সর্বশেষ সংবাদ-
সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডেএবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভাআশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ৭ আসামি গ্রেপ্তারদেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষাসাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার : ৬টি মোবাইল জব্দদেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভাসাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি 

আজ সেই ভয়াল ২১ আগস্ট

দেশের খবর: আজ ভয়াল ২১ আগস্ট। ২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সভায় গ্রেনেড হামলা করেছিল জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী (হুজি)। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন।
পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও তার শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই দিনটি গ্রেনেড হামলা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। নিহতদের স্মরণে আজ সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবে আওয়ামী লীগ। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৪ বছর আগে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সভার খোলা ট্রাকে নির্মিত উন্মুক্ত মঞ্চে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেন। ভাষণ শেষ করে তার ‘সন্ত্রাসবিরোধী শোভাযাত্রার’ উদ্বোধন ঘোষণার মুহূর্তে নৃশংস গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে মুহূর্তের মধ্যে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়। পুরো বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়।
চারদিকে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় পড়ে থাকে সারি সারি মানুষ। মানুষের গোঙানি আর কাতর চিৎকারে ভারি হয়ে ওঠে আকাশ-বাতাস। এ সময় নেতাকর্মীরা মানবঢাল বানিয়ে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেন। তবে প্রাণ হারান আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী।
পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রাণে বেঁচে গেলেও তার শ্রবণশক্তি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে যত নৃশংস সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে সেগুলোর মধ্যে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা সবচেয়ে ভয়াবহ।
ওইদিন বিকাল ৩টা থেকে দলটির নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে জড়ো হতে থাকে। বিকাল ৫টার দিকে বুলেট প্রুফ গাড়িতে সমাবেশস্থলে আসেন শেখ হাসিনা। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রায় ২০ মিনিট বক্তৃতা শেষে তিনি সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল শুরুর ঘোষণা দিতে যান। কিন্তু এর আগ মুহূর্তে গ্রেনেড হামলা করা হয়। গ্রেনেড হামলার সময় মঞ্চে বসা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা শেখ হাসিনার চারপাশে ঘিরে মানবঢাল তৈরি করেন।
এতে শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। এ সময় পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। শেখ হাসিনার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণও করা হয়। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ বীভৎস রূপ নেয়। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ছিন্নভিন্ন দেহ আর রক্ত। আশপাশে পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
সেদিনের ঘটনায় আহত পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীর মধ্যে অনেকে আজও গ্রেনেডের স্লিন্টারের দুর্বিষহ যন্ত্রণা ভোগ করছেন। যন্ত্রণা নিয়ে তারা ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
সেদিন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা লিটন মোল্লা গুরুতর আহত হন। তার শরীরে এখনও ৫০টি স্লিন্টার রয়েছে। দুই কানেও সমস্যা হয়েছে। দেশে চিকিৎসা হলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। লিটন মোল্লা যুগান্তরকে বলেন, গ্রেনেডের স্লিন্টার তার ভেইনের মধ্যে ঢুকে আছে, যা বের করা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রায়ই বাঁ পায়ে খুব ব্যথা হয়। আবার তীব্র ব্যথার জন্য কোমরে বেল্টও পরতে পারেন না।
তার আর্থিক অবস্থা এখন ভালো নয়। অর্থের অভাবে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যেতে পারছেন না তিনি। ইব্রাহিমপুরে তার একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থাকলেও এক-এগারোর সরকার তা ভেঙে দিয়েছে।
২১ আগস্টের হামলার সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, আহতদের সাহায্যে এগিয়ে না এসে পুলিশ উল্টো তাদের হেনস্তা করে। ওই সময় ক্ষমতায় থাকা বিএনপি সরকারের ভূমিকা নিয়েও নানা বিতর্ক ও প্রশ্ন রয়েছে। গ্রেনেড হামলার পর তদন্তে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছিল তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে।
জজ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে দিয়ে গ্রেনেড হামলার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার বিষয়টি ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল। ২০০৭ সালের সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ওই হামলার ঘটনায় পুনরায় তদন্ত হয়। সেই তদন্তে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান এবং তৎকালীন বিএনপি সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর নাম বেরিয়ে আসে।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে পুনরায় এ মামলার তদন্ত শুরু হয়। সেই তদন্তে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামও উঠে আসে।
নিহতরা হলেন : ইতিহাসের বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নিহতরা হলেন- সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী ও আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভী রহমান, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী ল্যান্স কর্পোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামী লীগ কর্মী রেজিনা বেগম, নাসির উদ্দিন সরদার, আতিক সরকার, আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারী, আমিনুল ইসলাম, মোয়াজ্জেম, বেলাল হোসেন, মামুন মৃধা, রতন শিকদার, লিটন মুনশী, হাসিনা মমতাজ রিনা, সুফিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), মোশতাক আহমেদ সেন্টু, আবুল কাশেম, জাহেদ আলী, মোমেন আলী, এম শামসুদ্দিন এবং ইসাহাক মিয়া। বাকি একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
এছাড়া আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু, আবদুর রাজ্জাক, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, এএফএম বাহাউদ্দিন নাছিম, নজরুল ইসলাম বাবু, আওলাদ হোসেন, মাহবুবা পারভীন, অ্যাডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল, নাসিমা ফেরদৌস, শাহিদা তারেক দীপ্তি, রাশেদা আখতার রুমা, হামিদা খানম মনিসহ পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন।
গ্রেনেড হামলার বিচারের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে : দিবসটি উপলক্ষে সোমবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২১ আগস্টের হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা এবং মদদদাতাদের সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে দেশ থেকে হত্যা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের চির অবসান এবং দেশে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আশা করি, ২১ আগস্টের শোককে শক্তিতে পরিণত করে সন্ত্রাস ও জঙ্গিমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ, উদার, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের সব নাগরিক ঐক্যবদ্ধ হবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি চাকরিজীবিকে গ্রেপ্তার করতে লাগবে অনুমতি

দেশের খবর: অভিযোগপত্রের আগে ফৌজদারি মামলায় কোনো সরকারি চাকরিজীবিকে গ্রেপ্তার করতে সরকারের অনুমতি লাগবে। এমন বিধান রেখেই সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার (২০ আগস্ট ২০১৮) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বৈঠকের আলোচ্য বিষয় সাংবাদিকদের জানান।

সচিব জানান, সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর খসড়া অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় কোনো সরকারি চাকরিজীবি এক বছরের সাজা পেলে বা মৃত্যুদণ্ড হলে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। বাংলাদেশের কোনো সরকারি চাকরিজীবী যদি বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন, তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে।

এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল-২০১৮ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদ দেওয়া হয়েছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদনও দেওয়া হয় মন্ত্রিসভায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাস-লেগুনার সংঘর্ষে ৮ জন নিহত

দেশের খবর: নরসিংদীতে যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে কমপক্ষে ১০ জন।

আজ সোমবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরব ও নরসিংদীর সীমান্ত এলাকা বেলাবো উপজেলার দরিকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরগঞ্জ থেকে বস পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকা যাচ্ছিল। গাড়িটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরব ও নরসিংদীর সীমান্ত এলাকা বেলাবো উপজেলার দরিকান্দি এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা ভৈরবগামী একটি যাত্রীবাহী লেগুনার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আট যাত্রী মারা যায়। গুরুতর আহত হয় আরো ১০ জন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে ভৈরবসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। হতাহতদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

বেলাবো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহামুদ জানান, দুইটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছে। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুশখালীতে শিশুদের খেলাধুলার উপকরণ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ

জি.এম আবুল হোসাইন : সদর উপজেলার ২নং কুশখালী ইউনিয়নের ভাদড়ায় পলাশ সোস্যালাইজেশন সেন্টারে শিশুদের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র আয়োজনে ও সেভ দ্য চিলড্রেন’র সহযোগীতায় সভায় রবি ও সোমবার ২দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী দিনে সভাপতিত্ব করেন পলাশ শিশু ক্লাবের সভাপতি মোছা. তন্নি খাতুন। জীবন দক্ষতা, এ্যাডভোকেসি, নেতৃত্ব ও নেটওয়ার্কিং বিষয়ে পলাশ শিশু ক্লাবের সকল সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। সমগ্র প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র জিসিসি প্রকল্পের কমিউনিটি মোবিলাইজার মো. আবুল হোসেন। এসময় সহায়ক হিসেবে সেশন পরিচালনায় সহযোগীতা করেন, ইয়ুথ ভলান্টিয়ার মো. হাবিবুর রহমান ও শারমিন আরা পারভিন।

প্রশিক্ষণ শেষে কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য মোছা. মনজুরা খানম (ইতি), পলাশ অভিভাবক দলের সভাপতি ও সদর উপজেলা আ’লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ক্বারী মিজানুর রহমান, সিবিসিপিসি’র সদস্য সাবেক এসআই আব্দুল বারী, সিএমসি সদস্য মোছা. হেনা খাতুন, আতিক ইকবাল প্রমুখের উপস্থিতিতে শিশুদের খেলার জন্য ক্রিকেট ব্যাট, বল, লুডুসহ বিভিন্ন খেলাধুলার উপকরণ ও দরিদ্র শিশুদের স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির ৪ আশ্রায়ন প্রকল্পে কোরবাণীর পশু বিতরণ

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার ৪টি আশ্রায়ন প্রকল্পে (গুচ্ছ গ্রাম) সরকারি ভাবে ৪টি কুরবাণির পশু বিতরণ করা হয়েছে। সোমাবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পশু (গরু) বিতরণ করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের নির্দেশনা মোতাবেক জিআর ফান্ড হতে প্রায় এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪টি গরু ক্রয় করা হয়। গরুগুলি আশ্রায়ন প্রকল্পের অসহায় ভূমিহীন বাসিন্দারা পবিত্র ঈদ-উল-আযহার দিন কুরবানি করে নিজেরা স্বপরিবারে গোস্ত খাওয়ার সুযোগ পাবে। কাদাকাটি ইউনিয়নের তেতুলিয়া আশ্রায়ন প্রকল্পের ১৪০ পরিবারের জন্য একটি গরু তুলে দেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফফারা তাসনীন। এসময় কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্কর কুমার সরকার, ইউপি সদস্য রমজান আলি ও আয়ুব আলি উপস্থিত ছিলেন। পরে নাকনা, ভোলানাথপুর ও বালিয়াপুর আশ্রায়ন প্রকল্পের ৩টি গরু পৌছানোর বব্যস্থা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি টু ঘোলা সড়কের বেহাল দশা

আশাশুনি ব্যুরো : সাতক্ষীরা টু আশাশুনি ভায়া কোলা-ঘোলা পর্যন্ত প্রধান সড়কটি চলাচলে অনুপোযোগি হয়ে পড়েছে। এ সড়কটি আগষ্ট/সেপ্টেম্বরে টেন্ডারের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৩/৪ মাসের ভিতরেই কাজ শুরু হবে বলে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগ থেকে জানাগেছে। ৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪২ কিঃ মিঃ রাস্তাটি সংস্কার হলে আশাশুনির ব্যবসা বানিজ্য সহ সর্বসাধারণের মনে আনন্দ ফিরে আসবে। দীঘদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে বেহাল দশায় পরিনত হওয়া ৪২ কিঃ মিঃ রাস্তার বেশিরভাগ অংশই যেন এখন মরন ফাঁদ। বর্তমানে এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার লোক আশাশুনি, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর ও সাতক্ষীরা জেলা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করে থাকে। সড়কটিতে যাত্রীবাহী বাস, মিনিবাস, ট্রাক, নছিমন, করিমন, ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল সহ প্রভৃতি যানবাহন চলাচল করে থাকে। সড়ক সংলগ্ন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মধ্যে রয়েছে আশাশুনি বাসস্ট্যান্ড, হাড়িভাঙ্গা বাজার ও মৎস্যসেট, মহিষকুড় মৎস্যসেট, নাকতাড়া-কালিবাড়ী বাজার, মাড়িয়ালা মৎস্য সেট ও হিজলিয়া বাস স্ট্যান্ড ও হাট। এসব বাজার ও মৎস্য সেটে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার বেঁচাকেনা হয়ে থাকে। সড়কটি ব্যবহার করেই ব্যবসায়ীরা দক্ষিণাঞ্চলের সাদা-সোনা খ্যাত চিংড়ী মাছ সহ বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করে থাকে। সড়কটির উপর দিয়েই এ অঞ্চলে উৎপাদিত লক্ষ লক্ষ টন চিংড়ী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো সহ বিদেশেও রপ্তানী হয়ে থাকে। যার মাধ্যমে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব অর্জন করে থাকে। ফলে এটি উপজেলার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, ৪২ কিঃ মিঃ এ সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্ত হয়ে রয়েছে। সড়কটিতে যানবাহনে চলাচলের দূর্ভোগের হাত থেকে রেহাই পেতে অনেকে পায়ে হেটে চলাকে নিরাপদ মনে করছে। কিন্তু বাস্তবে সেটি সম্ভব না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এলাকাবাসী। সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তারা জানান, আশাশুনি টু কোলা ঘোলা পর্যন্ত ১৮ কিঃ মিঃ রাস্তার ভিতর নাকতাড়া কালিবাড়ী বাজার থেকে কলিমাখালী পর্যন্ত পৌনে ৩ কিঃ মিঃ রাস্তার এবছর কার্পেটিং করা হয়েছে। এছাড়া হাড়িভাঙ্গা মৎস্য সেট সংলগ্ন ও নাকতাড়া মসজিদ সংলগ্ন সড়কে ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ইটের সোলিং করা হয়েছে। আগষ্ট সেপ্টেম্বরে টেন্ডারের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৩/৪ মাসের ভিতর কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুরনগর বাজারে মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়ের অভিযোগ

 

পলাশ দেবনাথ নুরনগর : শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর বাজারে মুুদি দোকান সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও বিক্রয় চলছে। একজন ক্রেতা নুরনগর বাজারের মরিয়ম ক্লিনিকের ডাঃ আব্দুল হাকিম এর অভিযোগের ভিত্তিতে অত্র বাজরে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় নুরনগর বাজারের মুদি দোকানদার রবু অধিকারীর দোকান থেকে আব্দুল হাকিম অনান্য মালামালের সাথে দুই প্যাকেট পুষ্টি সুজি কিনে বাড়ীতে নিয়ে যান। এবং তিনি দেখতে পান উক্ত সুজির প্যাকেটের মেয়াদ আরও এক মাস আগে শেষ হয়ে গেছে। তাৎক্ষনিক বিষয়টি স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকদের অবহিত করল্।ে সাংবাদিকবৃন্দ সুজি ক্রয় কারীকে নিয়ে রবু অধিকারীর মুদি দোকানে গেলে তিনি উক্ত সুজি বিক্রয়ের কথা স্বিকার করেন। এবং এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, তোমরা এবিষয় রির্পোট করবা করো কোন সমস্য নাই। এই খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়লে সাধারন জনগনের মধ্যে মিশ্র প্রক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অনেক কেই বলতে শোনা যায় বাজারে মেয়াদ উর্ত্তিণ পন্য বিক্রয় হচ্ছে আর প্রশাসনের কোন মাথা ব্যাথা নেই? এছাড়া স্থানিয় সচেতন মহল বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন আগত ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বাজার গুলোতে অভিযানের মাধ্যমে পর্ণ্যরে মেয়াদ নিশ্চিত করনের আশু প্রয়োজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হ্যান্ডসাম হওয়ার ১০টি সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক: নারীর রূপচর্চা নিয়ে কত কথাই না বলা হয়। কত ফ্যাশন, কত বাহারি সাজগোজ, কত রকমের ট্রেন্ড নিয়ে চলে আলোচনা। কিন্তু পুরুষের সাজপোশাক এখনও ততটা আলোচ্য বিষয় নয়। তবে পুরুষেরও প্রয়োজন আরও আকর্ষনীয় হয়ে ওঠার। কীভাবে হয়ে উঠবেন হ্যান্ডসাম তারই কিছু টিপস রইল এই প্রতিবেদনে-
১. ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
রুক্ষতা পুরুষের গয়না, রাফ মানেই হ্যান্ডসাম- এসব বলার দিন চলে গেছে। রুক্ষতা এখন আর পুরুষের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট নেই। তাই অ্যাটিটিউড হোক বা ত্বক কোনও কিছুতেই রুক্ষতা রাখার প্রয়োজন নেই। তাই শেভ করার পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
২. শেভ করুন
দাড়ি রাখা জেন ওয়াই এর নতুন ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। কিন্তু তাই বলে সেই দাড়ি বেড়ে মাটিতে ঠেকে যাওয়ার ব্যাপারটি কিন্তু মোটেই হ্যাপেনিং নয়। তাই শেভ করুন সঠিকভাবে। দাড়ি রাখতে চাইলে তাকে ট্রিম করুন। এতে আপনার ফ্যাশন সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতা উভয়ই বজায় থাকবে।
৩. সানস্ক্রিম ব্যবহার করুন
ট্যান পড়া নিয়ে তো মেয়েরা ভয় পায় আর ছেলেরা বাদামীই ‘হট’ – এমন ভাবনা বয়ে বেড়ানোর দিন শেষ। রোদে ঘুরে মুখময় ট্যান নিয়ে ঘুরে বেড়ানো কোনোভাবেই কেতাদুরস্ত নয়। তাই রাস্তায় বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিম ব্যবহার করুন।
৪. নখ পরিষ্কার রাখুন
নিয়মিত হাত এবং পা এর যত্ন নিন। হাত ও পা পরিষ্কার রাখুন। নখে যাতে ময়লা না জমে থাকে, সেই বিষয়ে লক্ষ্য রাখুন। মনে রাখবেন, অগোছালো ভাব অনেকেই আকর্ষনীয় মনে করেন কিন্তু অপরিচ্ছন্নতা নয়।
৫. পাকা চুল ও কাঁচা মন
চুলে পাক ধরছে? আর সেই চিন্তায় রাতের ঘুম উড়ে গেছে? ভাবছেন চুল রং করবেন? বার্গেন্ডি কিংবা কাক-কালো? এমন যদি অবস্থা হয়ে থাকে তবে চুল রং করার ভাবনাটি সবার আগে পরিত্যাগ করুন। পাকাচুল কিংবা ‘গ্রে হেয়ার’ কিন্তু বর্তমান যুগের সবচেয়ে ট্রেন্ডি ফ্যাশন। বার্ধক্য কিংবা বয়স বেড়ে যাওয়াকে তাই লুকিয়ে না রেখে আপন করে নিন। মনে রাখবেন পরিণতমনস্ক পুরুষদের মহিলারা বেশি পছন্দ করেন। আর তাই ‘গ্রে-হেয়ার’ ম্যানও মহিলাদের চোখে একটু বেশিই হ্যান্ডসাম।
৬. ফেসিয়াল করান
আকর্ষনীয় হয়ে ওঠার জন্য ত্বকের যত্ন নেওয়া খুব জরুরি। তাই নিয়মিত ফেসিয়াল করান। সময়ের খুব অভাব হলেও মাসে একবার ফেসিয়াল করিয়ে নিন। ত্বকের সতেজতা বজায় রাখতে এটি খুবই জরুরি।
৭. দাঁত পরিষ্কার রাখুন
নিয়মিত দাঁত মাজুন এবং যারা সিগারেট বা তামাক জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করেন তারা দু’মাস অন্তর ডেন্টিস্টের কাছে যান এবং দাঁতের পরিচর্যার ব্যাপারে খেয়াল রাখুন। মনে রাখবেন সুন্দর হাসি পুরুষ ও নারী উভয়ের সৌন্দর্যই বাড়ায়।
৮. ভালো পারফিউম ব্যবহার করুন
মনে রাখবেন বেশিরভাগ পুরুষেরই ঘেমে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। অল্পেতেই ঘেমে যাওয়া ব্যাপারটির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া ছাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অন্য কোনও উপায় থাকে না। কিন্তু ঘামের সঙ্গে যে ভয়ানক দুর্গন্ধ হয় তা বয়ে নিয়ে বেড়ানোর ইচ্ছেটা মোটেই ভালো না। তাই ভালো পারফিউম ব্যবহার করুন এবং দুর্গন্ধমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।
৯. মুখ পরিস্কার রাখুন
দিনে একবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোবেন। এতে মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়।
১০. ফ্যাশনদুরস্ত থাকুন
পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতন থাকুন। যে পোশাক আপনাকে মানায়, তেমন পোশাকই পরুন। মনে রাখবেন সঠিক পোশাক আপনার ব্যক্তিত্বর প্রকাশ ঘটায়৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest