বিনোদন ডেস্ক: সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে হৃত্বিক-ইয়ামি অভিনিত ছবি ‘কাবিল’। ছবিটিতে একজন দৃষ্টিহীন যুবকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড তারকা হৃত্বিক রোশন। ছবিতে অভিনয় ভালো করার খাতিরে হৃত্বিককে দৃষ্টিহীন মানুষের সঙ্গে মিশতে হয়েছিল। সেই সময়ে হওয়া উপলব্ধি থেকেই এবার নিজের ৪৩তম জন্মদিনে চক্ষুদান করেছেন হৃত্বিক।
আদিত্য জোত আই হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও পরিচালক সুন্দরম নটরাজন জানিয়েছেন এ খবর। তিনি বলেন, আমি ‘কাবিল’র ট্রেলার দেখার পরই ছবির প্রোডিউসার রাকেশ রোশনকে ফোন করি। হৃতিক চোখ দানে আগ্রহী কি না সে বিষয়ে জানতে চাই। রাকেশজির জবাবে আমি অবাক হয়ে যাই। তিনি জানান, তার ছেলে এরইমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। আমি হৃতিকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি চোখ দান করেই এ বছর নিজের জন্মদিনটি পালন করতে চায় সে।
গত ১০ জানুয়ারি তেমনটাই করেছেন হৃতিক। ডাক্তার নটরাজনের সঙ্গে রোশন পরিবারের বহুদিনের সম্পর্ক। নটরাজন বলেন, ‘কাবিল’ মুক্তি পাওয়ার আগে এই খবরটি প্রকাশ্যে আসুক, চাননি ডুগ্গু (হৃতিকের ডাক নাম)। কিন্তু ‘কাবিল’ এ হৃতিকের অভিনয় যেভাবে দর্শকদের মন ছুঁয়েছে, এবার এই খবরটিও সকলকে অনুপ্রাণিত করুক। নটরাজনের বিশ্বাস, হৃতিকের এই বিষয়টি অনেককেই অনুপ্রেরণা দেবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়াম্যান ও আ.লীগ নেতা আসাদুল হকের পুত্র আব্দুর রেজা বাবুকে মারপিটের ঘটনায় সিরাজুল ইসলামসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গতকাল বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নলতা প্রতিনিধি: জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফে পীর-এ কামেল অবিভক্ত বাংলা ও আসামের শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক, ঐতিহাসিক,দার্শনিক,‘‘স্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টের সেবা” ব্রত নিয়ে চলা নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা সুলতানুল আউলিয়া,কুতুবুল আকতাব,গওছে জামান,আরেফ বিলাহ,হজরত শাহ্ ছুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রঃ) এঁর ৫৩ তম বার্ষিকী ৩ দিন ব্যাপী পবিত্র ওরছ শরীফ আগামী ইং ৮,৯,১০ ফেব্রুয়ারি-২০১৭,বাং ২৬,২৭,২৮ মাঘ-১৪২৩ নলতা পাক রওজা শরীফের খাদেম আলহাজ্জ মৌঃ আনছার উদ্দীন আহমদ’র সুনিপন তত্তা¡বধানে ও নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নলতা পাক রওজা শরীফ প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত ওরছ শরীফের ১ম দিন ৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার বাদ ফজর হতে পাক রওজা শরীফে খতমে কোরআন মজিদ,মিলাদ শরীফ ও কুতুবুল আকতাব হজরত হাজী হাফেজ সৈয়দ ওয়ারেছ আলী শাহ (রঃ) এঁর রুহের উপর ছওয়াব রেছানী। সকাল সাড়ে ৯ টা হতে পাক রওজা শরীফে হজরত শাহসুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রঃ) এঁর বেছাল শরীফ উপলক্ষে কলেমাখানি ও কুলখানি। বিকাল ৫ টা হতে হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রঃ) এঁর জীবনাদর্শন সম্পর্কে আলোচনা। রাত ১১ টা হতে হজরত রাসুলে করিম (সঃ) ও আউলিয়াগণের জীবনাদর্শন সম্পর্কে আলোচনা। ভোর ৪ টা হতে তাহাজ্জুদ নামাজ, ফজরের নামাজ ও মোনাজাত। ২য় দিন ৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বাদ ফজর হতে পাক রওজা শরীফে খতমে কোরআন মজিদ,মিলাদ শরীফ ও হজরত শাহ্ছুফী সৈয়দ গফুর শাহ আল্ হোচ্ছামী (রঃ) এঁর পাক রুহের উপর ছওয়াব রেছানী এবং কুতুবুল আকতাব হাজী হাফেজ সৈয়দ ওয়ারেছ আলী শাহ (রঃ) এঁর রুহের উপর ছওয়াব রেছানী এবং পীর কেবলা হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রঃ) এঁর আত্মীয়-স্বজন ও ভক্তবৃন্দের রুহের মাগফেরাত কামনা। বিকাল ৩ টা হতে হজরত রাসুলে করিম (সঃ) ও আউলিয়াগণের জীবনাদর্শন সম্পর্কে আলোচনা। ভোর ৪ টা হতে তাহাজ্জুদ নামাজ,ফজরের নামাজ ও মোনাজাত। ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বাদ ফজর হতে পাক রওজা শরীফে খতমে কোরআন মজিদ,কলেমাখানি,মিলাদ শরীফ ও হজরত শাহ্সুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রঃ) এঁর পাক রুহের উপর ছওয়াব রেছানী,বিশ্ব মুসলিম উম্মার জন্য দোয়ার অনুষ্ঠান ও আখেরী মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত ওরছ শরীফে হাজির হয়ে দো-জাহানের অশেষ নেকি হাসিল করার জন্য নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশন কর্তৃপক্ষ সকলকে আহবান জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৬৭জন। প্রথমদিনে জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৭শত ০১ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ২১ হাজার ৫ শত ৩৪ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ শত ৬৭ জন এবং বহিস্কার ০৩ জন। জেলায় মোট ২৩টি এসএসসি কেন্দ্রে প্রথমদিনের বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ১ শত ৬৪ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ১৬ হাজার ১ শত ১১ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ৫৩ জন। এস এস সি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট ৭টি কেন্দ্রে প্রথমদিনের বাংলা-২ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৫ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ১ হাজার ৩২ জন, অনুপস্থিত ছিল ১৩ জন এবং বহিস্কার ০১ জন। দাখিল পরীক্ষার ১০ টি কেন্দ্রে প্রথমদিনের কুরআন মাজিদ ও তাজবীদ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৪শত ৯২ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিল ৪ হাজার ৩ শত ৯১ জন, অনুপস্থিত ছিল ১০১জন এবং বহিস্কার ০২ জন।
নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ায় দুস্থ ও অসহায় মহিলাদের মাঝে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। কলারোয়া হিউম্যান ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ওই সেলাই মেশিনগুলো বিতরণ করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় ৫ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও ১০ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা পঞ্চ মন্দির মায়ের বাড়িতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় এর আওতাধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্ট কর্তৃক মন্দির ভিাত্তক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের ৪র্থ পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের আওতাধীন ২০১৬ শিক্ষা বর্ষের ১৫ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে এ পুরষ্কার বিতরন করা হয়।
গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর: উপজেলার বংশিপুর-মুন্সিগঞ্জ রাস্তার বিভিন্ন স্থানে চলছে দায়সারাভাবে সংস্কারের কাজ। যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এ এলাকার গন মানুষ এবং পর্যটকদের প্রাণের দাবি ছিল রাস্তাটি সংস্কারের।কিন্তু সংস্কারের নামে মানুষের মন বোঝাতে চলছে দায়সারা সংস্কারের কাজ। যেটা এ এলাকার মানুষের কোনদিন কাম্য ছিলনা। রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। উঠে গেছে পিচ ও পাথর। যানবাহনগুলো অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অন্তত ৩ বছর ধরে সড়কটির এ অবস্থা। ফলে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের কষ্টের শেষ নেই। ওই ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় চারের তিন অংশ ভাঙাচোরা। সড়কটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে এর আগেও কয়েকবার কয়েকটি স্থানে ইট দিয়ে গর্ত ভরাটের কাজ করেছেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রাস্তাটি জনবহুল হওয়ায় এটা বেশি দিন স্থায়িত্ব লাভ করেনি। বংশীপুর থেকে মুন্সিগঞ্জ বাজার পর্যন্ত কমপক্ষে ২০টি স্থানে গর্ত তৈরি হয়েছে। এসব বড় গর্তের কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো স্থানে রাস্তা এতটাই খারাপ যে অনেক যানবাহনের চালক ভাঙাচোরা স্থান এড়িয়ে পাশের মাটির অংশ ব্যবহার করেন। বিগত কয়েকদিন পূর্বে মহান সংসদে সাতক্ষীরা-৪ আসনের মাননীয় সাংসদ জনাব এস,এম জগলুল হায়দার এ এলাকার মানুষের ভোগান্তির কথা তুলে ধরেছিলেন।এ জন্য সাতক্ষীরার সকল স্থরের মানুষ সাংসদকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন সংসদ সদস্যকে।এবং রাস্তাটি আবার তার প্রাণ ফিরে পাবে এ আশায় বুক বেধেছিল এলাকার জনগন।তাদের কষ্ঠ লাঘবের স¦প্ন দেখেছিল তারা।পথে চলাচলকারী কয়েকজন যাত্রী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় “রাস্তাটি ভালোভাবে মেরামত না করে দায়সারা মেরামত করা হচ্ছে যেটা কোনদিন কারো কাম্য ছিলনা।” হযরত গাজী নামে একজন পথচারী বলেন “আমরা অত্যন্ত কষ্ঠ করে প্রতি নিয়ত যাতায়াত করি ভেবেছিলাম রাস্তাটি ঠিক হবে কিন্তু যেভাবে কাজ হচ্ছে তা দেখে ভালো লাগার চেয়ে কষ্ঠ হচ্ছে।” এ বিষয়ে রোডস’র জেলা অফিসে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। আর এই ধরনের দায়সারা কাজ রেখে পূর্ণ রুপে কাজ করার আহবান জানিয়েছে এলাকার সুশীল সমাজ।