সুস্বাদু খেজুরের রয়েছে এমন কিছু পুষ্টিগুণ যা সুস্থ থাকার জন্য জরুরি। আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়ামসহ নানান ধরনের পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় খেজুর থেকে। আঁশজাতীয় খাবারেরও অন্যতম উৎস এটি। প্রতিদিন কয়েকটি খেজুর খেলে দূরে থাকতে পারবেন বিভিন্ন রোগ থেকে।জেনে নিন খেজুর খাওয়া কেন জরুরি-c
- যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছেন তাদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে।
- খেজুরে এমন কিছু পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা চোখের ভিটামিন হিসেবে কাজ করে।
- নিয়মিত খেজুর খেলে অন্ত্রে বেশকিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মে যা সুস্থতার জন্য জরুরি।
- কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে খেজুর ভিজিয়ে রেখে পানিটুকু পান করুন ঘুমানোর আগে। প্রতিদিন পান করলে দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।
- খালি পেটে কয়েকটি খেজুর খান প্রতিদিন। এটি রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করবে।
- মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খাওয়া হচ্ছে বলে ওজন কমছে না? প্রতিদিন খেজুর খান। এতে মিষ্টি খাবারের চাহিদা যেমন পূরণ হবে, তেমনি ওজন ও কমবে।
- কয়েকটি খেজুর পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরদিন পানির সঙ্গে ব্লেন্ড করে খেয়ে ফেলুন। হার্ট ভালো থাকবে।
- খেজুরে অল্প পরিমাণে সোডিয়াম ও প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- খেজুরে থাকা পটাসিয়াম স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
- খেজুরে রয়েছে ফসফরাস যা মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
- দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে পান করলে দূর হয় ক্লান্তি।
তথ্য: বোল্ডস্কাই

ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার দুশ্চিন্তা ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্যদের মধ্যে। রবিবার (৭ মে) দলটির সংসদীয় দলের সভায় বসেছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় এমপিদের প্রতি হুঁশিয়ারি বার্তা দেন তিনি। মূলত এ কারণেই তাদের ভেতরে দুশ্চিন্তা ভর করেছে।
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার এক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও তিন উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) ১৭ জনের বিরুদ্ধে নালিশি মামলা হয়েছে। সোমবার (৮ মে) সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এক নারী এই মামলা দায়ের করেন। বিচারক আহসান হাবিব বাদীর জবানবন্দি নিয়ে ৯ মে আদেশের তারিখ ধার্য করেছেন। বাদীর আইনজীবী মাইন উদ্দিন মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ও বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। এ উপলক্ষে রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও তার অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলো দোয়া-মিলাদ ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন, জেলা শিল্পকলা একাডেমী ও জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘বাঙালির নব জাগরণের বিরল সাহিত্য ¯্রষ্টা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলাভাষার এই কবির পরিচিতি বিশ্বজোড়া। তাই বাঙালির গৌরবের নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান কবির স্মৃতিধন্য তার মধ্যে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ গ্রাম কবির ব্যক্তি, কর্ম ও কাব্যজীবনের অনেকাংশের সাক্ষী হয়ে আছে। কবির চিন্তা চেতনা, অন্তর্নিহিত ভাব ও দর্শন সার্বজনীনবোধ অনন্য ও অসাধারণ। যে জন্য তিনি বিশ্ব সাহিত্যের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। অসাধারণ সব সাহিত্যকর্ম দিয়ে তিনি বিস্তৃত করেছেন বাংলা সাহিত্যের পরিসর। তাই তো জীবনের প্রতিটি সমস্যা-সংকট, আনন্দ-বেদনা এবং আশা-নিরাশার সন্ধিক্ষণে রবীন্দ্র সৃষ্টি আমাদের চেতনাকে আন্দোলিত করে। রবীন্দ্রনাথ তার লেখনীতে বাঙালির জীবন-যাপন, সংস্কৃতিকে যেমন তুলে ধরেছেন, তেমনি বাঙালির চিরদিনের হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনারও অন্যতম রূপকার তিনি। বাংলাভাষা ও সাহিত্যকে তিনি সারাজীবনের সাধনায় অসাধারণ রূপ-লাবণ্যম-িত করেছেন। অতুলনীয় ও সর্বতোমুখী প্রতিভা দিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বমানে উন্নীত করে বাঙালিকে এক বিশাল মর্যাদার আসনে নিয়ে গেছেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে রবীন্দ্রনাথ প্রেরণাদায়ী পুরুষ। বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যলালিত দর্শন ও সাহিত্য, তার রচনার মধ্য দিয়ে বিশ্ব সাহিত্য সভায় পরিচিতি পায়। ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি এবং এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। তার লেখা আমাদের ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ আমাদের জাতীয় সঙ্গীত’। আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহবায়ক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-ভাষা গবেষক সাবেক অধ্যক্ষ কাজী মো. অলিউল্লাহ, সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হেনরী সরদার, শহিদুর রহমান, চিত্র শিল্পী এম.এ জলিলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নের্তবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য সচিব শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন।
দেখা ভালো কাজ নয়। সিনেমা নিয়ে আলাপ তাও ভালো বলে বিবেচনা করে না অনেকেই। আমরা খুব ভালোতে বিশ্বাসী। ভাবখানা এমন, মন্দে আমাদের মোটেও মন নেই। খুবই খাঁটিজন আমরা। আমরা মন্দ বলি না, করি না, ভাবিও না। এত ভালোগিরি দিয়ে লাভের খাতা কতটা ভারি হয়েছে আর লোকসানের পরিমাণ কত ভেবে দেখা হয় না।
