সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

নিয়োগ দেওয়া হবে ১০ হাজার চিকিৎসক

আরো ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার। বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে এ নিয়োগ দেওয়া হবে। গত বৃহস্পতিবার ( ২২জুন ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানান, বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ১০ হাজার চিকিৎসক পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সঠিকভাবে নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়েই গত ৩ বছরে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩তম বিসিএসে ৬ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে তাদেরকে উপজেলা পর্যায়ে পদায়ন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেভাবে কাটবে অপুর ঈদ

শাকিব খান ও অপুর সন্তান আব্রাম খান জয় এবারই প্রথম ঈদ করবে। প্রথমে একটু ঝক্কি হলেও মা-বাবা এখন সামলে নিয়েছে তাঁদের সংসার। এবার প্রথম ঈদ হলেও বাবাকে কাছে পাচ্ছে না সে। তাই শুধু মাকে নিয়েই এবারের ঈদটা কাটবে আব্রামের। শাকিবকে ছাড়া ঈদ করতে হচ্ছে বলে অপুরও একটু মন খারাপ।

অপু বিশ্বাস বলেন, ‘একটু খারাপ লাগছে ছেলের জন্য, কারণ জীবনের প্রথম ঈদটাই সে বাবাকে কাছে পেল না। আমি অবশ্য বিষয়টিতে অভ্যস্ত, কারণ এর আগে বহুবার আমাদের আলাদা ঈদ করতে হয়েছে শুটিংয়ের প্রয়োজনে। এমনও হয়েছে যে আমি রাঙামাটি শুটিং করছি আর শাকিব ঢাকায়; বরং আমার শুটিংয়ের জন্য শাকিবকে একা ঈদ করতে হয়েছে। এখন শাকিব লন্ডনে নতুন ছবির শুটিং করছে। শুটিংয়ের ডেট আগে থেকেই দেওয়া ছিল, যে কারণে কিছু করার নেই। আমি হাসিমুখেই বিষয়টি মেনে নিচ্ছি।’

আর হাসিমুখেই ঈদের দিনটি কাটাবেন বলে জানান অপু। তিনি বলেন, ‘আমার তো সংসার দুইটা—একটা হচ্ছে চলচ্চিত্রের, আরেকটা হচ্ছে আমার ব্যক্তিগত। দিনের শুরুটা বাসায় কাটবে, আত্মীয়-বন্ধুবান্ধব আসবে, তাঁদের সঙ্গে সময় কাটাব। দুপুরের পর আমার আরেক সংসারে সময় দেবো। এই ঈদে আমার আর শাকিবের একটি ছবি মুক্তি পাচ্ছে, ঈদের পরের দিন বিভিন্ন সিনেমা হলে গিয়ে ছবির খবর নেব। দর্শকের সঙ্গে কথা বলব। আমি বিশ্বাস করি, দর্শক আমাদের ছবিটি পছন্দ করবেন।’

ঈদের পুরোটা সময় আব্রাম সঙ্গেই থাকবে বলে জানান অপু। তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গেই থাকবে, ঈদের দিন আমি ছেলেকে একমুহূর্তের জন্য দূরে রাখতে চাই না। তাকে নিয়েই বিভিন্ন জায়গায় যাব, সবার সঙ্গে কথা বলব। সে কিছু বুঝুক আর না বুঝুক, সে দেখবে মা-বাবার বড় বড় ছবি সারা দেশে কীভাবে ছড়িয়ে আছে, দেশের মানুষ কত ভালোবাসে আমাদের।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা তাঁতীলীগের সেমাই চিনি বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের পক্ষ থেকে দুঃস্থদের মাঝে সেমাই চিনি বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বিকাল ৫টায় জেলা তাঁতীলীগ কার্যালয়ে সেমাই চিনি বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মীর আজাহার আলী, সাধারণ সম্পাদক শেখ তৌহিদ হাসান, সহ-সভাপতি শেখ শাওকিত হাসান (রনি), স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ আলমগীর কবির রাজু, মহিলা সম্পাদিকা রাণী খাতুন, জেলা অর্থ-সম্পাদক মোঃ আব্দুল মালেক, পৌর তাঁতীলীগের সভাপতি কাজী মারুফ, পৌর মহিলা সম্পাদিকা নুর জাহান সাদিয়া, পৌর সাধারণ সম্পাদক ক্যাপটেন হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ফিরোজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদ আলী, পৌর সাংগঠনিক শফিকুল ইসলাম হাসা, ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক রবিনসহ ৭নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের সভাপতি আহম্মদ আলী, সদস্য সালাম, আমির হাসান প্রমুখ। এছাড়াও ৪,৫ ও ৭ নং ওয়ার্ডে তাঁতীলীগের পক্ষ থেকে প্রায় ৩০০ জন দুঃস্থ অসহায়দের মাঝে সেমাই চিনি বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ‘১৫ ব্যাচের ইফতার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের এস এস সি ব্যাচের উদ্দোগে,গত ২ বছরের ন্যায় এবার ও মাহে রমজান  উপলক্ষ্যে দুদায়েভ মাসুদ খান অঘ্যের শুভেচ্ছান্তে একটি সফল ইফতার পার্টি  অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত  ইফতার পার্টিতে সহযোগিতায় ছিলেন, পাপ্লু, কাজী দিপ, সুজয়, হুরাইরা, মনি, জয়, এখলাছুর, তৌকির, হীরক, মাহীমসহ সকল শিক্ষার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বোঝেন তো সাংবাদিক সাহেব, অনেক দিন ঢাকাতে -এম. কামরুজ্জামান

বড় একটি রাজনৈতিক দলের সাতক্ষীরা জেলা সভাপতির কথা বলছি। কয়েক দিন আগে তার একটি স্বাক্ষাতকার আমার বড্ড প্রয়োজন হলো। তিনি সাতক্ষীরার কোন আসন থেকে এমপি হতে চান বা মনোনয়ন প্রত্যাশি সে-টি জানার জন্য আমার কর্মস্থল দৈনিক সমকাল পত্রিকা অফিস থেকে আমাকে বলা হলো। ওই ভদ্র লোক ঢাকা প্রবাসী। সাতক্ষীরায় বছরে ৪ থেকে ৫ বার হয়তো আসেন। সাতক্ষীরাতে মাঝে মধ্যে আসলেও মিডিয়ার ধারে পাশে যেতে চান না। যে কারনে উনার সাথে আমার দেখা সাক্ষাত কম হয়। আমি তাকে চিনলেও তিনি আমাকে চেনেন বলে মনে হলো না। আমি প্রায় ২৪ বছর সাংবাদিকতা পেশায়। একাধিক মিডিয়াতে কাজ করি। আমার রয়েছে নিজের একটি নিউজ পোর্টাল ( অনলাইন সংবাদপত্র)। সাংবাদিকতায় একটিভ থাকার চেষ্টা করি। একাধিক বার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু মাঠে-ঘাটে কাজ করতে গিয়ে ওই মানুষটিকে কখনও রাজনৈতিক অঙ্গনে আমি দেখিনি। কখনও মিছিল করতে দেখিনি। সাতক্ষীরার কোন সংকটে দেখিনি। দেখিনি সাতক্ষীরার মানুষের কল্যানে কাজ করতে।

যাই হোক উনার মোবাইল ফোনে রিং করলাম কয়েক বার। বেলা তখন বাজে প্রায় সাড়ে ১২ টা। রিং ধরলেন না। হতাশ হলাম। প্রায় ২০ মিনিট পরে ওই রাজনীতিবীদ আমাকে রিং করে জানতে চাইলেন আমার পরিচয়। আমার পরিচয় দিতেই উনি (সাংবাদিক জেনে ) কথা বলার আগ্রহটা যেনো হারালেন——। বিরক্তবোধ করলেন—-। বুঝতেও পারলাম কথা বলতে চাচ্ছেন না। বললেন সকালের ঘুম এখনও ভাঙেনি ( বেলা তখন প্রায় ১টা) , ঘুমাচ্ছিলাম ——।

যাই হোক কৌশলী হয়ে দুই-একটি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলাম। দেখলাম একটু ফ্রি হলেন। আস্তে আস্তে আমার মূল প্রশ্নের দিখে এগুলাম। তাকে জিজ্ঞেস করলাম সাতক্ষীরার কোন আসন থেকে আপনি নির্বাচন করতে চান ? কিছুক্ষণ থমকে গেলেন। বললেন আপনি আমাকে চেনেন না। আমার বাবা সাতক্ষীরা-২, সাতক্ষীরা-৩ ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের নির্বাচিত এমপি ছিলেন। মন্ত্রীও ছিলেন। বিশাল একটি দলের জেলা সভাপতি আমি। আমার ভাবনা পুরো সাতক্ষীরা জেলাকে নিয়ে। আমি কোন নিদিষ্ট আসন নিয়ে কাজ করিনা বা ভাবিনা। জনগণের জন্য আমি সাতক্ষীরার একপ্রাপ্ত থেকে অপর প্রাপ্ত পর্যন্ত কাজ করে আসছি। দুই দুইবার দলের জেলা সভাপতি হয়েছি। আমার এই পদে আগে যারা ছিলেন তারা তো তাদের আসনের বাইরে কিছুই ভাবেননি। লোকের মতো আমি এমপি হওয়ার জন্য রাজনীতি করিনা, রাজনীতি করি মানুষের জন্য। বুঝার চেষ্টা করছিলাম সাতক্ষীরার কোন আসনে থেকে উনি নির্বাচন করতে চান তা বুঝতে। কিন্তু পারছিলাম না। ছোট ছোট আরো দুই-একটি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতেই উনি বললেন, আমার বেড়ে ওঠা সাতক্ষীরা জেলা শহরে। আর আমার বাবার সবচেয়ে বেশি কর্মকান্ড ছিলো দেবহাটা-কালিগঞ্জ আসনে। বিধায় ওই দুটি আসনে তো আমি প্রার্থী হতে চাই। এক পর্যায় বললের সাতক্ষীরা সদর আসন হলে আমার জন্য সহজ হয়। জায়গাটা মোটামুটি ফাঁকা রয়েছে। দৌড়-ঝাপ কম করলেই চলবে। তাকে প্রশ্ন করলাম বলুন তো সাতক্ষীরা সদর আসনে কয়টি ইউনিয়ন রয়েছে। একটু অপ্রস্তুত হলেন ওই রাজনীতিবীদ।

থমকে গিয়ে বললেন —–বোঝেন তো সাংবাদিক সাহেব ——অনেক দিন ঢাকাতে। এলাকায় যায় তো কম—–। তবে ভোট আর একটু কাছাকাছি আসলে দেখবেন প্রায় এলাকায় থাকবো———-। এবার সাতক্ষীরায় এসে আপনাদের সাথে ( সাংবাদিকদের সাথে) দেখা করবো———।

আরো কিছু প্রশ্ন করলাম ওই রাজনীতিকের কাছে। সাতক্ষীরার বর্তমান সমস্যা, সড়ক যোগাযোগ, বাইপাস সড়ক, মেডিকেল কলেজের সমস্যা, আইলা দুর্গত মানুষের অবস্থা, জেলার স্বাস্থ্য সেবা —-ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য সাতক্ষীরা সম্পর্কে তার কোন ধারণাই আছে বলে আমার মনে হলো না।

প্রিয় পাঠক, এই রাজনীতিবীদ কে ? (একটু চিন্তা করেন পেয়ে যাবেন)।

কি বলবেন উনাকে ? কি উপাধিবা দিবেন তাকে ?

যাই বলেন না কেনা আমাদের প্রত্যাশা রাজনীতি হোক এলাকার গণমানুষের জন্য রাজনীতি। রাজনীতি হোক এলাকার উন্নয়নের রাজনীতি। রাজনীতি না হোক নিজের আখের গোছানোর রাজনীতি।
এম. কামরুজ্জামান : ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট এটিএন বাংলা/ দৈনিক সমকাল ও সম্পাদক, ভয়েস অব সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাঁশদহে সুধী সম্মানে সাংবাদিকের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

বাঁশদহা  প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১নং বাঁশদহা ইউনিয়নে সুধীজনের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরার বহুল প্রচারিত ‘ দৈনিক দৃষ্ঠিপাত ’ প্রত্রিকার ও আজকের সাতক্ষীরা প্রত্রিকার ইউনিয়ন প্রতিনিধির উদ্দ্যোগে উক্ত ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার বিকাল ৫.৩০ টায় রেউই বাজারস্থ কৃষি বাংক চত্ত্বরে দৈনিক দৃষ্ঠিপাত এর সাংবাদিক অহিদুজ্জামান লাভলুর সভাপতিত্¦ে ও সাংবাদিক জুলফিকার আলীর ব্যবস্থাপনায় ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পাটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শরিফুল ইসলাম বিপুল, ইউনিয়ন জাতীয় পাটির সভাপতি আমিনুর রহমান, ইউনিয়ন আ, লীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মফিজুর রহমান, প্রধান শিক্ষক এস, এম রেয়াজ হোসেন, মাস্টার নাজমুল হুদা রেজা, মাস্টার শফিউর রহমান, মাস্টার মহাসিন হোসেন, ডাঃ আল- মামুন, সাবেক মেম্বর রাহাতুল্ল্যা সরদার, যুবলীগ নেতা এম, মশিউর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের সহÑ সভাপতি অহেদ আলী, এনজিও কর্মকর্তা বদরুজ্জামান, আমিনুল ইসলাম রাসেল সাংবাদিক জাহিদ হুসাইন প্রমুখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা আ,  লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাস্টার মোস্তফা আবুল বাসার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাতে জরুরি বিভাগ খোলা থাকলেও ডাক্তারের দেখা নেই কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ২লাখ ৬০হাজার মানুষের এক মাত্র চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র ৫০শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটিতে এখন ডাক্তার সংকট থাকায় বিপাকে পড়েছে উপজেলার সাধারন মানুষ। বর্তমানে হাসপাতালে মাত্র ৬ জন ডাক্তার কর্মরত আছেন। ফলে হাসপাতালটিতে চিকিৎসা ব্যবস্থা কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে এবং উপজেলার অসহায় জনসাধারণ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকার স্বাস্থ্য সেবা যখন মানুষের দার প্রান্তে পৌছে দেয়ার কাজ করছে! ঠিক সেই সময়ে হাসপাতালে ডাক্তার সংকট ও অসাধু ডাক্তারদের সেবা বিমুখ হওয়ায় উপজেলার অসহায় মানুষেরা তাদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কলারোয়া সরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, হাসপাতালে ডাক্তারের মধ্যে একের পর এক বদলি হয়ে যাওয়ার ২৫জন  ডাক্তারের পদ খালি হয়ে গেছে। সংশিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান কর্মরত ৬ জন ডাক্তারের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তিন শিফটে জরুরি বিভাগে ডিউটির জন্য দুই জন ডাক্তার দ্বায়িত্বে থাকেন এমন পরিস্থিতিতে দাতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত গর্ভবতী মায়েদের সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম ডাক্তার সংকটের কারণে ১০ মাস বন্ধ রয়েছে। অর্থাৎ হাসপাতালে ২০৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদের বিপরীতে বর্তমানে ৭১ টি পদ শূন্য। সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা সদর থেকে ১৮/২০কিলোমিটার দূরের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রোগী এসে কয়েক ঘন্টা বসে থাকলেও ডাক্তারের সাথে দেখা করতে পারছে না। এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে অধিকাংশ রোগী বিরক্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী ও সদরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে। এমনকি রাতে জরুরি বিভাগে দুই জন ডাক্তার কর্মরত থাকার নিয়ম থাকলেও রাতে হাসপাতাল পরিদর্শকালে (রাত) সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালে যেয়ে কোন ডাক্তারের দেখা পাওয়া যায়নি। এ সময় জরুরি বিভাগে কয়েকজন রোগী বসে থাকলেও ডাক্তার না পাওয়ার কারনে এসব রোগীরা সদরের ক্লিনিকে যেতে দেখা যায়। অপরদিকে জরুরি বিভাগে দুই জন ডাক্তার গোপাল চন্দ্র এবং সহকারি মেডিকেল অফিসার পিয়াস কুমার দাস এর নাম লেখা থাকলেও তাদের কোন দেখা পাওয়া যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী জানান, সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারদের এরকম অবহেলার কারণে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা রোগীরা অন্য বেসরকারি ক্লিনিকে সেবা নিয়ে থাকে। পাশের ক্লিনিকে ডাক্তারদের নামের বাহারী সাইনেেবার্র্ড লাগিয়ে রোগীদের কাছ থেকে গলা কাটা ফিস আদায় করে চিকিৎসা নিতে বাধ্য করছেন গ্রামের অসহায় এসব রোগীরদের। এছাড়া হাসপাতালে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং দরকারের বাড়তি ওষুধ লেখারও অভিযোগ করেন ডাক্তারদের বিরুদ্ধে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার শফিকুল ইসলাম চিকিৎসা ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, চাহিদার তুলনায় এত কম ডাক্তার দিয়ে হাসপাতাল চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন আউট ডোরে দুই শতাধিক বা তার চেয়েও বেশী রোগী দেখা হয়। তারপরেও অনেক রোগী ভোগান্তির শিকার হ্েছন। প্রসঙ্গত: গত ২২ জুন জরুরি বিভাগে দুই জন রোগী পৌর সদরের ঝিকরা গ্রামের আমেনা খাতুন সারা দিন রোজা রেখে রাতে হঠাৎ অসুুস্থ হয়ে পরলে তাকে পরিবারের লোকজন অসুুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এসময় জরুরি বিভাগে কোন ডাক্তার না থাকায় সে আধা ঘন্টা অপেক্ষা করে চলে যায় অন্য ক্লিনিকে। পাশের ক্লিনিকে রাতে চিকিৎসা নিয়ে পরদিন সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে যায়। অপরদিকে দক্ষিণ মুরারীকাটি গ্রামের সফুরা খাতুন ডায়রিয়া ও সর্দ্দি জরে আক্রন্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে দেখেন একই চিত্র ডাক্তার নেই। রাতে জরুরি বিভাগ খোলা থাকলেও ডাক্তাররা ঠিকমত থাকেন না দ্বায়িত্বে, আবার তাদের চেয়ারগুলো ফাঁকা দেখা যায়। ওই দিন হাসপাতালে গিয়ে জরুরি বিভাগে ডাক্তাদের না পেয়ে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার গোপাল চন্দের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, বিশ্রামের জন্য রুমে আছি। হাসপাতাল থেকে তো আর বাহিয়ে যায়নি। হাসপাতালে তখন দুুই রোগীরা সেবা নিতে আসলে বিষয়টা তার জানা নেই বলে জানান। এদিকে অপর ডাক্তার সহকারি মেডিকেল অফিসার পিয়াস রাতে হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবিষয়ে পরে আপনাদের সাথে কথা হবে বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম সাতক্ষীরা’র উদ্যোগে ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প উদ্বোধন ও অসহায় দুস্থদের মাঝে সেমাই চিনি বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামমের মুনজিতপুরস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে এ স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পের উদ্বোধন ও সেমাই চিনি বিতরণ করা হয়। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে এ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম সাতক্ষীরার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এসময় ১০০ জন অসহায় দুস্থ পরিবারের মাঝে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সেমাই চিনি বিতরণ করা হয় এবং ডা. মো. মনিরুজ্জামানের তত্বাবধানে ফ্রি চিকিৎসা সেবা করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, ডা. ফাহমিদা জামান, আব্দুল খালেক, রফিউদ্দিন, এম.এম মজনু, আব্দুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest