সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

photo-1496923934ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের মান্দসুরে বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে নিহত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার হয়েছেন বিরোধী দল কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের পর অস্থায়ী কারাগার হিসেবে একটি গেস্টহাউসে রাখা হয় রাহুলকে।

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র সিং বলেন, ‘সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভাঙার চেষ্টা করেছেন রাহুল গান্ধী, যা ঠিক নয়। স্কুলছাত্রের মতো হেলমেট না পরে মোটরসাইকেলে চড়া একজন জাতীয় নেতার সঙ্গে যায় না।’

সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের অন্য নেতাদের মান্দসুরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

শস্যের দাম বাড়ানো ও ঋণ মওকুফের দাবিতে কয়েকদিন ধরে মান্দসুরে বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্যে কারফিউ বলবৎ আছে। সেই বিক্ষোভের মধ্যে মঙ্গলবার গুলি চালায় পুলিশ। এতে পাঁচ কৃষক নিহত হন।

ঘটনার একদিন পর বুধবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে এক বার্তায় রাহুল জানান, তিনি নিহত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চান। আর এ বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। সংগঠনটির দাবি, রাহুল কৃষকদের বিক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাচ্ছেন।

বিক্ষোভে উত্তাল সেই রাজ্য সফরে যাওয়ার পথে রাহুল সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বিত্তশালীদের ছাড় দিয়েছেন। কিন্তু তিনি কৃষকদের ঋণ মওকুফ করতে পারছেন না।

এর আগে সকালে রাজস্থান রাজ্যের উদয়পুরে যান রাহুল। পরে সেখান থেকে তাঁকে বহনকারী গাড়িবহর রওনা দেয় ১৮০ কিলোমিটার দূরবর্তী মান্দসুরের দিকে। সীমান্তের কাছে গাড়ি আটকে দেওয়া হলে উপস্থিত নিরাপত্তাকর্মী, কংগ্রেস নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যদের ভিড়ের মধ্যেই একটি মোটরসাইকেলে চড়েন রাহুল। এরপর সীমান্ত থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে আবার তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। এরপর উপায়ান্তর না দেখে ত্বরিত গতিতে হাঁটা শুরু করেন কংগ্রেসের সহসভাপতি। এ সময় পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রাকেশ গুপ্তের সঙ্গে তাঁকে ধ্স্তাধস্তি করতে দেখা যায়। পুলিশি ব্যারিকেডের একপর্যায়ে মাঠ ধরে হাঁটতে থাকেন রাহুল। এর একপর্যায়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে একটি গেস্টহাউসে রাখা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ªªসোনাবাড়ীয়া (কলারোয়া ) প্রতিনিধি : বুঝতলা আবু বক্কর সিদ্দিকি সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষার মান উন্নয়ন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৯:০০ ঘটিকার সময় এসএম টুটুল এর উদ্যোগে দ্বিতল ভবন নির্মাণের শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৭নং চন্দনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গাজী রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ও ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মোমিন, ইউনিয়ন যুবলীগের সেক্রেটারী, আলমগীর আজাদ খোকন, অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল মোঃ আব্দুল হাই, মাদ্রাসার সকল শিক্ষক-শিক্ষকা ও মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জুলফিকার আলী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, ফেরদৌসি খাতুনসহ ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ, অত্র মাদ্রাসার হাফিজিয়া খানার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার মোঃ আব্দুল জোহর ও ক্যাশিয়ার হাজী আব্দুল ওহাব, বিবিআরএনএস ইউনাইটড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ উয়ায়েস আলী সিদ্দিক বাবর, সহকারী শিক্ষক আলমগীর আজাদ, লাইব্রেরি শিক্ষক সেলিম রেজা, ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী, অলিয়ার রহমান, মাষ্টার মিজানুর রহমান, ইউপি সদস্য এরশাদ, সহ আরও উপস্থিত ছিলেন বুঝতলা বাজার কমিটির সভাপতি ফজলুর রহমান, ৭নং ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সদস্য তোফায়েল আহম্মেদ ও ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য কালুসহ স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01সেলিম হায়দার : সাতক্ষীরার তালায় ক্যান্সার ও হার্ট ছিদ্র রোগে আক্রান্ত ৫ রোগীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুন) সকালে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রত্যেক রোগিকে ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন।  তালা উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার অধীর কুমার গাইন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ক্যান্সারে এবং হার্ট ছিদ্র রোগে আক্রান্ত তালা উপজেলার বারাত গ্রামের পাল প্রবীর, নওয়াপাড়া গ্রামের আমেনা বেগম, জুজখোলা গ্রামের তাজুুদ্দীন আহমেদ অপু, মোছঃ আমেনা খাতুন এবং সুজনশাহা গ্রামের সাহিদা বেগমের পক্ষে সুমাইয়া খাতুনের হাতে উক্ত চেক তুলে দেয়া হয়।
তালা উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার অধীর কুমার গাইন জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের  মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, হার্ট, স্ট্রোকে প্যাটরালাইজ্ড হয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন এ ধরনের রোগীদের/অভিভাবকদের উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করার জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01নিজস্ব প্রতিবেদক : আকস্মিক ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিবপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ হতে টিন ও সদর উপজেলা পরিষদ হতে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চত্বরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে’র বরাদ্দ হতে ৫ বান টিন ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ থেকে ৩০ হাজার টাকার সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বারী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিনসহ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ।
এসময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল বলেন, ‘যে কোন ধরনের দুর্যোগে প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সদর উপজেলা পরিষদ সার্বক্ষণিক সতর্ক রয়েছে। গতকাল ঝড়ে শিবপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং এ সহায়তা প্রদান করেছি। যাতে শিক্ষার্থীদের লেখা পড়া চলমান থাকে। আমরা চাই সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ হবে একটি আধুনিক ও মডেল উপজেলা পরিষদ। এভাবেই আগামী দিনে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01নিজস্ব প্রতিবেদক : অবশেষে সাতক্ষীরা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের স্থায়ী ঠিকানা করে দিলেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থান সরজমিনে পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশিষ চৌধুরী, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম, সার্ভেয়ার বরকতউল্লাহসহ ভূমি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিকক্ষ কর্মচারিবৃন্দ।

সিমানা নির্ধারন কাজ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন  বলেন, প্রতিবন্ধী স্কুল এখন আর ভাড়া বাড়িতে নয়। নির্ধারিত স্থানে তাদের উপযুক্ত করে তৈরী করা হবে বহুতল ভবন। শিক্ষা, ক্রীড়া, সাংস্কৃতি এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ সবই তাদের উপযুক্ত করে এভবন নির্মানের কাজ খুব শ্রীঘ্রই শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধীরা আমাদের সম্পদ। উপযুক্ত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আমরা তাদের বিভিন্ন কাজে লাগাতে পারিতাহলে তারা বোঝা নাহয়ে সমাজের সহায়ক সম্পদ হিসাবে গড়ে উঠবে।
উল্লেখ: ভূমি মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষ সাতক্ষীরা সিটি কলেজের পিছনে কাশেমপুর মৌজার ১০ শতাংশ জমি গত ৩ মে ২০১৭ তারিখে উক্ত বিদ্যালয়ের নামে দলিল সম্পন্ন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image-35873আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান ও উপ-পরিদর্শক (এস.আই) লিয়াকতের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে বেআইনীভাবে আটকে রেখে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন এক ব্যক্তি।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে শ্যামনগরের বিড়ালক্ষ্মী গ্রামের শাহাদাৎ হোসেন মোল্লার ছেলে ভাটা সর্দার কবীর হোসেন সবুজ বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৩ জুন সকাল ১০টার দিকে শ্যামনগর থানার এসআই লিয়াকত নওয়াবেকী থেকে কোন অভিযোগ ছাড়াই বিড়ালক্ষ্মী গ্রামের কবীর হোসেন সবুজকে নওয়াবেকী এলাকা থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এরপর তাকে থানার ডিউটি অফিসারের কক্ষের জানালার সাথে বেধে বেদমভাবে পিটিয়ে আহত করেন এসআই লিয়াকত। পরে তাকে ওসির কক্ষে নেওয়া হলে সেখানে হয় দেনদরবার। সবুজের কাছে চাওয়া হয় ৫০ হাজার টাকা। সে সময় সবুজের কাছে থাকা ভাটার শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা নিয়ে নেন ওসি সৈয়দ আব্দুল মান্নান ও এসআই লিয়াকত। পরে সবুজের স্ত্রী বাড়ি থেকে আরও ১৮ হাজার টাকা এনে দিলে রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সবুজ পুলিশের হাত থেকে ছাড়া পাওয়ার পর দিন সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন।
এক পর্যায়ে সবুজ সুস্থ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে ১০৯/৩২৩/৩২৭/৩৪২/৩৮৫/৩৮৬ ধারায় ওসি সৈয়দ আব্দুল মান্নান ও এস আই লিয়াকতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রমাণ হিসেবে আদালতে ৫০ হাজার টাকার দেন-দরবার সংক্রান্ত একটি অডিও ফোন রেকর্ডও দাখিল করেছেন বাদী।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার গোপাল কুমার ম-ল জানান, অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম. জাহিদ হাসান এ মামলায় বাদীর জবান বন্দি গ্রহন করে প্রাথমিকভাবে আমলে নিয়েছেন।
এ ব্যাপারে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান বলেন, তিনি সবুজকে চেনেনও না। মামলা হয়েছে কি না তাও তিনি জানেন না।
প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরায় পুলিশের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে হয়রানির এমন অভিযোগ অহরহ ঘটেই চলেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1496854322বর্ণিল দোপাট্টা, পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা লেহেঙ্গা ও এর সঙ্গে মিল রেখে  লিপস্টিক—ভারতের বিয়েগুলোতে এমন সাজেই দেখা যায় কনেকে। আর বরকে দেখা যায় পাগড়ি, টুপি পরা অবস্থায়। পাঞ্জাবের আলোচিত এক দম্পতির বিয়ের দিনের পোশাকও অনেকটা সেই রকমই ছিল। একটু ব্যতিক্রম ছিলেন কনে। আর তা নিয়েই ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে।

ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যায়, পাঞ্জাবি ও পাগড়ি পরা হাস্যোজ্জ্বল বর। তাঁর হাতে একটি কোমল পানীয়র বোতল। তাঁর ডানে কনের মাথায় দোপাট্টা।

লিপস্টিক পরা ঠোঁটে এক চিলতে হাসি। নাক, কান, গলাভর্তি অলংকার। শরীরের ঊর্ধ্বাংশে ঐতিহ্যবাহী পোশাক চলি। আর নিম্নাংশে বহুজাতিক কোম্পানি নাইকির শর্টস (হাফ প্যান্ট)। আর সেই পোশাকেই বরের হাতে হাত রেখে হেঁটেছেন তিনি।

https://www.youtube.com/watch?v=JoKIrf27Q1c

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

kings-of-saudi-arabiaমক্কা ও মদিনা বিশ্বের কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র নগরী। এই দুটি শহরই সৌদি আরবে অবস্থিত। ইসলামের প্রাচীণ ইতিহাস ও ঐতিহ্যর নিদর্শন হিসেবে সৌদি আরব বিশ্বে অদ্বিতীয়। আধুনিক সৌদি আরব প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সৌদি রাজবংশ মুখ্য ভূমিকা পালন করে। অনেকেরই জানার আগ্রহ: ইসলামের সঙ্গে এই রাজবংশের সম্পর্ক কী? বিষয়টি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল বাছিরের সঙ্গে কথা বলেছে দেশের একটি শীর্ষ অনলাইন পত্রিকা।
তিনি বলেন, সৌদি আরবের ইতিহাস হচ্ছে ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ইতিহাস।ইসলামের সঙ্গে সৌদি রাজবংশেরও সম্পর্ক রয়েছে। তবে, সৌদি রাজবংশের উপর ইসলামের যে অর্পিত দায়িত্ব ছিল তা পালন করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে এই অর্থে যে তারা শুধু ওহাবিজমকেই পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন।
‘ওহাবিজমের পাশাপাশি ইসলাম ধর্মের আরও যে মতধারা রয়েছে সেগুলোর সমন্বয় করে যদি এরকম হতো যে, বিশ্বের বিশিষ্ট ওলামায় ক্বেরাম যারা আছেন, তাদেরকে নিয়ে এগুলো গবেষণা করে তারা যদি আমাদের সত্যিকারের ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইতেন, তাহলে তাদের প্রতি আমাদের যে অভিযোগগুলো আছে, তা থেকে তারা মুক্তি পেতেন।’
ড. আবদুল বাছির  বলেন: তারা (সৌদি রাজবংশ) শুধু চেয়েছেন তাদের একদেশ ভিত্তিক আদর্শকে (ওহাবিজম) সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে। সার্বিক অর্থে তাদের এই আদর্শ অনেকটা খণ্ডিত। তারা শুধু ক্ষমতাকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চেয়েছে। তাদের রাষ্ট্রের যে নামকরণ তারা করেছে ‘কিংডম অব সৌদি আরবিয়া’ তা ইসলামের কোন নিয়ম বা বিধান মেনে করা হয়নি।এটি ইসলাম অনুসারে ঠিকও নয়। তারা যে সেখানে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে রেখেছেন, এটিও ইসলামের কোন বিধানের মধ্যে পড়ে না।’
সৌদি রাজবংশ ঐতিহাসিকভাবেই অমুসলিমদেরকে সব সময় প্রাধান্য দিয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন: শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তারা অমুসলিমদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে চলেছে। সৌদি আরবের বর্তমান যে পতাকা রয়েছে তাতে আড়াআড়িভাবে দুটি তলোয়ার রয়েছে, যার একটি হচ্ছে সৌদ পরিবারের অন্যটি হচ্ছে ওহাবি পরিবারের। এই দুটোর সিম্বল হচ্ছে সেটি। তার মানে বোঝা যায় ধর্মকে ব্যবহার করে তারা রাজনৈতিক শক্তি অর্জন করেছে।
আবদুল বাছির  বলেন: রিয়াদের কাছে অবস্থিত দিরিয়া নামের একটি কৃষি বসতির প্রধান ছিলেন মুহাম্মদ বিন সৌদ। এই উচ্চাভিলাষী মরুযোদ্ধা ১৭৪৪ সালে আরবের বিখ্যাত ধর্মীয় নেতা মুহাম্মদ বিন ওয়াহাবের (যিনি ওয়াহাবী মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বেশি পরিচিত) সঙ্গে মৈত্রী চুক্তি করে ‘দিরিয়া আমিরাত’ গঠন করেন। তুরস্কের উসমানিয়া খিলাফতের বিরুদ্ধে শিরক-বিদাত পালনের অভিযোগ এনে এই দুইজন ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ শুরু করেন।
‘ওই দিরিয়া আমিরাতই বিশ্বের প্রথম সৌদি রাজ্য। মুহাম্মদ বিন সৌদ তার পুত্র আবদুল আজিজের সাথে মুহাম্মদ বিন ওয়াহাবের মেয়ের বিয়ে দেন। এভাবেই সৌদ পরিবার ও ওয়াহাবী মতবাদের মিলনযাত্রা শুরু হয়। ১৭৬৫ সালে মুহাম্মদ বিন সৌদের মৃত্যু হলে তার ছেলে আবদুল আজিজ দিরিয়ায় ক্ষমতাসীন হয়।’
কিং সালমান
তিনি বলেন: হঠাৎ করে মোহাম্মদ বিন সৌদ এবং মুহাম্মদ বিন ওয়াহাবের কাছে মনে হল, বর্তমানে (তখন) যে ইসলাম চলছে তা সঠিক ইসলাম নয়। সেখানকার শেখের সাথে তাদের কথা হল। তারা এ বিষয়ে একমত হলেন যে বিষয়টির রাজনৈতিক দিক একজন এবং ধর্মীয় দিক অন্যজন দেখবেন। ফলে দু’জনের একজন ধর্মীয় এবং আরেকজন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যুক্ত হলেন। তাদের মতাদর্শ তারা মক্কা-মদিনায় সারা পৃথিবী থেকে যাওয়া মুসলিমদের মধ্যে যদি ছড়িয়ে দিতে কাজ করতে থাকলেন। এই দুইজনের বোঝাপড়া অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে হয়েছিল।
‘একসময়ে তারা মক্কা-মদিনা আক্রমণ করে বসলেন। এরপর তারা রিয়াদ নামের স্থানটিকে তাদের রাজধানী করলেন। তুর্কিরা এতে ক্ষিপ্ত হল। তারা মিশরের মোহাম্মদ আলী পাশাকে বললেন যে তারা যে কাজগুলো করছে তা প্রতিহত করা দরকার।’
মোহাম্মদ আলী পাশা তার ছেলে ইসমাইলকে পাঠালেন উদীয়মান মতাদর্শকে বিতাড়িত করার জন্য। ইসমাইল এসে সেখান থেকে তাদেরকে বিতাড়িত করলেন। নতুন মতাদর্শের (ওহাবিজম) ধারক ও বাহকরা যে জায়গা দখল করেছিলেন তা ছেড়ে তারা কুয়েতে পালিয়ে গেলেন।
১৯০১ সালে কুয়েত থেকে সৌদ পরিবারের সন্তান আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ খুব সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে প্রায় ১০০ জন যোদ্ধাসহ রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করে পুনরায় রিয়াদ দখল করে নিলেন। তার এই রিয়াদ দখল করার পেছনে মুহাম্মদ বিন ওয়াহাবের ধর্মীয় যে মতাদর্শ ছিল সেটি যারা অনুসরণ করতেন, তাদেরকে বলা হতো মুসলিম ব্রাদারহুড। এরা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদকে সহায়তা করেছিলেন। দুই গোষ্ঠীর সমর্থন নিয়ে সৌদের শক্তি বেশ বেড়ে যায়।
‘১৯১৬ সালে ব্রিটিশ সরকার দেখল, এটি তো একটি উদীয়মান শক্তি এবং এটি যেহেতু তুরস্কের বিরুদ্ধে আর ব্রিটিশদের শত্রু ছিল তুরস্ক সুতরাং এই শক্তিকে যদি আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া যায়, তাহলে ওরাই তুর্কিদের ধ্বংস করবে। তাহলে ব্রিটিশদেরকে নতুন করে কোন শক্তি প্রয়োগ করতে হবে না। বরং তাদের লাভই হবে। সেজন্য তারা রিয়াদ দখল করা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদকে মেনে নিয়ে সমর্থন দেয়।’
কিং সালমান
ওই বছরই তাদের গ্রহণ করা অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেয় ব্রিটিশরা। নতুন একটি রাষ্ট্রের জন্মের মধ্য দিয়ে তুরস্কের আধিপত্য খর্ব হয়। কিন্তু হিজাজে (মক্কা-মদিনা) তখন তুরস্কের শাসক ছিলেন শহীদ ইবনে হোসেন ইবনে আলী ইতিহাসে তিনি শরীফ হোসেন নামে বেশি পরিচিত। তুর্কির সুলতান আবদুল হামিদ তাকে হেজাজের শাসক করেছিলেন এই কারণে যে মহানবী (স.)র পরিবারের সাথে তার যোগসূত্র ছিল এবং তাকে যদি হেজাজের গভর্নর করা হয় তাহলে পশ্চিম বিশ্ব ও সৌদি আরবের মানুষরা মহানবীর পরিবারের বলে তার প্রতি সহানুভূতি দেখাবে । কিন্তু শরীফ হোসনের মনে মনে একটা উদ্দেশ্য ছিল যে তিনি তুরস্কের অধীনে এখানকার প্রশাসক না হয়ে তিনি বংশীয় যে প্রাধান্য সেটি অর্জন করবেন এবং এখানকার স্বাধীন শাসক হবেন।
ফলে তিনিও দেখলেন, এই মুহূর্তে স্বাধীন শাসক হওয়ার জন্য ব্রিটেনের সহযোগিতা বেশি দরকার।আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ এবং শরিফ হাসানের সঙ্গে ব্রিটিশদের যোগাযোগ হল। শরিফ হাসানের সঙ্গে হল প্রকাশ্যে দিনের বেলায়। আর আবদুল আজিজের সঙ্গে হল রাতের বেলায়।
ওহাবিজমের সমর্থনকারীরা কখনো চাইতো না কোন বিদেশি শক্তির সাথে আবদুল ইবনে আজিজের সঙ্গে কোন যোগাযোগ থাকুক। কারণ এটি তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক থেকে মেনে নেয়া কষ্টকর ছিল। এজন্য সৌদ যোগাযোগ করতেন রাতে এবং শরিফ হোসেন যোগযোগ করতেন দিনের বেলায়।
শরিফ হোসেনের সাথে ব্রিটিশদের ১২টি পত্র বিনিময় হয়েছিল। পরবর্তীতে রাশিয়ার মাধ্যমে এ বিষয় নিয়ে পত্রিকায় প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। তখন ওহাবিজমে বিশ্বাসীরা একটি সুযোগ পেয়ে যায় যে শরিফ হোসেন মুসলমানদের শাসক হওয়া সত্ত্বেও ব্রিটিশদের সাথে যোগাযোগ করছে, সুতরাং তিনি সমগ্র মুসলানের শত্রু। তাকে প্রতিহত করতে হবে। তাকে যদি প্রতিহত করা যায় তাহলে মক্কা এবং মদিনায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা যাবে। যে ওহাবিজমকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেবার উদ্দেশ্য তাদের ছিল,  সেটি সফল হবে।
১৯২৪ সালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে শরিফ হোসেনকে আক্রমণ করে। তখন তিনি পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। কারণ ব্রিটেন তাকে সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসেনি। ব্রিটিশরা তখন উদীয়মান আবদুল আজিজ ইবনে সৌদকে সহযোগিতা করাই তাদের কাছে বেশি প্রয়োজন বলে মনে করেছিল। কারণ ইতোমধ্যে কাতার, কুয়েত, বাহরাইন এবং ওমান– এই রাষ্ট্রগুলো যে ব্রিটিশরা তৈরি করেছিল তার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক বাধা ছিল আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ।
সুতরাং, তাদের কাছে মনে হল: সৌদকে যদি সহযোগিতা করা যায় তাহলে এই রাষ্ট্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা তারা দিতে পারে। এজন্য তারা সৌদের পক্ষে চলে গেল এবং শরিফ হোসেনকে বলা হলো, ঠিক আছে আমরা যদি পরে কোন রাষ্ট্র তৈরি করতে পারি তাহলে আমরা সেখানে তোমাকে বা তোমার ছেলেদেরকে কর্তৃত্ব দিয়ে দেবো। সে অনুযায়ী পরবর্তীতে তারা ইরাক দখল করে সেখানে শরিফ হোসেনের ছেলে হোসেনকে শাসক হিসেবে নিয়োগ করেছিল। শরিফ হোসেনের পতন হল। তার পতনের মধ্য দিয়ে মক্কা মদিনায় আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
মুহাম্মদ বিন সৌদের উদ্দেশ্য ছিল রাষ্ট্রীয় বা রাজনৈতিক। অন্যদিকে আবদুল ওহাব ইবনে নজদীর উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয়। এই ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক স্বার্থ এক হয় আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের ক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যমে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৩২ সালে সেপ্টেম্বর মাসে আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ সৌদি আরব থেকে নিজের নামে শাসন পরিচালনা করতে থাকেন। এরপর ১৯৩৪ সালে রাষ্ট্রটির নাম দেয়া হয় ‘কিংডম অব সৌদি আরবিয়া’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest