ডেস্ক: বহু দিন ধরে বেকার, আর্থিক অনিশ্চয়তা ডেকে আনতে পারে হার্ট অ্যাটাক। হার্ট ফেলিওর ২০১৭ এবং অ্যাকিউট হার্ট ফেলিওর চতুর্থ ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে উঠে এল এমনই ভয়াবহ তথ্য।
ডেনমার্কের কোপেনহাগেন বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের চিকিৎসক রামসাস রোয়ার্থ বলেন, ‘চাকরি ও আর্থিক নিরাপত্তা আমাদের কর্মক্ষমতা ও ভাল থাকা বাড়িয়ে দেয়। কাজ না থাকা, আর্থিক অনিশ্চয়তা আবসাদের ঝুঁকি যেমন বাড়িয়ে দেয়, তেমনই নানা রকম মানসিক সমস্যা থেকে আত্মহত্যা প্রবণতাও ডেকে আনতে পারে।’
মোট ২০ হাজার হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা খতিয়ে দেখে গবেষকরা জানাচ্ছেন, বেকারত্ব ও আর্থিক অনিশ্চয়তা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১২ শতাংশ এবং হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর আশঙ্কা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।
এই গবেষণার জন্য ১৯৯৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত ১৮-৬০ বছর বয়সী ২১ হাজার ৪৪৫ জন হার্ট অ্যাটাকের রোগী পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকেরা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ১১ হাজার ৮৮০ জন অর্থাৎ ৫৫ শতাংশ রোগীই ছিলেন কর্মহীন এবং আর্থিক অনিশ্চয়তার শিকার।
গড়ে ১০০৫ দিনের একটি গবেষণায় দেখা যায় এদের মধ্যে ১৬ শতাংশ চাকুরিজীবী এবং ৩১ শতাংশ চাকরিহীন রোগী মারা যান। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও কর্মহীন রোগীদের ৪২ শতাংশ দ্বিতীয় বার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে ফের হাসপাতালে ভর্তি হন।

ডেস্ক: অবশেষে অপেক্ষার পালা শেষ হলো। জানা গেল কেন অমরেন্দ্র বাহুবলিকে খুন করেছিল কাটাপ্পা। “বাহুবলি টু: দ্য কনক্লুশন”-এ দুর্দান্ত ভিএফএক্স সিনেমাটির গল্প আর চরিত্রগুলোকে করে তুলেছে আরও বেশি প্রাণবন্ত। প্রতিটি দৃশ্যে দর্শক যেন হারিয়ে যেতে বাধ্য। “বাহুবলি টু”-র শুরুর দিকে বাহুবলির বীরত্ব আর প্রজাদের প্রতি ভালোবাসা দেখানোর পর বেশ কিছুটা সময় ছিল হাস্য-কৌতুকে ভরপুর। কিন্তু, প্রথম আধঘণ্টা বাদ দিলে বাকি সময় ছিল রাজপরিবারের রাজনীতি, যুদ্ধ, ষড়যন্ত্র আর দুই ক্ষমতাধর নারীর মধ্যকার বিবাদ নিয়ে টানটান উত্তেজনা।
যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া যায় এই র্যাটল স্নেক। এদের লেজের দিকে ঝুনঝুনি সদৃশ বিশেষ অঙ্গ তাকে যার সাহায্যে তারা শব্দ করতে পারে। শরীরে দুই-তৃতীয়াংশ লাফিয়ে আক্রমণ করে থাকে। এটি উত্তর আমেররিকার সব থেকে বিষধর সাপ। এই সাপে কামড়ালে শিশুদের দ্রুত মৃত্যু হয়। এই সাপের বিষ টিস্যু নষ্ট করে ফেলে রক্ত জমাট বেঁধে যায় ফলে এর সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। এই সাপে কামড়ানোর পর শ্বাসকষ্ট, প্যারালাইসিস, বমি, রক্ত বমি, চেতনাহীন হয়ে পড়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
সাপ দেখতে পাওয়া যায়। ডেথ এডার মূলত অন্য সাপকে তাড়া করে কামড়িয়ে মারে এবং খেয়ে ফেলে। এক কামড়ে এই সাপ ৪০-১০০ মিলিগ্রামের মত বিষ ঢেলে দেয়। এই সাপে কামড়ালে শ্বাস কষ্ট ও প্যারালাইসিস দেখা দেয়। ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই কামড়ে আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়ে থাকে। এই সাপ একবার বিষ ঢালার পর দ্রুততম সময়ে এদের বিষ থলিতে আবারও বিষ উৎপাদন করতে পারে।
পৃথিবীর সব কোবরাই বিষাক্ত এবং ভয়ানক সাপ। কিন্তু অন্যসব কোবরা থেকে ফিলিপাইন কোবরা একটু আলাদা। কোবরা প্রজাতির মধ্যে এরাই সব থেকে বেশি বিষধর। এরা প্রায় তিন মিটার দূর থেকে বিষ ছুড়ে মারতে পারে।এই সাপে কামড়ালে আধা ঘন্টার মধ্যে মৃত্যু হয়। কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শরীর অবশ, মাথা ঘোরানো, বমি, মেরুদণ্ডে ব্যথা, পাতলা পায়খানাসহ নানা ধ
বা নামক ভয়ঙ্কর এই সাপের দেখা মেলে। ক্ষ্যাপাটে স্বভাবের জন্য এরা বিশ্বে প্রথম। কোন ব্যক্তি যদি একবার ব্ল্যাক বামবার পাল্লায় পড়েন, তাহলে কামড় না খেয়ে ফিরে আসতে পারবেন এমন সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ এই সাপ যাদের উপর ক্ষেপে যায় তাদেরকে ঘোড়ার মত তাড়া করে কামড়ে দেয়। এরা বেশ দ্রুতগামী। দেখতে প্রধানত কাল হয়। প্রায় বিশ কিলোমিটার ঘন্টা গতিতে তাড়া করার ক্ষমতা রাখে ব্ল্যাক বামবা। একই সারিতে ১২বারের বেশি কামড়ে দেয় এরা। এদের প্রতিটি কামড়ে ১০০-১২০ গ্রাম বিষ বের হয় যা ১০-২৫ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট। মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

