53bc306013f32f519a0935fc2e52f25a-59073521de5e5ন্যাশনাল ডেস্ক : সাধারণ দিনমজুর ও শ্রমিকদের নিজ শ্রমে উৎসাহিত করতে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. জুনাইদ আহমেদ পলক রিকশাচালককে সিটে বসিয়ে নিজেই রিকশা চালিয়েছেন। সোমবার নাটোরে মে দিবসের র্যামলিতে নেতৃত্ব দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। র‌্যালি শেষে প্রতিমন্ত্রী হতদরীদ্র মানুষদের মধ্যে রিকশা, রিকশা-ভ্যান ও একজন গ্রাম পুলিশকে সাইকেল হস্তান্তরের সময় তিনি রিকশা শ্রমকিকে সিটে বসিয়ে রাস্তায় প্রকাশ্যে রিকশা চালান।

সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমূল আহসান ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল ১১টার দিকে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক মে দিবসের এক র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন। র‌্যালিটি সিংড়া বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে উপজেলা চত্বর সংলগ্ন রাস্তা পরিভ্রমণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এ সময় মে দিবসের এক আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী হতদরীদ্র মানুষদের মাঝে ১০টি রিকশা,৫টি রিকশা-ভ্যান ও একজন গ্রাম পুলিশকে একটি সাইকেল হস্তান্তর করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী এক রিকশাচালককে সিটে বসিয়ে রিকশা চালান। তিনি প্রকাশ্যে রিকশা চালিয়ে বাস টার্মিনাল এলাকা ঘুরে ফের সভায় মিলিত হন।
এদিকে ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জ্বল হোসেন চৌধুরী মায়া উপজেলার ডাহিয়া বাজারে বন্যার্ত কৃষকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এ সময় তিনি ৩শ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রত্যেককে ৩০ কেজি চাল ও ৫শ টাকা প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হাতিয়ান্দহ ও চামারী ইউনিয়নের ১৩ জনকে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হয়। এসময় ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ১৩ জনকে মোট ১৫ বান্ডেল ঘরের টিন বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

a1a5f57595234ef31d399c11b74cb5c9-590733ee37826আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের গোলাগুলিতে নিজ দেশের সেনা নিহতের ঘটনায় ফুঁসছে ভারত। এ ঘটনায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে তারা। নিহত সেনার দেহ বিকৃত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ঘটনার পর সমগ্র জম্মু-কাশ্মিরজুড়ে হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে।

বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, সীমান্তে বন্দুক হামলার পাশাপাশি রকেট হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। সংবাদমাধ্যমের একাংশ বলছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর রকেট হামলায় ওই দুই সেনার প্রাণহানি হয়। তবে আরেক অংশ বলছে, গোলাগুলিতেই নিহত হয়েছেন ওই দুই ভারতীয় সেনা।

ঘটনার পর সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কৃষ্ণঘাঁটি সেক্টরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় বিনা উসকানিতে রকেট ও মর্টার হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। সেখানকার দুই পোস্টে একইসঙ্গে হামলা চালানো হয়। সেনা-নৈতিকতাবিরোধী অবস্থান নিয়ে আমাদের দুই সেনাকে হত্যার পর তাদের দেহ বিকৃত করেছে পাকিস্তান’।

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জম্মু-কাশ্মিরের পুঞ্চ জেলার ভারত-পাকিস্তান সীমান্তরেখার পাশে কৃষ্ণঘাট এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, কোনও ধরনের উসকানি ছাড়াই সোমবার সকালে গুলি ছুড়তে শুরু করেন পাকিস্তান রেঞ্জার্সের সদস্যরা।

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে পাকিস্তানের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দেওয়া এক বিবৃতিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি সেনারা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় গুলি ও স্প্লিন্টারের আঘাতে ৩ জন আহত হয়। আহত তিনজনের মধ্যে বিএসএফের হেড কনস্টেবল প্রেম সাগর ও সেনাবাহিনীর জুনিয়র কমিশনড অফিসার নিহত হন। এছাড়া আহত অপর এক বিএসএফ জওয়ানের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে; তবে তিনি শঙ্কামুক্ত।

এরআগে শনিবার ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পুঞ্চে বিএসএফের সেনাছাউনি লক্ষ্য করে লাগাতার মর্টার হামলার অভিযোগ করে।

সেনা নিহত হওয়ার পর গোটা জম্মু-কাশ্মীরে জারি করা হয়েছে হাই-অ্যালার্ট। ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, জঙ্গিদের ভারতে ঢোকার সুযোগ করে দিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কভার ফায়ারিং করে। এবারও পাকিস্তান সেনাবাহিনী একই ঘটনা ঘটিয়েছে সন্দেহে ওই হাই এলার্ট জারি করা হয়।

গত বছর চিরবৈরী এ দুই দেশের সীমান্তের লাইন অব কন্ট্রোলের কাছে অন্তত ২২৮ বার অস্ত্রবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর উত্তরাঞ্চল কমান্ডের এক বিবৃতিতে পাক সেনাবাহিনীর এ ধরনের অপ্রীতিকর হামলার জবাব যথাযথভাবে দেয়া হবে বলে হুমকি দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

9211bc615fa92ca085c45e72ad409692-59070c47d006aন্যাশনাল ডেস্ক : মর্যাদাহানি, লজ্জা, ক্ষোভ সর্বোপরি বিচারহীনতার কারণেই হযরত আলী ও তার মেয়ে আয়েশা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। সোমবার (১ মে) দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুরে আত্মহত্যায় বাধ্য হওয়া হযরত আলীর বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে এ দাবি করেন তিনি। এসময় তিনি আলীর স্ত্রী হালিমা বেগমের সঙ্গে কথা বলেন।
পরে রিয়াজুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিহতের স্ত্রী হালিমা বেগমের অভিযোগ অনুযায়ী তার আট বছরের মেয়েকে যে নির্যাতন এবং মর্যাদাহানি করা হয়েছে সে বিষয়ে থানায় জিডি করা হয়েছিল। সেটি একটি স্পেসিফিক অ্যালিগেশন (সুনির্দিষ্ট অভিযোগ) ছিল। কী কী ধরনের অন্যায় তার প্রতি করা হয়েছে সেগুলোও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সে ব্যাপারে পুলিশ তদন্ত করেছে এবং বাদীর সঙ্গে কথা বলেছে। কিন্তু পুলিশ কোনও লিখিত প্রতিবেদন দেয়নি।’

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এ অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে ট্রিট করে বিবাদীদের ধরার জন্য আরও বেশি সক্রিয় হওয়ার দরকার ছিল। হালিমা বেগম জানিয়েছেন, ‘পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি।’ মেয়ের মর্যাদাহানির জন্য দুঃখ, ক্ষোভ, লজ্জা, গ্লানি থেকে হযরত আলী ও তার মেয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। সমাজ ও আইনের প্রতি বিশ্বাসের অভাবেই তাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হয়েছে।’

রিয়াজুল হক বলেন, ‘আইন বলেছে, রাষ্ট্র যাকে যে দায়িত্ব বা ক্ষমতা দিয়েছে তা যদি সে সঠিকভাবে ব্যবহার না করে তবে তার দ্বারা মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে ধরা নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘন যারা করেছেন তাদের সঙ্গে পুলিশও এ দায় এড়াতে পারে না। বার বার বিচারহীনতার কারণে মানুষের মধ্যে অ্যাবনরমালিটি (অস্বাভাবিকত্ব) আসতে পারে। তাই বলে কাউকে পাগল ভাবা যাবে না। সে হিসেবে আলীর স্ত্রী হালিমাকে সত্যিকার অর্থে বদ্ধ পাগল বলা যাবে না। মেডিক্যাল সায়েন্স এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হযরত আলী মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বার বার সংগ্রাম করে ব্যর্থ হন। জনপ্রতিনিধি, সমাজ তার প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এরকম অবস্থাতে পড়লে যে কোনও মানুষের মধ্যে পাগলামি ভাব আসতে পারে। তার সম্পত্তির ওপর একদল স্বার্থান্বেষী মানুষের লোভ আছে। সম্পত্তিই তার কাল হয়েছিল। মেয়ের প্রতি নির্যাতনের বিচার না পেয়ে তিনি হতাশ হয়েছেন। আর আত্মহত্যা হতাশার একটি অভিব্যক্তি।’
কাজী রিয়াজুল হক বলেন, ‘একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরে হযরত আলীর দখলে থাকা সরকারি সম্পত্তি নিজেরা দখল করতে অত্যাচার-জুলুম করেছে। পরে তার মেয়েকে লাঞ্ছিত করেছে। যারা নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল তারা (জনপ্রতিনিধি) এসবের বিচার করেননি। তাই তাদের ফৌজদারি বিচারের আওতায় আইনের কাঠগড়ায় সোপর্দ করতে হবে। মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে আমরা আইনগত সহায়তা অব্যাহত রেখেছি। আমরা তাদের পক্ষে লড়ে যাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিচারহীনতার জন্য তারা যে জীবন দিল এটা অত্যন্ত লজ্জাকর। আইনের শাসনের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাবোধ এখনও আসেনি। আইনের শাসন থেকে আমরা এখনও অনেক দূরে আছি। যার কারণে একটা মানুষকে বিচার না পেয়ে জীবন দিয়ে বিচারের জন্য একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হলো।’
আত্মহননকারী হযরত আলীর বাড়িটি মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাহেনুল ইসলাম, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুস সবুর প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ২৯ এপ্রিল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশনের পশু হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় কর্ণপুর গ্রামের হযরত আলী ও তার মেয়ে আয়েশা আক্তার ট্রেন লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মত্যা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

0000003333ডেস্ক রিপোর্ট : সুন্দরবনের কাঁকড়া এখন যাচ্ছে বিশ্ব বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কাঁকড়া চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন মংলাসহ সুন্দরবনের আশপাশ এলাকার চাষিরা। এ অঞ্চলের চাষিরা তাদের পুকুর, ডোবা ও খালে ব্যাপক হারে কাঁকড়া চাষ করতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে এ কাঁকড়া চাষে ব্যাপক সফলতাও পেয়েছেন তারা। সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও কাঁকড়া চাষিদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানা গেছে।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের কাঁকড়া চাষিদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে পারলে প্রতি বছর এ খাত থেকে কয়েকশ’ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতি বছর আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁকড়ার চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি দামও বাড়ছে। আষাঢ় থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত কাঁকড়ার মৌসুম। এসময় সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার সহস্রাধিক জেলে বনবিভাগ থেকে নির্দিষ্ট রাজস্বের বিনিময়ে পারমিট সংগ্রহ করে সুন্দরবনে কাঁকড়া সংগ্রহ করতে যান।
গহীন সুন্দরবনসহ সাগর মোহনা থেকে জেলেরা কাঁকড়া সংগ্রহ করেন। এছাড়া উপকূলীয় মংলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার দেড় লক্ষাধিক হেক্টর চিংড়ি ঘেরে প্রাকৃতিকভাবেই কাঁকড়া উৎপন্ন হয়।
পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ১১ প্রজাতির কাঁকড়া পাওয়া যায়। এর মধ্যে মাইলা, হাব্বা, সিলা ও সেটরা কাঁকড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে বলে জানা গেছে।’
মংলার ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, ‘রফতানিতে চীন, মীয়ানমার, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, মালেয়শিয়া, শ্রীলংকা, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, হংকংসহ বিভিন্ন দেশে সুন্দরবনের কাঁকড়ার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।’
রফতানি উন্নয়ন সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছরে বিদেশে প্রথম কাঁকড়া রফতানি শুরু হয়। এরপর প্রায় তিন বছর বন্ধ থাকার পর ১৯৮২-৮৩ অর্থ বছরে আবারও বিদেশে কাঁকড়া রফতানি শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্ব বাজারে এর চাহিদা বাড়তে থাকে। পাশাপাশি বাড়তে থাকে এ খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রার আয়।
১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে কাকড়া রফতানি হয় ১২৫ কোটি ২২ লাখ ৩৯ হাজার টাকার। ১৯৯৯-২০০০ অর্থ বছরে রফতানি করা হয় ১৪১ কোটি ৬৬ লাখ ৬ হাজার টাকার। ২০০১-০২ অর্থ বছরে এ খাত থেকে আয় হয় ৫৩০ কোটি টাকা।
২০০২-০৩ অর্থ বছরে কাঁকড়া রফতানি হয়েছে ২ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলারের ৬৩০ মেট্রিক টন, ২০০৩-০৪ অর্থ বছরে আয় গিয়ে দাঁড়ায় ১৪৬ মিলিয়ন ডলারে। এভাবে পর্যায়ক্রমে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে এর আয় পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেড়ে য়ায়।
মংলার জয়মনি এলাকার কাঁকড়া চাষি ও ব্যবসায়ী কাজল, রায়হান, মালেকসহ আরও অনেকের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, সুন্দরবন সংলগ্ন সাগর ও নদীগুলোতে যে পরিমাণ কাঁকড়া ধরা পড়ে তা প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া রেনু পোনা থেকে অনেক বেশি।
তারা আরও জানান, এ অঞ্চলে ১২ মাস কাঁকড়ার চাহিদা রয়েছে। তাছাড়া চিংড়ি চাষের জন্য প্রচুর জমি ও অর্থের প্রয়োজন হলেও কাঁকড়া চাষের জন্য জমি ও অর্থ দু’টিই কম লাগে। ফলে অনেকেই কাঁকড়া চাষে ঝুঁকছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

8888নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মহান মে দিবসের ছুটির দিনে শ্রমিক খাটিয়ে তড়িঘড়ি করে সিডিউল বহির্ভূতভাবে সেফটি ট্যাংকি তৈরির কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার যখন সকল শ্রমিকরা মে দিবস পালনে ব্যস্ত ঠিক সেই সময়ে গোপনে চলে এ কাজ।
সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে কিছু কাজের জন্য টেন্ডার আহবান করা হয়। কাজগুলো হলো সেফটি ট্যাংকি, রং, গ্রিল ও দরজা মেরামত। মূল কাজ প্রায় ২২ লক্ষ টাকার হলেও কাজ পাওয়ার পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কাজ শুরু করে। আর এ কাজে চলছে পুকুর চুরি। ২২ লক্ষ টাকার কাজ ৪/৫ লক্ষ টাকায় সেরে বাকি টাকা লুটের বন্দোবস্ত করে ফেলেছে কর্তপক্ষ।
যে সো-কয়েলের গভীরতা হবে ১৪ থেকে ১৬ ফুট সেখানে ৬ ফুট গর্ত খুঁড়ে মে দিবসের ছুটির দিনে গোপনে সেফটি ট্যাংকি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেফটি ট্যাংকির ভিতর দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে খাওয়ার পানির লাইন। সেই সাথে আমা ও রেইন স্পট এবং নোনা ধরা ইট। এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সৈয়দ জিয়াউল হকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কাজের ডেলিভারি ওয়ার্ডার হয়েছে ২৭/০৩/২০১৭ তারিখে এবং কাজের ওয়ার্ক ওয়ার্ডার পেয়েছি ০৯/০৪/১৭ তারিখে। আমরা এক নম্বর ইট ও সিডিউল অনুযায়ী কাজ করছি। গর্ত ভরাট হয়ে যাচ্ছেÑ তাই মে দিবসের ছুটির দিনে কাজ করতে হচ্ছে এবং আগামী ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ তওহীদুর রহমান বলেন, আমার কাছেও এই অভিযোগ এসেছে কিন্তু ওটা পানির লাইন না।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, কিভাবে তারা মে দিবসের ছুটির দিনে কাজ করছে জানিনা। কোনভাবে এইদিনে কোন শ্রমিক কাজ করে না। তবে বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানাবো এবং ব্যবস্থা নিতে বলবো।
এদিকে যারা জেলার ২২ লক্ষ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে সেই সব দোষী ব্যাক্তিদের তদন্ত পূর্বক কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

44444444নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ শ্রমিক মালিক গড়ব দেশ, এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বঞ্চিত খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের ইতিহাস ১৩১বছর পেরুল। হাজার বছরের বঞ্চনা আর শোষণ থেকে মুক্তি পেতে ১৮৮৬ সালের এই দিন বুকের রক্ত ঝরিয়েছিলেন শ্রমিকেরা। শ্রম ঘন্টা কমিয়ে আনার দাবিতে এই দিনে শ্রমিকরা যুক্তরাষ্ট্রের সব শিল্পঞ্চলে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন। সেই ডাকে শিকাগো শহরের তিন লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ বন্দ রাখেন। শ্রমিক সমাবেশে ঘিরে শিকাগো শহরের হে মার্কেট রুপ নেয় লাখো শ্রমিকের বিক্ষোভ সমুদ্রে। এক লাখ ৮৫হাজার বিক্ষুদ্ধ শ্রমিক লাল ঝান্ডা হাতে সমবেত হন সেখানে। বিক্ষোভ চলাকালে এক পর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে ১০ শ্রমিক প্রান হারায়। এদিকে হে মার্কেটের ওই শ্রমিক অসন্তোষের আগুন জ্বলে উঠে গোটা দুনিয়ায়। গরে ওঠে শ্রমিক জনতার বৃহত্তর ঐক্য। অবশেষে তীব্র আন্দোলনের মুখে শ্রমিকদের দৈনিক আট ঘন্টা কাজের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্র সরকার। পরে ১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তজার্তিক শ্রমিক সন্মেলন শিকাগোর রক্তঝরা অর্জনকে স্বীকৃতি দিয়ে ওই ঘটনার স্মারক হিসেবে ১ মে আন্তজাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৮৯০সাল থেকে প্রতি বছর দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে দিবস হিসেবে পালন করতে শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় রক্তদিয়ে কেনা শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠার এ দিনটিকে কলারোয়া উপজেলার প্রশাসন, জাতীয় শ্রমিকলীগ, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন, হ্যান্ডলিং শ্রমিকলীগ, থ্রি-হুইলার মালিক সমিতি, হোটেল শ্রমিক, রাজমিস্ত্রি শ্রমিক, ভ্যান-রিকশা ও পেশাজীবী বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের নেতৃত্বে আয়োজনে সোমবার সকালে ইউনিয়নের নিজস্ব অস্থায়ী ভবন বাসস্টান্ডের সামনে থেকে খন্ড খন্ড মিছিল ও বিশাল র‌্যালীর মধ্যে দিয়ে মহান মে দিবস পালন করল শ্রমিক সংগঠন। র‌্যালীটি পৌর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তুলশীডাঙ্গা ইউরেকা তেল পাম্পের পাশে ইউনিয়নের কার্যালয়ে এসে এক আলোচনা সভায় মিলিত হন।

6666665কলারোয়া সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও জাতীয় শ্রমিকলীগ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম মিঠুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নিবার্হী কর্র্মকর্র্তা উত্তম কুমার রায়। এসময় তিনি বলেন, শ্রমিকদের এই আতœত্যাগ ও রক্ত¯œাত ঘটনার মধ্যে দিয়ে দৈনিক কাজের সময় ৮ঘণ্টা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ঐতিহাসিক বিজয় হয়। শ্রমিকদের আতœত্যাগের বিনিময়েই সেদিন মালিকরা স্বীকার করে নিয়েছিল শ্রমিকরাও মানুষ। তারা যন্ত্র নয়, তাদেরও বিশ্রাম ও বিনোদনের প্রয়োজন রয়েছে। সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় শ্রমিকলীগ উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুর রহিমের পরিচালনায় আরও উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু,সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান সম মোর্শেদ আলী,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুুজ্জামান শাহাজাদাসহ সভাপতি শেখ মাসুমুজ্জামান মাসুম, উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন রাসেল, সমবায় কর্মকর্তা নওশের আলী, পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল সভাপতি সাইফুল্লাহ আজাদ, হ্যান্ডলিং শ্রমিকলীগের সভাপতি আনারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ইমারত নির্মান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল গফুর খোকন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, শ্রমিক নেতা মফিজুল ইসলাম লাভলু, লাল্টু ইসলাম, আতাউর রহমান, আবু সাঈদ, হাসান পিন্টুসহ বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি/সম্পাদক এবং ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। এদিকে আলোচনা সভা শেষে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ৩জন মৃত শ্রমিক শহিদুল ইসলামকে ১৫ হাজার, আজিজুল ইসলামকে ১৫ হাজার ও মফিজুল ইসলাম ১০ হাজার করে তিন পরিবারকে ৪০ হাজার টাকা মরন্বাত্তর ভাতা প্রদান করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিসহ সকল নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
5555গাজী আল ইমরান , শ্যামনগর : যথাযগ্য মর্যাদায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পালিত হলো আন্তর্জাতিক মে দিবস ২০১৭। শ্যামনগর মটর শ্রমিকদের  আয়োজনে শ্যামনগর ট্রাক টার্মিনালে অনুষ্ঠিত হয় মহান মে দিবস ২০১৭ উদযাপনীর মূল অনুষ্ঠান। শ্যামনগর উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি কামরুল হায়দার নান্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হওয়া উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা- ৪ আসনের এম পি, এস এম জগলুল হায়দার, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগরের নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি জি এম আকবর কবির, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুমন, উপজেলা তাঁতীলীগ সভাপতি আঃ অাল মামুন, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মেহেদি হাসান মারুফ, শ্রমিক লীগ সহ সভাপতি গালিভার হোসেন বাবু, সাবেক যুব নেতা মারূফ হোসেন, শ্রমিক নেতা ছাবের হোসেন প্রমূখ। প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা- ৪ আসনের এম পি এস এম জগলুল হায়দার  তার বক্তৃতা প্রদান কালে শ্রমিকদের কল্যাণে বর্তমান সরকারের নানামূখি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি মে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি যৌথ ভাবে পরিচালনা করেন উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মোল্লা এবং আওয়ামীলীগ নেতা ফারূক হোসেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

FB_IMG_1493636211104গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর, সাতক্ষীরাঃ সোমবার সকাল ১০ ঘটিকা থেকে দুপুর ১ ঘটিকা পর্যন্ত বুড়িগোয়ালীনি ও গাবুরা ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত খোলপেটুয়া নদীতে বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের নীলডুমুর নৌ পুলিশ ফাড়ির সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করেন শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ ফারুক হোসাইন সাগর। অভিযান কালে ১২০০ মিটার বেহুন্দী জাল জব্দ করেন এবং জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করেন। অভিযানকালে আটককৃত ৫০০০০ চিংড়ি পোনা নদীতে অবমুক্ত করা হয়। প্রাণবৈচিত্র‍্য ধ্বংসকারী এ জাল মালিকরা নৌকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি। অভিযানে অংশগ্রহন করেন নৌ পুলিশের এস আই মোঃ মামুন হোসাইন, উপজেলা মৎস্য দপ্তরের মৃদুল,ইস্রাফিল,সুরুজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest