সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতDe Meest Winstgevende Spellen Bij Jaabet Die U Moet ProberenKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgū

আাশশুনির বড়দলে সুদে মহাজনদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ : সাংবাদিককে হুমকি

 

আশাশুনি ব্যুরো: গত ৭ আগষ্ট মঙ্গলবার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের সুদে মহাজনদের বিরুদ্ধে তাদের চড়া সুদের ছোবলে একাধিক অসহায় পরিবার নিঃশ্ব হওয়ার সংবাদ প্রকাশে এলাকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ব্যপক সমালোচনার ঝড় বইতে দেখা গেছে। সুদে মহাজনদের নাম উল্লেখ করে তাদের আসল মুখোশ সর্ব সাধারনের সন্মুখে উন্মক্ত করায় স্থানীয় সাংবাদিককে ফোনে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন এক সুদে মহাজন। এ প্রতিবেদককে তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশে সহায়তা কারী, চড়া সুদের টাকা দিতে না পেরে পরিবার থেকে পালিয়ে বেড়ানো আছাদুল সরদারের স্ত্রী মুর্শিদা বেগমকে চেকের মামলার ভয় দেখিয়ে সাংবাদিককে তথ্য দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন কেয়ারগাতী গ্রামের অমেদ আলীর পুত্র বাজারের সানমুন টেলিকমের মালিক আছাফুর রহমান। মুর্শিদা বেগম মুঠো ফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, আছাফুর তাকে ফোনে এবং তার স্বামীর বড় ভাইদের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে মামলার ভয় দেখিয়ে সাংবাদিকদের তথ্য দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক সাংবাদিক জানান, যাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে তারা তাকে যে সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করেছে তার নাম বলার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন। সাংবাদিকের নাম না বললে দেখে নেয়ার হুমকি ও দিয়ে চলেছেন। আছাদুলের মাতা মুর্শিদার শ্বাশুড়ী প্রতিবেদককে জানান, আছাদুল সুদের টাকা দিতে না পেরে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তিন সন্তান, স্ত্রী ও আমি সব মিলে ৫টি প্লেটে ভাত বাড়তে হয় তিন বেলা। তার একটি হাত ভেঙে গেছে চিকিৎসার জন্য টাকার দরকার সব মিলিয়ে তারা খুব অসহায়। এদিকে সংবাদ প্রকাশের পর অনেকে অভিযোগ করেছে গোয়ালগাংগা বাজারের গীতাঞ্জলী জুয়েলার্সের মালিক বিশ্বনাথ শীল কয়েক জনকে বড় অংকের লাভের আশা দেখিয়ে তাদের স্ব স্ব নামে বিভিন্ন সমিতি থেকে টাকা তুলে নিয়ে সে সুদে বসিয়ে দেয়। বিশ্বনাথ তাদেরকে বলেছিল টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি কিস্তি টাকা সে সুদের টাকা থেকে দিয়ে দেবে। বছর শেষে আসল টাকা সবাইকে পিরিয়ে দিবে। কিন্তু আসল টাকা তো দুরের কথা তিন/ চার কিস্তি দেয়ার পর আর কাহরো খোজ সে রাখেনি। এলাকার সচেতন মহলের দাবি উল্লেখিত সুদখোরদের বাহিরেও কিছু সুদখোর বর্তমানে বড়দলের বিভিন্ন এলাকায় তাদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। এ সুদের টাকা আদাই করাকে কেন্দ্র করে বহু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে এবং ভবিষ্যতে ঘটার সম্ভবনা আছে। বিষয়টি আমলে নিয়ে এ এলাকার সুদখোরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সকল শ্রেণি পেশার মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ১২’শ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী আটক

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরার পদ্মশাখরা সীমান্ত থেকে ১২’শ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার সকালে সদর উপজেলার পদ্মশাখরা সীমান্তের আশা সমিতির মোড় থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত মাদকব্যবসায়ীরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ডাক্তার মহিয়ুর ইসলাম ওরফে ময়ুর ডাক্তারের ছেলে দূধর্ষ ছিনতাইকারী মোহন (৩২), একই উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সঞ্জয় মোড়লের ছেলে ইসমাইল হোসেন দ্বীপ (৩৩) ও বৈচনা গ্রামের মাহমুদ আলী গাজীর ছেলে আসাদুল ইসলাম (২৮)।
সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক শাহারিয়ার হাসান জানান, সাতক্ষীরার পদ্মশাখরা সীমান্ত দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান দেশের ভিতরে আনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তের আশা সমিতির মোড় এলাকা থেকে উক্ত তিন জনকে আটক করে তাদের চ্যালেঞ্জ করা হয়। এরপর তাদের দেহ তল্লাশী চালিয়ে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১২’ শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, আটককৃত তিন মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তবে, আটক মোহনের বিরুদ্ধে ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারী হৃদরোগীদের জন্য নারী ডাক্তাররাই সেরা

স্বাস্থ্য কণিকা: যেসব নারী হৃদরোগে আক্রান্ত বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, তাদের চিকিৎসা যদি হাসপাতালে একজন নারী ডাক্তারকে দিয়ে করানো হয় তাহলে তাঁর বেচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
গত ১৯ বছর ধরে ৫ লাখ ৮০ হাজার হার্ট এটাকে আক্রান্ত রোগীদের ওপর এ সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করা হয়।
সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, যেসব রোগীদের পুরুষ ডাক্তার দেখভাল করেছেন তাদের মধ্যে ১৩ দশমিক তিন শতাংশ মৃত্যুবরণ করেছে।
অন্যদিকে নারী ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকা রোগীদের মধ্য মারা গেছে ১২ শতাংশ।
তবে কোন পুরুষ ডাক্তারের দলে যদি বেশ কয়েকজন নারী সহকর্মী থাকেন তাহলেও রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
গবেষকরা একটি তত্ত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, নারী রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক পুরুষ চিকিৎসক ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।
স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা বলেছে যে এই ফলাফলগুলি যুক্তরাজ্যের হাসপাতালগুলিতে প্রয়োগের আগে এ নিয়ে আরও কাজ প্রয়োজন।
১৯৯১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ফ্লোরিডা হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া বিভিন্ন রোগীদের মেডিকেল তথ্য পর্যালোচনা করেন গবেষকরা।
রোগীদের বয়স, জাতি এবং মেডিকেল ইতিহাসের মতো বিষয়গুলি বিবেচনা করার পর, তারা দেখেছেন যে একজন রোগীকে যদি একজন নারী চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়, তবে রোগীর হার্ট অ্যাটাক থেকে বেঁচে ফেরার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
তবে ফলাফলের পার্থক্য নারী রোগীদের ওপর প্রভাব ফেলে সবচেয়ে বেশি।
পুরুষ ডাক্তাররা যখন হৃদরোগীদের চিকিৎসা করেছিলেন তখন পুরুষ রোগীর মৃত্যুর হার ১২ দশমিক ৬ শতাংশ থাকলেও নারীদের ক্ষেত্রে সেটা বেড়ে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশে ঠেকেছিল।
কিন্তু যখন একজন নারী চিকিৎসক যখন চিকিৎসার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন তখন সেই শতাংশের হার পুরুষ রোগীদের ক্ষেত্রে ১১.৮% এবং নারী রোগীদের ক্ষেত্রে ১২% এ নেমে আসে।
সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ বিজ্ঞানী ড. শেঠ কারনারহান বলেন, “আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে যে পুরুষ ডাক্তারের চেয়ে নারী চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রোগীদের অবস্থার উন্নতি তাড়াতাড়ি হয়েছে।”
আমাদের গবেষণায় এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে একজন নারী চিকিৎসকের উপকারিতা বিশেষ করে একজন নারী রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে বড় ধরণের প্রভাব ফেলে।”
গবেষণা দলটি আরও জানায় যে, হাসপাতালে দুর্ঘটনা এবং জরুরী ইউনিটে নারী চিকিৎসকের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে সেখানে আসা নারী রোগীদের বেঁচে থাকার হার।
নারী চিকিৎসক যতো বেশি থাকে, নারী রোগীদের সেরে ওঠার সম্ভাবনা ততোই বেড়ে যায় বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।
এবং সেই ইউনিটের প্রধান যদি একজন পুরুষ চিকিৎসক থাকে তাহলে তা আরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
গবেষকদের মতে, চিকিৎসকদের হয়তো এমন প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে যে হৃদরোগ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষরা আক্রান্ত হয়ে থাকে বেশি।
তবে, এ ধরণের গবেষণায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলেও জানান গবেষকরা।
কারণ গবেষণাটি এটা প্রমাণ করতে পারে না যে, শুধুমাত্র নারী চিকিৎসকদের উপস্থিতি রোগীদের সেরে ওঠার হার বাড়িয়ে দেয়।
ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মাউরিন টালবোট বলেন, “হার্ট এটাকে আক্রান্ত নারী ও পুরুষ রোগীদের চিকিৎসার ব্যাপারে দাতব্য সংস্থা পূর্বে যে গবেষণা পরিচালনা করেছিল তার ফলাফলে উদ্বেগজনক পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে।”
তিনি বলেন “গবেষণাটি এই তত্ত্ব সমর্থন করছে ঠিকই, তবে এখানে পক্ষপাতিত্ব বিদ্যমান কিনা তা দেখার জন্য যুক্তরাজ্যের হাসপাতালগুলোয় এ সংক্রান্ত আরও গবেষণার প্রয়োজন।”
“এটা আমাদের জন্য বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে রোগীর যত্নের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।” জানান মাউরিন টালবোট
এছাড়া এইচএইচএফ ইতোমধ্যে গবেষণা করছে যে হৃদরোগে আক্রান্ত নারীদের সেরে ওঠার হার কিভাবে উন্নত করা যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের জার্নাল প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেসের -এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহিদুলকে হাসপাতালে ভর্তি করার মতো কিছু হয়নি: হারুন

দেশের খবর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ-আল-হারুন বলেছেন, শহিদুল আলমের শারীরিক অবস্থা ভালো। আমাদের মেডিক্যাল বোর্ড তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছে। তাকে হাসাপাতালে ভর্তি করার মতো কিছু হয়নি। তিনি যেসব ওষুধপত্র খেতেন তাই চলবে। আমাদের ডাক্তাররা তার ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়েছেন। বুধবার (৮ আগস্ট) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে শহিদুল আলমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ-আল-হারুন বলেন,‘এখানে আসার পর শহিদুল আলম হাসছিলেন এবং প্রশ্ন করেন— তাকে কেন হাসপাতালে আনা হয়েছে? তিনি তো ভালো আছেন।’
শহিদুল আলমের শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএসএমএমইউ’র পরিচালক বলেন,‘আমাদের মেডিক্যাল বোর্ড এমন কিছু পায়নি এবং তিনি নিজেও এ বিষয়ে ডাক্তারদের কিছু বলেননি। তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র দিয়ে আবার ফেরত দেওয়া হয়েছে।’
এর আগে বুধবার সকাল ৯টার দিকে আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে বিএসএমএমইউ’তে আনা হয়।
উল্লেখ্য, রবিবার (৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায়। পাঠশালার ভাইস প্রিন্সিপাল তানভির মুরাদ তপু বলেন, ‘রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহিদুল আলমকে ধানমন্ডি ৯/এ সড়কের বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অজ্ঞাত লোকেরা তুলে নিয়ে গেছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষার্থীদের আবারও আন্দোলনের বস্তুগত কারণ নেই : কাদের

দেশের খবর: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবারও আন্দোলনে নামার বস্তুগত কারণ নেই।
আজ বুধবার রাজধানীর আজিমপুর এতিমখানা মাঠে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কাদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বস্তুত শেষ হলেও ষড়যন্ত্র থেমে নেই বিএনপির।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমার তো মনে হয়, এ মুহূর্তে আন্দোলন হওয়ার মতো বস্তুগত পরিস্থিতি দেশে বিরাজমান নেই। এ মুহূর্তে তো নানা খেলা চলছে, অশুভ খেলা চলছে। যারা নিজেদের আন্দোলন করার সক্ষমতা নেই, ব্যর্থ হয়ে বিদেশিদের কাছে দেশের বদনাম করে।’
একই সঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের খুঁজে বের করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দলীয় এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কাদের বলেন, ‘(আক্রমণকারীদের) খুঁজে বের করা হচ্ছে। অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গণমাধ্যমকর্মীরা, তারা খবর সংগ্রহ করতে আসে। তাদের ওপর হামলা করবে যারা, তারা আমাদের বন্ধু নয়, তারা আমাদের শত্রু। তারা যেই দলেই থাকুক। আক্রমণকারী আমাদের কেউ হলে, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের কেউ হলে, আপানারা আমাদের কাছে তাদের নাম দিন; আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব এবং আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
বক্তব্য শেষে আওয়ামী লীগের দুর্যোগ ও ত্রাণ উপকমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুস্থ, এতিম এবং প্রতিবন্ধীদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করেন ওবায়দুল কাদের
এদিকে, বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় বঙ্গমাতার আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এ সময় বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে এবং বঙ্গবন্ধুর আন্দোলন-সংগ্রাম বঙ্গমাতার অবদান স্মরণ করার পাশাপাশি দেশের রাজনীতি প্রসঙ্গে কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
বনানীতে কাদের বলেন, ‘যারা আন্দোলনে ব্যর্থ, তারা নালিশই করে। সে নালিশটা দেশের লোকের করে না, বিদেশির কাছে করে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১ নভেম্বর থেকে শুরু জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা

দেশের খবর: অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফেকেট (জেডিসি) পরীক্ষার সূচি চূড়ান্ত করে আজ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে জেএসসির পরীক্ষার সূচি প্রস্তুত করে তা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ের পাঠায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটি। এর প্রধান হিসেবে রয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সরকারি মাধ্যমিক-১ আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী ১ নভেম্বর থেকে এই পরীক্ষা শুরু হয়ে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। বোর্ডের ওয়েবসাইটে সময়সূচি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সময়ন্বয় সাব-কমিটি পরীক্ষার সূচি তৈরি করে অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি এখন প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. আবদুল খালেক স্বাক্ষরিত সূচিতে দেখা গেছে, প্রথম দিন জেডিসি অনুষ্ঠিত হবে কোরআন মজিদ ও তাজবিদ বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বোরকা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য: ক্ষমা চাইবেন না জনসন

বিদেশের খবর: মুসলিম নারীরা বোরকা পরলে তাদেরকে ‘চিঠির বাক্সের মতো’ দেখায় এবং তারা ‘ব্যাংক ডাকাতদের’ মতো। এমন মন্তব্য করেছিলেন সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। এ মন্তব্য করার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ওই মন্তব্যের জন্য তিনি ক্ষমা চাইবেন না বলে জানিয়েছেন।
ওই মন্তব্যের জন্য জনসনকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি উঠেছে। এই দাবির সমর্থন জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে-ও। তিনি বলেন, জনসনের মন্তব্য ‘সুস্পষ্ট অবমাননা’।
এদিকে, জনসনের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, জনসন ক্ষমা চাইবেন না।
সূত্রটি জানিয়েছে, তার দৃষ্টিভঙ্গির জন্য সমালোচনাকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করেছেন জনসন।
জনসনের ওই মন্তব্য প্রসঙ্গে বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালিস্টার বার্ট বলেন, আমি মনে করি তার মন্তব্যে অপরাধের একটা মাত্রা আছে। পোশাকের বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করবে না সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমার মা চিন্তা ভাবনায় উচ্চমানের ছিলেন

দেশের খবর: আমার মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা লেখাপড়ার তেমন সুযোগ না পেলেও চিন্তা ভাবনায় তিনি খুব উচ্চমানের ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার মা খুব জ্ঞানপিপাসু ছিলেন। তার খুব বই পড়ার অভ্যাস ছিল। আব্বার জন্য বই কিনতেন। লেখাপড়ার তেমন সুযোগ না পেলেও চিন্তা ভাবনায় তিনি খুব উচ্চমানের ছিলেন।
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে জাতির পিতা হত্যাকারীদের নিষ্ঠুর, বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে তিনিও শাহাদাত্বরণ করেন। শহীদ বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মাত্র ৩ বছর বয়সে পিতা ও ৫ বছর বয়সে মাতাকে হারান। তার ডাক নাম ছিল রেণু।
পিতার নাম শেখ জহুরুল হক ও মাতার নাম হোসনে আরা বেগম। দাদা শেখ কাসেম চাচাতো ভাই শেখ লুৎফর রহমানের পুত্র শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বেগম ফজিলাতুন্নেছার বিবাহ দেন। তখন থেকে বেগম ফজিলাতুন্নেছাকে শাশুড়ি বঙ্গবন্ধুর মাতা সাহেরা খাতুন নিজের সন্তানদের সঙ্গে মাতৃস্নেহে লালন-পালন করেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে তিনি প্রাথমিক লেখাপড়া করেন। অতঃপর সামাজিক রীতি-নীতির কারণে গ্রামে গৃহশিক্ষকের কাছে লেখাপড়া করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest