নিজস্ব প্রতিনিধি :
অবশেষে প্রাণ সায়র খাল দখল করে বাবুখানের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অপসারন করা হয়েছে ঢালাই এর কিছু অংশ। ১৪ মে শনিবার সকালে আলোচিত বাবু খানের স্থাপনাসহ কয়েকটি অবৈধস্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা।
এর মধ্যে বড় বাজার সংলগ্ন খালের সম্পত্তিতে শরিফুল ইসলাম খান বাবু নির্মান করছিলেন অবৈধ স্থাপনা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেখানে গিয়ে কিছু অংশ ঢালাই অপসারন করেন এবং কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন। এছাড়া শহরের গার্লস হাইস্কুল মোড়ে জনৈক সালাউদ্দিন অবৈধভাবে নির্মাণ করছিল একটি দোকান। সেটিও ভেঙে দেন তিনি।
জানা গেছে, প্রাণ সায়র খনন সম্পন্ন হতে না হতেই আবারো অবৈধ দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে দখলদার চক্র। গতবছর প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে খালটির খনন কাজ শুরু হয়। এর ফলে গতবছর খালটি অবৈধ দখল ও দুষণ মুক্ত করতে মাঠে নামে প্রশাসন। উচ্ছেদ করে দেওয়া হয় অবৈধদখলদারদের। বড়বাজার সংলগ্ন মৎস্য ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম খান বাবুর স্থাপনাটিও ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে প্রাণ সায়র খালের প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা করা হয়।
খালটির নির্মাণ কাজ এখনো শেষ হয়নি। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই শরিফুল ইসলাম খান বাবু পুনরায় খালের জায়গা দখলের চক্রান্ত শুরু করেন। বিশেষ করে সম্প্রতি জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়কের পদ হাতিয়ে নেন তিনি। আর এরপর থেকেই অবৈধ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে রাতের আঁধারে নতুন করে অবৈধ স্থাপনা নির্মান শুরু করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বড় বাজারের একাধিক মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, ছিলেন ব্যবসায়ী।
কৌশলে স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়কের পদ পেয়ে নিজেকে অনেক বড় কিছু মনে করেন তিনি। কাউকে তোয়াক্কা করেন না। সারা শহর জুড়ে তার পোস্টারের ছড়াছড়ি।
এবিষয়ে শরিফুল ইসলাম খান বাবুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পূর্বের ডিসি সাহেব ভেঙে দিয়েছিল। আমি আদালতে মামলা করেছিলাম। আদালত আমার পক্ষে রায় দিয়েছেন।
সাতক্ষীরা পৌর প্যানেল মেয়র (৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিল) কাজী ফিরোজ হাসান বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, আজ সকালে নিজে দাড়িয়ে থেকে বাবু খানের কিছু অংশ ঢালাই ভেঙে দিয়েছি। তবে বাবুখানের পক্ষে একটি রায় রয়েছে। আমরা অবশ্য উচ্চ আদালতে লিখেছি। এছাড়া গালর্স স্কুল মোড়ের একবারে রাস্তার ধারে নির্মিত দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এম. আর. এ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একটি হৃদপিন্ড নিয়ে যমজ দুই কন্যা শিশুর জন্ম হয়েছে। শনিবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে অপারেশন সম্পন্ন করেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বায়োকেমিস্ট প্রভাষক, ডাঃ মোঃ আনিছুর রহমান ও ডাঃ ফাতিমা ইদ্রিস ইভা ।
জন্মের পর দেখা যায় বাচ্চা দুটি হলেও তাদের একটি হৃদপিন্ড।
এম. আর. এ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালক, সোলাইমান হোসেন জানান, গরিব পরিবারের রোগি ভুরুলিয়া ইউনিয়নের দেউলিয়া গ্রামের ফজর আলীর স্ত্রী তহুরা এই টুইন বেবির জন্ম দেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে ফজর আলী জানান ডাক্তাররা আমাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মেডিকেল কলেজে নিতে বলছিল, আর্থিকভাবে দুর্বল হওয়ায় আমরা বাইরে নিতে পারিনি।
দেবহাটা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাতক্ষীরা-০৩ আসনের সাংসদ অধ্যাপক ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি।
শনিবার (১৪ মে) বেলা ১২টায় দেবহাটা কলেজের আরসিসি সংযোগ সড়কের উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে দিনভর কর্মসূচী শুরু করেন তিনি।
এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন,
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. নাজিম উদ্দীন, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান শাওন, আওয়ামী লীগ নেতা, আব্দুর রউফ, আনোয়ারুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী, সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা আহছান উল্লাহ কল্লোলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সুবর্ণাবাদ সেন্ট্রাল হাইস্কুলের নতুন ভবন উদ্বোধন সংক্রান্ত প্রস্তুতি সভায় যোগদান, বহেরা এটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন, কুলিয়া ইউনিয়ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠের উদ্বোধন ও ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার উদ্বোধন ও উপভোগ করেন এমপি রুহুল হক।
আশাশুনি ব্যুরো:
আশাশুনিতে বৈদ্যুতিক বোর্ডের লুস কানেকশনের ফলে ঘরে আগুন লেগে ৪ লক্ষ্যাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়নের খরিয়াটি গ্রামের মৃত আজিজ খাঁ’র ছেলে নুর ইসলাম খাঁ’র বেড রুমে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সরেজমিন ঘুরে ও প্রতক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বৈদ্যতিক বোর্ডের লুজ কানেকশন এর ফলে আগুন লেগে ঘরে থাকা খাট-পালঙ্গ,
টিভি ফ্রিজ ও আলমারিতে থাকা নূর ইসলামের সৌদি আরব যাওয়ার ভিসা সংক্রান্ত এজেন্সির জরুরী কাগজপত্র, নগদ ১ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৪ লক্ষ্যাধিক টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে।
বাড়ির লোকজন ও প্রতিবেশিরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে আগুন নেভানো সম্ভব হলেও ততক্ষণে ঘরে থাকা অধিকাংশ জিনিস পত্র পুড়ে ছই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত নুর ইসলাম জানান, বিদেশ যাওয়ার জন্য জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন থেকে ১ লক্ষ টাকা ও অন্যান্য সমিতি থেকে ৮৭ হাজার টাকা নিয়ে আলমারির ভিতরে রেখেছিলাম। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটে আগুন লেগে ঘরে থাকা আসবাবপত্র ও জরুরী কাগজপত্র সহ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, এমতাবস্থায় বলতে গেলে তিনি একেবারে নিঃস্ব।
অনলাইন ডেস্ক: এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চাঞ্চল্যকর হাজার কোটি টাকা লোপাট মামলার মূল অভিযুক্ত ও পলাতক আসামি প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মে) সকালের দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হাজার কোটি টাকা পাচারকারী পি কে হালদার নাম পাল্টে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে বসবাস করতেন। প্রদেশের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোক নগরের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। শনিবার সেখান থেকে পি কে হালদারসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।
এর আগে, শুক্রবার দিনভর কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার অন্তত ৯টি স্থানে অভিযান চালায় ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সেসময় উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার পোলেরহাটে দু’টি বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় পি কে হালদারের ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধার অবৈধ সম্পত্তির খোঁজে অভিযান শুরু করে ভারতের এই সংস্থা। কর্মকর্তারা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে এই তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তাদের সঙ্গে প্রচুর নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন।
পরে শনিবার পি কে হালদারের সম্পত্তির খোঁজে দ্বিতীয় দফায় আবারও অভিযান শুরু করে দেশটির আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত মুম্বাই এবং রাজধানী দিল্লিতেও অভিযান শুরু করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা।
ইডি বলেছে, ব্যক্তিগত আইনজীবী সুকুমার মৃধার সহায়তায় পি কে হালদার পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের একাধিক রাজ্যে বিপুল সম্পদ করেছেন। বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে অর্থপাচারের মাধ্যমে ভারতে একাধিক অভিজাত বাড়িসহ বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন বলে খোঁজ পেয়েছে ইডি।
দেশটির কেন্দ্রীয় এই তদন্ত সংস্থা বলছে, তারা ইতোমধ্যে পি কে হালদারের কাছ থেকে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন। এসব নথিতে প্রাথমিকভাবে ভারতে তার ২০ থেকে ২৫টির মতো বাড়ির মালিকানার তথ্য মিলেছে।
এক বিবৃতিতে ইডি বলেছে, বাংলাদেশি নাগরিক প্রশান্ত কুমার হালদার, প্রীতিশ কুমার হালদার, প্রাণেশ কুমার হালদার এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রশান্ত কুমার হালদার নিজেকে শিব শঙ্কর হালদার নামে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতেন।
বাংলাদেশি এই অর্থপাচারকারী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে ভারতীয় রেশন কার্ড, ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, প্যান এবং আধার কার্ডও সংগ্রহ করেছিলেন। প্রশান্ত কুমার হালদারের অন্য সহযোগীরাও ভারতীয় এসব কার্ড জালিয়াতির মাধ্যমে সংগ্রহ করেন।
বাংলাদেশি এই নাগরিকরা প্রতারণার মাধ্যমে ভারতীয় ভোটার কার্ড পাওয়ার পর সেখানে ব্যবসায়িক কোম্পানি চালু করেন। কোম্পানি পরিচালনার পাশাপাশি কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে স্থাবর সম্পত্তি কিনেছেন তারা।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সারাদেশে বিএনপি ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র আয়োজনে শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক এডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম চেয়ারম্যানের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।
বিক্ষোভ মিছিলটি সাতক্ষীরা শহরের প্রধান সড়কের ওয়াপদা অফিসের সামনে থেকে শুরু হয়ে নিউমার্কেট দিয়ে সাতক্ষীরা জজকোর্ট এর স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী আলাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় ওলামা দলের যুগ্ম আহবায়ক মাও: দেলোওয়ার হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক যথাক্রমে আব্দুর রউফ চেয়ারম্যান, তারিকুল হাসান, হাবিবুর রহমান হাবিব হবি,
মৃণাল কান্তি রায়, সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক শের আলী, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এড. নুরুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রুহুল কুদ্দুস চেয়ারম্যান, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ এবাদুল ইসলাম (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান), কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ,
কলারোয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব নুরে আলম সিদ্দিকী, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মশিউল হুদা তুহিন, শ্যামনগর উপজেলার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান কবির, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব ডাঃ শফিকুল ইসলাম বাবু, সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদ,
সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু, সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল আহমেদ মানিক, সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আহসানুল কাদির স্বপন, সাতক্ষীরা জেলা ওলামা দলের সভাপতি রন্জু, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শেখ শরিফুজ্জামান সজীব, সাতক্ষীরা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য এবিএম সেলিম, সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচ আর মুকুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এড. কামরুজ্জামান ভুট্টো, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব শাহিনুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন,
জেলা মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাহামুদুল ইসলাম, জেলা জাসাসের সদস্যসচিব ফারুক হোসেন সহ সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা এ সময় অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করাসহ আগামীতে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের জোর দাবী জানান। একই সাথে তারা সারাদেশে বিএনপসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসী হামলা মামলা ও নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
নিজস্ব প্রতিনিধি : শিক্ষকের কাছে কোচিং না করায় সাতক্ষীরার নলতা আইএইচটি’র শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদককে তুলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। এসময় ওই শিক্ষার্থীর শরীরের বিভিন্ন অংশে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে থেতলিয়ে দেওয়া হয়।
শুক্রবার (১৩ মে) রাত সাড়ে ১০টায় ইনস্টিটিউটের পুরুষ হোস্টেলের ৩১৩ নং রুমে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। রাতে ওই শিক্ষার্থীকে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ১১ টায় নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে দেখতে যায় সাতক্ষীরা তিন আসেন সংসদ সদস্য সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।
নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী সোলায়মান হোসেন ম্যাটস শাখা ছাত্র লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মোহাম্মদ হানিফের ছেলে এবং আইএইচটি’র তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, রেডিওলজি বিভাগের শিক্ষক সাইদী হাসানের কথামতো রাত ১০টার দিকে শিক্ষার্থী সোলায়মানকে রুম থেকে তুলে নিয়ে যায় কিশোর গ্যাং সদস্য নাহিদ, রশিদ ও রানা। তাদের মধ্যে নাহিদ ও রশিদ আইএইচটির ছাত্র এবং রানা ম্যাটস এর ছাত্র।
মারপিটের শিকার শিক্ষার্থী সোলায়মান হোসেন বলেন, শুক্রবার রাত দশটার দিকে ডাইনিং এর বিষয়ে কথা বলার জন্য ভবনের চারতলায় মিটিং ডাকে রেডিওলজি বিভাগের নাহিদ। মিটিং শেষে নাহিদ আমাকে বলে তোর সাথে আমার কথা আছে তুই আমার রুমে আয়। আমি নাহিদের রুমে গেলে সে প্রথমে আমাকে তালের রস খাওয়ায়। তুই কি এখানে কি এমন হয়ে গেছিস তোরে আমি দেখে নেব। আমি বলি কি হয়েছে? বল্লে রশিদ ও নাহিদ আমাকে মারপিট শুরু করে। রানা ও তাদের সহযোগিতা করে।
সোলায়মান বলেন, তারা জিআই পাইপ ও লোহার রড দিয়ে আমার শরীরের গিরার গিরায় মারপিট করে। একপর্যায়ে আমার মাথায় লোহার রড দিয়ে বাড়ি মারলে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফিরলে দেখি রশিদ, নাহিদ ও রানা আমাকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছে। পরে তারা আমাকে নলতা হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়।
সোলাইমান আরও বলেন, সাইদী হাসান স্যারের কাছে কচিং না করায় তার নির্দেশে আমাকে মারপিট করা হয়েছে। এর আগে স্যার আমার কাছে বিভিন্ন কারণে টাকা চায়, আমি না দেওয়ায় আমাকে মারা হয়েছে।
অভিযুক্ত রেডিওলজি বিভাগের শিক্ষক সাইদী হাসানের নাম্বারে একাধিক বার কল করলেও তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া য়ায়।
এ বিষয়ে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির অধ্যক্ষ মো: ফারুকুজ্জামান বলেন, নির্যাতনের ঘটনাটি সত্য। কলেজে ছোট খাটো এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে। সেটি আমরা কলেজ থেকে মিমাংসা করেছি। এটি বড় ঘটনা এজন্য দ্রুতই তদন্ত কমিটি গঠন পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলোও খতিয়ে দেখা হবে।
কালিগঞ্জ থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন এঘটনায় কোন অভিযোগ পাইনি, তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…