ শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আব্দুল করিম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা মিজানুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc05248নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুদিন ধরে এ ঘরে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন সন্তোষ দাস। সোমবার সকালে দেখছি সেখানে সন্তোষ নেই। তার বাড়ি ঘরের কোনো জিনিসপত্রও চোখে পড়ছে না। তার ঘর জুড়ে ঝুলছে আওয়ামী যুবলীগের এক বিশাল ব্যানার। একথা জানালেন স্থানীয়রা। খোঁজ নিয়ে জানা গেল এ জমি এ ঘর এখন থেকে আওয়ামী যুবলীগ সংগঠনের, সন্তোষ বাবুর নয়। ঘটনাস্থল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ব্রহ্মরাজপুর সাহেব বাড়ির মোড়। তবে নিজের দীর্ঘ ব্যবহৃত ঘর জমি পুনরুদ্ধারে দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন সন্তোষ দাস। এ এলাকার ব্যবসায়ী আবদুস সেলিম জানান, তিনি সন্তোষ দাসের কাছ থেকে এক খন্ড খাস জমি ও ঘর মাসিক দুই হাজার টাকা ভাড়া চুক্তিতে তিন বছরের জন্য বন্দোবস্ত নিয়েছেন। রোববার চুক্তি সম্পাদনের পর থেকে তিনি সেখানে ছিলেন। সন্ধ্যা ৬ টায় হঠাৎ এলাকার কয়েক যুবক সেই ঘরে ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের ব্যানার টানিয়ে দেয়। তিনি বলেন, আমি ঘরে বসে তাদেরকে জানাই এঘর আমার ভাড়া নেওয়া। এ কথা বলতেই তারা আমাকে সেখান থেকে জোর করে বের করে দেয়। বিষয়টি ঘরের মালিক সন্তোষ দাসকে টেলিফোনে জানালে দ্রুত তিনি ও তার স্ত্রী এসে নিজ ঘরে ওঠেন। যুবকরা তাকে বলেন, “কিসের ঘর তোর। এটা সরকারি জমি। আমরা সরকারি দলের লোক। এখানে সরকারি দলের অফিস হবে”Ñ বলে তাড়িয়ে দেয় তাদের। সন্তোষ চোখের পানি ফেলতে ফেলতে চলে গেছেন। গতকাল সকাল থেকে দখলদার যুবক সোহরাব, শহীদ, কুদ্দুস, আকসাদ ও অজিয়ারের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা সেখানে খিচুড়ি রান্না করে খায়। আর মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজায়।
এ ব্যাপারে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে সেখানে পুলিশ যায়। শান্তি শৃংখলা রক্ষার্থে থানার পক্ষ থেকে সেখানে একজন চৌকিদার নিযুক্ত করা হলেও দখলদার যুবকদের দাপটে তিনি চলে গেছেন। একই সাথে বিষয়টি অভিযোগ আকারে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে জানানো হলে তিনি বিষয়টি মীমাংসা করে দেবেন বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সানা ওরফে বাবু সানা বলেন ওটা ‘ক’ তফসিলভূক্ত জমি। ওটা সন্তোষের নয়। এমনকি সেলিমেরও কোনো কাগজপত্র নেই। তাই এলাকার ছেলেরা দখলে নিয়েছে। তিনি বলেন দখলের বিষয়টি জানতে পেরে আমি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে বলেছি। তিনি বলেছেন, তিনি নিজে এসে দ্ইুপক্ষকে ডেকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest