সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নাগরিক সংলাপ: ‘আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধনসাতক্ষীরা পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তরসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু

01গ্রাম বাংলায় একটি কথা আছে। জনপ্রিয় এই বাক্যটি হচ্ছে ‘আমে দুধে মিশে যাবে, আঁটি বাগানে যাবে’। এর অর্থ হলো যে বা যারা মাঝখানে ঢুকে দুইয়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন, তিনি একদিন নিজেই বাদ পড়ে যাবেন। আর বিভাজিতরা নিশ্চয়ই মিলিত হবেন। এক ও অভিন্ন পথ ধরে চলবেন আবারও আগের মতো।
পাঠক প্রশ্ন করতেই পারেন হঠাৎ এই মসলা কেনো আমার মুখে। আমি উত্তর দিতে প্রস্তুত। গত বুধবার আমি শরিক হয়েছিলাম সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসকের দেওয়া ইফতার মাহফিলে। সেখানে যে অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে তা একটু শেয়ার না করলে আম আর দুধের রহস্য উদঘাটন করা যাবে না। জেলা প্রশাসকের ওই ইফতারিতে ভিআইপি টেবিলে অনেকের মধ্যে দুই নেতা সবার নজর কেড়েছিলেন। দুইজন পাশাপাশি চেয়ারে বসেছিলেন। এক সাথে একই সময়ে একই উপকরন নিয়ে ইফতার করলেন তারা। মোনাজাত করলেন। নামাজ আদায় করলেন। কিন্তু অবাক বিষ্ময়ের ব্যাপার কেউ কারও দিকে ফিরেও  তাকালেন না। কুশল বিনিময় দুরে থাক কেউ কারও সাথে কথাও বললেন না। মনে হলো কেউ কাউকে চেনেন না। অথবা চিনলেও একে অন্যের শত্রু। যে দুই ব্যক্তির কথা বলছি তারা দুজনেই আমাদের খুব কাছের মানুষ। সরকার দলীয় রাজনীতির অঙ্গনে তারা সরকারের খুব নিকটের লোক। তাদের একজন হলেন ১৯৮৬ ও ১৯৯১ এর সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ  প্রশাসক এবং দীর্ঘকালের সেক্রেটারির পদ অলংকৃত করে রাখা ব্যক্তি বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।  তিনি বারবার আমাদের ভোট নিয়েছেন। আরেকজন হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। কিছুদিন আগ পর্যন্ত তিনি ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। তিনিও আমাদের ভোট নিয়েছেন বারবার। এ দুজনের কেউ কারও চেয়ে কম জনপ্রিয় নন। দুজনেই আমাদের ভোট  নিয়েই হয়েছেন জনপ্রতিনিধি। তাদেরকে আমরা দেখেছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বেড়াতে। একই দলের ছত্রছায়ায় তাদেরকে হাঁটতে দেখেছি। দেখেছি তাদের দলে শামিল হবার জন্য আমজনতাকে আহবান জানাতে। এক সাথে রাজপথে মিছিল করেছেন তারা। এক সাথে মানুষের কাছে ভোট চেয়েছেন তারা। একসাথে আন্দোলন করেছেন তারা। এক সাথে দল গুছিয়েছেন। একসাথে নির্বাচনও করেছেন তারা। সেদিন তাদের মধ্যে এতো মিল মহব্বত দেখেছি  আর আজ কি দেখলাম কেউ কারও সাথে কথা নাহি কয়। পবিত্র রমজানের শিক্ষা কি তা নিয়ে যদি ব্যাখ্যা করি তবে একটি কথা বলতে পারি রমজান শেখায় ভ্রাতৃত্ব , রমজান শেখায় মহান আল্লাহর প্রতি নিজেকে পুরোমাত্রায় সমর্পন। রমজান শেখায় ইসলামের আদর্শের প্রতি নিজেকে সমর্পন। আমাদের আলোচ্য দুই নেতা নিশ্চয়ই রমজানের সেই শিক্ষা গ্রহন করেছেন। আর সেই শিক্ষার বলে বলীয়ান হয়ে তারা জেলা প্রশাসকের দেওয়া ইফতারে শরিক হয়ে রমজানের পবিত্রতা , ভ্রাতৃত্ব রক্ষা করতে অগ্রসর হয়েছেন। দেশ ও জাতির জন্য তারা এক সাথে অভিন্ন ভাষায় মোনাজাত করেছেন। তাহলে কেনো মুখ ফিরিয়ে থাকা।
এই দুই নেতাকে আমরা  বহুকাল ধরে দেখে আসছি। তাদের চলার পথ আদর্শ সবকিছুর সাথে আমাদেরও ঘনিষ্ঠতা। কিন্তু মাঝখানে একটি নির্বাচনই তাদের মধ্যে ছেদ ঘটিয়ে দিয়েছে। এ নির্বাচনে জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনসুর আহমেদ প্রার্থী হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ তাকে কেন্দ্রীয়ভাবে মনোনয়ন দিয়েছিল।  তার হাতে ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার চিঠি। অপরদিকে একই পদে প্রার্থী হয়েছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। তিনি দলের কেন্দ্রিয় সমর্থন পাননি। তবু ফলাফলে মুনসুর  আহমেদ হেরে গেলেন, আর জিতে গেলেন নজরুল ইসলাম। সেই যে দুজনের মুখ না দেখাদেখি শুরু হয়েছে তার শেষ যেনো কিছুতেই নামছে না ।  এখানে দুটি প্রশ্ন আমার মাথায় আসছে। ১. জেলা পরিষদ নির্বাচন যদি না হতো তাহলে কি হতো। ২. জেলা পরিষদ নির্বাচনে ফল যদি উল্টো হতো অর্থাৎ মুনসুর আহমেদ জিতে যেতেন এবং নজরুল ইসলাম হেরে যেতেন তাহলে কি হতো।  আমার বিশ্বাস মুখ দেখাদেখি বন্ধ হতো না। তাহলে কি বুঝবো যে জেলা পরিষদ নির্বাচনই তাদের মধ্যে ছেদ ঘটিয়ে দিয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখের সে ভোটযুদ্ধ তো শেষ হয়ে গেছে। যুদ্ধের পর তো আমরা সবাই এক জায়গাতেই আছি, সাথে রয়েছে শুধু সেদিনকার ফলাফলটা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা তো আর নেই।  হারজিতের পালা তো সেদিনই শেষ । দেরিতে হলেও দুজনে মিষ্টিমুখ করেছেন। কোলাকুািল করে বুকে বুক মিলিয়েছেন। তাহলে আবার কেনো বিমুখ হয়ে থাকা। দেখা হলেও কথা হলো না কেনো।
এই দুই নেতা গত ৪ মে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছুটেছেন। দলের নেত্রী তাদের ডেকেছিলেন। নেত্রীর হয়ে তাদের সাথে কথা বলেছেন দলের সেক্রেটারি সেতুমন্ত্রি ওবায়দুল কাদের। তাদের মধ্যে আবারও মিল ঘটিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন দলের ভবিষ্যত গঠনের কথা। নির্বাচনের কথা। আবারও এক কাতারে এক সাথে দলকে এগিয়ে নেওয়ার কথা। দুই নেতা বিনাশর্তে তাতে সায় দিয়েছেন । বুকে বুক মিলিয়েছেন। নিজেদের ভুল নিজেরাই শুধরে নিয়েছেন। করমর্দন করে জানান দিয়েছেন যে তারা  এক ও অভিন্ন পথে এগিয়ে যাবেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারন করে তারা আগের মতোই দল গোছাবেন। ২০ মে তারিখে তারা আবারও বসেছিলেন ঢাকায়। পরদিন প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের নির্ধারিত দিনও ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে যাওয়ায় সে কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়নি। এতোসবের পরও দুই নেতার মধ্যে বিভেদ কেনো। কেনো এই বিভাজন। সামনে তো নির্বাচন। ঘর গোছানোর পালা তো এখন। এখন তো মান অভিমানের সময় নয়। মান অভিমান সবই তো শেষ হয়ে গেছে ২৮ ডিসেম্বর ভোটাভুটির দিনে।
আমরা দেখতে চাই আম আর দুধের মিল। আমরা দেখতে চাই সেই আঁটি বাগানে নির্বাসিত হোক। পবিত্র রমজান মাসে ইবাদতের সওয়াব আল্লাহ বৃদ্ধি করে দেন। এই রমজানেই হোক তাদের মিলন মেলা। আরেকটি ইফতারে বসে  আমরা দেখতে চাই আম আর দুধের মহামিলন। আমজনতা হিসাবে আমরা যারা তাদের ভোটার তাদেরই  এ প্রত্যাশা।  অপেক্ষায় থাকছি সেই দিনটির। সেই ইফতারের। যেদিন আমে দুধে মিশে যাবে , আঁটি বাগানে যাবে।
সুভাষ চৌধুরী : সাতক্ষীরা ডিস্ট্রিক্ট করেসপনডেন্ট, দৈনিক যুগান্তর ও এনটিভি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

03নলতা  প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ব্রজপাটুলিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নলতা শরীফের পীরজাদা গওছার রেজার দৌহিত্র তৌফিক আমিন (১৪)  নিহত হয়েছে।
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এর পুত্র গওছার রেজার পুত্র মো. শহিদুল হকের সদ্য এসএসসি পাশ করা একমাত্র পুত্র তৌফিক আমিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার একটু পরে নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদে তারাবী নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়।
একটি মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়ে ও সাথে ৯ম শ্রেণি পড়–য়া পার্শ্ববর্তী জিকুকে পিছনে বসিয়ে যাত্রা শুরু করে খানজিয়া রোড হয়ে ভাড়াশিমলা ইউপির ব্রজপাটুলিয়া কার্পেটিং রোডের দিকে। রাত পৌনে ৮টার দিকে  ব্রজপাটুলিয়ায় মিন্টু বাবুর বাড়ির সামনের বাগবাটী অভিমুখে প্রশস্ত রোডে দ্রুত গতিতে টার্ন নিতে যেয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সুপারি গাছে লেগে সজোরে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তৌফিক এবং মাটিতে ছিটকে পড়ে জিকু। দোকানে বসা কয়েক যুবক সাথে সাথে তৌফিককে উঠিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সংবাদ দেয়। পরবর্তীতে তাকে এ্যাম্বুলেন্সযোগে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিলে কিছুক্ষণ চিকিৎসার পর ঐদিন রাত পৌনে ১১ টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তৌফিক আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্নানিল্লাহি…রাজিউন)।
মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নলতা শরীফের পীরজাদা গওছার রেজার দৌহিত্র অর্থাৎ মো. শহিদুল হকের একমাত্র পুত্র তৌফিক আমিন (১৪) কে ৯ জুন শুক্রবার বাদ জুমা নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে মাজার শরীফ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। রওজা শরীফের খাদেম আলহাজ্জ মৌলভী আনছার উদ্দিন আহমদ, মিশন কর্মকর্তাবৃন্দ, পীর কেবলার ভক্তবৃন্দ, মরহুমের আত্মীয়-স্বজন তথা হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লীর উপস্থিতিতে নামাজে জানাযা পরিচালনা করেন নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্জ হাফেজ মো. শামছুল হুদা।
তার মৃত্যুর সংবাদ রাত থেকে পর্যায়ক্রমে দাফনের পূর্ব পর্যন্ত সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে তৌফিকের সহপাঠী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খী বিভিন্ন বয়সের নারী, পুরুষ ও শিশুর অব্যাহত উপস্থিতিতে নলতা শরীফের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। আর একমাত্র পুত্রের মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকে তৌফিকের পিতা-মাতা একরকম পাগোল প্রায় হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

02কেএম রেজাউল করিম : দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্তৃক সাবেক সফল স্বাস্থ্য মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আ. লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সভাপতি সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক’র বিরুদ্ধে দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের ইফতার মাহফিলে গুটিকয়েক সংগঠন বিরোধী নেতারা কুরচিপূর্ণ বক্তব্য রাখার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগ।

অন্যদিকে, এর প্রতিক্রিয়ায় ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি বিলুপ্তির কথা জানানো হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১০টায় সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ সকল উন্নয়ন কে বাঁধাগ্রস্ত করতে দেবহাটায় আওয়ামীলীগের নামধারী গুটি কয়েক নেতারা সরকারের সে উন্নয়নকে পদে পদে বাঁধা সৃষ্টি করে বিএনপি-জামাতের সাথে সরাসরি সু-সম্পর্ক রেখে গত বৃহস্পতিবার পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাদের ম্যানেজ করে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে সেখানে আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছেন তারা। যা সংগঠনের নিয়ম বহির্ভূত। যেখানে রুহুল হক এমপি সাতক্ষীরার গণমানুষের কল্যাণে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাইপাস সড়ক, রেললাইন স্থানপন, প্যারামেডিকেলসহ অগণিত উন্নয়ন করে চলেছেন। যা অকল্পনীয় সাতক্ষীরার মানুষের জন্য। সেখানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এ্যাড. স ম গোলাম মোস্তফা, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গনি  আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র সরকার, সদস্য অহিদুল ইসলাম, শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান কেল্টু, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামসহ তাদের গংরা ২০১৩ সালের পর থেকে দলকে দ্বিখ-িত করতে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দলের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি করে উপজেলা আওয়ামীলীগকে বার বার তারা অস্তিত্ব সংকটে ফেলার পাঁয়তারা করে চলেছে। তাদের এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিগত দিনে বিএনপি-জামাত সহিসংসতার সময় দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের ৩টি তাজা প্রাণ আবু রায়হান, আব্দুল আজিজ, আলমগীর হোসেন (বাকুম) কে আমাদেরকে হারাতে হয়েছে। এছাড়া সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড.স.ম গোলাম মোস্তফার দীর্ঘ দিনের চক্রান্তের ফল হিসাবে একরে পর এক আওয়ামীলীগ বিরোধী কর্মসূচি পালন করে চলেছে। তেমনি আগামী নির্বাচনে পুনরায় যেন আওয়ামীলীগ আর ক্ষমতায় না আসতে পারে সে জন্য এখন থেকে ঐ সকল চক্রান্তকারিরা সু-সংঘটিত হয়ে ইফতার মাহফিলের নামে একের পর এক সংগঠন বিরোধী কার্যকালাপে মেতে উঠেছে। তাই ইফতার মাহফিলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান কেল্টু যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সংগঠন বিরোধী। আমরা তার এই বক্তব্যের জন্য উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠন তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সাথে সাথে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা স্বোচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধ জানাচ্ছি এবং তাদের কমিটি দ্রুত বিলুপ্ত করাসহ আইনী ব্যবস্থা নেওয়ারও আহবান করছি। একই সাথে আজ থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সকল প্রকার অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবকলীগকে বর্জন করা হল। আগামীতে যদি কেউ রুহুল হকের মত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কটূক্তি বা অসম্মানজনক বক্তব্য প্রদান করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সহ-সভাপতি নাজমুস শাহাদাত নফর বিশ্বাস, শরৎ চন্দ্র ঘোষ, যুগ্ন-সম্পাদক আনারুল হক, আজহারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন রতন,নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক, আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, দেবহাটা সদর আ’লীগের সভাপতি আবুল কাশেম, সখিপুর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান,পারুলিয়া আ’লীগের সভাপিত শাহাবুদ্দীন বিশ্বাস আবারা, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কুলিয়া আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বিধান চন্দ্র বর্মন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর. সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার ঘোষ, সখিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুর রব লিটু, কুলিয়া যুবলীগের সভাপতি মোসারাফ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ, উপজেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক নাসিরউদ্দীন, যুগ্ন-আহবায়ক মাহাবুর রহমান অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2017-06-09 15.29.16নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি সংগঠক উপজেলা (ফারিয়ার) এর উদ্দ্যোগে শুক্রবার বেলা ২টার দিকে হাসপাতাল রোডে অবস্থিত ফারিয়ারের নিজস্ব কার্যালয়ে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ফারিয়ার নেতৃবৃন্দর সাথে কলারোয়া ফারিয়ারের নেতৃবৃন্দর এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কলারোয়া ফারিয়ারের সভাপতি (নাভানা ফার্র্মা ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি) আক্তারুজ্জামান আক্তার। ঔষধ কালোবাজারী ক্রয় বিক্রয় এবং সকল অপশক্তির হাত থেকে সাংগঠনিক কার্র্য্যক্রমকে বেগবান ও গতিশীল করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় (ঢাকা) ফারিয়ারের সিনিয়র সহ-সভাপতি সোহেল বিশ্বাস। কলারোয়া ফারিয়ারের সাধারণ সম্পাদক (ডেলটা ফার্র্মা ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি) আনায়ারুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর ফারিয়ারের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুুর রহমান, কলারোয়া ফারিয়ারের সহ সভাপতি বিএম আল রাজীব পিটার (এসকে এফ ফার্মা), সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানুজ্জামান হাসান (ল্যাব এইড), সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিপুু (পপুলার ফার্মা)। এসময় উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া ফারিয়ারের নেতৃবৃৃন্দ যথাক্রমে সহ-সভাপতি বিপুল হালদার (স্কায়ার ফার্মা), যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মামুন মুন্সী (ওয়ান ফার্মা),ও সোহেল রানা (অপসোনিন), সহ সাংগঠনিক রুবেল হোসেন (সোমাটেক ফার্মা), অর্র্থ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদ, (ইবনে সিনা ফার্মা), সহ অর্র্থ সম্পাদক আব্দুল হান্নান (ওরিয়ন ফার্র্মা), দপ্তর সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম (জুলফার বাংলাদেশ), সহ-দপ্তর সম্পাদক রাশেদুজ্জামান (রেডিসান), ক্রিয়া সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির (এসকে এফ), সহ ক্রিয়া সম্পাদক হাসানুজ্জামান (ইনসেফটা), প্রচার সম্পাদক শ্রী সদানন্দ পোদ্দার (অপসো স্যালাইন), সহ প্রচার সম্পাদক তুহিন রাজ (গ্যাডিয়ান ফার্মা), সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশিকুজ্জামান আশিক (লিয়ন ফার্মা), সহ সাস্কৃতিক সম্পাদক সাইদুুর রহমান (গ্লোব ফার্মা), ধর্র্ম বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন (ওরিয়ান ফার্মা), সহ ধর্র্ম বিষয়ক সম্পাদক বিভুতি ভূষন (বিকন ফার্র্মা), তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হান্নান (রেনেটা ফার্র্মা লিমিটেড),ও সহ তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমান (র‌্যাংস ফার্মা), কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি সেলিম নূরানী (গাডিয়ান ফার্মা),ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য শহিদুল ইসলাম (ড্রাগ ইন্টাঃ), জাহাঙ্গীর হোসেন (কসমিক ফার্র্মা) এবং সজীব হোসেন (হেল্থ কেয়ার লিমিটেড), মহাসিন হোসেন (কেমিকো ফার্র্মা), মনিরুল ইসলাম (পেট্রন ফার্র্মা লিমিটেড), আনোয়ার  হোসেন (গ্রাকো), আব্দুল জলিল (স্কায়ার), মাসুুম বিল্লাহ (ফার্মাসিয়া) ও আলমাছ হোসেন  (বেক্রিমকো) প্রমুখ। এছাড়া আগামী ১২ই জুন ১৬ই রমজান কলারোয়া ফারিয়ারের নিজস্ব কার্যালয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Romelডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামি খালিদ মঞ্জুরুল রোমেলকে (৩৮)সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (৯ জুন) ভোরে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক সংলগ্ন সলঙ্গা থানার পাঁচলিয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া খালিদ মঞ্জুরুল রোমেল সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার কাদাই বাদলা গ্রামের মৃত এমএ গোফরানের ছেলে। সে সাতক্ষীরা-০১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবের আপন ভাগ্নে।
র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ ক্যাম্পের মেজর সাফায়াত আহম্মদ সুমন পিএসসির সই করা ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে পাঁচলিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোমেলকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ওই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাকে সলঙ্গা থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট কলারোয়া উপজেলার এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষণের শিকার স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে যান তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখে গাড়ির বহর নিয়ে শেখ হাসিনা যশোরে যাচ্ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের কলারোয়া উপজেলা সদরের বিএনপি অফিসের সামনে পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পনা মতো আসামি হাবিবুর রহমানের নির্দেশে অন্যান্যরা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গাড়ি বহরটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একইসঙ্গে বোমা হামলাও চালানো হয়। এসময় সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান ও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন। এ ঘটনায় কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দীন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এই মামলার প্রধান আসামি খালিদ মঞ্জুরুল রোমেল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

JdBVVJ_loseস্পোর্টস ডেস্ক: আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে ১-০ গোলের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এবং আর্জেন্টিনার পক্ষে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন আর্জেন্টিনার গ্যাব্রিয়েল মেরকাদো।

খেলার প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন গ্যাব্রিয়েল মেরকাদো। প্রথমে ডি মারিয়ার ক্রস থেকে নিকোলাস ওটামেন্ডির হেড পোস্টে লেগে ফিরেছিল। ছয় গজ বক্সে বল পেয়ে জালে জড়িয়ে দেন মেরকাদো।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৬২ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল ব্রাজিলের সামনে। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে সুযোগ হারায় সেলেসাওরা।অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আজ বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হয়। প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার সেরা তারকা লিওনেল মেসি খেললেও ব্রাজিলের পোস্টার বয় নেইমার ছিল না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় পুলিশের সোর্স হিসাবে পরিচিত আশাশুনি উপজেলার বড়দল গ্রামের আফছার আলীর ছেলে আইয়ুব আলীর চাঁদাবাজি, অত্যাচার ও নির্যাতনে এলাকার দীনমজুরসহ সাধারণ নিরীহ মানুষ অতিষ্টি হয়ে পড়েছে। তার অত্যাচারে অনেক পরিবার দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। শুক্রবার সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন বড়দল গ্রামের মোনতাজ উদ্দিন গাজির ছেলে বিমান বাহিনীর অবসরপাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার আব্দুল হাকিম গাজি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, চাকুরি শেষে বাড়িতে এসে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি সাধারণভাবে জীবন যাপন করছেন। কিন্তু স্থানীয় পুলিশের সোর্স হিসাবে পরিচিত আইয়ুব আলী আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে পুলিশকে দিয়ে হয়রানি ও মিথ্যে নাশকতা মামলার আসামী বানিয়ে জেলে পাঠাবার হুমকি দেয়। চাঁদার টাকা না দেয়ায় গত ৭ এপ্রিল রাতে আইয়ুব আলী আমাকে ডেকে নিয়ে আশাশুনি থানার পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয়। এরপর স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে থানার ওসির জন্য ৩০ হাজার ও আইয়ুব আলীর নিজের জন্য ১০ হাজার মোট ৪০ হাজার টাকা নিয়ে আমাকে ছেড়ে দেয়। তিনি বলেন, গত ৬ জুন আবারও পুলিশ আমাকে ধরতে আসে। এবার দাবি ৫০ হাজার টাকা চাঁদা। এই চাঁদা দিতে না পারলে আমাকে ও আমার ভাইকে জামায়াত শিবিরের মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার করানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি বিজিবিতে কর্মরত আমার ছেলে জিএম মোস্তাফিজুর রহমান ও ভাতিজা জিএম জাহিদুল ইসলামকে চাকুরিচ্যুত করারও হুমকি দেয় সে। আমি ও আমার ভাই এখন পুলিশের গ্রেফতারের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আইয়ুব সরদার একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের লিডার। সৌদি প্রবাসী এক ব্যক্তিকে ধর্মের ভাই বানিয়ে তার কাছ থেকে আইয়ুব হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এই টাকা আইয়ুব ব্যবহার করছে রাষ্ট্রবিরোধী কাজে। তিনি বলেন আইয়ুব স্থানীয় ইদ্রিস গাজি, মান্নান গাজি, সুমন সানাসহ অনেককে সহযোগী হিসাবে ব্যবহার করে তাদেরকে চাঁদাবাজির কাজে নামিয়েছে। পুলিশের কাছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দিতে গেলে তা নেওয়া হয়না। উল্টো যারা এ অভিযোগ করেন তাদেরকে জামায়াত শিবিরের সদস্য বানানো হয়। পুলিশকে সামনে রেখে আইয়ুবের চাঁদাবাজির শিকার হয়েছেন এ এলাকার বহু মানুষ। তার অত্যাচারে বড়দল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সুরঞ্জন ঢালি দেশ ত্যাগ করেছেন। তিনি জানান সম্প্রতি আইয়ুব সরদারের বিরুদ্ধে তদন্ত করেছেন কালিগঞ্জ সার্কেল সহকারি পুলিশ সুপার মির্জা সালাহউদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি পুলিশের দালাল আইয়ুবের বিরুদ্ধে তদন্ত করার আহবান জানিয়ে বলেন, তার সাথে জঙ্গিবাদের গোপন সম্পর্ক রয়েছে। সে সৌদি থেকে পাওয়া টাকা জঙ্গিবাদ লালনে ব্যবহার করছে। তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। তিনি নিজে ও পরিবারের সদস্যদেরকে আইয়ুবের হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1496995454চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ‘এ’ গ্রুপের খেলার অনেকটাই কেড়ে নিয়েছে বৃষ্টি। প্রকৃতি বাধায় টানা দুটি ম্যাচে ফল দেখেনি অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টির কারণে নিশ্চিত জয় বঞ্চিত হয়েছে নিউজিল্যান্ড। আজ গ্রুপের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কিউইদের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। আবহাওয়া রিপোর্ট বলছে, এ ম্যাচেও বৃষ্টি হানা দিতে পারে।

কার্ডিফের আবহাওয়া প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, আজ সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন ১২ ডিগ্রিতে সেটা নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সকালে শহরটিতে তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ছিল ১৯ কিলোমিটার। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৮ শতাংশ। দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি না হলেও এরপরই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাতে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। মেঘে ঢেকে আছে কার্ডিফের আকাশ।

যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, এই ম্যাচেও বৃষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে। বাংলাদেশের জন্য ‘অঘোষিত ফাইনাল’ এই ম্যাচে জয় পাওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই ম্যাচে হারলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেবে মাশরাফির দল। আর জয় পেলে টিকে থাকবে সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা।

বৃষ্টির কারণে গত বৃহস্পতিবার থেকেই ভেন্যুতে অনুশীলন করতে পারেনি বাংলাদেশ দল। অবশ্য এই বৃষ্টির কারণে অবশ্য একটি মূল্যবান পয়েন্ট পেয়েছিল মাশরাফিরা। যে কারণে এখনো সেমিফাইনালে খেলার আশা জিইয়ে রেখেছে তারা। তবে এই ম্যাচে বৃষ্টি হলে বাংলাদেশের স্বপ্নটা ভেঙে যাবে। বিষয়টা মানছেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফিও। বৃষ্টি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের একটা কথা মানতেই হবে, বৃষ্টি হলে কারোই কিছু করণীয় থাকবে না। তাই এই বৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করে কোনো লাভও নেই। কারণ বিকল্প কোনো রাস্তা নেই আমাদের হাতে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest