প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টায় সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ওয়াচ কমিটি ও সনাক সদস্যগণ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় করেছেন। মতবিনিময়কালে বিগত ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অভিভাবক সমাবেশে প্রাপ্ত সমস্যা ও ওয়াচ কমিটি কর্তৃক চার মাসের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন আকারে উপস্থাপন করেন ওয়াচ কমিটির আহ্বায়ক এ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু। পর্যবেক্ষণে বিদ্যালয়ের সেবা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নানা মহলে অসন্তোষ বিরাজমান এবং এক্ষেত্রে ওয়াচ কমিটির মতামতও একই। এছাড়াও কোন বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তথ্য জানাতে চাননা। বিদ্যালয়ের সেবা সংক্রান্ত কোন তথ্য বোর্ড নেই বলে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে বিগত অভিভাবক সমাবেশের চিহ্নিত সমস্যাগুলো নিরসনে জেলা প্রশাসক কর্তৃক পরামর্শ ও প্রদত্ত সিদ্ধান্তের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে- (১) নিয়মিত রুটিন ক্লাস নিশ্চিত করা, (২) প্রতি শনিবার নিয়মিত ভাবে ক্লাস টেস্ট নিশ্চিত করা, (৩) শিক্ষার্থী উপস্থিত নিশ্চিতকরণে বিদ্যালয় কর্তৃক অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে অভিভাকদের সচেতনতা বাড়ানো, (৪) খাবার পানি ও বাথরুম ব্যবহার নিশ্চিতকরণে উদ্যোগ গ্রহণ, (৫) সকল তথ্য উন্মক্তকরণ ও তথ্য বোর্ড স্থাপন করা, (৬) একজন শিক্ষককে দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করার জন্য জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করা হয়। এছাড়াও অভিভাবক সমাবেশের অন্যান্য প্রস্তাব ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার বিষয়টি সুবিবেচনায় রাখতে অনুরোধ জানানো হয়। জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সার্বিক মানোন্নয়নে পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের জন্য ওয়াচ কমিটি ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সানক)কে ধন্যবাদ জানান এবং সমস্যা নিরসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ^াস প্রদান করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এ,এন,এম মঈনুল ইসলাম, সনাক শিক্ষা বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর আব্দুল হামিদ, স্বজন সদস্য চায়না ব্যানার্জি, ওয়াচ কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মো. আজিজুর রহমান, মো. আজিজুল ইসলাম, শামীমা পারভীন ডেইজি, আফসানা পারভীন, সাহিদা সুলতানাসহ টিআইবি এরিয়া ম্যানেজার আবুল ফজল মো. আহাদ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ: কালিগঞ্জের তারালী ইউনিয়নের বাথুয়াডাঙ্গায় সহিংসতা মামলার জেল খাটা আসামি ঠক, প্রতারক কথিত গুনিন আরিজুলের খপ্পড়ে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে শত শত মানুষ। প্রতারণা করে এই ভ- গুনিন ব্যবসা বহু বছর ধরে নির্বিঘেœ চালিয়ে আসলেও বিষয়টি দেখার যেন কেউ নাই। বিভিন্ন দপ্তরে মাসোহারা দিয়ে দিব্যি ১৫/১৬ বৎসর ধরে ঝাড়-ফুক, তদ্বির, তেলপড়া, গাছড়া ঔষধ বানানোর নামে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সহজ সরল নিরীহ ব্যক্তিদের ঠকিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা।