সাপের অবস্থান দ্বিতীয়। এদেরকে ক্ষুদ্র-আঁশের সাপও বলে। অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের কাছে সাপটি দানদারাবিল্লা নামে পরিচিত। বলা হয়ে থাকে, এই সাপ এক দংশনে যে পরিমাণ বিষ নির্গত করে তাতে অনায়াসে শতাধিক পূর্ণ-বয়স্ক মানুষের মৃত্যু ঘটা সম্ভব। কোনরূপ প্রতিষেধক ব্যবস্থা না নিলে এই সাপে দংশনের সময় থেকে মৃত্যুর দূরত্ব মাত্র ৪০-৪৫ মিনিট। এরা ঋতুর সাথে রঙ বদলায়- গ্রীষ্মে জলপাই রঙের আর শীতে ধূসর। আফ্রিকার ব্ল্যাক মামবা বা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার লম্বা কিং কোবরার মতো এরা ক্ষিপ্র ও আক্রমণাত্মক নয়। ভয়াবহ রকমের বিষাক্ত এই সাপ সচরাচর মানুষের সান্নিধ্যে আসতে চায় না, আক্রমণও করতে চায় না। এদের বিষ কোবরার থেকে ১৫ গুন বেশি শক্তিশালী।
‘ভেনামাস’ প্রাণিকূলে সরীসৃপের মধ্যে সবচেয়ে বিষাক্ত হলো বেলচারস সী স্নেক। অস্ট্রেলিয়ার উত্তর উপকূল এবং দক্ষিণ এশিয়ার উপকূলের সাগরের জলে এদের দেখা পাওয়া যায়। এই সাপের এক কামড়ে যতটুকু বিষ বের হয় তা দিয়ে প্রায় এক হাজার পূর্ন বয়স্ক মানুষের মৃত্যু নিশ্চিত করা সম্ভব। কিন্তু এই সাপটি খুবই শান্ত ও লাজুক প্রকৃতির। বিশেষ করে জেলেদের মাছ ধরার সময় জালের ভিতরে ধরা পড়ে। এই সাপ মাঝে মাঝেই ভূমিতে যায়।পানির নিচে এরা ৭৮ ঘন্টা দম বন্ধ করে থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে তারা শিকার ধরে এবং বিশ্রাম নেয়।
রাজধানীর বনানী, গুলশান, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন দেখে মুগ্ধ হয়েছেন চিত্রনায়ক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল। আর তাই তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হককে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন।
আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মহান মে দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন, জেলা শ্রমিক লীগ, জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন, হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন, ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন। সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া বিভিন্ন সংগঠনের খন্ড খন্ড র্যালিতে সাতক্ষীরা শহর মুখরিত করে তোলে।
বাদাম খাওয়া শরীরের জন্য ভালো। কারণ বাদাম শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। এছাড়া বাদামে রয়েছে কয়েক ধরনের ভিটামিন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, জিংক, ক্যালশিয়াম, ফাইবার, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন। তবে সরাসরি বাদাম না খেয়ে ভিজিয়ে খেলে এর গুণাগুণের পরিমাণ বেড়ে যায়।
শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু : প্রতি বছর মে মাসের ০১ তারিখে আর্ন্তজাতিক মে দিবস পালন করা হয়। বিভিন্ন শ্রমিক সংঘটন এবং অনেক রাষ্ট্র এ দিবস গুরুত্বের সাথে পালন করে থাকে । এই ধারাবাহিকতা বাজায় রেখে বাংলাদেশেও মে দিবস পালন করা হয়। দিবস উদযাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট শ্রম মন্ত্রণালয় শ্রমিকদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বাণী দিয়ে থাকেন। ১৮৮৬ সালে শিকাগোর মে মাসের ঘটনা পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রমিক সংঘটানের উদ্যেগে সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, মে দিবসের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য সংবাদপত্রগুলি বিশেষ ক্রোড়-পত্র প্রকাশ করে থাকে এছাড়াও বিভিন্ন শ্রমিক সংঘটনের উদ্যেগে মে দিবসরে ভাবমূর্তি এবং অতীতের সংগ্রামে অর্জিত বিজয় উদযাপনে শ্রমজীবি মানুষরা মাথায় রং-বেরংয়ের কাপড় বেঁধে নানা রঙের ফেস্টুনসহ মিছিল-শোভাযাত্রা বের করে, বেতার-টেলিভিশনে আলোচনার ব্যবস্থা থাকে এবং পত্র-পত্রিকায় নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। এই দিনে শ্রমিকরা মিছিল-সমাবেশের আয়োজন করে তাদের ক্ষোভ প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নয়, বরং অতীতের সংগ্রামে তাদের অর্জিত বিজয় উদ্যাপনের জন্য মুলত এ দিবস পালন করে থাকেন।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। রবিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভূমি আইন ও ব্যবস্থা বিভাগের উদ্বোধন ও নবীনবরণ-২০১৭’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। এক্ষেত্রে পিছিয়ে আছি বলেই মুখ খুলতে বাধ্য হচ্ছি।’