সর্বশেষ সংবাদ-
ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাতালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছায় উদ্ধারসাতক্ষীরা জেলা এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সভাসাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমের

দেশে ৭০ লাখ মাদকাসক্ত, প্রতিবছর মাদকে ব্যয় ৬০ হাজার কোটি টাকা

দেশের খবর: জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সদস্য ডা. অরুপ রতন চৌধুরী বলেছেন, দেশে প্রায় ৭০ লাখ মাদকাসক্ত রয়েছে, আর প্রতিবছর মাদকের পেছনে তারা ৬০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ প্রতিদিন আয়োজিত ‘মাদক বিরোধী অভিযান ও বাস্তবতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি সমাজে মাদকাসক্তির কারণ হিসেবে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে মাদক গ্রহণ , কৌতুহলবশত মাদক গ্রহণ, হতাশা, পরীক্ষায় ফেল, প্রেমে ব্যর্থতা, পারিবারিক প্রতিকূল পরিবেশ, ধর্মীয় ভাবাগের অনুপস্থিতি, মাদকের সহজ লভ্যতাকে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, তিনভাবে মাদকের প্রসার রোধ করা যায়, আর তা হলো- সাপ্লাই রিডাকশন, ডিমান্ড রিডাকশন ও হার্ম রিডাকশন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সচিব নাসির উদ্দিন আহমদ, বিএসএমএমইউ এর ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মোহিত কামাল, ঢাবি অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামালউদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাসেত মজুমদার, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী সিকদার (অব.), নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মো. আব্দুর রশীদ (অব.), জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা.ফারজানা, জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার শেখ আসলাম, অভিনেতা জায়েদ খান, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পিকে-শাকিরার দামি সম্পত্তি চুরি হয়ে গেল!

খেলার খবর: বিশ্বকাপ নিয়ে এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে স্পেন। তবে এর মধ্যেই তারকা ডিফেন্ডার পিকে’র মন নেই বিশ্বকাপে। তিনি এখন ব্যস্ত বাড়ি থেকে খোওয়া যাওয়া দামি জিনিসপত্র উদ্ধার করা নিয়ে। আসলে পিকে-শাকিরার বাড়িতে বড়সড় চুরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, দামি গহনা, জুয়েলারি, ঘড়ি চুরি হয়েছে এসপ্লাগেস ডি লবরিগাটের বাড়ি থেকে। বার্সেলোনা থেকে এই স্থানের দূরত্ব ৫ কিলোমিটার। এখানেই শাকিরার সঙ্গে বাসা পিকে’র।

তবে বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য বর্তমানে জাতীয় দলের সঙ্গে রয়েছেন পিকে। অন্যদিকে স্ত্রী শাকিরা গান গাইতে বেড়িয়েছেন ওয়ার্ল্ড ট্যুরে। কর্তা-গিন্নির অনুপস্থিতিকেই ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছেন চোরেরা।

তবে জানা গেছে, পিকে, শাকিরা বাড়িতে না থাকলেও সেই বাড়িতে ছিলেন পিকের বাবা-মা। তাদেরই প্রথম নজরে আসে চুরির ঘটনা। তৎক্ষণিকভাবে কাতালান থানায় খবর দেন তারা।। আপাতত সেই ঘটনার জন্য তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনা গড়িয়েছে বহুদূর। এমনকি স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপের কানেও পৌঁছেছে এই চুরির ঘটনা।

রাশিয়ার বিমানে ওড়ার আগে জাতীয় দলের ফুটবলারদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন রাজা ফিলিপ। সেখানেই রাজার কাছে ব্যক্তিগত সমস্যার কথা তুলে ধরেন পিকে। তবে চোরদের হদিস পেতে ছুটেছে পুলিশ। কারণ, বাড়িতে চোরেদের কোনও হাতের ছাপ পাওয়া যায়নি। সেলিব্রিটি চোর বলে কথা!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করছেন? তাহলে জেনে নিন!

স্বাস্থ্য কণিকা: বেশিরভাগ পুরুষই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন কিন্তু জানেন কী, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে শরীরে মারত্মক ক্ষতি হয়। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে সব মারাত্মক ক্ষতি হয় তা নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ। এক নজরে দেখে নিন দাড়িয়ে প্রস্রাব করার মারাত্বক ক্ষতিকর দিকগুলো-

১) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলি মূত্রথলির নীচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে মূত্রথলিতে চাপ লাগে, ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

২) দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

৩) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপরের অংশে কোনও চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু স্বাভাবিক ভাবে বের হতে পারে না। উল্টে তা শরীরের উপর দিকে উঠে যায়। এর ফলে শরীরের অস্থিরতা, রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের গতি বৃদ্ধি পায়।

৪) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলি শরীর থেকে ঠিক মতো বেরিয়ে যেতে পারে না। সেগুলি মূত্রথলির নীচে গিয়ে জমা হয়। দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে এই দূষিত পদার্থগুলি জমতে জমতে কিডনিতে পাথর সৃষ্টি করে।

৫) একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন, তাঁরা শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস বা মারাত্মক কিডনির অসুখে আক্রান্ত হন।

সুতরাং, বদলে নিন অভ্যাস, সুস্থ শরীরে বাঁচুন দীর্ঘদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হোয়াইটওয়াশ হয়েও মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকের র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি

খেলার খবর: আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের একটিতেও জয় পায়নি বাংলাদেশ। আফগান বোলিং তোপে পুরোপুরি বিধ্বস্ত টাইগার ব্যাটিং লাইন। তবে টিম বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ হলেও প্রতি ম্যাচেই চেষ্টা চালিয়ে গেছেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আর তারই পুরস্কার হিসেবে র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হলো এই দুই তারকা টাইগারের।

টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় মাহমুদউল্লাহ ৪ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ৩৩তম স্থানে। অন্যদিকে মুশফিক ৩ ধাপ উন্নতি করে উঠে এসেছেন ৪১তম স্থানে।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ তৃতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে করেছেন ৪৫ রান। তার আগে দ্বিতীয় ম্যাচে করেছিলেন ১৪ আর প্রথম ম্যাচে ২৯ রান। তিন ম্যাচে তার মোট রান ৮৮ রান। ব্যাট হাতে এই রান করার পাশাপাশি বল হাতে ২টি উইকেটও নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।

অন্যদিকে মুশফিক তিন ম্যাচে করেছেন ৮৮ রান। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে বৃহস্পতিবার করেছেন ৪৬ রান। তার আগে দ্বিতীয় ম্যাচে করেছিলেন ২২ রান। আর প্রথম ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ২০টি রান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওজন কমায় ইসবগুল!

স্বাস্থ্য: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য বরাবরই আমরা ইসবগুলের শরণাপন্ন হয়ে থাকি। তবে এটি অভ্যন্তরীণ পাচনতন্ত্রের সমস্যার ঘরোয়া চিকিৎসা ও প্রতিকারের জন্য বেশ উপকারি। তবে এই সাদা ভুষিটির উপকারিতা শুধুমাত্র হজমতন্ত্রের মাঝেই সীমিত নয়। এর অনেক ধরনের উপকারিতা রয়েছে। এটি আমাদের শরীর থেকে খারাপ পানীয় বের করে দিতে সক্ষম। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা ওজন কমাতেও সক্ষম। আসুন এর নানাবিধ উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

১। হজমক্রিয়ার উন্নতি:
দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশে ভরপুর ইসবগুল হজম প্রক্রিয়াকে সঠিক অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে। এটি শুধু পাকস্থলী পরিস্কার রাখতেই সাহায্য করে না, এটি পাকস্থলীর ভেতরের খাবারের চলাচলে এবং পাকস্থলীর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনেও সাহায্য করে। তাই হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে নিয়মিতভাবে ইসবগুল খেতে পারেন। এছাড়া মাঠা বা ঘোলের সাথে ইসবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন ভাত খাওয়ার পরপরই।

২। কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ:
ইসবগুলে থাকে কিছু অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্য আঁশের চমত্কার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব ভালো ঘরোয়া উপায় হিসেবে কাজ করে। এটি পাকস্থলীতে গিয়ে ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিকভাবে পানিগ্রাহী হওয়ার কারণে পরিপাকতন্ত্র থেকে পানি গ্রহণ করে মলের ঘনত্বকে বাড়িয়ে দিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ২ চামচ ইসবগুল এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে পান করে নিন।

৩। ওজন কমানো:
ওজন কমানোর উদ্দেশ্যকে সফল করতে ইসবগুল হচ্ছে উত্তম হাতিয়ার। এটি খেলে বেশ লম্বা সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয় এবং ফ্যাটি খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে কমায়। এছাড়াও ইসবগুল কোলন পরিস্কারক হিসেবেও পরিচিত। এটি পাকস্থলী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে, হজম প্রক্রিয়াকে আরো বেশি কার্যকর করে স্বাস্থ্যবান থাকতে সাহায্য করে।

ভেষজ শাস্ত্র অনুযায়ী এটি পাকস্থলীর দেয়ালে যেসব বর্জ্য পদার্থ থাকে তা পরিস্কার করতে সাহায্য করে, যা অন্যান্য হজমজনিত সমস্যাও দূর করে। কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ ইসবগুল ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে ভাত খাবার ঠিক আগে খেতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেলেও তা ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

৪। অ্যাসিডিটি প্রতিরোধ:
বেশির ভাগ মানুষেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে আর ইসবগুল হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার। ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি সঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে।

৫। ক্যালোরির পরিমাণ কম:
ইসবগুলে থাকা খাদ্য আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে যা আমাদেরকে হৃদরোগ থেকে সুরক্ষিত করে। হৃদরোগের সুস্থতায় ইসবগুল সাহায্য করে কারণ এটি উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ এবং কম ক্যালরিযুক্ত। ডাক্তাররা সব সময় হৃদরোগ প্রতিরোধে এমন খাবারের কথাই বলে থাকেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রহস্যজনক অাগুনে বিঅারটিসির ১১টি বাস পুড়ে ছাই

দেশের খবর: রাজধানী খিলক্ষেতে বিআরটিসির জোয়ারসাহারায় বাস ডিপোতে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে ১১টি বাস ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, রাত সোয়া ১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। প্রায় ৩ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে ১১টি বাস পুড়ে যায়। এদের মধ্যে একতলা ৬টি ও ৫টি দোতলা বাস রয়েছে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় এখনো ক্ষয়ক্ষতি পরিমান হিসাব করা সম্ভব হয়নি। আগুনের সূত্রপাতের কারণও জানা যায়নি। কারণ জানতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. সফিকুল ইসলাম জানান, ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছার কারণে ডিপোতে রক্ষিত অনেকগুলো বাস আগুন থেকে রক্ষা পেয়েছে।

বিঅারটিসি সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ড পুড়ে যাওয়া বাসগুলো মতিঝিল-জয়দেবপুর, মোহাম্মদপুর-কুড়িল বিশ্বরোড ও মতিঝিল-আবদুল্লাহপুর রুটে চলাচল করতো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফুটবল বিশ্বকাপে শ্রাবণ্যর ‘কিক অফ’

বিনোদনের খবর: রাশিয়ায় আয়োজিত ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য প্রায় প্রতিদিনই হাজির হবেন তৌহিদা শ্রাবণ্য। মাছরাঙা টেলিভিশনে ‘কিক অফ’ নামের একটি লাইভ অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করবেন তিনি। দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে প্রতিদিন এর উপস্থাপকের আসনে দেখা যাবে তাকে।

এ প্রসঙ্গে শ্রাবণ্য বললেন, ‘ক্রিকেট হোক আর ফুটবল, যে কোনও বড় টুর্নামেন্ট এলে উপস্থাপনার সুযোগ পেলে ভালো লাগে। ফিফা বিশ্বকাপ হলো ফুটবলের বৈশ্বিক আসর। তাই আমি এককথায় রোমাঞ্চিত।’

ম্যাচ বিশ্লেষণ, পরিসংখ্যানসহ বিভিন্ন তথ্য দেওয়া হবে ‘কিক অফ’ অনুষ্ঠানে। কিন্তু একদিনে একাধিক ম্যাচ থাকলে? শ্রাবণ্যর উত্তর, “একদিনে তো চারটি ম্যাচও আছে। সেজন্য নওশীন আপুও উপস্থাপনা করবেন ‘কিক অফ’। পালা করে আমরা উপস্থাপনা করবো। আমাদের অতিথি থাকবেন দেশের খ্যাতনামা ফুটবলার ও বিশ্লেষকরা।”
২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপ চলাকালেও টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছিলেন শ্রাবণ্য। সেই অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগবে বলে আশাবাদী তিনি। তার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। অন্য সমর্থকদের মতো তিনিও লিওনেল মেসির হাতে শিরোপা দেখতে চান।
আগামী ১৪ জুন রাশিয়ায় শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবলের মহাযজ্ঞ ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৮’। এবার ৩২টি দলের অংশগ্রহণে ৬৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ জুন উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক রাশিয়ার মুখোমুখি হবে সৌদি আরব। ১৫ জুলাই পর্দা নামবে ফুটবলের এই বৃহত্তম আসরের।

মূলত ক্রিকেটকেন্দ্রিক অনুষ্ঠানের নিয়মিত মুখ তৌহিদা শ্রাবণ্য। নাটক-বিজ্ঞাপনেও রয়েছে তার ঝলমলে উপস্থিতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের প্রতিটি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ ৬০ হাজার টাকা

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ যে শিশু জন্ম নেবে, তার মাথায় ৬০ হাজার টাকা ঋণের দায় চাপবে। কারণ বর্তমানে দেশের প্রতিটি নাগরিকের মাথাপিছু এ পরিমাণ ঋণ রয়েছে। গত এক বছরে যা বেড়েছে প্রায় ৯ হাজার টাকা। আগামী এক বছরে তা আরও সাড়ে ৭ হাজার টাকা বাড়বে। ফলে ওই সময়ে মাথাপিছু ঋণের স্থিতি দাঁড়াবে ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা। তাই আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও প্রস্তাবিত বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছে সরকার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কর আদায় করতে না পারায় সরকারকে বেশি ঋণের আশ্রয় নিতে হচ্ছে। আর এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, সরকার প্রতিবছর দেশীয় উৎস থেকে যে হারে ঋণ নিচ্ছে, তা অর্থনীতির ব্যবস্থাপনার জন্য ইতিবাচক নয়। কারণ সুদের হার বেড়ে যায়, যা বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে। তিনি বলেন, প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে কর আদায়ের হার অত্যন্ত কম। বর্তমানে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় কর আদায় ১০ শতাংশের কম। অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হলে জিডিপির তুলনায় কর আদায় অন্তত ১৫-১৬ শতাংশ থাকা উচিত। তিনি বলেন, করের হার বাড়াতে না পারলে ঋণ কমবে না। তিনি আরও বলেন, ঋণ নিয়ে বাজেট ঘাটতি মেটানো ভালো পদক্ষেপ নয়। এতে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা নষ্ট হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ৯ লাখ ৮৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণ ৮ লাখ ৬২ হাজার ২২৪ কোটি এবং সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত মিলিয়ে ৯৩ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া এ পরিমাণ ঋণ জিডিপির প্রায় ৩৯ শতাংশ। অন্যদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ১৭ লাখ। এ হিসাবে প্রতিটি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ ৬০ হাজার টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫১ হাজার ৭৫৫ টাকা। এ হিসাবে এক বছরে বেড়েছে প্রায় ৯ হাজার টাকা। এরপর আগামী অর্থবছরে আরও ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিতে যাচ্ছে সরকার। এর মধ্যে বিদেশি ঋণ ৫০ হাজার ১৬ কোটি টাকা, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা ঋণ নেয়া হবে। ফলে ঋণের স্থিতি আরও ৭ হাজার ৫০০ টাকা বাড়বে। এ ঋণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কারণ সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে যে ঋণ নেয়া হয়, তার বিপরীতে সরকারকে বছরে ১১ শতাংশ পর্যন্ত সুদ গুনতে হচ্ছে। এ কারণে আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঋণ পরিশোধে ৫১ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে সরকার। যা দুটি পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের সমান। এ ক্ষেত্রে ঋণ কমলে এ টাকা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা যেত।

এ ব্যাপারে মির্জ্জা আজিজ আরও বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ ঋণ অনেক ব্যয়বহুল। সেই ঋণের একটা মোটা অংশ যদি হয় সঞ্চয়পত্র, তাহলে তা আরও ব্যয়বহুল। সরকার ব্যয়বহুল ঋণ বেশি নিচ্ছে, এর অর্থই হচ্ছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো অগ্রাধিকার খাতগুলোয় সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ রাখতে পারছে না।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সরকার বর্তমানে যে ঋণ নিচ্ছে তার ৬০ শতাংশই অভ্যন্তরীণ উৎসের। এতে আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, ঋণনির্ভরতা কমানোর জন্য রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাজস্ব খাতে বিভিন্ন সংস্কার জরুরি।

পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, সরকার ঠিকমতো ঋণ ব্যবস্থাপনা করতে পারছে না বলেই এর দায় নিতে হচ্ছে জনগণকে। তুলনামূলকভাবে বিদেশি ঋণ অনেক সাশ্রয়ী। কিন্তু সরকার সহজ পথ হিসেবে বেছে নেয় বেশি সুদের অভ্যন্তরীণ উৎসকে। এতে আর্থিক খাতে চাপ বেড়ে যায়।

অন্যদিকে মুদ্রা পরিস্থিতি ইতিবাচক অবস্থায় নেই। ব্যাংকের আমানতের চেয়ে জনগণের হাতে টাকা বেশি বাড়ছে। বর্তমানে দেশে ব্যাপক (এম২) মুদ্রার পরিমাণ ১০ লাখ ৫১ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে মেয়াদি আমানত ৮ লাখ ২৫ হাজার কোটি, তলবি আমানত ৯৮ হাজার ২০৭ কোটি এবং ব্যাংকের বাইরে জনগণের হাতে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা।
সূত্র: যুগান্তর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest