xfull_45212164_1494648656.jpg.pagespeed.ic.TNmIBdCNMUগাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ি ইউনিয়নের সুলতানপুর বাড়াইপাড়া গ্রামের আবদুল গফুর শেখ। নেপিয়ার ঘাস চাষ করে এখন তিনি  প্রায় কোটি টাকার মালিক। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া আড়াই বিঘা জমির মধ্যে দেড় বিঘা জমিতে ফসল ফলিয়ে ছয় সদস্যের সংসার ঠিকমত চলতো না। তাই আবদুল গফুর জমি বিক্রি করে ২০০৩ সালে মেজো ছেলে ফারুককে বিদেশে পাঠানোর জন্য এক লোককে টাকা দিয়ে প্রতারিত হন। পরে অন্যের জমিতে কাজ করে প্রতিদিন ১৩০ থেকে ১৫০ টাকার আয়ে সংসার চলতো না।

২০০৪ সালের প্রথম দিকে পলাশবাড়ীর দুলু মিয়ার কাছ থেকে নেপিয়ার জাতের ঘাসের বহুমুখী ব্যবহারের কথা শুনে আবদুল গফুর উদ্বুদ্ধ হন এই ঘাস চাষে। এরপর তিনি নেপিয়ার ঘাসের চারা সংগ্রহ করে পাঁচ শতক জায়গায় লাগান।

এর আগে সমিতি থেকে সাত হাজার টাকা ঋণ নিয়ে একটি গাভী কেনেন গফুর। এদিকে গাভীটি একটি বাছুর দেয়। পরবর্তীতে সেই ঘাস বড় হলে গাভীকে খাওয়ানো শুরু করেন। ফলে গাভীর দুধ বাড়তে থাকে। আবার ঘাসও বিক্রি করে টাকা পান। হাতে বেশ টাকা আসতে শুরু করে তার। সেই টাকা দিয়ে জমি ইজারা নিয়ে ঘাস চাষ  শুরু করেন।

বর্তমানে তিনি ২০ বিঘা জমিতে নেপিয়ার ঘাস চাষ করছেন। এরমধ্যে ৮ বিঘা নিজের কেনা ও ১২ বিঘা ইজারা নেয়া। একবিঘা জমিতে উৎপাদন খরচ পড়ে প্রায় দশ হাজার টাকা। প্রতিমাসে খরচ বাদে ঘাস বিক্রি করে মাসিক আয় ১ লাখ টাকার বেশি।

খড়ের ঘরের বদলে বর্তমানে ২০ শতক জমিতে আধাপাঁকা ঘর তৈরি করেছেন। তার খামারে বিভিন্ন উন্নত জাতের ২২টি গাভী আছে এরমধ্যে ৮টি গাভী দুধ দিচ্ছে। সেই দুধ বিক্রি করে দৈনিক ২২০০ টাকা আয় হচ্ছে। ঘাসের জমিতে পানি সেচের জন্য দুইটি শ্যালো চালিত মেশিন আছে। এছাড়া হাঁস-মুরগি ও ছাগল রয়েছে তার।

বাড়িতে বিদ্যুৎ ছাড়াও রয়েছে দুইটি মোটরসাইকেল ও পাঁচটি ভ্যান। কর্মচারি রয়েছে তিনজন, তাদের প্রতিজনের মাসিক বেতন ৯ হাজার টাকা। তারা প্রতিদিন জমি থেকে ঘাস কেটে পলাশবাড়ী, ঢোলভাঙ্গা, ধাপেরহাট, মাঠেরহাট ও গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে।

আবদুল গফুরের বাড়ির আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১০০ জন কৃষক ৮০ থেকে ৯০ একর জমিতে নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ করছেন।

আব্দুল গফুর বলেন, আমার স্বপ্ন ব্যাপকহারে এই ঘাস চাষ করে আন্তজাতিক ভাবে পরিচিত হওয়া। যাতে আরো অনেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে এই ঘাস চাষ করে তাদের ভাগ্য বদলাতে পারে।

বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি চাষের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়নে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য ২০১৪ সালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কারে ভুষিত হন আব্দুল গফুর। ওই সালের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকাস্থ ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে একটি সনদপত্র ও একটি রৌপ্যপদক পুরস্কার হিসেবে গ্রহণ করেন তিনি।

গাইবান্ধা জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুল লতিফ বলেন, বড় পরিসরে জেলায় একমাত্র আবদুল গফুর বাণিজ্যিকভাবে এই ঘাস চাষ করছেন। তাকে দেখে আরও অনেকই এই ঘাষের চাষ করছেন। এজন্য প্রাণি সম্পদ বিভাগ থেকে তাকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া তার সাফল্য চিত্র ভিডিওতে ধারণ করে বিভিন্ন সেমিনারে প্রদর্শন করে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

babyরাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় চুরি ও মারামারির অভিযোগে দায়েরকৃত একটি মামলায় ১১ মাসের শিশু এবং মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়ার অভিযোগে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মারুফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। তারা হলেন- সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) কাজী মাহবুবুল আলম ও ওসি (তদন্ত) মো. সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়া মিরপুর জোনের ডিসি এবং এডিসিকে সতর্ক করা হয়েছে।

রবিবার পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) সহেলী ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। বার্তায় বলা হয়, মিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদ হোসেনকে প্রত্যাহার করে এপিবিএন মহালছড়িতে সংযুক্ত করা হয়েছে।

অপরদিকে মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) কাজী মাহবুবুল আলমকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহারপূর্বক ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হচ্ছে। এ তিন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু হচ্ছে।

তাদেরকে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিবিড়ভাবে মামলা তদারকির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক এ নির্দেশ প্রদান করেছেন বলে বার্তায় বলা হয়।

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর থানায় করা মারামারি, চুরি, ঘর-বাড়ি ভাঙার মামলায় মৃত ব্যক্তি এবং ১১ মাসের এক শিশুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। এতে মৃত ব্যক্তির বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন এবং ১১ মাসের শিশুর বয়স দেখানো হয়েছে ৩০ বছর।

এ কারণে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার উপ-পরিদর্শক মারুফুল ইসলামকে সশরীরে হাজির হয়ে আগামী ১৬ মে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলম।

এর আগে, আসামি পক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মামলার বাদীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পপির ‘রাজপথ’

কর্তৃক Daily Satkhira

Popy-880x500-1‘অনেকদিন পর নিজেকে মেলে ধরার মত একটি চরিত্র পেয়েছি। তাই গল্প আর চরিত্র শোনার পর না বলতে পারিনি।’ নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর চ্যানেল আই অনলাইনকে বললেন পপি। ‘রাজপথ’ নামে একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই চিত্রনায়িকা। ছবিটি পরিচালনা করবেন জাভেদ জাহিদ। ছবিতে তপপির বিপরীতে অভিনয় করবেন জায়েদ খান।

পপি বলেন, ‘রাজনৈতিক গল্প। এখানে আমি একজন পুলিশ অফিসার। রাজনৈতিক গণ্ডগোল দমন করতে আমাকে সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকতে হয়। এ সময় নেতাদের নানা হুমকি আর বাঁধা আসে। কিন্তু আমি আমার কাজ ঠিক ঠিক করে যাই।’

পপি অভিনীত ‘পৌষ মাসের পিরিতি’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে সম্প্রতি। পরিচালক নার্গিস আক্তার। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন টনি ডায়েস। ছবিটির শুটিং হয়েছিল চার বছর আগে। মুক্তির অপেক্ষায় আছে শাহ আলম মন্ডল পরিচালিত ‘সোনাবন্ধু’। এই ছবিতে পপি ছাড়া আরও অভিনয় করেন ডি এ তায়েব ও পরীমনি। এই ছবিরও শুটিং হয়েছে দুই  বছর আগে। এর মধ্যে তিনি আর নতুন কোনো ছবিতে কাজ করেননি।

পপি বলেন, ‘ছবির গল্প ও অন্যান্য বিষয়ে আমি রীতিমত হতাশ ছিলাম। তাই ছবিতে নিয়মিত হইনি। যদিও প্রস্তাব ছিল অনেক। এখন আমার পছন্দের নতুন ছবিতে কাজ করতে যাচ্ছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

channel_i_ronaldo1বার্সেলোনার থেকে এক ম্যাচ কম খেলায় শিরোপার ভাগ্য নিজেদের হাতেই আছে জিনেদিন জিদানের দলের। সেটাকে আরো মজবুত করে লা লিগার শিরোপার পথে আরেকধাপ এগিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জোড়া গোলে সেভিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছে মাদ্রিদিস্তারা।

সান্তিয়াগো বার্নাবুতে রোববার রাতের জয়ে রিয়ালের বাকি গোল দুটি নাচো ফার্নান্দেজ ও টনি ক্রুসের। সেভিয়ার সান্ত্বনার গোলটি করেন স্টিভেন জোভেটিচের।

রাতের অন্য ম্যাচে বার্সেলোনা ৪-১ গোলে লাস পালমাসকে হারানোয় দুই দলের পয়েন্ট সমানই থাকল। ৮৭ করে পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যে এগিয়ে টেবিলের শীর্ষে বার্সেলোনা। আর এক ম্যাচ কম খেলে দুইয়ে রিয়াল। শেষ দুই ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট ঘরে তুলতে পারলেই ২০১২ সালের পর আবারো স্প্যানিশ লিগ চ্যাম্পিয়নের মাল্য উঠবে রিয়ালের গলায়।

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে টানা গোলের রেকর্ডটি এতদিন ছিল বায়ার্ন মিউনিখের। পেপ গার্দিওলার অধীনে বায়ার্ন টানা ৬১ ম্যাচে প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে নিয়েছে। সেটা টপকে ৬২ ম্যাচে টানা গোলের রেকর্ডে নাম লেখাল রিয়াল।

ম্যাচের শুরু থেকেই দাপটের সঙ্গে খেলতে থাকে রিয়াল। আলভারো মোরাতা অতিথি গোলরক্ষককে একা পেয়েও জালে শট নিতে ব্যর্থ হলে স্বাগতিকদের নয় মিনিটেই এগিয়ে যাওয়া হয়নি। অবশ্য পরের মিনিটেই বিতর্কিত এক গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল।

এসময় মার্কো আসেনসিও বক্সের বাইরে ফাউলের শিকার হলে রিয়াল ফ্রি-কিক পায়। সিদ্ধান্তটি নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে সেভিয়ার খেলোয়াড়রা যখন রেফারির সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন বলে কিক নিয়ে ফাঁকা জালে জড়িয়ে দেন রিয়াল ডিফেন্ডার ফার্নান্দেজ। অতিথিরা তীব্র আপত্তি জানানোর পরও রেফারি সেটিকে গোলই ঘোষণা করেন।

পরে ২০ মিনিটে জোভেটিচের শট পোস্ট দুর্ভাগ্যে কাটা পড়লে বেঁচে যায় রিয়াল। তার তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রোনালদো। প্রথমে অতিথিদের জাল বরাবর দারুণ এক শট নিয়েছিলেন হামেস রদ্রিগেজ। সেটি গোলরক্ষক সার্জিও রিকোর গ্লাভসে বাধা পড়লেও জমে থাকেনি। ফিরতি বলে টোকা দিয়ে জাল খুঁজে নেন সিআর সেভেন।

ম্যাচের ৩১ মিনিটে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার কোর্রেয়া গোলরক্ষক কেইলর নাভাস বরাবর শট নিয়ে সুযোগ হাতছাড়া করেন। দুই মিনিট পর জোভেটিচের শট আরেকদফা ক্রসবার দুর্ভাগ্যে কাটা পড়ে। ৪০ মিনিটে জোভেটিচেরই শটে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান নাভাস।

মধ্যবিরতির পর সমতায় ফেরে সেভিয়া। ম্যাচের ৪৯ মিনিটে মিডফিল্ডার ভিতোলোর পাসে বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে জাল খুঁজে নেন সেই জোভেটিচই। তবে ৭৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে সেভিয়ার ম্যাচে ফেরার পথ বন্ধ করে দেন রোনালদো। চলতি লিগে এটি তার ২২তম গোল।

আর ৮৪ মিনিটে নাচোর পাসে বল পেয়ে গোল করে জয়টা আরো দৃষ্টিনন্দন করেন টনি ক্রুস। শেষ পর্যন্ত ওই ব্যবধানে জিতেই মাঠ ছাড়ে জিদানের শিষ্যরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

pakistan_wi-1ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ইতিহাস গড়া জয় দিয়েই দুই মহারথীকে বিদায়ী উপহার দিল পাকিস্তান দল। তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ক্যারিবীয়দের ১০১ হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে প্রথমবারের মত সিরিজ জেতে সফরকারীরা। এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বীরের বেশেই বিদায় নিলেন অধিনায়ক মিসবাহ-উল হক এবং ইউনুস খান।

প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের করা ৩৭৬ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে ২৪৭ রান। পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৭৪ রানে ইনিংস ঘােষণা করলে ক্যারিবীয়দের টার্গেট দাঁড়ায় ৩০৩ রানের। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২০২ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

১৯৫৮ সাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাচ্ছে পাকিস্তান। কিন্তু ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে কখনোই সিরিজ জিতে ফেরা হয়নি।কিন্তু এবার হয়েছে। মিসবাহ-ইউনিসকে সেরা বিদায় উপহারটাও দিতে পেরেছে পাকিস্তান।

৭ রানে দিন শুরু করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ঘণ্টাতেই দুই উইকেট হারায় একটু পরেই ফিরেন শাই হোপ। পাকিস্তানের কাঁটা হয়ে থাকেন শুধু একজন, রোস্টন চেজ। সিরিজ জুড়েই পাকিস্তানকে ঝামেলায় ফেলা এই অলরাউন্ডার এবারও হতাশার কিনারে নিয়ে গিয়েছিলেন পাকিস্তানকে। সঙ্গীর অভাবে ১০১ রানের অপরাজিত থাকেন তিনি। আর ম্যাচের মাত্র ৬ বল বাকি থাকতে জিতে যায় পাকিস্তান।

৩০৪ রানের লক্ষ্য ছোঁয়ার কোনো ইচ্ছেই ছিল না ক্যারিবীয়দের। তাদের মাথায় ছিল শুধু ম্যাচ বাঁচানোর চিন্তা। পাকিস্তানের চিন্তা ছিল ঠিক উল্টো। যেকোনো উপায়েই হোক, বাকি উইকেট তুলে নিয়ে ইতিহাসটা অবশেষে করে ফেলা। অবশেষে সেটা তারা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

channel_i_naymer2লা লিগার শিরোপা জিততে হলে কেবল প্রতি ম্যাচে জিতলেই চলবে না বার্সেলোনার। অপেক্ষায় থাকতে হবে রিয়ালের একটি হারেরও। তবে নিজেদের কাজটা তো ঠিকঠাক করে রাখতে হবে আগে। নেইমারের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে সেটাই আরেকবার করে রাখল কাতালানরা। লাস পালমাসকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল বার্সা।

রোববার রাতে পালমাসকে গুঁড়িয়ে ৩৭ ম্যাচে ৮৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষেই থাকল লুইস এনরিকের দল। একই সময়ে নিজেদের মাঠে ৪-১ গোলের একই ব্যবধানে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল। ৩৬ ম্যাচে বার্সার সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে লস ব্লাঙ্কোসরা। তাদের হাতে আছে দুটি ম্যাচ। আর বার্সার বাকী একটি। মেসি-নেইমারদের তাই শেষ ম্যাচে জয়ের পাশাপাশি রিয়ালের একটি হার কামনা অপরিহার্য!

ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ওয়ার্মআপের সময় ডান পায়ে চোট নিয়ে ছিটকে পড়া হাভিয়ের মাশ্চেরানোকে ছাড়াই নামতে হয়েছিল বার্সাকে। সার্জিও রবের্তো ও জেরার্ড পিকেও ছিলেন না। দুর্বল ডিফেন্সে মৌসুমজুড়ে ভোগা বার্সা ডিফেন্ডার সঙ্কটের মাঝে লা লিগা অভিষেক করিয়ে দেয় ব্রাজিলের ২১ বছর বয়সী মার্লনকে।

ম্যাচে শুরু হতে হতে অবশ্য সব ভুলে আক্রমণে গেছে বার্সাই। তিন মিনিটের মাথায় ইনিয়েস্তার পাস মেসি ঠিকমত পায়ে লাগাতে পারলে শুরুতেই লিড নিতে পারত অতিথিরা। এর মিনিট তিনেক পর মেসির ‘দুর্লভ’ হেড একটুর জন্য বার মিস করে।

সুযোগ হাতছাড়ার মহড়া স্বত্বেও কাঙ্ক্ষিত গোল আদায় করে নিতে বেশি সময় নেয়নি কাতালানরা। ম্যাচের ২৫ মিনিটে নেইমারকে দিয়ে প্রথম গোলটি করিয়েছেন সুয়ারেজ। ইনিয়েস্তার থেকে বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে সামনে গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট নেননি উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড। ডি-বক্সে থাকা নেইমারের দিকে বল বাড়ান তিনি। তা থেকে গোল না করতে পারলে নিজের নামের প্রতিই অবিচার করতেন ব্রাজিলিয়ান ওয়ান্ডারবয়।

প্রথম গোলের দুই মিনিট পরেই সুয়ারেজকে দিয়ে গোল করিয়ে ঋণ শোধ করেন নেইমার। ব্রাজিলিয়ান তারকার বুদ্ধিদীপ্ত পাসে বল পেয়ে পালমাস গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে ভলি করে জালে জড়িয়ে দেন সুয়ারেজ।

লাস পালমাসও চেষ্টা চালিয়ে গেছে গোল শোধের। ম্যাচের ৩২ মিনিটে মেসার মাটি ঘেঁষা শট কোন রকমে বাঁচান বার্সা গোলরক্ষক টের স্টেগেন।

প্রথমার্ধ শেষের চার মিনিট আগে অল্পের জন্য জোড়া গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন নেইমার। মেসির ফ্লিক ঠিক মতো পায়ে লাগাতে পারেননি তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে বেশ আক্রমণাত্নক হয়ে খেলেছে লাস পালমাস। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে স্বাগতিক দলের মিচেলের শট গোললইন থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন উমতিতি।

ম্যাচের ৫৫ মিনিটে গোল পেতে পারতেন মেসিও। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের বুলেট গতির শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করলে বঞ্চিত হন চলতি লেগের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

টের স্টেগেন দক্ষতায় ৬০ মিনিটে আবারও গোলবঞ্চিত হয় লাস পালমাস। এসময় রদ্রিগেজের নিচু শট দক্ষতার সাথে ফিরিয়ে দিয়েছেন জার্মান গোলরক্ষক।

তবে এর মিনিট তিনেক পরে দলকে গোল খাওয়া থেকে বাঁচাতে পারেননি টের স্টেগেনও। কেভিন প্রিন্স বোয়াটাংয়ের পাস থেকে বল পেয়ে আলতো ছোঁয়ায় বার্সা গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পেদ্রো বিগাস।

স্বাগতিকদের গোল আনন্দ নিমিষেই মিইয়ে গেছে নেইমারের জোড়া গোলে। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে ইভান রাকিটিচের থেকে বাতাসে ভেসে আসা পাসে মাথা ছুঁয়ে জাল খুঁজে নেন নেইমার।

দ্বিতীয় গোলের চার মিনিট পর নিজের হ্যাটট্রিকও পূর্ণ করেন এই ব্রাজিলিয়ান। গোলের যোগানদাতা জর্ডি আলবার পাস থেকে বল পেয়ে আলতো খোঁচায় স্বাগতিক গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। বড় জয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সাও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01সোহরাব হোসেন: আশাশুনির ১১ নং কাদাকাটি ইউনিয়নের কেজুরডাঙ্গা খালের উপর সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগের শিকার কোমলমতি স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী ও শত শত গ্রামবাসী। জরাজীর্ণ বাশের তৈরি সেতুটি ভেঙে গিয়ে যেকোন সময় মারাত্মক দুর্ঘটনার আশংকা করছেন পথচারীসহ বিদ্যালয়ের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, আশাশুনির কাদাকাটি ইউনিয়নের খেজুরডাঙ্গা নদীর কয়েক বছরের পুরানো বাশের সেতুর খুটির অধিকাংশ পঁচে গিযে হেলে পড়েছে। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে শত-শত গ্রামবাসী, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিগত চার বছর আগে স্থানীয় মেম্বার মিজানুর রহমান মন্টুর একান্ত প্রচেষ্টায় একটি বাশের সেতু নির্মাণ করে দিলেও বর্তমানে তা পারা-পারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্তমান মেম্বার অনুকুল বাছাড় জানান, এলাকার সাধারন মানুষ বিভিন্ন কাজে সেতুর উপর দিয়েই স্থানীয়দের প্রতিনিয়ত যাতায়ত করতে হয়। এ ছাড়াও স্কুলের ৫০/৬০ ছাত্র-ছাত্রীকে পড়া-লেখা করতে ঐ বাশের সেতু দিয়ে প্রতিদিন যেতে হয়, দেখা গেছে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের সেতু পার করে দিতে সংসারের শত কাজ ফেলে ভাঙা সেতু পর্যন্ত এগিয়ে আসে, কারণ তারা তাদের সন্তানকে নিয়ে কোন ঝুঁকি নিতে চান না।
এলাকাবাসীরা বলেন, বর্তমান সরকারের সময় সারাদেশে ব্যপক উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও এলাকার ৬০/৭০ টি পরিবারের শত মানুষ রয়ে গেছে চরম অবহেলিত এখানের শত জন সাধারনের মধ্যে অধিকাংশ রয়েছে দরিদ্রসীমার নিচে, অনেকে  ক্ষেত খামারী করে জীবন নিবাহ করে থাকে এবং তাদের প্রতিদিন ঐ সেতুপার হয়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে  ক্রায়/ বিক্রির করার জন্য কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয়। তাছাড়া রোগ বালাই যে কোন সমস্যায় ডাক্তার ও হাসপাতালে রোগীকে নিতে হয় কাঁধে ভার করে। পরিবহন যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় অধিকাংশ রোগী হাসপাতালে পৌছার আগেই জীবনের প্রদীপ নিভে যায় মাঝ পথেই। সেতুটি যদি হয় তাহলে যে কোন গাড়ি পারাপার করতে পারবে, ফলে হাজারো দূর্দশা থেকে মুক্তি পাবে, বদলে দিতে পারে শতশত গ্রামবাসীর ভাগ্য। ইতিমধ্যে ঝুকিপুর্ন সেতুর ব্যপারে এলাকার জনসাধারন  কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দিপাংকার সরকারে নিকট একটি আবেদন এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে করা হলেও হতাশা কাটেনি বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর দাবি একটু সুদৃষ্টি পারে অবহেলিত জনপদের জীবনযাত্রার উন্নয়নের সুযোগ দিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

193127551032_391115970906238_199251500092687_1486574_116513026_nসোহরাব হোসেন : আশাশুনিতে তীব্র গরম আর ঘনঘন লোডশেডিংয়ে অস্থির হয়ে পড়েছে জনজীবন। গরমের প্রখরতা প্রাকৃতিক হলেও দিনে রাতে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষ চরম বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। তবে বিদ্যুৎ অফিস বলছে চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় লোডশেডিং বেড়েছে।
তবে হঠাৎ করে আশাশুনিতে এই মুহুর্তে সর্বোচ্চ গরম পড়ছে। এই পরিস্থিতি সহসাই কমছে না। এদিকে তীব্র গরমে নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শিশুরা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। আশাশুনিতে হাসপাতাল সহ প্রাইভেট ক্লিনিকে আগত রোগিদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। বর্তমানে চলমান এইচএসসি/আলিম পরীক্ষার্থীরা চরম কষ্টে পরীক্ষা দিচ্ছে।
আরার কাদাকাটি গ্রামের ডাঃ আলহাজ্ব গ্ওাছুল হক বলেন,  গত কয়েকদিন ধরে তীব্র গরম পড়ছে যা অস্বাভাবিক তার উপর বিদ্যুৎ অফিস যেন আমাদের সাথে তামাশা শুরু করেছে। গত ২ দিনে ৪৮ ঘণ্টায় খুব বেশি হলে ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল বাকি সময় বিদ্যুৎ ছিলনা। এই গরমে রাতে দিনে যদি এভাবে লোডশেডিং হয় তাহলে মানুষ বাঁচবে কিভাবে। আর বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন করলে সব সময় ব্যস্ত পাওয়া যায়। মাঝে মধ্যে ধরলে উল্টো ফোনে হাসাহাসি করে। মনে হয় যেন তামাশা করছে। গাছ কাটার নাম করে সারা দিন বিদুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখে।
আশাশুনির বড়দলের মন্টু সরদার বলেন, দিনে যেমন তেমনভাবে চলে। তবে রাতে বা গভীর রাতে লোডশেডিং কেন হয় এটা বুঝি না। এতে করে ঘরের ছোট শিশুরা পর্যন্ত প্রচ- কান্নাকাটি করে উঠে। মোটকথা একেবারে অসহ্যকর অবস্থা, আমাদের দাবি হচ্ছে, যদি লোডশেডিং দিতে হয় তাহলে একটি নির্দিষ্ট সময় দিক। সেটা ধারাবাহিক ৩/৪ ঘণ্টা হলেও আপত্তি নেই। তবে আধ ঘণ্টা পর পর লোডশেডিং এটা মেনে নেওয়া যায় না।
আশাশুনির দরগাহপুর ইউনিয়নের আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শামিনুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছে। আবার উচ্চমূল্য দিয়ে ভারত থেকে বিদ্যুৎ এনেছে। কুইক রেন্টালের মাধ্যমে বিদ্যুৎ এনেছে সে হিসাবে বিদ্যুতের দামও বাড়িয়েছে। বর্তমানে আমরা বর্ধিত বিদ্যুতের মূল্য দিচ্ছি তাহলে কেন এই ঘন ঘন লোডশেডিং? তারপরও আমাদের দাবি থাকবে লোডশেডিং দিলে আগে থেকে ঘোষণা দিয়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় লোডশেডিং দেওয়া হউক। এভাবে ঘনঘন নয়। এদিকে তীব্র গরম ও লোডশেডিং যে বিপর্যস্ত মানুষের উপর মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে আছে নানান ধরনের রোগব্যাধি। এতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।
এ ব্যাপারে ডা. আঃ হাকিম বলেন, গরমে শিশুদের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা রাখতে হবে। তাদের খাবার গোসলসহ সব বিষয়ে ভালভাবে নজর দিতে হবে। এ কারণে হঠাৎ গরম বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়েকদিনে প্রচুর শিশু রোগী আসছে। এখনো অনেক রোগী ডায়রিয়া ও গরম জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest