সুভাষ চৌধুরী: d
শিল্পীর রং তুলিতে ফুটে উঠেছে একটি বাংলাদেশ। শ্যামলে সবুজে ¯œাত ¯িœগ্ধ চিরায়ত বাংলার অমলিন প্রকৃতি। ফুল পাতা পাখি বিস্তীর্ন নদী বর্ষায় বাংলা ধান সরষে ক্ষেত সবই দেখা দিয়েছে তুলি আঁচড়ে। উঠে এসেছে রক্তঝরা ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ,  লাল সবুজ পতাকা হাতে বিজয় দিবস, গণতন্ত্রের জন্য অবিরাম সংগ্রামের এক একটি ইতিহাস ,এক একটি সংগ্রাম। সাতক্ষীরার ঈষিকা অর্কেস্ট্রার এমএ জলিল এই একক চিত্র প্রদর্শনী উপহার দিয়েছেন। শিল্প কলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত পাঁচদিনব্যাপী এ চিত্র মেলা শেষ হয়েছে ২০১৬ এর শেষ সূর্যোদয় সূর্যাস্তের দিন শনিবার। শিল্পকলা ভবনের প্রাচীর জুড়ে ৭৪ টি জল রং ছবির প্রস্ফূটিত চিত্র কেড়ে নিয়েছিল সবার দৃষ্টি। অপলক নেত্রে দর্শকরা তাদের প্রাণ জুড়িয়েছেন বাংলাদেশকে বারবার দেখে। দুষ্টু ছেলে গেছে মুক্তিযুদ্ধে। ফিরছে না কেনো এই উদ্বেগ নিয়েই কাটছে মায়ের দিন। সেকি আর ফিরবে না কোনোদিন। নাকি সালাম রফিক শফিক বরকতের পথে  দামাল সন্তানদের মতো রক্ত দিয়ে গড়ে তুলবে এক একটি শহীদ বেদী। চেয়ে দেখো কালো ধোয়ার মতো  কুন্ডলী পাকিয়ে কিভাবে বাংলাদেশকে তিল তিল করে গ্রাস করছে দুর্নীতি সন্ত্রাস আর জঙ্গিবাদ। এখনই এদের পরাভূত করতে না পারলে কেমন বাংলাদেশ হবে তা নিয়ে আতংকিত হয়ে উঠেছে প্রদর্শিত চিত্রকর্ম। রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই মিছিল, ৫২ তে মাতৃভাষার জন্য  সন্তানদের বাঁধ ভাঙ্গা মিছিল স্লোগান  আর তাদের আত্মাহুতিতে জন্ম নেওয়া প্রথম শহীদ মিনার আমাদের চিন্তার জগতকে নিয়ে গেছে বহু গভীরে। উনসত্তুরে সাত কোটি বাঙ্গালির গনঅভ্যুত্থান আর ছাত্র নেতা আসাদের আত্মত্যাগ, সত্তুরের সাধারণ নির্বাচনে বাঙ্গালির নিরংকুশ জয় ইতিহাসের পেছন পাতা অনুশীলনে নিয়ে গেছে দর্শকদের। ৭ মার্চ তর্জনী উচিয়ে বঙ্গবন্ধুর গগন বিদারী ভাষণ, ২৫ মার্চের কালো রাতে নিরস্ত্র বাঙ্গালির ওপর পাকিস্তানিদের বর্বরোচিত হামলার করুণ চিত্র ধরা পড়েছে শিল্পীর তুলিতে। পাক হানাদার বাহিনীর বাঙ্গালির ওপর হামলা ও গণহত্যা, নির্যাতিত শরনার্থীদের দেশ ত্যাগের করুন চিত্র আমাদের মুক্তিযুদ্ধ কালীন স্মৃতির পাতায় নজর কেড়ে নেয়। দেশ মাতৃকার স্বাধিকার অর্জন,বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে স্বাধীন ভূখন্ড হিসাবে তুলে ধরার অবিরাম সংগ্রামে  রাইফেল হাতে মুক্তিযোদ্ধাদের শত্রুবিনাশী যুদ্ধ দর্শকদের সংগ্রামী জীবনে নতুন করে ঝাঁকুনি দিয়েছিল। চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে বিজয় দিবসের উল্লাসের চিত্র। সেই সাথে সাথে লাল সবুজের পতাকার অমলিন ছবিও উপহার দিয়েছেন তিনি। শিল্পী এমএ জলিলের  ছবিতে রয়েছে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য ক্ষয় ক্ষতির আশংকার দৃশ্য। এ দৃশ্য  আমাদের জীবন জীবিকা ভাবনায় নতুন মাত্রা সৃষ্টি করেছে। ভাবতে শিখিয়েছে  পরিবর্তিত জলবায়ুর করাল গ্রাস থেকে  কিভাবে নিজেদের রক্ষা করা যাবে তা নিয়ে। এমএ জলিলের চিত্রকলায় আরও উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যুগ¯্রষ্টা কবি কাজী নজরুল ইসলাম, মজলুম জননেতা  মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানি, মাষ্টারদা সূর্য সেন, নারী জাগরনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া  সাখাওয়াত হোসেন, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানি ,বীর কন্যা প্রীতিলতা সেন, বিপ্লবী ইলা মিত্র সহ মহামনিষীদের প্রতিকৃতি। চিত্রে তিনি উপহার দিয়েছেন লালন ফকির, শাহ আবদুল করিম আর হাসন রাজার মতো মরমী শিল্পীর অবয়ব। শিল্পী এসএম সুলতানকে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন তুলির আঁচড়ে। চিত্রকলায় বীরত্বের সাথে স্থান করে নিয়েছে ‘গনতন্ত্র মুক্তি পাক স্বৈরাচার নিপাত যাক’ দৃশ্যও। এমএ জলিল তার ছবিতে বিজয়ানন্দে আমি বাংলার গান গাই দৃশ্য ফুটিয়ে তুলেছেন। আছে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন পতাকা কাঁধে নিয়ে বীরের বেশে অস্ত্র সমর্পন। একক চিত্রে আরও ফুটে উঠেছে ৪৭ পূর্ব ও পরবর্তী ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। আছে মওলানা ভাসানির কাগমারি সম¥েলনের দৃশ্য, বঙ্গবন্ধুর ৬ দফার আন্দোলন, একাত্তরে বীরাঙ্গনা মা ও বোনেদের ওপর নির্যাতনের চিহ্ণ। আছে বুদ্ধিজীবী হত্যা, বধ্যভূমি, একাত্তরে গণহত্যার শিকার মানবসন্তানের দেহ পচে গলে ওঠার হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য। শিল্পীর তুলিতে ফুটে উঠেছে বাঙ্গালির স্বাধিকার অর্জনের সংগ্রাম ও আত্মশক্তির কাছে ১৬ ডিসেম্বর এএকে নিয়াজীর নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পন। দীর্ঘ সংগ্রামে অর্জিত মুক্তিযুদ্ধের পরও বাংলাদেশে স্বৈরাচারি থাবা মোকাবেলায় বাঙ্গালির গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ডা. মিলনের আত্মদানের দৃশ্যও তুলে ধরতে ভোলেননি শিল্পী জলিল। শিল্পী ভুলে যাননি সমাজে নানাভাবে নিবর্তনের শিকার নারীর অনুশোচনার কথা। ভোলেন নি একান্তে বসে দুই প্রবীনার পুরনো দিনের স্মৃতিচারণের  কথা। ফেলে আসা দিনগুলি নিয়ে তাদের অনুশোচনার দৃশ্য তুলিতে ধারণ করেছেন তিনি। অস্তায়মান সূর্যের লাল আভায় ডানা ভাসিয়ে বিহঙ্গ্রে নীড়ে ফেরার চিরায়ত ছবি আর সেই সাথে কর্ম ক্লান্ত শ্রমজীবীর কুটিরে ফেরার দৃশ্য আমাদের গ্রামবাংলাকে নতুন করে চিনতে শিখিয়েছে। ছবিতে রয়েছে এক ঝাঁক উড়ন্ত বলাকার আকাশ পথে ভেসে চলার মুগ্ধকর দৃশ্য। ছবিতে রয়েছে একজন উর্বশীর ভ্রান্ত পথ চলা। রয়েছে মাতৃত্ব আর মাতৃ¯েœহের এক ¯িœগ্ধ পরশ। জসীমউদ্দিনের পল্লী কবিতার আদলে চিত্রে জাগরিত হয়েছে স্মৃতি ‘তুমি যাবে ভাই, যাবে মোর সাথে আমাদের ছোট গাঁয়’। আছে বৃক্ষছায়ায় কারও জন্য প্রতীক্ষার দৃশ্য। আল পথে কৃষকের হেঁটে চলা , প্রকৃতির কোলে সবুজের আস্তরন উপহার দিতে মাঠে কৃষক আর বাড়ির আঙ্গিনায় কিষানীর শস্য মাড়াইয়ের দৃশ্য চাঁদনি রাতে স্ফটিকের মতো ফুটে উঠেছিল দর্শকদের নজরে। লাল সুর্যের আভায় ভেসে চলা নৌকা আর মাঝির মুখে ‘ও নদীরে’ ভাওয়াইয়া বাঙ্গালি সংস্কৃতিকে আবারও তুলে ধরেছিল। সেই সাথে মধ্যরাতে বাঁশের বাঁশরীর করুন সুর লহরীতে কেঁদে ওঠে বিরহী নারীর হৃদয় – এ দৃশ্যও উপহার দিয়েছেন তিনি। সাতক্ষীরায় এই প্রথম কোনো একক নান্দনিক চিত্র প্রদর্শনী দৃশ্যে অনুভবে আর অবগাহনে নাগালে পেয়েছেন সাতক্ষীরার মানুষ। তারা হৃদয় দিয়ে হাতড়েছেন স্মৃতি, দুরদৃষ্টি দিয়ে ভেবেছেন ভবিষ্যত, স্মরণে এনেছেন ভাষা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, অবিরাম বাংলার চিরায়ত দৃশ্য। যা ৭৪ শিল্পকর্মের ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছেন সাতক্ষীরার শিল্প কর্মে পাইওনীয়র এমএ জলিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

a_003_1
নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বস্থ্য মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি বলেছেন, অল্প বাজেটে এত সল্প সময়ে দেশের এই উন্নয়ন শেখ হাসিনার আমলেই সম্ভব। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ এখন একটি উদাহরণ। শেখ হাসিনাই পারেন এবং তিনি তা করে দেখিয়েছেন। তার নেতৃত্বে দেশব্যাপী একযোগে এত উন্নয়ন করা হচ্ছে। সোমবার বিকালে আশাশুনি উপজেলার বাকড়া ফুটবল মাঠে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন তিনি। শোভনালি ইউপি চেয়ারম্যান স ম মোনায়েম হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম রহমান, দেবহাটা উপজেলা অওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য আছাফুর রহমান সেলিম, খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালীম, দরগাপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিয়ারাজ আলী, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্কর কুমার দীপ, চম্পাফুল ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, ফিংড়ি ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর রহমান, আশাশুনি পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি নীল কন্ঠ সোম, রাজেশ্বর দাস, সাংসদ প্রতিনিধি শম্বুজিৎ মন্ডল, শোভনালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় কুমার দাস প্রমুখ। উত্তেজনাকর ফাইনাল খেলায় দেবহাটা উপজেলার গাজীর হাট ফুটবল একাদশ তালা উপজেলা ফুটবল একাদশকে দুই শুন্য গোলে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছে।সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার মানুষ প্রতিযোগীতা পুর্ণ এই খেলা উপভোগ করে। বিজয়ী দলকে ১টি মটর সাইকেল ও ফ্রিজ উপহার দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেক্স রিপোর্ট : অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক পিটালেন সন্ত্রাসী ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফসহ সাঙ্গপাঙ্গরা। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাতক্ষীরা সদরের বাঁশদহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিকের নাম জুলফিকার আলী। তিনি বাঁশদহা এলাকার রাহাতুল্লাহ সরদারের ছেলে ও সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পত্রিকার বাঁশদহ প্রতিনিধি। আহত সাংবাদিকের পিতা রাহাতুল্লাহ জানান, গত কয়েক মাস পূর্বে বাঁশদহ এলাকার ১০ টাকা কেজি দরের চাউল বিতরণে ব্যপক অনিয়ম করেন ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ। এঘটনায় সাংবাদিক জুলফিকার আলী একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এঘটনায় ক্ষুদ্ধ হন সন্ত্রাসী ইউপি চেয়ারম্যান মোশরাফ ও তার লোকজন।
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই মেম্বর শহিদুল গোপনে কম্বল বিতরণ করছিলেন। এসময় ওই সাংবাদিক শহিদুলের কাছে ফোন দিয়ে রাতে কম্বল বিতরণের বিষয়ে জানতে চান। তখন ইউপি চেয়ারম্যান তার ভাইয়ের কাছ থেকে ফোন কেড়ে নিয়ে সাংবাদিক জুলফিকার কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে সে কোথায় আছে জানতে চান এবং এখনি তার ব্যবস্থা করা হবে বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এরপর রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ, তার ভাই মেম্বর শহীদুল, উজির আলির ছেলে মিঠু, শফির ছেলে শহিদ, আরিজুলের ছেলে তারিকুজ্জামানসহ ৮/১০ জন সন্ত্রাসী বাহিনী লোহার রড, লাটিসোটা নিয়ে কয়েকটি মটরসাইকেল যোগে সাংবাদিক জুলফিকার কে খুজতে থাকে। একপর্যায়ে জুলফিকার কে বাড়ির সামনে পেয়ে আকর্স্মিক মারপিট শুরু করে। এসময় তার হাতের নখ তুলে নেয় তারা। সাংবাদিক জুলফিকারের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে ইউপি চেয়ারম্যান ও তার বাহিনী পালিয়ে যান। বর্তমানে সাংবাদিক জুলফিকার আলী সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন dsc05327-copyরয়েছে।
এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন বলেন, আমি কোন সাংবাদিককে মারপিট করিনি। সাংবাদিক জুলফিকার আমার চাচাতো ভাই। তার সাথে আমাদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। যে কারণে সন্ধ্যার দিকে বাড়ির লোকজন ছোটখাটো ঝামেলা করেছে মাত্র।
অপরদিকে আহত সাংবাদিক জুলফিকার আলী বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান আমার নিকট কোন আতœীয় নন। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ইউপি চেয়ারম্যান এ অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
এ রিপোর্ট লেখার সময় মারপিটের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক জুলফিকারের পিতা রাহাতুল্লাহ সরদার।
অপরদিকে ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফের বিরুদ্ধে চোরাকারবারির অভিযোগ রয়েছে বলে এলাকাবাসি জানিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার এমারপিট করা হয়েছে বলে তারা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ডেস্ক: গলার যে অসুখগুলো হরহামেশাই হয় বা হতে পারে কিংবা হলে জটিলতাও দেখা দেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, সে রকম কিছু রোগ সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হলো।খুব কম মানুষই আছেন, শীতকালে গলার সমস্যায় আক্রান্ত হন না। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, সবার গলায় কোনো না কোনো সমস্যা দেখা দেয়। উপসর্গ হিসেবে গলাব্যথা। এ যেন চিরন্তন রীতি। মূলত শীতকালে আবহাওয়া খুব শুষ্ক থাকে। বাতাসে অসংখ্য জীবাণু উড়তে থাকে ধুলোবালির সঙ্গে। আর সেই জীবাণু শ্বাসের সঙ্গে ঢুকে আক্রমণ করে মানুষকে। শীতের ঠান্ডা সেই অসুখকে আরো ত্বরান্বিত করে। অনুভূতিকে করে তোলে অস্বস্তিকর। সাধারণত শীতে সচরাচর গলার যে অসুখগুলো হতে পারে তা আলোচনা করা হলো।আলজিভের প্রদাহমূলত হিমোফাইলাস ধরনের ব্যাকটেরিয়া এ অবস্থার জন্য দায়ী। তবে অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াও ভূমিকা রাখতে পারে। বাচ্চাদের বেশি হয়। ব্যথা করে, ঢোক গিলতে কষ্ট হয়। অসুবিধা হয় শ্বাস নিতে। জ্বর হয়, শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ অবস্থা হলে সঙ্গে সঙ্গে রোগীর মৃত্যুর আশঙ্কা খুব বেশি।চিকিৎসাক্ষেত্রে অবশ্যই বিছানায় পূর্ণ বিশ্রাম এবং কণ্ঠের পূর্ণ বিশ্রাম দিতে হবে। বাষ্পীয় ভাপ টানা যেতে পারে। ঠান্ডা লাগানো যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে অ্যান্টিবায়োটিক নিতে হবে। স্টেরয়েডের প্রয়োজন হতে পারে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।ডিপথেরিয়াশিশুদের বেশি হয়। গলাব্যথা হয় খুব। জ্বর থাকে। মেমব্রেন লাগানো থাকে। তুলতে গেলে রক্ত বের হয়। সতর্কতার সঙ্গে চিকিৎসা নিতে হবে।তরল পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে গেলে অপারেশন লাগতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করতে হবে ঠিকমতো। পেনিসিলিন এ ক্ষেত্রে সর্বোত্তম পছন্দের অ্যান্টিবায়োটিক।ফ্যারিংসের প্রদাহঠান্ডার সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। গলায় ব্যথা হয় প্রচুর। সামান্য জ্বর থাকে। শরীর ব্যথা এবং মাথাব্যথা থাকে। কাশি থাকে। ফ্যারিংসের পর্দা রক্তাভ থাকে। এ ক্ষেত্রে রোগীকে বিশ্রাম নিতে হবে। প্রচুর তরল খেতে হবে। অ্যাসপিরিন কিংবা প্যারাসিটামল খেতে হবে। গরম পানিতে সোডিবাইকার্ব দিয়ে গড়গড়া করলে ভালো উপকার হয়। অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে চিকিৎসকের মতানুসারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_360741199_1483292742পুলিশ বাহীনিকে কথায় কথায় গুলি করা বন্ধ করতে বলেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘আমি পুলিশ বাহীনিকে বলবো, কথায় কথায় গুলি করা বন্ধ করেন।’

রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যের শুরুতেই বেগম জিয়া সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। সংশয় প্রকাশ করেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়েও। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নামে সরকার লুটপাট করছে বলেও অভিযোগ তোলেন বেগম জিয়া।

আওয়ামী লীগ যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায় বলেও মন্তব্য করেছেন বেগম জিয়া।

এই সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে মন্তব্য করে আবারো নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই নির্বাচনকালীন একটা সহায়ক সরকার হবে। রাষ্ট্রপতি এ প্রস্তাব পছন্দ করেছেন। উনি সবাইকে ডাকছেন, কথা বলছেন। পরবর্তী সময়ে উনি মনে করলে আবারো ডাকবেন।’

আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের বর্তমান ও সাবেক নেতা ছাড়াও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1406007707_1483324293আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই সড়ক-মহাসড়কের সংস্কার ও মেরামত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে বর্ষাকে কোনও অজুহাত হিসেবে দাঁড় করানো যাবে না।

ওবায়দুল কাদের রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে চলমান প্রকল্পসমূহের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এই নির্দেশ প্রদান করেন।

চলমান প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে হবে। জনগণের অর্থের অপচয় কিংবা অপব্যবহার কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না।

এ সময়ে তিনি দেশের সড়ক সংস্কার ও মেরামতে গঠিত মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং টিমগুলোর কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি সড়ক সংস্কার ও পরিবহণ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এসময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এমএএন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব ফারুক জলিল ও মনিউর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঘন কুয়াশার কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।

গতকাল রোববার দিবাগত রাত দেড়টা থেকে এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।

চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী ও যানবাহনবোঝাই সাতটি ফেরি মাঝ নদীতে নোঙর করে আছে। এছাড়া উভয় পাড়ের ঘাট এলাকায় আটকা পড়েছে বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের পাঁচ শতাধিক যানবাহন।

এর মধ্যে পাটুরিয়া ঘাটেই আছ প্রায় কয়কশ যানবাহন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পাড়ের ঘাট এলাকায় ফেরি পারের জন্য আসা যানবাহনের সংখ্যাও বাড়ছে। এতে যাত্রীসহ যানবাহন শ্রমিকরা দুর্ভোগে পড়েছেন।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল জানান, গত রাত থেকে পদ্মা অববাহিকায় কুয়াশা পড়তে থাকে। রাত দেড়টার দিকে নৌপথ কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এ সময় সাতটি ফেরি কুয়াশায় দিক হারিয়ে মাঝনদীতে নোঙর করে। এ কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মহিউদ্দিন রাসেল আরো জানান, পাটুরিয়া ঘাটে আরো চারটি এবং দৌলতদিয়া ঘাটে পাঁচটি ফেরি পন্টুন ও এর পাশে অবস্থান করছে। কুয়াশা কেটে গেলে এগুলো চালু করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1483263656রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‌‘সন্ত্রাসী’ ও ‘ফ্যাসিস্ট’ বলায় কাজাখস্তানের এক নাগরিককে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কাজাখস্তানের একটি আদালত ৪৬ বছর বয়সী সনৎ দোসভ নামের ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ রায় দিয়েছে।

কাজাখস্তানের আইনে কাউকে সামাজিক, জাতীয়, গোষ্ঠীগত, জাতিগত, শ্রেণিগত অথবা ধর্মীয়ভাবে অপমান করা অবৈধ। ‘জাতীয় সম্মান এবং নাগরিকদের ধর্মীয় অনুভূতি মর্যাদা’ নিয়ে অপমান করাও বৈধ নয়।

সনৎ দোসভ তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুতিন সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন। সেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি সাবেক কমিউনিস্ট নেতা জোসেফ স্ট্যালিন ও ভ্লাদিমির লেলিনের ছবি দেখান তিনি। সেখানে তিনি আরো বলেন, পুতিন একজন ‘ফ্যাসিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ এবং তিনিই রাশিয়ার ‘বিনষ্টকারী’।

কাজাখস্তানের সংবাদমাধ্যম বলছে, দোসভ আদালতের কাছে ‘অপরাধ’ স্বীকার করেছেন। একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশ ছিল কাজাখস্তান। ১৯৯১ সাল থেকে রাশিয়া ও কাজাখস্তান পৃথক রাষ্ট্র। তবে দেশ দুটো এখনো ঘনিষ্ঠ মিত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest