সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

crr4ff7vaaagaltবিনোদন ডেস্ক: ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত আইটেম কন্যা জ্যাকলিন মিথিলা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বাড়িতে তিনি মধ্যরাতে আত্মহত্যা করেন। তার বাবা স্বপন শীল থানায় ডায়েরি করেছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মইনুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, এ মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়েছে- স্বামীর সঙ্গে তার ঝগড়া। মামলায় প্রকৃত নাম দেওয়া হয়েছে জয়া শিল, বয়স ২২ বছর।

পুলিশের এ কর্মকতা আরো বলেন, তিনি বিবাহিত ছিলেন। তার স্বামীর নাম উৎপল রায়। স্বামীর বাড়ি ফটিকছড়ি। স্বামীর সঙ্গে তার প্রায়ই ঝগড়া লাগতো। এই কারণে সে আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তাকে চিতায় পোড়ানো হয়েছে বলে জেনেছি।

মিথিলার বাবা স্বপন শীলও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মিথিলা মারা গেছে। গলায় দড়ি দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে। এর আগে সে ঘুমের বড়ি খেয়েছিল। তবে কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে তা এই মুহূর্তে বলতে চাচ্ছি না।

জ্যাকলিন জন্মেছেন এবং শৈশব কাটিয়েছেন ফেনীতে। তার পিতা স্বপন শীল পেশায় নাপিত। জ্যাকলিন কৈশোরের শুরুতে তিনি চট্টগ্রামে চলে আসেন এবং সেখানেই বড় হন। এরপর ঢাকায় এসে মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত হন। কয়েকটি ছবিতে তিনি আইটেম গানে নেচেছেন। সর্বশেষ পিএ কাজল পরিচালিত ‘চোখের দেখা’ ছবির আইটেম গানে নাচেন তিনি।

এছাড়া প্রতিনিয়ত ফেসবুক লাইভে এসে খোলামেলা ভঙ্গিমা দেখিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sam_5125-copyশেখ শরিফুল ইসলাম/মাহাফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড় বাজারের চান্নির চলাচলের পথ নিশ্চিহ্ন করে তার উপর সংস্কারের নামে নির্মাণ করা হচ্ছে পাঁকা দোকান ঘর। আর এই দোকান ঘর নির্মাণের কাজ নিশ্চিত করতে ১২ জন ব্যবসায়ীর নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে সকলকে ম্যানেজ করার দায়িত্ব পালন করছেন শহরের কুখ্যাত চায়না রসুন, সুপারি ও গোলমরিচ চোরাকারবারী সিন্ডিকেটের হোতা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান মুকুল। উল্লেখ্য, কাস্টমস মুকুল ওরফে চিনি মুকুল নামে পরিচিত এই মুকুল এক সময়ে জেলার শীর্ষ চিনি চোরাকারবারী হিসেবে পরিচিত ছিল। চায়না থেকে আমদানিকৃত রসুন সাতক্ষীরা থেকে ভারতে পাচারচক্রের হোতা এই মুকুল দীর্ঘদিন ধরে সুলতানপুর বড়বাজারের মুদি ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রেখেছেন। যদিও তিনি বলেন, এ ধরনের চোরাচালান সংক্রান্ত কোন ঘটনা তার জানা নেই। উল্লেখ্য, গত পৌর নির্বাচনের সময় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রত্যেক সারির টল দোকানগুলোর সামনে দিয়ে চলাচলের জন্য যে পথ রাখা ছিল, তার একটি অংশ সম্পূর্ণ দখল করে সংস্কারের নামে সেখানে পাকা দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। যদিও কয়েকদিন আগে স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হলে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দীন বিষয়টি দেখার জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুণ কুমার মন্ডলকে নির্দেশ দেন। কিন্তু এরপরও নির্মাণ কাজ চলছে যাতায়াতের পথের উপরেই।
বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল বিষয়টিকে একটি পরিকল্পিত দুর্নীতি হিসেবইে দেখছেন। তারা মনে করছেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়েই কেবল এই দখল কাজ দিন-দুপুরে সম্পন্ন হচ্ছে।
বাজারের একাধিক মুদি ব্যবসায়ী পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানান, ছোট ছোট টলের দোকানদের নিকট থেকে মাথাপিছু মোটা অংকের টাকা নিয়ে সুলতানপুর বড় বাজার মুদি ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান মুকুল নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে দুই সারি দোকানের মাঝের চলাচলের পথের উপরেই পাঁকা ঘর নির্মাণ করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
বাজারের মুদি ব্যবসায়ী আব্দুর রউফ, উত্তমসহ কয়েকজন বলেন, সুলতানপুর বড় বাজার মুদি ব্যবসায়ী সমিতির নেতা মুকুল ভাই এই দোকান ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। অন্যদিকে, রতন সাহা নামে এক মুদি ব্যবসায়ী বলেন, আমি টাকা দিতে পারিনি বলে আমার দোকানটি হয়নি। একই লাইনে দোকান হওয়া সত্ত্বেও কয়েকটি দোকান এখনও টলের দোকান আছে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, “আমি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুণ কুমার মন্ডলকে বিষয়টি দেখার জন্য দায়িত্ব দিয়েছি।” তিনি আরো বলেন, “ওখানে দোকান ঘর সংস্কার করার অনুমতি দেয়া হয়েছে কিন্তু ছাদ না দিয়ে টিনের চাল হবে।”
যাতায়াতের পথ বন্ধ করে কীভাবে দোকান সম্প্রসারণ করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যদি যাতায়াতের পথ বন্ধ করে ঘর হয় তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অরুণ কুমার মণ্ডল বলেন, “এক সনা লিজের ক্ষেত্রে অনুমতি সাপেক্ষে পাকা দেয়াল নির্মাণ করা যেতে পারে। তবে ছাদ দেয়া যাবে না।” মাঝখানের যাতায়াতের পথের উপর দোকানঘর নির্মাণের বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, “দুই পাশে যাতায়াতের পথ রেখেই দোকানঘর নির্মাণ করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।”
অন্যদিকে বাজারের মুদি ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান মুকুল বলেন, “আমরা সংস্কারের অনুমতি নিয়েই দোকানঘর পাকা করছি।” যাতায়াতের নির্ধারিত পথের উপর স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি এর কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি ছাত্রলীগের জঙ্গিবাদ বিরোধী মিছিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে আশাশুনি কলেজে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস,এম হুমায়ুন কবির সুমন। সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি প্রভাষক মিজানুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক তাহমিদ হোসেন ডেভিট, ডাঃ বদিউজ্জামান মন্টু, আক্তারুজ্জামান আক্তার, উপজেলা ছাত্রলীগের সেক্রেটারী মনিরুজ্জামান বিপুল, সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সেক্রেটারী ইদ্রিস আলী, শোভনালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোর্জাজুল, সেক্রেটারী মুনছুর আলী, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির রাসেল, সহ-সভাপতি আনারুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মিঠুন ইসলাম, যুবলীগ নেতা গোলাম মোস্তফা, ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল, শামীম, মিনারুল, আমিরুল, রাশিদুজ্জামান, গোলাম আজম, আশরাফুল, সুজন, তোফায়েল, আশিক ও জুয়েল প্রমুখ। সভায় আগামী বৃহস্পতিবার জঙ্গিবাদ বিরোধী মিছিল উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের দাদী ও আওয়ামীলীগের বর্ষিয়ান নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের মৃত্যুতে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : কাদাকাটি ইউনিয়নে ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন ১৯০ পরিবারকে খাদ্যশস্য প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদে ১৯০ জনকে ৩০ কেজি করে চাউল প্রদান করা হয়। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, ট্রেইনার শারমীন চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্কর কুমার সরকার, সচিব গোষ্ঠা বিহারী সরকার, ইউপি সদস্য আবু হাসান বাবু, হরেকৃষ্ণ মন্ডল, সঞ্জয় কুমার সরকার, গোপাল চন্দ্র সানা, শাহ গোলাম মোস্তফা, আয়ুব আলি সরদার, রমজান আলী মোড়ল, মহিলা মেম্বার শাশ্বতী রানী সরকার, কাকলী রানী সরকার ও রমেচা খানম উপস্থিত ছিলেন। সোমবার প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদে ৩৯৪ পরিবারকে চাউল প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনির আনুলিয়া ইউনিয়নের ঘাষ্টিয়া গ্রামের গৌরপদ হালদার মুক্তিযুদ্ধের সরকারী স্বীকৃতি পেতে উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন। মৃত কালিপদ হালদারের পুত্র গৌরপদ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। বীরদর্পে তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। তার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছিল ভারতের বসিরহাট। তিনি বসিরহাট ক্যাম্প থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে হেতাইলবুনিয়া ক্যাম্প হয়ে শেরেবাংলা ক্যাম্পের কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান ও বারী সাহেবের নেতৃত্বে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। ’৭১ এর রনাঙ্গনে জীবনের বাজি রেখে দেশের তরে যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ গ্রহণ করেছিলেন তারা তাদের যোগ্য স্বীকৃতি প্রাপ্ত হবেন এটি সবার কাম্য। কিন্তু দীর্ঘদিন বহু যোগাযোগ করার পরও কাঙ্খিত মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাননি তিনি। বর্তমানে অন-লাইনে আবেদনের বিষয়টিও তিনি জানতে পারেননি। তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব বরাবর যাচাই বাছাইয়ে তাকে সুযোগদানের জন্য আবেদন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : জীর্ন শায়ান্নে অবলোক নয়নে ভ্যাল ভ্যাল করে তাকিয়ে তিনি যেন ভেবে চলেছেন জীবনবাজি রেখে যুদ্ধে অংশ নিলেও আজকে যোগ্য মর্যাদা ছাড়াই তাকে চলে যেতে হবে!  স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর যোদ্ধা মোঃ নূরোল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের সনদ হাতে থাকলেও দীর্ঘ ৪৫ বছরে মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ বঞ্চিত রয়েছেন।
“স্বাধীনতার ইতিহাসে তাঁর অবদান চির উজ্জ্বল হয়ে রইবে” -এই প্রত্যাশার কথা বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদপত্র প্রদান করা হয়েছিল। সনদপত্রের পিছনে ক্রমিক নং রয়েছে। ক্রমিক নং ৪৫১২২। তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব তসলীম আহমদ এবং মুজীব বাহিনীর আঞ্চলিক অধিনায়ক তোফায়েল আহমেদ স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেটটি এখনো তাঁর কাছে রয়েছে। এই সনদটি এখন তাঁর ও তাঁর সন্তানদের কাছে সম্বল ও স্মৃতি হয়ে রয়েছে। কিন্তু পরম পরিতাপের বিষয় তিনি এখনো মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হতে পরেননি। যুদ্ধপরবর্তী জীবনে তিনি অংকের শিক্ষক হিসাবে চাকুরী করেছেন। ২০১০ সালে সফল চাকরীজীবন শেষে কর্মহীন জীবনের মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই তিনি প্যারালাইসিস-এ আক্রান্ত হয়ে চরম অসহায় জীবনযাপন করছেন। অনুভূতিশীল মনে হলেও অনুভূতি প্রকাশের শক্তি হারিয়ে ফলেছেন। জীবনের তুয়াক্কা না করে দেশের তরে শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া মানুষটি বীরমুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র হাতে পেলেও সরকারি স্বীকৃতি (তালিকাভুক্ত হওয়ার গৌরব) পেতে পারেন সেব্যাপারে তাঁর সন্তানেরা বিভিন্ন সময় চেষ্টা করলেও এখনো তা সম্ভব হয়নি। অন লাইনে আবেদনের বিষয়টি ৬৭ বছর বয়সী (বয়সের ভারে ন্যুজ) বীরমুক্তিযোদ্ধা নূরোল ইসলামের সন্তানেরা জানতে পারেননি। এখন জানতে পেরে তারা সরকারি স্বীকৃতি পেতে ছুটে এসেছেন সদর উপজেলা যাচাই বাছাই কমিটির সামনে। সদাশয় সরকার ও যাচাই বাছাই কমিটির কাছে তথ্য দিয়ে মুত্যুর পূর্বে যোগ্য স্বীকৃতির সুযোগ পাবে সেই মানসিকতা নিয়ে আকুল নয়নে অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নলতা প্রতিনিধি : আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এঁর ৫৩ তম বার্ষিক ওরছ শরীফ যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফে বুধবার থেকে শুরু হয়েছে। নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সার্বিক ব্যস্থাপনায় এবং পাক রওজা শরীফের শ্রদ্ধেয় খাদেম ও পবিত্র ওরছ শরীফ উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক আলহাজ্জ মৌলভী আনছার উদ্দিন আহমদ’র বিশেষ দিক নির্দেশনায় অন্যান্য বছরের ধারা অব্যাহত রেখে এবছর ৮,৯,১০ ফেব্রুয়ারি এবং ২৬,২৭,২৮ মাঘ রোজ বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার তিনদিন ব্যাপী বার্ষিক ওরছ শরীফ সফল করার জন্য কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের সভাপতি আলহাজ্জ মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ, যুগ্ম-সম্পাদক সাইদুর রহমান শিক্ষক, সহ-সম্পাদক আলহাজ্জ চৌধুরী আমজাদ হোসেন, মালেকুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্জ মোহাম্মদ ইউনুছ, কর্মকর্তা আকবর হোসেন, আবুল ফজল শিক্ষক, এনামুল হক খোকনসহ নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে মিটিং করেই চলেছেন। এদিকে ওরছ শরীফ উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্ব সাধারনের নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছে। আর উক্ত তিন দিন ব্যাপী বার্ষিক ওরছ শরীফে প্রতিদিন ভোর থেকে সারাদিন ব্যাপী পাক রওজা শরীফে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মাহফিল মাঠে যে সমস্ত প্রখ্যাত আলেম পবিত্র কোরআন ও হাদীসের আলোকে নবী, রসুল ও ওলি-আউলিয়াদের জীবন দর্শন সম্পর্কে আলোচনা রাখতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন তারা হলেন- অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ক্বারী হাফেজ মাওলানা সাইদুল ইসলাম আসাদ। ২৬ মাঘ, ৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার হজরত মাওলানা আল্লামা আলহাজ্জ আবু ছুফিয়ান খান আবেদী আল কাদেরী (আন্তর্জাতিক ও সকল দেশে ইসলাম প্রচারক, আওলাদে অলি, খলিফায়ে গাওছুল আযম বাগদাদ শরীফ (ইরাক), চাঁদপুর, বাংলাদেশ), আলহাজ্জ মুফতী মুহাম্মদ নাজমুস সায়াদাত ফয়েজী (খতিব, মসজিদ-এ-বেলাল (রা.), আরবী প্রভাষক-কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদরাসা, মোহাম্মদপুর,ঢাকা), আলহাজ্জ হজরত মাওলানা মুফতী মো. আব্দুল মজিদ (পিরোজপুরী) খতিব, হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় সুন্নী জামে মসজিদ, হবিগঞ্জ), আলহাজ্জ মাওলানা মো. আবু সাঈদ রংপুরী (মুফাস্সির ও মুহাদ্দিস, খতিব-নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদ)। ২৭ মাঘ, ৯ ফেব্রুয়ারি বৃহষ্পতিবার হাফেজ মাওলানা মোখলেছুর রহমান বাঙ্গালী (আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, কুষ্টিয়া), মাওলানা মো. মফিজুর রহমান খোকা ভাই (আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বক্তা, ভারত), মুফতি শাইখ মোহাম্মাদ উসমান গনী (সহকারী অধ্যাপক, আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফীজম, ঢাকা), মুফতী মাওলানা মো. আলমগীর হুসাইন সাইফী (খতিব, বায়তুল আমান জামে মসজিদ, হবিগঞ্জ)। ২৮ মাঘ, ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ৯ টায় আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে তিনদিন ব্যাপি পীর কেবলা হজরত খানবাহাদুর আহছানউল্লা (র.) এঁর ৫৩তম বার্ষিক ওরছ শরীফের পরিসমাপ্তি ঘটবে। উক্ত অনুষ্ঠানগুলো উপভোগ করার জন্য নলতা কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ মো. আব্দুল মজিদ সকলকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sam_5129-copy-large
নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘সাতক্ষীরায় জলবায়ু অর্থায়ন ও প্রকল্প বাস্তবায়নে চাই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জন অংশ গ্রহণে জলবায়ু অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নে সুশাসন-কেন কিভাবে ও করণীয় শীর্ষক মুক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সাতক্ষীরার আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাগরিক কমিটি (সনাক) সাতক্ষীরার সভাপতি ড. দিলারা বেগম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে মূল বিষয় উপস্থাপন করেন টিআইবি’র সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার মু. জাকির হোসেন খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পওর সাতক্ষীরা নির্বাহী প্রকৌশলী অপূর্ব কুমার ভৌমিক, জেলা তথ্য অফিসার শাহানওয়াজ করিম, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আমজাদ হোসেন, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা সাগর, স্বদেশ এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত, জ্যোন্সা দত্ত, সুশীলনের সিনিয়র প্রোগ্রামার জি.এম মনিরুজ্জামান, অপরেশ পাল প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সনাক সদস্য তৈয়েব হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest