সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

001শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ থেকে চন্ডিপুর মিঠা পুকুর পর্যন্ত ৯ শত মিটার পিচের রাস্তা সংস্কারে মাটি কেটে এর শুভ উদ্ধোধন করেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের এমপি এস এম জগলুল হায়দার। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০.৩০ টায় নকিপুর বাজার মসজিদ সংলগ্ন পিচের রাস্তা সংস্কারের মাটি কেটে শুভ উদ্বোধন করেন এমপি জগলুল হায়দার। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাস্তাটি উপজেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ থেকে বাজারের মধ্য দিয়ে থানার সামনে দিয়ে চন্ডিপুর মিঠা পুকুর পর্যন্ত পিচ ঢালাই রাস্তাটি সংস্কার হচ্ছে। রাস্তাটির দুই পাশে ৩ ফুট করে প্রসারিত হবে। রাস্তাটি সরকারীভাবে বরাদ্দ ২৫ লক্ষ টাকা বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_425225308_1494325361.jpg.pagespeed.ic.6RQWR5adkoজাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে দুদককের দায়ের করা মামলায় খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। উপহার সামগ্রীর অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার মামলায় সাজার দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে এরশাদের আপিল গ্রহণ করে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণার করেন। গত ১২ এপ্রিল উভয় পক্ষের আপিলের শুনানি শেষে রায়ের দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি থাকাকালে বিভিন্ন উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দেয়ার অভিযোগ ওঠে এরশাদের বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগে ১৯৯১ সালের ৮ জানুয়ারি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর উপ-পরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমেদ সেনানিবাস থানায় এরশাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় এক কোটি ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৫ টাকা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।

১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত এরশাদকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ওই অর্থ ও একটি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়।

পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন এরশাদ। ২০১২ সালের ২৬ জুন সাজার রায়ের বিরুদ্ধে এরশাদের আপিলে পক্ষভুক্ত হয় দুদক। গত ৯ মার্চ হাইকোর্টে এ মামলায় আপিল শুনানি শেষ হলে ২৩ মার্চ রায়ের দিন রাখা হয়। কিন্তু এরশাদের সাজা বাড়াতে রাষ্ট্রপক্ষের দুটি আপিল অনিষ্পন্ন থাকায় সেদিন আর রায় না দিয়ে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস মামলার সব ফাইল পাঠিয়ে দেন প্রধান বিচারপতির কাছে। পরে প্রধান বিচারপতি তিনটি আপিল একসঙ্গে নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর বেঞ্চে পাঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

17-05-09-00-21-15-338_deco-400x300হাসান হাদী : সারারাত এম.পি সাহেবের ঘুম হয়নি!!!
রবিবার সংসদ ভবনে ছিল সরকারি দলের এমপি দের নিয়ে সংসদীয় দলের বৈঠক।

ঘটনা-১ :- বৈঠকে সংসদ নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেক এমপি কে সরাসরি দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে কিছু প্রশ্ন করেন কিন্তু বেশীর ভাগ সংসসদস্যই সঠিক চিত্র তুলে ধরতে পারেনি!!

ঘটনা-২:-আমি এবার কারও দায়িত্ব নিতে পারবো না।
২০১৪ সালের মত নির্বাচন এবার হবে না।নির্বাচন হবে কঠিন প্রতিযোগিতামুলক । অতএব, কারও মুখের দিকে তাকিয়ে আমি নমিনেশন দিবো না।গোয়েন্দা রিপোর্ট ও জনমত জরিপে যারা আসবে তারাই নমিনেশন পাবেন!!

ঘটনা দুটি শোনার পর অনেক এমপির সারারাত ঘুম হয় নি।অস্থির সময় পার করেছেন। প্রিয়তম স্ত্রী তার স্বামীর এহেন আচরণের হেতু শুনতে চাইলে এমপি সাহেব একশো মন ওজনের একটা হায় ছেড়ে বলেন আগামী নির্বাচনে নমিনেশন মনে হয় হবে না?
কেন কেন কেন——?
সে সকল ঘটনা খুলে বললেন তার স্ত্রীর কাছে।
স্ত্রী অনেক ভেবে চিন্তুে বললেন সমস্যা নাই, তুমি চুপ থাক।এই শোন কাঁনে কাঁনে আমাদের সবার এ্যাকাউন্ট মিলে প্রায় ৭০/৮০ কোটি টাকার বুঝ হয়ে গেছে।সুরতাং চিন্তার কোন কারণ নাই বুজলে।
আরে বিটি ওটাই তো বড় চিন্তার কারণ।এমপি পদ না থাকলে তো সকলের মিলে মিশে জেলে থাকতে হবে। দুদক প্রতিদিন এসে বাসায় হানা দিবে তখন।
-এ আল্লাহ্‌ এসব কি বল? আমাদের ও যেতে হবে?
-কেন সংবাদ শোন না বিএনপির কত এমপি মন্ত্রীর বউ মেয়েরা ও জেল খাটছে?
এবার আর এমপি মহোদয় এর বউ কেঁদে একাকার!
-থাম। সালার শয়তান মহিলা। তোর ভাই কে চাকরি, বোন কে চাকরি, ভাগনে-ভাগনি,বাল ছাল কত আত্বীয়-স্বজন চাকরি দাও, একে টিয়ার দাও, ওকে কাবিখার ভাগা দাও।যতসব নষ্টের মুল তুই। অথচ যে নেতা কর্মীরা আমাকে এমপি বানাতে দিনরাত নিজের শ্রম, মেধা,পকেটের পয়সা নানা চড়াই উতরায় পেরিয়ে আমাকে সংসদে পাঠাল তাদের জন্য কিছুই করতে পারলাম না——–!
আজ যদি আমি আগের মত ওদের নিয়ে থাকতাম, সুখে দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়াতাম, আপা যে টাকা দিছে তার সঠিক ভাবে কাজ করাতাম তাহলে আজ আমার জনপ্রিয়তা থাকতো তুঙ্গে——?
অথচ আজ আমি শূন্য, রিক্ত————-;

ছাত্রলীগের কত ছেলে পা ধরে কেঁদেও দিছে অথচ তাদের একটা পিয়নের চাকুরীও দেয় নি মাত্র পাঁচ লক্ষ ছয় লক্ষ টাকার জন্য অন্যদের চাকুরী দিয়েছি——;
আজ আপা বললেন সব আমল নামা নাকি তার কাছে আছে—–!
আমি তো টাকা ছাড়া আর আত্বীয় ছাড়া কাউকে চাকুরী দিতে সাহায্য করিনি—–?
এমপি আমি অথচ সিন্ধান্ত দিতে তুমি আমার ভাই ও এপিএস—-;
কি এক আজব দেশ রে মাইরি——?
আমি তো দাঁড়িয়েছিলাম আপাকে সব খুলে বলবো—-?
কিন্তু নিজে কাপুরুষ হয়ে যাব, সকলে হাসাহাসি করবে এজন্য বলিনি———-?
চার বছরে যতগুলি বড় বড় টেন্ডার হয়েছে তার একটা কাজ ও কোন নেতা কর্মীকে দিতে পারিনি—–!
সব টাকায় কমিশম খেয়ে খেয়ে ছেড়ে দিয়েছি —–;
হায়রে অভাগা এমপি আমি—–?
আগে গালে মাছি যাইতো এখন গাড়ী বাড়ীর হিসাব নাই!
যাদের বাড়ী ভাত খেতাম তাদের দেখলে চিনি না–?
বাসায় আসলে এক কাপ চা ও জোঠে না————-!
আমি আবার এলাকার এমপি—-?
আগে যাদের দেখলে বুক হাসি মুখে মিলাতাম এখন কাপড়ে ময়লা হবে বলে বুক তো দূরের কথা হাত ও মিলায় না———!
আগে একজন কৃষক,দিনমুজুর, শ্রমিক,মুচি,মাথর মারা গেলে অসুস্থ হলে ভ্যানে, রিকশায় বা হেটে হেটে হলেও চলে যেতাম এখন তিন কোটি টাকার গাড়ী আছে, নিজের ড্রাইভার আছে অথচ একজন প্রতিবেশী বিপদে পড়লে ও যাই না———–!
আমি এলাকার এমপি——-!

কিছু দালালের খপ্পোরে পড়ে স্কুল কলেজে টাকার বিনিময়ে সব মেধাহীন লোকবল নিয়োগ দিয়ে কি সর্বনাষই না করেছি——?
যদি নিজ দলের কর্মীদের দিতাম তাহলে ও মন কে বুঝ দিতে পারতাম————;
রাস্তা ঘাটে পাঁচ কোটি টাকার বাজেট হলে দুই কোটির টাকার কোন রকম কাজ আর সব ভাগ জোগ——-!

ঈদের সময় সহ বিভিন্ন সময়ে সরকার থেকে আসা গরীব দুঃস্থদের জন্য আসা সকল সুবিধা আত্বীয় স্বজন দের দিয়েছি——————————;

এভাবে প্রতিনিয়ত জনগনের বাঁশ দিয়েছি——;
এবার সময় এসেছে তাই,
নিজে বাঁশ খাচ্ছি—————-;

ওগো চল বিদেশে ঐ একটা বাড়ি কিনেছো না——?
সিঙ্গাপুরে——–?
আগেভাগে পালাই —–!
শেখ হাসিনা কে চিনো——–?

বাঘে ছাড়বে তিনি ছাড়বে না ——–;
অন্যায়ের সাথে তিনি কোন আপোষ করেন না।

 

-সংগৃহীত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_538230730_1494315052.jpg.pagespeed.ic.311kiunSfhউচ্চ আদালতের বিচারক অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে নিয়ে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের পরবর্তী শুনানির জন্য ২১ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

শুরুতেই রাষ্ট্রপক্ষ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায় বাতিলের শুনানি দুই সপ্তাহের জন্য আবারও মুলতবি রাখার আবেদন করেন। কিন্তু আবেদন নাকচ করে আদালত শুনানি অব্যাহত রেখেছেন।

২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা পুনরায় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাশ করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।

এ আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে তিন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতামতের ভিত্তিতে গতবছর ৫ মে ১৬তম সংশোধনী অবৈধ বলে রায় দেন।

তিন বিচারকের মধ্যে দু’জন ১৬তম সংশোধনী অবৈধ অবৈধ ঘোষণা করেন এবং একজন রিট আবেদনটি খারিজ করেন। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ গত বছরের ২৮ নভেম্বর আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

24212545615775cbd5a72794da598ac7-5911415b2459aভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জে এস খেহরসহ আটজন বিচারপতিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সি এস কারনান। ওই বিচারপতিদের বিরুদ্ধে বৈষম্য, ষড়যন্ত্র, হয়রানি এবং অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।

বিচারপতি কারনান তার রায়ে বলেন,‘ওই আট বিচারপতি ১৯৮৯ সালের তফসিলি জাতি-উপজাতি নিপীড়ন আইন এবং ২০১৫ সালের সংশোধনী মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তাই তাদের পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হলো।’

অভিযুক্তদের তালিকায় প্রধান বিচারপতি ছাড়াও রয়েছেন বিচারপতি দীপক মিশ্র, জে চেলাশ্বরম, রঞ্জন গগৈ, মদন বি লোকুর, পিনাকি চন্দ্র ঘোষ এবং কুরিয়ান জোসেফ। এছাড়া তাকে বিচারপতি হিসেবে কাজ করতে না দেওয়ায় বিচারপতি আর ভানুমতিকেও একই সাজা শুনিয়েছেন বিচারপতি কারনান।

গত সপ্তাহে কারনান ওই বিচারপতিদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

চলতি বছরের প্রথমদিকে, কারনান সুপ্রিম কোর্টের ২০ জন বিচারপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানান। তখন থেকেই বিচারপতি কারনান এবং সুপ্রিম কোর্ট মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।

সোমবার বিচারপতি কারনান কলকাতার নিউ টাউনের বাসভবন থেকে ১২ পৃষ্ঠার এ আদেশ জারি করেন। বিচারপতিদের পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের সঙ্গে এই আটজন বিচারপতিকে ১ লাখ রুপি করে জরিমানাও করেছেন তিনি। এক সপ্তাহের মধ্যে দিল্লির খান মার্কেটে তফসিলি জাতি-উপজাতি সংক্রান্ত জাতীয় কমিশনে সেই টাকা জমা দিতে হবে। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

রায়ে আরও বলা হয়, ক্ষতিপূরণ হিসেবে কারনানকে ওই অভিযুক্ত বিচারপতিরা ১৪ কোটি রুপি দেবেন। বিচারপতিদের বিচার বিভাগীয় ও প্রশাসনিক কাজ করা থেকে বিরত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের পাসপোর্টও আদালতের কাছে জমা দিতে বলা হয়। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয় ওই রায়ে।

উল্লেখ্য, ৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সাত বিচারপতির বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিচারপতি কারনানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা শুরু করে এবং তাকে বিচার বিভাগীয় ও প্রশাসনিক কাজ করা থেকে বিরত করা হয়।

এর আগে, নিজে তফসিলি জাতিভুক্ত হিসেবে তার বিরুদ্ধে বৈষম্য করা হচ্ছে বলে মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন বিচারপতি কারনান। সেই মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। পরে বিচারপতি কারনানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তোলেন সুপ্রিম কোর্ট।

কারনানেরর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। গত ৪ মে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চার সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে এলে তিনি তা করাতে অস্বীকার করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াতে দুইজন কর্মীসহ ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ১১২ বোতল ফেন্সিডিল, ১ কেজি গাঁজা ও ১ টি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে,সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১২ জন, কলারোয়া থানা ০৩ জন, তালা থানা ০৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৫ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০৫ জন, দেবহাটা থানা ০১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয় ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান নিশ্চিত করে জানান,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১০ টি মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলাচলের অনুপযোগী সার্কিট হাউজ থেকে পায়রাডাঙ্গা সড়ক

চলাচলের অনুপযোগী সার্কিট হাউজ থেকে পায়রাডাঙ্গা সড়ক

মোঃ হেলাল উদ্দীন/মোঃ মাসুদ রানা/মোঃ রাজু আহমেদ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সার্কিট হাউজ মোড়( বকচরা মোড়) থেকে পায়রাডাঙ্গা বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ দশ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের ১২ বছর পার হলেও অদ্যাবধি কোনো সংস্কার বা মেরামত হয়নি।
সদর উপজেলার বকচরা পায়রাডাঙ্গা বাজারের ঐ রাস্তাটি ব্যবহার করে আশেপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ স্কুল – কলেজ, হাসপাতাল – ক্লিনিক, হাট- বাজার, থানা, উপজেলা – জেলা শহরে যাতায়াত করে। অথচ রাস্তাটি প্রতিবছর নতুন নতুন গর্ত ও খাদ তৈরি হতে হতে বর্তমানে একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যাতায়াতের এ দুর্ভোগ এড়াতে রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
বকচরার আব্দুস সালাম মোল্লা, কাওছার ফকির, লুৎফর মোল্লা, পায়রাডাঙ্গার মোঃ ফিরোজ সরদার, শেখ সোনামিয়াসহ আরো অনেকে বলেন, এই রাস্তাটি তাদের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। রাস্তাটি উপর যেন এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর নেক নজর পড়ে।
এই রাস্তাটি প্রত্যহ মিরিরডাঙ্গা, কাঁথন্দা বৈকারী, আড়ুয়াখালী, পায়রাডাঙ্গা, ভিটকি কানারডাঙ্গা, তেঁতুলতলা, বারোপোতা, সোনারডাঙ্গা, পরানদহা, বকচরাসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার লোকজনের চলাচলের একমাত্র ব্যবস্থা।02
আঁগরদাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালী ডেইলি সাতক্ষীরাকে বলেন, এই রাস্তাটি এলাকার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ । এলাকার মানুষজন এই চলাচল অনুপযোগী রাস্তাটির জন্য খুবই উদ্বিগ্ন। তিনি জানান, এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর সাথে তার অনেকবার কথা হয়ছে। রাস্তাটি অনেক বার মাপ-জোক হলেও উপর মহল থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তিনি আরো বলেন, স্কুল-কলেজের ছাত্র ছাত্রী ও রোগীদের যাতায়াত আরো কঠিন হয়ে পড়েছে। এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর দৃষ্টি যেন অনতিবিলম্বে এই রাস্তাটির উপর পড়ে। তার সাথে একমত পোষণ করেন শিবপুরের ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মুজিদ বিশ্বাস। তিনিও রাস্তাটি অবিলম্বে সংস্কার করা প্রয়োজন বলে জানান।

 

বিঃদ্রঃ মোঃ হেলাল উদ্দীন/মোঃ মাসুদ রানা/মোঃ রাজু আহমেদ- ডেইলি সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির ইন্টার্ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

b5ff000e9500e763dc2168ec6fcabd42-ইতিহাস ও ঐতিহ্য : ১৯৭০ সালের আগ পর্যন্ত পাকিস্তানে ২২টি কোটিপতি বণিক পরিবারের কথা জানা যায়। তাদের মধ্যে দুটি পরিবার ছিল পূর্ব পাকিস্তানে তথা বাংলাদেশে। একটি হলো এ কে খান পরিবার। অন্যটি ইস্পাহানি (অবাঙালি) পরিবার। এর বাইরে আরও অর্ধশতাধিক জমিদার পরিবার ছিল।
স্বাধীনতার আগে বাংলাদেশে এসব পরিবারের প্রভাব-প্রতিপত্তি থাকলেও বর্তমানে তারা যেন হারিয়ে যেতে বসেছে!
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৯-৭০ সালে শীর্ষ ১০ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বা পরিবারের শীর্ষে ছিল এ কে খান পরিবার। এই পরিবারের ১২টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ছিল। সম্পদের পরিমাণ ছিল আনুমানিক সাড়ে ৭ কোটি রুপি। দ্বিতীয় স্থানে, ছিল গুলবক্স ভূঁইয়া পরিবার। তাদের প্রতিষ্ঠান ছিল ৫টি। আর সম্পদের পরিমাণ ছিল সাড়ে ৬ কোটি রুপি। তৃতীয় স্থানে থাকা জহুরুল ইসলাম ও তার ভাইদের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি রুপি, তাদের প্রতিষ্ঠান ছিল ১৪টি।
চতুর্থ স্থানে থাকা মো. ফকির চাঁদ পরিবারের ৯টি প্রতিষ্ঠান ছিল। তাদের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি রুপি। পঞ্চম স্থানে ছিল মকবুল রহমান ও জহিরুল কাইয়ুম পরিবার। এ পরিবারটির ৬টি প্রতিষ্ঠান ছিল। আর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি রুপি। ষষ্ঠ স্থানে থাকা আলহাজ মুসলিমউদ্দিনের পরিবারের ৬টি প্রতিষ্ঠান ও ৫ কোটি রুপির সম্পদ ছিল। সপ্তম স্থানে ছিলেন আলহাজ শামসুজ্জোহা পরিবার। তাদের ৪টি প্রতিষ্ঠান ও ৫ কোটি রুপির সম্পদ ছিল। অষ্টম স্থানে ছিলেন খান বাহাদুর মুজিবর রহমান। ওই সময় তার পরিবারের ৫টি প্রতিষ্ঠান ও সাড়ে ৪ কোটি রুপির সম্পদ ছিল। নবম স্থানে থাকা আফিলউদ্দিন আহমেদ পরিবারের ৪টি প্রতিষ্ঠান ছিল। তাদের সম্পদ ছিল ৪ কোটি রুপি। দশম স্থানে থাকা এমএ সাত্তার পরিবারের ছিল ৫টি প্রতিষ্ঠান। তাদের সম্পদ ছিল ৩ কোটি রুপি।
তৎকালীন ধনীদের সম্পদের হিসাব করা হয়েছে আনুমানিক সম্পত্তির ভিত্তিতে। আর মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স প্রকাশিত মেম্বার ডিরেক্টরির তথ্য বিশ্লেষণ করে সাজানো হয়েছে ১৯৮৮ সালের শীর্ষস্থানীয় শিল্প ও বাণিজ্যিক গোষ্ঠীর তালিকা।
এসব ধনীদের বাইরেও বনেদি পরিবার ছিল। এর মধ্যে অন্যতম চট্টগ্রামের রাউজানের তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার ও অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট এ কে এম ফজলুল কাদের চৌধুরী ও আনোয়ারা উপজেলার আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর পরিবার। তার বাবা ছিলেন জমিদার নুরুজ্জামান চৌধুরী। এছাড়া বনেদি পরিবারের অন্যতম ছিল নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবার।
এর বাইরে বিপুল অর্থের মালিক ছিল তেওতা জমিদার পরিবার। তেওতা জমিদারির আওতাভুক্ত ছিল ঢাকা, ফরিদপুর, পাবনা এবং দিনাজপুরসহ রংপুর ও বর্ধমানের কিছু অংশ। ১৯১৪ সালে এই পরিবারের দিনাজপুরে থাকা সম্পত্তির মূল্য ছিল ১১ লাখ টাকারও বেশি। তখন এই পরিবার ৬০ হাজারেরও বেশি টাকা কর দিতো।
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে একসময় প্রভাব বিস্তার করা ফরিদপুরের জমিদার পরিবার। এর একটি কীর্তিপাশা জমিদার পরিবার। তারা ঝালকাঠি জেলার বৈদ্য বংশীয় জমিদার। বরিশালের মাধবপাশা জমিদার পরিবারও ধনী ছিল। বর্তমানে জমিদার পরিবারগুলো অবস্থা বেশ নাজুক। তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অধিকাংশই এখন বেদখল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার জমিদার বকুল কিশোর আচার্য চৌধুরীর (ডাবল এমএ) পরিবারটির সংসার চলছে সুপারি ও নারিকেল বিক্রি করে। এই পরিবারের সদস্য শ্রিপ্রা আচার্য চৌধুরী বলেন, ময়মনসিংহের ভালুকা, গফরগাঁও, গাজীপুর, জয়দেবপুর, বগুড়া, বরিশাল, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন স্থানে এখনও তাদের সম্পত্তি রয়েছে। তবে সেগুলো তাদের হাতছাড়া।
একইভাবে পাকিস্তানের ধনাঢ্য আদমজী পরিবারের তিন ভাই, ওয়াহেদ আদমজী ওরফে দাউদ আদমজী, জাকারিয়া আদমজী এবং গুল মোহাম্মদও এখন ইতিহাস। আদমজী পরিবার যৌথভাবে ১৯৫০ সালে সিদ্ধিরগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ২৯৪ দশমিক ৮৮ একর জমিতে গড়ে তোলে আদমজী জুট মিলস।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ জানান, ‘পাকিস্তান আমলে ২২টি ধনী পরিবার থাকলেও বাঙালি কোনও ধনী পরিবার ছিল না বললেই চলে। স্বাধীনতার পর থেকে ধনীরা এ দেশ থেকে চলে যাওয়া শুরু করে। তাদের মধ্যে অন্যতম আদমজী গ্রুপ। এছাড়া অনেকেই চলে গেছে স্বাধীনতার পর। ইস্পাহানির পরিমাণ যায়নি। তবে তাদের ব্যবসাও বাড়েনি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনকার ধনীরা সেই ২২ পরিবারকেও ছাড়িয়ে গেছেন। এখন কয়েকশ ধনী পরিবারের বসবাস এ দেশে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে কিংবা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েও অনেকে ধনী হয়েছেন। এ কারণে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্যও বেড়েছে।’
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে এ দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছে ধনী পরিবারগুলো। স্বাধীনতার পর তারা ব্যবসা গুটিয়ে পাকিস্তানে চলে গেছেন। স্বাধীনতার পর দেশের অনেকেই সেইসব ব্যবসার হাল ধরেছেন। ওই সময় অনেকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাও পেয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি যেভাবে বড় হয়েছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনেকেই প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করে সফলতা দেখিয়েছেন। পাকিস্তানের বড় ব্যবসায়ী ধনীরা মূলত চা এবং পাটের ব্যবসায় বিনিয়োগ করতেন। কিন্তু স্বাধীনতার পর ব্যবসার ধরন বদলেছে। ব্যাংক থেকে অনেকে ঋণ সুবিধাও পেয়েছেন। পাশাপাশি তাদের দক্ষতাও বেড়েছে। সব মিলিয়ে যোগ্যরাই এ দেশে ধনী পরিবার করতে পেরেছেন।’
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স প্রকাশিত মেম্বার ডিরেক্টরির তথ্য অনুযায়ী, আশির দশকে জহুরুল ইসলাম গ্রুপ দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। ঠিকাদার ব্যবসার মাধ্যমে গ্রুপটি প্রতিষ্ঠা করেন জহুরুল ইসলাম। ১৯৮৮ সাল নাগাদ এ গ্রুপের বার্ষিক টার্নওভার দাঁড়ায় ৬২৮ কোটি টাকায়। এ সময় গ্রুপের অধীনে ছিল ২৪ প্রতিষ্ঠান। ১৯৮৮ সালে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় নম্বরে ছিল ইস্পাহানি গ্রুপ।
আশির দশকে এএসএফ রহমান প্রতিষ্ঠিত বেক্সিমকো গ্রুপ ছিল তালিকার তৃতীয় স্থানে। ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক টার্নওভার ছিল ৫২৪ কোটি টাকা। চতুর্থ স্থানে ছিল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইনের আনোয়ার গ্রুপ। পঞ্চম স্থানে থাকা এ কে খান গ্রুপের টার্নওভার ছিল ৪০০ কোটি টাকা। ষষ্ঠ ধনী ব্যবসায়ী পরিবার ছিল মুহাম্মদ ভাই। সপ্তম স্থানে লতিফুর রহমানের ডব্লিউ রহমান জুট, অষ্টম স্থানে সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর এপেক্স, নবম স্থানে এম মোর্শেদ খানের প্যাসিফিক এবং দশম স্থানে ছিল স্যামসন এইচ চৌধুরীর স্কয়ার গ্রুপ।
ব্যাংকিং খাতের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৫ জন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে (১৯৭৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত) এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৭ জনে। জিয়াউর রহমান সরকারের আমলে (মে ১৯৮১) সংখ্যাটি বেড়ে হয় ৯৮। বর্তমানে ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি সঞ্চয় রয়েছে এমন হিসাবধারীর সংখ্যা ৬০ হাজার। দিনবদলের সঙ্গে অর্থনীতি বড় হয়েছে, পাশাপাশি বেড়েছে সম্পদশালী পরিবারের সংখ্যাও।

বর্তমানে শীর্ষ ধনীর তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। এর মধ্যে আছেন ‘বিজনেস মোগল’ নামে পরিচিত ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান মুসা বিন শমসের। ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তিনিই বাংলাদেশের শীর্ষ ধনী। তার সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি ২০ লাখ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৯৫ হাজার কোটি টাকা)।

এছাড়া তালিকায় আছেন বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সালমান এফ রহমান। বেইজিংয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান হুরুন গ্লোবালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে তার অবস্থান ১৬৮৫তম। বাংলাদেশের কোনও ব্যবসায়ী এই প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় উঠে আসলেন। তার সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১৩০ কোটি ডলার।

ধনীদের তালিকায় আরও আছেন বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ আকবর সোবহান, পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ হাশেম, গাজী গ্রুপের গোলাম দস্তগীর গাজী, যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, ইস্ট-কোস্ট গ্রুপের মালিক আজম জে চৌধুরী, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, এস আলম গ্রুপের সাইফুল ইসলামসহ শতাধিক ব্যক্তি। বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেসরকারি হাসপাতাল, টিভি চ্যানেল, ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক তারা।
এর বাইরেও নতুন নতুন শিল্পোদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২ কোটি টাকা বা এর বেশি টাকার সম্পদের মালিক এখন ১৭ হাজার ৩৯ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest